All posts by lutfor

শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে ঢাবিতে সংহতি সমাবেশ বৃহ্স্পতিবার

শহীদ মিনারে শিক্ষকদের লাঞ্ছনা ও ছাত্রদের ওপর হামলা করার প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার সংহতি সমাবেশ করবেন নীপিড়নবিরোধী শিক্ষকরা।

ওইদিন সকাল ১১টায় অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এই সংহতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সামিনা লুৎফা।

সংহতি সমাবেশ ছাড়াও আরও তিনটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

কর্মসূচি গুলো হল- আগামী ২৩ জুলাই কলা ভবনের সামনের বটতলায় নিপীড়নবিরোধী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষক সমিতির কাছে শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অবিলম্বে পত্র পাঠানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্বতা রক্ষা, অ্যাকাডেমিক মান সমুন্নতি রাখা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চ্যান্সেলরের কাছে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকদের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান।

লিখিত বক্তব্যে সামিনা লুৎফা বলেন, কোটা সংস্কারের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশি হামলার পরই কেবল আমরা স্বাধীন চিন্তার নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকরা এই আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহের দিকে মনোযোগী হয়েছি। এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের মারধর ও ছাত্রীদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। নিপীড়নবিরোধী শিক্ষকরা আমরা এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে আমাদেরকে ছাত্রলীগ ন্যাক্কারজনকভাবে লঞ্ছিত করে।

তিনি আরও বলেন, ‘এরকম একটি পরিস্থিতিতে সেই সমাবেশস্থলে প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ বাহিনীর কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এ ঘটনার অনেক পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান, তাও শিক্ষকরা ডাকার পর। প্রক্টর গণমাধ্যমে এই ঘটনার জন্য শিক্ষকদেরই দায়ী করেন। তার এই বক্তব্য নিয়ে আমরা অত্যন্ত বিক্ষুব্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক বলেন, শিক্ষকদেরকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটলেও শিক্ষক সমিতি এখনও কোনো বক্তব্য দেয়নি, আমাদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী শিক্ষক রুশাদ ফরিদী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক আব্দুল মান্নান, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মুরাসির কামাল, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক খান।

উল্লেখ্য, গত রোববার কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়র শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের মারধর করে।

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে শ্রীলংকাকে ২ রানে হারালো বাংলাদেশ

শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান করেছে বাংলাদেশ এ দল।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১০ উইকেটে ৫০ ওভারে ২৭৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা দল । বাংলাদেশ ২ রানে জয়ী।

২৮১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৫ রানের মাথায় সাদী সমরবিক্রমকে ৩ রানে ক্যাচ আউট করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন শরিফুল ইসলাম। এরপর দলীয় ১৩ রানের মাথায় উপল থারাঙ্গাকে ১০ রানে আউট করেন খালেদ অাহমেদ।

এরপর কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা তবে দলীয় ৬৫ রানের মাথায় ২০ রান করে শেহান জয়সুরিয়া রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। তবে তার ৭ রান পরেই বিপদজনক লাহিড়ু থিরিমান্নেকে ২৯ রানে অাউট করেন অারিফুল হক। তবে এরপরে ৯১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন শ্রীলংকার দুই ব্যাটসম্যান দসুন শানাকা এবং আশান প্রিয়াজন।

আশান প্রিয়াজন কে ৪২ রানে আউট করেন অারিফুল হক। অধিনায়ক থিসারা পেরেরা কিছুটা ব্যাটিং ঝড় তুললেও দলীয় ২০১ রানের মাথায় খালেদ আহমেদের বলে ২২ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে শ্রীলংকার ব্যাটসম্যান দসুন শানাকা ব্যাটের ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। সেই দসুন শানাকা কে ২৪৩ সে রানের মাথায় ৭৮ রানে আউট করেন খালেদ আহমেদ। এর পরের ওভারেই উইকেট তুলে নেন সানজামুল ইসলাম।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে সৌম্য সরকার এবং মিজানুর রহমান যোগ করেন ৪২ রান। ৩৪ বলে একটি চার এবং একটি ছক্কার সাহায্যে ২৪ রান করে আউট হন সৌম্য সরকার। দলীয় ৭৭ রানের সময় ১৮ রান করে আউট হন জাকির হাসান।

দলীয় ১২০ রানের মাথায় ৬৭ রানে আউট হন মিজানুর রহমান। এরপর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন এবং মিজানুর রহমানের বেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দল।

বিপদের মুহূর্তে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ৬৩ বলে ৫৭ রানে রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান মিজানুর রহমান। তবে ৪৪ বলে ৪৪ রান করে মোহাম্মদ মিঠুন আউট হলে অন্য প্রান্ত থেকে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন অারিফুল হক। ২২ বলে ৪ টি ছক্কা এবং ৩ চারে ৪৭ রান করে অাউট হন অারিফুল।

সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ জুলাই এবং তৃতীয় ও শেষ একদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই। তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ৯:০০ টা।

বাংলাদেশ এ একাদশ : মোহাম্মদ মিঠুন (সি), সৌম্য সরকার, খালেদ আহমেদ, নঈম হাসান, শরিফুল ইসলাম, আল আমিন, জাকির হোসেন, ফজলে রাব্বী, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, সানজামুল ইসলাম,

বাংলাদেশ সফরের জন্য শ্রীলংকা ‘এ’ ওয়ানডে দল : থিসারা পেরেরা – ক্যাপ্টেন, উপুল থারাঙ্গা, দসুন শানাকা – ভাইস ক্যাপ্টেন, লাহিড়ু থিরিমান্নে, শেহান জয়সুরিয়া, আশান প্রিয়াজন, সাদী সমরবিক্রম, চরিত আসালামা, শম্মু আস্থা, মিন্দ ভানুকা, মালিঙ্গা পুষ্টকুমার, নিশান পিরিস, শেহান মাদুশকা, আসিয়া ফার্নান্ডো, ঈশুর উদানা

মিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

রাজধানীর মিরপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস ও লেগুনার মধ্যে সংঘর্ষে মো. হান্নান ও অজ্ঞাত ৬৫ এক পুরুষ নিহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আবদুল আহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দুজনের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া মিরপুরে মো. তাওহিদ নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তাওহিদের চাচা মো. মাসুম জানান, আজ সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিরপুর থেকে আশুলিয়া যাওয়ার পথে অজ্ঞাত একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এরপর তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাওহিদের মৃত্যু হয়।

প্রশংসায় ভাসছেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সুপারফ্যান হিসেবে গোটা  বিশ্বের মন জয় করেছেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাভার কিটোরোভিচ। খেলা শেষ হলেও এ সুন্দরী প্রেসিডেন্টকে নিয়ে হইচই এখনো চলছেই। নিজ দলকে অনুপ্রাণিত করতে ফাইনাল ম্যাচে মাঠে উপস্থিত ছিলেন। গ্যালারিতে বসে এবং পুরস্কার বিতরণীর সময় সকলকে যেভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন তা বিশ্বজুড়ে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। ক্রোয়াট প্রেসিডেন্ট শুধু তার দেশের ফুটবলারদের স্বান্তনা দেননি। সঙ্গে প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের জানিয়েছেন অভিনন্দন। তার দৃষ্টিভঙ্গিতে ক্রোয়েশিয়া কিংবা ফ্রান্সের ফুটবলারের মধ্যে কোন পার্থক্য ছিল না।

ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সময় শুরু হয় হঠাৎ বৃষ্টি। এ সময় পুতিনের মাথায় ছাতা ধরতে দেখা যায়। কিন্তু ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট ছিলেন বৃষ্টির মধ্যেই। দুই দলের খেলোয়াড়দের তিনি আলিঙ্গনে বেঁধেছেন। পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন সকলের। আর এ কারণে তিনি পেয়েছেন অনেকের প্রশংসা। পেয়েছেন সংবাদ মাধ্যমও তাকে নিয়ে পঞ্চমুখ। তাকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে মন্তব্য করা হয়েছে, রাশিয়া বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট তার নিজের পারফরমেন্সে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন।

রাশিয়া বিশ্বকাপ দেখতে আসা ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন। কিন্তু তাকে আলাদা করে চেনা যায়নি। ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ফাইনাল ম্যাচে হাজির হয়েছিলেন কেতাদুরস্তভাব নিয়ে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট কিটোরোভিচ এসেছিলেন ক্রোয়েশিয়ার লাল-সাদার খোপ কাটা জার্সি পরে। তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসার বার্তা ভেসেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টকে নিয়ে খেলা হয়েছে, ‘বিশ্বকাপের সেরা দৃশ্য। বৃষ্টি পড়ছে। মাথার ওপর কোন ছাতা নেই। ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফাইনাল খেলা দু’দলের প্রত্যেক ফুটবলারকে আলিঙ্গনে বাঁধছেন। যদিও ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া ফ্রান্সের কাছে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হেরেছে। এটাই ফুটবলের প্রতি স্বচ্ছ আবেগ। দারুণ মুহূর্ত ছিল এটা। কোন রাজনীতি নেই। শুধুই খেলা।’

অন্য একটি মন্তব্যে খেলা হয়েছে, ‘তিনি ফুটবল ভক্তদের আরও বেশি আবেগি করে তুললেন। ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টেরও হৃদয় ভেঙেছে। তবে তিনি সকলকে ফুটবলারকে আলিঙ্গনে বাঁধলেন।’ এর আগেও ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টকে ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে নানা উদ্যোগ নেন। তিনি দেশটির পার্লামেন্টে ক্রোয়েশিয়ার জার্সি পরে যাওয়ার জন্যও বেশ আলোচনায় আসেন।

এরপর কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে দলের খেলা স্টেডিয়ামে বসেই দেখেন তিনি। তবে সেমিফাইনালের ম্যাচে ন্যাটোর এক সম্মেলন থাকায় দলের সঙ্গে মাঠে যোগ দিতে পারেননি কিনোরোভিচ। দুই দলের প্রতি তার মনোভাবের কথা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘খেলার গতি বাড়ানোর জন্য আপনার মনোভাবই ছিল সবচেয়ে সেরা। খেলাটা এভাবেই এগিয়ে যাওয়া উচিত।

মৌলভীবাজারের ৪ জনের ফাঁসির আদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৌলভীবাজারের রাজনগর থানার মো. আকমল আলী তালুকদারসহ চারজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগ গতকাল রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলার অন্য তিন আসামি হলেন- রাজনগর উপজেলার আব্দুর নুর তালুকদার ওরফে লাল মিয়া (৬২), মো. আনিছ মিয়া (৭৬) ও মো. আব্দুল মোছাব্বির মিয়া।

গত ২৭ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়।

আসামিদের মধ্যে মো. আকমল আলী তালুকদারকে (৭৬) ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। বাকি তিনজন পলাতক।

গত বছরের ৭ মে আকমল আলী তালুকদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর আবুল কালাম। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার।

২০১৬ সালের ৩০ মে এই চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।একই বছরের ২৩ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে তদন্ত সংস্থা।

তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে আনুমানিক ১০২টি পরিবারের ১৩২টি ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, ছয়জনকে ধর্ষণ, সাতজনকে অপহরণ ও ৬১ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।

২৪ জুলাই পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন বৃদ্ধি

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত জামিন বৃদ্ধি করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারস্থ অস্থায়ী আদালতে ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মো. আখতারুজ্জামানের আদালত আসামিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এদিন মামলাটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

বেলা ১১টা ৭ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাসে উঠলে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়টি জানিয়ে জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন।

মামলার আসামি মনিরুল ইসলাম খান আদালতে হাজির ছিলেন। তবে আরেক আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না আদালতে হাজির হতে না পারায় তারও জামিন বৃদ্ধির আবেদন করেন তার আইনজীবী।

দুদকের পক্ষে মীর আবদুস সালাম একটি সংক্ষিপ্ত ধার্য তারিখ দেওয়ার আবেদন করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে পরবর্তী শুনানির তারিখ ২৪ জুলাই ধার্য করেন।

এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে জিয়া উদ্দিন জিয়া, নুরুজ্জামান তপন, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ প্রমুখ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন আরও ৩৮ বীরাঙ্গনা

একাত্তরে পাকিস্তানি বাহিনী ও তার দোসরদের হাতে নির্যাতিত আরও ৩৮ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৫৪তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের মুক্তিযোদ্ধার এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি গেজেটও জারি করা হয়েছে। এ নিয়ে ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ২৩১ জন বীরঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন।

স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ৩৮ বীরাঙ্গনা হলেন- নীলফামারীর জলঢাকার শাহেলা বেগম, ঠাকুরগাও সদরের আমেনা বেওয়া, লালমনিরহাট সদরের শেফালী রানী, রেজিয়া, মোসলেহা বেগম, শ্রীমতি জ্ঞানো বালা, চট্টগ্রামের পটিয়ার আছিয়া বেগম, ফেনীর ছাগলনাইয়ার রহিমা বেগম, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আফিয়া খাতুন খঞ্জনী, জয়পুরহাট সদরের জাহানারা বেগম, নওগা সাপাহারের মৃত পান বিলাসী, নাটোর বড়াইগ্রামের হনুফা, সিরাজগঞ্জের তাড়াশের অর্চনা সিংহ, মৃত পচি বেওয়া, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার ওজিফা খাতুন, দয়ারানী পরামানিক, রাবেয়া খাতুন, কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মাছুদা খাতুন, মোমেনা খাতুন, এলেজান নেছা, কুষ্টিয়া সদরের মৃত রাজিয়া বেগম, বাগেরহাটের রামপালের ফরিদা বেগম, শেরপুরের নালিতাবাড়ীর মহিরন বেওয়া, আকিরন নেছা, জতিরন বেওয়া, হোসনে আরা, হাজেরা বেগম (পিতা মৃত উমেদ আলী), হাজেরা বেগম (পিতা মৃত হাসেন আলী), শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মৃত ফিরোজা খাতুন, শরীয়তপুর সদরের জুগল বালা পোদ্দার, যোগমায়া, সুমিত্রা মালো, গোপালগঞ্জ সদরের হেলেনা বেগম, ফরিদা বেগম, গাজীপুরের কালীগঞ্জের আনোয়ারা বেগম, ঝালকাঠি সদরের সীমা বেগম, আলেয়া বেগম ও হবিগঞ্জের মাধবপুরের সন্ধ্যা ঘোষ।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে সমকালে মুক্তিযুদ্ধে ১২৬ জন বীরাঙ্গনার অবদান ও দুঃখ দুর্দশা নিয়ে ১২ পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টে রিট করে একটি বেসরকারি সংগঠন। ওই রিটে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের ধারাবাহিকতায় ২০১৫ সালের ২৯ জানুয়ারি বীরাঙ্গনাদের স্বীকৃতি দিতে জাতীয় সংসদে আইন পাশ করে সরকার। এরপর ২৩১ জনকে বীরাঙ্গনা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো।

স্বীকৃতিপ্রাপ্তদের মধ্যে সমকালে প্রকাশিত ৫৮ জন বীরাঙ্গনা রয়েছেন। বর্তমানে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধারা মাসিক দশ হাজার টাকা ভাতা পান। গেজেটভুক্ত বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধারাও একই সমান ভাতা পাবেন। এ ছাড়া সরকারি চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবাসহ সকল ক্ষেত্রে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা পান, তার সবটাই পাবেন বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা ও তার পরিবারের সদস্যরা।

সোনা কেলেঙ্কারির অভিযোগ সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের সোনা কেলেঙ্কারির যে তথ্য সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ওই সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ বিষয়টি পরিষ্কার করতে মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে ব্যাংকের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে সোনা কেলেঙ্কারির অভিযোগ সত্য নয়।

এর আগে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২৩ আগস্ট কাস্টম হাউসের গুদাম কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ গোলাকার কালো প্রলেপযুক্ত একটি সোনার চাকতি এবং একটি কালো প্রলেপযুক্ত সোনার রিং বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেন। বাংলাদেশ ব্যাংক ওই চাকতি এবং আংটি যথাযথ ব্যক্তি দিয়ে পরীক্ষা করে ৮০ শতাংশ (১৯ দশমিক ২ ক্যারেট) বিশুদ্ধ সোনা হিসেবে গ্রহণ করে প্রত্যয়নপত্র দেয়। কিন্তু দুই বছর পর পরিদর্শন দল ওই চাকতি ও আংটি পরীক্ষা করে তাতে ৪৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ (১১ দশমিক ২ ক্যারেট) সোনা পায়। আংটিতে পায় ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ সোনা (৩ দশমিক ৬৩ ক্যারেট)। ধারণা করা হচ্ছে ভল্টে রাখার পর এগুলো পাল্টে ফেলা হয়েছে।

প্রতিবেদন বলছে, ভল্টে থাকা সোনার চাকতি এবং আংটি পরীক্ষার পর দেখা গেল এগুলো সোনার নয়, অন্য ধাতুর মিশ্রনে তৈরি। এতে সরকারের ১ কোটি ১১ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬ টাকা ৫০ পয়সা ক্ষতি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

এদিকে, সোনা কেলেঙ্কারির এমন সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক নেতারাও বক্তব্য দিতে শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ ঘটনাকে সকালের গাফিলতি বলে মন্তব্য করেন।

রাঙামাটিতে ১৫ হাজার মানুষ পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে

রাঙামাটি প্রতিনিধিঃ
পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৩৭৮ পরিবারের প্রায় ১৫ হাজার লোক পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে।

শুধু রাঙামাটি পৌর সদরের নয়টি ওয়ার্ডের ৩৪টি এলাকায় ৬০৯টি পরিবারের ঝুঁকিপূর্ণ বাসের কথা জেলা প্রশাসনই চিহ্নিত করেছে।

পাহাড়ি এলাকা বিবেচনায় আগে কখনও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত না করলেও গত বছরের ১২ জুন প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড় ও ভূমিধসে ১২০ জন নিহতের পর রাঙামাটি জেলা প্রশাসন এ তালিকা করে।

সামনের বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থান নির্ধারণ করে তা মোকাবেলায় বিভিন্ন প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে নিয়েছে।

জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, সামনের বর্ষা মৌসুমে যাতে গত বছরের মতো পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ব্যাপক প্রাণহানি না ঘটে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘সর্বোচ্চ প্রস্তুতি’ নেওয়া হয়েছে।

“প্রাকৃতিক দুর্যোগ তো ঠেকানো যাবে না। তবে এতে প্রাণহানি যেন এড়ানো যায়, সেজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের।”

পাহাড়ের পাদদেশে যেসব স্থান নিরাপদ নয়, তা চিহ্নিত করে সেখানে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে আশ্রয় কেন্দ্র নির্ধারণ এবং পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করার কথাও বলেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসনের হিসেবে, রাঙামাটি পৌরসভাসহ ১০টি উপজেলায় মোট তিন হাজার ৩৭৮টি পরিবারের ১৫ হাজারেরও বেশি লোক পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে আছে।

এর মধ্যে রাঙামাটি পৌর সদরের নয়টি ওয়ার্ডে ৩৪টি স্থানে ৬০৯ পরিবারের প্রায় আড়াই হাজার লোক ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে চম্পানির মার টিলা, চেঙ্গির মুখ, এসপি অফিস সংলগ্ন ঢাল, মাতৃমঙ্গল এলাকা, কিনারাম পাড়া, র্স্বর্ণটিলা, রাজমনি পাড়া, পোস্ট অফিস কলোনি, মুসলিম পাড়া, কিনা মোহন ঘোনা, নতুন পাড়া পাহাড়ের ঢাল, শিমুলতলী, রূপনগর এলাকা পাহাড়ের ঢাল, কাঁঠালতলী মসজিদ কলোনি, চম্পকনগর পাহাড়ের ঢাল, আমতাবাগ স্কুলের ঢাল, জালালাবাদ কলোনি পাহাড়ের ঢাল।

এর বাইরে রাঙামাটি সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ৭৫০ পরিবারের তিন হাজার ৪২৪ জন লোক পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিতে আছে।

গত বছরে স্মরণকালের ভয়াবহতম পাহাড় ধসের ঘটনায় নিহত ১২০ জনের মধ্যে রাঙামাটি পৌরসভা ও সদর উপজেলাতেই মারা যায় পাঁচসেনা সদস্যসহ ৭৩ জন।
এর বাইরে কাউখালী উপজেলায় ২১ জন, কাপ্তাইয়ে ১৮ জন, জুরাছড়িতে ছয়জন ও বিলাইছড়ি উপজেলাতে দুজন নিহত হন। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হন সর্বমোট ১৯২জন।

জেলা প্রশাসনের হিসাবে, জুরাছড়ি উপজেলার চার ইউনিয়নে ৬৪ পরিবারের ৩২০ জন, নানিয়ারচর উপজেলার চার ইউনিয়নে ২৩৯ পরিবারের এক হাজার ১১১ জন, লংদুতে তিন ইউনিয়নের ১০৮ পরিবারের ৫১৪ জন, বিলাইছড়ির তিন ইউনিয়নের ২৪৫ পরিবারের এক হাজার ১৭৯ জন, কাউখালী উপজেলার চার ইউনিয়নের ১২০ পরিবারের ৫৫৩ জন লোক পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে আছে।

এর বাইরে রাজস্থলী উপজেলায় তিন ইউনিয়নে ২৮৬টি পরিবারের এক হাজার ১৮২জন, কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ৫৮০ পরিবারের দুই হাজার ৭৯৩ জন, বরকল উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের ৩৭৭ পরিবারের এক হাজার ৮৫০ জন লোক ঝুঁকিতে আছে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা  বলেন, পাহাড়ি জেলাটিতে পাহাড়ের ঢালে বা খাঁজে দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি-বাঙালিরা ঘর বানিয়ে বসবাস করে আসছে। সে কারণে অতীতে কখনও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও বসতি চিহ্নিত করা হয়নি। গত বছর পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহানির পর ঝুঁকিপূর্ণ বসতির এ তালিকা করা হয়।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, “নতুন করে যাতে পাহাড়ের খাঁজে বা ঢালে ঝুঁকি নিয়ে কেউ বসতি করতে না পারে, সেদিকেও আমরা দৃষ্টি রাখছি।”

গত বছরের পাহাড় ধসে ১২০ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে বহু পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছিল।

প্রশাসনের হিসেবে, জেলায় ১৮ হাজার ৫৫৮টি পরিবার কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১২৩১টি বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত এবং নয় হাজার ৫৩৭টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চাল, তাঁবু, কম্বল, ঢেউটিনসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছিল।

ব্রাজিলের খেলা দেখতে রাশিয়া যাবেন অভিনেত্রী জয়া

আর মাত্র ছয় দিন পরই বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মেতে উঠবে দুনিয়া। এরই মধ্যে প্রিয় দলকে সাপোর্ট করতে বহু ভক্ত পাড়ি জমাতে শুরু করেছেন রাশিয়ায়। আর সে তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন ফুটবল পাগল জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

ব্রাজিলের সমর্থক হয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ দেখতে রাশিয়া যাচ্ছেন ‘খাঁচা’ খ্যাত এই তারকা। গ্যালারিতে বসে প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করবেন তিনি।

জয়ার এক ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, জয়া ব্রাজিলের একটি ম্যাচ দেখবেন।

এদিকে বাংলাদেশ ও কলকাতা দুই স্থানেই অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেছেন জয়া। তার প্রযোজিত ও অভিনীত ‘দেবী’ ছবিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর।