All posts by lutfor

জনগণ সরকারকে বিদায় করার জন্য রাস্তায় নেমেছে : খন্দকার মোশাররফ

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের জনগণের মধ্যে ইস্পাত কঠিন ঐক্য সৃষ্টি করে এই সরকারের বিদায়ের আন্দোলনে আমরা অগ্রসর হব। অতি শিগগিরই আমরা এই সরকারকে বিদায় দিতে সমর্থ হব।মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টায় গাবতলীতে ঢাকা উত্তর বিএনপির পদযাত্রার পূর্ব বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিকেল সোয়া ৩টায় গাবতলী থেকে মাজার রোড হয়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর গিয়ে শেষ হবে বিএনপির এই পদযাত্রা কর্মসূচি।

সরকারের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মামলা নির্যাতন করে মনে করেছিলেন বিএনপিকে আপনারা ঘরে বসিয়ে দেবেন। বিএনপি এবং দেশের জনগণ প্রমাণ করেছে তারা বসে যায়নি বরঞ্চ আপনাদের বিদায় করার জন্য রাস্তায় নেমেছে। তারা (আওয়ামী লীগ) এদেশের কোনো মেরামত করতে পারবে না। তাদের বিদায় যত দ্রুত সম্ভব হবে এদেশের জনগণের এবং এদেশের মানুষের জন্য ততই মঙ্গল।

আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা যত রকমের হুংকার দেন না কেন, এদেশের জনগণ ইতোমধ্যে আমাদের সমাবেশের মাধ্যমে তারা আওয়াজ তুলেছে এই সরকারকে তারা আর দেখতে চায় না। কেন দেখতে চায় না! এই সরকার বারবার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। ১৯৭৫ সালে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। বর্তমান আবার গায়ের জোরে সরকার ক্ষমতা থাকার জন্য গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। শুধু জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কেউ নিজের হাতে ভোট দিতে পারে না।

মোশাররফ বলেন, যারা গণতন্ত্র হত্যাকারী, যারা ভোটাধিকার হরণকারী, চোর তাদেরকে কেউ আর ভোট দিতে চায় না। সেজন্যই আজকে আওয়ামী লীগের ভয়। এই আওয়ামী লীগ গায়ের জোরে ক্ষমতায় থেকে আমাদের অর্থনীতিকে তছনছ করে দিয়েছে। কেন এটা! আপনারা সকলেই জানেন তাদের দুর্নীতি, মেগা প্রজেক্ট এর নামে দুর্নীতি, লুটপাট, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি এবং দেশের টাকা বিদেশে পাচার।

‘সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা লুট করার জন্য বিদ্যুতের দাম, পানির দাম, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সরকার দেশের মানুষকে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস দিতে পারছে না; এজন্য দেশের মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণ হচ্ছে তারা আজকে আমদানি করতে পারছে না। দ্রব্যমূলক প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের লোকেরাই এই কাজগুলো করছে। তারা বিদেশে টাকা পাচার করে এদেশে দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি করেছে। অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনাদের সময় শেষ আগামী দিনে বাংলাদেশ হবে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বাংলাদেশ। আপনাদের বিদায়ের শুভযাত্রাই হচ্ছে এই পদযাত্রা। আপনারা এটাকে যাই মনে করেন না কেন, আপনাদের বিদায়ের পদযাত্রা হচ্ছে আমাদের এই শান্তিপূর্ণ সফল পদযাত্রা।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, নাজিমুদ্দিন আলম, আব্দুস সালাম আজাদ, মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না প্রমুখ।এর আগে গত শনিবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বাড্ডা থেকে রামপুরা হয়ে মালিবাগ হোটেল পর্যন্ত পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

এরপর গতকাল সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে এ পদযাত্রা শুরু হয়ে শ্যামপুর পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।আগামী ১ ফেব্রুয়ারি মুগদা থেকে মালিবাগ পর্যন্ত পদযাত্রা করবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি। প্রতিটি পদযাত্রা বেলা ২টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির পালিয়ে যাওয়ার স্বভাব আছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না, কোন পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতারা পালায়নি। বরং বিএনপির পালিয়ে যাওয়ার স্বভাব আছে।

তিনি বলেন, বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর যে কর্মসূচি সেই কর্মসূচিতে কোন সংঘাত না কারার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গত ডিসেম্বর ১ তারিখ থেকে আগামী নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে। তাই নেতাকর্মীদের সব সময় প্রস্তু থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর)  সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার তিববতে শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিশেষ বক্তা ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল।বিশেষ বক্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, লন্ডন বসে নির্দেশ দেন আর আপনার তা বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে যান। একজন জেল পলাতক আসামী কখন নেতা হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, আপনাদের নেতার যদি সৎ সাহস থাকে তাহলে দেশে এসে মামলা মোকাবেলা করুক। বিদেশী পালিয়ে থাকা বিএনপির স্বভাব, প্রধানমন্ত্রী দেশে এসে মামলা মোকাবেলা করেছিলেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।সমাবেশে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মহানগর উত্তর এর নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

দলমত নির্বিশেষে সবার জন্যই কাজ করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দলমত নির্বিশেষে সবার জন্যই কাজ করেছি। কে কোন দলের মেয়র তা দেখে কোনো বরাদ্দ দেইনি।মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখেছি। দলমত নির্বিশেষে সবার জন্যই কাজ করা হয়েছে বলেই আজকের বাংলাদেশ বদলে গেছে। দেশে স্থিতিশীলতা রয়েছে।সরকারপ্রধান বলেন, মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখলকে অবৈধ ঘোষণা দিয়েছেন উচ্চ আদালত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের ভোট, গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে। আমরা এই ঘোষণার প্রেক্ষিতে আমাদের সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী এনে গণতন্ত্রকে সুসংহত করেছি। এ গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের শক্তিকে দৃঢ় করা।

তিনি বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর ফলে দেশে স্থিতিশীলতা এসেছে। এখন আর অনির্বাচিত কেউ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারছে না। অনেকের অন্তর জ্বালা আছে। আমাদের দেশের এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবী আছেন, যারা বুদ্ধি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা সবসময় গণতান্ত্রিক ধারাকে ব্যাহত করার চেষ্টা করেন। এটা তাদের একটা প্রচেষ্টা, যা আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি।

এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্য দল গঠন করিনি: কাদের সিদ্দিকী

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ‘আমি এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্য বা ক্ষমতার জন্য দল গঠন করিনি। আমি দল গঠন করেছি সেবা করার জন্য, মানুষকে পাহাড়া দেওয়ার জন্য।’  মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের সোনার বাংলা কমিনিটি সেন্টারে অবস্থিত কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের জেলা কার্যালয়ে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার অনেক দূরত্ব রয়েছে। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করি। এখন লুটপাটের সময় চলছে। হয়তো অনেকে মনে করতে পারেন আমাদের উদ্দেশ্য নির্বাচন করা, সরকারে যাওয়া কিন্তু এমন রাজনীতি আমি করিনি ও ভবিষ্যতে যে করবো তা কেউ গ্যরান্টি দিতে পরবে না। আওয়ামী লীগ সত্যি মস্তবড় দল। বঙ্গবন্ধুকে গ্রাস করে আওয়ামী লীগ সুফল পাচ্ছে। ততদিনই তারা সুফল পাবে, যতদিন না পর্যন্ত আমরা আওয়ামী লীগের চাইতে সুসংগঠিত হতে পারবো।’

জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল হালিম লালের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার বীর প্রতীক, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ হেল বীর প্রতীক, সদস্য নাসরিন সিদ্দিকী, শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, মঞ্জুরুল আলম বিমল, রিফাতুল ইসলাম ফেরদৌস, দলের ময়মনসিংহের সভাপতি প্রিন্সিপাল আব্দুর রশীদ, কেন্দ্রীয় যুব আন্দোলনের সভাপতি হাবিউন নবী সোহেল প্রমুখ। কর্মীসভা সঞ্চলনা করেন- কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এটি এম সালেহ উদ্দিন।

কত সম্পত্তির মালিক হলেন জাস্টিন বিবার?

কানাডিয়ান পপ তারকা জাস্টিন বিবারের সম্পদের পরিমাণ ৩০ কোটি ডলারে ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি নিজের গানের স্বত্ব ২০ কোটি ডলারে হিপনোসিস সঙ্গস ক্যাপিটালের কাছে বিক্রির পর তার মোট সম্পদ ৩০ কোটির ঘরে। সম্পদ ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট সেলিব্রিটি নেট ওয়ার্থের বরাদ দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে দ্য ন্যাশনাল।

বিবিসি জানিয়েছে, বিক্রির চুক্তি অনুযায়ী বিবারের ‘বেবি’ ও ‘স্যরি’র মতো হিট গানগুলোর মালিকানা যাচ্ছে হিপনোসিস সঙ্গস ক্যাপিটালের কাছে। কোম্পানিটি গানগুলোর প্রতিবার স্ট্রিম করা বা রেডিও, টিভি বা সিনেমায় ব্যবহার করার সময় অর্থ উপার্জন করবে। কোম্পানিটি বিবারের ২৯০টি গানের স্বত্ব কিনেছে। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগ পর্যন্ত প্রকাশিত বিবারের সব গান এই চুক্তির আওতাভূক্ত।

হিপনোসিস সঙ্গস ক্যাপিটালের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক মার্কারিয়াডিস বিবারের গানের স্বত্ব কেনার প্রসঙ্গে বিবিসিকে বলেন, “জনপ্রিয় গানগুলো সোনা বা তেলের চেয়েও বেশি মূল্যবান হতে পারে।”

তথ্য বলছে, ৭০ বছরের কম বয়সী কোনও শিল্পীর গানের স্বত্ব বিক্রির ক্ষেত্রে বিবারের এ চুক্তিটিই সবচেয়ে বড় চুক্তি। মাত্র ২৮ বছর বয়সেই তিনি সংগীত জগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শিল্পীদের একজন, যিনি পুরো মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিকেই পুনরুজ্জীবিত করেছেন। সূত্র: বিবিসি

ইউক্রেনকে এফ-১৬ দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে সহায়তার জন্য ইউক্রেনে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান পাঠাবে না ওয়াশিংটন। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেছেন।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার পশ্চিমা মিত্রদের কাছে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের তালিকা পাঠিয়েছেন। এই তালিকার শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। সোমবার সাংবাদিকরা বাইডেনের কাছে জানতে চান, তিনি ইউক্রেনকে এফ-১৬ দিয়ে সহযোগিতা করবেন কিনা। জবাবে বাইডেন সাফ জবাব দেন, না।

২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার আক্রমণের প্রথম বার্ষিকী সামনে আসার সাথে সাথে ইউক্রেনকে সমর্থনকারী জোটের সমর্থনের প্রদর্শন হিসাবে বাইডেন ইউরোপে ভ্রমণ করতে পারেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের লজিস্টিক হাব হিসেবে পোল্যান্ডকে বিবেচনা করা হচ্ছে। ইউরোপ সফরের সময় বাইডেন পোল্যান্ড যাবেন কিনা জানতে চান সাংবাদিকরা। তিনি বলেছেন, আমি পোল্যান্ডে যাচ্ছি। যদিও আমি জানি না কবে।

হাথুরুসিংহেকে পাচ্ছে বাংলাদেশ

সব জল্পনা কল্পনার অবসান কি চন্ডিকা হাথুরুসিংহেই করলেন? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিবিসি) দেওয়া জাতীয় দলের দায়িত্বের প্রস্তাব পুনরায় গ্রহণ করতেই কি অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি ছাড়লেন? বিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনই কিছু জানাবে না। চুক্তি শেষ হলেই আসবে ঘোষণা।

মঙ্গলবার নিউ সাউথ ওয়েলসের দায়িত্ব ছেড়েছেন দলটির সহকারী কোচ হাথুরুসিংহে। দ্বিতীয় মেয়াদে দুই বছর চাকরির পর ব্লুজ ও সিডনি থান্ডারের দায়িত্ব ছেড়েছেন শ্রীলঙ্কার হয়ে ২৬ টেস্ট খেলা হাথুরুসিংহে। এর আগে দলটির হয়ে ২০১১-১৪ সাল পর্যন্ত কাজ করেছিলেন তিনি। সেবার দায়িত্ব ছেড়ে হাথুরুসিংহে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশে। এবারও তার ঠিকানা বাংলাদেশ।

গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর থেকেই নতুন কোচ খুঁজছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে শ্রীধরন শ্রীরামকে রাখা হলেও ওয়ানডে ও টেস্টের জন্য ‘কড়া হেডমাস্টার’ চেয়েছিল বিসিবি। সভাপতি নাজমুল হাসানের প্রথম পছন্দই ছিল হাথুরুসিংহে। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর সিডনিতে বিসিবি সভাপতি ও কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে হাথুরুসিংহের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকেই তার বাংলাদেশে আসা নিশ্চিত হয়ে যায়।

গেলো বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশের চাকরি ছাড়েন প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। ভারত সিরিজের পরপরই তাকে রাখা হবে না জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বিসিবির ছাঁটাইয়ের আগেই তিনি নিজে ইস্তফা দিয়েছিলেন। বিসিবির কাজও সহজ হয়ে যায়।

সোমবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে কোচ নিয়োগ ও বাছাই নিয়ে পরিষ্কার কিছু বলেননি নাজমুল হাসান পাপন। গণমাধ্যম থেকে হাথুরুসিংহের কথা বলা হলেও এড়িয়ে যান বোর্ড প্রধান।তবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন শেষে বেরিয়ে যাওয়ার পথে বিসিবি সভাপতি কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘আমরা যে ধরনের কোচ খুঁজছি, ফুল টাইম ওটাতে ও (হাথুরুসিংহে) আছে। অন্য কেউ ফুল টাইম না। কেউ হয়তো দুইশ দিন। কেউ হয়তো একশ দিন। কাউকে আবার আইপিএলে ছেড়ে দিতে হবে। এমন কিছু আবার হাথুরুসিংহের ক্ষেত্রে নেই। সেদিক থেকে মনে হয় যে ওর সম্ভাবনা বেশি।’

ফুল টাইম কোচ সব সময় প্রধান্য দেয় বিসিবি। এবারও হাথুরুসিংহকে ফুল টাইমই পাচ্ছে। তার হাত ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ নতুন করে পথ চলতে শুরু করে। এখন বাংলাদেশ যে অবস্থানে দাঁড়িয়ে তাতে বড় অবদান রেখেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় মেয়াদে তার যাত্রা কেমন যায় সেটাই দেখার।

শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শূন্য ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখা থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শূন্য ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্যাদি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয়গুলো হলো-দুর্গাপুরের জুগিশো চয়নিকা গার্লস হাইস্কুল (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-২) ও পুটিয়ার তারাপুর হাইস্কুল (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-১)। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের গাইবান্ধা সাদুল্ল্যাপুরের কুঞ্জামহিপুর দ্বিমুখী বিদ্যালয় (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-৩), নীলফামারী ডিমলার পশ্চিম হরিবাড়ী আছিয়া খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-২), কুড়িগ্রাম সদরের খামার বড়াইবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় (এমপিওভুক্ত, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-৪), দিনাজপুর খানসামা উপজেলার হাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় (এমপিওভুক্ত, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-৬), পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার বলরামহাট মডেল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-২)।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন যশোর মনিরামপুর গলদা খারিঞ্চি গার্লস হাইস্কুল (এমপিওভুক্ত, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-১), চট্টগ্রাম বোর্ডের চট্টগ্রাম জেলার পাঁচশাইল গ্লোবাল স্কলার স্কুল অ্যান্ড কলেজ (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-১), ময়মনসিংহ বোর্ডের জামালপুরের বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয় (নন এমপিও, পরীক্ষার্থী সংখ্যা-৭)।

এসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য হওয়ার কারণ কী, কী ধরনের সহযোগিতা দিলে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করতে পারবে, তা নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া ও প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ সংক্রান্ত কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো গত পাঁচ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলসহ, শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী, পাসের হারের বিস্তারিত তথ্যাদি জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর অনুলিপি বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস) মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সংশ্লিষ্ট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে পাঠানো হয়েছে।

দুর্নীতিগ্রস্ত ১৮০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ ১২তম

২০২২ সালের ব্যাপক দুর্নীতিগ্রস্ত ১৮০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)। এ তালিকায় এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালে বাংলাদেশ এই তালিকার ১৩তম অবস্থানে ছিলো।

মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বার্লিনভিত্তিক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স (সিপিআই) প্রকাশ করে। ঢাকায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের স্কোর ১ পয়েন্ট কমে ২৬ থেকে ২৫ হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে এক ধাপ অবনমন হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিপিআই অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান হতাশাজনক। এ বছর সূচকে নিচের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২ এবং ওপরের দিক থেকে ১৪৭। অবশ্য দুর্নীতির এই সূচকে বা স্কোরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ এর আগের বছরের মতো একই স্কোর ছিল৷ চার বছর ধরেই একই স্কোর রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের থেকে নিচে চলে যাওয়া ঝুঁকিতে আছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকররকে কার্যকরী ভূমিকা নেয়ার তাগিদ দেয় টিআইবি।

এবার বাংলাদেশ ১০০ স্কোরের মধ্যে ২৫ অর্জন করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে এবারও বাংলাদেশের অবস্থান ও স্কোর যথারীতি বিব্রতকরভাবে আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এবার আফগানিস্তানের স্কোর ১৬ থেকে বেড়ে ২৪ হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের স্কোর ঘুরেফিরে ২৫ থেকে ২৮ এর মধ্যে রয়েছে। ১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।

মালয়েশিয়ায় জাল ওয়ার্ক পারমিট চক্রের ৫ বাংলাদেশী আটক

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের পাশ্ববর্তী সেলাংগরে অভিযান চালিয়ে ভিসা জালিয়াতি চক্রের সাথে জড়িত ৫ বাংলাদেশীসহ ৭ জনকে আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। শুক্রবার(২৮জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির অভিবাসন বিভাগের প্রধান দাতুক খায়রুল দাজায়মি দাউদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার(২৭ জানুয়ারি) জাল ওয়ার্ক পারমিট তৈরির সংবাদ পেয়ে সেলাংগরের চারটি  আস্তনায় অভিযান চালিয়ে ৫ জন বাংলাদেশী ও ২ জন স্থানীয় নাগরিককে আটক করা হয়।

এসময় তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের ১৭টিসহ বিভিন্ন দেশের ৬০ টি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া বেশকিছু পাসপোর্টে জাল ওয়ার্ক পারমিট লাগানো ছিল। এসময় আরো উদ্ধার করা হয় একটি প্রাইভেটকার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস ধরে জাল ওয়ার্ক পারমিট তৈরির কাজ করছে তারা।

একটি জাল ওয়ার্ক পারমিট বিক্রি হতো প্রায় লাখ টাকা। ইতিমধ্যে এই চক্রটি জাল ভিসা বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছে প্রায় কোটি টাকা। আটককৃতদের বয়স আনুমানিক বয়স ২৮ থেকে ৫০ বছর। তবে কারোর নাম প্রকাশ করেনি ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান। সবাইকে দেশটির অভিবাসন বিভাগের আইনের ১৯৬৬ ও পাসপোর্ট আইনের ১৯৫৯/৬৩ ধারায় আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।