All posts by lutfor

কোষ্ঠকাঠিন্য ও আলসার সমস্যার সমাধানে কাঁচা পেঁপে

প্রয়োজনীও পুষ্টিগুণে ভরা ফলগুলোর মধ্যে কাঁচা পেঁপে অন্যতম। সহজপাচ্য, সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও সারা বছর সব জায়গায় পাওয়া যায় বলে সবজি ও ফল হিসেবে পেঁপের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই বেশির ভাগ মানুষের খাদ্য তালিকায় স্থান পায় এই ফল।

এক কথায়, পেপের পুষ্টিগুণ বলে শেষ করার মতো নয়। তাই বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচতে দৈনন্দিন জীবনে বেশি করে পেঁপে খেতে হবে। তবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এ ফলটি রোগীদের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন কাঁচা পেপে-এর আরও কিছু উপকারিতার কথা-

১। অন্যান্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন তারা অনায়াসে খেতে পারেন এ ফল। এছাড়াও এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি আছে যা শরীরের জন্য অনেক বেশি দরকারী।

২। পেঁপেতে বিদ্যমান পুষ্টিগুণ ব্রণ ও ত্বকের যে কোন ধরনের সংক্রামক থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের ছিদ্র মুখগুলো খুলে দেয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা পেঁপে ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনজ্জ্বীবিত করে তুলতে সাহায্য করে।

৩। পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারী। কারণ এটি নারীদের যে কোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।

৪। পেঁপেতে আছে অ্যান্টি- অ্যামোবিক ও অ্যান্টি-প্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য যা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকী, এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অন্ত্রের সমস্যা, পেটের আলসার ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকেও রক্ষা করে।

৫। এটি ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখার পাশাপাশি রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণকেও কমিয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। একারণেই হৃদরোগীদের সবসময় পেঁপে খেতে বলা হয়।

৬। পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ই ও এ। এগুলো ১০০ গ্রামে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি দেয়। এছাড়া এতে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

প্রয়োজনীও পুষ্টিগুণে ভরা ফলগুলোর মধ্যে কাঁচা পেঁপে অন্যতম। সহজপাচ্য, সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও সারা বছর সব জায়গায় পাওয়া যায় বলে সবজি ও ফল হিসেবে পেঁপের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তাই বেশির ভাগ মানুষের খাদ্য তালিকায় স্থান পায় এই ফল। এক কথায়, পেপের পুষ্টিগুণ বলে শেষ করার মতো নয়। তাই বিভিন্ন রোগের হাত থেকে বাঁচতে দৈনন্দিন জীবনে বেশি করে পেঁপে খেতে হবে। তবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এ ফলটি রোগীদের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী।

আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন কাঁচা পেপে-এর আরও কিছু উপকারিতার কথা- ১। অন্যান্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন তারা অনায়াসে খেতে পারেন এ ফল। এছাড়াও এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি আছে যা শরীরের জন্য অনেক বেশি দরকারী।
২। পেঁপেতে বিদ্যমান পুষ্টিগুণ ব্রণ ও ত্বকের যে কোন ধরনের সংক্রামক থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের ছিদ্র মুখগুলো খুলে দেয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা পেঁপে ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনজ্জ্বীবিত করে তুলতে সাহায্য করে।
৩। পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারী। কারণ এটি নারীদের যে কোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।
৪। পেঁপেতে আছে অ্যান্টি- অ্যামোবিক ও অ্যান্টি-প্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য যা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকী, এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অন্ত্রের সমস্যা, পেটের আলসার ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকেও রক্ষা করে।
৫। এটি ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখার পাশাপাশি রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণকেও কমিয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। একারণেই হৃদরোগীদের সবসময় পেঁপে খেতে বলা হয়।
৬। পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ই ও এ। এগুলো ১০০ গ্রামে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি দেয়। এছাড়া এতে বিদ্যমান অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

৭ মাসে রপ্তানি আয় ৩২.৪৪৭ বিলিয়ন ডলার

লক্ষ্যে স্থির হলো হলো রপ্তানি আয়। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি ৭ মাসে রপ্তানি আয় এলো ৩২ দশমিক ৪৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার সমান। ৭ মাসের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার।

জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে প্রবৃদ্ধি কিছুটা পিছালো। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়াল ৯.৮১ শতাংশ। আগের মাসে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৫৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে চলতি বছরে ছুটতে থাকা প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমলো।আজ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে রপ্তানি উন্নঢন ব্যুরো (ইপিবি)।

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান বাজার ইউরোপে যুদ্ধের দামামা আর বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই চলতি বছরের শুরু থেকে রপ্তানি আয়ে ভালো খবর দিয়ে আসছিল। বাড়ছিল আয়। এ সময়ে দেশে ডলারের তীব্র সংকট চলছে। এই সংকটের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছিলো রপ্তানি আয়ে। বাড়ছিল প্রতি মাসেই। এর মধ্যে রপ্তানি আয়ের কার্যাদেশ কিছুটা কমেছিল। রপ্তানিকারকরা বলছিল, মার্চের দিকে রপ্তানি আয় কমে আসতে পারে। কিন্তু তার আগেই জানুয়ারি মাসে কিছুটা কমলো। যদিও চলতি বছরের প্রথম সাত মাস জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তার চেয়ে কমেনি। পাশাপাশি আগের বছরের চেয়ে বেশি আছে প্রায় দশ শতাংশ।চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৮ বিলিয়ন ডলার। আর জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার।

দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক কমলেই মোট রপ্তানি আয়ে ঝাঁকুনি লাগে। তথ্য বলছে তৈরি পোশাকের রপ্তানি কিছুটা কমার কারণে মোট রপ্তানি আয়ে এর প্রভাব পড়েছে। জানুয়ারি শেষে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৪.৩১ শতাংশ। ডিসেম্বরে এ হার ছিল ১৫.৫৬ শতাংশ।জুলাই-জানুয়ারি ৭ মাসে মোট ২৭.৪১৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫০ শতাংশ। আর ডিসেম্বর মাসে এ হার ছিল ৮৪.২০ শতাংশ। মূলত তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় কমার কারণেই কমেছে মোট রপ্তানি আয়।

আমি বাবার কাছে থাকতে চাই, মায়ের কাছে যাবো না

জাপানি বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি শিশু নাকানো লায়লা লিনা বাবার সঙ্গে থাকার আকুতি জানিয়েছেন। সে বলছে, ‘আমি আমার বাবার কাছে থাকতে চাই। আমার বাবাকে আমি অনেক ভালোবাসি। এজন্য বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে চাই না।’ বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গনে উপস্থিত সাংবাদিকদের এসব কথা জানান নাকানো লায়লা লিনা।

এদিন সকালে বাবা ইমরান শরীফ বলেন, ‘লায়লা লিনা আমার কাছে থাকতে চায়, সে মায়ের কাছে যাবে না। কিন্তু ওর মা ওর ওপর প্রেশার ক্রিয়েট করছে ওকে নিয়ে যেতে। কিন্তু ও যেতে রাজি না। আমি বিষয়টা নিয়ে উদ্বিগ্ন।’ এদিকে বড় মেয়ে নাকানো জেসমিন মালিকাকে (১১) নিয়ে আদালতে এসেছেন মা জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকো। ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতের বিচারক দুরদানা রহমানের আদালতে নাকানো লায়লা লিনাকে মায়ের হেফাজতে নেওয়ার বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, মা জাপানি চিকিৎসক নাকানো এরিকোর সঙ্গে বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইমরান শরীফের বিয়ে হয় ২০০৮ সালে। দাম্পত্য কলহের জেরে ২০২০ সালের শুরুতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন এরিকো। এরপর ইমরান স্কুলপড়ুয়া বড় দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। ছোট মেয়ে জাপানে এরিকোর সঙ্গে থেকে যান। মেয়েদের জিম্মা পেতে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে গতবছর জুলাইয়ে বাংলাদেশে আসেন ওই জাপানি নারী।

জাপানি নারী নাকানো এরিকো দুই মেয়েকে ফেরত পেতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তাদের সমঝোতায় আসতে বলেন বিচারক। কিন্তু ওই দম্পতি সমঝোতায় না আসায় কয়েক মাস শুনানির পর হাইকোর্ট দুই সন্তানকে বাবার হেফাজতে রাখার সিদ্ধান্ত দেয়। পাশাপাশি মা যাতে সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বাবাকে খরচ দিতে বলা হয়।

এদিকে, গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি ওই দুই শিশুর বিষয়ে আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত দেয় যে, তারা জিম্মায় থাকবে- তার নিষ্পত্তি হবে পারিবারিক আদালতে হবে এবং তার আগ পর্যন্ত শিশুরা মায়ের কাছেই থাকবে। এরপর আপিল বিভাগ থেকে মামলাটি পারিবারিক আদালতে আসে।

সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য যে আন্দোলন চলমান রয়েছে তাকে নস্যাৎ করার জন্য আওয়ামী লীগ পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় তিনি বলেন, এই সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে আমাদের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আমরা যখনই কর্মসূচি দিচ্ছি তখন একই সময় তারা পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে। তারা যে ভাষা ব্যবহার করছে সেটা সম্পূর্ণভাবে সন্ত্রাস করছে।’বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথ সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘একদিকে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশকে ব্যবহার করে আন্দোলনকে দমন করার প্রচেষ্টা তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় সমাবেশ করবে বিএনপি।’

তিনি বলেন, ‘এই সরকার বাংলাদেশের সমস্ত অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা সবচেয়ে বড় ক্ষতি যেটা করেছে তা হলো তারা গণতন্ত্রের কাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে। তারা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গতকালকে তারা যে তথাকথিত নির্বাচন অনুষ্ঠান করল (ছয়টি উপনির্বাচন)। এই উপনির্বাচনে ভোট প্রদানের হার তাদের হিসাব অনুযায়ী ১৫ থেকে ২০ শতাংশ। আমাদের হিসাব মতে, এটা ৫ শতাংশের বেশি না। আজ পত্র-পত্রিকায় ছবিগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন একেবারে ২০১৪ সালের ‘কুত্তা মার্কা’ নির্বাচনের মতো। ভোটকেন্দ্রে কুকুর শুয়ে আছে। আওয়ামী লীগ এই পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে। গণতন্ত্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে তারা ধ্বংস করে ফেলেছে।’

২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবেকে মির্জা ফখরুল চিঠি দিয়েছিলেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের এই মন্তব্যের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা তো বহু লোককে চিঠি দিয়েছি, বহু দেশকে চিঠি দিয়েছি। অবশ্যই দিয়েছি। এটা তো অস্বীকার করিনি। দেশের চলমান যে শাসনব্যবস্থা, আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, মানুষের উপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে, দুর্নীতি-লুটপাটের মধ্য দিয়ে, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে গুম করছে, খুন করছে, প্রতিমুহূর্তে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, এগুলা আমরা সারা পৃথিবীকে জানিয়েছি।’ আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে এই যৌথ সভার আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি নেতা মীর শরাফত আলী সপু, রফিকুল আলম মজনু, আমিনুল হক প্রমুখ।

বিএনপির কোমর ভেঙে গেছে: হাছান মাহমুদ

সরকারকে ধাক্কা দিতে গিয়ে বিএনপির কোমর ভেঙে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) তথ্য অধিদপ্তরের পিআইডি সম্মেলন কক্ষে ‘উন্নয়নের নব দিগন্ত’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বর মাসে তারা বলেছিল সরকারের বিদায় হবে এবং সরকারকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেবে। ডিসেম্বর মাসে সরকারকে ধাক্কা দিতে গিয়ে তারা নিজেরা পড়ে গেছে। এরপর থেকে এখন তারা হাঁটা শুরু করেছে। বিএনপি অনুধাবন করতে পেরেছে, সরকারকে ধাক্কা মারলে লাভ হবে না। সরকারের ভিত অনেক গভীরে প্রথিত। আওয়ামী লীগের ভিত অনেক গভীরে প্রথিত। সরকারকে ধাক্কা মারতে গিয়ে তাদের যে কোমর ভেঙে গেছে সেটা তাদের বর্তমান কর্মসূচির মাধ্যমে পরিস্ফুটিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, আশা করবো বিএনপি সব সময় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যে থাকবে, গণতন্ত্রের পথেই হাঁটবে। এটিই হচ্ছে আমাদের প্রত্যাশা। তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু থেমে নেই। তাদের ষড়যন্ত্র সব সময় ছিল, এখনো আছে। তারা জানে যে ২০০৮ সালে ২৯ আসন পেয়েছিল, পরে উপ-নির্বাচনে বেড়ে ৩০টি আসন অতিক্রম করে। ২০১৪ সালে বর্জন করেছিল। ২০১৮ সালে ছয়টি আসন পেয়েছিল। আগামী নির্বাচনেও তাদের সম্ভাবনা যে নেই, সেটি তারা জানে। সেটি জানে বলেই তারা নির্বাচন নিয়ে, নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এবং মানুষকে নির্বাচন বিমুখ করার জন্য নানা ধরনের কথাবার্তা বলে।

এসময় সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়- গতকাল যে উপনির্বাচন হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দেখা গেছে বিএনপির প্রার্থীর কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ মাঠে নেমেছে। অন্যদিকে বিএনপির মহাসচিব বলেছেন, মাগুরার নির্বাচনকে হার মানিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নির্বাচন।

এর উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সেখানে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী ছিল না। যেহেতু আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই, আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা যে কাউকে পছন্দ করতে পারেন। সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। আমাদের দলের কোনো নির্দেশনা কারও পক্ষে নামার জন্য ছিল না। যে যার পছন্দ মতো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে।

তিনি বলেন, আমরা মাত্র তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিলাম। সে তিনটি আসনে আমাদের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে। নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু সুন্দর হয়েছে। উপনির্বাচনে সবসময় ভোটার উপস্থিতি কম থাকে। আর যেখানে জাতীয় নির্বাচন এক বছরের কম সময়ের মধ্যে হবে, অল্প সময়ের জন্য যেহেতু তারা নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন, এখানে ভোটার উপস্থিতি কম হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। সে জন্যই ভোটার উপস্থিতি কিছু কম থাকলেও অত্যন্ত সুষ্ঠু সুন্দরভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে, ভারতীয় উপমহাদেশের প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত ভালো নির্বাচন হয়েছে। আপনি যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটার উপস্থিতির কথা ভাবেন, সেখানে ৪০ শতাংশ মানুষ ভোটার হন না। আবার যারা ভোটার হন সেখান থেকে অর্ধেক উপস্থিত হন। সার্বিক বিচারে ২৫ শতাংশ ভোট পড়ে সেখানে। সে হিসেবে আমাদের উপনির্বাচন যেটি এক বছরের কম সময়ের জন্য এমপি নির্বাচিত হবেন অনেক ভালো হয়েছে।

আমাকে স্যার বলার ভয়ে জিততে দেয়নি

বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনে পরাজয়ের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেছেন, কিছু কিছু শিক্ষিত লোক আমাকে মেনে নিতে চায় না। তারা ভাবে আমি পাস করলে দেশের সম্মান যাবে, অনেকের সম্মান যাবে। অফিসারদের লজ্জা যে, হিরো আলমেক স্যার বলে সম্বোধন করতে হবে। এজন্য আমাকে জিততে দেয়নি। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সদরের এরুলিয়ায় বানদিঘী গ্রামে তার নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। এসময় ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন হিরো আলম।

তিনি বলেন, আজ সারা বাংলাদেশ তাকিয়ে ছিল, হিরো আলমের কী হবে? আমার গর্বে বুক ভরে গেছে। আজ মনে হয়েছে, আমি প্রধানমন্ত্রীর ভোট করলাম। ভোটের ফলাফল সবাই জানেন। আমাদের নন্দীগ্রামে যখন ফলাফল ঘোষণা করা হয়, সেখানে ৪৯টি কেন্দ্র। সবাই বলেছেন আপনি পাস করেছেন। ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন। আমার এত ভোট গেলো কই? নির্বাচন কর্মকর্তা ৩৯টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা দিয়ে থেমে যান। এরপর সরাসরি বাকি ১০ কেন্দ্রে তানসেন জয়ী বলে ঘোষণা দেন। এই ১০ কেন্দ্রেই ফলাফল কারচুপি করা হয়েছে।

আলোচিত হিরো আলম বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব বলেছে আপনি জিতেছেন। ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে, মশাল জিতে গেছে এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি। আওয়ামী লীগের লোকজনও আমাকে ভোট দিয়েছেন। দল নয় আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন। ওই ভোটগুলো গেল কই? এই ফলাফল আমি মানি না।

তিনি আরও বলেন, এসব অনিয়মের বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ দেইনি। তবে ফলাফলের বিরুদ্ধে আদালতে যাব। আমার বিজয় ছিনতাই করা হয়েছে। ১০টি কেন্দ্রের ভোট গণনা বাদ দিয়েই ফলাফল দিয়েছে প্রশাসন। এই কেন্দ্রগুলোতে কত ভোট পেলাম তা জানানো হয়নি আমাকে। বগুড়া-৪ আসনে ফলাফলে হিরো আলম ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে মশাল প্রতীকের কাছে হেরেছেন। তবে বগুড়া-৬ আসনে তিনি পাঁচ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়েছেন।

পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করুন :কাদের

বিএনপিকে পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করতে আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাতাল মেট্রোরেল প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে দেয়া ভাষণে এ আহ্বান জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সারাদেশ মেট্রোরেলে মেতেছে। লুঙ্গি পরে গ্রামের মানুষ সারাদিন ধরে অপেক্ষা করছে মেট্রোরেলে ওঠার জন্য।তিনি বলেন, মেট্রোরেল আরও আসবে। আরও ছয়টা মেট্রোরেল নতুন সাজে গণপরিবহনে সুসজ্জিত হবে।ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়ন মাত্র শুরু হয়েছে। এই উন্নয়নে বিরোধীদলের জ্বালা শুরু হয়েছে। কত যে জ্বালা, পদ্মা সেতুর জ্বালা, উড়াল সেতুর জ্বালা।

তিনি আরও বলেন, আপনারা ভয় পাবেন না। বিএনপির আন্দোলনে লাল কার্ড। বিএনপির সবই ভুয়া। পথ হারা হয়ে বিএনপি এখন পদযাত্রা করছে। এসব পদযাত্রা বন্ধ করে নির্বাচনের দিকে যাত্রা করেন।

মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী

মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের ভাগ্য তৈরি করতে এসেছি, এখানে দুর্নীতি কিসের। আমরা জনগণের কল্যাণে কাজ করতে এসেছি।’ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-১ এর নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উড়াল সেতু, মেট্রোরেল উপহার দিয়েছি। এবার মাটির নিচ দিয়ে যাবে পাতাল রেল। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণ করা হবে। গত ১৪ বছরে বাংলাদেশে আমূল পরিবর্তন হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। মেট্রোরেল নির্মিত হয়েছে। হলি আর্টিজনে নিহত জাপানিদের স্মরণে মেট্রোরেলের প্লাটফর্মে তাদের স্মৃতিস্তম্ভ গড়ে তুলবো। দিয়া বাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত তাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের মানুষ সাহস দিয়েছিল বলেই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু করা সম্ভব হয়েছিল। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল। আওয়ামী লীগ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করতে এসেছে। মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে নয়। পদ্মাসেতু নিয়ে কোনো দুর্নীতি হয়নি সেটাও প্রমাণ হয়েছে। গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত আছে বলেই দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। ২০৪১ সালে মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। বাংলাদেশের অগ্রগতি আর কেউ থামাতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যে এত বছর কাজ করলাম, মানুষের উপকার করলাম, যার ফলে মানুষ আমাদেরকে ভোট দিচ্ছে। জনগণের আস্থা-বিশ্বাস আমরা পাচ্ছি। আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের মন জয় করেই আমরা ভোট পাচ্ছি। বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ যে নির্বাচন (বিএনপির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন) হয়ে গেল সেখানে নৌকা মার্কায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ প্রার্থী ছিল আর বগুড়ায় ১ প্রার্থী।’

দেশে পাইকারি ও খুচরায় ফের বাড়ল বিদ্যুতের দাম

দেশে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ফের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। যা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। নির্বাহী আদেশে দাম বৃদ্ধির কথা জানিয়ে আজ মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী গ্রাহক পর্যায়ে সবচেয়ে কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য আগের চেয়ে ইউনিট প্রতি ২০ পয়সা বেড়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে এ দাম তিন টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে চার টাকা ১৪ পয়সা করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ধারা ৩৪ক-তে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ভর্তুকি সমন্বয়ের লক্ষ্যে ১২ জানুয়ারিতে জারি করা প্রজ্ঞাপন সংশোধন করা হলো।

আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে শূন্য থেকে ৫০ ইউনিট ব্যবহারকারী লাইফ লাইন গ্রাহকদের বিদ্যুতের দাম ইউনিট প্রতি তিন টাকা ৯৪ পয়সা থেকে বেড়ে চার টাকা ১৪ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম চার টাকা ৪০ পয়সা থেকে বেড়ে চার টাকা ৬২ পয়সা, ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ছয় টাকা এক পয়সা থেকে বেড়ে ছয় টাকা ৩১ পয়সা, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ছয় টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ছয় টাকা ৬২ পয়সা, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিটের জন্য ছয় টাকা ৬৬ পয়সা থেকে বেড়ে ছয় টাকা ৯৯ পয়সা, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বেড়ে ১০ টাকা ৯৬ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল ১২ টাকা তিন পয়সা থেকে বেড়ে ১২ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে।

এছাড়া পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য ছয় টাকা ২০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে আট টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত রবিবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন সংশোধন বিল ২০২৩ এর অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় সংসদ। বিলে বলা হয়েছে, এই আইনের অন্যান্য বিধানে যা কিছু থাকুক না কেন, বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার প্রজ্ঞাপন দিয়ে ভর্তুকি সমন্বয়ের জন্য জনস্বার্থে কৃষি, শিল্প, সার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালি কাজের চাহিদা অনুযায়ী এনার্জির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এসবের উৎপাদন বৃদ্ধি, এনার্জি সঞ্চালন, মজুতকরণ, বিপণন, সরবরাহ, বিতরণ এবং ভোক্তা পর্যায়ে ট্যারিফ নির্ধারণ, পুনর্নির্ধারণ বা সমন্বয় করতে পারবে।

এর আগে গত ১২ জানুয়ারি দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিদ্যুতের খুচরা দাম ইউনিটপ্রতি ১৯ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। যা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিমাসে বিদ্যুতের খুচরা দাম নিয়মিত সমন্বয় করা হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল।

গত ৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ওপর গণশুনানির আয়োজন করা হয়। তাতে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব উত্থাপন করে বিদ্যুৎ বিতরণকারী ছয়টি প্রতিষ্ঠান। ওই শুনানিতে বিদ্যুতের দাম ১৫.৪৩ শতাংশ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছিল বিইআরসির কারিগরি কমিটি।

যদিও ওই সুপারিশের ভিত্তিতে নয়, সরকারের নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের দাম চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি প্রথম দফায় বাড়ানোর ঘোষণা এসেছিল।

গত ৩০ নভেম্বর বিইআরসি অধ্যাদেশ ২০২২ সংশোধনের কারণে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পায় সরকার। ওই অধ্যাদেশের আওতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিলো বিদ্যুৎ বিভাগ।

বিএনপি নির্বাচনে না আসলে জনগণ থেকে দূরে সরে যাবে

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপির দম ফুরিয়ে গেছে তাই হাঁটা শুরু করেছে, পদযাত্রা করে কোনো লাভ হবে না। বিএনপি নির্বাচনে না আসলে জনগণ থেকে আরও দূরে সরে যাবে।মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলে চট্টগ্রামে মেট্রোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাই কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ট্রান্সপোর্ট মাস্টারপ্ল্যান অ্যান্ড প্রিলিমিনারি ফিজিবিলিটি স্টাডি ফর আরবান মেট্রোরেল ট্রানজিট কনস্ট্রাকশন অব চট্টগ্রাম মেট্রোরেল এরিয়া শীর্ষক প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় ৬০ লাখ ডলার অনুদান হিসেবে দিচ্ছে কোরিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি। বাকি ১৩ কোটি টাকা দেবে বাংলাদেশ সরকার।

কেওআইসিএর অর্থায়নে চট্টগ্রাম নগরকেন্দ্রিক মেট্রোরেলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মেট্রোরেল ও পরিবহন অবকাঠামোখাতে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লু প্রান্তে এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জ্যাং কিউন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ রওশন আরা মান্নান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, ইআরডি সচিব শরিফা খান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দুবাস, ডিটিসিএ‍‍`র নির্বাহী পরিচালক সাবিহা পারভীন, কইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইয়ংগাহ ডো-সহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।