শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

All posts by lutfor

ফল খাওয়ার সময় এগুলো মেনে চললে অ্যাসিডিটি হবে না

ফল খাওয়ার বিজ্ঞান মেনে চললে এই সমস্যা হবে না।

সুস্থ থাকতে, শরীর মেদহীন রাখতে ফল খাওয়ার গুরুত্বের কথা ডায়েটিশিয়ানরা সব সময়ই বলে এসেছেন। যারা ফল খেতে ভালবাসেন না তারা অ্যাসিডিটির দোহাই দিয়ে ফল খাওয়া এড়িয়ে চলেন। কেন বলুন তো ফল খেলে অ্যাসিড হয়? এর পিছনে রয়েছে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক কারণ। ফল খাওয়ার বিজ্ঞান মেনে চললে এই সমস্যা হবে না। জেনে নিন ফল খাওয়ার বিজ্ঞান।

মেলন

মেলন জাতীয় ফলের সঙ্গে আর কোনও ফলই খাওয়া উচিত নয়। মেলন জাতীয় ফলে জলের পরিমাণ বেশি থাকার জন্য তা তাড়াতাড়ি হজম হয়ে যায়। যে কারণে অন্য কোনও ফল তরমুজ, খরমুজ, ফুটি জাতীয় ফলের সঙ্গে খেলে তা হজম হয় না।

অ্যাসিডিক ও মিষ্টি ফল

স্ট্রবেরি, কমলালেবু, বেদানা, পিচ বা আপেলের মতো অ্যাসিডিক ফলের সঙ্গে কলা, কিসমিস জাতীয় মিষ্টি ফল খাওয়া এড়িয়ে চলুন। দু’ধরনের ফলে পিএইচ মাত্রা আলাদা হওয়ার কারণে হজমে সমস্যা হয়। অ্যাসিডিটি, বমি পাওয়া, মাথা যন্ত্রণার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

ফল ও সব্জি

ফল ও সব্জি হজম হওয়ার ধরন আলাদা। ফল অনেক তাড়াতাড়ি হজম হয়। বেশির ভাগ ফল পাকস্থলীতে পৌঁছনো মাত্রই হজম হয়ে যায়। আবার ফলের মধ্যে শর্করার মাত্রা বেশি থাকার কারণে তা সব্জির পরিপাকেও বাধা দেয়। ফলে বুক জ্বালা, অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়। যে কারণে কমলালেবু ও গাজর এক সঙ্গে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে।

স্টার্চ ও প্রোটিন

স্টার্চ জাতীয় ফল খুবই কম রয়েছে। যেমন কলা। কিন্তু কর্ন, আলু, বাদাম স্টার্চ জাতীয় সব্জি। প্রোটিন জাতীয় ফল ও সব্জির সঙ্গে স্টার্চ জাতীয় ফল ও সব্জি মেশাবেন না। কিসমিস, পেয়ারা, পালং শাক, ব্রকোলি প্রোটিন জাতীয় ফল, সব্জি। কারণ প্রোটিন হজম করার জন্য শরীরের অ্যাসিডিক বেস প্রয়োজন, আবার স্টার্চ হজম করার জন্য ক্ষারক বেস প্রয়োজন। তাই দুই জাতীয় খাবার এক সঙ্গে খেলে হজমে সমস্যা হয়।

বিয়ে করলে মোটা মেয়েকেই করুন, বলছে গবেষণা

জীবনসঙ্গী বা সহধর্মিনী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক পুরুষেরই আলাদা পছন্দ থাকে। আর এ পছন্দের বেশিরভাগ জায়গা জুড়েই থাকে মেদহীন শরীরের কোন রমনী।

তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে চমকে যাবার মতো তথ্য। গবেষণা বলছে, জীবনে সুখী হতে হলে অবশ্যই মোটা মেয়েদের বিয়ে করা উচিত।

গবেষকরা বলছেন, মোটা মেয়েদের তুলনায় স্বভাবের দিক দিয়ে চিকন শরীরের মেয়েরা অনেকটাই রিজার্ভড হয়। স্বামীর সঙ্গে তারা বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলতেও অনেকটা সময় নেন।

গবেষকরা আরও জানান, চিকন স্ত্রীদের তুলনায় তাদের স্বামীদের দশ গুণ বেশি সুখে রাখেন মোটা স্ত্রীরা। এছাড়া তাদের সঙ্গীর চাহিদাও তারা অনেক বেশি ভালো বোঝেন।

প্রতিদিন এক কাপ লাল চা

দিনের শুরুতে এক কাপ লাল চা যেমন কর্মশক্তি যোগায়, তেমনি দিনের শেষে সাহায্য করে শরীরে ক্লান্তি দূর করতে।  লাল চায়ে থিয়োফিলাইন নামক একটি উপাদান রয়েছে যা শরীরকে সতেজ রাখে সবসময়। পাশাপাশি হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী এটি। চাইলে লাল চায়ে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস, আদা কিংবা মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এটি বাড়তি পুষ্টি যোগ করবে চায়ে।

জেনে নিন প্রতিদিন লাল চা পান করা জরুরি কেন-

  • লাল চায়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানসহ এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা লাংস, কলোরেকটাল, ব্লাডার, ওরাল এবং ওভারিয়ান ক্যান্সারকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
  • লাল চা শরীরের যেকোনও অংশে ম্যালিগনেন্ট টিউমারের বৃদ্ধি আটকাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • লাল চায়ে রয়েছে টেনিস নামক একটি উপাদান যা নানা ধরনের ক্ষতিকর ভাইরাসের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
  • নিয়মিত লাল চা পান করলে মস্তিষ্কে রক্তচলাচলের মাত্রা বাড়ে। এতে ব্রেনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
  • লাল চা হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • হার্ট সুস্থ রাখে লাল চা। এতে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। ফলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে।
  • লাল চায়ে রয়েছে অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা স্ট্রেস কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এবার চশমায় শোনা যাবে গান

প্রযুক্তির জগতে প্রতিনিয়তই এমন চমক আসছে, যা হয়তো বছর পাঁচেক আগেও কল্পনা করতে পারত না । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি আমাদের অবাক করছে বটে। তবে আমরাও এই অগ্রগতির সঙ্গে পা মেলাচ্ছি। এবার আরও একটি অসাধারণ আবিষ্কারের কথা শোনা যাচ্ছে। স্মার্টফোনের পর বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট গ্লাস।

অ্যাপল, স্যামস্যাং, অপোর মতো সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে স্মার্ট গ্লাস তৈরির কাজ শুরু করেছে। এই চশমায় এআর (Augmented Reality) প্রযুক্তি থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এবার একই পথে স্মার্ট গ্লাস তৈরির কাজ শুরু করল চীনা সংস্থা শাওমি। এই চশমা ভার্চুয়াল তথ্য দেবে। ফোনে যেমন ফটো ও ভিডিও আলাদা করে রাখা ও দেখা যায়, এই চশমাতেও তেমনই অপশন থাকবে। ফোনের নোটিফিকেশনও চশমায় দেখা যাবে। এছাড়া হোডফোন ছাড়াই এই চশমায় গান শোনা যাবে।

শাওমি তাদের স্মার্ট গ্লাস এ ফটোথেরাপি ফিচার দিতে পারে। যার ফলে এই চশমার মাধ্যমে মানসিকভাবে অসুস্থ ও ডিপ্রেশন এ ভোগা ব্যক্তিদের চিকিত্সাও সম্ভব হবে। সাউন্ড ও ভিজুয়াল, দু’রকম সিগনাল এই চশমার মাধ্যমে পাঠানো যাবে।

যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে!

জাপান অনেক কারণেই বেশ কৌতূহল উদ্দীপক একটা দেশ। এর রয়েছে প্রাচীন সব ইতিহাস, সামুরাই যোদ্ধা এবং গেইশা গার্লদের ঐতিহ্য। এসবের বাইরেও জাপানের একটি দ্বীপ বিশেষ মনোযোগের দাবিদার। জাপান এবং কোরিয়ার মাঝামাঝি সাগরে একটি দ্বীপ হল ওকিনোশিমা।

এই দ্বীপটিতে এখনও জাপানের প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস শিন্টো খুব কড়াভাবেই পালন করা হয় এবং সেই ধর্মবিশ্বাস মতে দ্বীপে কোন নারীর প্রবেশ নিষেধ। পুরো দ্বীপটাকেই তারা একটি ধর্মীয় মন্দির এর মত মনে করে এবং সেভাবেই দ্বীপের পুরুষরা চলাফেরা করে। বছরে একটা দিন তারা জাপানি ভিন্ন অন্য কোন জাতিকে দ্বীপে ঢুকতে দেয় এবং সেটি হল ২৭শে মে। এছাড়া অন্য দিনগুলোতে দ্বীপে কেবল জাপানি পুরুষরাই যেতে পারে।

তবে দ্বীপে যাবার হ্যাপাও কম নয়। ভেতরে প্রবেশ করার আগে বিভিন্ন রকম রীতিনীতি পালন করে নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণ করে তবেই যাওয়া যায় সেখানে। জাপান ও কোরিয়ার সমুদ্রপথের মাঝামাঝি হওয়ায় প্রায় হাজার বছর ধরে এই দ্বীপটিতে সমুদ্রের নাবিক এবং যাত্রীরা থেমে তাদের পূজা দিয়ে যেত। এই সময় নিবেদন হিসেবে তরবারি, ড্যাগার, ছোট পাথরের গোলক ইত্যাদি তারা মন্দিরে জমা দিত। প্রায় হাজার বছর ধরে এইসব জিনিস জমে জমে দ্বীপে এসবের বিশাল একটি সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। প্রাচীনত্ব এবং ইতিহাসে সেগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বের জন্য বর্তমানে ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা দেবে বলে শোনা যাচ্ছে।

সময় বদলালেও দ্বীপের মানুষের মানসিকতা বা দ্বীপের রীতিনীতি বদলায়নি। তারা এখন তো কোন নারী দ্বীপে চায়ই না, ভবিষ্যতেও কোন নারীকে দ্বীপে প্রবেশ করতে দেবে এমন সম্ভাবনা নেই। কেন এই নিয়মের শুরু সেটা হারিয়ে গেছে ইতিহাসের অন্তরালে। কেউ জানে না কেন, তবে সবাই অন্ধভাবেই এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছে হাজার বছর ধরে।

বয়স্করা বেশি সময় টিভি দেখলে কমে স্মৃতিশক্তি!

অবসর জীবনে অনেকেরই সময় কাটানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠে টেলিভিশন। টিভি দেখেই এদের সময় কাটে। তবে সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন অন্তত সাড়ে তিন ঘন্টার বেশি টেলিভিশন দেখলে বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এই গবেষণার জন্য সাড়ে তিন হাজারের বেশি বয়স্ক মানুষের ওপর জরিপ করা হয়, যাদের প্রত্যেকের বয়স ৫০ বছরের বেশি ছিল। ছয় বছর ধরে চলা এই গবেষণায় দেখা গেছে, যারা টেলিভিশন কম দেখে তাদের তুলনায় যারা বেশি সময় টেলিভিশন দেখে তাদের অন্তত দ্বিগুণ ভার্বাল মেমরি বা স্মৃতির যে অংশটি ভাষার সাথে জড়িত তা হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া এমনিতেই বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হতে থাকে। কিন্তু বয়স্করা যখন বেশি টেলিভিশন দেখে তখন স্মৃতি ক্ষয়ের বিষয়টি তরান্বিত হয়।

তবে গবেষকরা নিশ্চিত হতে পারেননি যে, টেলিভিশনই অধিক হারে স্মৃতি লোপ পাওয়ার প্রধান কারণ। তারা বলছেন, অনেক বেশি সময় টেলিভিশন দেখাটা মস্তিষ্কের জন্য আরো উত্তেজনাকর কাজ যেমন: পড়া বা শরীরচর্চা থেকে মানুষকে বিরত রাখে।

বৈজ্ঞানিক রিপোর্টে দেখা যায়, যারা দৈনিক সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় ধরে টেলিভিশন দেখেছেন, তাদের ক্ষেত্রে ৮% থেকে ১০% পর্যন্ত ভার্বাল মেমোরি হ্রাস পেয়েছে। আর যারা তুলনামূলকভাবে কম সময় টেলিভিশন দেখে তাদের স্মৃতি ক্ষয়ের হার ৪% থেকে ৫%। তবে সাবলীলভাবে ভাষা ব্যবহারে টেলিভিশন দেখার প্রভাবের কোনো প্রমাণ মেলেনি।

ইউসিএল ইন্সটিটিউট অব এপিডেমিওলজি এন্ড হেলথ কেয়ার -এর ড. ডেইজি ফ্যানকোর্ট বলছেন, টেলিভিশন দেখার সময়ে শিক্ষা এবং বিনোদনের ব্যবস্থা থাকতে পারে। তার বক্তব্য, ‘সামগ্রিকভাবে পঞ্চাশোর্ধ মানুষজনের টেলিভিশন দেখার পাশাপাশি অন্যান্য বিপরীতধর্মী কার্যকলাপের সামঞ্জস্য রাখা উচিত।’

ইউসিএল এর প্রফেসর অ্যান্ড্রু স্টেপটো বলেন, বয়স্ক ব্যক্তিরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পছন্দ করেন ধারাবাহিক নাটক ধর্মীয় অনুষ্ঠান, যা কিনা এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করে। কেননা তারা ঐসব অনুষ্ঠানের চরিত্রের সাথে খুব বেশি একাত্মতাবোধ করেন। এ ধরনের পরিস্থিতি মস্তিষ্কের স্মৃতিধারণ ক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করে, যার কারণে স্মৃতিলোপ পেতে পারে।

লন্ডন কিংস কলেজের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির প্রফেসর ডেম টিল উইকসের মতে, এই গবেষণাটি আমাদের স্ক্রিন টাইম বা বেশি সময় ধরে টিভি দেখার প্রতি সতর্ক করে দেয়। তবে আতঙ্কিত হওয়ার পরিবর্তে বিষয়টি নিয়ে অধিকতর গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করা উচিত। সেই সাথে টিভি দেখার সময়সীমাও আরো ভালোভাবে পরিমাপ করার তাগিদ দেন তিনি। -বিবিসি

যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি!

যেকোনো নারীর জন্যই মা হওয়াটা পরম সৌভাগ্যের। তাই তো নারীরা মা হওয়ার পরে যেন পৃথিবীর শ্রেষ্ট সুখ অনুভব লাভ করেন। আর যে নারীর সন্তান হয় না, একমাত্র তিনিই বুঝতে পারেন সন্তান না হওয়ার যন্ত্রণাটা কি।

অপরদিকে, সৃষ্টি কর্তা কোনো কোনো নারীর আবার যমজ সন্তান লাভের সৌভাগ্য দান করে থাকেন। এ কারণে ওই নারীদের আনন্দের পরিমাণ যেন দ্বিগুণ বেড়ে যায়। তবে যমজ সন্তানের ব্যাপারে কিছু চমক প্রদত্ত তথ্য রয়েছে। খবর এবেলার।

কোন মহিলাদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, চলুন জেনে নিই অজানা সেই চমক প্রদত্ত কিছু তথ্য-

১. যমজ সন্তানদের হাতের ছাপ একেবারেই আলাদা। যদিও তাদের জিনের বৈচিত্র এক, তবুও হাতের ছাপ আলাদা।

২. যে সকল নারী লম্বা তাদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। আইজিএফ প্রোটিন লম্বা নারীদের দেহে বেশি থাকে যা যমজ সন্তান হতে সাহায্য করে।

৩. একটি সমীক্ষার মাধ্যমে জানা গেছে, যমজ সন্তানদের মায়েরা অনেকদিন বেঁচে থাকেন।

৪. যে সব নারীরা দুগ্ধজাত দ্রব্য বেশি খেয়ে থাকেন, তাদের যমজ সন্তান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

৫. একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বের ৪০% যমজ সন্তানের জন্ম আফ্রিকাতে। ওই সমীক্ষা এমনটিই বলছে।

৬. অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রায় ২২% যমজ সন্তানেরা বাঁ-হাতি হয়।

৭. এ ব্যাপারে একটি সমীক্ষা বলছে, যমজ শিশুরা নিজেদের মধ্যে একটি বিশেষ ভাষাতে কথা বলে, যা কিনা একমাত্র তারাই বুঝতে পারে।

জটিল রোগের চিকিৎসায় কাঁচকলা!

কলা খুবই পরিচিত এবং সহজলোভ্য একটি ফল। এটি খেতে পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তি হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। ফল হিসেবে যেমন এর কদর আছে, তেমনি সবজি হিসেবেও এর কদর কিন্তু কম নয়। কাঁচা কলায় রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফেট এবং ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি-এর আদর্শ উৎস। বেশ কিছু জটিল রোগের চিকিৎসাতেও কাঁচা কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

আসুন কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

১) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়- 
কাঁচা কলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ডায়াটারি ফাইবার, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে থাকে, সেই সঙ্গে আর্টারির কর্মক্ষমতারে বাড়িয়ে তোলে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ রোগের রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়।

২) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে- 
কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে কাঁচা কলা। অন্ত্রের পুষ্টি জোগায়। বিশেষ করে ক্ষুদ্রান্তের। ডায়াবেটিস রোগীদের একদিকে উচ্চ মাত্রার এনার্জি যোগায়। অন্যদিকে কার্বোহাইড্রেটের নিম্নমাত্রার ক্যালরি প্রদান করে।

৩) ওজন কমাতে সাহায্য করে- 
কাঁচা কলায় উপস্থিত রেজিস্টেন্স স্টার্চ হজম হতে সময় নেয়। ফলে বহুক্ষণ ক্ষিদে পায় না। আর ক্ষিদে না পেলে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ ঘটে কম। আর এমনটা দীর্ঘ দিন ধরে যখন হতে থাকে, তখন ওজন কমতে সময় লাগে না।

৪) হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে- 
পাকা কলার মত কাঁচা কলাতেও প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিদিন ৪,৭০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস হয়। তবে পটাসিয়াম সবার জন্য নিরাপদ নয়। উচ্চ রক্তচাপ অথবা কিডনির রোগে আক্রান্ত রোগীদের পক্ষে তাই কাঁচা কলা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।

৫) পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে- 
কাঁচা কলা আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় এটি খুব সহজে হজম হয়। কাঁচা কলা পেটের ভিতরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তবে অতিরিক্ত পেট ফোলার সমস্যা থাকলে কাঁচা কলা না খাওয়াই ভালো। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যাও অনেক সময়ে বাড়িয়ে দেয়।

৬) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে-
কাঁচা কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। বরং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে এই ফলটি। তাই তো ডায়াবেটিকরা নিশ্চিন্তে কাঁচা কলা খেতে পারেন। তবে ইচ্ছা হলে এ বিষয়ে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতেই পারেন।

ইসলামে সৌন্দর্য ও রুচিবোধ

মানুষের আচার-আচরণ, জীবনধারণের বৈচিত্র্য, অভ্যাসের ভিন্নতা ও খাবার-দাবারসহ সবকিছুকে সামনে রেখে ইসলাম ব্যক্তিজীবনের বাহ্যিক, অভ্যন্তরীণ সব ধরনের সৌন্দর্য ও রুচিবোধের বৈশিষ্ট্যাবলি অর্জনের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে। কারণ মানুষের অন্তর ও দৃষ্টিভঙ্গি যদি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও রুচিশীল না হয় তাহলে তার বাহ্যিক সৌন্দর্য মূল্যহীন। সুন্দর দেহাবয়বের অধিকারী নিচু মানসিকতা, কর্কশ কথাবার্তা, মন্দ আচরণ, নোংরা পোশাক-পরিচ্ছদ ও খাবার গ্রহণে অভদ্রতা ইত্যাদির কারণে সমাজে চলাচলের অনুপযুক্ত হতে পারেন। আবার দেখতে কদাকার হলেও সুন্দর-শালীন ব্যবহার, চমৎকার চলন-বলন ও উত্তম আচরণের দরুন তিনি রুচিশীল সামাজিক মানুষ হিসেবে পরিগণিত হতে পারেন।

ইসলাম ব্যক্তির বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ জীবনে সৌন্দর্য অর্জন, সুরুচির অনুশীলন ও সর্বাবস্থায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ওপর অটল থাকার ব্যাপারে জোর তাগিদ দেয়। পবিত্র কোরআন-হাদিসে এ সম্পর্কে অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ও সময়োপযোগী নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হচ্ছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীকে ভালোবাসেন এবং যারা পবিত্র থাকে তাদেরও ভালোবাসেন।’ সুরা বাকারা : ২২২

ইসলাম তার অনুসারীদের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণভাবে সৌন্দর্যম-িত করে পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন জীবনে অভ্যস্ত করতে চায়। বর্ণিত আয়াত দ্বারা এটা স্পষ্ট যে, তওবা মানুষের অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য বাড়ায়, যেমন পবিত্রতা বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। পবিত্র কোরআনে আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমার পোশাক-পরিচ্ছদ পবিত্র রাখো।’ সুরা মুদ্দাসসির : ৪

আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, ‘হে মানবজাতি! আমি তোমাদের জন্য পোশাকের ব্যবস্থা করেছি, তোমাদের দেহের যে অংশ প্রকাশ করা দোষণীয় তা ঢাকার জন্য এবং তা সৌন্দর্যেরও উপকরণ। বস্তুত তাকওয়ার যে পোশাক সেটাই সর্বোত্তম। এসব আল্লাহর নিদর্শনাবলির অন্যতম, যাতে মানুষ উপদেশ গ্রহণ করে।’ সুরা আরাফ : ২৬

হাদিস শরিফে এসেছে, ‘আল্লাহ সুন্দর। তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন।’ মুসলিম শরিফ : ৯১ইসলামি শরিয়তে নারী-পুরুষের পোশাক-পরিচ্ছদের সুনির্দিষ্ট বিধিবিধান রয়েছে। তবে পোশাক-পরিচ্ছদের মাধ্যমে আভিজাত্য প্রকাশের নামে অশ্লীলতা, অপচয় ও অহংকারকে ইসলাম হারাম তথা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করে।

পোশাক-পরিচ্ছদ ছাড়াও কোনো মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়েও ইসলামের নির্দেশনাগুলো প্রমাণ করে, ইসলাম তার অনুসারীকে কতটা সৌন্দর্যবান ও রুচিশীল হিসেবে দেখতে চায়। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘স্বভাবজাত বিষয় ৫টি। খতনা করা, নাভির নিচের লোম পরিষ্কার করা, গোঁফ খাটো করা, নখ কাটা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা।’ সহিহ্ বোখারি : ৫৮৯১

উম্মুল মুমিনিন হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ১০টি বিষয় স্বভাবের অন্তর্ভুক্ত। গোঁফ খাটো করা, দাঁড়ি লম্বা করা, মিসওয়াক করা, নাকে পানি দেওয়া, নখ কাটা, অঙ্গের গিরাসমূহ ঘষে-মেজে ধৌত করা, বগলের পশম উপড়ে ফেলা, নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করা, মলমূত্র ত্যাগের পর পানি ব্যবহার করা। বর্ণনাকারী জাকারিয়া বলেন, (আরেক বর্ণনাকারী) মাসআব বলেছেন, আমি দশ নম্বরটি ভুলে গেছি। সম্ভবত : তা হলো কুলি করা।’ সহিহ্ মুসলিম : ২৬১

বর্ণিত হাদিস দুটি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, যে দশটি বিষয় উল্লেখ রয়েছে তা ব্যক্তির জন্য সৌন্দর্য ও রুচিবোধের অন্যতম নিয়ামক। উপরোক্ত বিষয়াবলি ছাড়াও মানুষের চালচলন এবং কথাবার্তায় তার সৌন্দর্য ও রুচিবোধ ফুটে ওঠে। তাই দ্রুতবেগে হাঁটা, ইচ্ছা করে খুব হেলেদুলে কিংবা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটা সুরুচিকর কোনো বিষয় নয় বরং দৃষ্টিকটু আচরণ। তদ্রƒপ অপ্রয়োজনে অতিরিক্ত জামাকাপড় নাড়াচাড়া, চলাফেরার সময় এদিক-ওদিক তাকানো, অপ্রয়োজনে কথা বলা, নিজেকে জ্ঞানী হিসেবে বোঝাতে সব বিষয়ে মতামত দেওয়া, ভাষার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ, ধূমপান, পানের পিক, থুথু ও কফ যেখানে-সেখানে ফেলা, কথায় কথায় রাগ করা, অযথা ভর্ৎসনা করা, মানুষের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করা, অশ্লীল গালমন্দ ইত্যাদি মন্দ কাজ পরিহার করা। অন্যভাবে বললে, যাবতীয় দৃষ্টিকটু, শ্রুতিকটু, অসুন্দর ও অরুচিকর কাজের বিষয়ে ইসলাম সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে।

হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিমরা নিরাপদ, সেই প্রকৃত মুসলিম। আর যে আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলো পরিত্যাগ করে, সেই প্রকৃত হিজরতকারী।’ সহিহ্ বোখারি ও মুসলিমঅন্য হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকে সে ব্যক্তিই প্রকৃত মুসলিম। আর যাকে মানুষ তাদের জান ও মালের জন্য নিরাপদ মনে করে সেই প্রকৃত মুমিন।’ মিশকাতুল মাসাবিহ : ৩৩

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস স্থাপন করে, সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়, মেহমান সম্মান করে এবং কথা বলার সময় উত্তম কথা বলে অথবা চুপ করে থাকে।’ সহিহ্ বোখারি : ৬০১৮

অশ্লীল ও কটুবাক্য, মিথ্যা অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত কথা যারা বলে তাদের অধিকাংশের মধ্যে মুনাফেকির আলামত বিদ্যমান। এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, মুনাফিক চেনার লক্ষণ হলো চারটি। সেগুলো হলো ক. যে কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে, খ. ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে, গ. তার কাছে কোনো জিনিস আমানত রাখলে খেয়ানত করে এবং ঘ. ঝগড়া-বিবাদে অশ্লীল গালিগালাজপূর্ণ শব্দ বলে।’ সহিহ্ বোখারি : ৩৪

পুরুষদের ন্যূনতম দু’টি বিয়ে করতেই হবে, না হলে যাবজ্জীবন জেল

আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সমস্ত পুরুষকে ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে আইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সিদ্ধান্তে আপত্তি করে, তা হলে শাস্তি হবে যাবজ্জীবন জেল।

একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ। এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বাধ্যতামূলক। এমনই আজব আইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার। আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আজব আইন জারি করা হয়েছে। রীতিমতো ধর্মীয় আইনের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে। এর আগে দীর্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া। ক্রমশ পুরুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ। তাই দেশের স্বার্থেই এই আইন বলবৎ করল সরকার।

প্রসঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুটি, এক দিকে লোহিত সাগর। ইথিওপিয়ার থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।