All posts by lutfor

পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

বিশ্বব্যাংক নির্দিষ্ট ৩০ পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশনের উন্নয়ন ও এ ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পৌরসভা পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন এই প্রকল্পে ছোট ছোট শহরের ৬ লাখ মানুষ নিরাপদ পানি পাবে।

৬০ উপজেলায় বর্তমানে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নেই। এই প্রকল্পে মিটার, বাসা-বাড়িতে সংযোগ, ট্রান্সমিশন এ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পাইপ নেটওয়ার্ক, পানি সংরক্ষণ, পানি শোধনসহ পানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।বাংলাদেশের ৮৭ শতাংশ মানুষের বিভিন্ন ধরনের উন্নত পানির উৎস রয়েছে। কিন্তু মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ পাইপ লাইনে পানির সুবিধা পায়।বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেমবন বলেন, বাংলাদেশের দ্রুত নগরায়নের সাথে ছোট ও বড় শহরগুলোতে পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাসহ অবকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। পানি ও স্যানিটেশন হচ্ছে আধুনিক শহরের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
খবর বাসস

ভয়-ভীতির পরিবেশ থেকে বের হতে হবে : আমীর খসরু

সরকার একটা ভয়-ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে সামনের দিকে চলতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা ছাড়া এই ভয়-ভীতির পরিবেশ থেকে বের হওয়া যাবে না, গণতন্ত্র ফিরে পাওয়া যাবে না, বাকস্বাধীনতা পাওয়া যাবে না, আইনের শাসন ফিরে পাওয়া যাবে না। শুক্রবার (১২ জুলাই) মহানগর বিএনপির নাসিমন ভবন কার্যালয় চত্বরে আগামী ২০ জুলাই দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশের প্রস্তুতি সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আমীর খসরু বলেন, ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বর্তমান সরকার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে জেলে আটকে রেখেছে। এটা করতে গিয়ে সরকার দেশবাসীর সব মৌলিক অধিকার হরণ করে চলেছে। এ সময় সমাবেশে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা মানে গণতন্ত্রকে বেঁধে রাখা। তিনি মুক্ত থাকলে দেশে ভোট চুরির নির্বাচন হতে পারবে না। তার মুক্তির দাবিতে ২০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন জোরদার করার আহ্বান জানান বিএনপি নেতারা।

বহুমুখী পরিকল্পনায় দেশের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার বিকল্প নেই। তাই বহুমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার।আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলোর ২০১৯ ও ২০২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা সচিবদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও দেশের মানুষের ভালো থাকার স্বার্থে সবাই মনোযোগ দিয়ে আরও বেশি করে কাজ করবেন।তিনি বলেন, প্রসাশনের কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার ফলেই দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষ অপনাদেরর কাজের সুফল পাচ্ছে। কর্মকর্তাদের কাজের ফলেই আমাদের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে, মাথা পিছু আয় বেড়েছে। দেশ এগিয়ে যাওয়া এবং মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়ে যাওয়ার ফলেই আজ আমরা ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে পেরেছি। ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেট কবে দিতে পারব, এটা নিয়ে আমি এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত সাহেবের সঙ্গে অনেক দিন আলাপ করেছি। শেষ পর্যন্ত সেই বাজেট আমরা দিলাম কিন্তু মুহিত সাহেব দিতে পারলেন না, যা হোক ওনার বয়স হয়ে গেছে। এ কারণে সম্ভব হয়নি।ঘুষ যে দেবে সেও অপরাধী উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ ঘুষ নিলে শুধু সে অপরাধী, তা কিন্তু নয়, যে দেবে সেও অপরাধী।শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সারাদিন এত খেটে, এত কাজ করে পার করি। এখন যদি এ দুর্নীতির কারণে সব নষ্ট হয়ে যায়; এটা সত্যি খুবই দুঃখজনক।তিনি বলেন, এ দুর্নীতির কারণে আমাদের উন্নয়নটা যেনো কোনো মতেই ক্ষতি না হয়, সে বিষয়টা সবাইকে আরও ভালোভাবে দেখতে হবে। আপনাদের নির্দেশনা দিতে হবে একেবারে নিম্নস্তর পর্যন্ত। যারা কাজ করে তাদেরও এ ব্যাপারে সচেতন করতে হবে যে এটা কখনই আমরা বরদাশত করবো না। সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালে আমরা আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। সেই সঙ্গে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও ২০২১ সালকে আমরা মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। এর মধ্যে বাংলাদেশে একটা ভিক্ষুকও থাকবে না। একটা মানুষ গৃহহারা থাকবে না। একটা মানুষ না খেয়ে কষ্ট পাবে না।তিনি বলেন, অন্তত মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো আমরা পূরণ করবো। তাদের জীবনের ন্যূনতম চাহিদা, সেটা যেনো আমরা পূরণ করতে পারি, সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে সমস্ত পরিকল্পনা, সমস্ত কাজ করতে হবে।বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের রোল মডেল বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।গ্রামীণ উন্নয়ন ও গ্রামে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষ যেন কাজ খুঁজতে শহরে না আসে, সেভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে।পরিকল্পিত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করতে হবে। যত্রতত্র উন্নয়ন আর যেনো না হয়। অপরিকল্পিত উন্নয়ন হলে জমি নষ্ট হবে এবং তাদের নাগরিক সুবিধা দেওয়া কঠিন হয়ে যাবে। একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।’৭৫ পরবর্তী সময়ের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে তারা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থেকেছে। জনগণের জন্য কাজ করেনি।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। এ ছাড়া জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ও বিদ্যুৎ সচিব আহমদ কায়কাউস বক্তব্য দেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাজের উন্নয়নের ওপর একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

বন্দিদের খাবার ৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা বরাদ্দ

সকালের নাস্তা খাওয়ানোর পর যেসব বন্দিকে মামলার শুনানির জন্য আদালতে নেওয়া হয়, তাদের দুপুরের খাবারের জন্য বরাদ্দ মাত্র ৩ টাকা ৬০ পয়সা। নির্ধারিত এই টাকায় ৪৬ দশমিক ৪২ গ্রাম চিড়া ও ১৪ দশমিক ৫৮ গ্রাম গুড় পান বন্দিরা। চিড়া-গুড় খেয়ে আদালত থেকে কারাগারে পৌঁছাতে দেরি হলে হাতছাড়া হয় রাতের খাবারও। যেসব স্বজন আদালতে বন্দির জন্য খাবার দেন না, সেসব বন্দিকে না খেয়ে থাকতে হয় পরের দিন সকালের খাবার পাওয়ার আগ পর্যন্ত।

হাজতি বন্দিদের এই দুর্দশা কমাতে মামলার হাজিরার দিন দুপুরের খাবারের জন্য হাজতিপ্রতি বরাদ্দ ৩ টাকা ৬০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৩০ টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ বিষয়ে সেবা সুরক্ষা বিভাগের সচিব মো. শহীদুজ্জামান বলেন, ইতোমধ্যে কারাবন্দিদের সকালের নাশতা, রমজানের ইফতার ও খোরাকি ভাতা বাড়ানো হয়েছে। বন্দিদের আদালতে হাজিরার দিন দুপুরের খাবার বাবদ বরাদ্দ রয়েছে মাথাপিছু ৩ টাকা ৬০ পয়সা। এটি বাড়িয়ে ৩০ টাকা নির্ধারণে বিদায়ী অর্থবছরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এটাও হয়ে যাবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রস্তাবে বলা হয়েছে, কারাগারে অবস্থানরত হাজতি বন্দিদের তাদের মামলার হাজিরার জন্য আদালতে পাঠাতে হয়। তাদের দুপুরের খাবার হিসেবে ৩ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে শুকনা খাবার হিসেবে চিড়া ও গুড় দেওয়া হয়। এসব বন্দিকে অনেক সময় আদালত থেকে কারাগারে ফেরত যেতে রাত ৯ থেকে ১০টা বেজে যায়। কারাগারের রাতের খাবার সাধারণত বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যেই সরবরাহ করা হয়। ফলে এসব বন্দি আদালত থেকে কারাগারে ফেরার পর আর রাতের খাবার পান না। এ অবস্থা হতে পরিত্রাণের জন্য আদালতে যাওয়া বন্দিরা তাদের আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে খাবার সংগ্রহের চেষ্টা করে থাকেন, যা আদালতে গমনকারী বন্দিদের শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার শামিল।

আদালতে স্বজনদের দেওয়া খাবারের কিছু অংশ রাতের জন্য কারাগারে আসার সময় বন্দিরা সঙ্গে নিয়ে আসেন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় ওইসব খাবারের সঙ্গে মাদকসহ অনেক অবৈধ দ্রব্য কারাগারে নিয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন হাজতিরা, যা সুষ্ঠু কারা প্রশাসনের অন্তরায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কারা-২ শাখার একজন কর্মকর্তা বলেন, কারাবন্দিদের বিভিন্ন সময়কার খাবারের বরাদ্দ বাড়াতে আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছি। এর মধ্যে কিছু প্রস্তাব অনুমোদন করে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা জানান, বিশেষ দিবসে কয়েদি ও হাজতিদের উন্নতমানের খাবার সরবরাহ করা হয়। এজন্য জনপ্রতি ৩০ টাকা করে বরাদ্দ ছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তা বাড়িয়ে ২৫০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। গত মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে বরাদ্দ দিয়ে আমাদের জানানো হয়েছে।

রেকর্ড ৫০০ কোটি ডলার জরিমানার মুখে ফেসবুক

রেকর্ড ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা গুণতে হতে পারে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককে। যুক্তরাষ্ট্রের যাবতীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফেডারেল ট্রেড কমিশন বা এফটিসি ফেসবুকের বিরুদ্ধে ওঠা ব্যবহারকারীদের তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘণের অভিযোগের তদন্তের পর এ জরিমানা অনুমোদন করেছে।

যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার বিরুদ্ধে প্রায় আট কোটি ৭০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করছিল এফটিসি।

বিভিন্ন মার্কিন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রেড কমিশনের ফেসবুককে জরিমানা করা নিয়ে ভোটাভুটি হয়; শেষে ৩-২ ভোটে তা অনুমোদিত হয়।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় ফেসবুক ও এফটিসি।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা লাখ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে, এমন অভিযোগ ওঠার পর ২০১৮ সালের মার্চে ফেসবুক নিয়ে তদন্ত শুরু করে এফটিসি।

ফেসবুক ২০১১ সালের একটি তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক চুক্তি লঙ্ঘণ করেছে কি না, এফটিসির তদন্তে তা খতিয়ে দেখা হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী, ব্যবহারকারীর তথ্য তৃতীয় কোনো পক্ষকে জানাতে হলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই তা ব্যবহারকারীকে আগে অবহিত করে অনুমতি নিতে হবে।

এফটিসির তদন্তের সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, এফটিসির রিপাবলিকান কমিশনাররা ফেসবুককে জরিমানা করার পক্ষে ছিলেন। আর বিপক্ষে ছিলেন ডেমোক্র্যাট কমিশনাররা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুককে জরিমানার বিষয়টি চূড়ান্ত করবে মার্কিন বিচার বিভাগের সিভিল ডিভিশন। তবে এতে কতটা সময় লাগবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জরিমানার বিষয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য না করতে চাইলেও, জরিমানার অংকটা ফেসবুকের আগে থেকেই করে রাখা হিসাবের মধ্যেই পড়েছে। কারণ ৫০০ কোটি ডলার পর্যন্ত জরিমানা দেওয়ার প্রস্ততি নিয়ে রাখার কথা এ বছরের শুরুর দিকেই জানিয়েছিল ফেসবুক।

শেষ পর্যন্ত যদি এ জরিমানা ফেসবুককে দিতেই হয়, তাহলে সেটি হবে কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের ওপর এফটিসির সর্বোচ্চ অংকের জরিমানা।

অবশ্য এ জরিমানা ফেসবুকের খুব বেশি ক্ষতি করবে বলে মনে করছেন না প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা। এ বছরের এপ্রিলে ফেসবুক বিনিয়োগকারীদের বলে রাখা হয়েছিল যে, জরিমানার জন্য সম্ভাব্য যে অর্থ প্রয়োজন তা আগেই আলাদা করে রাখা হয়েছে।

৭৫ বছর পর দেখা হল হারানো প্রেমিক যুগলের

১৯৪৪ সালে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা, কেটি রবিন্স পূর্ব ফ্রান্সের ব্রায়িতে একটি রেজিমেন্টে নিযুক্ত ছিলেন।জার্মানির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সে সময় জোট বেঁধে লড়াই করছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স।

ফ্রান্সের সেই ঘাঁটিতে থাকাকালীন তরুণ রবিন্স, ১৮ বছর বয়সী ফরাসি মেয়ে জেনেই পিয়ারসন নি গেনেই- এর প্রেমে পড়েন।তবে তাদের দেখা হওয়ার দুই মাসের মধ্যেই, পূর্ব ফ্রন্টের উদ্দেশ্যে কেটি রবিন্সকে তাড়াহুড়ো করে গ্রাম ছেড়ে যেতে হয়।

একজন আরেকজনের থেকে আলাদা হওয়ার সময় তারা ভাবছিলেন যে তাদের আবার দেখা হবে কি না।কেটি রবিন্স পরে জেনেইয়ের একটি ছবি তার কাছে রেখে দেন।তারপর দীর্ঘ ৭৫ বছর পেরিয়ে যায়। তাদের দেখা হয়নি ঠিকই, কিন্তু জেনেইয়ের শেষ স্মৃতি হাতছাড়া করেননি মিস্টার রবিন্স।

এরপর একদিন ফ্রান্সের একদল সাংবাদিক বিশেষ প্রতিবেদনের কাজে মিস্টার রবিন্সের সাক্ষাতকার নিতে আসেন।সে সময় ফ্রান্সের সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রের ভেটেরান অর্থাৎ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করছিলেন।তাদের সঙ্গে দেখা হতেই ফ্রান্সের প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স-টু এর সাংবাদিকদের জেনেই-এর সেই ছবিটি দেখান মিস্টার রবিন্স।

বলেন, যে তিনি ফ্রান্সে ফিরে গিয়ে জেনেইকে না হলে তার পরিবারকে খুঁজে বের করতে চান।তরুণ বয়ছে যেমন ছিলেন কেটি রবিন্স ও জেনেই গেনেই

সাংবাদিকদের সঙ্গে এই সাক্ষাতের কয়েক সপ্তাহ পরেই মিস্টার রবিন্স ডি-ডে ল্যান্ডিং অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং এর এর ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফ্রান্সে যান।

তিনি ভাবতেও পারেননি, তার জন্য কত বড় বিস্ময় অপেক্ষা করছে।মিস্টার রবিন্সকে চমকে দিতে, ফ্রান্সের ওই সাংবাদিকরা আগে থেকেই সেই নারীর খোঁজ বের করেন।এরপর মুখোমুখি করেন দুজনকে।

মিস্টার রবিন্সকে সাংবাদিকরা নিয়ে যান সেই রিটায়ার হোমে, যেখানে অপেক্ষায় ছিলেন মিজ গেনেই।দীর্ঘ ৭৫ বছর পর দেখা হতেই তারা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করেন।

সে সময় মিস্টার রবিন্সের গায়ে ছিল সামরিক পোশাক আর মিজ জেনেই কালো পোশাকে নিজেকে সাজিয়েছিলেন পরিপাটি করে।

পরে মিজ গেনেই সাংবাদিকদের বলেন, তিনি সবসময়ের রবিন্সের কথা মনে করতেন। আশা করতেন যে, একদিন রবিন্স নিশ্চয়ই ফিরে আসবে।

নিজেদের আলাদা হওয়ার মুহূর্তটি নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে স্মৃতিচারণ করেন মিজ গেনেই।

তিনি বলেন, ‘রবিন্স যখন ট্রাকে করে ফিরে যাচ্ছিল, আমার মন এতোটাই ভেঙে পড়েছিল যে আমি ভীষণ কাঁদছিলাম। আমি আশা করেছিলাম যুদ্ধ শেষে সে হয়তো আর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবে না।’

তবে বাস্তবে এই দীর্ঘ সময়ে তাদের একবারের জন্যও দেখা হয়নি।এ নিয়ে আক্ষেপের কথাও জানান মিজ গেনেই।সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘রবিন্স এতদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কেন ছিল? আমার কাছে আরও আগে কেন ফিরে আসেনি? আমি ভাবি, যদি সে আরও আগে ফিরতো।’

জেনেই পরে বিয়ে করেন। সেই সংসারে তাঁর পাঁচ সন্তান রয়েছে।অন্যদিকে মিস্টার রবিন্সও পরে বিয়ে করেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পরিবার নিয়ে থাকছেন তিনি।তাদের দুজনই এখন নিজেদের সঙ্গীকে হারিয়েছেন।

দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে তিন ব্যায়াম

ঝাপসা দেখা, প্রায়ই মাথাব্যথা, চোখ দিয়ে পানি ঝড়া ইত্যাদি দুর্বল দৃষ্টিশক্তির লক্ষণ। এই ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি কিছু ব্যায়াম করতে পারেন যেগুলো দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

ব্যায়াম চোখের পেশিকে নমনীয় করে এবং রক্তসঞ্চালনে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে চোখ ভালো থাকে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর কিছু ব্যায়ামের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

ব্যায়াম ১
হাতে একটি পেন্সিল ধরুন। এবার একে চোখ থেকে কিছুটা দূরত্বে সরান। পেন্সিলের ওপর দৃষ্টি রাখুন।
এবার পেন্সিলটি ধীরে ধীরে আপনার নাকের সামনে আনুন। আবার দূরে সরিয়ে নিন। পেন্সিলের দিকেই সবসময় দৃষ্টি রাখুন।
দিনে অন্তত ১০ বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

ব্যায়াম ২
চোখের মণিকে ক্লক ওয়াইজ বা ঘড়ির দিকে ঘুরান কয়েক সেকেন্ডের জন্য।
এবার ঘড়ির উল্টো দিকে মণিকে ঘুরান।
চার থেকে পাঁচ বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

ব্যায়াম ৩
চোখের পাতা বন্ধ করুন আবার খুলুন। এভাবে ২০ থেকে ৩০ বার করুন।
এবার চোখ বন্ধ করে একটু বিশ্রাম নিন।
দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

কোন দোয়া পড়লে এক হাজার বছরের কাজা নামাজ আদায় হবে

আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি নি’মাতিহী, আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি আ-লা-ইহী, আলহামদু লিল্লাহি ক্বাবলা কুল্লি হালিন, ওয়া ছাল্লাল্লাহু আ’লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈ’ন, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।

দোয়ার ফযীলতঃ এ দোয়াটির ফযীলত ও মর্তবা সম্বন্ধে ছাহাবীদের মধ্যে পরস্পর এখতেলাফ রয়েছে। আমিরুল মু’মিনীন হযরত ওমর (রা) বলেন যে, এ দোয়া যে ব্যক্তি শ্রদ্ধাসহকারে পাঠ করবে তার ছয়শত বৎসরের আদায় করা নামাজ এর বরকতে আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে। অনুরুপ হযরত ওসমান (রা) বলেছেন, সাতশত বৎসরর এবং হযরত আলী কাররাল্লাহু ওয়াজহু বলেছেন, যদি এ দোয়া পাঠকারীর এক হাজার বৎরের নামাজ কাজা হয়ে থাকে তাও এ দোয়ার বরকতে আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে কবুল হয়ে যাবে।

যা হোক হযরত রাসূলে করীম (স) এর মহিমায় এ পবিত্র দোয়ার ফযীলত বর্ণনাকালে ছাহাবীগন প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! মানুষের এ রুপ ছয়, সাতশত ও হাজার বৎসর (হায়াত) বয়স কোথায়? যে এর নামাজ কবুল হবে? তখন রাসূলুল্লাহ (স) বললেন যে, এ দোয়া পাঠকারীর বাপ, দাদা, পরদাদা ও আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের নাম কবুল হয়ে বৎসর পূরন করা হবে। সুবাহানাল্লাহ্। (সূত্র : ছহীহ্ নূরাণী অজিফা শরীফ)

শিশু সন্তানকে গলা কেটে হত্যা করল মা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ২ বছরের সন্তানকে বঁটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে মানসিক ভারসাম্যহীন এক মা। আজ সোমবার ভোরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার সনাতনপুর গ্রামের গ্রাম্য ডাক্তার মামুন অর রশিদের স্ত্রী শামীমা খাতুন (৩৫) মানসিক ভারসাম্যহীন। তাদের ৩টি সন্তান রয়েছে। ছোট সন্তান স্নেহা। বয়স মাত্র ২ বছর।

আজ সোমবার ভোরে শামীমা খাতুন তার ঘুমন্ত মেয়েকে ডেকে তুলে দোতলায় সিঁড়িঘরের পাশে রান্নাঘরে নিয়ে যায়। সেখানে বঁটি দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে।

শামীমার স্বামীর দাবি, শামীমা মানসিক রোগী।এর আগেও সে এমন ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করেছিল।আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুন্সী আসাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘাতক শামীমাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০

পাবলিক পরীক্ষায় পূর্ণমান ১০০-এর বিপরীতে পাস নম্বর ৩৩ নম্বরের পরিবর্তে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেড পদ্ধতি চালু হওয়ার পর পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে। পাশাপাশি নতুন এই ব্যবস্থায় উত্তরপত্রে শিক্ষকদের নম্বর দেওয়ার প্রবণতায় আগের থেকে বেড়েছে। পরীক্ষার্থীরা এখন পরীক্ষায় আগের চেয়ে বেশি নম্বর পাচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালে পাবলিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন সাবেক শিক্ষাসচিব মো. নজরুল ইসলাম খান। এরই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ ব্যাপারে সাবেক শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান জানান, গত এক দশকে এসএসসি, এইচএসসিসহ সব পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ছে। কিন্তু শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করে আসছেন, পাসের হার ও জিপিএ-৫ বাড়লেও শিক্ষার মান সেই অর্থে বাড়ছে না। এসব কারণে গত কয়েক বছর ধরে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নানা ধরনের প্রশ্ন তুলে আসছেন।তিনি আরও জানান, একলাফে নয়, চার ধাপে বাড়ানো উচিত পাস নম্বর।