All posts by lutfor

জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার বক্স কালভার্টগুলো খুলে দেওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে নগরীর কালভার্টগুলোর ওপরের অংশ ভেঙে এগুলো খুলে দেওয়া যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি কালভার্ট খুলে দেওয়ার পর ওই কালভার্টগুলোর ওপর দিয়ে উড়াল সেতু বানানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে কাজ শুরু করা যায় কিনা, তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকের পর অনির্ধারিত আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকসূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীসহ বড় বড় শহরের ভেতরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এমন ব্যবস্থাসম্পন্ন খোলা কালভার্ট ও তার ওপর দিয়ে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের জন্য নির্মিত উড়াল সেতুর ছবি দেখান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালগুলোর ওপর বক্স কালভার্ট থাকায় ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। একারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। শহরের সব ময়লা গিয়ে সেখানে জমা হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জিয়া ও এরশাদের আমলে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় না নিয়েই এগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে ঢাকা শহরের খালগুলো দখল হয়ে গেছে।’

একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রসহ দেশের নদী খনন কাজে ছোট ও কম ক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন ব্যবহার না করে হেভি ড্রেজিং মেশিন ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি অনেক ব্যয়বহল জানিয়ে এ সময়ে কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর দৃষি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘যতই ব্যয়বহুল হোক নদী তো আমাদের খনন করতেই হবে।’

একইসঙ্গে তিনি নদী খনন কারর পর যে বালু উত্তোলন করা হয়, তা বিক্রি করা যায় কিনা, তার ব্যবস্থা করার জন্যও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সুপারিশ করেছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংলাপ শুরু হয়। সংলাপের জন্য সুশীল সমাজের ৫৯ জন প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ৩০ জনের মতো উপস্থিত ছিলেন। সেখানে উপস্থিত দুইজন ছাড়া বাকিরা নির্বাচনের সময় সেনা মোতায়েনের পক্ষে ছিলেন।

বৈঠক শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে বলা হয় ইসির ইমেজ পুনরুদ্ধার করতে। এ ছাড়া গত জাতীয় নির্বাচনের মতো যেন এবার এমনটি না হয় তার জন্য ইসিকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। এ ছাড়া নির্বাচনে না ভোট রাখার পক্ষে মত দেন অধিকাংশরা। নির্বাচনের সময় পোলিং এজেন্টরা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন এবং তাদের নিরাপত্তা দেওয়া হয় সে কথাও বলা হয়েছে।

অবাক কাণ্ড! সিরাজগঞ্জে বউ বদল করেছে দুই যুবক

সিরাজগঞ্জে পরকীয়া সম্পর্কের কারণে একে অপরের বউ বদলের এক অভিনব ঘটনা ঘটেছে। জেলার কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে সেলিম মালয়েশিয়া থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী সোমা খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের পরাণ শেখের ছেলে সোহেলের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে সোহেল তার প্রেমিকা সোমাকে এলাকার একটি তাঁত কারখানায় কাজ নিয়ে দেয়। গভীর প্রেমের টানে সোমা তার দুই বছরের একটি ছেলে সন্তানকে তার দাদির কাছে রেখে সোহেলের হাত ধরে পালিয়ে যায়। সোহেলের ঘরেও স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে।

এদিকে, সোহেলের স্ত্রী তার স্বামীর এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত সোমার স্বামী সেলিমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

গত ৭ জুলাই পরিবারের সম্মতিক্রমে মোবাইলের মাধ্যমে সোহেলের স্ত্রীর সঙ্গে সেলিমের বিয়ে হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

স্থানীয়রা আরও জানায়, সেলিমের স্ত্রী সোহেলের সঙ্গে পাঁচ মাস হলো চলে গেছে। আর সোহেলের স্ত্রীর সঙ্গে সেলিমের বিয়ে হয়েছে সম্প্রতি। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই তাদের বিয়ে হয়েছে।

সেলিম ও সোহেলের পরিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উল্লসিত জেমিমা, ইমরানকে দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে নওয়াজ শরীফের বিদায়ে উল্লসিত পাকিস্তান তেহরিকে ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী জেমিমা গোল্ডস্মিথ। শুক্রবার যখন বিশ্বজুড়ে সংবাদ শিরোনাম নওয়াজ শরীফকে নিয়ে তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন জেমিমা। পাশাপাশি সাবেক স্বামী ইমরান খানের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি আগামী নির্বাচনে তাকে প্রথমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছেন।

তিনি যখন দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্ছিলেন অর্থাৎ অন্তঃসত্ত্বা তখন তাকে জেলে নিতে চেয়েছিলেন নওয়াজ। তখনও ইমরান খানের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয় নি। ১৯৯৯ সালের ঘটনা সেটি। ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে লন্ডনে মায়ের কাছে ৩৯৭টি টাইলস পাঠাচ্ছিলেন জেমিমা। কিন্তু তা আটকে দেয় পাকিস্তানের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তার বিরুদ্ধে আনা হয় পাচারের অভিযোগ। সেই স্মৃতি হাতড়ে জেমিমা টুইট করেছেন। লিখেছেন, আমি তখন দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্ছি। তখন পাচারের অভিযোগে যে ব্যক্তি আমাকে জেলে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন তার থেকে মুক্তি মিলেছে। এটা সুখের খবর।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। এতে বলা হয়েছে জেমিমা গোল্ডস্মিত বৃটিশ একজন সাংবাদিক। নওয়াজ শরীফের বিদায়ে তিনি আবেগ ধরে রাখতে পারেন নি। উল্লেখ্য, জেমিমার বিরুদ্ধে যে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল তিনি ‘প্রতœতাত্ত্বিক’ বা অ্যান্টিকস পাচার করছিলেন। প্রতœতাত্ত্বিক বিভাগ থেকে ওই টাইলস পরীক্ষা করে এমন ঘোষণা দেয়া হয়। পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী প্রতœতাত্ত্বিক কোনো জিনিসপত্র বিদেশে পাঠানো অবৈধ এবং জামিন অযোগ্য অপরাধ। ফলে ১৯৯৯ সালের জানুয়ারিতে জেমিমা গোল্ডস্মিথের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

বলা হয়, এতে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে তাকে ৬ মাসের জেল ও ৫ হাজার রুপি জরিমানা করা হতে পারে। ওই সময় মিথ্যা মামলায় জেমিমাকে হেয় করার চেষ্টা করছে সরকার- এ অভিযোগ করেছিলেন ইমরান খান। নওয়াজ শরীফ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনার তীর ছোড়েন তিনি। নওয়াজ শরীফকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় আসেন সাবেক সেনাপ্রধান ও প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ।

এরপর ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে অভিযোগের মুখোমুখি দাঁড়াতে পাকিস্তানে ফিরে আসেন জেমিমা। শুক্রবার সেই প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে অযোগ্য ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। এরপর তিনি পদত্যাগ করেছেন। ফলে জেমিমা টুইটারে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। এ সময় তিনি পরোক্ষে তার সাবেক স্বামী ইমরান খানের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এবার প্রথমবারের মতো পাকিস্তানের ইতিহাসে একজন প্রধানমন্ত্রী আসবেন তার মেয়াদ পূরণ করতে। এর মধ্য দিয়ে আগামী বছর অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে ইমরান খানের দিকে ইঙ্গিত করেছেন জেমিমা।

……মানবজমিন

সেরা বাঙালির সম্মান পেলেন মাশরাফি

ক্রীড়া ডেস্ক : ২০১৭ সালের সেরা বাঙালির সম্মান পেলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

শুক্রবার রাতে কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে মাশরাফিকে এ সম্মান জানানো হয়। কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা আনন্দবাজার প্রতিবছর ক্রীড়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য আয়োজন করে সেরা বাঙালির পদক দেওয়ার এই অনুষ্ঠান।

এই বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ থেকে এ সম্মান তুলে পেলেন মাশরাফি। মাশরাফির হাতে পদক তুলে দেন কলকাতার ভারতীয় নারী ক্রিকেটার ও মেয়েদের ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ঝুলন গোস্বামী।

মাশরাফির হাতে পদক তুলে দেওয়ার আগে তার ক্রিকেট পরিসংখ্যান নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়। যেখানে মাশরাফিকে সৌরভ গাঙ্গুলির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে সফল বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো জাতীয় দলের অধিনায়ক করা হয় মাশরাফিকে। এরপর মাশরাফির নেতৃত্বে ঘরে মাঠে টানা ছয়টি ওয়ানডে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। তার অধীনেই বাংলাদেশ ২০১৫ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলে। সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সেমিফাইনালেও বাংলাদেশ খেলে মাশরাফির নেতৃত্বেই। শুধু নেতৃত্বই নয়, ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিও মাশরাফিই।

বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে এর আগে সেরা বাঙালির সম্মান পেয়েছিলেন হাবিবুল বাশার ও সাকিব আল হাসান। ২০০৭ সালে হাবিবুল বাশার এবং ২০১২ সালে সাকিব এ সম্মান পান।

রাজধানীতে নতুন খাল খনন হচ্ছে, সংরক্ষণ হবে পুরনোগুলো

বৃষ্টির পানি নিষ্কাষণে রাজধানীতে অপর্যাপ্ত খালের কারণে ভোগান্তির পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, পুরনো খাল সংরক্ষণের পাশাপাশি নতুন নতুন খাল খনন করা হচ্ছে। শহরে জলাধারগুলো সংরক্ষণেও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার রাজধানীতে ২৭টি দেশের অংশগ্রহণে দুই দিনের ‘ঢাকা পানি সম্মেলন’ এর উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় তিনি নগরের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা আমূল পাল্টে দেয়ার কথাও বলেন। জানান, চার বছরের মধ্যে মাটির নিচ থেকে পানি তুলে সরবরাহ বন্ধ করা হবে। ভূ উপরিস্থ পানিই ব্যবহার করা হবে শতভাগ।

রাজধানীতে পানি নিষ্কাষণে ২৬টি খাল থাকলেও এর মধ্যে ১৩টির কোনো অস্তিত্বই এখন নেই। সরকারি, বেসরকারি স্থাপনা তৈরি করে খালগুলো পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হলেই তৈরি হয় জলজট। সম্প্রতি এই ভোগান্তির পর খালের বিষয়টি আবার সামনে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানী ঢাকায় নতুন খাল খনন করা হচ্ছে এবং পুরাতন খাল সংস্কার ও জলাধার সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিল্পাঞ্চল, বড় বড় আবাসিক এলাকায় জলাধার তৈরি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, দূষিত পানি নিষ্কাষণেও ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

‘বাংলাদেশ বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় এই অঞ্চলে পানি ব্যবস্থাপনা বিশ্বের অন্যান্য এলাক থেকে একটু ভিন্ন’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী সমতল, পাহাড় ও উপকূলীয় এলাকাকে ভিন্ন ভিন্ন পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান।

রাজধানীসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে পানি তোলা চার বছরের মধ্যে বন্ধ করে দেয়ার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘২০২১ সালের মধ্যে সব বিভাগীয় শহরে নিরাপদ পানি ভূ উপরিস্থ পানি থেকে নিশ্চিত করার কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। নাব্যতা হ্রাস প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম চলছে।’

এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে শহরাঞ্চলে সরবরাহ করা পানির বেশিরভাগই মাটির নীচ থেকে তোলা হচ্ছে। এতে পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে যাচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে এই ক্ষতি কিছুটা পূরণ হলেও বিশেষ করে শহরাঞ্চলে কংক্রিটের কারণে পানির নিচে পানি খুব বেশি যেতে পারে না। ফলে ঢাকায় মাটির নিচে ফাঁপা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই পরিস্থিতিতে মাটির নিচ থেকে পানি তোলা বন্ধে নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার। বুড়িগঙ্গা ও শীতলক্ষ্যা নদী শিল্প বর্জ্যে দূষিত হয়ে যাওয়ায় দূষণ দূরীকরণের পাশাপাশি পদ্মা ও যমুনা নদী থেকে পানি এনে তা রাজধানীতে সরবরাহের কাজ এগিয়ে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ভূগর্ভস্থ পানির বদলে ভূ উপরস্থ পানি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি।’

পানি ব্যবস্থাপনার দিক থেকে বাংলাদেশে মূল সমস্যা হিসেবে আর্সেনিক, লবণাক্ততা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর হ্রাস, ভূ উপরিস্থ পানি সংরক্ষণে অপ্রতুলতা, পানি সংরক্ষণ ও শিল্প বর্জ্যসহ নানা কারণে পানি দূষণকে চিহ্নিত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এসব সমস্যা মোকাবেলা করতে আমরা স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা কার্যকর করে যাচ্ছি।’

পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার ১০০ বছর মেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লবণাক্ত পানিপ্রবণ এলাকায় পুকুরের পানি ফিল্টার করে লবণাক্ততামুক্ত করা হয়েছে। সাত হাজার পুকুর খনন ও গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে ৩২ হাজার ৬০০টি। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণে ৩২ হাজার চারশটি জলাধার সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

সারা বিশ্বে ১৬০ কোটি মানুষ নিরাপদ পানির সংকটে ভূগছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিরাপদ পানি নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার ইতিমধ্যে বিশেষ সাফল্যের সাক্ষর রেখেছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে শতকরা ৮৪ শতাংশ মানুষের জন্য নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু এসেছে ৮৭ শতাংশ মানুষ। শহর এলাকায় শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে শতকরা ৯৯ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পয়ঃনিষ্কাষণ সুবিধার আওতায় এসেছে।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও কারও সঙ্গে বৈরীতা নয়’ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব নিয়েও নিয়েও নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিয়েও আমাদের নজর দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্বে এই মুহূর্তে ২.৪ বিলিয়ন মানুষ স্যানিটেশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এ ছাড়া নিরাপদ পানির অভাবে পৃথিবীতে এক মিলিয়ন মানুষ মারা যাচ্ছে, যাদের অধিকাংশই শিশু। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে এক হাজার শিশু বিশুদ্ধ পানির অভাবে প্রাণ হারায়। আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি আগেও তুলে ধরেছি।’

এসডিজি বাস্তবায়নে সাফল্য

সম্মেলনে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সাফল্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এসডিজি বাস্তবায়নে বিশ্বে রোল মডেল হয়ে উঠেছে।’

‘দারিদ্র্যের হার ২০০৫ সালে যেখানে ৪১.৫ ভাগ ছিল তা আমরা কমিয়ে ২৩.২ ভাগে নিয়ে এসেছি। আয় বৈষম্য হ্রাস, স্বল্প ওজনের শিশুর জন্ম কমানো এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় নারী-পুরুষ সমতা অর্জনে আমরা বিশেষ সাফল্য লাভ করেছি।’

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার ১৫.৪ শতাংশ থেকে কমে ৪.১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ ছাড়া মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষায় শিশুদের অন্তর্ভুক্তি, নারীর ক্ষমতায়নসহ অন্যান্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করেছে এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।’

এসডিজি নির্ধারিত সময় সীমা ২০৩০ সালের আগেই সরকার শতভাগ মানুষকে নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায় বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

যেখানে মৃতদের নাচে-গানে বিদায় জানানো হয়!

শেষকৃত্য অনুষ্ঠান বা মৃতদের বিদায় জানানো সবার কাছেই শোকের একটি ব্যাপার। এ সময় অনেকেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কিন্তু আফ্রিকার ঘানায় ব্যাপারটা একটু আলাদা। সেখানে মৃতদের বিদায় জানানো হয় নাচের মাধ্যমে। ফলে পুরো শেষকৃত্য অনুষ্ঠানেও ছড়িয়ে পড়ে অনেকটা স্ফূর্তির ছায়া।

বিবিসি খবরে জানানো হয়েছে, টাকার বিনিময়ে একদল নৃত্যশিল্পী ভাড়া করেন পরিবারের সদস্যরা। তারা কফিন ঘাড়ে নিয়ে, ড্রাম বাজনার সঙ্গে নাচতে নাচতে কবরস্থানের দিকে এগোতে থাকেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন পরিবারের সদস্যরাও। ঘানায় এখন এরকম শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানের সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে।

এই নৃত্য দলের উদ্যোক্তা বেনজামিন আইডো বলছেন, আমাদের কাছে যখন গ্রাহকরা আসেন, আমরা প্রথমে জিজ্ঞেস করি, আপনি কি কিছুটা আনুষ্ঠানিকতা চান, নাকি অনানুষ্ঠানিক ধাঁচের অনুষ্ঠান চান? সেই অনুযায়ী আমাদের দলের সদস্যরা আচরণ করে।

কালো স্যুট, কালো টুপি, জুতা আর সাদা শার্ট পরে ছয়জন একেকটি কফিন বহন করেন আর নাচতে থাকেন। দলের মেয়েদের পরনে থাকে সাদা পোশাক। পেছনে ঢোল তবলা নিয়ে থাকেন তাদের সহযোগীরা। অনেক সময় শবযাত্রায় আগতরাও তাদের সঙ্গে অংশ নেন। তাহলে কারা আর কেন এরকম অনুষ্ঠানের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন ঘানার বাসিন্দারা?

সদ্য মারা যাওয়া একজনের কন্যা এলিজাবেথ আনান বিবিসিকে বলেন, যখন আপনার ভালোবাসার একজন মানুষকে তার শেষ ঠিকানায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন এই মানুষগুলো নাচগান করে। তাই আমি ঠিক করলাম, আমার মাকে তাহলে একটি ড্যান্সিং ট্রিপ বা নাচগানের মাধ্যমেই বিদায় জানানো যাক।

তিনি বলেন, নতুন ধরণের এই উদ্যোগের মাধ্যমে অন্তত একহাজারের বেশি তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন বেনজামিন। তিনি বলছেন, এর মাধ্যমে তিনি দেশের বেকারত্ব কমিয়ে আনতে চান। যদিও এজন্য দলের সদস্যদের পোশাক আশাকের পেছনে তাকে অনেক বিনিয়োগও করতে হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রতিদিনই তারা এরকম অনেক অনুরোধ পাচ্ছেন।

ঘানায় শেষকৃত্যের মতো অনুষ্ঠান সামাজিকভাবে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। আর এখন নতুন ধরণের এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে ঘানাবাসীর।

এ কেমন বাবা? টাকার জন্য নিজ মেয়েকে বিক্রি

ঘুম থেকে জেগেই বুকটা ধক করে ওঠে নুসরাতের। বিছানায় নেই তাঁর নাড়িছেঁড়া ধন। ১১ মাস বয়সী মেয়েকে ঘরের কোথাও খুঁজে পেলেন না। সাতসকালে বেকার স্বামী ঘরে না থাকায় কেমন যেন সন্দেহ হয় তাঁর। দুপুরে ঘরে ফেরেন স্বামী আসলাম। মেয়ে কোথায়—পোশাকশ্রমিক স্ত্রীর এই প্রশ্নে ভীষণ রাগ করেন স্বামী। দাবি করেন, তিনি বের হওয়ার সময় শিশুটি ঘরেই ছিল। এভাবেই ঘটনার শুরু।

সেদিন ছিল ২৪ এপ্রিল। এরপর থেকে গত তিন মাস একটি মুহূর্তের জন্যও স্বস্তিতে ছিলেন না নুসরাত। একমাত্র সন্তান হাফছা মারজানকে দিনরাত পাগলের মতো খুঁজে ফিরেছেন তিনি।

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরের বাসিন্দা নুসরাত জাহান যখন সন্তানকে খুঁজে ফিরছেন, তখন আট কিলোমিটার দূরের দেওয়ানহাট এলাকার রাশেদা আক্তারের সংসারে আনন্দের বন্যা। তাঁর স্বামী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সেকান্দর কোথা থেকে একটি বাচ্চা ‘কুড়িয়ে’ পেয়েছেন। নিঃসন্তান এই দম্পতির খুশি অবশ্য বেশি দিন টিকল না। তিন মাস পর বেরিয়ে এল, শিশুটি কুড়িয়ে পাওয়া নয়। শিশুটিকে হারানোর আশঙ্কায় দুলে উঠল রাশেদার পৃথিবীও।

কয়েক দিন আগে নুসরাত জানতে পারেন, অন্য কেউ নয়, নেশাগ্রস্ত স্বামী ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন! এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বড় হচ্ছে শিশুটি। সন্তানের খোঁজ পেয়ে গত মঙ্গলবার থানায় যান তিনি। মামলা করেন তাঁর স্বামী, পালক বাবাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে। মামলার পর মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে গতকাল আদালতে নিয়ে যায়। শিশুটিকে জিম্মায় পাওয়ার আবেদন নিয়ে আদালতে আসেন দুই মা-ও।

গতকাল বিকেলে আদালতে যখন শুনানি চলছিল, তখন এজলাসকক্ষে দাঁড়ানো দুই মা-ই অঝোরে কাঁদছিলেন। শুনানির সময় পালক মায়ের (রাশেদা) কোলে পরম নির্ভরতায় গলা জড়িয়ে ছিল শিশুটি। শুনানি শেষে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমান আদেশ দেন, শিশুটি পাবেন গর্ভধারিণী মা। হারানো শিশুকে ফিরে পেয়ে নুসরাতের চোখে আনন্দের জল। অন্যদিকে শিশুটিকে আঁকড়ে ধরে তখন ডুকরে ডুকরে কাঁদছিলেন রাশেদা।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, হালিশহর এ ব্লক এলাকার পোশাকশ্রমিক নুসরাত জাহানের সঙ্গে মো. আসলামের তিন বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর তাঁদের কন্যাসন্তান হয়। আসলাম স্ত্রীর কাছ থেকে নেশার টাকা না পেয়ে শিশুটিকে বিক্রি করে দেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে নুসরাত মঙ্গলবার নিশ্চিত হন শিশুটিকে কিনেছেন দেওয়ানহাট এলাকার সেকান্দর-রাশেদা দম্পতি। প্রথমে রাশেদার বাড়িতে গিয়ে সন্তানকে ফেরত চান তিনি। কিন্তু তাঁরা দিতে অস্বীকৃতি জানালে চলে যান হালিশহর থানায়। মানব পাচার আইনে তিনি মামলা করার পরপরই নুসরাতের স্বামী আসলাম ও শিশুটিকে কিনে নেওয়া মো. সেকান্দরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। বাদীর আপত্তি না থাকায় গতকাল সেকান্দরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। তবে আসলামের পক্ষে আদালতে আইনজীবী ছিলেন না।

আদালত প্রাঙ্গণে শিশুকে বুকে জড়িয়ে ধরে মা নুসরাত জাহান বলেন, ‘নেশার টাকার জন্য নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দেয়, এমন বাবা যেন কারও না হয়।’ তিনি আসলামের শাস্তি দাবি করেন।

শিশুটিকে ফেরত দিয়ে অঝোরে কাঁদতে থাকেন রাশেদা আক্তার। তিনি বলেন, এই তিন মাসে শিশুটি তাঁকে মা হিসেবে চিনেছে। তাঁকেই মা ডাকে। শিশুটিকে ছাড়া এখন কীভাবে থাকবেন ভাবতেও পারছেন না তিনি।

পদত্যাগ করলেন নওয়াজ শরিফ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে নওয়াজ শরিফকে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট অযোগ্য ঘোষণা করার পর প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। খবর বিবিসির।বহুল আলোচিত পানামা পেপার্স দুর্নীতি মামলায় শুক্রবার নওয়াজকে অযোগ্য ঘোষণা করে রায় ঘোষণা করে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।২০১৫ সালে পানামা পেপার্স কেলেঙ্কারিতে নওয়াজের পরিবারের দুর্নীতির বিষয়টি উঠে আসে। এরপরেই নওয়াজ এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়।তবে কোনো ধরনের দুর্নীতির কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছিলেন নওয়াজ শরিফ। কিন্তু শুক্রবার আদালতে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বাধ্য হয়েই তাকে পদত্যাগ করতে হলো।সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বিচারপতির বেঞ্চ শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে নওয়াজের বিরুদ্ধে ওই রায় ঘোষণা করা হয়।নওয়াজের কার্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন নওয়াজ শরিফ।আদালতে ওই রায় ঘোষণার সময় রাজধানী ইসলামাবাদে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। কয়েক হাজার সেনা ও পুলিশও মোতায়েন করা হয়।সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এজাজ আফজাল খান বলেন, নওয়াজ শরিফ পার্লামেন্টের সৎ সদস্য হিসেবে থাকতে পারেননি।পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরি নিসার আলি খান শুক্রবারের রায় মেনে নিতে নওয়াজকে পরামর্শ দিয়েছিলেন।এদিকে, প্রধানমন্ত্রী পদে নওয়াজ শরিফকে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট অযোগ্য ঘোষণা করার পর আল্লাহর দরবার হাত তুলে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির চেয়ারম্যান ইমরান খান।

গুলশানে হামলা : র‌্যাশ ডিবি কার্যালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী নব্য জেএমবির নেতা রাশেদ ইসলাম (২৪) ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে আনা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে র‌্যাশকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নাটোরের সিংড়া বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে র‌্যাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, রাশেদ ওরফে র‌্যাশকে নাটোর থেকে বিকেলে ঢাকায় ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। হলি আর্টিজানের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার তাকে আদালতে হাজির করা হবে।