All posts by lutfor

চার দিনেও খোঁজ মিলেনি মুফতি মুস্তাকুন্নবীসহ তিনজনের

ডেস্ক রিপোর্ট : চার দিনেও খোঁজ মিলেনি কুমিল্লার শীর্ষ আলেম ও বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মুফতি মুস্তাকুন্নবী ও তার গাড়ির চালকসহ তিনজনের। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খোঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রাখলেও এখনো কোনো কূল-কিনারা করতে পারেনি।

থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা সংস্থা বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়েছে। তবে তারা মুফতি মুস্তাকুন্নবীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে ট্র্যাকিং করে অবস্থান জানতে পারেনি।

এদিকে তিনজনের সন্ধান দাবিতে শুক্রবার বিকালে নগরীর লাকসাম রোডস্থ জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে কুমিল্লা জেলা কওমি মাদ্রাসা সংগঠনের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন। মুফতি মুস্তাকুন্নবীসহ তিনজনের সন্ধান না পেলে তারা আন্দোলনের হুমকি দেন।

পুলিশ ও নিখোঁজদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কোটবাড়ি এলাকার সুধন্যপুর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার তুমচর গ্রামের বাসিন্দা মুফতি মাওলানা মুস্তাকুন্নবী গত বুধবার রাতে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে ওয়াজ মাহফিল শেষে তার সহযোগী ছাত্র খায়রুল ইসলামসহ একটি প্রাইভেটকারে (ঢাকা মেট্রো-গ-১১-২০৭১) করে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।

রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ারবাজার এলাকায় পৌঁছেন এবং ওই সময় পর্যন্ত তাদের সঙ্গে পরিবারের লোকজনের মোবাইল ফোনে কথা হয়। এরপর থেকে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় পরিবারের লোকজন কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি। এতে বৃহস্পতিবার বিকালে এ বিষয়ে মুফতি মাওলানা মুস্তাকুন্নবীর ঘনিষ্ঠজন হাজী শফিকুল ইসলাম সদর দক্ষিণ মডেল থানায় জিডি করেন।

এরপর থেকে তাদের সন্ধানে অভিযানে মাঠে নামে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার একাধিক টিম। কিন্তু শুক্রবার বিকালে পর্যন্ত তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

হাজী শফিকুল ইসলাম জানান, এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিখোঁজ মুফতি মুস্তাকুন্নবীর মোবাইল ফোন থেকে তার ছোট ভাই মাওলানা মারুফ বিল্লাহর কাছে তাদের মুক্তিপণ বাবদ ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম ঢাকাটাইমসকে জানান, নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত আছে। সূত্র – ঢাকা টাইমস

তোকে আজকে এখানে মেরে ফেলব

রফিউর রহমান রুপন :   গভঃল্যাব শুধু   মাদের জন্যে একটা স্কুল না আমাদের অস্তিত্বের আরেক নাম। সেই ছোটবেলা থেকে যখন এই স্কুলে পড়ি তখন থেকে দেখে আসছি এইখানে পড়া সকল সহপাঠী কিংবা বড় ভাই কিংবা শ্রদ্ধেয় শিক্ষকেরা কিংবা অভিভাবক আঙ্কেল আন্টী সবাই অনেক সহমর্মী।

বিপদে আপদে সবসময় তাদেরকে পাশে পেয়েছি ।কিন্তু আজকে যেই ঘটনা হলও তারপর থেকে মানুষ হিসেবে সত্যি লজ্জিত বোধ করছি।সময় দুপুর ১২.৩০ থেকে ১ টা।একজন মহিলা কেবলমাত্র ক্লাস ফোরে পড়ুয়া একটি ছাত্রকে বেধড়ক মাইর মারতেসে।কারণ তাও খুব সামান্য একটা ব্যাপার যে ঐ ছেলে কেবল তার ক্লাস থ্রিতে পড়া ছেলেকে কেবলমাত্র স্কাউটের কাজের জন্যে মাঠ থেকে সরার জন্যে বলসিল।মানবতা কোথায় গিয়ে পোঁছালে একজন মা আরেকজনের সন্তানকে এইভাবে মারতে পারে।

কিন্তু এই গভঃল্যাব তো চির অচেনা মনে হচ্ছে কারণ আমি যতদুর শুনেছি ওইখানে অনেক মানুষ ছিল এবং কেউই তাকে থামায়নি। অথচ আমার স্কুল লাইফের পুরোটা সময় আমি স্কুলের সবার কাছের থেকে সহযোগিতা পেয়েছি। আজকে নাকি ঐ মহিলা চিৎকার দিয়ে বলতেছিল, “তোকে আজকে এখানে মেরে ফেলব” । এই বলে সে ছেলেকে গলা চেপে শূন্যে উঠিয়ে ফেলে তখনই ছেলেটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে। ।

ভাগ্য ভাল যে সময়মত কোন এক বড়ভাই এসে ছেলেটিকে উদ্ধার করে এবং পরবর্তী পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বরতমানে সে একটি হাস্পাতালের আই সি উ তে চিকিৎসাধীন।যদি তাও নাই হত তাহলে হয়ত আমদের ছোট ভাইটা আজকে আমাদের মাঝে থাকত না।জানি না বাচ্চাটা এখন কোন অবস্থানে আছে।জানি ঐ মানব শরীরে জানোয়ারের আত্মা নিয়ে চলা মহিলার বিচার হবে কি না তবুও মন থেকে চাই তার যেন বিচার হোক যাতে দুনিয়ার কোন মানুষ শিশুদের সাথে এইরুপ আচরণ না করতে পারে।ভেবে দেখুন তো আপনার ছোট ভাই অথবা সন্তানকে কেউ গলা চেপে শূন্যে দুলে ধরে অথবা থাপ্পড়ের পর থাপ্পড় মারতে থাকে অথবার আপনার সন্তান এই রকম কারণে আই সি উ তে থাকে আপনার কেমন লাগবে।হায় মানবতা তুমি আজ লেখকের কালিতেই রয়ে গেলা
তারপরেও বলি আমরা তোমার সাথে আছি প্রান্ত।

ফেসবুক থেকে

পিনন-হাদি বুনে স্বাবলম্বী পাহাড়ের নারীরা

পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের পিনন-হাদি দেশ-বিদেশে পরিচিতি লাভ করেছে বহুবছর আগে। সময়ের পরিক্রমায় পাহাড়েও জমে উঠেছে এ পিনন হাদি ব্যবসা। ঘরে বসে উপজাতি নারী এ ব্যবসার লাভগুনছেন। নিখুত হাতের কাজ। আকর্ষনীয় ডিজাইন। যে কোন মানুষকে আকৃষ্ট করে সহজে। তাই চাহিদা অনেক, লাভও বেশি।

অনেক উপজাতি নারী ঘরে বসে কোমর তাঁতে পিনন-হাদি বুনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দূর্গম পাহাড়ে পিছিয়ে পড়া নারীরা পিনন-হাদি বুনে ক্ষুদ্র কুটির শিল্পে গড়ে তুলেছে নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান। তাঁতে রুচিশীল পোশাক বুনে পাহাড়ি নারীরা অর্থনৈতিকভাবেও অনেকটা স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। আর এ কাজে আগ্রহ বেড়েছে অনেক বেকার যুবক-যুবতীদেরও।

 

জানা গেছে, ‘পিনন-হাদি’ অর্থাৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের পরিধানে বিশেষ বস্ত্র। পার্বত্য অঞ্চলের ১০টি ভাষাভাষীর ১১টি সম্প্রদায়ের নারীদের এটা প্রধান পোশাক। বর্তমানে শুধু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীরা নয়। এসব পোশাকের আকর্ষণ বেড়েছে বাঙালী নারীদেরও মধ্যে। তাই রপ্তানি হচ্ছে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার ছাড়া দেশের সব স্থানে।

এছাড়া রাঙামাটি শহরের পর্যটন, চাকমা রাজবাড়ি এলাকা ও বনরূপা বাজারে ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এসব বস্ত্রের বিভিন্ন বিক্রয় প্রতিষ্ঠান। সপ্তাহের হাটের দিনগুলোতে সকাল-সন্ধ্যা পাহাড়ি নারীর কোমর তাঁতে বোনা কাপড় বিক্রি করে থাকে। রাঙামাটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা এসব কাপড়ের প্রধান ক্রেতা।

 

পিনন-হাদির মধ্যে রয়েছে সুতির, রেশমের, মাসলায়স ও জরির কাজ। আবার ছোটদের বিভিন্ন জামা ও থ্রি পিছ, ফ্লোর ম্যাট, ডিনার ম্যাট, শাল, ব্যাগ,  স্কুলবেগ, চাঁদর, রুমাল, গামছাও তৈরি করা হয় ওই কাপড়ের। একজোড়া পিনন-হাদি সর্বন্মিম ১হাজার থেকে ১০হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

লক্ষিসোনা চাকমা নামে এক কোমড় তাঁতি জানান, নিজেদের প্রয়োজনে এক সময় এ পিনন হাদি তৈরি করা অত্যাবশ্যকীয় ছিল পাহাড়ি নারীদের। কিন্তু এখন আত্মকর্ম সংস্থানের লক্ষ্যে অনেকে ব্যক্তি উদ্যোগে কোমর তাঁতে পিনন-হাদি তৈরি করছে। একজন নারীর একজোড়া পিনন হাদি তৈরি সময় লাগে দশ থেকে পনের দিন। এখন পাহাড়ের বেশির ভাগ নারী নিজেদের উদ্যোগে পিনন তৈরি ব্যবসা গড়ে তুলেছে। কারণ পিনন-হাদি ঘরে বসে কোমড় তাঁতে তৈরি করা যায়। তার জন্য কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়না তাদের। বিশেষ করে অবসর সময়টা কাজে লাগায় তারা এ বস্ত্র তৈরি করতে। একসময় জুমের তুলা থেক সুতা তৈরি করে কোমড় তাঁতে বুনন  হোত এসব বস্ত্র। এখন এসব সুতা বাজারে পাওয়া যায়। তবে সুতার দাম একটু বেশি । তাই কাপড় তৈরি ব্যবসায় হিমশিম খেতে হচ্ছে অনেকেই। তাই পিনন-হাদি ব্যবসায় সাথে জড়িত নারীদের দাবি সরকারীভাবে সহায়তা দেওয়া হলে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অনেক বেকার যুবক-যুবতীও নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তুলতে পারবে খুব সহজে।

এব্যাপারে রাঙামাটি বিসিক সহকারী মহাব্যবস্থাপক স্বপ্ন কুমার ত্রিপুরা জানান, ব্যক্তি উদ্যোগে যারা কোমড় তাঁতে শিল্প গড়ে তুলতে চাই তাদেরকে প্রশিক্ষণসহ বিসিকের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া বিসিক মেলাতে তাদের অগ্রধিকার দেওয়া হয়। যাতে তাদের হাতের তৈরি বস্ত্রগুলো মেলায় প্রচার করতে পারে।

অন্যদিকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কোমর তাঁত শিল্প পার্বত্য অঞ্চলে নারীদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির চাকা সমৃদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় নারী উদ্যোক্তরা।

 

নতুন রূপে রঙিন পাহাড়

গ্রীষ্মের রৌদ্দুর উত্তাপ গায়ে মেখে রক্তিম ফুলে সেজেছে পাহাড়। টুকটুকে লাল, কমলা, হলুদ ফুলের সংমিশ্রণের নতুন রূপে প্রকৃতি হয়েছে একাকার। এখন পাহাড় জুড়ে বসেছে নানা ফুলের মেলা। গাছে গাছে ফুটেছে রঙিন কৃষ্ণচূড়ারা। প্রকৃতি যেন সেজেছে এক নতুন সাজে। লাল, হলুদ, গোলাপি, সাদা, বেগুনি হরেক রঙের ফুলে সেজেছে আকাঁ-বাঁকা পাহাড়ের পথ-প্রান্তর। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে হরেক রঙের ফুলের সমারোহ রঙ ছড়িয়ে হয়েছে নানা বর্ণময়।

 

চোখ ধাঁধানো কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে প্রেমে পড়েনি এমন মানুষ বিরল। তাই তো যুগে যুগে ফুল নিয়ে গান, গল্প কিংবা কবিতা লিখেছেন বলতে গেলে সব সাহিত্যিকই। পার্বত্যাঞ্চলে প্রায় সব মৌসুমে ফুলের দেখা মেলে। আর এসব ফুল শুধু স্থানীয়দের নয়, আকৃষ্ট করেছে দূর-দূরান্ত থেকে আগত পর্যটকদেরও। এসব ফুলের সৌরভে মাতোয়ারা পাহাড়।

 

সরজমিনে দেখা গেছে, রাঙামাটির প্রায় প্রতিটি সড়কে কৃষ্ণচূড়া ফুলের দেখা মিলছে। তার মধ্যে শহরের ফিনারি বাঁধ, রাজবন বিহার, রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর এলাকা, সদর উপজেলা সড়ক, সুখীনীলগঞ্জ, কাপ্তাই-আসামবস্তী সড়ক, ডিসি বাংলো এলাকায় বাহারি রঙের ফুলে বৈচিত্র্যময়তা সৌভা পাচ্ছে। এসব ফুলের চোখ ধাঁধানো রূপ দেখেই বোঝা যায় প্রকৃতিতে জেঁকে বসেছে গ্রীষ্ম।

 

একই সাথে সৌন্দর্য বাড়াতে হাজির হয়েলে-স্বর্ণাভ হলুদ সোনাইল বা বান্দরের লাঠি এবং বেগুনি রংয়ের মনোমুগ্ধকর জারুল, রাধাচূড়া, কুরচি, গুস্তাভিয়া, কাঠগোলাপ, ডুঁলিচাপা, উদয়পদ্ম, পাদাউক, মধুমঞ্জুরী, পেল্টোফোরাম, কমব্রেটাম, পালাম বা পালান, লাল বা গোলাপি সোনালু, নাগেশ্বর, হিজল, লাল ঝুমকো লতা, জ্যাকারান্ডা আরও অনেক নাম নাজানা রঙিন ফুল। এসব ফুলে সৌরভ ছড়িয়ে পড়েছে পাহাড়ের প্রতিটি প্রান্তে। শোভা পাচ্ছে পাহাড়ের বন জঙ্গলেও। গ্রীষ্মের এমন খরতাপেও প্রকৃতির এ রূপ দেখে অনুভব হয় এক পশলা শান্তি।

পরিবেশ নিয়ে কাজ করে বেসরকারি সংস্থা শানিং হিল। এ প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক মো. আলী বলেন, পাহাড়ের রয়েছে অপার সৌন্দর্যের ভাণ্ডার। তার সঙ্গে যোগ হয়েছে গ্রীষ্মের হরেক রঙের ফুল। রাঙামাটি শহরের সড়কের আশেপাশে কৃষ্ণচূড়া, স্বর্ণাভ হলুদ সোনাইল, জারুল ফুলের গাছগুলো দেখতে অসাধারণ। এসব ফুলের বৈচিত্র্যতা রাঙামাটি শহরকে আরও বেশি আকর্ষর্ণীয় করেছে। বিশেষ করে রাঙামাটি ফিশারি বাঁধ এলাকায় এখনো বেশ কয়েকটা ফুলের গাছ রয়েছে। এসব ফুলের গাছগুলোর  কাপ্তাই হ্রদের উপর এ বাঁধের সৌন্দর্য্য আরও অনেকগুণ বেড়ে যাবে। তবে এসব গাছগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে এ সৌন্দর্য্য চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। এতে করে স্থানীয়রা যেমন প্রশান্তি পাবে, তেমনি পর্যটকরাও মুগ্ধ হবে।

 

কালো জাম থেকে সৌর সেল বানালেন বিজ্ঞানী!

কালো জাম থেকে খুব কম খরচের সোলার সেল বানিয়ে ফেললেন এক ভারতীয় বিজ্ঞানী! ডাই-সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেলে (ডিএসএসসি) সূর্যালোককে শুষে নেওয়ার জন্য যে ফোটোসিন্থে সাইজারের প্রয়োজন হয়, কালো জামের মধ্যে থাকা পিগমেন্ট দিয়ে তা বানিয়ে ফেলেছেন রুরকির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির (আইআইটি) এক গবেষকদল।

দেখা গেছে, কালো জামের মধ্যে থাকা পিগমেন্টই সূর্যালোক টেনে নিতে পারে অনায়াসে। ওই ধরনের ডাই-সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেলকে ‘গ্র্যাটঝেল সেল’ও বলা হয়। গবেষক অধ্যাপক সৌমিত্র শতপথির গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘জার্নাল অফ ফোটোভোল্টেইক্স’-এ।

রুরকি আইআইটি’র অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সৌমিত্র শতপথি বলেছেন, ‘‘কালো জামের কালো রংই আমাকে প্রথম ভাবিয়েছিল, কোন ভাবে তাকে ডাই সেনসিটাইজ্‌ড সোলার সেল বানানোর জন্য ফোটোসিন্থেসাইজার বা ডাই (রঞ্জক) হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না। পরে আমি উৎসাহিত হয়ে পড়ি, কারণ, আমাদের দেশে কালো জামের গাছের কোন অভাব নেই। আমাদের আইআইটি ক্যাম্পাসেই প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কালো জামের গাছ। ’’

গবেষকরা ইথানল বা ইথাইল অ্যালকোহল দিয়ে কালো জামের মধ্যে থাকা ওই পিগমেন্টটিকে বের করে এনেছেন। কালো জামের মধ্যে থেকে বের করে আনা ওই রঙিন পিগমেন্টটির নাম ‘অ্যান্থোসায়ানিন’।

সৌমিত্র বলেছেন, ‘‘সেটাকেই (‘অ্যান্থোসায়ানিন’) আমরা আমাদের উদ্ভাবিত সেলে ফোটোসিন্থে সাইজার হিসেবে ব্যবহার করেছি। সূর্যালোক শুষে নেওয়ার জন্য সাধারণত, রুথেনিয়ামের কোনও পিগমেন্ট ব্যবহার করা হতো এত দিন। কিন্তু তা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। তার তুলনায় অনেক কম খরচে কালো জামের মধ্যে থাকা ওই রঙিন পিগমেন্টটি দিয়েই আমাদের সোলার সেলের ফোটোসিন্থে সাইজারের কাজটা করিয়ে নেওয়া যায়। আর সেটা করা যায় অনেকটাই অনায়াসে।

সূত্র : আনন্দবাজার

 

সাভারে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ ভয়াবহ বিস্ফোরণ

সাভার প্রতিনিধি : ঢাকার সাভারের মধ্যগ্যান্ডা এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়িটি থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। গতকাল শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি ঘিরে ফেলে পুলিশ। আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। এরপর ওই বাড়িতে অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে ওই বাড়ির বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মাধ্যমে বাড়িটিতে পানি ছোড়া হচ্ছে।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশরাফুল আজিম বলেন, ঘিরে রাখা বাড়িটিতে অভিযানের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যেকোনো সময় মূল অভিযান শুরু করা হবে।
গতকাল রাত সোয়া নয়টার দিকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) ও ঢাকা জেলা পুলিশ যৌথভাবে সাভারের মধ্যগ্যান্ডা এলাকার নির্মাণাধীন ছয়তলা একটি বাড়ি ঘিরে ফেলে।
মধ্যগ্যান্ডা এলাকায় ঘিরে রাখা বাড়িটির দোতলা পর্যন্ত নির্মাণ শেষ হয়েছে। নিচতলার এক ভাড়াটে নারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, দোতলার ফ্ল্যাটের একটিতে পাঁচ–ছয়জন তরুণ থাকতেন। আরেক ফ্ল্যাটে থাকতেন এক যুবক ও দুই নারী। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি ওই ফ্ল্যাটে দুই নারীর সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাঁরা খুব একটা আগ্রহ দেখাননি। বাসায় জড়ো করে রাখা কার্টন দেখে তিনি এর ভেতরে কী আছে জানতে চান। দুই নারী জানান, তাঁরা কাচের চুড়ির ব্যবসা করেন। নিচতলার ওই ভাড়াটে চুড়ি দেখতে চাইলে তাঁরা খুব বিরক্তি প্রকাশ করে তাঁকে চলে যেতে বলেন।
ওই ভাড়াটে জানান, বাড়ির মালিক সৌদি আরবপ্রবাসী। সিরাজুল নামের এক কেয়ারটেকারের কাছ থেকে ওই লোকজন বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন।
এদিকে এর আগে গতকাল বিকেল চারটার দিকে সাভারের নামাগ্যান্ডা এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সিটিটিসি ও ঢাকা জেলা পুলিশ একটি পাঁচতলা বাড়ি ঘিরে ফেলে। সাভার মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান বলেন, ওই বাড়ির দুটি ফ্ল্যাটের একটিতে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে থাকতেন মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে ‘জঙ্গি’ সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। আরেক ফ্ল্যাটে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকতেন অপর এক ‘জঙ্গি’। অভিযানের আগে মনির পালিয়ে গেলেও তাঁর স্ত্রী রিমু আক্তার দুই শিশুপুত্র ও এক মেয়েকে নিয়ে ফ্ল্যাটেই ছিলেন। তাঁদের আপাতত বাড়ির মালিকের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে

ভারত সরকার কসম খেয়েছে আমায় ভিসা দেবে না : আসিফ আকবর (ভিডিও)

বিনোদন ডেস্ক : ইদানীং ইন্ডিয়া থেকে প্রচূর ষ্টেজ শো’র অফার আসছে। অনেক প্রমোটর আসাম, কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, ত্রিপুরা থেকে ফোন করেন, ঢাকায় এসে ঘোরাঘুরি করে একে ওকে ধরে আমি পর্যন্ত পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। কিছু প্রমোটরতো বছরের পর বছর লেগেই আছেন নাছোড়বান্দার মত। আমি তাদের এক কথায় বলে দেই ভিসা হবেনা, আপনারাও অ্যারেঞ্জ করতে পারবেন না, আর আমিও বেহায়ার মত ইন্ডিয়ান হাইকমিশনে যাবো না। তারা এই মুখ্যমন্ত্রী, অমুক মন্ত্রী, তমুক পার্টির কথা বলে। যেহেতু তারা আমাদের দেশে অতিথি তাই ধৈর্য্য নিয়ে বোঝাই, অতিথির সাথে তো খারাপ ব্যবহার করা যায় না ।
আমি তাদের বলি ভারত সরকার কসম খেয়েছে আমায় ভিসা দেবে না, এখানে হাইকমিশনেরও কিছু করার ক্ষমতা নেই, ভারতের কোন রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীও পারবেনা। ভারত আমাকে তাদের শত্রু ভাবাপন্ন মনে করে, এটা আমার মত ক্ষুদ্র ক্ষুদিরামের জন্য যথেষ্ট অর্জন। মনকে প্রবোধ দিতে পারি ‘ আমি ব্রিটিশের প্রতিরোধ পাইনি, ভারতের পেয়েছি’। তাদের এটাও বলি ভারত আমাকে ভিসা দেবেনা তার দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে,আর আমিতো বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে নিজের দেশেই বৃত্তবন্দী হয়ে আছি। ভারত আর ইসরাইল ছাড়া পৃথিবীর বাকী সব দেশে যাওয়া সম্ভব, আপনারা কষ্ট করে আমার জন্য অপেক্ষা করবেন না। ইন্ডিয়া সরকার যতক্ষণ দাওয়াত না দেয় ততক্ষণ আমিও যাওয়ার চেষ্টা করবো না । আত্মসম্মানবোধ আমার মূল রক্ষাকবচ ।
আমার ফ্যান পেইজে প্রচূর ভারতীয় ফ্যান ভালবেসে অনেক আবেগী কমেন্ট করে, তাদের দেশে যেতে বলে। তাদের আবেগের প্রতি আমার সম্মান আছে। চিরবৈরী পাকিস্তানীরা ভারতে যেতে পারে আরামসে, আমি হয়তো তাদের চেয়েও অনেক ভয়ঙ্কর। ইন্ডিয়ানরা আমার গান শোনে ভালবাসে এটা আমার জন্য সম্মানের। আমি কখনো ভারত বিরোধী নই, আমি জানি প্রতিবেশি বদলানো যায়না। বাংলাদেশের নতজানু মিডিয়ায় জানপ্রাণ দিয়ে ভারত বন্দনা হয়, পক্ষান্তরে ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশ টোটালি অপাংক্তেয়। এতে বন্ধুভাবাপন্ন সাধারণ ভারতীয়রা জানেনা বাংলাদেশের উপর তার দেশ কি পরিমাণ অবিচার করে। তবুও আবেগী ইন্ডিয়ান প্রমোটরদের প্রশ্ন- শুধু আমার সাথেই কেনো এমন হয়!! সবাইতো যাচ্ছে !! তখন বাধ্য হয়েই বলি- “ আমি ভারত বিদ্বেষী নই, এদেশের সন্তান হিসেবে আমি শুধু বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলি, ভারতের কাছে আমার দেশের ন্যায্য হিস্যা চাই। নিজের দেশের স্বার্থে কথা বলে যদি আমি ভারত বিদ্বেষী হয়ে যাই, তাহলে আমি তাই, তবুও নিজের আত্মার শান্তি চাই” । ভালবাসা অবিরাম..।
সূত্র : সৃজন মিউজিক ডটকম

https://youtu.be/3IeZN9q5JqM?list=RD3IeZN9q5JqM

সুপ্রিম কোর্ট প্রঙ্গণে ভাস্কর্য চায় না সরকার

নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী : সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান থেকে দৃশ্যমান ভাস্কর্যটি সরানো হয়েছে। সেই ভাস্কর্যটি সরিয়ে সেটি সুপ্রিম কোর্ট এলাকার ভেতরেই এ্যানেক্স ভবনে সামনে পুনঃস্থাপন করা হতে পারে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি।
সেইভাবে এ্যানেক্স ভবনের সামনে জায়গাও তৈরি করা হয়েছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনও সেই ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়নি। কবে নাগাদ করা হবে তাও ঠিক হয়নি। এই ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কেউ কোন দিনক্ষণ বলতে পারেননি। সংশ্লিষ্ট সূত্র এখনই এই ব্যাপারে কিছু বলতে চাইছেন না। এটি সূত্র বলেছে, এটি এ্যানেক্স ভবনের সামনে পুন:স্থাপন করা হবে কিনা এটাও এখনও আমরা জানি না। আমাদের কাছে এই ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আসেনি সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে।
একটি সূত্র বলছে, আগের ভাস্কর্যটি নিয়ে কিছু কিছু বিষয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। গ্রিক ভাস্কর্যটি হুবুহ তৈরি করা হয়নি। সেটি বিকৃত করে করা হয়েছে। এতে মূল ভাস্কর্যটি আর বজায় থাকেনি। শাড়ি পড়ানোর বিষয়টিও নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক দাবি করেছেন, তিনি গ্রিক ভাস্কর্যটি তৈরি করেননি। করলে আরও কী কী থাকতো সেটাও বলেছেন। স্বতন্ত্রভাবে এটি দেশীয় প্রেক্ষাপটে তৈরি করেছেন বলেও দাবি করেছেন।
সূত্র জানায়, ভাস্কর্যটির পোশাক ও মূল পরিবর্তন নিয়ে সরকার প্রধানও বেশ সমালোচনা করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট চাইছে ওটি নিয়ে যাতে আগামীতে কোন সমালোচনা না হয়। সেই সমস্যার সমাধান করতে।
সূত্র জানায়, এই কারণে ভাস্কর্যটির যেসব বিষয়ে সমালোচনা রয়েছে তাতে সংস্কার করে ও ভাস্কর্যটি সরানোর কারণে কোন সংস্কারের প্রয়োজন হলে সেটা করে এরপর নতুন করে সেটি এ্যানেক্স ভবনের সামনে পুন:স্থাপন করা হতে পারে। এই জন্য সময় লাগতে পারে। সেটা কয়দিন লাগতে পারে জানতে চাইলে একটি সূত্র জানায়, এটা ঈদের পরেও করা হতে পারে। আগে করতেও সমস্যা নেই।
সরকারের একটি সূত্র জানায়, তাদের কাছে খবর রয়েছে এখন এটি আবার পুন:স্থাপন করা হলে রমজান ও ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে হেফাজত ইসলাম ও আলমরা আন্দোলন কর্মসূচী দিতে পারে। এছাড়াও আন্দোলনও শুরু করতে পারে। তাই এখনই সেটা ঠিক হবে না। এই কারণে সরকার মনে করছে, আপাতত ভাস্কর্যটি পুন:স্থাপন না করলেই ভাল। রমজানের ও ঈদের পরে সুপ্রিম কোর্ট মনে করলে সেটা পুন:স্থাপন করতে পারে।
সরকারের নীতি নির্ধারক একজন মন্ত্রীর কাছে ভাস্কর্যটি পুন:স্থাপন সরকার চায় কিনা জানতে চাইলে তিনি তার নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে বলেন, সরকার এই ব্যাপারে এখনও কিছু বলছে না। তবে সরকার চাইছে যেহেতু বিষয়টি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ঝামেলা তৈরি হয়েছে। এখনও ঝামেলার শেষ হয়নি। তাই আপাতত সেটি পুন:স্থাপন না করাই ঠিক হবে।
রমজান ও ঈদের পরে পুরো বিষয়টি বিবেচনা করে এই ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত নিলেই ভাল হবে। আর যদি সেটি আর পুন:স্থাপন না করেন সেটাও তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এটা তারাই করবেন।
ওই মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করবো সুপ্রিম কোর্ট ও প্রধান বিচারপতি সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিবেন। তারা ভাস্কর্যটি সরিয়ে যেমন দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করেছেন। আগামীতেও এমন সিদ্ধান্ত নিবেন যাতে করে ভাস্কর্যটিকে কেন্দ্রে করে দেশে কোন বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় কিংবা দেশে অরাজকতা তৈরি না হয়।

বিএনপিকে নিয়ে সরকার আতঙ্কে ভুগছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপিকে নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার চরম আতঙ্ক উৎকন্ঠায় ভুগছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে যুবদলের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে পুলিশি তল্লাশির নিন্দা ও প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পুলিশ প্রশাসনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘একটি কথা মনে রাখবেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেতন হয় জনগণের ট্যাক্সের টাকায়। কাজেই যে সমস্ত উচ্চবিলাসী কর্মকর্তারা মনে করছেন এই সরকারই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। যারা বে আইনিভাবে আইনের বিরুদ্ধে কাজ করছেন তাদেরকে অবশ্যই জবাব দিতে হবে।’
তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ভিশন-২০৩০ ঘোষণা করায় আওয়ামী লীগের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। অনেকইে এখন সন্দেহ পোষণ করছেন তারা (আওয়ামী লীগ) সুস্থ আছে কী না।
যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসানের সঞ্চালনায় সভাপতি সাইফুল আলম নিরবের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, যুবদলের ঢাকা মহানগর (উত্তর) সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, যুবদলের ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) সভাপতি রফিকুল ইসলাম মঞ্জু প্রমুখ।

সুপ্রিম কোর্টে থেকে মূর্তি সরিয়ে সব ধর্মকে সম্মান করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন,‘থেমিসের যে মূর্তি সরানো হয়েছে, তা আসল নয়। এটি একটি বিকৃত মূর্তি। আমি মনে করি এটি কোনো মূর্তিই না। বরং সুপ্রিম কোর্টের প্রাঙ্গণ থেকে এ মূর্তি সরিয়ে সব ধর্মকে সম্মান করা হয়েছে।’
রাজধানীর সিডরাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে ন্যায়বিচারের প্রতীক গ্রিক দেবী থেমিসের মূর্তির আদলে স্থাপন করা হয়েছিল একটি ভাস্কর্য। এটি স্থাপনের পর থেকেই তা অপসারণের দাবিতে হেফাজতে ইসলামীসহ বেশ কয়েকটি ধর্মভিত্তিক সংগঠন আন্দোলনে নামে।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ভাস্কর্যটি থেকে অপসারণ হয়। ভাস্কর্য সরানোর কয়েক ঘণ্টা পর রাজধানীতে একটি শোকরানা মিছিল বের করে ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। মিছিল শেষে দেশে স্থাপিত সব ভাস্কর্যকে ‘মুর্তি’আখ্যা দিয়ে সেগুলোতে অপসারণের দাবি জানায় ধর্মভিত্তিক সংগঠনটির নেতারা।
এর আগে গত ১০ এপ্রিল গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কওমি মাদ্রাসার আলেম-ওলামাদের বৈঠকেও ভাস্কর্য সরানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেদিন প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন না এই ভাস্কর্য সেখানে থাকা উচিত।