=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

করোনার মোকাবেলায় ৮শ’ কোটি ডলারের তহবিলের প্রতিশ্রুতি

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
মে ৫, ২০২০
news-image

অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসের টিকা উদ্ভাবন ও আনুষঙ্গিক গবেষণায় বিশ্ব নেতারা ৮০০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন।সোমবার আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সম্মেলনে ভন এ কথা জানান।তিনি বলেন, মাত্র কয়েকঘণ্টার ব্যবধানে আমরা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় টিকা, রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসার জন্য সামগ্রিকভাবে ৭৪০ কোটি ইউরো সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি।করোনাভাইরাসের লড়াইয়ে অর্থ সংগ্রহের এ প্রচেষ্টায় খোলা চিঠি দিয়ে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইউরোপীয় দেশগুলোর নেতারা।ইউরোপীয় কমিশন করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে গবেষণার জন্য ১শ কোটি ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নরওয়েও ঠিক একই পরিমাণ ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।ওদিকে, ফ্রান্স, সৌদি আরব এবং জার্মানি প্রত্যেকে দিয়েছে ৫০ কোটি ইউরো সহায়তার প্রতিশ্রুতি। যুক্তরাজ্য দিচ্ছে ৩৮ দশমিক ৮ কোটি পাউন্ড।সম্মেলনটির আয়োজকদের মধ্যে আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর বাইরের দেশগুলোও। ব্রিটেন, নরওয়ে, জাপান, কানাডা এবং সৌদি আরব। ইউরোপীয় কমিশনসহ ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালিও সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া সম্মেলনে অংশ নিচ্ছে না।সম্মেলনের উদ্বেধনী অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন বলেন, বৈশ্বিক এ প্রচেষ্টায় প্রত্যেকেরই অর্থ সহায়তা করে অবদান রাখা উচিত। অংশীদাররা অনেক, কিন্তু লক্ষ্য এক ভাইরাসকে পরাস্ত করা।ওদিকে, সম্মেলনের কো-হোস্ট যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রচেষ্টায় সব দেশকে এক হয়ে সহায়তার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানান।বিশ্ব নেতাদের জোগাড় করা তহবিল করোনার টিকা উদ্ভাবনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গবেষণায় ব্যবহার করা হবে। জাতিসংঘ বলছে, টিকা উদ্ভাবন ছাড়া স্বাভাবিক জীবনে ফেরা সম্ভব হবে না। এই টিকা উদ্ভাবনে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে গবেষণা প্রকল্প চলছে। আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও কবে নাগাদ এটি কার্যকর হবে তা জানতে এখনও সময়ের প্রয়োজন পড়বে। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ মনে করে ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময় লাগবে।