=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এ কী অদ্ভুত সাজে প্রিয়াঙ্কা ও দীপিকা!

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
মে ১০, ২০১৯
news-image

সোশ্যাল মিডিয়াতে একটাই খবর। নিউ ইয়র্কের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অফ আর্টে অনুষ্ঠিত মেট গালায় এ কোন সাজে বলিউড নায়িকারা! ওই অনুষ্ঠানে লাল গালিচায় হেঁটে আসা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং দীপিকা পাডুকোনের সাজ এখন ভাইরাল। বিশেষ করে প্রিয়াঙ্কার।এই বছর, এই নিয়ে তৃতীয়বার মতো মেট গালায় যোগ দিচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা। এবার তার সঙ্গী স্বামী নিক জোনাসও। দম্পতির সাজ বলাবাহুল্য একেবারে অন্যরকম ও অদ্ভুত। প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার পরণে একটি পালকের স্তরের পোশাক এবং নিক জোনাসের পরণে পুরনো দিনের স্টাইলের সাদা স্যুট।অন্যদিকে, দীপিকা পাডুকোন পরেছিলেন একটি জ্যাক পোসেন কাস্টম মেটালিক গোলাপী গাউন বেছে নিয়েছেন। প্রিয়াঙ্কার হেয়ার স্টাইলিস্টরা মুকুটের মতো একটি অলঙ্কার দিয়ে প্রিয়াঙ্কার চুল কোঁকড়ানো করে দিয়েছিলেন এবং দীপিকার স্টাইলে ছিল উঁচু করে পাফ করা পনিটেল।এখানে চলতি বছরের মেট গালায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং দীপিকা পাডুকোন ছবি রইল কিছু। ৩৬ বছর বয়সী অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া নেটের একটি গাউন, যেটা আবার থাই হাই স্লিটযুক্ত, সঙ্গে নকশা করা পালকের হেমসমেত পোশাক পরেছিলেন। পুরো পোশাকের সঙ্গে একটি পাতলা ফিনিফিনে জ্যাকেটও পরেছিলেন। প্রিয়াঙ্কার মেকআপ ও পোশাক দুই নিয়েই বিস্তর হাসাহাসি করেছেন নেটিজেনদের একাংশ।গত দুই বারই নিরাপদ ম্যাচ খেলেছেন দীপিকা পাডুকোন, এই বছর একটি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তিনিও। তার পোশাকের চেয়েও তার অতিরঞ্জিত মেকআপ ছিল চোখে পড়ার মতো। দীপিকার স্টাইলিস্টদের দল ঠোঁটের রঙ হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন গাঢ় রঙ এবং চোখের মেকআপে ব্যবহার করেছিলেন গ্লিটার।এই বছর মেটা গালার থিম ছিল ১৯৬৪ সালে আমেরিকান লেখক সুসান সোন্তগের লেখা প্রবন্ধ, ‘নোটস অন ক্যাম্পে’র উপর ভিত্তি করে এবং থিমটির পোশাকি নাম ছিল ‘ক্যাম্প: নোটস অন ফ্যাশন’।মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টের কস্টিউম ইনস্টিটিউটের প্রধান কিউরেটার অ্যান্ড্রু বোল্টন সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেন, “ক্যাম্পটির বৈশিষ্ট্যই হল বিপর্যয়কর অবস্থা। তথাকথিত স্টেটাসের মুখোমুখি হওয়া এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা…এবং শেষমেশ, ক্যাম্পের উদ্দেশ্য আমাদের মুখে হাসি ফোটানো এবং আমাদের অন্তরে আনন্দের উষ্ণতা নিয়ে আসা।”