All posts by lutfor

মশা দমনে ঘরোয়া উপায়

রাজধানী সহ দেশজুড়ে এডিস মশার মতো অন্য সব মশার আগ্রাসন বেড়ে চলেছে। এতে করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি মশা বাহিত রোগ ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিও আছে। সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ মশা নিধনের নানা উদ্যোগ নিয়েও সফল হতে পারছে না। যে বিষয়টির উপর বিভিন্ন বিজ্ঞাপন বা ঘোষণায় বলা হচ্ছে, তা হলো ঘরের আশেপাশের পুকুর, খোলা পাত্রে পানি জমে যেন মশা ডিম পাড়তে না পারে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে সব সময়। এই অবস্থায় ঘর থেকে মশা দূর করার কিছু প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করে নিজেকে নিরাপদ রাখতে হলে আপনাকেও উদ্যোগী হতে হবে। চলুন জেনে নেই মশা দূর করার কিছু প্রাকৃতিক উপায়।

লেবু ও লবঙ্গ: একটি লেবু অর্ধেক কেটে তাতে কয়েকটি লবঙ্গ ঢুকিয়ে দিন। প্রাকৃতিক এই উপায়ে অনেকেই ঘর থেকে মশা দূর করে থাকেন। এমনকি বলিউড স্টার অক্ষয় কুমারও নাকি তার ঘরের মশা দূর করতে এই উপায় অবলম্বন করেন। তেমনটা জানিয়ে তিনি বলেছেন, তার দাদির কাছ থেকে কার্যকর এই উপায়টি শিখেছেন।

যেসব গাছ মশা দূর করে: মশা গন্ধ শুঁকেই মানুষের গায়ে কামড় বসায়। আর কিছু গন্ধ আছে যা থেকে তারা দূরে থাকতে চায়। এমন কয়েকটি গাছ আছে, যেগুলোর গন্ধ মশা দূর করে। যেমন- পুদিনা, তুলসি, ম্যারিগোল্ড, ক্যাটনিপ। এসব গাছ আপনার ঘরে বা ঘরের আশেপাশে লাগাতে পারেন।

ল্যাভেন্ডার: মশা দূর করার অন্যতম একটি প্রাকৃতিক অস্ত্র হলো ল্যাভেন্ডার। আপনি বিভিন্ন উপায়ে এটি ব্যবহার করতে পারেন। ঘরে বা ঘরের আশেপাশে ল্যাভেন্ডার গাছ লাগাতে পারেন। ল্যাভেন্ডার অয়েল লাগাতে পারেন শরীরে, এমনকি ঘরে ল্যাভেন্ডার গন্ধযুক্ত মোমবাতি ব্যবহার করতে পারেন।

নিম ও লেভেন্ডার অয়েল: নিমের তেল মশা দূর করতে বেশ কার্যকর। গবেষণায় জানা গেছে, যেকোনো ক্যামিকেল সমৃদ্ধ কয়েল বা ভেপোরাইজারের চেয়ে নিমের তেল ১০ গুণ কার্যকর। ত্বকে ব্যবহার করার আগে একই পরিমাণে নিম ও লেভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।

লেমন ইউক্যালিপটাস অয়েল: গবেষণায় দেখা গেছে, লেমন ইউক্যালিপটাস অয়েল মশা দূর করতে বেশ কার্যকর। ল্যাভেন্ডারের মতো এটিও বেশ কয়েকভাবে ব্যবহার করতে পারেন আপনি।

বার্বিকিউতে রোজমেরি: বাগানে বা জঙ্গলে বার্বিকিউ তৈরি করতে গেলে রোজমেরি ব্যবহার করতে পারেন। গ্রিল তৈরিতে যে কয়লা বা কাঠ পোড়াচ্ছেন, তাতে রোজমেরি গাছের কিছু পরিষ্কার পাতা ছুঁড়ে দিতে পারেন। এতে গ্রিলে অদ্ভুত একটা ফ্লেভার যেমন যোগ হবে, তেমনি মশাও দূর হবে।

সিট্রোনেলা ক্যান্ডেল: অনেক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সিট্রোনেলা ক্যান্ডেল পাওয়া যায়। সেসব মোমবাতি মশা দূর করে।

রসুন: শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও মশা দূর করতে রসুনও কিন্তু বেশ কার্যকর। আপনি যদি রসুন খান বেশি, তাহলে মশা আর আপনার কাছে আসবে না। রসুন খাওয়ার ফলে শরীর থেকে যে ঘাম নি:সৃত হয়, তার কারণে মশা দূর হয়। এছাড়া কয়েক কোষ রসুন থেতলে, একটি পাত্রে পানি নিয়ে তা গরম করতে পারেন। এই পানি মশা দূর করবে। একটি স্প্রে বোতলে ওই দ্রবণটি নিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশে স্প্রে করলে মশা পালাবে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: আপনি কি জানেন অ্যাপেল সিডার ভিনেগার যে মশা দূর করতে পারে? তাই মশা দূর করতে এই ভিনেগার যেমন পান করতে পারেন, তেমনি এর স্প্রে ঘরে বা শরীরে ছিটাতে পারেন।

জনসন বেবি অয়েল: হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন আপনি। মশা আপনার কাছ থেকে দূরে রাখতে হলে এটি ব্যবহার করতে পারেন। জনসন বেবি অয়েল গায়ে মেখে অনেক মানুষই উপকার পাচ্ছেন।

মশাখাদক প্রাণীর সহায়তা: অন্য সব প্রাণীর মতো প্রকৃতিতে মশা খাওয়ার প্রাণীও আছে। তাই আপনার বাসার পাশে মশাখাদক প্রাণী যেন থাকে, সে ব্যবস্থা করতে পারেন। যেসব প্রাণী মশা খায়, সেগুলো হলো- বাদুড়, ব্যাঙ, ফড়িং ও মাছ।

 

গ্রিন কার্ড আবেদনের দরজা খুলল যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অভিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প যে জটিলতা সৃষ্টি করেছিলেন তা কেটে গেছে। ফলে এখন থেকে দেশটিতে গ্রিন কার্ডের জন্য আবারও আবেদন করতে পারবেন অভিবাসীরা।

গত বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক ঘোষণায় গ্রিন কার্ড বিষয়ে জারি করা ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

তিনি বলেছিলেন, বৈধ অভিবাসীদের জন্য দরজা বন্ধ করে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য সুবিধাজনক নয়। এতে দেশের বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ট্রাম্পে যে যুক্তিতে অভিবাসীদের জন্য এই সুবিধা বন্ধ করে দিয়েছিলেন তা ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ট্রাম্পের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের থাকা পরিবারগুলোকে তাদের প্রিয়জনদের থেকে আলাদা করেছে। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আর অর্থনীতিরও ক্ষতি করেছে।

উল্লেখ্য, গত বছর বিদেশিদের গ্রিন কার্ড প্রদানের বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। করোনা মহামারির অজুহাতে তিনি এই নিষেধাজ্ঞা দেন।

তখন তার যুক্তি ছিল, করোনা ভাইরাসের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বাড়ছে। এ জন্য আগে মার্কিনিদের রক্ষা করা প্রয়োজন। তাই তিনি গ্রিন কার্ডে নিষেধাজ্ঞা দেন।

সবশেষ ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করলেন বাইডেন। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ অভিবাসীরা এখন থেকে গ্রিন কার্ড সংগ্রহ করে দেশটিতে বসবাস করতে পারবেন।

সূত্র : দ্যা গার্ডিয়ান, ওয়াশিংটন পোস্ট

সূচকে মিশ্র প্রবণতা, ধীরগতিতে চলছে লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেনের শুরুতে শেয়ারবাজারে মূল্য সূচকের মিশ্র প্রবণতা দেখা দিয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক বাড়লেও কমেছে ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত সূচক।

সূচকে মিশ্র প্রবণতা দেখা দিলেও লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। তবে লেনদেনে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। প্রথম ঘণ্টার লেনদেনে দুইশ কোটি টাকার কিছু বেশি লেনদেন হয়েছে।

এদিন বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মধ্য দিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরু হয়। কিন্তু লেনদেনের সময় ১০ মিনিট পার হতেই একের পর এক প্রতিষ্ঠানের দাম কমতে থাকে। এতে এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৩ পয়েন্ট কমে যায়।

তবে ১০ মিনিটের ব্যবধানে আবার ঘুরে দাঁড়ায় শেয়ারবাজার। পতন থেকে বেরিয়ে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখায়। ফলে ঊর্ধ্বমুখী হয় সূচক।এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১১টা দুই মিনিটের লেনদেনে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট বেড়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরীয়াহ ২ পয়েন্ট বেড়েছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ২ পয়েন্ট।

সকালে খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা

সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে কিংবা তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পেটে পানি পান করার কিছু উপকারিতা।
১. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।

২. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি খেয়ে নেয়া উচিত।

৩. প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস পানি খেলে নতুন মাংসপেশি ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

৪. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয় যায় এবং শরীর সহজেই নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।

৫. যারা ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমাতে চান, তারা অবশ্যই প্রতিদিন সকালে উঠে পানি পানের অভ্যাস করুন। কারণ যত বেশি পানি পান করবেন, তত হজম ভাল হবে এবং শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না।

৬. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস পানি বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আথ্রাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে।

৭. ঘুম থেকে উঠে অনেকের মাথা ব্যথা করে। শরীরে পানির মাত্রা কমে যাওয়া মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ। সারা রাত শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি যায় না। তাই সকালে উঠে যদি খালি পেটে পানি পান করা যায় তবে মাথার যন্ত্রণা অনেকটা দূর হয়।

জনগণের টাকা ফেরত না দিলে কারাগারে দেব: খেলাপিদের হাইকোর্ট

আপনারা টাকা তুলে নিয়েছেন। আর যারা পিপলস লিজিংয়ে টাকা জমা রেখেছিল, তারা না খেয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। পিপলস লিজিংয়ের টাকা জনগণের টাকা, চোর-বাটপারদের টাকা না। আগে টাকা দিন, পরে কথা বলুন। তা না হলে ভেতরে (কারাগারে) ঢুকানো হবে। ঋণখেলাপি ও তাদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে হাইকোর্টের কোম্পানি বেঞ্চের বিচারক মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক বেঞ্চ ঋণখেলাপিদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এসব কথা বলেন।

এ সময় শুনানি করেন আইনজীবী ড. সাঈদা নাসরিন। তার মক্কেলের কাছে পিপলস লিজিং কত টাকা পাবে জানতে চাইলে আদালতকে তিনি বলেন, তার কাছে ৩৮৪ কোটি টাকা পিপলস লিজিংয়ের পাওনা রয়েছে। এ সময় আদালত বলেন, আগে টাকা দেবেন, তারপর ইনস্টলমেন্টের আবেদন করবেন। না হলে কারাগারে ঢুকাব। এটা জনগণের জমানো টাকা। চোর-বাটপারদের টাকা না।

আদালত আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে এ কোম্পানিকে বাঁচিয়ে রেখে টাকা উদ্ধার করা যায় কিনা। আমানতকারীরা আজকে খেয়ে না খেয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন। আমরা চেষ্টা করছি ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের।’ আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস থেকে ৫ লাখ টাকা এবং তার বেশি ঋণ নিয়ে খেলাপি হওয়া ১৩৭ জনের সশরীরে আদালতে হাজিরার দ্বিতীয় দিন ছিল আজ।

নিউজিল্যান্ডে বিশেষভাবে তৈরি ট্রাউজার পরে খেলবেন বাংলাদেশ দল

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচের সিরিজ খেলতে ইতোমধ্যে নিউজিল্যান্ডে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এ সফরে বিশেষভাবে তৈরি ট্রাউজার পরে খেলতে নামবে বাংলাদেশ দল।বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ক্রাইস্টচার্চে পৌঁছায় তামিম-রিয়াদ বাহিনী।দেশটিতে পৌঁছেই ৩৫ সদস্যের দলের সবাই করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন। ফল নেগেটিভ এলে এরপর ক্রাইস্টচার্চের লিংকন ইউনিভার্সিটি হাইপারফরম্যান্স সেন্টারে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকবে সবাই।

সারা বিশ্বের করোনা পরিস্থিতির কারণে লালার মাধ্যমে বলের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার বিষয়টি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। এর ফলে পুরনো বল নিয়ে সমস্যায় পড়ছেন বোলাররা। রিভার্স সুইং আদায়ে সবারই বেশ কষ্ট হচ্ছে। টাইগারদের সেই কষ্ট লাঘবের উদ্দেশ্যেই এবার বিশেষ ক্ষমতার ট্রাউজার বানিয়েছে জাতীয় দলের জার্সি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্পোর্টস অ্যান্ড স্পোর্টস।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এবারের তৈরি ট্রাউজারে বিশেষত্ব রয়েছে। এর কাপড় থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে। সাধারণ কাপড়ের চেয়ে এটি কিছুটা ভিন্ন হবে। এতে ঘষলে বলের উজ্জ্বলতা আরো বেশি সময় ধরে রাখা যাবে।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মেহতাবউদ্দিন সেন্টু গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুশীলনের জন্য আমরা এ বিশেষ ট্রাউজার দিয়েছিলাম। খেলোয়াড়রা সবাই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তাই নিউজিল্যান্ডে আমরা মূল ম্যাচের জন্য এ ট্রাউজার দিয়েছি। এটি কার্যকর হলে দীর্ঘমেয়াদে এ ট্রাউজার ব্যবহার করা হবে।’

মার্চে খুলছে মুজিবনগর-কলকাতা ‌‘স্বাধীনতা সড়ক’: এলজিআরডি মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর-কলকাতা স্বাধীনতা সড়কের কাজ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে শেষ হবে।বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে ‌‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’ উদযাপন উপলক্ষে গঠিত উপ-কমিটি’র প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ইতিহাসের সাক্ষী মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগান ঘেরা গ্রাম এখন মুজিবনগর। এখানেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। জাতীয় চার নেতাসহ সড়ক পথে বিদেশি সংবাদকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধাসহ এ সড়কে মেহেরপুরের মুজিবনগর আসেন।

মন্ত্রী বলেন, মুজিবনগর সরকার, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে সরকার মেহেরপুরের মুজিবনগরে ঐতিহাসিক স্বাধীনতা সড়কটি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়।

দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রী গত ১৪ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে মেহেরপুরের মুজিবনগর অবস্থিত স্বাধীনতা সড়ক পরিদর্শন করে কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।নির্দেশনার পাওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কাজ শুরু করে এবং এটি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

সভায় উপ-কমিটির আহ্বায়ক স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বর্ণাঢ্য ও যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্য সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/ দপ্তরগুলোর নিজস্ব এবং জাতীয় পর্যায়ে গৃহীতব্য কার্যক্রম আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটির কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এছাড়া স্থানীয় সরকার বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি ওয়ার্কিং কমিটিও গঠন করে দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং উপ-কমিটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্কুল-কলেজ খুলতে সভা ডেকেছে সরকার

করোনাভাইরাস মহামারির প্রকোপ কমে যাওয়ায় কবে থেকে স্কুল-কলেজ খুলবে তা পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সরকার প্রধানের সেই নির্দেশে আগামী শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় ডেকেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিবের একান্ত সচিব (পিএস) মাহমুদ ইবনে কাশেম বলেন, শনিবার বিকেল ৩টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং দুই মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও তা কেবল এসএসসি এবং এইচএসসি শিক্ষার্থীদের জন্য খোলা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে অন্য শ্রেণিগুলোর জন্য খুলে দেওয়া হবে।গত ২২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্কুল-কলেজ খুলতে পর্যালোচনা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

মহামারির কারণে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিকের অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আর মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় একবছর ধরে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ২৮ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগামী ২৪ মে খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুল-কলেজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। উচ্চশিক্ষা স্তরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

একটি চিহ্নিত মহল ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সবকিছুতে বিফল হয়ে একটি চিহ্নিত মহল এখন আমাদের ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা দেখছি একটি চিহ্নিত মহল দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য বারবারই অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। কখনও ভাস্কর্যের নামে আন্দোলন করছেন, কখনও বিদেশি একটি সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা নানান তথ্য প্রচার করছেন, সাজানো নাটক প্রচার করছেন। সেগুলোর সবকিছুতে বিফল হয়ে এখন আমাদের ছাত্রসমাজকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের হাতেই আমরা আমাদের ভাষা আন্দোলন পেয়েছি, ভাষার অধিকার পেয়েছি, স্বাধীনতা পেয়েছি, গণতন্ত্রের আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অনন্য ভূমিকা পালন করেছে। আজকে যখন বৈশ্বিক সংকট চলছে, সেই সময়ে শিক্ষাবান্ধব সরকার, বঙ্গবন্ধুকন্যার সরকার সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা সকল উপাচার্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ৭ কলেজের ক্ষেত্রে কেন আমরা ব্যতিক্রম করছি আমরা একান্তই মানবিক কারণে। কারণ তারা তিন বছর পিছিয়ে আছে।তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে তাদেরকে পরীক্ষা দেবার (যেগুলো চলছিল, যেগুলো ঘোষিত আছে) সেগুলো যথারীতি চলবে-এই সিদ্ধান্ত আমরা গ্রহণ করেছি। আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের সারা দেশে আছে। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য মহোদয় এখানে আছেন। আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ যে, তারা সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত করেছেন।  সে কারণে আজকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, তারা কোনো ধরনের আন্দোলনে যাবেন না এবং তারা তিন মাস পর পরীক্ষা দেবেন। তাদের মধ্যে কারো যদি বিসিএস পরীক্ষা নিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর মাঝে এক ধরনের অস্থিরতা ছিল।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ৪৩তম বিসিএসের আবেদনের একটা তারিখ দেয়া আছে।  পরীক্ষারও একটা নির্ধারিত তারিখ ছিল। এখানে সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান মহোদয়ও আছেন। ওনাদের সঙ্গেও আমরা আলাপ-আলোচনা করেছি। ৪৩তম বিসিএসে আবেদনের সময়, পরীক্ষার সময় এবং এই কতদিন পরীক্ষা পেছানোর কারণে কারও যদি বয়সের সমস্যাও দেখা দেয়  সেই সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থাটা সরকার করবে। এই সিদ্ধান্তও আমরা সেদিনই দিয়েছিলাম। কাজেই এই তিন মাস যদি পরীক্ষা না হয় স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য, সার্বিক নিরাপদের জন্য আমি মনে করি, বৃহত্তর স্বার্থে আমাদের সকল শিক্ষার্থীরা বিষয়টা বুঝবেন। আমি মনে করি তারা বৃহত্তর স্বার্থ বুঝেন, জাতীয় স্বার্থ বুঝেন, তারা সবাই সেটিকে মেনে নেবেন। সাময়িক অসুবিধা হয়তো অনেকেরই হবে, অনেকে টিউশনি করে পড়াশোনা করেন, অনেকে নিজ অর্থায়নে এখন হলের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় মেস ভাড়া করে আছেন, কষ্টে আছেন অনেকেই। আমরা তাদের এই কষ্টগুলো বুঝি।নানা সীমাবদ্ধতা স্বত্ত্বেও বৃহত্তর স্বার্থে এখন আন্দোলন না করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের এই করোনাসংক্রমণটি আবার ছড়িয়ে গিয়ে সারা বিশ্বে যেখানে সাফল্য অর্জন করেছে, সেই সাফল্য যেন ম্লান না হয়ে যায়। একটু কষ্ট হলেও সরকারের সিদ্ধান্ত তারা মেনে নেবেন।

ফাইজারের ভ্যাকসিন ৯৪ শতাংশ কার্যকর

ফাইজার-বায়োএনটেকের আরএনএ ভ্যাকসিন ৯৪ শতাংশ কার্যকর বলে এক আন্তর্জাতিক জরিপে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন ও টিকাগ্রহণকারীদের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির।অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার ভ্যাকসিনের আগেই ফাইজারের ভ্যাকসিনের বিতরণ শুরু হয় ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রে। এর পর দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, ইসরায়েলসহ বিশ্বের অনেক দেশেই ভ্যাকসিন দিচ্ছে ফাইজার। ইসরায়েল সম্প্রতি জানিয়েছে, তাদের দেশে ফাইজারের ভ্যাকসিন ভালোই কার্যকর হচ্ছে। ভ্যাকসিনের ডোজে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। বরং দেশের একটা বড় অংশের মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠছে। হার্ড ইমিউনিটির পথে যাচ্ছে ইসরায়েল।

জার্মান বায়োটেকনোলজি ফার্ম বায়োএনটেক এসই-র সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে কোভিড ভ্যাকসিন বানিয়েছে ফাইজার। এই আরএনএ ভ্যাকসিন দেহকোষকে ভাইরাল প্রোটিন তৈরিতে বাধ্য করে যাতে তার প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি শরীরেই তৈরি হয়ে যায়। এই আরএনএ ভ্যাকসিন ক্যানডিডেটের নাম বিএনটিওয়ানসিক্সটু।

গত মে মাস থেকেই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছিল ফাইজার ও বায়োএনটেক। প্রথম দুই পর্বে অল্প সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকের ওপর ভ্যাকসিনের ডোজও কার্যকর হয়েছিল বলে দাবি করেছিল ফাইজার। তৃতীয় পর্বে ৪৩ হাজার জনকে ভ্যাকসিনের ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে ১৭৩ জন করোনা রোগীও ছিলেন। এই ট্রায়ালের ফল সামনে এনে ফাইজার দাবি করে, ভ্যাকসিন ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই কার্যকর হয়েছে। ভ্যাকসিনের ডোজে বি-কোষ থেকে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে রক্তে, যা  অ্যান্টিবডি বেসড ইমিউন রেসপন্স বা  অ্যাডাপটিভ ইমিউন রেসপন্স তৈরি করছে। একই সঙ্গে সক্রিয় টি-কোষও। বিশ্বে প্রায় ৬ লাখ মানুষ ফাইজারের ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তবে এই ভ্যাকসিনের কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, শরীরে অ্যালার্জি বা পরিবারে অ্যালার্জির ইতিহাস থাকলে ফাইজারের ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না। কারণ ভ্যাকসিনের ডোজে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীর তীব্র অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল।