All posts by lutfor

করোনাভাইরাস এখনো যেসব দেশে করোনা হানা দেয়নি

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আতঙ্ক। এরইমধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে ২০০টিরও বেশি দেশে। করোনার উৎপত্তি চীনে হলেও সেখানে এর প্রকোপ কমে এসেছে।

এখন ইউরোপে চলছে এই ভাইরাসের তাণ্ডব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে করোনায় এরপরই আক্রান্ত হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে এখনো কিছু দেশ ও অঞ্চল ভাগ্যক্রমে করোনার তাণ্ডব মুক্ত রয়েছে।

এশিয়া, ওশেনিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের বেশ কয়েকটি দেশ ও অঞ্চলে এখনো করোনাভাইরাস হানা দেয়নি। তবে সেখানে এর অস্তিত্ব আছে কি না তা অবশ্য নিশ্চিত নয়।

সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশঙ্কা করেছিল পর্যাপ্ত পরীক্ষা ও ব্যবস্থা না নেওয়ায় অনেক দেশে করোনা শনাক্ত হয়নি। তবে সেসব দেশেও এর উপস্থিতি থাকতে পারে।

তবে যেহেতু এখনো এসব দেশে করোনা শনাক্ত হয়নি সেই হিসাবে এই দেশগুলোকে ভাগ্যবান বলা যেতেই পারে। দেখে নেয়া যাক কোন মহাদেশের কোন দেশগুলোতে এখন করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি।

এশিয়া মহাদেশ: ইয়েমেন, উত্তর কোরিয়া, তাজিকিস্তান, তুর্কেমিনিস্তান। ওশেনিয়া মহাদেশ: সোলোমান আইল্যান্ড, ভানুয়াতু, সামোয়া, কিরিবিতি, মাইক্রোনেশিয়া, টোঙ্গা, মার্শাল আইল্যান্ড, পালাও, টুভ্যালু, নাউরু।

আফ্রিকা মহাদেশ: বুরুন্ডি, সাউথ সুদান, সিয়েরা লিওন, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক, বতসোয়ানা, লেসেথো।

এখন পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় নিহতের সংখ্যা ২৪ হাজার ৭৩ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ লাখ ৩১ হাজার ৮১৯ জন। অপরদিকে ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সব পেশাতেই আজকের নারীরা

বিমানের পাইলট থেকে ডাক্তার, ব্যাংক থেকে করপোরেট জগৎ, প্রকৌশলী থেকে জাহাজের নাবিক, বিজ্ঞানী, শিল্প সংস্কৃতি এমনকি পুলিশ, সামরিক বাহিনী, সাংবাদিকতা, সমাজসেবা, উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, শিক্ষকতা এমনকি রাজনীতিতেও আজ নারীদের উদ্যম পদচারণা। আজকের নারীরা সব পেশায়ই যোগ্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ রেখে চলেছেন।
বিভিন্ন পেশায় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নারী এখন কৃতিত্বের সাথে দায়িত্বপালন করে যাচ্ছেন পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে। পরিবার সামলানোর পাশাপাশি দেশ সেবার এ মহান পেশা বেছে নিচ্ছেন তারা। সফলতার সাথে পালন করছেন চ্যালেঞ্জিং এ পেশা। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে নারীরা প্রথম পুলিশ হিসেবে নিয়োগ পান। সে সময় সাদা পোশাকে ১৪ জন নারী স্পেশাল ব্রাঞ্চে কাজ করতেন। এরপর ১৯৭৬ সালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে নিয়োগ পান নারীরা। বর্তমানে পুলিশ বাহিনীতে মহিলা পুলিশ সদস্য আছে শতকরা পাঁচ ভাগেরও বেশি। যারা অত্যন্ত দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে পুলিশ বাহিনীতে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।
সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কোরে নারী অফিসার থাকলেও ছিল না নারী সৈনিক। ২০১৫ সালে প্রথম দিকে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী সৈনিক যুক্ত হয়। এটি নারী অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক। তা ছাড়াও ২০১৫ সালে বাংলাদেশের নারীরা বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ২০১৪ সালে প্রথমবার যুদ্ধবিমান নিয়ে আকাশে উড়েছিলেন দু’জন নারী। গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পেশায় গত এক দশকে বাংলাদেশে নারীরা উল্লেখযোগ্যভাবে অগ্রসর হয়েছেন। সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কোরে নারী অফিসার, নারী সৈনিক, বিমান বাহিনীতে নারী বৈমানিক এমনকি বাংলাদেশের নারীরা বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক হিসেবে কাজ করছেন। সামরিক বাহিনীতে নারীদের এ অংশগ্রহণ দেশকে যেমন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তেমনি পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত করছে। জাতিসঙ্ঘ শান্তিমিশনগুলোতে নারীরা অংশ নিচ্ছেন। সাংবাদিকতা পেশা যেমন চ্যালেঞ্জিং, তেমনি ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু এ পেশায়ও নারীর সরব উপস্থিতি দেখা যায়। সংবাদ উপস্থাপনা থেকে রিপোর্টিং, সম্পাদক, ক্যামেরাপারসন, ফটোগ্রাফার সবখানেই নারীরা যোগ্যতা আর মেধা দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। বিপুল মেয়ে সাংবাদিকতায় আসছে, যা নারীর জন্য এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে। শুধু শখের বশেই নয়; পেশা হিসেবে নারীরা বিমানের পাইলট, ট্রেনের চালক এমনকি জীবিকা অর্জনের জন্য গাড়ি চালানোকে এখন পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছেন। বর্তমানে অনেক নারীই ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল গাড়িচালক হিসেবে চাকরি করছেন।
বাংলাদেশের নারীদের এই অগ্রগতি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছে সমাজের সব অংশে নারীর ক্ষমতায়নের এই চিত্র বিশ্বের জন্য রোল মডেল হয়ে উঠছে প্রতিনিয়ত। যদি নারী এগিয়ে যায় তবেই এগিয়ে যাবে সমাজ। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তিনি অনেক খুশি হতেন তার সুলতানার স্বপ্ন এবার পূরণ হতে দেখে।

যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে!

জাপান অনেক কারণেই বেশ কৌতূহল উদ্দীপক একটা দেশ। এর রয়েছে প্রাচীন সব ইতিহাস, সামুরাই যোদ্ধা এবং গেইশা গার্লদের ঐতিহ্য। এসবের বাইরেও জাপানের একটি দ্বীপ বিশেষ মনোযোগের দাবিদার। জাপান এবং কোরিয়ার মাঝামাঝি সাগরে একটি দ্বীপ হল ওকিনোশিমা।

এই দ্বীপটিতে এখনও জাপানের প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস শিন্টো খুব কড়াভাবেই পালন করা হয় এবং সেই ধর্মবিশ্বাস মতে দ্বীপে কোন নারীর প্রবেশ নিষেধ। পুরো দ্বীপটাকেই তারা একটি ধর্মীয় মন্দির এর মত মনে করে এবং সেভাবেই দ্বীপের পুরুষরা চলাফেরা করে। বছরে একটা দিন তারা জাপানি ভিন্ন অন্য কোন জাতিকে দ্বীপে ঢুকতে দেয় এবং সেটি হল ২৭শে মে। এছাড়া অন্য দিনগুলোতে দ্বীপে কেবল জাপানি পুরুষরাই যেতে পারে।

তবে দ্বীপে যাবার হ্যাপাও কম নয়। ভেতরে প্রবেশ করার আগে বিভিন্ন রকম রীতিনীতি পালন করে নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণ করে তবেই যাওয়া যায় সেখানে। জাপান ও কোরিয়ার সমুদ্রপথের মাঝামাঝি হওয়ায় প্রায় হাজার বছর ধরে এই দ্বীপটিতে সমুদ্রের নাবিক এবং যাত্রীরা থেমে তাদের পূজা দিয়ে যেত। এই সময় নিবেদন হিসেবে তরবারি, ড্যাগার, ছোট পাথরের গোলক ইত্যাদি তারা মন্দিরে জমা দিত। প্রায় হাজার বছর ধরে এইসব জিনিস জমে জমে দ্বীপে এসবের বিশাল একটি সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। প্রাচীনত্ব এবং ইতিহাসে সেগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বের জন্য বর্তমানে ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা দেবে বলে শোনা যাচ্ছে।

সময় বদলালেও দ্বীপের মানুষের মানসিকতা বা দ্বীপের রীতিনীতি বদলায়নি। তারা এখন তো কোন নারী দ্বীপে চায়ই না, ভবিষ্যতেও কোন নারীকে দ্বীপে প্রবেশ করতে দেবে এমন সম্ভাবনা নেই। কেন এই নিয়মের শুরু সেটা হারিয়ে গেছে ইতিহাসের অন্তরালে। কেউ জানে না কেন, তবে সবাই অন্ধভাবেই এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছে হাজার বছর ধরে।

শিশুদের মানসিক সমস্যা তৈরি করছে সোশ্যাল মিডিয়া

শিশু-কিশোরদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের কুফল নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বেশ কিছু চিকিৎসক ও শিশু কল্যাণ বিশেষজ্ঞ।

ব্রিটেনের একজন চিকিৎসক রঙ্গন চ্যাটার্জী বলছেন, কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে মানসিক সমস্যা এবং তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের মধ্যে যে একটা সম্পর্ক আছে তার অনেক প্রমাণ তিনি পেয়েছেন।

সম্প্রতি একদল মার্কিন শিশু কল্যাণ বিশেষজ্ঞ ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের কাছে একটি চিঠি লেখেন। এতে তারা ‘মেসেঞ্জার কিডস’ নামে বাচ্চাদের মেসেজিং অ্যাপটি বন্ধ করে দেবার আহ্বান জানান।

তারা বলেন, ১৩ বছরের কম বয়েসীদেরকে এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করারটা দায়িত্বজ্ঞানহীন।

তারা বলেন, তারা তথ্যপ্রমাণ পেয়েছেন যে সামাজিক মাধ্যমের কারণে কিশোর-কিশোরীদের মানসিকতায় অস্বাভাবিক সব পরিবর্তন হচ্ছে, ১০ বছরের মেয়েও তার দৈহিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছে।

ডাক্তার রঙ্গন চ্যাটার্জী বলছেন, তিনি একবার ১৬ বছরের একটি কিশোরকে রোগী হিসেবে পেয়েছিলেন – যে তার নিজের হাত-পা কাটার পর তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পাঠানো হয়েছিল।

“আমি প্রথমে ভেবেছিলাম তাকে বিষণ্ণতা-রোধী ওষুধ দেবো। কিন্তু আমি তার সাথে কথা বলার পর মনে হলো, সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করায় তার স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।”

২০১৭ সালে রয়াল সোসাইটি অব পাবলিক হেলথ একটি জরিপ চালায় ১১ থেকে ১৫ বছর বয়স্ক দেড় হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর।

এতে দেখা যায় স্ন্যাপচ্যাট এবং ইনস্টাগ্রাম তাদের মনে সবচেয়ে বেশি হীনমন্যতা এবং দুশ্চিন্তা সৃষ্টি করে। ১০ জনের মধ্যে ৭ জন বলেছে ইনস্টাগ্রামের কারণে তাদের নিজেদের দেহ নিয়ে মন খারাপ হয়েছে। ১৪ থেকে ১৪ বছর বয়সের তরুণ-তরুণীদের অর্ধেকই বলেছে ফেসবুকের কারণে তাদের মানসিক দুশ্চিন্তা ও অশান্তি বেড়ে গেছে।

শিশুদের মানসিক সমস্যা তৈরি করছে সোশ্যাল মিডিয়াদু-তৃতীয়াংশ উত্তরদাতা বলেছে, ফেসবুকের কারণে সাইবার বুলিইং বা অনলাইনে অপমান-হয়রানি করার প্রবণতা আরো গুরুতর আকার নিয়েছে।

ড. চ্যাটার্জী তার কাছে আসা ছেলেটিকে একটা সহজ সমাধান দিয়েছিলেন – তাকে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করা কমিয়ে আনতে হবে, রাতে ঘুমাতে যাবার আগে এক ঘন্টার বেশি নয়। তবে কয়েক সপ্তাহ পর এ সময় বাড়ানো যেতে পারে।

“ছয় মাস পর তার অবস্থা লক্ষণীয়ভাবে ভালো হতে শুরু করলো। আমি তার মার কাছ থেকে চিঠি পেলাম যে সে স্কুলে গিয়ে অনেক আনন্দ পাচ্ছে, এবং স্থানীয় লোকজনের সাথেও মিশছে।”

তিনি বলছেন, সোশ্যাল মিডিয়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এটা একটা বড় সমস্যা এবং এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন করা দরকার।”

সাইকিয়াট্রিস্ট লুই থিওডোসিও বলছেন, “দু-তিন বছর আগেও তার সাথে এ্যাপয়েন্টমেন্টের মাঝখানে কোন বাচ্চা তাদের ফোন ব্যবহার করছে, বা টেক্সট করছে – এমন ঘটনা ছিল খুবই অস্বাভাবিক। কিন্তু এখন এটা খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে।”

“বাচ্চারা তাদের ফোন নিয়ে খুব বেশি সময় কাটাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে টিনএজাররা বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা বা অন্য মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে – এমন কেসের সংখ্যা বেড়ে গেছে। ”

তিনি বলেন, এসব বাচ্চারা এক কল্পনার জগতে বাস করছে, এতে তাদের শারীরিক স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, অভিভাবকদের জন্য পরিস্থিতি খুব কঠিন হয়ে গেছে। তিনি এমন অভিভাবকের কথাও শুনেছেন যারা ওয়াইফাই রুটার নিজেদের সাথে নিয়ে ঘুমান -যাতে বাচ্চারা মাঝরাতে উঠে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারে।

বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদের নানা উপায়ে বাচ্চাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর নজর রাখতে ও তা সীমিত করতে পরামর্শ দিচ্ছেন।

ঝিনাইদহে গমের পরিবর্তে ভুট্টা চাষ

এ বছর গমের পরিবর্তে ভুট্টা চাষ করেছেন ঝিনাইদহের কৃষক। গত কয়েক বছর ধরে গম ক্ষেতে হুইট ব্লাস্ট রোগ দেখা দেয়ায় এ বছর আর গম চাষ করেন নি তারা । কৃষকের দাবি ভুট্টার ন্যায্য দাম।

এখন চলছে ভুট্টার মৌসুম। ঝিনাইদহ জেলার কৃষক রাত দিন ব্যস্ত ভুট্টা কাটা, মাড়াই, শুকানো ও ঘরে তোলার কাজে । অক্টোবর মাসের ১৫ তারিখের পর থেকেই ভুট্টার বীজ বপন শুরু করেন কৃষক। আর মে মাসের মাঝামাঝি শুরু হয় ভুট্টা কাটা।

এ অঞ্চলে সুপার সাইন, এলিট, উত্তরোণসহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাতের ভুট্টা চাষ হয়েছে বেশি। এ পর্যন্ত বিঘায় ফলন পাওয়া গেছে ৫০ থেকে ৬০ মণ। প্রকারভেদে প্রতি মণ ভুট্টা বিক্রি হচ্ছে ছয়শ’ ৫০ থেকে সাতশ’ টাকায়।

ইতোমধ্যে ৮০ ভাগ জমির ভুট্টা কাটা শেষ হয়েছে। এবার হেক্টর প্রতি ১০ টনেরও বেশি ফলনের আশা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

এবার জেলায় ১২ হাজার ছয়শ’ ৪০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে বলে জানিয়েছে ঝিনাইদহ কৃষি বিভাগ।

রূপার হাতে বিয়ার…

পৃথিবীর সবচেয়ে পিচ্ছিল জিনিসটা বোধহয় মানুষের বমি। সেদিন রাতে প্রচণ্ড বমি করলো রূপা। কেন এমন হচ্ছে হঠাৎ করে-কোনো কিছুতেই হিসেব মিলাতে পারছে না সে। নিজের বমির ওপর পা পিছলে অবস্থা আরো ভয়ানক। রাত বেড়ে ২ টা গড়িয়েছে। এ মুহূর্তে কার সাহায্য চাইবে-সেটাও মাথায় আসছে না।

রূপার বন্ধু মিহির যেহেতু ভোরের আলো না দেখে ঘুমাতে যায় না, তাই ফোনটা মিহিরকেই করলো সে। এত রাতে রূপা সাধারণত কোনোদিন মিহিরকে ফোন করে না। রূপার কণ্ঠস্বর শুনেই বুঝতে পারলো অবস্থা ভালো নয়। পকেটে টাকা নেই মিহিরের যে যাত্রাবাড়ী থেকে সিএনজি ভাড়া করে রূপার কাঁঠালবাগান আসবে সে। পাশের রুমমেটও ঘুমে। বাধ্য হয়ে রুমমেট আরিফের পকেট থেকে ২০৭ টাকা নিয়ে একটা চিরকুট লিখে বাসা থেকে বের হওয়া।

 

গুলিস্তান ফ্লাইওভার পার হতে না হতেই মিহিরেরও বমি শুরু হলো। রূপাকে ফোন করে জানাবে-কিন্তু রূপা তখন ফোন ধরছে না। বাথরুমে বমি করতে করতে অজ্ঞান হয়ে পড়েছে। সেই রাতে কেউ কারো কাছে পৌঁছাতে পারলো না, এই আফসোস নিয়ে খারাপ শরীরেই দুপুরে রূপার বাসায় আসলো মিহির।

৫ তলার সিঁড়ি ভেঙে উঠতে উঠতে জীবনটা বেরিয়ে যাচ্ছিল মিহিরের। তারপরও উঠে যা দেখলো তাতে পিলে চমকে উঠলো তার। বিয়ার হাতে বসে আছে তার প্রিয়তমা বন্ধু রূপা। একা একাই গিলছে, বেশ আরাম করেই গিলছে। সামনে আরো ৩ টা বিয়ারের ক্যান দেখে মুচকি হেসে বললো- এই তাহলে অবস্থা। রাতে আমাকে অযথা প্যারা দিলি কেন? উত্তরে রূপাও হো হো করে হেসে বললো- তুই আমার বন্ধু তো। তাই তোকে জ্বালালাম। আমার কিছুই হয়নি। রাতে বমিও করি নাই।

মিহিরের অসাধারণ অলৌকিক গুণের মধ্যে একটা হলো কেউ মিথ্যা বললে ধরে ফেলতে পারার ক্ষমতা। সেই ক্ষমতাবলে বুঝলো রূপা মিথ্যা বলছে। তারপরও সে কথা বাড়ালো না। একটা বিয়ারের ক্যান ভেঙে চুমুক দিতেই রূপা বললো- আয় চুমু খাই। এভাবে সময় আরো গড়িয়ে যায়। এক সময় এলিয়ে শরীর এলিয়ে পড়ে রূপার। মুখ লুকাতে ইচ্ছে করে মিহিরের লোমশ বুকে। এভাবেই সন্ধ্যা নেমে এলো।

দুজনই স্নান সেরে শাহবাগে যাবে আড্ডা দিতে। রাত ১১ টা পর্যন্ত চলো প্রাণবন্ত আড্ডা। মিহির প্রচুর সিগারেট খায় বলে মাঝে মাঝে দূরত্ব বজায় রেখে গল্প চালাচ্ছিল রূপা। সাথে আরো কয়েকজন বন্ধু যোগ দিয়েছে আড্ডাতে। যখন আড্ডা ভাঙলো-রূপার নেশাও কেটে গেল। আবারো রাস্তার মধ্যেই বমি করতে শুরু করলো সে। এবার মিহির কিছু না বলে পিজি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দিয়ে মোটামুটি সুস্থ করে তুললো রূপাকে। তথন রাত দেড়টা বেজে গেছে। এই সময়ের মধ্যে রূপার দুইটা টেস্টও করানো হয়েছে। রিপোর্ট কাল দেয়া হবে। সকালেই ফিরতে হবে আবার রিপোর্ট নিতে। এদিকে, রূপার বাসায় ফেরার উপায় নেই, নেই মিহিরেরও। এমনি সময় ফকিরাপুলের একটি আবাসিক হোটেলে রাত কাটালো স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। সেই রাতে ক্লান্ত রূপাকে দেখে আনমনে মিহিরের অনেক প্রশ্ন জেগেছিল। নিজেই প্রশ্ন তৈরি করে আবার সেই প্রশ্নের সমাধান খোঁজার বৃথা চেষ্টাও করে গেল রাতভর। একই বিছানায় পাশাপশি শুয়ে রূপাকে তার বড় বেশি অচেনা মনে হচ্ছে।

মিহির রূপাকে চেনে ৬ মাস হলো মাত্র। এরই মাঝে ঘনিষ্ঠতা, বিশ্বস্ততার জায়গাটা দুজনের কাছেই পোক্ত হয়েছে। শীতের রাতে একটু ভেজা উষ্ণতা পাওয়ার আসায় দুজনই কাছাকাছি এসেছে কয়েকবার গত দু’মাস ধরে। এমন নয় যে, তারা কেউ কারো প্রতি কমিটেড। মিহির কখনো প্রটেকশন ছাড়া রূপার সঙ্গে বিছানায় যায়নি। রূপার প্রতিনিয়ত বমি নিয়ে অনেক প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে মিহিরের মনে। যাক অনেক কথা ভেবে ভেবে রাত ভোর হলো। এবার মিহিরের প্রচণ্ড ঘুম পাচ্ছে। রূপাকে জড়িয়ে ধরে সকাল সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত ঘুমালো মিহির।

এরপর সকালের নাস্তা সেরে হাসপাতালে রিপোর্ট নিতে যাবে দুজন। রিপোর্ট নেয়ার সময় রূপা কোনোভাবেই মিহিরকে সাথে নিতে রাজি নয়। এ নিয়ে কথাকাটি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে মিহির চলে গেলো নিজের কাজে। রূপা হাসপাতাল থেকে রিপোর্ট নিয়ে বাসায় ফিরেছে। তার মন বিষণ্ন, ভয়াবহ খারাপ…রূপা আবারো বিয়ারের ক্যান খুলে বসেছে। আজ সে একা একা গিলবে, কাউকে ডাকবে না…

করোনায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন আটকে গেছে

করোনাভাইরাসের প্রকোপে বেসরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা আটকে গেছে। মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সরকারি সুবিধা ছাড় দেওয়া হয়নি।

বেতন-ভাতা না পাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। তবে সব প্রক্রিয়া শেষে বেতনের অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে পাঠানো হবে বলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গত ১৭ মার্চ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিজ বাসায় অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নির্ধারিত সময়ে বেতন পেলেও এখনো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সরকারি বেতনের অংশ (এমপিও) ছাড়করণ হয়নি। এ অর্থ ব্যাংকে জমা দেয়া হলেও তা শিক্ষক-কর্মচারীদের হাতে পৌঁছাতে আরও অর্ধমাস সময় লেগে যাবে। এ কারণে ক্ষুব্ধ সারাদেশের প্রায় সাড়ে চার লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম রনি বলেন, ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পর দিনরাত বাসায় অসহনীয় সময় পার করতে হচ্ছে আমাদের। তার মধ্যে মাস শেষ হলেও এখনো আমাদের এমপিওভুক্তির অর্থছাড় দেওয়া হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘বেতন না পেয়ে শিক্ষকরা বাড়িভাড়া দিতে পারছেন না। সরকার ব্যাংকের লোনের কিস্তি আদায় বন্ধ করার ঘোষণা দিলেও ব্যাংকগুলো নানা অজুহাত দেখাচ্ছে। শিক্ষকরা প্রায় ১৫ দিন ঘরে বসা। ঘরের বাজার শেষ। পকেট খালি, চারদিকে আমাদের অন্ধকার হয়ে আসলেও নিজের অভাব ও অভিযোগের কথা কাউকে বলতে পারছি না। এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের সাড়ে চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারী এমন পরিস্থিতিতে পড়েছেন।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা ছাড়ের সকল কাজ শেষ হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) বা আগামী রোববার বেতন-ভাতার চেক ব্যাংকে দেওয়া হবে।’

এ নিয়ে শিক্ষকদের দুশ্চিন্তা না করার পরামর্শও দেন তিনি।

ছাত্রলীগ নেতা নাবিলকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ

ভোলায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার আদনান রহমান নাবিলকে (নাবিল হায়দার) জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল)  পুলিশ তাকে ভোলার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান মাহমুদের আদালতে উপস্থাপন করলে আদালত এ নির্দেশ দেন।

আদালতের জিআরও মিলন হোসেন জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বোরহানউদ্দিন থানার (এসআই) দেলোয়ার হোসেন আসামিকে আদালতে উপস্থাপন করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আগামী অফিস খোলার তারিখে রিমান্ডের শুনানির তারিখ ঘোষণা করে আদালত নাবিলকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভোলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সাংবাদিক নির্যাতনকারী নাবিলকে সুনির্দিষ্ট মামলায় বুধবার বোরহানউদ্দিন উপজেলা সদরের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতারের পর পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

নির্যাতনের শিকার সাংবাদিক সাংবাদিক সাগর চৌধুরীতিনি আরও জানান, সাংবাদিক সাগর চৌধুরী এ ঘটনায় আদনান ও অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার অজ্ঞাত আসামিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বড় মানিকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে জেলেদের জন্য আসা চাল চুরির অভিযোগ করেন সাংবাদিক সাগর চৌধুরী। এর পর তার ওপর বর্বর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে জসিম উদ্দিনের ছেলে নাবিল হায়দারের বিরুদ্ধে। ক্ষোভ মেটাতে ওই সাংবাদিককে মোবাইল চোর ও ছিনতাইকারী অপবাদ দিয়ে পেটানো হয়। পরে নির্যাতনের ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এরপর ওই সাংবাদিকের বক্তব্যের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলা সদরের রাজমনি সিনেমা হলের সামনে নির্যাতনের এ ঘটনা ঘটে। তবে হামলার ঘটনায় নাবিল ও তার বাবার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রামে ট্রাক চাপায় রিকশাচালকের মৃত্যু

কুড়িগ্রাম শহরের জিয়াবাজার এলাকায় ট্রাকের চাপায় সাইফুল ইসলাম (৩৬) নামে এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যাটারিচালিত রিক্সা নিয়ে সাইফুল ইসলাম শহরের দিকে আসার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি ট্রাক তাকে মুখোমুখি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটিকে স্থানীয় লোকজন ও ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা আটকের চেষ্টা করলে চালক বেপরোয়াভাবে ট্রাক চালিয়ে পালিয়ে যায়।

নিহত রিকশাচালক সাইফুল ইসলাম সদর উপজেলার পাঁচগাছী ইউনিয়নের ছত্রপুর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিনের পুত্র।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ  মাহফুজুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর বেপরোয়াভাবে ট্রাক চালিয়ে চালক পালিয়ে যায়। তবে ট্রাক ও ড্রাইভারকে আটকের চেষ্টা চলছে।

জেনে নিন স্ত্রীর যে সাতটি গুণ থাকলে স্বামী সুখী হবে

দাম্পত্য জীবনে সুখ তো সবাই চায়। সবাই কি পাই? স্ত্রী ঠিক কেমন হলে দাম্পত্য সুখের হয় তা আজ জেনে নিন। কামসূত্র নয়, কামশাস্ত্রে দাম্পত্যের ব্যাপারে আরও গভীর তত্ত্ব পাওয়া যায়। মানসিক থেকে শারীরিক সম্পর্ক, সবকিছুর উপরেই নির্ভর করে সুস্থ দাম্পত্য। আর সেই প্রসঙ্গে দাম্পত্যের ব্যাপারে বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে কামশাস্ত্রে। স্ত্রী ঠিক কেমন হলে দাম্পত্য সুখের হয়, রয়েছে সেই গুনগুলিও।

আসুন জেনে নেওয়া যাক:

১. স্বামী ও স্ত্রী’র পরিবারের মধ্যে কিছু মিল থাকা প্রয়োজন। আর যে পরিবারের উদার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে, সেই পরিবারের মেয়েকেই বিয়ে করা উচিৎ।

২. স্ত্রী বুদ্ধিমতী হওয়া প্রয়োজন। আর বিশ্ব জুড়ে কি ঘটছে, সেব্যাপারে জ্ঞান থাকা দরকার। স্ত্রী’র শিক্ষা সমাজ ও পরিবারে উন্নতি নিয়ে আসে।

৩. স্ত্রী’কে তাঁর চারপাশের লোকজনের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। যে কোনও স্তরের মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

৪. সামাজিক কর্তব্যের পাশাপাশি ধর্মকর্মে নিষ্ঠা থাকা উচিৎ একজন স্ত্রী’র। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলা উচিৎ।

৫. কণ্ঠস্বর হওয়া উচিৎ ধীর ও মধুর। লক্ষ্মীর মত টাকা সঞ্চয় করা উচিৎ, সরস্বতীর মত পবিত্র হওয়া উচিৎ ও পার্বতীর মত স্বামীর প্রতি নিষ্ঠাশীল হতে হবে।

৬. যে মহিলা ভাই-বোনদের সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছেন, তার ধৈর্য্য অনেক বেশি হয়। তারা শিশুদের ভালোবাসতে পারে ও সম্পর্কের মর্যাদা দিতে পারে।

৭. ক্ষুধার্তকে যাদের খাওয়ানোর ইচ্ছা থাকে, তারা ভালো স্ত্রী হয়ে উঠতে পারে।