=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মৃত স্বামী ফিরে এলেন বাছুর রুপে!

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
আগস্ট ৬, ২০১৭
news-image

কাম্বোডিয়ার ক্রাতি রাজ্যের বাসিন্দা খিম হাং ও তাঁর ‘স্বামী’ এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল টপিক। ৭৪ বছরের খিম হাং একটি সুন্দর কাঠের বাড়িতে থাকেন তার পরিবার নিয়ে। কয়েক দিন আগে, তার বাড়ির অনতি দূরেই দেখা পাওয়া যায় একটি বাছুরের। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাছুরটির জন্ম হয়েছে মার্চ মাসে।

এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। বাছুরটিও মনের সুখে কচি ঘাস খেয়ে বেড়াত সারা দিন। কিন্তু, হঠাৎই একদিন তাকে নিয়ে আসা হল খিম হাং-এর সুসজ্জিত বাড়িতে। সেখানে তার যত্নআত্তির শেষ নেই। যথাসময়ে খাওয়া-দাওয়া, ইচ্ছেমতো বাইরে যাওয়া- সবই বজায় রয়েছে। বাছুরটির শোয়ার জন্য রয়েছে সুন্দর বিছানা, সঙ্গে নরম বালিশও।

বৃদ্ধা খিম হাং মনে করেন ওই বাছুরটি তার মৃত স্বামী। পুনর্জন্ম লাভ করে এই রূপে তাঁর কাছে এসেছে। বৃদ্ধার মতে, তার স্বামীর টোল খুট-এর বেশ কিছু স্বভাব তিনি লক্ষ্য করেছেন এই বাছুরটির মধ্যে।

বাছুরকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন কম্বোডিয়ার নাগরিক খিম হ্যাং। ৭৪ বছর বয়সী এই নারীর স্বামী বেঁচে নেই। সম্প্রতি তিনি একটি বাছুরকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তার বিশ্বাস তার স্বামীই এই বাছুরের রূপে পূণজন্ম নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ৭৪ বছর বয়েসী কম্বোডিয়ান নারী বলেন প্রতিদিনই শতাধিক লোক ভিড় করছেন বাছুরটিকে দেখতে এবং বাছুরটিকে ঘরের ভিতরেই গোসল করানো হয়, খাওয়ানো হয়। খাটে পাতা নরম বিছানায় সে ঘুমায়। বাছুরটি সেই বালিশটিই ব্যবহার করে যেটিতে এক সময় খিম হ্যাংয়ের স্বামী ঘুমাতেন।

পাঁচ মাস বয়সী ওই বাছুরটিকে নিজের ঘরেই রাখেন কম্বোডিয়ার ক্রাতি প্রদেশের বাসিন্দা খিম হ্যাং। বাছুরটির স্বভাব নাকি তার স্বামীর মতোই। খিম হ্যাংয়ের বক্তব্য, এই বাছুর সত্যিই তার স্বামী। বাকি জীবনটা তিনি বাছুরটির দেখাশুনা করবেন।

প্রসঙ্গত, কাম্বোডিয়ার বেশির ভাগ মানুষই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। এবং তাঁরা পুনর্জন্মে বিশ্বাসী।