All posts by lutfor

ক্রিকেটার তামিমের ভাই নাফিস করোনায় আক্রান্ত

স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালের বড় ভাই সাবেক ক্রিকেটার নাফিস ইকবাল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন তিনি। বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন এই ক্রিকেটার।

জানা গেছে, তিনি এখন স্বাস্থবিধি মেনে আইসোলেশনে আছেন। জাতীয় দল থেকে অবসর নেয়ার পর বিসিবি, বিপিএলসহ ঘরোয়া টুর্নামেন্টের দলে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন নাফিস। ২০০৩ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে অভিষেক হয় নাফিস ইকবালের।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে ঢাকায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক হয় নাফিস ইকবালের। তার ওয়ানডে অভিষেক হয়েছিল ২০০৩ সালে চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের বিখ্যাত জয়ের ম্যাচটি ছিল নাফিসের ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে। দারুণ সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও মাত্র ১১ টেস্ট আর ১৬ ওয়ানডে খেলেই থেমে যেতে হয় এই ওপেনারকে।

টেস্টে ১ সেঞ্চুরি ও ২ ফিফটিতে ৫১৮ এবং ওয়ানডেতে ২ ফিফটিতে ৩০৯ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি। ছেড়ে দিয়েছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটও। অবশ্য খেলা ছাড়লেও এখনো আছেন মাঠে।

অসাম্প্রদায়িক চেতনার অসাধারণ যোদ্ধাকে হারালাম: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টারঃ একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সাংবাদিক, বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধা কামাল লোহানীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২০ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা একজন প্রগতিশীল ব্যক্তিত্ব এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার অসাধারণ যোদ্ধাকে হারালাম।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, কামাল লোহানী বাঙালির ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। একজন আদর্শবান ও গুণী মানুষ হিসেবে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সংস্কৃতি বিকাশের আন্দোলনে পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শনিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটের দিকে মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। গত ১৮ জুন তার শরীরে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ ধরা পড়ে। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

একদিনে করোনায় প্রাণহানি ৩৭, নতুন শনাক্ত ৩২৪০

অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ দেশে বেড়েই চলছে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৪০ জন।

এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৪২৫ জন। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা এক লাখ ৮ হাজার ৭৭৫ জন।শনিবার ( ২০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা.নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান। দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত এ ব্রিফিং অনলাইনে হয়।

ব্রিফিং এ অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৩১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৯টি।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১ হাজার ৪৮ জন কোভিড-১৯ রোগী সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন। দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

সুস্থ থাকতে পাঁচ অভ্যাস

 আমরা সবাই চাই সুস্থ থাকতে। চাই সুস্থ থেকে কর্মজীবনের স্বাভাবিক কাজ চালিয়ে যেতে। কিন্তু চাইলেই কী আমরা ‍সুস্থ থাকতে পারি? আমরা অসুস্থ হই মূলত খাদ্য অভ্যাসের কারণে এবং অসময়ে ঘুম ও শরীর চর্চা না করার কারণে। তাই সুস্থ থাকতে হলে মেনে চলতে হবে কতগুলা নিয়ম।

সু্স্থ থাকতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। কারণ অতিরিক্ত ওজনের কারণে আমাদের বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে। আর ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে আমাদের হার্ট ভাল থাকে।

শরীরকে আদ্র রাখুন

শরীর সুস্থ রাখতে আমাদের সবাইকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ‍পানি পান করা উচিত। কারণ পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে শরীর সুস্থ এবং আদ্র থাকে। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। এতে শরীরে সহজে কোনও ব্যাধি রোগ  হয় না।

নিরমিত যোগব্যায়াম করুন

সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত যোগব্যায়াম করুন। যারা নিয়মিত যোগ চর্চা করেন, তারা শরীর এবং মনের দিক থেকে ভীষণভাবেই সুস্থ থাকেন। এছাড়া নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ এবং ফুরফুরে থাকে। অন্যদিকে শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করতে, মাংসপেশি সচল রাখতে এবং ওজন কমাতেও যোগ ব্যায়াম ভীষণভাবে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুম

শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো প্রয়োজন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা উচিত। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং হার্টের সমস্যা থেকেও রেহায় পাওয়া যায়। এছাড়া ভাল ঘুম হলে আমাদের চিন্তাশক্তির উন্নতি ঘটে।

প্রাতরাশ করুন

সুস্থ থাকতে প্রাতরাশ মিস করা কোনভাবেই উচিত না। কারণ এটি সারাদিনের জন্য শরীরের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। প্রাতরাশ না করলে পিত্ত সমস্যা হতে পারে, যা মন এবং শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

কোন গ্রুপের রক্তে কোন খাবারে অ্যালার্জি

অ্যালার্জি মানুষের একটি নিত্যদিনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি। অ্যালার্জিতে হাঁচি থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হল। ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর দুধ খেলেই এ সমস্যা শুরু হলে আপনার অ্যালার্জি আছে ধরে নিতে হবে।

অ্যালার্জি কী
প্রত্যেক মানুষের শরীরে একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম থাকে, কোনো কারণে এ ইমিউন সিস্টেমে গোলযোগ দেখা দিলে তখনই অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

খাদ্যদ্রব্য ছাড়া ধুলোবালি, ফুলের পরাগ থেকেও অ্যালার্জির দেখা দিতে পারে। অ্যালার্জি সমস্যা রক্তের গ্রূপ ভেদে আলাদা আলাদাভাবে অনুভূত হয়। অর্থাৎ রক্তের বি গ্রুপে যে খাদ্যে অ্যালার্জি দেখা দেয় তা রক্তের এ গ্রুপের ক্ষেত্রে নাও দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জার্নালের তথ্য মতে আসুন জেনে নিই কোন রক্তের গ্রুপে কোন খাদ্য অ্যালার্জি সৃষ্টি করে-

রক্তের গ্রুপ ‘ও’
এই গ্রুপের মানুষের ক্ষেত্রে রাজহাঁস, মাগুর মাছ, শিং মাছ, চীনাবাদাম, কাজুবাদাম, পোস্তদানা, অ্যাভাকাডো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, জলপাই, লাল আলু, বেগুন, আইসক্রিম, দুধ, দই, নারকেল, তেতুল, স্ট্রবেরি ও আপেল ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য অ্যালার্জি বাড়াতে পারে। অতএব এসব খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সাবধান থাকুন।

রক্তের গ্রুপ ‘এ’
যাদের রক্তের গ্রুপ ‘এ’ তাদের শরীরে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে- হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, কোয়েল পাখি, মাগুর মাছ, ডিম, সামুদ্রিক মাছ, মাখন, ঘন দুধ, পেস্তাবাদাম, কাজুবাদাম, মিষ্টি আলু, বেগুন, জলপাই, কমলা, পেঁপে, আম, টমেটো ইত্যাদি খাদ্যগুলো। দেখে-বুঝে তারপরে খাবার গ্রহণ করুন।

রক্তের গ্রুপ ‘বি’
হাঁসের মাংস, কোয়েল পাখি, কাঁকড়া, চিংড়ি, ব্লু চিজ, ভুট্টা, চীনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, জলপাই, কুমড়া, টমেটো, আইসক্রিম, দুধ, দই, নারিকেল, ডালিম, কামরাঙ্গা ও টমেটো ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য যাদের রক্তের গ্রুপ ‘বি’ তাদের ক্ষেত্রে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রক্তের গ্রুপ ‘এবি’
যারা রক্তের ‘এবি’ গ্রুপ ধারণ করেন তাদের ক্ষেত্রে হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, কোয়েল পাখি, কাঁকড়া, চিংড়ি, লবস্টার, পারমিজান, ব্লু চিজ, ভুট্টা, তিলের তেল, পোস্তদানা, সূর্যমুখীর বীজ, কুমড়া বীজ, আইসক্রিম, জলপাই, মূলা, কলা, পেয়ারা, নারিকেল, কমলা, ডালিম এবং কামরাঙ্গা এসব খাবারগুলো থেকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ এ খাবারগুলো আপনার শরীরে অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে।

পুদিনা পাতায় মুক্তি মিলবে শ্বাসকষ্ট-মাথা ব্যথা-সর্দি

মাথা ব্যথা নেই এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। আর শ্বাসকষ্টও মানুষের পুরনো রোগ। সর্দি-কাশি তো আমাদের লেগেই থাকে। এ সব থেকে মুক্তি মিলতে পারে পুদিনা পাতায়।পুদিনা পাতার ঔষধিগুণ সবারই জানা। তাই পুদিনা পাতার চাটনি বা স্মুদি, যেভাবেই পারেন খাবারে পুদিনা পাতা যোগ করতে পারেন।

আসুন দেখে নেয়া যাক পুদিনার কী কী গুণ আছে-

শ্বাসকষ্টে উপকারী: শ্বাসকষ্ট রোগীদের জন্য পুদিনা পাতা এক আশীর্বাদ বলা চলে। পুদিনা পাতা ঠান্ডা হয়, তাই শ্বাস প্রণালি পরিষ্কার করে। তবে অতিমাত্রায় পুদিনা পাতা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

সর্দি-কাশি থেকে রেহাই: ঠান্ডা নাক বন্ধ হলে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হলে পুদিনা ব্যবহার করুন। পুদিনা পাতা ঠান্ডা হয়, তাই শ্বাস প্রণালি পরিষ্কার করে।

মাথা ব্যথার উপশম: পুদিনা পাতার শীতলতা মাথা ব্যথা ভালো করে দেয়। যেকোনো পুদিনা বেস তেল মাথায় লাগালে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়।

মুখের স্বাস্থ্যে উপকারী: মুখের দুর্গন্ধ? পুদিনা পাতা বা এই পাতার স্বাদের কোনো চুইংগাম চাবালে আপনার মুখের দুর্গন্ধ হ্রাস পাবে। সাথে এই মুখের দাগও পরিষ্কার করে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

এছাড়া পুদিনা পাতা অরুচি দূর করে কাশি, অরুচি ও পাকস্থলীর প্রদাহে পুদিনা উপকারী। ওজন কমাতে, ত্বক ভালো রাখতে ভালো এন্টিসেপটিক।

দক্ষিণ কোরিয়ায় সব মসজিদ খুলে দিলো সরকার

অনলাইন ডেস্ক: মহামারি করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশ্বের বুকে এক অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। চীনের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পড়েছিল এ দেশটি। তবে অতি দ্রুত করোনা সংক্রমণের লাগাম টেনে ধরতে পারায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার জনজীবন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় কোরিয়াতে বন্ধ থাকা সব মসজিদ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার থেকে মসজিদ খোলার বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রজ্ঞাপন দিয়েছে কোরীয় মুসলিম ফেডারেশনের (কেএমএফ)। তবে সরকার থেকে দেয়া কিছু শর্তে মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য প্রবেশ করতে পারবেন। সেই শর্তগুলো হলো, ফেস মাস্ক, হ্যান্ডসেনিটাইজার ব্যবহার করা।

ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণের জন্য তার পরিচয় এবং মোবাইল নম্বর লিপিবদ্ধ করা। প্রত্যেক মুসল্লি এক মিটার দূরত্বে নামাজে দাঁড়াতে হবে। বিষয়গুলো না মানলে জরিমানা গুনতে হবে ইমামসহ মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিদের। কোরিয়ার সকল মসজিদে প্রশাসনের লোক থাকবে বিষয়গুলো তদারকি করার জন্য।

তবে গত দুই মাস আগে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতার কারণে দক্ষিণ কোরীয় মুসলিম ফেডারেশন (কেএমএফ) সব মসজিদে একটি জরুরি নোটিশ জারি করে সরকার। যেখানে লোকদের সমাগম না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। তখন থেকে কোরিয়ার সব মসজিদেই ধর্মীয় সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কেএমএফ। বর্তমানে কোরিয়াতে বিভিন্ন শহরে বড় মসজিদের সংখ্যা ২৭টি এবং ছোট ছোট নামাজের ঘর রয়েছে প্রায় ১৮০টি।

কোবিড-১৯ এর তাণ্ডব থেকে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া দেশজুড়ে করোনার প্রকোপ কমতে থাকায় সামাজিক দূরত্ব কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। ফলে দেশজুড়ে লোকজন আবার স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ফিরতে শুরু করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়া রোগ নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা কেন্দ্রের (কেসিডিসি) তথ্য মতে, দক্ষিণ কোরিয়ায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৮০১ জন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ২৫২ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ হাজার ২১৭ জন।

করোনার মোকাবেলায় ৮শ’ কোটি ডলারের তহবিলের প্রতিশ্রুতি

অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবন ও আনুষঙ্গিক গবেষণায় বিশ্ব নেতারা ৮০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন।সোমবার আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে ভন এ কথা জানান।তিনি বলেন, মাত্র কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে আমরা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় টিকা, রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসার জন্য সামগ্রিকভাবে ৭৪০ কোটি ইউরো সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি।করোনাভাইরাসের লড়াইয়ে অর্থ সংগ্রহের এ প্রচেষ্টায় খোলা চিঠি দিয়ে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারা।ইউরোপীয় কমিশন করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে গবেষণার জন্য ১শ কোটি ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নরওয়েও ঠিক একই পরিমাণ ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।ওদিকে, ফ্রান্স, সৌদি আরব এবং জার্মানি প্রত্যেকে দিয়েছে ৫০ কোটি ইউরো সহায়তার প্রতিশ্রুতি। যুক্তরাজ্য দিচ্ছে ৩৮ দশমিক ৮ কোটি পাউন্ড।সম্মেলনটির আয়োজকদের মধ্যে আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর বাইরের দেশগুলোও। ব্রিটেন, নরওয়ে, জাপান, কানাডা এবং সৌদি আরব। ইউরোপীয় কমিশনসহ ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালিও সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না।সম্মেলনের উদ্বেধনী অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, বৈশ্বিক এ প্রচেষ্টায় প্রত্যেকেরই অর্থ সহায়তা করে অবদান রাখা উচিত। অংশীদাররা অনেক, কিন্তু লক্ষ্য এক ভাইরাসকে পরাস্ত করা।ওদিকে, সম্মেলনের কো-হোস্ট যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচেষ্টায় সব দেশকে এক হয়ে সহায়তার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানান।বিশ্ব নেতাদের জোগাড় করা তহবিল করোনার টিকা উদ্ভাবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গবেষণায় ব্যবহার করা হবে। জাতিসংঘ বলছে, টিকা উদ্ভাবন ছাড়া স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব হবে না। এই টিকা উদ্ভাবনে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে গবেষণা প্রকল্প চলছে। আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও কবে নাগাদ এটি কার্যকর হবে তা জানতে এখনও সময়ের প্রয়োজন পড়বে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করে ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লাগবে।

সাধারণ ছুটিতে শুল্ক ও ভ্যাট অফিস খোলা

সাধারণ ছুটিকালীন শুল্ক ও ভ্যাটের সব অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার (৫ মে) এনবিআরের শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ভ্যাট অফিস খোলা রাখার আদেশ জারি করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের সাধারণ ছুটির সময় ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানোর প্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।এতে বলা হয়েছে, সাধারণ ছুটিকালীন জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক ও ভ্যাট অনুবিভাগের আওতাধীন বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দফতর খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠক

দীর্ঘ এক মাস পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক। আগামী বৃহস্পতিবার সীমিত পরিসরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল বারিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সীমিত পরিসরে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ওইদিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে মন্ত্রিসভার এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে গত ৬ এপ্রিল গণভবনে সীমিত পরিসরে মন্ত্রিসভার পূর্বনির্ধারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে হাতে গোনা কয়েকজন মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা অংশ নেন। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেই বসার আসন নির্ধারিত করে ওইদিন মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়।