=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সুপ্রিম কোর্ট প্রঙ্গণে ভাস্কর্য চায় না সরকার

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
মে ২৭, ২০১৭

নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী : সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে দৃশ্যমান ভাস্কর্যটি সরানো হয়েছে। সেই ভাস্কর্যটি সরিয়ে সেটি সুপ্রিম কোর্ট এলাকার ভেতরেই এ্যানেক্স ভবনে সামনে পুনঃস্থাপন করা হতে পারে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি।
সেইভাবে এ্যানেক্স ভবনের সামনে জায়গাও তৈরি করা হয়েছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনও সেই ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়নি। কবে নাগাদ করা হবে তাও ঠিক হয়নি। এই ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কেউ কোন দিনক্ষণ বলতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট সূত্র এখনই এই ব্যাপারে কিছু বলতে চাইছেন না। এটি সূত্র বলেছে, এটি এ্যানেক্স ভবনের সামনে পুন:স্থাপন করা হবে কিনা এটাও এখনও আমরা জানি না। আমাদের কাছে এই ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আসেনি সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে।
একটি সূত্র বলছে, আগের ভাস্কর্যটি নিয়ে কিছু কিছু বিষয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। গ্রিক ভাস্কর্যটি হুবুহ তৈরি করা হয়নি। সেটি বিকৃত করে করা হয়েছে। এতে মূল ভাস্কর্যটি আর বজায় থাকেনি। শাড়ি পড়ানোর বিষয়টিও নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক দাবি করেছেন, তিনি গ্রিক ভাস্কর্যটি তৈরি করেননি। করলে আরও কী কী থাকতো সেটাও বলেছেন। স্বতন্ত্রভাবে এটি দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি করেছেন বলেও দাবি করেছেন।
সূত্র জানায়, ভাস্কর্যটির পোশাক ও মূল পরিবর্তন নিয়ে সরকার প্রধানও বেশ সমালোচনা করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট চাইছে ওটি নিয়ে যাতে আগামীতে কোন সমালোচনা না হয়। সেই সমস্যার সমাধান করতে।
সূত্র জানায়, এই কারণে ভাস্কর্যটির যেসব বিষয়ে সমালোচনা রয়েছে তাতে সংস্কার করে ও ভাস্কর্যটি সরানোর কারণে কোন সংস্কারের প্রয়োজন হলে সেটা করে এরপর নতুন করে সেটি এ্যানেক্স ভবনের সামনে পুন:স্থাপন করা হতে পারে। এই জন্য সময় লাগতে পারে। সেটা কয়দিন লাগতে পারে জানতে চাইলে একটি সূত্র জানায়, এটা ঈদের পরেও করা হতে পারে। আগে করতেও সমস্যা নেই।
সরকারের একটি সূত্র জানায়, তাদের কাছে খবর রয়েছে এখন এটি আবার পুন:স্থাপন করা হলে রমজান ও ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে হেফাজত ইসলাম ও আলমরা আন্দোলন কর্মসূচী দিতে পারে। এছাড়াও আন্দোলনও শুরু করতে পারে। তাই এখনই সেটা ঠিক হবে না। এই কারণে সরকার মনে করছে, আপাতত ভাস্কর্যটি পুন:স্থাপন না করলেই ভাল। রমজানের ও ঈদের পরে সুপ্রিম কোর্ট মনে করলে সেটা পুন:স্থাপন করতে পারে।
সরকারের নীতি নির্ধারক একজন মন্ত্রীর কাছে ভাস্কর্যটি পুন:স্থাপন সরকার চায় কিনা জানতে চাইলে তিনি তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে বলেন, সরকার এই ব্যাপারে এখনও কিছু বলছে না। তবে সরকার চাইছে যেহেতু বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ঝামেলা তৈরি হয়েছে। এখনও ঝামেলার শেষ হয়নি। তাই আপাতত সেটি পুন:স্থাপন না করাই ঠিক হবে।
রমজান ও ঈদের পরে পুরো বিষয়টি বিবেচনা করে এই ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত নিলেই ভাল হবে। আর যদি সেটি আর পুন:স্থাপন না করেন সেটাও তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এটা তারাই করবেন।
ওই মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করবো সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিবেন। তারা ভাস্কর্যটি সরিয়ে যেমন দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন। আগামীতেও এমন সিদ্ধান্ত নিবেন যাতে করে ভাস্কর্যটিকে কেন্দ্রে করে দেশে কোন বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় কিংবা দেশে অরাজকতা তৈরি না হয়।