All posts by lutfor

ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস: বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস আজ ৭ জুন বৃহস্পতিবার। এ উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সকাল সাড়ে ৯টায় প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এরপর কিছুক্ষণ সেখানে নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে কিছু সময় কাটান শেখ হাসিনা। পরে ৯টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ৩২ নম্বর থেকে সংসদের উদ্দেশে রওনা হন।

প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, যুব মহিলা লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সূর্যোদ্বয়ের পর পরই বঙ্গবন্ধু ভবন, দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে এ দিবসটি উদযাপনে আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সব শাখাসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমছে

২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে দাম কমছে পাউরুটি, বনরুটি, হাতে তৈরি বিস্কুট, কেক, দেশীয় মোটরসাইকেল, প্লাস্টিক ও রাবারের চপ্পলের। এছাড়াও ওষুধ শিল্পে কাঁচামাল আমদানিতে খরচ কমবে।

ব্যাংকিং খাতে কর্রোরেট কর কমানো হচ্ছে। ফলে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে পারে সুদ হার। আরও কমবে কৃষিজমিতে রেজিস্ট্রেশনের খরচ।

এছাড়াও কমবে এনার্জি সেইভিং লাইট, টমেটো সস, ফলের জুস, গুড়ো দুধ, শিশু খাদ্য, স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি রেফ্রিজারেটর, এসি, মোটর সাইকেল ও আমদানিকৃত হাইব্রিড গাড়ি ও টায়ারের।

পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট কর ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৭ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এবং তালিকাবর্হিভূত প্রতিষ্ঠানের জন্য ৪২ থেকে কমিয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৫১ মিনিটে দশম জাতীয় সংসদের পঞ্চম এবং নির্বাচনের আগে শেষ বাজেট পেশ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এর আগে মন্ত্রিসভায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রায় ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আবুল মাল আব্দুল মুহিতের ১২তম ও বাংলাদেশের ৪৭তম বাজেট। বাজেটে মোট জিডিপির আকার ২৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৯৩ কোটি।

রোহিঙ্গাদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ থাকছে ২ হাজার কোটি টাকা

আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে অর্থ বরাদ্দের নতুন খাত হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন। এ খাতে সরকার ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে সরকারি অর্থ বরাদ্দের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে পাওয়া যাবে ৫০০ কোটি টাকা, যা সম্পূর্ণ অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে বাজেট প্রণয়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার প্রাক্কালে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে আগামী অর্থবছরের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হারও প্রাক্কলন করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

আগামী অর্থবছরে বাজেটে রোহিঙ্গাদের জন্য যে ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে, সেটি দিয়ে মিয়ানমার থেকে আসা নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ভাসানচরে পুনর্বাসন করা হবে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকার আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্প নেয়া হয়েছে। নৌবাহিনীকে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রকল্পটির মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের নবেম্বর মাস পর্যন্ত।

গত নবেম্বর মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পুনর্বাসন করা হবে। ১ লাখ ৩ হাজার ২০০ মানুষের বসবাসের জন্য ১২০টি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করা হবে। এছাড়া ভাসানচরের অভ্যন্তরে সড়ক, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা, নলকূপ বসানোসহ যাবতীয় অবকাঠামো তৈরি করা হবে। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে এ প্রকল্পে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন, রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দ, বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে বাজেট সহায়তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ, চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেট, আমদানি ও রপ্তানি, রেমিট্যান্স প্রবাহ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক আদায়ের লক্ষ্য থাকবে ২ লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এনবিআর রাজস্ব আদায়ের টার্গেট থেকে ৩২ ভাগ বেশি। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা।

এদিকে এনবিআর থেকে বলা হচ্ছে, আগামী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্য ধরা হচ্ছে, তা অর্জন করা কখনই সম্ভব হবে না। কারণ চলতি বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনী বছরে আগামী বাজেটে নতুন করে কোন কর বা করের হারও বাড়ানো হবে না। তা হলে কীভাবে রাজস্ব আদায় বাড়বে?

বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সরকারকে বলা হয়েছে, সংস্থাটি ৭৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দেবে। এরই অংশ হিসেবে আগামী অর্থবছরে ছাড় করা হবে ২৫ কোটি ডলার। প্রায় এক যুগ পর বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে আবারও বাজেট সহায়তা দেয়া হচ্ছে। পদ্মা সেতুর টেন্ডারে দুর্নীতির অভিযোগ আনার পর থেকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে এই সহায়তা আর দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

দেশেই তৈরী হচ্ছে ইয়াবা, দেখুন ভিডিও

দেশের অভিজাত এলাকা থেকে শুরু করে বস্তি, সকল স্থানেই স্টাডি সার্কেলের মতো গড়ে উঠেছে ইয়াবা সার্কেল। সকলেই যেন বুদ হয়ে আছে বর্ণহীন এই ধোঁয়ার জগতে। কিন্তু তাদের কাছে ধোঁয়ায় মাঝেই যেন রয়েছে এক স্বর্গীয় সুধা।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ শিক্ষার্থী, বহুজাতিক কোম্পানির কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, শিল্পী, মডেল, অভিনেতা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, উচ্চবিত্ত শ্রেণীর গণ্ডি পেরিয়ে তবে এখন এটি ছড়িয়ে পড়েছে সর্বস্তরে, সারাদেশে। এবারের পর্ব ‘ইয়াবার থাবা’ অনুষ্ঠানটি অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য নয়।

দেখুন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইয়াবা সেবনের দৃশ্য। দেশের কোথায়, কিভাবে, কোন মেশিনে তৈরি করা হয় ইয়াবা।

সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে সময়.নিউজের নিয়মিত আয়োজন ‘সময়ের অসঙ্গতি’ দেখুন। এবারের পর্বের নাম ‘ইয়াবার থাবা’।

এবার আপনাকে নতুন ভাষা শেখাবে অ্যানড্রয়েড অ্যাপ

মনের ভাব প্রকাশে অনেকসময় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ভাষা৷ নতুন একটি ভাষাকে আয়ত্ব করা মোটেও সহজ কাজ নয়৷ বিষয়টি সময়সাপেক্ষ এবং ব্যায়বহুল৷ তবে, জ্ঞানের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করতে এবার সাহায্য করবে প্রযুক্তি৷ ঘুরতে যাচ্ছেন? তাহলে চটজলদি শিখে নিতে পারেন সংশ্লিষ্ট জায়গার কয়েকটি আঞ্চলিক ফ্রেজ৷ সবকিছুই এখন আপনার হাতের মুঠোয়৷ আপনার জন্য রইল ৫ টি অ্যাপের হদিস৷ যেখানে বিনামূল্যে শিখতে পারবেন নতুন ভাষা৷

১) Kings Learning-অ্যাপটি মূলত ইংরাজী কথোপকথনের উপর গুরুত্ব আরোপ করে থাকে৷ স্টুডেন্টস থেকে পেশাদার সকলের জন্যই অ্যাপটি যথেষ্ট কার্যকরী৷ এটি ইউজারদের শব্দভাণ্ডারকে বাড়াতে সহায়তা করবে যা ভবিষ্যতে কর্মজীবনে তাদেরকে সাহায্য করবে৷

২) Duolingo- প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে নতুন কিছু শব্দকে শিখতে সাহায্য করবে অ্যাপটি৷

৩) Memrise- গ্রামারের জ্ঞান, কথোপোকথন, আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলার ভঙ্গি সবকিছুই পেয়ে যাবেন একই অ্যাপের মধ্যে৷ নেটিভ স্পীকারের ভিডিও, বিশেষঞ্জদের মতামত সবকিছুই মিলবে এখানে৷

৪) Busuu-১২টি ভাষা একসঙ্গে শেখার সুযোগ পাবেন ইউজাররা এখানে৷ সমস্ত ধরণের লেভেলের কোর্স থাকছে৷ একেবারে প্রাথমিক থেকে হাই লেভেলের কোর্স থাকছে৷

৫) Babbel-এই অ্যাপের অনলাইন কোর্সগুলি আপনার গ্রামার সহ নতুন নতুন স্কিল শিখতে সাহায্য করবে৷ এছাড়া, উচ্চারণ সঠিক করার জন্য বিশেষ অপশন থাকছে এখানে৷ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কীভাবে কথা বলতে হয়, অ্যাপটির মাধ্যমে তার প্রশিক্ষণ বিনামূল্য পাবেন ইচ্ছুক ইউজাররা৷

ভুয়া ৫৮ কোটির বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে ফেসবুক

২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তিন মাসে ৫৮ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। একই সঙ্গে এসময়ে তারা সরিয়ে নিয়েছে ৮৬ কোটিরও বেশি পোস্ট।

মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিভিত্তিক কোম্পানিটির পক্ষ থেকে প্রথমবারের মতো ৮৬ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে ফেসবুক বলছে, এই বছরের প্রথম তিন মাসে ৫৮ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া অ্যাকাউন্ড বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, তাদের যোগাযোগ মাধ্যমে থাকা অ্যাকাউন্টের ৩ থেকে ৪ শতাংশ ভুয়া।

প্রতিবেদনে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, গ্রাফিক্স সহিংসতা, বিকৃত যৌনতা, সন্ত্রাসবাদ, বিদ্বেষী প্রচারণা, স্পাম বার্তা ও ভুয়া অ্যাকাউন্ট এই ৬টি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে গত তিন মাসে ৮৬ কোটি ৫৮ লাখ পোস্টও মুছে ফেলা হয়েছে।

এসব পোস্টের সিংহভাগই হলো স্পাম বার্তা অর্থাৎ এর সংখ্যা ৮৩ কোটি ৩০ লাখ। এছাড়া বিকৃত যৌনতা সংক্রান্ত দুই কোটি ১০ লাখ, বিদ্বেষী প্রচারণার জন্য ২৫ লাখ, গ্রাফিক্স সহিংসতার জন্য ৩৪ লাখ পোস্ট মুছেছে ফেসবুক। সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত অল্প কিছু পোস্টও রয়েছে এর মধ্যে।

যেসব কারণে রোজা ভাঙে না

♦ ভুলে খানাপিনা বা স্ত্রীসম্ভোগ করলে রোজা ভাঙে না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৫) যদি ওই ভুলকারী ব্যক্তির রোজা রাখার শক্তি থাকে, তাহলে তাকে রোজার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত। আর যদি রোজা রাখার শক্তি না থাকে তাহলে স্মরণ না করানোই উত্তম। (আল-ওয়াল ওয়ালিযিয়্যাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২০২)

♦ অনিচ্ছাবশত গলার মধ্যে ধোঁয়া, ধুলাবালি, মশা, মাছি চলে গেলে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৬)

♦ তেল, সুরমা, শিঙা লাগালে হলকে তার স্বাদ পেলে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৬)

♦ স্বপ্নদোষ হলে রোজা ভাঙে না। (তিরমিজি, হাদিস ৭১৯)

♦ যেকোনো সময় মেসওয়াক করলে রোজা ভাঙে না। সেটি কাঁচা হোক কিংবা শুষ্ক। (আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৯৯)

♦ কাঠি দিয়ে কান খোঁচানোর ফলে কোনো ময়লা বের হলে তারপর ময়লাযুক্ত কাঠি বারবার কানে প্রবেশ করালে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৭)

♦ চানা বুটের চেয়ে ছোট বস্তু দাঁতের ফাঁকে আটকে গেলে এবং তা গলার ভেতর চলে গেলে কিংবা খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙে না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৭)

♦ দাঁত থেকে অল্প রক্ত বের হয়ে যদি গলার ভেতর চলে যায়, তাহলে রোজা ভাঙবে না। যদি রক্তের চেয়ে থুতুর পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৮)

♦ শরীর, মাথা, দাড়ি, গোঁফে তেল লাগালে রোজা ভাঙে না। (আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৯৯)

♦ ফুল বা মৃগনাভির ঘ্রাণ নিলে রোজা ভাঙে না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৯৯)

♦ ইচ্ছাকৃতভাবে নাকের শ্লেষ্মা মুখের ভেতর নিয়ে নিলে রোজা ভাঙে না। (বিনায়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৯৪)

♦ মুখের থুতু গিলে ফেললে রোজা ভাঙে না। (নাওয়াজিল, পৃষ্ঠা ১৫০)

♦ তিল পরিমাণ কোনো জিনিস বাইরে থেকে মুখে নিয়ে অস্তিত্বহীন করে দেওয়া ও গলায় তার কোনো স্বাদ অনুভব না হলে রোজা ভাঙে না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৯৪)

♦ কপালের ঘাম কিংবা চোখের দু-এক ফোঁটা অশ্রু কণ্ঠনালিতে পৌঁছে গেলে রোজা ভাঙে না; কিন্তু যদি পরিমাণে বেশি হয় যে তার প্রভাব গলায় অনুভব হয়। তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। (বিনায়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৯৪)

♦ রোজা অবস্থায় সাধারণ ইনজেকশন বা টিকা লাগানো বৈধ। তবে এমন ইনজেকশন বা টিকা লাগানো মাকরুহ, যেগুলো দ্বারা রোজার কষ্ট বা দুর্বলতা দূরীভূত হয়। (জাওয়াহিরুল ফিকাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৭৯)

♦ সাপ, বিচ্ছু ইত্যাদি দংশন করলে রোজা ভাঙে না। (আল-ফিকহুল হানাফি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৪১৪; মাহমুদিয়া, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৭৯)

♦ ইনজেকশনের মাধ্যমে রক্ত বের করলে রোজা নষ্ট হবে না। আর দুর্বলতার আশঙ্কা না থাকলে মাকরুহও হবে না।

♦ পান খাওয়ার পর ভালোভাবে কুলি করা সত্ত্বেও যদি থুতুতে লাল আভা থেকে যায়, তাহলে রোজা মাকরুহ হবে না। (এমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৩১)

♦ ভেজা কাপড় শরীরে দেওয়া অথবা ঠাণ্ডার জন্য কুলি করা, নাকে পানি দেওয়া অথবা গোসল করা মাকরুহ নয়। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৯৪; দারুল উলুম, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৪০৫)

♦ স্বপ্নে কিংবা সহবাসে যদি গোসল ফরজ হয়ে থাকে এবং সুবেহ সাদিকের আগে গোসল না করে রোজার নিয়ত করে, তাহলে তার রোজার মধ্যে অসুবিধা হবে না। (জাওয়াহিরুল ফিকাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৩৮০)

♦ গরমের দরুন দীর্ঘক্ষণ পানিতে অবস্থান করা মাকরুহ নয়। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৯৯)

♦ গলা খাঁকারি দিয়ে গলদেশ থেকে মুখে কাশি বের করা, তারপর আবার গিলে ফেলা মাকরুহ নয় (এরূপ না করাই উচিত)। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৭৩)

♦ রোজা অবস্থায় মাথা বা চোখে ওষুধ দেওয়া মাকরুহ নয়। (এমদাদুল ফাতাওয়া, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১২৭)

♦ হোমিওপ্যাথিক ওষুধের ঘ্রাণ নেওয়া মাকরুহ নয়। (মাহমুদিয়া, খণ্ড ১৫, পৃষ্ঠা ১৮০)

♦ রোজা অবস্থায় পাইপ দ্বারা মুখে হাওয়া নিলে রোজা মাকরুহ হয় না। (মাহমুদিয়া, খণ্ড ১৫, পৃষ্ঠা ১৮০)

♦ রোজা অবস্থায় নাকের মধ্যে ওষুধ ব্যবহার করার দ্বারা ব্রেনে না পৌঁছলে রোজা মাকরুহ হয় না। (মাহমুদিয়া, খণ্ড ১৫, পৃষ্ঠা ১৬৯)

♦ শরীরে কোনো ক্ষতস্থান থেকে পুঁজ বা রক্ত প্রবাহিত হলে বা রক্ত বের করলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে রোজাদার থেকে বের করা মাকরুহ। (জাওয়াহিরুল ফিকাহ, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২৮)

♦ ডাক্তার যদি চিকিৎসার শুকনো কোনো যন্ত্র পেটে প্রবেশ করায়, অতঃপর তা বের করে ফেলে, তাহলে রোজা নষ্ট হবে না। (আল-ফিকহুল হানাফি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৪৭১২)

♦ পানিতে ডুব দেওয়ার পর কানের ভেতর পানি চলে গেলে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে পানি দিলে রোজা মাকরুহ হয় না। (বিনায়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৯৪; আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ২০৪; শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৭)

♦ জৈবিক উত্তেজনার কারণে শুধু দৃষ্টিপাতের কারণে যদি বীর্যপাত হয়, তাহলে রোজা নষ্ট হবে না। (আহকামে জিন্দেগি, পৃষ্ঠা ২৪৯)

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক : ঘুষ দিয়েছিলেন ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক নির্ধারণের জন্য তার আইনজীবী মাইকেল কোহেনকে গোপনে ৪ লাখ ডলার দিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেট্রো পোরোশেঙ্কো। ওই গোপন লেনদেনের সঙ্গে জড়িত কিয়েভের কিছু সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, ওই লেনদেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পেট্রো পোরোশেঙ্কোর হয়ে কাজ করা মধ্যস্ততাকারীদের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছিল। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের আইনে যেমনটি প্রয়োজন, ট্রাম্পের আইনজীবী কোহেন ইউক্রেনের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠক আয়োজন করতে রেজিস্টার্ড (আইনসিদ্ধ) নন।

গত জুনে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প ও পোরোশেঙ্কোর মধ্যে বৈঠক হয়। ওই বৈঠক শেষে পোরোশেঙ্কো দেশে ফেরার পর ইউক্রেনে ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার প্রাক্তন ব্যবস্থাপক পল ম্যানাফোর্টের বিরুদ্ধে দেশটির দুর্নীতি দমন সংস্থার তদন্ত বন্ধ হয়ে যায়।

পোরোশেঙ্কো প্রশাসনে নিযুক্ত ইউক্রেনের এক উচ্চ পদস্থ গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসে তাদের প্রেসিডেন্টের সফরের আগে কী ঘটেছিল।

ওয়াশিংটন ডিসিতে ইউক্রেনের রেজিস্টার্ড লবিয়িস্ট ও দূতাবাস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে পোরোশেঙ্কোর ছবি তোলা ছাড়া দুই নেতার মধ্যে অন্য কিছুর আয়োজন করতে পারেনি। তবে পোরোশেঙ্কো ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছিলেন। এরপরই দৃশ্যপটে আগমন ঘটে আইনজীবী কোহেনের।

ইউক্রেনের ওই জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, পোরোশেঙ্কো ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের জন্য পেছনের দরজা দিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ কাজ দেওয়া হয়েছিল প্রাক্তন এক সহযোগীকে, যিনি একজন বিশ্বস্ত ইউক্রেনীয় এমপির সহায়তা নেন। ওই এমপি আবার নিউ ইয়র্কস্থ ইহুদি দাতব্য সংস্থা ‘চাবাদ অব পোর্ট ওয়াশিংটন’ এর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেন। এটি শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের আইনজীবী ও বিশ্বস্ত কোহেনের সঙ্গে আলোচনায় গড়ায় এবং তাকে ৪ লাখ ডলার দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, মাইকেল কোহেন একজন ইহুদি।

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই লেনদেনের ব্যাপারে জানতেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কিয়েভের আরেকটি সূত্র ঘটনার একই ধরনের বর্ণনা দিয়েছে। তবে তিনি জানান, মাইকেল কোহেনকে ৪ লাখ ডলার নয়, বরং ৬ লাখ ডলার দেওয়া হয়েছিল।

এই ঘটনার সতত্যয় একই রকম সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে এক আইনজীবী, যিনি কোহেনের হবু স্ত্রী মাইকেল অ্যাভেনাত্তির বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। এই আইনজীবীই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য পর্নো তারকা স্টর্মি ডেনিয়েলসকে উপস্থাপন করেন।

অ্যাভেনাত্তি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ে কোহেনের দায়েরকৃত নথিতে ওই সন্দেহজনক লেনদেন দেখা যায়। সেখানে দেখা যায়, কোহেন ইউক্রেনের স্বার্থসংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছিলেন।

নিজেদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাইকেল কোহেন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের পক্ষে কাজ করা দুই ব্যক্তি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট অফিসে প্রথমে এ বিষয়ে মুখ খুলতে চায়নি। তবে পরে সাংবাদিকদের চাপে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এ অভিযোগ ‘সর্বাংশে মিথ্যা, অপবাদ ও ভুয়া’।

তথ্য : বিবিসি

বিশ্বকাপের আগে ইনজুরিতে ব্রাজিলের ডগলাস কস্তা

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এর মধ্যে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছে বিশ্বকাপের সেরা দলগুলো। ব্রাজিলও এর ব্যতিক্রম নয়। কিছুটা লোকচক্ষুর অন্তরালেই অনুশীলন শুরু করেছে তারা। দলের প্রাণভোমড়া নেইমারও ইনজুরি কাঁটিয়ে পুরোদমে করছেন অনুশীলন। কিন্তু আবারও দুসংবাদ পেল ব্রাজিল। দলের আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ডগলাস কস্তা ইনজুরিতে পড়েছেন।

বুধবার দলের অনুশীলনের সময় উরুর পেশিতে টান পড়ে কস্তার। তৎক্ষণাৎ অনুশীলন বন্ধ করে দেন তিনি। বড় রকমের ঝুঁকি এড়াতে সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষা করে দেখা যায় চোট অত বেশি গুরুতর নয়।

ব্রাজিল ফুটবল দলের ফিজিও রদ্রিগো লাসমার জানিয়েছেন চোট পেলেও বিশ্বকাপে ঠিকই খেলবেন কস্তা। ‘আমরা তার পেশির চোটের পরীক্ষা করেছি। কিছুদিন বিশ্রামে থাকলে ঠিক হয়ে যাবে। সে হয় বিশ্বকাপের আগে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচটি মিস করতে পারে কিন্তু বিশ্বকাপের আগে সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবে।’

ইনজুরিতে ইতোমধ্যে বিশ্বকাপ শেষ হয়ে গেছে ব্রাজিলিয়ান রাইটব্যাক দানি আলভেজের। এছাড়া চোটের কারণে বিশ্বকাপ মিস করতে যাচ্ছেন ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক সার্জিও রোমেরো।

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আজও নুরুল ইসলাম ইছা (৩৫) নামের এক তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আদর্শ সদর উপজেলার টিক্কারচর ব্রিজসংলগ্ন গোমতী বাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইছা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। পুলিশের বিশেষ অভিযানে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নুরুল ইসলাম একজন চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশের বিশেষ অভিযানে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া তথ্য অনুসারে ইছার সহযোগীদের আটক এবং মাদক উদ্ধারে পুলিশ অভিযান শুরু করে। গভীর রাতে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমনের নেতৃত্বে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের একটি টিম শহরতলীর টিক্কারচর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়।

কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া মুঠোফোনে জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নুরুল ইসলাম ইছার সহযোগী অপর মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় আত্মরক্ষায় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

উভয় পক্ষের গুলি বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ী ইছা গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধারের পর কুমেক হাসপাতালে নেয়া পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত ইছার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ৭টি মামলা রয়েছে বলেও ওসি জানিয়েছেন।

এর আগে, গতকাল রাতে জেলা সদরের বিবিরবাজার অরণ্যপুর এলাকায় গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শরীফ ও পিয়ার নামে তালিকাভুক্ত শীর্ষ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হন।