All posts by lutfor

ঢাবি’র বিশেষ সমাবর্তন : ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি দেওয়া হবে বঙ্গবন্ধুকে

আগামী অক্টোবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ (মরণোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করা হবে।

রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মোঃ সাহাবুদ্দিন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন গর্বিত শিক্ষার্থী ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সমাবর্তন-বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  রোববার (১৬ জুলাই) ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সমাবর্তন-বক্তার অক্টোবর মাসের সুবিধাজনক যেকোন দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে এই বিশেষ সমাবর্তন আয়োজন করা হবে।বঙ্গবন্ধু, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ একসূত্রে গাঁথা। এসব বিষয়ে নতুন প্রজন্মের সামনে বক্তব্য উপস্থাপনে বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অদ্বিতীয়। তাই জাতির পিতাকে ডিগ্রি প্রদানের বিশেষ সমাবর্তনে তাঁকে সমাবর্তন-বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণের সুপারিশ করার জন্য উপাচার্য, ডিন্স কমিটি এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যবৃন্দকে সিন্ডিকেট সভায় ধন্যবাদ জানানো হয়।

আমার কাছে এখন পরিবার আগে, পরে কাজ: আলিয়া

২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে পা রেখেছিলেন আলিয়া ভাট। তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। নিজের অভিনয় প্রতিভা দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ভক্তদের মনে। আলিয়ার ঝুলিতে আছে একাধিক হিট সিনেমা। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, বর্তমানে তিনি কাজ নয় পরিবারকেই বেশি প্রাধান্য দিতে চান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি লাইভের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সেই সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, আমি সিনেমায় এক দশক পার করছি এর মধ্যে আমার জীবনেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। আমার মনে হয় একটা সময় ছিল যখন আমি কাজের জন্য সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে ইচ্ছুক ছিলাম। ঘুমের সময় বাদ দিয়ে শুধু একটানা শুটিং করে যেতাম। কিন্তু এখন আমার জীবন পাল্টে গেছে। এখন আমার একটি পরিবার আছে। আমার একটি কন্যা আছে, আমার স্বামী আছে। এই ১০ বছর আমি আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে, বোনের সঙ্গে, এমনকি বন্ধুদের সঙ্গেও কাটাতে পারিনি। আর এখন আমি এই মানুষগুলোর সঙ্গেই সময় কাটাতে চাই।

আলিয়া আরও বলেন, ‘কাজ ও পরিবার দুইয়ের মধ্যেই ভারসাম্য আনতে হবে। আমিও পরিবারকে সময় দেয়ার পাশাপাশি কাজও করব বলে ঠিক করেছি। এমনকি আমি দেখেছি খুব বেশি ফোন ঘাঁটলেও অনেক সময় চলে যায়। তাই এই অভ্যাস আমি ছাড়ার চেষ্টা করছি। এতে আমি কখনও সফল হই কখনও ব্যর্থ হই।’

এদিকে চলতি বছরই মুক্তি পাচ্ছে আলিয়ার অভিনীত ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’। এতে তার বিপরীতে রয়েছেন রণবীর সিং। তাদের পাশাপাশি এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন ধর্মেন্দ্র, জয়া বচ্চন ও শাবানা আজমি।উল্লেখ্য, বলিউডসূত্রে খবর অনুযায়ী, যশরাজ ফিল্মস এই প্রথমবার নারীকেন্দ্রিক সিনেমা বানাতে চলেছে। আর সেখানেই নাম ভূমিকার থাকবেন আলিয়া। শোনা যাচ্ছে, এই সিনেমায় একজন গুপ্তচরের ভূমিকায় দেখা যাবে তাকে।

টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকলে যে ক্ষতি হয়

আজকাল প্রায় সব অফিসেই এসি অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশন ব্যবহার করা হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকার পর বাসায় ফিরে অনেকেরই আর ফ্যানের বাতাস সহ্য হয় না। এ কারণে অনেকে বাড়িতেও এসি ব্যবহার করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত এসি নির্ভরশীলতা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সেই সঙ্গে বাড়াতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। যেমন-

১. যারা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাদের শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।

২. অতিরিক্ত এসির ব্যবহারের কারণে চোখে নানা ধরণের সংক্রমণ দেখা দেয়।

৩. যারা একটানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাদের মধ্যে আর্থাইটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা নানা ধরণের স্নায়ুর সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৪. অতিরিক্ত এসির ব্যবহার বা দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ফলে অনেকের অ্যালার্জির সমস্যাও বাড়তে পারে।

৫. দীর্ঘ ক্ষণ এসিতে থাকার কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায় । তখন ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়।

৬. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘসময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকেন, তারা মাথা ব্যথা বা মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থেকে নিজেকে সুস্থ রাখার কিছু পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন-

১. ঘরের তাপমাত্রা ২১-২৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখতে হবে। ঘরের তাপমাত্রা কখনই ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখা ঠিক নয়।

২. শীতের সময় এসির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

৩. ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

৪. মাঝে মধ্যেই মুখে, হাতে পানি ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে হালকা চাদর গায়ে জড়িয়ে রাখতে পারেন।

যে দ্বীপ বিজ্ঞানীদের বিস্ময়!

অস্ট্রেলিয়ার পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপ রাষ্ট্র টোঙ্গার কাছেই হঠাৎ জেগে ওঠে একটি ছোট্ট দ্বীপ। এর নামটা বেশ অদ্ভুত। হুঙ্গা টোঙ্গা-হুঙ্গা হা’আপেই।

দ্বীপটি নিয়ে সমুদ্র বিজ্ঞানীদের কৌতূহলের সীমা নেই। ৫শ’ মিটার লম্বা ও আড়াইশ’ মিটার উঁচু এই দ্বীপের বয়স মাত্র চার বছর।

এই চার বছরেই ফুলের সমারোহ আর পাখির কিচিমিচিতে মুখরিত হয়ে গেছে দ্বীপটি।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সাগরতলের হুঙ্গা টোঙ্গা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত থেকে উদগীরিত ছাই, লাভা জমে এই এ দ্বীপ সৃষ্টি হয়।

সেসময় স্যাটেলাইটে ধরা পরে দীপটি। এরপর স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবি দিয়েই এ দ্বীপ পর্যবেক্ষণ করছিলেন তারা।

বিজ্ঞানীদের মতে খুব কম সময়েই আবার হারিয়ে যাবে এটি।

ইতিমধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত ও সমুদ্র ঢেউয়ে ক্ষয় ধরেছে এটির।

গেল বছরের অক্টোবরে ‘সি এডুকেশন এসোসিয়েসন’ এবং নাসা’র বিজ্ঞানীরা দ্বীপটিতে পা রাখেন।

হুঙ্গা – টোঙ্গা ঘুরে এসে নাসার গবেষক ড্যান স্লেব্যাক জানান, সেখানে গোলাপি রঙের ফুল ও বিভিন্ন ধরনের পাখি দেখেছেন তারা। এমনকি পেঁচারাও আবাস গেড়েছে ওই দ্বীপে।

আশেপাশের দ্বীপ থেকে পাখিরা এসে ওই দ্বীপে বাসা বেঁধেছে এবং সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে বীজ। ওসব বীজ থেকেই চার বছরে লাভার মাটি সবুজে পরিণত হয়েছে বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের।

এর চটচটে কাদামাটি পরীক্ষা করে বেশ উর্বর বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

হুঙ্গা-টোঙ্গাকে আশ্চর্য দ্বীপ বলে অভিমত বিজ্ঞানীদের।

কারণ, আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা জমে সৃষ্ট দ্বীপ সাধারণত তিন-চার মাস পরেই তলিয়ে যায় সমুদ্রে।

অথচ হুঙ্গা-টোঙ্গা দ্বীপটি টিকে আছে চার বছর ধরে!

যা কিনা গত দেড়’শ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে ইতিহাস গড়েছে।

হুঙ্গা-টোঙ্গার এমন স্থায়ীত্ব নিয়ে গবেষণা করছেন তারা।

আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের সঙ্গে সমুদ্রের পানির রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়ে দ্বীপটি আরও দৃঢ় হয়েছে বলে জানান তারা।

১৯৬০ সালে আইসল্যান্ডে একইভাবে জেগে ওঠা একটি দ্বীপও সমুদ্রে জেগেছিল কয়েক বছর।

নাসা বলছে, ৬ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত টিকতে পারে দ্বীপটি।

নাসার গবেষক স্লেব্যাকের মতে, দ্রুত ক্ষয়ে যাচ্ছে দ্বীপটি। ক্রমাগত বৃষ্টিপাত হতে থাকলে দ্বীপটি হয়ত আর মাত্র এক দশক টিকতে পারে বলে ধারণা তার।

শব্দদূষণ: নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ

স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে তীব্র এবং তীক্ষ্ণ শব্দ প্রতিনিয়ত আমাদের শ্রবণশক্তির ওপর প্রভাব ফেলছে। যার ফলে নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। শব্দদূষণ কমিয়ে আনতে এক কর্মসূচির সমাপনীতে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে শব্দদূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব।

শব্দদূষণের মাত্রা নির্ণয়ে আটটি বিভাগীয় শহরে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। জরিপে শব্দদূষণের উৎস চিহ্নিত করা, হর্ন গণনা, জনমত যাচাই এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া হয়েছে।পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বিশ হাজার মানুষকে। কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন ছিলো রাজধানীর এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে।

অনুষ্ঠানে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, মানুষের অসীম প্রাণশক্তিকে নীরবে নিঃশেষ করে দিচ্ছে নীরব ঘাতক শব্দদূষণ ।

এছাড়া দূষণ প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদের পাশাপাশি চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং কার্যক্রমের প্রশংসা করেন বিশিষ্টজনেরা।

বিধিমালা ২০০৬ বাস্তবায়নে বিআরটিএ, পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে কাজ করার কথা জানায় পরিবেশ অধিদপ্তর।

দেশী মুরগির দ্রুত বর্ধনশীল নতুন জাত

বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট একটি নতুন দেশীয় জাতের মুরগি উদ্ভাবন করে এখন পরীক্ষামূলকভাবে বাজারজাত করার কাজ শুরু করেছে।গবেষণাগারে উদ্ভাবিত এই মুরগির পালক বহুবর্ণ হওয়ার কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে ‘মাল্টি কালার টেবিল চিকেন’প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের পোল্ট্রি উৎপাদন বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাকিলা ফারুক বিবিসিকে বলেছেন, নতুন এই জাত মূলত গোশতের জাত। এটি দ্রুত পরিপূর্ণ আকার ধারণ করে, অর্থাৎ খাওয়ার উপযোগী হয়।তিনি বলেছেন, ‘উদ্ভাবিত হয়েছে দেশে মুরগির গোশতের চাহিদাকে মাথায় রেখে। এই মুরগি আট সপ্তাহ মানে ৫৬ দিনের মধ্যে খাওয়ার উপযোগী হবে।’

মাল্টি কালার টেবিল চিকেনের বৈশিষ্ট্য
প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের শাকিলা ফারুক বলেছেন, এ মুরগি মূলত দেশে গোশতের চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্য নিয়ে উদ্ভাবন করা হয়েছে।‘মাল্টি কালার টেবিল চিকেন খুব দ্রুত বাড়ে। এটি গোশত খাওয়ার জন্য উৎপাদন করা হবে, ডিমের জন্য ব্যবহার করা হবে না। আট সপ্তাহের মধ্যে এর ওজন ৯৫০ গ্রাম থেকে এক কেজির মতো ওজন হয়।’

কিন্তু এর স্বাদ এবং গোশতের গুণাগুণ দেশী মুরগির মতোই।মুরগির শারীরিক গঠন, ঠোট ও ঝুঁটি দেশী মুরগির মতো, এর পালকও অনেক রঙের হয়।এই মুরগি দেখতে দেশীয় জাতের মুরগির মতো। এই মুরগিকে দেশীয় ব্রয়লার বলে থাকেন কেউ কেউ।প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট ২০১৪ সালে প্রথম নতুন মুরগির এ জাত নিয়ে গবেষণা শুরু করে।২০১৮ সালে গবেষণাগারে সাফল্যের পর মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন শুরু করা হয়।প্রাথমিক অবস্থায় খুলনা, বরিশাল এবং পাবনায় পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদন ও বাজারজাত করা হয়েছে।এখন খুব অল্প পরিসরে মাল্টি কালার টেবিল চিকেন উৎপাদন করা হচ্ছে।শাকিলা ফারুক জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে চারটি সরকারি এবং দুইটি বেসরকারি খামারে নতুন জাতের মুরগি উৎপাদন করা হচ্ছে।এর মধ্যে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে পরীক্ষামূলকভাবে বাজারজাত করার জন্য আফতাব বহুমুখী ফার্মসের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট।এই প্রতিষ্ঠানটির সাথে প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট এখনো যৌথ গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।নতুন জাত উদ্ভাবনে বিদেশী জাত এবং দেশীয় কয়েক জাতের মুরগির জার্মপ্লাজম মিলিয়ে করা হয়েছে।মাল্টি কালার টেবিল চিকেন বাংলাদেশের আবহাওয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।এ মুরগির মৃত্যু হার অনেক কম।শাকিলা ফারুক বলেছেন, এখনো পর্যন্ত গবেষণায় দেখা গেছে আট সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত মাল্টি কালার টেবিল চিকেনের মৃত্যুহার ২ শতাংশের নিচে।

ব্রয়লার ও অন্যান্য মুরগির সাথে ফারাক
বাংলাদেশে গত এক দশকে মুরগির চাহিদা এবং ব্যবহার অনেকগুন বেড়েছে। এর মধ্যে ব্রয়লার মুরগি যেমন রয়েছে, তেমনি দেশী মুরগি, সোনালী মুরগি, যা পাকিস্তানি মুরগি নামেও পরিচিত এগুলো বেশ জনপ্রিয়।এই মুরগিগুলোর মাঝে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।ব্রয়লার মুরগি ২৮-৩২ দিনে খাওয়ার উপযোগী হয়, অর্থাৎ ওই সময়ের মধ্যে ব্রয়লার মুরগির ওজন এক থেকে দেড় কেজি হয়।সোনালি মুরগির এক কেজি ওজনে পৌঁছাতে সময় লাগে ৭০-৮০ দিন।

কিন্তু মাল্টি কালার টেবিল চিকেন বাজারজাত করতে অন্তত আট সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হবে।ব্রয়লার মুরগির গোশত ও হাড় নরম হয়, কিন্তু মাল্টি কালার টেবিল চিকেনের গোশত ও হাড় দেশী মুরগির মতো শক্ত।

ব্রয়লার মুরগি পালনে বড় জায়গা, নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রা এবং আলো-বাতাসের দরকার হয়, কিন্তু এ মুরগি পালনের ক্ষেত্রে দেশী জাতের মুরগির মতো খোলা জায়গায় পালন করা যায়।প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট বলছে, এই মুরগি লালনপালন সহজ, ফলে প্রান্তিক খামারীদের জন্য এটি পালন সহজ হবে এবং ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হবার সুযোগ বেশি থাকবে।

প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট বাংলাদেশে মুরগির বেশ কয়েকটি জাত উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।এর মধ্যে ডিম পাড়া দুটি নতুন জাতের মুরগি- স্বর্ণা এবং শুভ্রা, উদ্ভাবন করেছে প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট।এই মুহূর্তে কমন দেশী, গলা ছিলা এবং হিলি বা পাহাড়ি জাতের তিনটি মুরগির জাত উন্নয়নের কাজ চলছে।

সূত্র : বিবিসি

রাজধানীকে পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত রাখতে হবে

রাজধানী অপরিচ্ছন্ন ও দূষিত হওয়ার যত ধরনের কর্মকান্ড রয়েছে, তার সবই নির্বিঘে চলছে। রাজধানীর এই পরিবেশ দেখে বোঝার উপায় নেই, এর কোনো কর্তৃপক্ষ রয়েছে। উন্নয়ন কর্মকান্ডের দীর্ঘসূত্রতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় বছরের পর বছর ধরে বর্ষায় রাস্তাঘাট কর্দমাক্ত ও পানিতে যেমন তলিয়ে যায়, তেমনি শুষ্ক মৌসুমে তা ধুলো ধূসরিত হয়ে পড়ে। রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিক ও স্বস্তিকরভাবে চলাচলের কোনো উপায় থাকে না। রাজধানীর বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ এতটাই সীমাছাড়া হয়েছে যে, মানুষ নানা রোগ-বালাইয়ে আক্রান্ত হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক নানা সমস্যা সৃষ্টির পাশাপাশি তাদের মানসিক বিকাশও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ, অ্যাজমা, অ্যালার্জিসহ নানা ধরনের জটিল রোগ নগরবাসীর শরীরে বাসা বাঁধছে। গত সপ্তাহে ভারতের রাজধানী দিল্লী বিষাক্ত ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ায় সেখানের স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দূষিত ও ঘোলাটে ধোঁয়া শহরটিকে এতটাই আচ্ছন্ন করে রাখে যে, সূর্য পর্যন্ত দেখা যায়নি। নগর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকায় যেভাবে দূষণ কর্মকান্ড চলছে, তাতে দিল্লীর মতো হতে খুব বেশি দেরি হবে না। রাজধানীর দূষিত পরিবেশের পাশাপাশি এর সৌন্দর্য বিনষ্টের আরেকটি উৎপাত হচ্ছে, যত্রতত্র বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার, সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা। ভিআইপি সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত এমন কোনো রাস্তা নেই, যেখানে সৌন্দর্য বিনষ্টকারি এসব উপকরণ চোখে পড়ে না। রাজধানীতে এমন বিশৃঙ্খল পরিবেশ ও কর্মকান্ড আর কোনো দেশে ঘটে কিনা, জানা নাই।
বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরী হিসেবে ঢাকা শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক ইকোনোমিক ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের জরিপে ১৪০টি দেশের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৩৭তম বা তৃতীয়। দূষণের বাইরে বসবাস অযোগ্য নগরী হিসেবে ঢাকা বেশ কয়েকবার এক নম্বরে ছিল। এতে অবশ্য ঢাকার পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য যেসব কর্তৃপক্ষ রয়েছে, তাদের কিছু যায় আসেনি। যেমন চলছে, তেমন চলবে-এমন একরোখা মনোভাবই প্রদর্শিত হচ্ছে। দিন দিন আরও খারাপের দিকে গেলেও তাতে কোনো ভ্রæক্ষেপ নেই। রাস্তার খোঁড়াখুড়ির কথা যদি ধরা হয়, তবে দেখা যাবে, এর কোনো সময়কাল নেই। শীত-বর্ষা থেকে শুরু করে সারাবছরই অবিরাম খোঁড়াখুড়ি চলছে। রাজধানীর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এসব খোঁড়াখুড়িকে উন্নয়ন কর্মকান্ড বলে আত্মতৃপ্তি লাভ করে। উন্নয়ন চাইলে ভোগান্তি সইতে হবে, এ বার্তাই যেন নগরবাসীকে তারা সবসময় দিয়ে আসছে। উন্নয়ন নিয়ে কারো কোনো আপত্তি থাকার কথা নয়, তবে সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতো, তবে ভোগান্তি অনেকাংশেই কমিয়ে আনা সম্ভব হতো। একটি রাস্তা একবার খোঁড়া হলে তা কবে ঠিক হবে, তার কোনো সময়সীমা থাকে না। এক প্রতিষ্ঠান খুঁড়ে কোনো রকমে মাটিচাপা দিয়ে গেলে আরেক প্রতিষ্ঠান খুঁড়তে শুরু করে। খোঁড়াখুড়িও শুরু হয় বর্ষাকালে। ফলে বৃষ্টি হলে খুঁড়িত স্থানগুলো যেমন তলিয়ে বিপজ্জনক ফাঁদে পরিণত হয়, তেমনি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এখন অবশ্য খোঁড়াখুড়ি সারাবছরই চলে। এই উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি কবে শেষ হবে, তা কেউ জানে না। যেহেতু এর শেষ নেই, তাই এ কর্মকান্ডকে অন্তত একটি পরিকল্পনার আওতায় আনা অসম্ভব কিছু নয়। এজন্য প্রয়োজন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং সদিচ্ছা। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যে এর লেশমাত্র নেই, তা তাদের কর্মকান্ড থেকেই বোঝা যায়। পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নে যদি দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করা হয়, তবে নগরীকে যে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর করা যায়, তা ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হকের নেয়া কিছু উদ্যোগ থেকে প্রমাণিত হয়েছে। তার আওতাধীন এলাকায় তিনি দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়ে পরিবেশ, সড়ক ও ফুটপাতের যে উন্নয়ন করেছেন, তার সুফল কিছুটা হলেও ঐ এলাকার মানুষ পাচ্ছে। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এমন মনোভাব পোষণ করতো, তবে রাজধানীকে বাসযোগ্য করে তোলা অনেকটাই সহজ হয়ে যেত। পরিবেশ দূষণ হ্রাস থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট চলাচল উপযোগী হতো। রাজধানীর সৌন্দর্য ও পরিবেশ দূষণের আরেকটি বড় উপদ্রব হচ্ছে যত্রতত্র ডিজিটাল ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টার ঝুলিয়ে রাখা। এগুলোর কারণে নগরীর সৌন্দর্য বিনষ্টের পাশাপাশি দৃষ্টি আটকে যাচ্ছে। এসব কাজে ক্ষমতাসীন দল এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যে এগিয়ে, তা রাস্তায় বের হলেই দেখা যায়। মাসের পর মাস এসব ব্যানার-ফেস্টুন ঝুলে আছে। সরানোর নামগন্ধ নেই। আবার ক্ষমতাসীন দলের কোনো কোনো নেতা রাজপথ দখল করেই তোরণ নির্মাণ করে রেখেছে। এতে যে যানজট সৃষ্টি ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে, তার তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। ক্ষমতার অপব্যবহার কতভাবে হতে পারে, তা এসব কর্মকান্ড দেখলেই বোঝা যায়।
রাজধানীকে অবাসযোগ্য ও অপরিচ্ছন্ন রেখে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার আশা করা কতটা যুক্তিযুক্ত তা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। একটি মধ্যম আয়ের দেশের রাজধানী কেমন হয়, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। পানিবদ্ধতা, যানজট, পরিবেশ দূষণের তীব্রতা বজায় রেখে যদি মধ্যম আয়ের দেশ ঘোষণা করা হয়, তবে তা কতটা বিশ্বাসযোগ্য হবে, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। এই সন্দেহ ও অবিশ্বাস দূর করতে রাজধানীকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা ছাড়া বিকল্প নেই। অসময়ে রাস্তাঘাট খোঁড়াখুঁড়ি, পানিবদ্ধতা, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, ধুলিদূষণ বন্ধ এবং যত্রতত্র ব্যানার-ফেস্টুন টানানোর মতো অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নগরীর গতিশীল ও সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে সিটি করপোরেশনসহ অন্যান্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। যেমন চলছে, তেমন চলবে-এ ধরনের মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সমন্বয়ের মাধ্যমে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে হবে। নগরীকে সভ্য ও বাসযোগ্য করে তুলতে নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে।

খালি পায়ে হাঁটার উপকারিতা

খালি পায়ে হাটার অনেক ধরনের উপকারিতা আছে যা সারাক্ষন জুতা পরে থাকার জন্য গুরুত্ব দেয়া আমাদের মূল ধারার সমাজ ব্যবস্থাকে অনেক সময় ছাপিয়ে যায়। ডঃ মারকোলার মতে খালি পায়ে মাটি স্পর্শ করে হাঁটলে তা সরাসরি মাটি থেকে দেহে নেগেটিভ ইলেকট্রন শোষণ করে যা আভ্যন্তরীণ বায়োইলেক্ট্রিক্যাল পরিবেশের ভারসাম্যতা সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার চাপে পরে আমরা আসলে মাটির সংস্পর্শ হারাচ্ছি। কিন্তু আমরা যদি আমাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যবস্থার মাঝেই সময় বের করে নিয়ে কিছুটা সময় খালি পায়ে হাঁটি তার উপকারিতা অভাবনীয়।
খালি পায়ে হাটার কিছু উপকারিতা এখানে তুলে ধরছি-
১.ঘুমের সমস্যা দূর হয়। অনিদ্রা কিংবা শোয়ার অনেক পরে ঘুম আসে, এমন সমস্যাতে অনেকেই ভুগছেন। খালি পায়ে হাঁটাচলা করলে সেই প্রবণতা কমে যায়।
২.শুধু ঘুম নয়, ক্লান্তি কিংবা অবসাদ থাকলেও তা দূর হয় খালি পায়ে হাঁটলে।
৩.খালি পায়ে চলাফেরা করলে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ে এবং মানসিক ভাবে সুস্থ থাকা যায়।
৪.কাজ করার ক্ষমতা বাড়ে খালি পায়ে হাঁটলে।
৫.জুতো ছাড়া হাঁটাচলা করলে পায়ের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়। পাশাপাশি হাড় মজবুত হতেও সাহায্য করে।
৬.ভোরবেলায় খালি পায়ে ঘাসের উপর চলাফেরা করলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি হয়।
৭.খালি পায়ে হাঁটলে স্মৃতিশক্তির ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

সুস্থ থাকতে পাঁচ অভ্যাস

আমরা সবাই চাই সুস্থ থাকতে। চাই সুস্থ থেকে কর্মজীবনের স্বাভাবিক কাজ চালিয়ে যেতে। কিন্তু চাইলেই কী আমরা ‍সুস্থ থাকতে পারি? আমরা অসুস্থ হই মূলত খাদ্য অভ্যাসের কারণে এবং অসময়ে ঘুম ও শরীর চর্চা না করার কারণে। তাই সুস্থ থাকতে হলে মেনে চলতে হবে কতগুলা নিয়ম।

সু্স্থ থাকতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। কারণ অতিরিক্ত ওজনের কারণে আমাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। আর ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে আমাদের হার্ট ভাল থাকে।

শরীরকে আদ্র রাখুন

শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের সবাইকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ‍পানি পান করা উচিত। কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে শরীর সুস্থ এবং আদ্র থাকে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। এতে শরীরে সহজে কোনও ব্যাধি রোগ  হয় না।

নিরমিত যোগব্যায়াম করুন

সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন। যারা নিয়মিত যোগ চর্চা করেন, তারা শরীর এবং মনের দিক থেকে ভীষণভাবেই সুস্থ থাকেন। এছাড়া নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ এবং ফুরফুরে থাকে। অন্যদিকে শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করতে, মাংসপেশি সচল রাখতে এবং ওজন কমাতেও যোগ ব্যায়াম ভীষণভাবে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুম

শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো প্রয়োজন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং হার্টের সমস্যা থেকেও রেহায় পাওয়া যায়। এছাড়া ভাল ঘুম হলে আমাদের চিন্তাশক্তির উন্নতি ঘটে।

প্রাতরাশ করুন

সুস্থ থাকতে প্রাতরাশ মিস করা কোনভাবেই উচিত না। কারণ এটি সারাদিনের জন্য শরীরের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। প্রাতরাশ না করলে পিত্ত সমস্যা হতে পারে, যা মন এবং শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।