=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে!

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
এপ্রিল ২, ২০২০
news-image

জাপান অনেক কারণেই বেশ কৌতূহল উদ্দীপক একটা দেশ। এর রয়েছে প্রাচীন সব ইতিহাস, সামুরাই যোদ্ধা এবং গেইশা গার্লদের ঐতিহ্য। এসবের বাইরেও জাপানের একটি দ্বীপ বিশেষ মনোযোগের দাবিদার। জাপান এবং কোরিয়ার মাঝামাঝি সাগরে একটি দ্বীপ হল ওকিনোশিমা।

এই দ্বীপটিতে এখনও জাপানের প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস শিন্টো খুব কড়াভাবেই পালন করা হয় এবং সেই ধর্মবিশ্বাস মতে দ্বীপে কোন নারীর প্রবেশ নিষেধ। পুরো দ্বীপটাকেই তারা একটি ধর্মীয় মন্দির এর মত মনে করে এবং সেভাবেই দ্বীপের পুরুষরা চলাফেরা করে। বছরে একটা দিন তারা জাপানি ভিন্ন অন্য কোন জাতিকে দ্বীপে ঢুকতে দেয় এবং সেটি হল ২৭শে মে। এছাড়া অন্য দিনগুলোতে দ্বীপে কেবল জাপানি পুরুষরাই যেতে পারে।

তবে দ্বীপে যাবার হ্যাপাও কম নয়। ভেতরে প্রবেশ করার আগে বিভিন্ন রকম রীতিনীতি পালন করে নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণ করে তবেই যাওয়া যায় সেখানে। জাপান ও কোরিয়ার সমুদ্রপথের মাঝামাঝি হওয়ায় প্রায় হাজার বছর ধরে এই দ্বীপটিতে সমুদ্রের নাবিক এবং যাত্রীরা থেমে তাদের পূজা দিয়ে যেত। এই সময় নিবেদন হিসেবে তরবারি, ড্যাগার, ছোট পাথরের গোলক ইত্যাদি তারা মন্দিরে জমা দিত। প্রায় হাজার বছর ধরে এইসব জিনিস জমে জমে দ্বীপে এসবের বিশাল একটি সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। প্রাচীনত্ব এবং ইতিহাসে সেগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বের জন্য বর্তমানে ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা দেবে বলে শোনা যাচ্ছে।

সময় বদলালেও দ্বীপের মানুষের মানসিকতা বা দ্বীপের রীতিনীতি বদলায়নি। তারা এখন তো কোন নারী দ্বীপে চায়ই না, ভবিষ্যতেও কোন নারীকে দ্বীপে প্রবেশ করতে দেবে এমন সম্ভাবনা নেই। কেন এই নিয়মের শুরু সেটা হারিয়ে গেছে ইতিহাসের অন্তরালে। কেউ জানে না কেন, তবে সবাই অন্ধভাবেই এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছে হাজার বছর ধরে।

এ জাতীয় আরও খবর