=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অন্যদের জন্য রোল মডেল

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮
news-image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বহুবছর ধরে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, ‍সুনাম ও বিশ্বাসের কারণে দু’দেশের সম্পর্ক আজ পরিপক্কতা পেয়েছে। অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছে।

বাংলাদেশ-ভারত বিদ্যমান সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার বিশ্বাস দুই প্রতিবেশি দেশের এই সম্পর্ক বিশ্বের অন্যান্য অংশের মানুষের জন্য রোল মডেল হিসেবে গণ্য হবে।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সের কুষ্টিয়ায় নবনির্মিত ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দুই প্রতিবেশি দেশ একটি সুসম্পর্ক বজায় রেখেছি। এই সুসম্পর্ক আমাদের দুদেশের পাস্পরিক সমৃদ্ধিকে কাজে লাগবে। এর ফলে আমাদেশের দুদেশের মানুষজন লাভবান হচ্ছে। আমাদের এই মিত্রতা স্থায়ীত্ব পাবে। আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমাদের উন্নয়নে সমর্থন করায় ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সহায়তার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ভারত যেই সহায়তা করেছে সেজন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ। এটি আমাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে চিরদিনই মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য, অর্থনীতি, পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বহুদূর এগিয়ে গেছি।

বিদ্যুৎ খাতে ভারতের সহায়তার কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে ভারত থেকে আমরা ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। আরও ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চেষ্টা চলছে। গত কয়েক বছরে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩২০০ মেগাওয়াট থেকে ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা আরও ৫৫ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। এগুলো সফলভাবে কাজে লাগলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণ হবে সহজেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সম্পর্ক সৃস্টি মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সহযোগিতার মধ্য দিয়ে। ৪ যুগ পেরিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা চুক্তির মাধ্যমে। এর ধারাবাহিতায় বাংলাদেশ-ভারত রেল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের দ্বার উন্মোচন হয়েছে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, কুলাউড়া-শাহবাজপুর এবং আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগের মাধ্যমে যুক্ত হতে চলেছে যোগাযোগের নতুন দিগন্ত। পাশাপাশি ভারত থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ৫শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানিও নিশ্চিত করেছে।

এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী প্রমুখ ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন।