All posts by lutfor

সাইকেলে প্রধানমন্ত্রীর নাতনি

সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে সদর উপজেলার ৯৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের মধ্যে ৬০০ বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এগুলো বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা হোসেন পুতুলের স্বামী ও এলজিআরডি মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে খন্দকার মাশরুম হোসেন মিতু। এ সময় একটি সাইকেলে চড়ে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন মাশরুম হোসেনের মেজো মেয়ে ও প্রধানমন্ত্রীর নাতনি আলীজা হোসেন।

‘শোককে শক্তিতে পরিণত করে নারীদের ক্ষমতায়নে বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে’ স্লোগানকে সামনে রেখে খন্দকার মাশরুম হোসেন মিতু তার ছোট বোন শারিতা মিল্লাত রিতুর স্বামী সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত মুন্নার নির্বাচনী এলাকায় সাইকেরগুলো বিতরণ করেন।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আলহাজ আবদুল লতিফ বিশ্বাস, সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, সিরাজগঞ্জ-পাবনা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা বেগম স্বপ্না, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহান সিদ্দিকা, পুলিশ সুপার মিরাজ উদ্দিন আহমেদ, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক শারিতা মিল্লাত রিতু, অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসেন, নবম শ্রেণির ছাত্রী হাফসা খাতুন প্রমুখ।
বাইসাইকেল পাওয়ার পর কলেজ মাঠ থেকে একটি র‍্যালি বের করে স্কুলছাত্রীরা।

ফের তুফান ও রুমকি রিমান্ডে

বগুড়ায় ছাত্রীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলায় বহিষ্কৃত শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার ও তার শ্যালিকা পৌর কাউন্সিলর মারজিয়া হাসান রুমকির আবারও দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহসান হাবিব এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ মামলায় তুফানের তৃতীয় দফা ও রুমকির প্রথম দফা রিমান্ড।

তদন্তকারী কর্মকর্তা ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আদালতে দুই দিন করে মঞ্জুর করেন। এছাড়া তুফানের সহযোগী মুন্না একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার ওসি (অপারেশন) আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার বিকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় (ধর্ষণ) তুফান, রুমকি ও মুন্নাকে আদালতে হাজির করা হয়। মুন্না আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত তুফান ও রুমকিকে দু’দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে মুন্নাকে জেলে পাঠানো হয়েছে।

বন্ধ হচ্ছে কারাগার থেকে ‘গ্যাং’ নিয়ন্ত্রণ

কারাগারে বন্দি অবস্থায়ও মুক্তজীবনের মতোই সময় কাটায় আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনরা। যখন যা ইচ্ছে, তাই করছে তারা। কারাগারে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলা, ইন্টারনেট ব্যবহার, মাদক দ্রব্যের ব্যবসা, ব্যবসায়ীদের হুমকি এবং চাঁদাবাজীসহ পুরো গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করছে তারা। শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়; চাঁদার অর্থও সময় মতো তাদের কাছে কারাগারেই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

চাঁদাবাজী থেকে প্রাপ্ত অর্থের সিংহভাগ কারাগারে খরচ করে রাজার হালে দিন কাটে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনদের। তাদের এমন ভোগের সামাজ্র সম্প্রতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছেন কারা সংশ্লিষ্টরা। আগামীতে কারাগার থেকে গ্যাং নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বন্ধ হবে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

আগে বিভিন্ন দালাল চক্রের মাধ্যমে কারাগারে নানা ধরনের মাদক প্রবেশ করতো। কারাবন্দিদের স্বজনেরাও এর সঙ্গে জড়িত ছিল। বর্তমানে আধুনিক নিরাপত্তা সরঞ্জামকে ফাঁকি দিয়ে মাদক সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

কারাগারে মোবাইল ফোন বাণিজ্য, মাদকের প্রবেশ ঠেকানো ও গ্যাং নিয়ন্ত্রণসহ সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেনা হয়েছে আধুনিক সব সরঞ্জাম। ‘কারাগারের নিরাপত্তা আধুনিকায়ন’ প্রকল্পের আওতায় স্ক্যানার, সিসি ক্যামেরা, অত্যাধুনিক আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর, হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টর, ওয়াকিটকি, টিনয় সিস্টেম, সিকিউরিটি সাইরেন সিস্টেম ও কম্পিউটার বসানো হয়েছে। সেগুলোর সাহায্যে কারাগারের নিরাপত্তার পাশাপাশি সব ধরনের অবৈধ কাজ বন্ধ করা যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এছাড়া দেশে কারাগারের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রথমবারের মতো কারাগারের জন্য কেনা হচ্ছে মোবাইল ফোন জ্যামার ও বডি স্ক্যানার। এই সরঞ্জামগুলো পরিচালনার জন্য কারারক্ষীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

কারা সদর দপ্তর সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কারাগারের জন্য এসব অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে। ল্যাগেজ স্ক্যানার ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া ভিতরে থেকে কেউ যেন বাইরে যোগাযোগ করতে না পারে- সে জন্য মোবাইল ফোন জ্যামারের মাধ্যমে কারাগার ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। কিন্তু বিভিন্ন সরঞ্জামের দাম বৃদ্ধি এবং নতুন করে মোবাইল ফোন জ্যামার আমদানি করায় প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে ৪৯ কোটি টাকা হয়েছে। চলতি বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রকল্পটির আওতায় ১৪ ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। সরঞ্জামাদির মধ্যে বডি স্ক্যানার ও লাগেজ স্ক্যানারগুলো জার্মানি থেকে এবং লাগেজ স্ক্যানারগুলো ইতালি থেকে কেনা হচ্ছে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, এই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে সিসিটিভি ১৪৪টি; ক্যামেরা ২ হাজার ৩০৪টি; মনিটর ১৪৪টি; আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর ৬৭টি; হ্যান্ডহোল্ড মেটাল ডিটেক্টর ১৫৪টি; মোবাইল ফোন জ্যামার ৪০০টি; ল্যাগেজ স্ক্যানার ৮টি; পার্সোন স্ক্যানার ৮টি; ট্যানয় সিস্টেম অ্যামপ্লিফায়ার ৩০টি; ট্যানয় সিস্টেম স্পিকার ১ হাজার ৩২০টি; ওয়াকিটকি ৭৭০টি; সিকিউরিটি সাইরেন সিস্টেম ৬৫টি; ডিজিটাল ক্যামেরা ৭৯টি; ডেস্কটপ ৮৮টি; ‌ইউপিএস ৮৮টি; ল্যাপটপ ৭৫টি; সিসিটিভি মনিটরিং কক্ষের জন্য এসি ৬৫টি এবং সিসিটিভি মনিটরিং কক্ষ ৬৫টি।

কারা সদর দপ্তর সূত্র বলছে, শরীরে অবৈধ কিছু লুকানো থাকলে- তা সহজেই শনাক্ত করবে আধুনিক আর্চওয়েগুলো। বডি স্ক্যানারের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় শরীরের কোথায় কী আছে- সব দেখা যাবে। তবে, সবাইকে বডি স্ক্যানারের ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। শুধুমাত্র সন্দেহভাজনদের বডি স্ক্যানারের ভেতর দিয়ে নেওয়া হবে।

কারা সদর দপ্তরের কারা উপ-মহাপরিদর্শক মো. বজলুর রশিদ বলেন, ‘কারাগারের নিরাপত্তা আধুনিকায়ন’ প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে কারা অধিদপ্তরে ২টি ওয়েব বেজড ভ্যান সংযোজন; অধিদপ্তর ও কাশিমপুর কারাগারের মধ্যে ভিডিও লিংকেজ চালু; কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের জন্য স্মার্ট আইডি কার্ড; ই-টেন্ডার চালু; নিজস্ব ওয়েব সাইট ও আইটি সেল চালু এবং অনলাই বাজেট এন্ট্রির কাজ শেষ হয়েছে।

তিনি আরও জানান, র‌্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সহযোগিতায় বন্দিদের ডাটা এন্ট্রির কাজ; বন্দিদের মোবাইল ফোনে পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ; ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিচার পরিচালনার কাজ চলছে।

বজলুর রশিদ বলেন, এসএমএসের মাধ্যমে বন্দিদের সঙ্গে সময় গ্রহণের জন্য কারাগারে ‘মোবাইল অ্যাপস’ চালু করা হয়েছে। কারা কর্মচারীদের জন্য কারা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, কারাগারে অবৈধ ও অপরাধমূলক ঠেকাতে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২টি বিভাগ এবং পরবর্তীতে সারাদেশের কারাগারগুলোকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, কারাগারকে শতভাগ নিরাপদ রাখতে ইতোমধ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগের তুলনায় এখন সারাদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। এই প্রকল্প বাস্তায়ন হলে কারাগারে আর কোনো ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড সংগঠিত হবে না।

প্রকল্পের কাজ যথা সময়ের মধ্যে শেষ করার প্রসঙ্গে ব্যাপারে তিনি বলেন, প্রকল্পের খরচ ৩২ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কাজের পরিধি বাড়ায় এর ব্যয় এবং সময় বেড়েছে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের পর প্রকল্প শেষ হতে আরও ৬ মাস বেশি সময় লাগবে।

হজযাত্রীদের পুনরায় হজে যেতে আরো ২০০০ সউদী রিয়েল দিতে হবে

সব দেশের হজযাত্রীকেই পুনরায় হজে যেতে অতিরিক্ত দুই হাজার সউদী রিয়েল দিতে হবে। বাংলাদেশসহ হজ এবং ওমরা পালনকারী সব দেশের ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হজ পালনকারী হজ যাত্রীদের পুররায় এই অর্থ প্রদান করতে হবে।

ভিসা আবেদন লজমেন্ট করার ক্ষেত্রে প্রতি এন্ট্রি ফি বাবদ দুই হাজার সউদী রিয়েল প্রদান করার নিয়ম সকল দেশের হজ এবং ওমরা পালনকারীদের জন্য সউদী আরব এই বিধান ২০১৫ ও ২০১৬ থেকে কার্যকর করেছে।

বৃহস্পতিবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ শাখার সহকারী সচিব এস এম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ খবর জানানো হয়।

হজ এজেন্সীজ অব বাংলাদেশের একজন কর্মকর্তা বাসসকে জানান, সউদী আরবের হজ এবং ওমরা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তদের সাথে এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে দুই হাজার সউদী রিয়েল মওকুফ করার জন্য আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সউদী কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে অপারগতা প্রকাশ করে জানায় যে শুধু বাংলাদেশ নয় এই নিয়ম হজ এবং ওমরা পালনকারী সব দেশের হাজীদের জন্য করা হয়েছে। এই অর্থ মওকুফ বা স্থগিত করার কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশকেও পুনর্বার হজকারী প্রত্যেক হাজীকে এই দুই হাজার রিয়েল পরিশোধ করতে হবে।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন কারণে ২০১৫ ও ২০১৬ সালে হজে গেছেন এমন সংখ্যা ৭ থেকে ৮ হাজার হতে পারে বলে একটি হজ এজেন্সীর কর্মকর্তা হেদায়েত ইসলাম রাজু বাসসকে জানান।

যেসব হজ এজন্সীর মাধ্যমে ২০১৫- ও ২০১৬ সালের পর চলতি বছর পুনর্বার হজে যাচ্ছেন এমন সব হজ্ যাত্রীর কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট্র এজন্সেীকে দুই হাজার রিয়েল সমপরিমাণ অর্থ আদায় করে তা জমা দিতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট হাজীর যাতায়াত বিঘ্ন ঘটলে উক্ত এজেন্সী দায়ী হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, ধর্মমন্ত্রণালয় চলতি ২০১৭ সালের হজে অংশগ্রহণকারী সকল হজ এজেন্সির জন্য হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের সংখ্যা শতকরা ৪ জন থেকে বৃদ্ধি করে ৭ জনে উন্নীত করেছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ শাখা বৃহস্পতিবার এই বিষয়েও অপর একটি আদেশ জারি করে হজ এজেন্সী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে জানিয়ে দিয়েছেন।

হজ এজেন্সিস অব বাংলাদেশ হাবের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার এবং বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে মৃত্যুজনিত, অসুস্থতাজনিত এবং অন্যান্য কারণে হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

হজযাত্রীদের প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে হজ বিষয়ক কমিটি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে । বাসস

১ সেপ্টেম্বর থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি সংক্রান্ত এক সভায় এ নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৬ অক্টোবর এবং বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা ১০ নভেম্বর গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সুন্দরভাবে যাতে এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যায় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। যাতে এ পরীক্ষা নিয়ে কোনো প্রকার প্রশ্ন না উঠে।’ তিনি ভুয়া প্রশ্নপত্রের ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখার পাশাপাশি ভর্তি পরীক্ষার জন্য ভাল করে পড়াশোনা করতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘কোচিং সেন্টার বন্ধে প্রয়োজনে আইনশৃংখলা বাহিনীর সহায়তা নিন। ভর্তি পরীক্ষার সময় কিছু মহল ভুয়া প্রশ্নপত্র বানিয়ে শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত এবং নিরীহ অভিভাবকদের সঙ্গে প্রতারণা করে। এই চক্র প্রতিরোধ করতে হলে পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা ভুয়া প্রশ্ন বিতরণের মতো ঘটনা যাতে কোনোভাবে না ঘটে সেদিকে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। গতবছরের মতো এবারও যাতে নিখুঁত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যায় তার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে

৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ বন্ধ হওয়া জরুরি : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা বন্ধের চেয়ে অপপ্রয়োগ বন্ধ হওয়া জরুরি।
আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেলের ট্র্যাক ও এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
খুলনার সাংবাদিক আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা ও গ্রেফতার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তুচ্ছ কিছু ঘটলো আর সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হলো-এটি ৫৭ ধারার অপপ্রয়োগ। এ ধারা বাতিলের চেয়ে এর অপপ্রয়োগ বন্ধ করা দরকার।’
তিনি বলেন, সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের জন্য ৫৭ ধারা করা হয়েছিল। কিন্তু তুচ্ছ কারণে এর অপপ্রয়োগ করা হচ্ছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখতে হবে। তুচ্ছ কারণেও এই ধারার ব্যবহার হচ্ছে।
এ ব্যপারে তথ্যমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘এ আইন বাদ দেয়ার কথা আমি বলব না, তবে অপপ্রয়োগ ঠেকাতে বলবো।’ বাসস

জিন তাড়ানোর নামে পর্নো ভিডিও তৈরি : রিমান্ডে ভণ্ডপীর

জিন-ভূত তাড়ানোর নামে তরুণীদের সঙ্গে পর্নো ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে গ্রেফতার ‘ভণ্ডপীর’ আহসান হাবিব পিয়ারের দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম মাঈন উদ্দিন সিদ্দিকী এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে তাকে আদালতে হাজির করে খিলগাঁও থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা।

রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজমের সাইবার ক্রাইম ইউনিট তাকে গ্রেফতার করে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেসন্স বিভাগ থেকে জানানো হয়, আহসান হাবিব পিয়ার দাওরায়ে হাদিসে পড়াশোনা করেছেন। নিজেকে এএইচপি টিভির সাংবাদিক বলে পরিচয় দিতেন এবং নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ধর্মের কথা বলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

সম্প্রতি সে নিজেকে পীর দাবি করে জিন তাড়ানোর কথা বলে মেয়েদের নির্যাতন করত বলে অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময় মেয়েদের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যৌন উত্তেজক কথা বলে এবং পরে এদের অনেককে নিজ বাসায় এনে ব্ল্যাকমেইল করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করত।

এ বিষয়ে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম জানান, পীর দাবি করা ভণ্ড হুজুর মেয়েদের সঙ্গে যৌনকর্ম করার সময় ভিডিও করে তা কম্পিউটারে সংরক্ষণ করত। পরে সুযোগ মতো ভিডিওর কথা বলে ব্ল্যাকমেইল করে লাখ লাখ টাকা আদায় করত।

তার বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।

‘বাজার স্থিতিশীল, চালের দাম কমেছে’

সচিবালয় প্রতিবেদক :বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নিত্য প্রায়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়বে না। বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। চালের দাম কমে এসেছে।’

বুধবার সকালে সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের নতুন রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোরবানির ঈদে যাতে কোনোভাবে পণ্যের দাম না বাড়ে সেজন্য আমারা সচেষ্ট আছি। বরং পণ্যের দাম যাতে আরো কমানো যায় তার জন্য নানামুখি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ কারণে চালের দাম কমে এসেছে।’

হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘এটা সাময়িক। দ্রুত পেঁয়াজের দাম কমে যাবে।’

এ সময় বাণিজ্যসচিব সুভাশিষ বোস সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাজারে চালের দাম কমেছে চার টাকা। তবে খুচরা বাজারে একেক ধরনের পণ্যের দাম একেক ধরনের। তাই সব মনিটরিং করা কষ্টসাধ্য। তারপরও বাজার স্থিতিশীল রাখতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের নতুন রাষ্ট্রদূত মাসাতো ওয়াতানাবে বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠক প্রসঙ্গে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘জাপানের রাষ্ট্রদুত নতুন এসেছেন। কাজ শুরু করেছেন। এটা ছিল আমার সঙ্গে তার প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎ। জাপান আমাদের পুরাতন ঘনিষ্ট বন্ধু। তারা চাইলে সে দেশের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি স্পেশাল ইকোনোমিক জোন দেওয়া হবে। সরকার বিদেশিদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করেছে। জাপানকে সেই সিুবিধা গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘জাপান চাইলে স্পেশাল ইকোনোমিক জোনে পোশাক খাতে বিনিয়োগ করতে পারবে।’

মেট্রোরেল : নির্ধারিত সময়ে যাত্রী চলাচল শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়েছে তার মধ্যে মেট্রোরেল অন্যতম। এটি আমাদের স্বপ্নের প্রকল্প, যা বাস্তবায়ন হতে চলেছে। নির্ধারিত সময়েই এত যাত্রী চলাচল শুরু হবে।

বুধবার আগারগাঁও পয়েন্টে মেট্রোরেলের ট্র্যাক ও এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণের কাজের উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘রাজধানীতে মেট্রোরেল নির্মাণ কাজ আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। যে লাইনের ওপর দিয়ে ট্রেন চলবে, সেটির পাশাপাশি উদ্বোধন করা হয়েছে স্টেশনের নির্মাণকাজও। হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় এই প্রকল্পটি আট মাস পেছালেও নির্ধারিত সময়ে এর নির্মাণকাজ শেষ হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা সহায়তা দিচ্ছে। বাকি প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আটটি প্যাকেজে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ইতোমধ্যে সকল প্যাকেজের দরপত্র আহ্বানের কাজ শেষ হয়েছে। দুটি প্যাকেজের আওতায় প্রায় ৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২ কিলোমিটার উড়ালপথ ও নয়টি স্টেশন নির্মিত হতে যাচ্ছে।’

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে ১২ কিলোমিটার উড়ালপথ এবং উত্তরা-উত্তর, উত্তরা-সেন্টার, উত্তরা-দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া এবং আগারগাঁও স্টেশন নির্মাণ করা হবে। আগামী ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা হতে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রথম পর্যায় এবং ২০২০ সালের মধ্যে আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে কাজ শেষ হবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ-ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ আহম্মেদ, মেট্রোরেল প্রকল্পের পরিচালক আফতাব উদ্দিন খানসহ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘বঙ্গবন্ধুর রক্তঋণ শোধ ও দেশকে এগিয়ে নিতে সকল চক্রান্ত উচ্ছেদ করতে হবে’

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর রক্তঋণ পরিশোধ করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে সকল ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের রাজনীতি সমূলে উচ্ছেদ করতে হবে। এটাই শোক ও প্রতিশোধের মাস আগস্টের শপথ।’

বুধবার বিকেলে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ‘দেশ ও গণতন্ত্র বিরোধী ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের রাজনীতির বিরুদ্ধে জাসদের গণমিছিল’ উদ্বোধনকালে জাসদ সভাপতি ও তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন।

আগস্ট মাসকে জাতির জন্য সবচেয়ে কঠিন শোকের মাস ও জাতির ওপর সবচেয়ে বড় ষড়যন্ত্র-চক্রান্তমূলক আঘাতের মাস হিসেবে বর্ণনা করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি তাদের পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই বারবার আগস্টে আঘাত হেনেছে দেশ ও জাতির ওপর। আগস্টেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল, সংবিধানকে পদদলিত করা হয়েছিল, সংবিধান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নির্বাসিত করা হয়েছিল, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য গ্রেনেড হামলা হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তি, বঙ্গবন্ধুর খুনী, ষড়যন্ত্র চক্রান্তের রাজনীতির ধারক-বাহকরা এখনও বাংলাদেশের উপর আঘাত হানছে, জঙ্গি হামলা ও আগুন-সন্ত্রাস চালাচ্ছে। এ ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের রাজনীতি সমূলে উচ্ছেদ করে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিতে জাসদের নেতাকর্মীদের সংগ্রামের রাজপথে আগুয়ান হতে হবে।’

গণমিছিল পূর্ব এ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি, স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, সহ-সভাপতি মীর হোসাইন আখতার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. হাবিবুর রহমান শওকত, নাদের চৌধুরী, নুরুল আখতার, ওবায়দুর রহমান চুন্নু, নইমুল আহসান জুয়েল, ঢাকা মহানগর উত্তর জাসদের সভাপতি শফিউদ্দিন মোল্লা, ঢাকা মহানগর পশ্চিম জাসদের সভাপতি মাইনুর রহমান, নারী নেত্রী উম্মে হাসান ঝলমল, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল কবির স্বপন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম সুমন প্রমূখ। সমাবেশ শেষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট এর সামনে থেকে জাসদের গণমিছিলটি বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে এসে শেষ হয়।