All posts by lutfor

এশিয়া কাপের সময়সূচি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপের পর্দা উঠবে শনিবার। উদ্বোধনী ম্যাচেই শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ছয় দেশকে দুটি গ্রুপে ভাগ করে হবে এবারের আয়োজন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে ২০১৬ সালে এশিয়া সেরার আসর হয়েছিল টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। আয়োজক ছিল বাংলাদেশ। এশিয়ান ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই আসর এবার ফিরছে ওয়ানডে ফরম্যাটে। এই টুর্নামেন্টে দেখা যাবে ব্যাট-বলের দুর্দান্ত সব যুদ্ধ। ফেবারিটদের তালিকায় সবার উপরে আছে ভারত আর পাকিস্তানের নাম। তবে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে যেমন উন্নতি করেছে, তাতে টাইগারদেরও শিরোপার দাবিদার বলছেন অনেকেই।

দুই বছর পর হতে চলা এবারের আসরের ছয় দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। ভারত এবং পাকিস্তান আছে একই গ্রুপে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে হংকং। অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’তে আছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা আর আফগানিস্তান।

ইউএইর’ দুটি কেন্দ্র আবুধাবি ও দুবাইয়ে হবে ম্যাচগুলো। দুটি গ্রুপ থেকে দুটি করে চারটি দল সুপার ফোরে উঠবে, দুটি দল বিদায় নেবে। সুপার ফোরে চারটি দল একে অপরের সঙ্গে খেলবে।

এশিয়া কাপের সময়সূচি

গ্রুপ পর্ব

১৫ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা (দুবাই)
১৬ সেপ্টেম্বর – পাকিস্তান বনাম হংকং (দুবাই)
১৭ সেপ্টেম্বর – শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান (আবুধাবি)
১৮ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম হংকং (দুবাই)
১৯ সেপ্টেম্বর – ভারত বনাম পাকিস্তান (দুবাই)
২০ সেপ্টেম্বর – বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান (আবুধাবি)

সুপার ফোর

২১ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ বিজয়ী বনাম গ্রুপ বি রানার আপ (দুবাই)
২১ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ বি বিজয়ী বনাম গ্রুপ এ রানার আপ (আবুধাবি)
২৩ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ বিজয়ী বনাম গ্রুপ এ রানার আপ (দুবাই)
২৩ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ বি বিজয়ী বনাম গ্রুপ বি রানার আপ (আবুধাবি)
২৫ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ বিজয়ী বনাম গ্রুপ বি বিজয়ী (দুবাই)
২৬ সেপ্টেম্বর – গ্রুপ এ রানার আপ বনাম গ্রুপ বি রানার আপ (আবুধাবি)

ফাইনাল

২৮ সেপ্টেম্বর – ফাইনাল (দুবাই)

(সব কটি ম্যাচ বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে শুরু) ।

৫২ দিন পর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন শুরু

দীর্ঘ ৫২ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন শুরু হয়েছে।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে কয়লা পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ২৭ মিনিট থেকে শুরু হয় এ উৎপাদন।

কয়লার অভাবে গত ২২ জুলাই দেশের একমাত্র কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল হাকিম সরকার বলেন, ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটির বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় স্টিম চালু করা হয়।

‘রাত ২টা ২৭ মিনিটে উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যোগ হয় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ।’ তিনি বলেন, তৃতীয় এ ইউনিটটি চালু রাখতে প্রতিদিন প্রয়োজন দুই হাজার ৮০০ টন কয়লা। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মজুদ আছে প্রায় ছয় হাজার টন কয়লা।

আর গত ৮ সেপ্টেম্বর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে কয়লা উত্তোলন শুরুর পর প্রতিদিন দুই হাজার থেকে ২২০০ টন কয়লা খনি থেকে পাওয়া যাচ্ছে।

আব্দুল হাকিম সরকার জানান, ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটি চালু করা হয়েছে।

কয়লার মজুদ বাড়লে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট দুটি চালু করা হবে। ওই দুটি ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে ২৫০ মেগাওয়াট।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উত্তোলন গত ১৯ জুন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এবং খনি থেকে এক লাখ ৪৪ হাজার টন কয়লা উধাও হয়ে যাওয়ার সংকটে পড়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

ফলে কয়লার অভাবে গত ২২ জুলাই বন্ধ হয়ে যায় বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন।

এরই মধ্যে গত ২০ আগস্ট শুধু ঈদের জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ১২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ইউনিট চালু করা হয়।

৯ দিন চালু থাকার পর তা আবার বন্ধ করে দেয়া হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ আর লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে উত্তরাঞ্চলের আট জেলার মানুষ।

মেয়ের জন্য ১২ জন ব্যক্তিগত কর্মী চেয়ে বিজ্ঞাপন

মেয়ে পড়তে যাবে বিদেশে। সেখানে তাকে সাহায্য করার জন্য ১২ জন কর্মী নিয়োগ করছেন এক ভারতীয় ধনকুবের। এমন খবরে এরই মধ্যে ব্রিটিশ বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিরোণাম হয়েছেন সেই বাবা ও তার মেয়ে। তবে মেয়েটি বা তার পরিবারের পরিচয় নিয়ে কোনও তথ্য জানা যায়নি।

জানা গেছে, ধনকুবের সেই ব্যক্তির মেয়ে স্কটল্যান্ডের আন্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চার বছরের জন্য পড়তে যাচ্ছেন। এ কারণে প্রথমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি বিলাসবহুল বাড়ি কিনেন তিনি। কেননা হোস্টেলে থাকলে অন্যদের সঙ্গে মেয়েটিকে রুম শেয়ার করতে হবে। এরপর সেখানে মেয়েটির দেখাশোনা কিভাবে হবে এই চিন্তা থেকেই ১২ জন কর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় তার পরিবার।

আর এই কর্মী নিয়োগ করার জন্য যোগাযোগ করা হয় ব্রিটেনের এক অভিজাত নিয়োগকারী সংস্থা ‘সিলভার সোয়ান’-এর সঙ্গে। তারা পরিবারটির চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞাপনও দেয়। সেখানে লেখা ছিল, ‘একটি বিত্তবান ভারতীয় পরিবারে একজন শেফ, একজন মালি, তিনজন হাউসকিপার, হা্উস ম্যানেজার, পরিচারিকা, গাড়িচালক, রাধুনি ও তিনজন পিওন নিযুক্ত করা হবে। যারা ওই পরিবারের মেয়ের দেখাশোনা করবে। তারা থাকবে পাশেরই একটি বিলাসবহুল বাড়িতে। বছরে তাদের বেতন হবে ৩৯ হাজার পাউন্ড বা ২৮ লাখ রুপি।‘’

এক সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই পড়তেন বৃটেনের ডিউক ও ডাচেস অব কেমব্রিজ উইলিয়াম ও কেট। কিন্তু সেই সময় উইলিয়ামও আর পাঁচ জন পড়ুয়ার মতো খুব সাধারণ ভাবেই থাকতেন। তাই ধনকুবেরের মেয়ের এমন বিলাসবহুল অবস্থান নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকে।এ ব্যাপারে আন্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মূখপাত্র বলেন, ‘এটা শিক্ষার্থীদের একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। সারা বিশ্ব থেকে এখানে শিক্ষার্থীরা পড়তে আসে। তাদের সবাইকে যে হলে থাকতে হবে এমন কোনও কথা নেই। সিলভার সোয়ান কোম্পানি তাদের কাজের অংশ হিসেবে এই বিজ্ঞাপন দিয়েছে। এটার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও সম্পর্ক নেই।’ এদিকে সিলভার সোয়ান কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন এরই মধ্যে কর্মী নিয়োগের কাজটি শেষ হয়ে গেছে। এ কারণে বিজ্ঞাপনটি আর তারা প্রচার করছেন না। এ ব্যাপারে তারা আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

মানুষ এখন নিজের ছায়াকেও ভয় পায়

দেশের মানুষ এখন নিজের ছায়াকেও ভয় পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, মনে হয়- দেশের প্রতিটি মানুষকে কেউ না কেউ অনুসরণ করছে, গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে। এমনিতে গুম, খুন ও ক্রসফায়ারের ক্রমাগত বিস্তৃতি ঘটছে, তার ওপর রাজধানীসহ দেশের আনাচে কানাচে বিএনপিসহ বিরোধী দলের মানুষ বা সমর্থক নেই যাদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়নি।

আজ শুক্রবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, পোলিও টিকা খাওয়ানোর একটি স্লোগান আমরা অনেকদিন যাবৎ শুনে এসেছি ‘বাদ যাবে না একটি শিশু’। এখন সরকার এ স্লোগানটি ভিন্ন অর্থে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর প্রয়োগ করছে।

তিনি বলেন, বিএনপিসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ছাঁকনি দিয়ে ধরা হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষ জোর করে আদালতকে ব্যবহার করে বিচারকার্য ছাড়াই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায় দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।

রিজভী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে গুরুতর অসুস্থ। তিনি হাত-পা নাড়াতে পারেন না, হাঁটাচলা করতে তার মারাত্মক অসুবিধা হয়। চিকিৎসকরা বলেছেন- তার বাম হাত ও পা প্রায় অবশ হয়ে পড়েছে। গুরুতর অসুস্থতার কারণে আদালতে যেতে পারবেন না, বেগম জিয়া সে কথাটিই বলেছেন।

তিনি বলেন, কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ জোর করে আদালতকে ব্যবহার করে বিচারকার্য ছাড়াই রায় দেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। এটি সম্পূর্ণরুপে ন্যায় বিচারের পরিপন্থী, অমানবিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘন। প্রতিহিংসার বিচার চরিতার্থ করতেই তাড়াহুড়ো করার তাগিদ দেয়া হচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, যেহেতু খালেদা জিয়া আদালতে আসতে চাচ্ছেন না, তাই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করুন। আদালতের কার্যক্রম শেষ করতে লিখিত আবেদনও দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রিজভী বলেন , সরকার প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছেন। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাড়াহুড়ো করার তাগিদ দেয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রপক্ষের এ চাপ সরকারের নির্দেশেই হয়েছে। আদালত সরকারের হুকুমের বাইরে যেতে পারবে কিনা সেটি নিয়ে জনগণ সন্দেহ পোষণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইফুল ইসলাম পটু প্রমুখ।

কোনো অযৌক্তিক দাবি মেনে নেবে না সরকার

সরকার কোনো অযৌক্তিক দাবি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। শুক্রবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) স্বপ্ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে তা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে বলেও মন্তব্য করে হানিফ বলেন, দেশের জনগণ বিদেশি রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না। কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না। আজকে আপনারা যাদের প্রভু মানেন, ১৯৭১-এ এরাই বাংলাদেশকে সমর্থন করে নাই। লবিষ্ট নিয়োগ করে এখন ঘরে বসে অপেক্ষা করেন। তারাই আপনাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে। বাংলাদেশের জনগণে তো আপনাদের আস্থা নেই।

জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিবের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিদেশে যাওয়ার সময় বলে গেলেন জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে তার বৈঠক আছে। ওখানে গিয়ে একজন সহকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, জনগণের কাছে আমাদের উন্নয়ন প্রচার করুন। সত্য তথ্য দিয়ে বিএনপির অপপ্রচারের জবাব দিন। জনগণ আমাদের ওপর আস্থাশীল। ইনশাল্লাহ, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ জয় পাবে।

স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সুপ্রিমকোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আনোয়ারা শাহজাহান, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী স্মৃতিকণা বিশ্বাস, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য আনোয়ারুল কবির, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ইসফাক আহসান, ডেমরা থানা আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান, স্থপতি খাইরুল আলম সাগর প্রমুখ।

ঐক্য প্রক্রিয়ায় আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি : মওদুদ

বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘের আমন্ত্রণে নালিশ করতে নয়, দেশের বাস্তব অবস্থা তুলে ধরতে নিইউয়র্কে গেছেন মন্তব্য করে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিবকে জাতিসংঘ মহাসচিব আমন্ত্রণ করায় আওয়ামী লীগ ঈর্ষান্বিত তাই বিএনপিকে নিয়ে নানা প্রকার মন্তব্য করছে।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইয়ূথ ফোরাম আয়োজিত ‘গণগ্রেফতার ও বিচার বিভাগের উপর সরকারের হস্তক্ষেপ বন্ধ এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনের দাবির আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশে যখন এসেছিলেন তখন বিরোধী দলের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে তিনি বিএনপিকে জাতিসংঘে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘে নালিশ করতে যাননি। জাতিসংঘের আমন্ত্রণে গেছেন এবং তিনি বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তব অবস্থা তুলে ধরতে গেছেন। কিন্তু আওঅয়ামী লীগ এতে ঈর্ষান্বিত।

তিনি বলেন, দেশে যে অরাজকতা চলছে, বিরোধী দলের উপর যে নির্যাতন হচ্ছে, মামলা হামলা, হচ্ছে তা তুলে ধরার জন্য গেছেন মহাসচিব।

মওদুদ বলেন, এই সরকারের উদ্দেশ্য অত্যন্ত খারাপ। এ সরকার বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হোক তা কোনোভাবে চায় না। যদি চাইতো তাহলে তাদের আচরণ এতো খারাপ হত না। তাদের চিন্তা হলো একটি একদলীয় নির্বাচন করে আবারও ক্ষমতায় আসা। কিন্তু ২০১৪ সালে যে নির্বাচন হয়েছে সেরকম কোনো নির্বাচন বাংলাদেশের মাটিতে আর হবে না৷ তাদের এই স্বপ্ন কোনোভাবে বাস্তবায়ন হবে না৷

বিএনপি নেতা বলেন, আমরা এই স্বৈরাচারকে পতন করার জন্য একটি বৃহত্তর ঐক্য করছি। এই ঐক্য প্রক্রিয়ায় আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি৷ ঐক্য প্রায় হয়ে গেছে। কিন্তু জাতীয় ঐক্য যাতে না হয় তার জন্য চেষ্টা করছে সরকার। তবু জাতীয় ঐক্য হবে। গণতন্ত্রকামী সকল রাজনৈতিক দল এক। ড. কামাল হোসেন, বি.চৌধুরী, মাহমুুদুর রহমান মান্না, আ স ম আব্দুর রব সহ সকলে ঐক্যবদ্ধ। এমনকি বাম জোটও এক হয়ে গেছে৷ জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টি হয়ে গেছে। এখন এটাকে আরো শক্ত করতে হবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

মওদুদ বলেন, ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার করা হয়েছিলো বেগম খালেদা জিয়ার সময়। আর আপনারা পঞ্চদশ সংশোধনীতে তা বাতিল করে দিয়েছেন। এখন জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য আপনারা নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন৷ এগুলো সব মিথ্যা কথা, সব বিভ্রান্তিমূলক। জনগণের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে। আসলে যে সরকার আছে সেটাই থাকবে। তাদের অধীনে পুলিশ, বিচার, প্রশাসন থাকবে। তারাই নির্বাচন করবে। আর জয়ী হবে৷ এটাই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু তাদের এই দুঃস্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না।

বিপুল অর্থ খরচ করে সরকারকে চাপ দিতে লবিস্ট নিয়োগ বিএনপির : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে বিপুল অর্থ খরচ করে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি প্রতিষ্ঠানকে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কাদের আরো বলেন, বাইরের কোনো চাপের কাছে সরকার ও জনগণ নতি স্বীকার করবে না।

বিএনপি মির্জা ফখরুল জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করতে যাওয়ার কথা জানালেও তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রেই নেই বলে জানান কাদের। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন অভিযোগ করতে গেছে। তাদের এখন নালিশই পুঁজি। তবে যার সঙ্গে বৈঠক করতে গেছে তিনি (জাতিসংঘের মহাসচিব) এখন ঘানায়। কাদের বলেন, বিএনপি ওয়াশিংটনভিত্তিক লবিস্ট নিয়োগ করেছে। তবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান-আফগানিস্তান বা সুদান, ইরাক, সিরিয়া না।

এখানকার সমস্যা আমরা এখানে সমাধান করব। তিনি আরও বলেন, বিএনপি লবিস্ট নিয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে দিয়ে আমাদেরকে চাপ দেয়ার জন্য। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই আমাদের ভিত্তি জনগণ এবং আমাদের শেকড় দুর্বল নয়। আমাদের গণভীত অনেক শক্তিশালী। বাংলাদেশের জনগণ ছাড়া অন্য কারো চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না। বিএনপির ‘লবিস্ট নিয়োগ করতে’ যে টাকা খরচ হয়েছে তার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, এত টাকা তারা পায় কোথায়?

খালেদাকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বিএনপি

খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি’র শীর্ষনেতারা। বিএনপির নেতারা বলেন, বেগম জিয়া ও বিএনপিকে বাইরে রেখে দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না, সেই নির্বাচন কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।

বেগম জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা ও কারামুক্তির দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে এ মন্তব্য করেন তারা। এ ছাড়া তফসিল ঘোষণার আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানান বিএনপি’র নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা।

বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে জনসমাগম যেন রূপ নেয় জনসভায়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যোগ দেন এ কর্মসূচিতে।
সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আধাঘণ্টা আগেই কর্মীসমাগমে যান চলাচল অনেকটাই বন্ধ হয়ে যায় তোপখানা রোডে।

দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবি সম্বলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে স্লোগান দেয় কর্মী-সমর্থকরা। জনাকীর্ণ এ কর্মসূচিতে যোগ দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ শীর্ষনেতারা। বেগম জিয়াকে রাজনৈতিক উদ্দেশে কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আবদ্ধ করা হয়েছে। আমরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। তফসিল ঘোষণার আগেই সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান দলটির শীর্ষনেতারা।

বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সংসদ ভেঙে আগামী নির্বাচন করতে হবে। সারা বিশ্ব সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া কোনো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে পারে না, হতে দেয়া হবে না।

জনগণ আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে মন্তব্য করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাইলে অবশ্যই বেগম জিয়াকে মুক্ত করে দিতে হবে।

তিনি বলেন, এই সরকারকে চলে যেতে হবে। তাদের দিন শেষ হয়ে এসেছে। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। দেশনেত্রী কারাগারে থাকলে এ দেশে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। দেশনেত্রীকে আগে মুক্তি দিলে বোঝা যাবে সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন চায়।

বেগম জিয়ার মুক্তি ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা হলে জাতীয় ঐক্য গড়ে তা আদায় করা হবে বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেতারা।

কে এই ইয়াবা সুন্দরী ইডেন ডি’ সিলভা?

ইডেন ডি’ সিলভা ওরফে রামিসা সিমরান। গত শুক্রবার ভোরে গুলশান থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন ১৯ বছর বয়সী এই তরুণী। এরপর একে একে বেরিয়ে আসছে তার নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডেরকাহিনী।

জানা যায়, গুলশান অভিজাত এলাকায় মধ্যরাতে দেখা মেলে সুন্দরী নারীদের। যারা টাকার বিনিময়ে যে কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে দ্বিধা করেন না। মাদক সেবন থেকে শুরু করে মাদক বিক্রি, দেহ ব্যবসা যাদের কাছে কোনো বিষয় নয়। সূত্র জানায়, ইডেন ডি’সিলভা ওরফে রামিসা সিমরান তাদেরই একজন। যিনি ইয়াবা সুন্দরী নামেরও পরিচিত।

সূত্র জানায়, সুন্দরী এই তরুণী পোশাক-আকাশে সব সময় পরিপাটি থেকে ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানদের টার্গেট করেন। এরপর তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে সুযোগ-সুবিধা আদায়ের পাশাপাশি সুযোগ পেলে ব্ল্যাকমেইলও করতেন। মূলত মাদকের সঙ্গে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকলেও গত শুক্রবার ভোরে একটি চুরির মামলায় তাকেআটক করা হয়। এক ধনাঢ্য পরিবারের সন্তানকে প্রেমের জালে ফেলে ফাঁসিয়ে ৩৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, রাজধানীর গুলশান, বনানী ও মিরপুরসহ একাধিক থানায় তার নামে মামলা ও জিডি রয়েছে। তবে এতদিন তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন।

গুলশান থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ইডেন ডি’সিলভার বিরুদ্ধে যে মামলা রয়েছে, শিগগিরই সেগুলোর নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকি

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন- ‘বাংলাদেশ ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকি আর আমরা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকে’।

সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণভবনে ভেড়ামারায় নবনির্মিত ৫০০ মেগাওয়াট এইচভিডিসি ব্যাক টু ব্যাক স্টেশন সেকেন্ড ব্লক-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একথা বলেন তিনি।

স্টেশনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এছাড়াও দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল গেজ রেললাইন প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের নির্মাণ কাজ এবং মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া-শাহবাজপুর রেল সংযোগ পুনর্বাসন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন।

বিদ্যুৎ স্টেশনটি উদ্বোধনের ফলে পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর গ্রিড থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার আন্তঃবিদ্যুৎ সংযোগ গ্রিডে নতুন করে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে। নতুন ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের মধ্যে ৩০০ মেগাওয়াট আসবে ভারতের সরকারি খাত ‘ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট’থেকে। বাকি ২০০ মেগাওয়াট আসবে ভারতের বেসরকারি খাত ‘পাওয়ার ট্রেডিং করপোরেশন’ থেকে।

বর্তমানে ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের পরিমাণ ৬৬০ মেগাওয়াটের মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় যুক্ত হয়েছে। আরও ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে কুমিল্লায় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করেন। প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থের যোগান দিচ্ছে ভারত। আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ মোট ১৫ কিলোমিটার। এর মধ্যে আগরতলা অংশে পাঁচ কিলোমিটার আর বাকি ১০ কিলোমিটার আখাউড়া অংশে।