All posts by lutfor

মশা নিধনে ড্রেনে ছাড়া হচ্ছে ১৫ লাখ গাপ্পি পোনা

প্রাকৃতিক উপায়ে মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পয়োনিষ্কাশনের ৪৫০ কিলোমিটার ড্রেনে গাপ্পি মাছ ছাড়া হচ্ছে। গাপ্পি মাছ প্রকল্পের ৪৫০ কিলোমিটার ড্রেনের জন্য প্রয়োজন হবে ১৫ লাখ পোনা।

একটি গাপ্পি মাছ দিনে ৫০টি মশার লার্ভা খেতে সক্ষম। ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, গাপ্পি মাছ প্রকল্পের কার্মসূচি অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হলে গণসচেতনতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে রাজধানীর স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাস মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারে গতকাল সোমবার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সাঈদ খোকন এ তথ্য দেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কাবিরুল বাশার এবং জাতীয় রোগতত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তৌহিদ উদ্দিন আহম্মেদ সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, সরকারিভাবে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫১৬ জন। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবাকর্মী এবং সিটি করপোরেশনের কর্মীরা চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সমপ্রতি সামাজিক সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনও শুরু করেছেন। রেডিও, টেলিভিশন, পত্রিকাসহ ফেসবুকে এ ব্যাপারে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র সাঈদ খোকন ইউনিভার্সিটির জলাশয়ে গাপ্পি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

তারুণ্যের আদর্শ

শেখ কামাল জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৪৯ সালের ৫ই আগস্ট, গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তাঁর হাত ধরে তাঁর সম-সাময়িক লক্ষ-কোটি তরুণ দেখেছিল এক আলোর সন্ধান। তাঁর হাত ধরে ঐ সময়ের তরুণরা চলতে শুরু করেছিল আলোর পথে। অনেক বড় পরিবারের ছেলে হওয়া স্বত্বেও তিনি ছিলেন নিরহংকারী। খুব সাধারণ ছিল তাঁর জীবনযাত্রা। তাঁর বাবা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর তিনি ছিলেন সেই সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, বাংলাদেশের জাতির পিতার সন্তান। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যের সঙ্গে তিনিও নিহত হন।

জাতির পিতার সন্তান হওয়া স্বত্বেও পরিবারের অন্য সদস্যরা ছিলেন সাধারণ মানুষের মতো। তাদের জীবন ধারণও ছিল খুব সহজ সরলতার মধ্যে। পারিবারিক বন্ধন ছিল অটুট, বন্ধুবৎসল। লেখাপড়ায় শেখ কামাল ছিলেন খুবই মেধাবী। ঢাকার শাহীন স্কুল থেকে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ-বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএ (অনার্স) পাশ করেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি সমাজ বিজ্ঞানে এমএ শেষ বর্ষের পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

একটি সংস্কৃতি-মনা পরিবারে বেড়ে উঠেছিলেন তিনি। বাঙ্গালির পরিচয় যে সংস্কৃতির ঊর্ধ্বে নয় তা শেখ কামালের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি ছায়ানটের সেতার বাদন বিভাগের ছাত্র ছিলেন। মঞ্চ নাটক করতেন। সেই সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভালো সংগঠক ছিলেন। বন্ধুদের মধ্যে যারা শিল্পী ছিলেন তাদের নিয়ে “স্পন্দন শিল্পী গোষ্ঠী” নামে একটি সংগঠনও তৈরি করেছিলেন। ঢাকা থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তাঁর হাত ধরেই। ভাল অভিনেতা হিসেবে তাঁর সুনামও ছিল। মোট কথা পুরা-দমে একজন সংস্কৃতি-মনা ব্যক্তিত্ব ছিলেন শেখ কামাল।

শুধু কি তাই? শেখ কামাল একজন ভালো ক্রীড়া সংগঠকও ছিলেন। ছোট বেলা থেকেই তাঁর খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিল প্রচণ্ড। আজকের বিখ্যাত ক্রীড়া ক্লাব “আবাহনী ক্রীড়া চক্র”-এর তিনিই প্রতিষ্ঠাতা। দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে এই ক্লাবের জন্যে তিনি ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড় সৃষ্টি, বাছাই এবং তাদের অনুশীলনের জন্য তিনি নিজেই সব দেখভাল করতেন। সবচেয়ে মজার বিশয় এই যে তিনি একজন দক্ষ সমাজ, সাংস্কৃতিক এবং ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন এবং জীবনের চলার পথে যার হাত ধরে জীবনটা শুরু করতে চেয়েছিলেন অর্থাৎ তাঁর সহধর্মীনি ছিলেন সেই সময়ের প্রখ্যাত ক্রীড়াবিদ “সুলতানা খুকু”/ ১৯৭৫ সালের ১৪ জুলাই শেখ কামাল ও সুলতানা খুকু বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

শেখ কামাল দেশ মাতৃকার প্রতি ছিলেন শ্রদ্ধাশীল। ছিলেন দেশ প্রেমিক বাবার দেশপ্রেমিক সন্তান। তাই তো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাড়ীতে বসে থাকেননি। ১৯৭১ সালের ১৫ শে মার্চ রাতেই বাড়ি থেকে চলে গিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন সংগ্রামী আদর্শবাদী কর্মী ও সংগঠক হিসেবে ৬৬ এর স্বাধিকার আন্দোলন ৬৯ এর গন আন্দোলন ও ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ওয়ার কোর্সে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হয়ে মুক্তিবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন এবং সেনা প্রধান এম এ জি ওসমানীর এডিসি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ কামাল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও এই তরুণ মানুষটি থেমে থাকেননি। তিনি সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি নিয়ে পড়াশোনার দিকে আবার ঝুঁকে পড়েন এবং সেই সাথে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠন জাতীয় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন শেখ কামাল।

২৬ বছরের এক টগবগে তরুণ ছিলেন শেখ কামাল। তাঁর এই ছোট জীবন পরিধিতে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল উদীয়মান জ্বলজ্বলে তারা। তারুণ্যের প্রতীক। এই ২৬ বছরের জীবনে অনেক কিছু করেছেন তিনি। কিন্তু তাঁকে নিয়ে হায়েনাদের চক্রান্ত থেমে থাকেনি। তাঁর নামে ব্যাংক ডাকাতির অভিযোগ এনে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে যা পরবর্তীতে টিকে থাকতে পারেনি। কারণ, ইতিহাস কখনও মিথ্যাকে প্রশ্রয় দেয় না। এ প্রসঙ্গে আমাদের দেশের বিখ্যাত অভিনেত্রী “ডলি জহুর” বলেছিলেন, আমি খুব কষ্ট পাই, অভিশাপ দেই, যখন দেখি বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে চিরকাল মিথ্যা ও অতিরঞ্জিত, কাল্পনিক অভিযোগের কথা শুনি। অনেকে জানেন যে, এসব মিথ্যা ও বানোয়াট। পাছে আওয়ামীলীগ সিল লেগে যায় এই জন্যে তারা এসব সত্যের বিষয়ে মুখ খোলেননি। আর এইসব ঘটনা বের করে আনার জন্যে মিডিয়ার ভূমিকাও দরকার। কারণ, এই মিথ্যাচারের মাধ্যম ও বাহন ছিল গণমাধ্যম ও তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ছোট বোনের বান্ধবীকে নিজের বোনের মতো করে গাইড করা, অনেক রাতে নাটকের রিহার্সাল শেষ হলে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার মত দায়িত্ববোধ যে তরুণের আছে, তার সম্পর্কে ধারনা লাভ করে কঠিন কিছু না। প্রেসিডেন্টের ছেলে হয়ে যার মধ্যে ছিল না অহংকার। পকেটে টাকা না থাকলে যিনি হেটে বাড়ি ফিরতেন। তরুণ বয়সে একজন ছেলের একটি মেয়েকে ভাল লাগতেই পারে। তাইতো ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন তার মতো একজন ক্রীড়াবিদকে। ঘাতকের আঘাতে তার প্রিয় সহধর্মীনির মৃত্যু হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট।

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর তাঁর লাশ মানুষকে দেখতে না দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে ঘৃণা করতে শেখানোর যে অপচেষ্টা, শেখ কামালও অপচেষ্টার শিকার। যে লোক পয়সার অভাবে হেঁটে বাসায় ফিরত, সে লোক করবে ব্যাংক ডাকাতি? ইতিহাসকে কখনো চেপে রাখা যায় না। খুনিরা প্রথমে খুন করে, তারপর সেই খুনকে জায়েজ করার জন্যে খুন হওয়া ব্যক্তির নামে অপপ্রচার চালায়। শেখ কামালের ব্যাপারেও সেটি ঘটেছে।

শেখ কামাল একজন দক্ষ, বিচক্ষণ সংগঠক ছিলেন তাইতো যুদ্ধের ময়দানে স্বাধীন বাংলার ফুটবল ম্যানেজার তানভীর মাঝার তান্নার সাথে যুদ্ধে প্রায় আলাপ হলেই উনি বলতেন, “তান্না, আমরা কি ফিরে যেতে পারব না? দেখে নিস, স্বাধীন হলে খেলার ছবিটাই বদলে দিব আমি”। তিনি তার কথা রেখেছিলেন। ১৯৭৪ সালে আবাহনী যখন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী আই এফ এ শীল্ড ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে যায় তখন আন্তর্জাতিক মাধ্যমেও তার মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইবোনদের সাথে সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মত। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গমাতা বেগম মুজিব শেখ কামালকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সাথে জেলে দেখা করতে গিয়েছিলেন। এমনিতেই রাজনৈতিক কারণে পিতার সাথে তার দেখা তেমন হতো না। তাইতো জেল গেটে শেখ হাসিনা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “বুবু তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা ডাকি?” এমন একজন মানুষকে নিয়ে আমরা কত প্রোপাগান্ডাই না করেছি!

শেখ কামালের মিথ্যাচার নিয়ে যখন অনেকেই না জেনে কথা বলে, তখনই হাসি পায়। যে ব্যাংক ডাকাতির কথা বলা হয়, সেইখানে দুষ্কৃতিকারীদের ধরতে পুলিশের সাথে শেখ কামালের বন্ধু ও সিনিয়ররাও যোগ দেন। তার সাথে ছিলেন বি.এন.পির ইকবাল হাসান টুকু। তার ড্রাইভার ছিলেন সেই টুকু। জাপার কাজী ফিরোজ রশিদ ছিলেন তার সিনিয়র, তিনিও ছিলেন সেই জীপে। ঐ সময়ের “দৈনিক মর্নিং নিউজ” এর সাংবাদিক প্রয়াত এবি এম মুসা পরদিন প্রত্রিকায় এর সত্যতা প্রকাশ করেন।

পৃথিবীতে ভাল মানুষকে ভালো কাজের জন্যে জীবন দিতে হয়। অনেক ধৈর্য ত্যাগ-তিতিক্ষা কষ্ট সহ্য করতে। বঙ্গবন্ধু পরিবার তার মধ্যে অন্যতম। এদেশীয় দালাল এবং বিদেশী শক্তি এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের চক্রান্তে ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট সপরিবারে নিহত হন। আজ যদি শেখ কামাল বেঁচে থাকতেন কেমন হতেন তিনি? এই প্রশ্ন মনের মধ্যে খুব জাগে। ২০১৬ সালের এ আধুনিক যুগে তিনি হতেন উজ্জ্বল নক্ষত্র। এই তরুণ-সমাজকে আরও মানসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ করতে কাজ করতেন। যে তরুণ তাঁর জীবনের ২৬ বছরে এত কর্ম-দীপ্ত ছিলেন, বেঁচে থাকলে হয়ত আরও কিছু করে যেতে পারতেন দেশের জন্যে। দেশের তরুণদের জন্যে। শেখ কামাল একজন ইয়ুথ আইকন। আজও, এখনও… । খুনিরা হয়তো তাঁর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু তাঁর অবদানকে মুছে দিতে পারেনি। কারণ, হিরো’জ নেভার ডাই…।

শুভ জন্মদিন শেখ কামাল।

লেখক : ডাইরেক্টর, রেডিও ঢোল, এফএম ৯৪.০, ফাউন্ডার, দ্যা লাভলি ফাউন্ডেশন।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে যোগ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন

বিদ্যমান পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জলবায়ু শব্দ যোগ করে ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন’ মন্ত্রণালয়ের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় পরিবেশ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পনিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহামুদ, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল হাসান ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আ ফ ম মুস্তফা কামালসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নামের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

তিনি জানান, বৈঠকে ‘জাতীয় পরিবেশ নীতি ২০১৭ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জাতীয় বিনিয়োগ পরিকল্পনার খসড়াও অনুমোদন পেয়েছে।

তিনি জানান, বৈঠকে মোংলা বন্দর এলাকায় পরিবেশবান্ধব নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান করার অনুমোদন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সবাইকে আন্তরিক হবার আহবান জানান।

ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চাষের জমি রক্ষা করার পাশাপাশি অহেতুক গাছ না কাটা এবং নতুন আবাসন এলাকা ও শিল্পাঞ্চলে জলাধার রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা, ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদী দূষণমুক্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান প্রেস সচিব।

মৃত স্বামী ফিরে এলেন বাছুর রুপে!

কাম্বোডিয়ার ক্রাতি রাজ্যের বাসিন্দা খিম হাং ও তাঁর ‘স্বামী’ এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল টপিক। ৭৪ বছরের খিম হাং একটি সুন্দর কাঠের বাড়িতে থাকেন তার পরিবার নিয়ে। কয়েক দিন আগে, তার বাড়ির অনতি দূরেই দেখা পাওয়া যায় একটি বাছুরের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাছুরটির জন্ম হয়েছে মার্চ মাসে।

এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। বাছুরটিও মনের সুখে কচি ঘাস খেয়ে বেড়াত সারা দিন। কিন্তু, হঠাৎই একদিন তাকে নিয়ে আসা হল খিম হাং-এর সুসজ্জিত বাড়িতে। সেখানে তার যত্নআত্তির শেষ নেই। যথাসময়ে খাওয়া-দাওয়া, ইচ্ছেমতো বাইরে যাওয়া- সবই বজায় রয়েছে। বাছুরটির শোয়ার জন্য রয়েছে সুন্দর বিছানা, সঙ্গে নরম বালিশও।

বৃদ্ধা খিম হাং মনে করেন ওই বাছুরটি তার মৃত স্বামী। পুনর্জন্ম লাভ করে এই রূপে তাঁর কাছে এসেছে। বৃদ্ধার মতে, তার স্বামীর টোল খুট-এর বেশ কিছু স্বভাব তিনি লক্ষ্য করেছেন এই বাছুরটির মধ্যে।

বাছুরকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন কম্বোডিয়ার নাগরিক খিম হ্যাং। ৭৪ বছর বয়সী এই নারীর স্বামী বেঁচে নেই। সম্প্রতি তিনি একটি বাছুরকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তার বিশ্বাস তার স্বামীই এই বাছুরের রূপে পূণজন্ম নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ৭৪ বছর বয়েসী কম্বোডিয়ান নারী বলেন প্রতিদিনই শতাধিক লোক ভিড় করছেন বাছুরটিকে দেখতে এবং বাছুরটিকে ঘরের ভিতরেই গোসল করানো হয়, খাওয়ানো হয়। খাটে পাতা নরম বিছানায় সে ঘুমায়। বাছুরটি সেই বালিশটিই ব্যবহার করে যেটিতে এক সময় খিম হ্যাংয়ের স্বামী ঘুমাতেন।

পাঁচ মাস বয়সী ওই বাছুরটিকে নিজের ঘরেই রাখেন কম্বোডিয়ার ক্রাতি প্রদেশের বাসিন্দা খিম হ্যাং। বাছুরটির স্বভাব নাকি তার স্বামীর মতোই। খিম হ্যাংয়ের বক্তব্য, এই বাছুর সত্যিই তার স্বামী। বাকি জীবনটা তিনি বাছুরটির দেখাশুনা করবেন।

প্রসঙ্গত, কাম্বোডিয়ার বেশির ভাগ মানুষই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এবং তাঁরা পুনর্জন্মে বিশ্বাসী।

চাক্তাই চালের আড়তে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রাম মহানগরীর চাক্তাই বাণিজ্যিক এলাকার একটি চালের আড়তে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে।

রোববার ভোরে চাক্তাই এলাকার একটি দোকানে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিটের কর্মীরা বেলা ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দোকান মালিকরা দাবি করেছেন।

চাক্তাই ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওমর আজম জানান, ভোরে একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা দ্রুত অন্য দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলেও তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারায় আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। আগুনে ১৫টির বেশি চালের আড়তসহ বিভিন্ন দোকান পুড়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মতিঝিলে বাসচাপায় নিহত ১

রাজধানীর মতিঝিলে রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম সেলিম মিয়া (২৮)। তাঁর বাড়ির ঠিকানা জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীর জানান, শনিবার রাতে শাপলা চত্বরে রাস্তা পারাপারের সময় একটি বাস সেলিম মিয়াকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাঁর সিএনজিতে করে সেলিম মিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত পৌনে ১২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

উত্তর কোরিয়ার ওপর নতুন অবরোধ

ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তর কোরিয়ার ওপর নতুন করে অবরোধ আরোপের বিষয়ে একমত হয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। উত্তর কোরিয়ায় বিনিয়োগ সীমিত করা এবং দেশটির রপ্তানি বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আনা একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। আজ রোববার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

জাতিসংঘের মার্কিন দূত নিকি হ্যালে বলেছেন, এটা ‘এক প্রজন্মে যেকোনো দেশের জন্য সবচেয়ে কঠোর অবরোধ’।

গত জুলাইয়ে পিয়ংইয়ং দুটি আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। তারা দাবি করে, ওই ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও বিশেষজ্ঞরা এই সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র ওই পরীক্ষার নিন্দা জানায় এবং ওই পরীক্ষা নতুন করে অবরোধ আরোপে জাতিসংঘকে উসকে দেয়।

কয়লা, আকরিক এবং অন্য কিছু কাঁচামাল চীনে রপ্তানি উত্তর কোরিয়ার আয়ের অন্যতম উৎস। আনুমানিক হিসাবে উত্তর কোরিয়া প্রতিবছর প্রায় ৩০০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে থাকে। নতুন অবরোধের কারণে এই বাণিজ্য ১০০ কোটি ডলার কমে যাবে। চলতি বছরের শুরুর দিকে উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে দেশটি থেকে কয়লা আমদানি স্থগিত করে চীন।

যদিও উত্তর কোরিয়ার ওপর বারবার আরোপ করা অবরোধ দেশটিকে তার ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন চালিয়ে যাওয়া থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

চীন উত্তর কোরিয়ার একমাত্র আন্তর্জাতিক মিত্র। পাশাপাশি চীন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে একমাত্র ভেটো দেওয়া দেশ। তবে এবার উত্তর কোরিয়ার ওপর অবরোধ আরোপের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে চীন।

৪১ বিলিয়ন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, আগামীতে ৪১ বিলিয়ন ডলার রফতানি করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্বের মন্দাভাব থাকা সত্ত্বে আমাদের রফতানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না। এই খাতে আমরা অবশ্যই সফল হব।

রবিবার দুপুরে ভোলা উপজেলা সদরের দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে বাঘমারা সেতু উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ আগে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে যৌথভাবে সেতুটির উদ্বোধন করেন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের রফতানি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান আমাদের আইটি সেক্টর সবচেয়ে সম্ভাবনাময় সেক্টর। এই খাত থেকে ২০২১ সালে ৫ বিলিয়ন ডলার রফতানি করতে সক্ষম হব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় আইটি সেক্টরকে অনেক দূরে নিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে রুপান্তরিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে আমাদের পাটের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আইটি থেকে আমাদের অর্জন হবে, চামড়া থেকে হবে, পাট থেকে হবে। সব দিক থেকে আমাদের অর্জন বাড়বে।

এ সময় সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জামাতা মাশরুর হোসেন মিতু, জেলা প্রশাসক মো. সেলিমউদ্দিন, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২০-দলীয় জোটে যে কেউ আসতে পারে : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আদর্শের সঙ্গে একমত হলে যেকোনো ব্যক্তি বা সংগঠন ২০-দলীয় জোটে যোগ দিতে পারে।

বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধি জিয়ারত শেষে ফখরুল এ মন্তব্য করেন।

গত বুধবার বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বাসায় কয়েকটি সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের প্রতিক্রিয়ায় পরের দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ‘আমরা যেকোনো উদ্যোগ, যা দেশের পক্ষে, জনগণের পক্ষে, গণতন্ত্রের পক্ষে, তাকে আমরা সব সময় স্বাগত জানিয়েছি। আমরা এখনো মনে করি, যারাই এই অবৈধ অনৈতিক সরকার, নির্যাতনকারী সরকার, জুলুমবাজ সরকার—তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করবে, আমরা অবশ্যই তাদের স্বাগত জানাব।’

রোববার রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘যেকোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এই আমাদের জোটের সঙ্গে আসতে পারেন, যদি তারা আমাদের সঙ্গে একমত হন।’

‘অন্যদিকে গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করবার জন্য, এই সরকারের যে অগণতান্ত্রিক আপনার দমননীতি চলছে, তার বিরুদ্ধে যদি অন্যান্য রাজনৈতিক দল জোট গঠন করে, তারা… রাজনীতি করতে চায়, সংগ্রাম করতে চায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য, আন্দোলন করতে চায়, সেখানে আমাদের সম্পূর্ণ সম্মতি এবং আমাদের আপনার যে সমর্থন, সেটা থাকবে।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনের ফর্মুলা দিয়ে লাভ হবে না: নাসিম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নিয়ে কোনো ধরনের ফর্মুলা দিয়ে লাভ হবে না। সংবিধান অনুযায়ী সঠিক সময়ে দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে গণতান্ত্রিক পার্টি আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গণতন্ত্রী পার্টির প্রয়াত সভাপতি আজিজুল ইসলাম, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আমিনুল ইসলাম বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিনের স্মরণে এ সভার আয়োজন করা হয়।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে অনেকেই অনেক ফর্মুলা দিচ্ছেন। অনেক তত্ত্ব দিচ্ছেন। কোনো লাভ হবে না। সংবিধান থেকে আমরা একবিন্দুও সরব না। সঠিক সময়ে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে নাসিম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন হবে। ২০১৪ সালে নির্বাচন প্রতিরোধের অনেক চেষ্টা হয়েছে কিন্তু ব্যর্থ হয়েছে। ১৪ সালের নির্বাচন আটকাতে পারেননি এবারও পারবেন না।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৪ দল ঐক্যবদ্ধ থেকে আমরা সঠিকভাবেই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও ১৪ দল একসঙ্গে থাকবে। জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে একসঙ্গে সরকারও গঠন করব।

পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার আরশ আলীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ডা. শহিদুল্লাহ শিকদার, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাৎ হোসেন প্রমুখ।