=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইসলামে বিনোদন ও রসিকতার সীমারেখা

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
জুলাই ২, ২০১৭
news-image

আব্দুল্লাহ আল মামুন : রসিকতা করা সুন্নত। বিনোদনের উদ্দেশ্যে রাসুল (সা.) সাহাবিদের সঙ্গে নানা সময়ে রসিকতা করতেন। তবে তার রসিকতায় একটা সীমা নির্ণয় করা ছিলো। যে-কোনো ধরনের রসিকতা ইসলাম অনুমোদন করে না। রসিকতার ক্ষেত্রে সাধারণত দেখা যায়, অনেকেই মাত্রা হারিয়ে ফেলেন। তা-ই শরিয়তের বিধান অনুসারে রসিকতাকে তিনভাগে ভাগ করা যায় ।

অনুমোদিত ও প্রশংসাযোগ্য রসিকতা, দুই. বৈধ রসিকতা, তিন. নিন্দনীয় রসিকতা। এর মধ্যে অনুমোদিত ও প্রশংসাযোগ্য রসিকতা হলো, যে-রসিকতা রাসুল (সা.) করেছেন। এ-ধরনের রসিকতা করাই সুন্নত বিধির অন্তর্ভুক্ত ।

আয়েশা (রা.) এর হাদীসে এসেছে, কোনো এক সফরে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলেন। আয়েশা (রা.) বলেন, আমি রাসূলের সাথে দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রবৃত্ব হলাম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পিছনে ফেলে দিলাম। অতঃপর যখন আমার শরীর মোটা হয়ে গেল আবার প্রতিযোগিতা করলাম রাসূল বিজয়ী হলেন। তখন বললেন, এই বিজয় ঐ বিজয়ের পরিবর্তে (শোধ)। (আবু দাউদ, হাদিস ২২১৪)

আর যে-রসিকতা যার কোনো সঠিক উদ্দেশ্য নেই, ভালো নিয়তও নেই, কিন্তু শরীয়তের নির্ধারিত গÐি থেকে বের হতে হয় না এবং নিয়মও ভঙ্গ করা হয় না, সে-ধরনের রসিকতা করা বৈধ। এমন রসিকতা প্রশংসাযোগ্যও নয় আবার নিন্দাযোগ্যও নয়। সুতরাং এর ভেতরে কোনো পুণ্য নেই। কারণ পুন্য পাওয়ার যে নীতিমালা অর্থাৎ সঠিক উদ্দেশ্য এবং সৎ নিয়ত তা এখানে পাওয়া যায়নি। অনুরূপভাবে কোনো গুনাহও হবে না কারণ শরীয়তের বিরুদ্ধাচারণ করা হয়নি বা কোনো নীতি ভাঙ্গা হয়নি।

কিন্তু যদি রসিকতা করা হয় মন্দ উদ্দেশ্যে এবং অসৎ নিয়তে অথবা শরীয়তের নির্ধারিত রীতি ভঙ্গ করে সম্পাদন করা হয়। যেমন, মিথ্যা মিশ্রিত রসিকতা, অথবা অন্যকে কষ্ট দেওয়ার উদ্দেশ্যে রসিকতা করা হয়, তবে তা অবশ্যই নিন্দনীয় ও হারাম বলে বিবেচিত হবে। লেখক: মাদরাসার শিক্ষক