=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রশংসায় ভাসছেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
জুলাই ১৭, ২০১৮
news-image

রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবলের সুপারফ্যান হিসেবে গোটা  বিশ্বের মন জয় করেছেন ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট কোলিন্দা গ্রাভার কিটোরোভিচ। খেলা শেষ হলেও এ সুন্দরী প্রেসিডেন্টকে নিয়ে হইচই এখনো চলছেই। নিজ দলকে অনুপ্রাণিত করতে ফাইনাল ম্যাচে মাঠে উপস্থিত ছিলেন। গ্যালারিতে বসে এবং পুরস্কার বিতরণীর সময় সকলকে যেভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন তা বিশ্বজুড়ে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। ক্রোয়াট প্রেসিডেন্ট শুধু তার দেশের ফুটবলারদের স্বান্তনা দেননি। সঙ্গে প্রতিপক্ষ ফুটবলারদের জানিয়েছেন অভিনন্দন। তার দৃষ্টিভঙ্গিতে ক্রোয়েশিয়া কিংবা ফ্রান্সের ফুটবলারের মধ্যে কোন পার্থক্য ছিল না।

ফাইনালের পর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সময় শুরু হয় হঠাৎ বৃষ্টি। এ সময় পুতিনের মাথায় ছাতা ধরতে দেখা যায়। কিন্তু ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট ছিলেন বৃষ্টির মধ্যেই। দুই দলের খেলোয়াড়দের তিনি আলিঙ্গনে বেঁধেছেন। পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন সকলের। আর এ কারণে তিনি পেয়েছেন অনেকের প্রশংসা। পেয়েছেন সংবাদ মাধ্যমও তাকে নিয়ে পঞ্চমুখ। তাকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে মন্তব্য করা হয়েছে, রাশিয়া বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট তার নিজের পারফরমেন্সে সকলের মন জয় করে নিয়েছেন।

রাশিয়া বিশ্বকাপ দেখতে আসা ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন। কিন্তু তাকে আলাদা করে চেনা যায়নি। ফ্রান্স প্রেসিডেন্ট ফাইনাল ম্যাচে হাজির হয়েছিলেন কেতাদুরস্তভাব নিয়ে। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্ট কিটোরোভিচ এসেছিলেন ক্রোয়েশিয়ার লাল-সাদার খোপ কাটা জার্সি পরে। তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসার বার্তা ভেসেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টকে নিয়ে খেলা হয়েছে, ‘বিশ্বকাপের সেরা দৃশ্য। বৃষ্টি পড়ছে। মাথার ওপর কোন ছাতা নেই। ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফাইনাল খেলা দু’দলের প্রত্যেক ফুটবলারকে আলিঙ্গনে বাঁধছেন। যদিও ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া ফ্রান্সের কাছে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হেরেছে। এটাই ফুটবলের প্রতি স্বচ্ছ আবেগ। দারুণ মুহূর্ত ছিল এটা। কোন রাজনীতি নেই। শুধুই খেলা।’

অন্য একটি মন্তব্যে খেলা হয়েছে, ‘তিনি ফুটবল ভক্তদের আরও বেশি আবেগি করে তুললেন। ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টেরও হৃদয় ভেঙেছে। তবে তিনি সকলকে ফুটবলারকে আলিঙ্গনে বাঁধলেন।’ এর আগেও ক্রোয়েশিয়া প্রেসিডেন্টকে ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে নানা উদ্যোগ নেন। তিনি দেশটির পার্লামেন্টে ক্রোয়েশিয়ার জার্সি পরে যাওয়ার জন্যও বেশ আলোচনায় আসেন।

এরপর কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে দলের খেলা স্টেডিয়ামে বসেই দেখেন তিনি। তবে সেমিফাইনালের ম্যাচে ন্যাটোর এক সম্মেলন থাকায় দলের সঙ্গে মাঠে যোগ দিতে পারেননি কিনোরোভিচ। দুই দলের প্রতি তার মনোভাবের কথা উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করা হয়েছে, ‘খেলার গতি বাড়ানোর জন্য আপনার মনোভাবই ছিল সবচেয়ে সেরা। খেলাটা এভাবেই এগিয়ে যাওয়া উচিত।