All posts by lutfor

কর ফাঁকির মামলায় মরিনহোর জরিমানা ও কারাদণ্ড

কর ফাঁকির মামলায় রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক কোচ হোসে মরিনহোকে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে তাকে ২.২ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা করেছেন স্পেনের একটি আদালত।

জানা যায়, ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত থাকা রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক এ কোচ ২০১১ ও ২০১২ সালে ৩.৩ মিলিয়ন ইউরো কর ফাঁকি দেন।

ফুটবলের গোপন তথ্য ফাঁস করতে কাজ করা ‘ফুটবল লিকস’ ২০১৬ সালে মরিনহোর কর ফাঁকির ব্যাপারটি প্রকাশ করে।

গেল বছর মরিনহোর বিরুদ্ধে মামলা করেন স্পেনের কৌঁসুলিরা। এক বছর তদন্ত চলার পর মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করা হয়।

অবশ্য এ রায়ে তাকে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না। কারণ স্পেনের আইন অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা ব্যতীত প্রথমবার দুই বছর বা তার কম সময় কারাদণ্ড পেলে জেলে যেতে হয় না অপরাধীকে।

সাবমেরিন ক্যাবলে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পেল সন্দ্বীপবাসী

জনগণের দোরগোড়ায় আলোর পসরা নিয়ে যাচ্ছে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় সাগরের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা পেল দেশের মূল ভূ-খণ্ড থেকে বিছিন্ন চট্টগ্রামের সন্দ্বীপবাসীরা। বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সন্দ্বীপে প্রায় ৪ লাখ মানুষ বসবাস করেন। দ্বীপটি এতদিন একপ্রকার বিদ্যুৎ সুবিধার বাইরে ছিলেন। এবার সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিড থেকে তারা সরাসরি বিদ্যুৎ পেলেন। শুধু বিদ্যুৎ নয়, এখন থেকে তারা সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ইন্টারনেট সুবিধাও পাবেন।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগরের তলদেশ দিয়ে সাবমেরিন কেবল স্থাপন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সমুদ্রের তলদেশে সন্দ্বীপ চ্যানেলে ভূ-পৃষ্ঠ গতে ১০ থেকে ২০ ফুট গভীরতায় দুটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্যাবল নেটওয়ার্ক সমুদ্র তীরবর্তী চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড অংশে ও সন্দ্বীপ চ্যানেলে যুক্ত করা হয়েছে। উপকূল থেকে ১৬ কিলোমিটারের দুটি ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সদ্বীপে এ সংযোগ দেয়া হয়েছে।

সন্দ্বীপ ছাড়াও সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত নতুন ৯টি গ্রিড উপকেন্দ্র এবং ১২টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শিক্ষা খাতে দুই হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে ইইউ

শিক্ষা খাতে সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশকে ২০ কোটি ৫০ লাখ ইউরো (প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা) দিচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।মঙ্গলবার ঢাকায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ সরকার ও ইইউর মধ্যে এসংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় অর্থায়ন চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, মানবসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি-২০২১ কর্মসূচিতে ইইউ এই অর্থায়ন করবে। ইইউর পক্ষে ঢাকায় ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান ও রাষ্ট্রদূত রেঞ্চা টিয়েরিংক ও বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ চুক্তি সই করবেন।

২০ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর ওই কর্মসূচির মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য ইইউ ১৫ কোটি ইউরো এবং কারিগরি, কর্মমুখী শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে পাঁচ কোটি ইউরো এবং উভয় খাতের জন্য আরো ৫০ লাখ ইউরো সম্পূরক সহায়তা দিচ্ছে।

নতুন প্রকল্পে এডিবি সহযোগিতা করবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা। এডিবি দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রকল্পে সহযোগিতা করছে। সামনে আরো নতুন নতুন প্রকল্প ও নতুন এলাকায় এডিবি সহযোগিতা করবে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শেরে-বাংলা নগরের মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এসেছেন আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য। তারা আমাদের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুব স্বাভাবিক। দিন দিন আমাদের সম্পর্ক অর্থনৈতিক দিকে আরো উন্নতি করছে।

তিনি বলেন, এডিবি চায় তাদের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক বাস্তাবায়ন। আমরাও প্রকল্প বাস্তবায়ন বাড়িয়ে দিয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি, নতুন সরকার আরম্ভ করেছে। এই সরকারের সময়ও তাদের সাহায্য, সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। যেসব প্রকল্পে আমরা তাদের সহযোগিতা পাচ্ছিলাম, এগুলো চলমান থাকবে। পাশাপাশি নতুন এলাকায়ও আমরা তাদের সহযোগিতা পাব। আমরা সেগুলো আলাপ করেছি বলেও জানা তিনি।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি শাজাহান খান

মন্ত্রিসভায় ঠাঁই না পাওয়া সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহাজান খান একাদশ সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবেও থাকছেন।

মঙ্গলবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকে চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কমিটি গঠন করেন। এ ছাড়া আরো তিনটি কমিটি গঠন করা হয়। এ নিয়ে ১০টি সংসদীয় কমিটি গঠন করা হলো।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ. মইন উদ্দীন খান বাদল, রাজি উদ্দিন রাজু, রফিকুল ইসলাম, এ বি তাজুল ইসলাম, কাজী ফিরোজ রশীদ, এ কে এম রহমতুল্লাহ ও ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল।

এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে আফসারুল আমীনকে। এ কমিটির সদস্যরা হলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, আবদুস কুদ্দুস, এ কে এম মাজাহারুল কামাল, ফজলে হোসেন বাদশা, আবদুস সোবহান মিয়া, এম এ মতিন, গোলাম কিবরিয়া টিপু ও মাহী বদরুদোজা চৌধুরী (মাহী বি. চৌধুরী)।

পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সাবের হোসেন চৌধুরীকে। এই কমিটির সদস্যরা হলেন মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, আনোয়ার হোসেন, মোজাম্মেল হোসেন, দীপঙ্কর তালুকদার, নাজিম উদ্দীন আহমেদ, জাফর আলম, রেজাউল করিম বাবলু।

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিপির সভাপতি হিসেবে থাকছেন আগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম। সদস্য থাকছেন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, শাজাহান খান, মাজহারুল হক প্রধান, রনজিত কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, এম আব্দুল লতিফ, সামির আহমেদ শিমুল, আসলাম হোসেন ও এস এম শাহজাদা।

আজ মঙ্গলবার সংসদ নেতা শেখ হাসিনার পক্ষে প্রধান হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধ ও পরিবেশ ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির গঠনের প্রস্তাব সংসদে তোলেন। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

শিক্ষকদের সরকারবিরোধী স্ট্যাটাসে শেয়ার-লাইক না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক স্ট্যাটাস না দিতে এবং এই ধরনের স্ট্যাটাসে মন্তব্য, শেয়ার বা লাইক না দিতে প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষক-কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি স্কুল কলেজ এবং প্রাথমিকের শিক্ষকদের একাধিক গ্রুপ রয়েছে ফেসবুকে। এসব গ্রুপে শিক্ষকরা সরকারের সমালোচনা করে আজেবাজে মন্তব্য করেন। এতে করে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। বিষয়টি সরকারে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নজরে আসায় এ ধরনের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এতে আরো বলা হয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৬’ এর আলোকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষাসংক্রান্ত সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক স্ট্যাটাস বা মন্তব্য প্রদান ও শেয়ার করা হতে বিরত থাকতে প্রাথমিক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সব শিক্ষক-কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সবাইকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন: আ’লীগের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ শুক্রবার

একাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়ে গেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী শুক্রবার এ তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।

১৫১০টি আবেদনপত্র চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ৪৩টি আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠক শেষে এ তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে। ক্ষমতাসীন এ দলের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের একাধিক সদস্যের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে এসব তথ্য।

গণভবন সূত্রে জানা যায়, সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এমপি হওয়ার আশায় ১৫১০ আবেদনপত্র জমা পড়ে। আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ ও সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী; অভিনেত্রী, হিজড়াসহ বিভিন্ন পেশাজীবী নারীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এ ছাড়া সমাজে বিশেষ অবদান রাখা নারীনেত্রী এবং প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতাদের সহধর্মিণী ও সন্তানরা সংরক্ষিত আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্যাতিত নারীও কিনেছেন এ ফরম।

এসব আবেদনপত্র চুলচেরা বিশ্লেষণ করে আওয়ামী লীগের জন্য বরাদ্দকৃত ৪৩টি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৪৩ জনের নামের একটি খসড়া তালিকা চূড়ান্ত করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।

এ ক্ষেত্রে তিনি বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্ট এবং দলের নিজস্ব জরিপকে গুরুত্ব দিয়েছেন। পাশাপাশি দশম জাতীয় সংসদে বঞ্চিত ২৫ জেলাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

দশম সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন না পাওয়া ২৫ জেলার জন্য ২৫টি আসন রাখা হয়েছে। ঢাকায় এবার দুটি আসন কমিয়ে ৬টি করার চিন্তা করা হচ্ছে। সে হিসাবে বাকি ১২টি আসনে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত মুখ, বিভিন্ন পেশাজীবী ও আলোচিত নারী এবং পুরনোদের মধ্য থেকে মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, বিভিন্ন জরিপ সংস্থার রিপোর্ট ও প্রার্থীর পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত দেখে যোগ্যদেরই চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, সংরক্ষিত আসনে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার একমাত্র এখতিয়ার আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

তিনি অনেক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে যোগ্যতম প্রার্থী বাছাই করছেন। সময়মতো এ তালিকা প্রকাশ করা হবে।

এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি সাংবাদিকদের বলেন, ত্যাগী ও দলের জন্য অবদান আছে- এমন প্রার্থীর মনোনয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

পাশাপাশি যারা এবারের নির্বাচনী প্রচারে কাজ করেছেন, তারাও মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কেউ কেউ এ মনোনয়ন পেতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ৪ মার্চ ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। রোববার কমিশনসভা শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, এ নির্বাচনে অংশ নিতে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১২ ফেব্রুয়ারি ও প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনে ভোটের জন্য একটি দিন নির্ধারণ করে রাখা হলেও ফল জানা যাবে তার আগেই। ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের বিপরীতে দল ও জোটগতভাবে সমানসংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হবে।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। প্রতি ৬টি আসনের বিপরীতে যে কোনো দল বা জোট ১টি সংরক্ষিত আসন পেয়ে থাকে। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার ৫০টি সংরক্ষিত আসন বণ্টন করা হবে।

এদিকে ইসি সচিব জানিয়েছেন, আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে এবার আওয়ামী লীগ ৪৩টি, জাতীয় পার্টি ৪টি, বিএনপি ১টি, অন্যান্য দল ১টি (ওয়ার্কার্স পার্টি) ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জোটভুক্ত হয়ে ১টি সংরক্ষিত আসন পাবেন।

প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এক অন্যরকম ও উন্নত বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরতে সরকার কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ার কাজ চলছে।

বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ১২টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন। এছাড়া, ছয়টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও ৯টি গ্রিড উপকেন্দ্র এবং সন্দ্বীপের বিদ্যুৎ সংযোগ উদ্বোধন করেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বাংলাদেশে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা হবে। এখন আর বিদ্যুতের জন্য গ্রাহকদের গুরতে হয় না। বরং সংযোগ পৌঁছে যাচ্ছে গ্রাহকদের কাছে।

তিনি আরও বলেন, উন্নত ‍ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সরকার বদ্ধ পরিকর। এর জন্য সুনির্ধারিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার।

কোনোভাবে প্রশ্নফাঁস করা সম্ভব নয়: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

কোনোভাবে প্রশ্নফাঁস করা সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সারাদেশে নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজনে তীক্ষ্ম গোয়েন্দা নজরদারি বসানো হয়েছে। তাই কোনোভাবে প্রশ্নফাঁস করা সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আজ শনিবার রাজধানীর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এমন মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা যে সকল নির্দেশনা দিয়েছিলাম তার সবকটি অনুসরণ করা হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নবাক্স খোলা হয়েছে। সারাদেশে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল পেপারে মোড়ানো প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে। দেশের সকল স্থানে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত কোথাও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা একেবারে নকল ও প্রশ্নফাঁস মুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা শেষ করতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি। পূর্বের চাইতে এবার আমরা আরও কঠোর অবস্থানে রয়েছি। তাই প্রশ্নফাঁস বা তার গুজব ছড়ালে তারা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়বে।। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। তাই এমন ন্যাক্কারজনক কাজের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে কেউ রেহাই পাবে না।

এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে উত্তরা পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও দফতর সংস্থার কর্মকর্তারা। কেন্দ্র পরিদর্শনের পর শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে পরীক্ষাসংক্রান্ত সার্বিক দিক তুলে ধরেন।

খালি পায়ে হাঁটা বিষয়ে যা বলেছেন প্রিয় রাসুল (সা.)

হাঁটাহাঁটি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তবে খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা সম্পর্কে আমরা অনেকের জানি না। প্রায় সাড়ে চৌদ্দ শ বছর আগে আমাদের প্রিয় রাসুল (সা.)-ও খালি পায়ে হাঁটার জন্য আদেশ দিয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, খালি পায়ে হাঁটলে রক্তচাপ কমে। পায়ের নিচের স্নায়ুগুলো বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। রক্ত ঘন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও কমে যায়। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়।

মানসিক প্রশান্তি আসে। এতে ঘুম অনেক ভালো হয়। মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা নিউরণগুলো বেশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন একদিকে যেমন স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, তেমনি বুদ্ধিও বাড়তে শুরু করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। ঘাসের ওপর খালি পায়ে হাঁটলে পায়ের নিচে একাধিক নার্ভগুলো সক্রিয় হয়ে শরীরের মধ্যে ইতিবাচক শক্তি তৈরি করে। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।খালি পায়ে হাঁটা উপকারিতা সম্পর্কে রাসুল (সা.) বিভিন্ন হাদিসে সে প্রসঙ্গে আলোচনা এসেছে। এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) মাঝেমধ্যে খালি পায়ে হাঁটার নির্দেশ দিয়েছেন। (সুনানে নাসাঈ, হাদিস নং : ৪১৬০; মুসনাদ আহমাদ, হাদিস নং : ২৩৯৬৯)

হাদিসের ব্যাখ্যা গ্রন্থে বলা হয়েছে, ‘মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটলে বিনয় আসে, অহমিকা দূর হয় এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।’ কিন্তু এক পায়ে জুতা পরিধান করে অন্য পা খালি রেখে হাঁটতে নিষেধ করা হয়েছে হাদিসে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যেন এক পায়ে জুতা পরে না হাঁটে। হয়তো উভয় পায়ে জুতা পরে হাঁটবে নয়তো উভয় পায়ের জুতা খুলে হাঁটবে।’ (বোখারি, হাদিস নং : ৫৮৫৫, মুসলিম, হাদিস নং : ২০৯৭)