=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ কুদ্দুস বয়াতীর

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
জুলাই ১, ২০১৭
news-image

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ করেছেন বিশিষ্ট পালাগায়ক আব্দুল কুদ্দুছ বয়াতী।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম জানান, শুক্রবার বিকালে শিল্পী কুদ্দুছ বয়াতী অভিযোগটি দেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বয়াতীর ভাইয়ের ছেলে ও কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাহাদৎ হোসেন (রাজা) কীটনাশক পান করে। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে তার চিকিৎসা করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জয়ের কাছে আকুতি-মিনতি করেও কোনো লাভ হয়নি। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পাঠানো হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ডাক্তারের অবহেলার কারণে রাজা এখন মৃত্যুপথযাত্রী বলে অভিযোগ করা হয়। রাজার মৃত্যু হলে এই ডাক্তারই দায়ী থাকবেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আব্দুল কুদ্দুছ বয়াতী বলেন, আমার ভাতিজাকে ভর্তি করানোর পর ডাক্তার জয়কে চিকিৎসা করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি তাকে কোনো কর্ণপাত করেননি। তিনি রোগীকে একবার এসে দেখেননিও। ডাক্তারের অবহেলার কারণে আজ আমার ভাতিজা মৃত্যুর পথযাত্রী। বারবার বলা হলেও সময়মত আমার রোগী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেননি।

চিকিৎসায় অবহেলার বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম জয় ঢাকাটাইমসকে বলেন, বিষপানে আক্রান্ত সাহাদৎ হোসেন (রাজা) রোগীকে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়েছেন। রাতে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। তবে আমার সঙ্গে রোগীর কোনো স্বজন যোগাযোগ করেছেন বলে যা প্রচার করা হচ্ছে এটা ঢাহা মিথ্যা।

শনিবার বেলা দেড়টার দিকে কুদ্দুছ বয়াতীর স্ত্রী পাপিয়া আক্তার বীণা মোবাইল ফোনে ঢাকাটাইমসকে জানান, রাজার অবস্থার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি।

ওসি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগের তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করতে শিল্পী কুদ্দুছ বয়াতীকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি।