All posts by lutfor

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুজব ছড়ানোর বড় প্লাটফর্ম: তথ্যমন্ত্রী

অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন গুজব ছড়ানোর বড় প্লাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার রাজধানীর কসমস সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। খবর ইউএনবির

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটি (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম) শুধু দেশে নয়, বিদেশে অবস্থান করেও অন্যের বিরুদ্ধে লেখা ও গুজব রটানো সম্ভব । তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম শুধু বাংলাদেশের চিন্তার বিষয় নয়। এটিকে এখন বৈশ্বিকভাবে নিয়ম-নীতির মধ্যে আনার সময়ে এসেছে।’

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশে গণমাধ্যমের বিস্তৃতি ঘটেছে। এর সাথে পাল্লা দিয়ে মিথ্যা সংবাদও বেড়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেরও বিপ্লব ঘটেছে।

বাংলাদেশে এখন প্রায় আট কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, অবাধ এই ইন্টারনেটের যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারও বেড়েছে।

এই অবস্থায় সাংবাদিকদের সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসম্পাদিত সংবাদ বাড়ার ফলে এখন আপনাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।

ড. হাছান বলেন, ‘দায়িত্বে থাকলে ভুল হতে পারে। দায়িত্বে না থাকলে ভুল হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আপনারা ভুলের গঠনমূলক সমালোচনা করেন। গঠনমূলক সমলোচনা কাজকে শাণিত করে। কিন্তু সমালোচনা অন্ধ হলে আমাদের হতাশ করে।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা নবম মজুরি বোর্ড (ওয়েজবোর্ড) নিয়ে কাজ করছি। গণমাধ্যম নীতিমালা তৈরি হয়েছে। এটাকে আইনে পরিণত করতে হবে।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সাথে দায়িত্বশীলতা ওতপ্রোতভাবে জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র, সমাজ ও দেশের কল্যাণে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা এক সঙ্গে থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।

জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি আনলেই বিদ্যুৎ সংযোগ

রাজধানীর নিম্ন আয়ের মানুষকে সহজ শর্তে তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার প্রকল্প হাতে নিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)। এ জন্য শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র ও ১ কপি ছবি প্রয়োজন হবে। প্রাথমিক অবস্থায় মগবাজার টিঅ্যান্ডটি বস্তিতে এ সংযোগ দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে ডিপিডিসির অন্যান্য এলাকায়ও এ সংযোগ দেয়া হবে।

বুধবার ডিপিডিসির এনওসিএস মগবাজার বিভাগে এ সংযোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ছিলেন ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান, নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন) এটিএম হারুন-অর রশীদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর তাৎক্ষণিকভাবে ৩০টি নতুন সংযোগের ডিমান্ড নোট ইস্যু করা হয়।

তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যতে ডিপিডিসির আওতায় সব নিুআয়ের জনগোষ্ঠীকে বিদ্যুৎ প্রদানসহ নিরবচ্ছিন্নভাবে মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। নিুআয়ের জনগোষ্ঠীকে সহজে বিদ্যুৎ দেয়ার মাধ্যমে তাদের জীবনযাত্রার মানবৃদ্ধিসহ মৌলিক অধিকার পূরণে সহায়তা করা হবে।

ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ২০২১ সালের মধ্যে দেশে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দেয়ায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ কর্মসূচির আওতায় সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীকে বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেয়ার জন্য সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাজধানীর নিুআয়ের মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার জন্য এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে আদাবর এলাকার দ্বীপনগর (বেড়িবাঁধ) বস্তি ও তেজগাঁও এলাকার সাততলা বস্তিতে এই কার্যক্রমের আওতায় কিছু মানুষকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছিল। এটি অব্যাহত থাকবে।

একুশে গ্রন্থমেলায় হিরো আলমের বই

এবার একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশ হতে যাচ্ছে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের বই। জীবনী বিষয়ক তার এই গ্রন্থের নাম ‘দৃষ্টিভঙ্গি বদলান আমরা সমাজকে বদলে দেবো’।

হিরো আলমের লেখা বইটি সম্পাদনা করেছেন সৌরভ আলম সাবিদ। এটি বাজারে আনছে তরফদার প্রকাশনী। অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৯৬ নম্বর স্টলে পাওয়া যাবে বইটি। আগামী ১১ তারিখ থেকে হিরো আলম নিজেই স্টলে বসে অটোগ্রাফ দেবেন ভক্তদের- এমনটাই জানালেন সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচিত এই তারকা। হিরো আলম বলেন, আমার বই কেউ কিনবে নাকি কিনবে না সেটা বড় কথা না। আমি সকলকে অনুরোধ করবো বইটি একবার হলেও পড়া উচিত, না কিনলেও অন্তত খুলে পড়ে দেখবেন।

আমাকে নিয়ে সবাই অনেক হাসি ঠাট্টা করেন ট্রল করেন কিন্তু পর্দার ওপারে হিরো আলম কে কয়জন চেনেন? তিনি আরও বলেন, আমার জীবন কত কষ্টের মধ্যে দিয়ে পার হয়েছে, আমি কতটুকু পরিশ্রম করেছি সেটা শুধু আমি জানি। আমার পর্দার পেছনের ঘটনাগুলো জানলে আজ হয়তো আপনারা আমাকে নিয়ে ট্রল করতেন না।

যাই হোক, আপনারা যদি দৃষ্টিভঙ্গি না বদলান তাহলে আমাদের সমাজ এবং দেশ কখনোই বদলাবে না। আমি হিরো আলম হয়তো মারা যাবো কিন্তু আমার লেখা বইটি থেকে যাবে এবং একদিন না একদিন আমার এই লেখাগুলো আপনাদেরকে কাঁদাবে কথা দিলাম।

কোচিং বাণিজ্য বন্ধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়

কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের করা নীতিমালা বৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এই রায়ের ফলে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মোখলেসুর রহমান।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা ও এর সঙ্গে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রশ্নে জারি করা রুলের শুনানি শেষ করা হয়। ওই রুলের ওপর রায় ঘোষণা করেন আদালত।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান। এক রিটকারীর পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। অ্যামিকাসকিউরি ছিলেন অ্যাডভোকেট ফিদা এম কামাল।

কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না, সেজন্য সরকার ২০১৮ সালে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ নোটিশ দেয় সরকার।

এসব নোটিশ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকের কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালা-২০১২ নিয়ে শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। আদালত ওই রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই চিঠির কার্যকারিতা চার মাসের জন্য স্থগিত করেন। পাশাপাশি রুল জারি করেন আদালত।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করার অনুমতি চেয়ে লিভ টু আপিল করে। ওই আপিল আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ২০১৮ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চকে এ রুলের নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিল। পরে ২৭ জানুয়ারি রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। ৭ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হয়।

যে দলের নেতাদের ঝুঁকি নেয়ার সাহস নেই তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার : কাদের

বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলে মন্তব্য করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যে দলের নেতাদের ঝুঁকি নেয়ার সাহস নেই, তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির আন্দোলনে মানুষের সমর্থন নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলনের ইস্যু তামাদি হয়ে গেছে। তারা আন্দোলনের ডাক দিলেও জনগণ সাড়া দেবে না।

ইমেজ সংকট কাটানো বিএনপির এখনকার প্রধান কাজ হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের কথা না ভেবে বিএনপি নেতাদের উচিত কীভাবে ইমেজ সংকট কাটাবে সেটি নিয়ে ভাবা।

হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে আর শিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুদক: হাইকোর্ট

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যকলাপে ক্ষোভ প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেছেন, ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে আর শিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুদক।

বৃহস্পতিবার কোচিং সেন্টার নিয়ে শুনানিকালে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এ কথা বলেন।

আদালত বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বড় বড় রাঘববোয়ালদের ধরে এনে ছেড়ে দিয়ে স্কুলশিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দুদক।

যেখানে ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়ে যাচ্ছে, সেখানে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছেন কি যাচ্ছেন না তা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তারা।

দুদক দুর্নীতিবাজ রাঘববোয়ালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না উল্লেখ করে আদালত বলেন, ছোট দুর্নীতির আগে বড় বড় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন। তবেই দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব হবে।

জেনে নিন, দেহের কোথায় তিল থাকলে কি হয়

আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন৷

যে ব্যক্তির ডান হাতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান হন৷ বাঁ হাতে তিল থাকলে তারা ঝগড়াটে স্বভাবের হন ৷ শরীরের কোনও বিশেষ অংশে তিল থাকলে আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় অনেকটাই৷ তবে তিল যে শুধু আপনার শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তা নয়৷

তিলের অবস্থান থেকেও একজন মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায়৷ অনেকে ভাবতে পারেন এটা নিতান্তই একটি কুসংস্কার ছাড়া আর কিছু নয়৷

কিন্তু প্রাচীন সমুদ্র শাস্ত্রে তিল দেখে ভাগ্য নির্ধারণের পদ্ধতি বর্ণনা করা রয়েছে৷ দীর্ঘ গবেষণার পরেই ভারতের পণ্ডিতেরা এই তত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন৷

পুরুষের শরীরের ডান দিকে ও পুরুষের শরীরের বাঁ দিকে তিল থাকলে তা শুভ হিসেবে মনে করা হয়৷ পণ্ডিতেরা জানিয়েছেন শরীরে ১২টির কম তিল থাকা শুভ৷

যাদের ভ্রুতে তিল রয়েছে তাদের প্রায়ই ভ্রমণের যোগ রয়েছে৷ ডান ভ্রুতে তিল থাকলে কোনও ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখের হয়৷ বাঁচ ভ্রুর তিল দুখী দাম্পত্যের লক্ষণ৷

মাথার মাঝ খানে তিল নির্মল ভালসাবার প্রতীক৷ মাথার ডান দিকে তিল থাকলে তা কোনও বিষয়ে নৈপুণ্যের প্রতীক৷ আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল রয়েছে তারা অর্থের অপচয় করেন৷ মাথার ডান দিকে তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন৷ বাঁ দিকের তিল নারাশাপূর্ণ জীবনের সূচক

ডান চোখে চিল থাকলে ব্যক্তি উচ্চবিচার ধারা পোষণ করেন৷ বাঁ চোখের তিল যাদের রয়েছে তাদের ভাবনা চিন্তা তেমন উন্নত নয়৷

যাদের চোখের মণিতে তিল থাকে তারা সাধারণত ভাবুক প্রকৃতির হন৷ চোখের পাতায় যাদের তিল রয়েছে তারা সাধারণত সংবেদনশীল হন৷

তবে যাদের ডানদিনেক চোখের পাতায় তিল রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন৷ যাদের কানে তিল রয়েছে তাদের আয়ু অনেক বেশি থাকে৷

নারী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশেপাশে তিল তাদের সুখী ও ভদ্র হওয়ার ইঙ্গিত দেয়৷ মুখে তিল থাকলে ব্যক্তি ভাগ্যে ধনী হন ও তার জীবনসঙ্গী খুব সুখী হন৷

নাকে তিল থাকলে ব্যক্তি প্রতিভা সম্পন্ন ও সুখী হন৷ যে নারীর নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন৷

যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালবাসা ভরপুর৷ তবে ঠোঁটের নীচে তিল থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র বিরাজ করে৷

গালে লাল তিল থাকা শুভ৷ তবে গালে কোলে তিল অর্থহীনতার প্রতীক৷ কিন্তু ডান গালে তিল থাকলে ব্যক্তি ধনী হন৷

যে নারীর থুতনিতে তিল রয়েছে তারা সহজে লোকের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারেননা৷ তারা সাধারণত একটু রুক্ষ স্বভাবের হয়ে থাকেন৷

ডান কাঁধে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি দৃঢ়চেতা হন৷ যাদের বাঁ কাঁধে তিল রয়েছে তারা অল্পেতেই রেগে যান৷

যাদের হাতে তিল রয়েছে তারা চালাক চতুর হন৷ ডান হাতে তিল থাকলে তারা শক্তিশালী হন৷

আবার ডান হাতের পিছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন৷ বাঁ হাতে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি অনেক বেশি টাকা খরচ করেন৷

আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন৷ যে ব্যক্তির ডান হাতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান হন৷ বাঁ হাতে তিল থাকলে তারা ঝগড়াটে স্বভাবের হন৷

যাদের তর্জনীতে তিল রয়েছে তারা বিদ্বান, ধনী ও গুণী হয়ে থাকেন৷ তারা বেশিরভাগ সময়েই শত্রু দ্বারা সমস্যায় জর্জরিত থাকেন৷ বৃদ্ধাঙ্গুলে যাদের তিল থাকে তারা কর্মঠ, সদ্ব্যলহার ও ন্যায়প্রিয় হন৷

মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন৷ তাদের জীবন শান্তিতে কাটে৷ কনিষ্ঠ আঙুলে তিন থাকলে সেই ব্যক্তি জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও অপরাজেয় হন৷

যে ব্যক্তির কোমরে তিল রয়েছে তাদের জীবনে সমস্যার আনাগোনা থাকে৷
নারীদের ডান দিকে বুকে তিল থাকা শুভ৷ এমন পুরুষও ভাগ্যশালী হন৷ বাঁ দিকের বুকে তিল থাকলে নারী অসহযোগি হন৷ বুকের মাঝখানের তিল সিখী জীবনের ইঙ্গিত দেয়৷

যে জাতকের পায়ে তিল রয়েছে তাদের জীবনে প্রচুর ভ্রমমের যোগ রয়েছে৷ ডান হাঁটুতে তিল থাকলে গৃহস্থজীবন সুখের হয়৷ বাঁ হাঁটুর তিল সংসারে অশান্তি ডেকে আনে৷

যে ব্যক্তির পেটে তিল রয়েছে তারা খুব পেটুক প্রকৃতির হয়ে থাকেন৷ মিষ্টি এই ধরণের মানুষের অত্যন্ত প্রিয়৷ তবে এরা অন্য কাউকে নিজের টাকায় খাওয়াতে একেবারেই পছন্দ করেননা৷

আমার এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে: জেনিফার লরেন্স

অস্কার পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী জেনিফার শ্রাদার লরেন্স (২৮) কবুল করলেন। স্বীকার করে নিলেন বয়ফ্রেন্ড কুক ম্যারোনির সঙ্গে তার এনগেজমেন্ট হয়ে গেছে। বিস্ময়কর সুন্দরী এই নায়িকার এমন সম্পর্ক নিয়ে অনেকদিন ধরেই নানা জল্পনা কল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত নিউ ইয়র্কে তার হাতে দেখা যায় বিশাল একটি আংটি। আর তাতেই ধরা পড়ে যান তিনি। ব্যস, কবুল করে নেন এনগেজমেন্টের কথা। হলিউড জগতে ভীষণ জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। তার ছবি থেকে বিশ্বজুড়ে এ পর্যন্ত আয় হয়েছে ৫৭০ কোটি ডলারের বেশি।

২০১৫ ও ২০১৬ সালে বিশ্বে তিনিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি দামি অভিনেত্রী। ২০১৩ সালে তিনি বিশ্ববিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষের অন্যতম নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৬ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিনের ১০০ সেলিব্রেটির তালিকায়ও ছিল জেনিফার লরেন্সের নাম।

‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি জিতেছেন অস্কার পুরস্কার। একদিকে ব্যবসায় সফল, অন্যদিকে আকর্ষণীয় চেহারা। সব কিছু মিলে তিনি যুবক হৃদয় তো বটেই অসংখ্য বয়সী মানুষের হৃদয়ে কাঁপন ধরিয়ে দেন। তার দিকে হা করে তাকিয়ে থাকেন অসংখ্য পুরুষ। অনেকেই তার পাণি প্রার্থনা করেছেন। কিন্তু জেনিফার সেই স্থানটি সবাইকে দেন নি। গত সপ্তাহান্তে তাকে নিউ ইয়র্কে দেখা গেছে। সঙ্গে আর্ট ডিলার হিসেবে পরিচিত ম্যারোনি (৩৪)। তারা এক সঙ্গে রাতে ডেটিং করতে বেরিয়েছিলেন।

এ সময়ই জেনিফারের হাতে ধরা পড়ে অনেক বড় একটি আংটি। ম্যারোনির সঙ্গে তার প্রথম রোমান্টিকতা শুরু হয় ২০১৮ সালের জুনে। তার পর থেকে এই যুগলকে নিউ ইয়র্কের বহু সামাজিক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেছে। ফলে তাদেরকে নিয়ে চারদিকে ব্যাপক আলোচনা, কানাঘুষা। একজন তথ্যদাতা বলেছেন, এ সময় তাদেরকে দেখে মনে হতো তারা উপভোগ করছেন। লোকজন তাদেরকে নিয়ে কথা বলাবলি করছে- এতে তারা মজা পাচ্ছেন। তবে জেনিফারের হাতের ওই আংটিটি খুবই চোখে পড়ার মতো। তারা একটি রেস্তোরাঁর এক প্রান্তে বসে ছিলেন। প্রথমে একা একা কিছু সময় বসে ছিলেন জেনিফার। এর কিছুক্ষণ পরে সেখানে গিয়ে যোগ দেন ম্যারোনি। জেনিফারের একজন মুখপাত্র তাদের এনগেজমেন্টের কথা স্বীকার করেছেন। তবে কবে তারা বিয়ে করবেন তা নির্ধারিত হয় নি।

উল্লেখ্য, এর আগে জেনিফার লরেন্স চুটিয়ে ডেটিং করেছেন ‘মাদার!’ ছবির পরিচালক ড্যারেন আরোনোফস্কির সঙ্গে। কিন্তু তাদের বয়সের ব্যবধান বিশাল। তাই সেই সম্পর্ক ভেঙে গেছে। ২০১৮ সালে এ সম্পর্ক নিয়ে কৌতুক করেছিলেন জেনিফার। তিনি বলেছিলেন, আমি পরিষ্কার করে বলছি, দীর্ঘদিন ধরে আমি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করি না। আমার একটা সম্পর্ক (রিলেশনশিপ) গড়ে তোলা দরকার, যা ওখানে কঠিন ছিল।

আমরা যেন কুকুরছানা: ম্যারাডোনা

বিভিন্ন সময় বেফাঁস মন্তব্য করে প্রায়ই আলোচনায় এসেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনা। এবার তিনি তীর ছুড়লেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর দিকে।

সাবেক ফিফা সভাপতি সেপ ব্লাটার দুর্নীতির অভিযোগে ছয় বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ার পর তার জায়গায় ২০১৬ সালের নির্বাচনে নতুন প্রেসিডেন্ট হন ইনফান্তিনো। ম্যারাডোনার দাবি, এত বড় পরিবর্তন হলেও ফুটবলারদের প্রতি ফিফার ব্যবহার খুব খারাপ। সে কারণেই কিংবদন্তি ফুটবলারদের নিয়ে ফিফা যে পরিকল্পনা করেছিল, সেখান থেকে সরে গেছেন তিনি।

ম্যারাডোনা বলেছেন, ‘আমাকে কিংবদন্তিদের দলের অধিনায়ক করা হয়েছিল। কিন্তু ইনফান্তিনোকে চিঠি লিখে আমি পদত্যাগ করেছি। কারণ ব্লাটার এবং হুলিয়ো গ্রোন্দোনা চলে যাওয়ার পরও ফিফা একটুও বদলায়নি।’

আর্জেন্টাইন এই কিংবদন্তি আরও বলেন, ‘একবার ওরা আমাকে হোটেলে একই রুমে দু’জনের সঙ্গে থাকতে বলল। আমরা যেন কুকুরছানা। যাদের একটু খেতে দিলেই চলবে। আমাদের মতো সাবেকদের সম্মান জানানোর কোনো ইচ্ছাই ওদের মধ্যে দেখিনি।’

অনিয়ম হলে নির্বাচন বন্ধ : সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘এজেন্টদের নিয়ে সব সময় আপনাদের বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। নির্বাচনে প্রার্থীরা যাতে ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট দেন, সে জন্য তাদের উৎসাহিত করবেন। এজেন্টরা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এজেন্ট থাকা এবং যাওয়ার দায়িত্ব তো আপনারা নিতে পারেন না। সেটা প্রার্থীর বিষয়। প্রার্থীদের উৎসাহিত করবেন, যাতে তাঁরা এজেন্ট দেন। এজেন্টরা যাতে সেখানে নিরাপদে নির্ভয়ে থাকতে পারে, এটা দেখবেন।’

সিইসি আরো বলেন, ‘অনেকে অভিযোগ করেন যে তাঁদের এজেন্টকে কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয়নি। আপনারা (প্রার্থী) যদি না পাঠান, তাহলে কেন্দ্রে এজেন্ট কীভাবে যাবে? পোলিং এজেন্টদের বিষয়ে অভিযোগ আসে যে তাঁদের কেন্দ্রে যেতে দেওয়া হয় না। এর অনেকগুলোই সঠিক না।’

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে সিইসি এসব কথা বলেন।

অনিয়মের সঙ্গে কোনো আপস করা যাবে না জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘যদি কোনো রিটার্নিং কর্মকর্তা মনে করেন যে তাঁর উপজেলায় নির্বাচন করার পরিবেশ নেই, তাহলে সেটা বন্ধ করে দেওয়ার সুপারিশ করবেন। কমিশন সেটা বন্ধ করে দিতে পারবে। আমরা সে অবস্থানে থাকতে চাই।’

‘যদি কখনো কোনো জায়গায় কোনো প্রার্থীর, দলের বা কেউ কারো অতিরিক্ত নিষ্প্রয়োজনীয় আইন ব্যত্যয়কারী কোনো ঘটনা সৃষ্টি করে বা নির্বাচন রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণের বহির্ভূত হয়ে যাবে এমন কিছু হলে পুরো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বন্ধ হবে। কিন্তু নির্বাচনে কোনোরকম অনিয়মের সঙ্গে আপস করা যাবে না।’

সিইসি বলেন, ‘মানুষ ভোট দেবে। ভোটারের পছন্দের প্রার্থী বিজয়ী হবে। প্রার্থী কোন দলের, কোন ধর্মের, কোন বর্ণের সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের নয়। অনেকে বলেন, নির্বাচনের প্রার্থী ম্যাট্রিকের নিচে, তারা দেখতে ভালো না। এটা তো কোনো কথা না। ভোটার যাকে যোগ্য মনে করবেন, তিনিই হবেন তাঁদের নির্বাচিত প্রার্থী।’

কে এম নূরুল হুদা আরো বলেন, ‘বলা হয়ে থাকে যে ভোটারদের ভোট দিতে আসতে দেওয়া হয় না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এ বিষয়টি ভালোভাবে বুঝিয়ে দেবেন। কোনো কোনো জায়গায় ভয়ভীতি দেখানো হয় বা হতে পারে। সেগুলোকে ভালোভাবে নজরদারিতে রাখতে হবে।’

নির্দেশনা দিয়ে সিইসি আরো বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বা পরে এবং নির্বাচনের দিন যাতে কোনো সহিংসতার ঘটনা না ঘটে, এ বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে।’