All posts by lutfor

শিক্ষকদের একটা বড় অংশ ঘটনাচক্রে শিক্ষক: শিক্ষামন্ত্রী

আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে একটা বড় অংশ ঘটনাচক্রে শিক্ষক। যারা হয়তো অন্য কোনো পেশায় না গিয়ে এই পেশায় এসেছেন। আমাদের প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রয়োজন। শুক্রবার মহান শিক্ষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত ‘শিক্ষা: ২০৪১ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বাস্তাবিক কৌশল’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ১৯৬২ সালের এই দিনে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল প্রমুখ। তাদের স্মরণে এ দিনটি ‘শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় শুধু পরীক্ষা আর সনদের মধ্যেই আমরা আটকে ছিলাম। এখন তাই পরীক্ষায় মূল্যায়নের পদ্ধতি বদলে ফেলছি। আমাদের লক্ষ্য পড়াশোনার মধ্যে আনন্দ নিয়ে আসা। পড়াশুনা যাতে চাপে রূপ না নেয়।

ইভ্যালির গ্রাহকরা কি টাকা ফেরত পাবেন

বৃহস্পতিবার ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও তাঁর স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তানভির এহসান বলেন, ‘১০ দিনের মধ্যে ডেলিভারির কথা থাকলেও দুই মাসেও পণ্য কিংবা টাকা ফেরত পাইনি। আমার মতো অসংখ্য নতুন গ্রাহকের সঙ্গেও প্রতারণা করেছে ইভ্যালি। আমি এর প্রতিকার চাই।’

শুধু তানভিরের মতো সাধারণ গ্রাহকই নন, ইভ্যালিকাণ্ডে প্রতারিত হয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠানও। এদের একটি পেপারফ্লাই। দেশজুড়ে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার মাসুল হিসেবে সাত কোটি টাকা বকেয়া হলেও গত জানুয়ারি থেকে ইভ্যালি কোনো বিল পরিশোধ করেনি। সম্প্রতি পেপারফ্লাইয়ের পক্ষ থেকে ইভ্যালির ঠিকানায় উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে পণ্য বিলিকরণ প্রতিষ্ঠান পেপারফ্লাইয়ের চিফ মার্কেটিং অফিসার রাহাত আহমেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পরই একটি কম্পানি আইনগত পথ বেছে নেয়। আমরা আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলাম। আগামী সপ্তাহে আমরা মামলা করব। এর পর থেকে আদালত যা বলবেন আমরা তা-ই করব।’

২০১৮ সালে যাত্রা শুরুর পর সাধারণ মানুষকে বাজারের চেয়ে কম দামে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা নেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে সাইক্লোন (পরবর্তী সময়ে টি-টেন নামকরণ) অফার দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ ওঠে ইভ্যালির বিরুদ্ধে। সাত থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারির প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে আগাম টাকা নিলেও তাদের পণ্য সরবরাহ করেনি ইভ্যালি। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে আগাম মূল্য পরিশোধ করা অনেক গ্রাহক এখনো পণ্য পায়নি। ইভ্যালি যেসব গ্রাহককে রিফান্ড চেক দিয়েছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় সেগুলোও বাউন্স হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, শুধু ব্যবসায়ীদের কাছে ইভ্যালির বকেয়া ২০৫ কোটি টাকার ওপরে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইভ্যালির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত তাদের কাছে বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের পাওনা রয়েছে ৫৪৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে দুই লাখ সাত হাজার ক্রেতা পাবে ৩১১ কোটি টাকা। আর পণ্য সরবরাহকারী মার্চেন্টরা পায় ২০৬ কোটি টাকা। এ ছাড়া বাকি ২৬ কোটি টাকা পায় অন্য খাতের গ্রাহক। ইভ্যালির হিসাব অনুযায়ী, দায়ের বিপরীতে এর চলতি সম্পদ রয়েছে ৯০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আর সম্পত্তি, স্থাপনা ও যন্ত্রপাতি মিলিয়ে রয়েছে ১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

টাকা নিয়ে পণ্য না দেওয়ার চর্চা ই-কমার্স খাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করেছে বলেও মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁরা বলছেন, ইভ্যালির গ্রাহকদের টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ। কারণে দেনা পরিশোধের মতো সম্পদ প্রতিষ্ঠানটির নেই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে ছয় মাসের মধ্যে দেনা শোধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা পূরণ করতে পারেননি প্রতিষ্ঠানের এমডি। গ্রেপ্তার হওয়া ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিষয়ে এখন আদালত সিদ্ধান্ত নেবেন অথবা জনস্বার্থে এ কম্পানিতে ডেসটিনি, যুবকের মতো কাস্টডিয়ান দিতে পারেন।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আজকের ডিলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমার ধারণা ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী গ্রেপ্তার না হলেও গ্রাহকরা টাকা পেত না, গ্রেপ্তার হয়েও গ্রাহকরা টাকা পাবে কি না যথেষ্ট সন্দেহ আছে। টাকা পাবে কোথা থেকে, টাকা তো টাকা খরচ হয়ে গেছে কিংবা অন্যত্র চলে গেছে। যদি দিতে পারত তাহলে গত চার-পাঁচ মাস তিনি যে সময় নিয়েছেন সেই সময়ে টাকা ফেরত দিতে পারতেন। গত এক বছরে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে টাকা ঢেলেছে ইভ্যালি। স্পন্সরশিপ, বিজ্ঞাপন, প্রডাক্ট ডিসকাউন্ট, সেলিব্রেটিদের পকেটেও টাকা গেছে। দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেছে কি না তাও তদন্ত করে দেখা উচিত। প্রাইভেট লিমিটেড কম্পানির এমন ঘটনা ঘটলে নিয়ম হচ্ছে সম্পদ বিক্রি করে দেনা শোধ করা। ইভ্যালির যদি দেনার পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা হয়, তাদের সম্পদ বিক্রি করে ২০ কোটি টাকাও হবে না।’

তিনি বলেন, ‘এটা নতুন ঘটনা নয়, আরো এক বছর আগে থেকে ঘটছিল। আমরা বিভিন্ন মহলে বলে আসছিলাম। আরো আগে পদক্ষেপ নেওয়া গেলে ক্ষতির পরিমাণ আরো কম হতো। গ্রাহক ও মার্চেন্টদের টাকা যা যাওয়ার চলেই গেছে। সরকার এই টাকার দায়িত্ব নিতে আইনগতভাবে বাধ্যও নয়। পি কে হালদারের প্রতিষ্ঠান, ডেসটিনির মতো প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাহকরা টাকা ফেরত পায়নি। ইভ্যালির গ্রাহক ও মার্চেন্টদের খুব আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু দেখি না। যদি অনেক সম্পদ থাকত, ব্যাংকে টাকা থাকত তাহলে আইনগতভাবে কিছু পাওয়ার সুযোগ ছিল।’

ইভ্যালির গ্রাহক ও মার্চেন্টদের টাকা ফিরে পেতে ভোক্তা অধিকারে যাওয়া উচিত বলে মনে করেন দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াহেদ তমাল। গতকাল তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ইভ্যালি নিয়ে ভোক্তা স্বার্থ দেখার দায়িত্ব ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের। যেগুলো সেটেলমেন্ট পেমেন্টের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে সেটা বাংলাদেশ ব্যাংক দেখতে পারে। আদালতও কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিতে পারেন। আমরা সরকারি সংস্থাগুলোকে সঙ্গে নিয়ে একটি সেন্ট্রাল কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দাঁড় করাচ্ছি। এখানেও গ্রাহকরা অভিযোগ জানাতে পারবেন।’ তিনি বলেন, ‘যে কম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে কিংবা যেগুলো বন্ধের পথে সেগুলোর অভিযোগ কিভাবে নিষ্পত্তি হবে সে বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত আসবে বলে আমরা আশা করি। সরকার যদি চায় যেসব ক্ষুদ্র মার্চেন্ট ইভ্যালির সঙ্গে জড়িত ছিল তাদের বিনা সুদে ঋণ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। যে টাকা রয়ে গেছে, সেটা আগের অর্ডারের ভিত্তিতে সেটেলমেন্ট করা উচিত। জমি ও অন্যান্য সম্পদ বেচেও এত টাকা পাওয়া যাবে বলে মনে হয় না। এই মডেলটি কোনো যৌক্তিক মডেল না। তারা তো ব্যাংক না যে মানুষের টাকা নেবে।’

ইভ্যালির ব্যাপারে ই-ক্যাব আগে থেকে কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে কি না জানতে চাইলে আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, ‘ই-ক্যাব থেকে ২০২০ সালে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলাম। তাতে বলেছিলাম, এভাবে ব্যবসা করতে দেওয়া যায় না। এসওপি (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর) করতে হবে। আমাদের উদ্যোগে পরবর্তী সময়ে এসওপি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংককে আরো বড় ভূমিকা নিতে হতো। এখানে যে লেনদেনগুলো হচ্ছে তা ট্র্যাক করে আরো আগে ব্যবস্থা নিতে হতো। সরকার শক্ত পদক্ষেপ না নিলে আরো ছয় মাসে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি হতো। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।’

এখনো ইভ্যালির সদস্য পদ বাতিল করা হয়নি কেন জানতে চাইলে ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলাম। তারা সময় চেয়েছিল। আগামী মাসে ওই সময় শেষ হচ্ছে। আমরা দু-এক দিনের মধ্যে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স সেলের প্রধান হাফিজুর রহমান গতকাল শুক্রবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যেহেতু মামলা হয়েছে, তাই এখন এটি আদালত দেখবেন। গ্রাহকদের আমরা অনেক আগে থেকেই অনুরোধ করে আসছি, তারা যেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ দায়ের করে। এখনো সময় আছে, তাদের এটা করা উচিত বলে আমি মনে করি। তাহলে একটি লিগ্যাল ডকুমেন্ট থাকে। পরে যে সমাধানই আসুক না কেন তখন এটি লিগ্যাল ডকুমেন্ট হিসেবে কাজে লাগবে।’

এদিকে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল জানেন না তিনি কবে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারবেন। রাজধানীর গুলশান থানায় প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল জানিয়েছেন, ইভ্যালির দেনা প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। গ্রাহকসংখ্যা ৪৪ লাখ বলে দাবি তাঁর।

পেলে ফের আইসিইউতে

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার সাতদিনের মাথায় আবারও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তাকে সাও পাওলোর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাখা হয়েছে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র তথা আইসিইউতে। খবর রয়টার্সের।

চলতি মাসের শুরুতে তার কোলন টিউমার অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। এরপর সাতদিন আগে তাকে হাসাপাতাল থেকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শুক্রবার তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালের আইসিইউ কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।

তবে পেলের মেয়ে কেলি নাসিমেন্ত জানিয়েছেন তারা বাবার অবস্থা বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী অনেকেই আমার বাবার অসুস্থতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। তাদের আর অস্থিরতার মধ্যে রাখতে চাই না। তিনি স্বাভাবিক আছেন। স্বাভাবিকভাবেই সেরে উঠছেন।’

পেলে লম্বা সময় ধরে নিতম্বের সমস্যায় ভুগছেন এবং ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। তাছাড়া করোনার কারণে তিনি জনসম্মুখে আসেন না বললেই চলে। তার সান্তোসের বাড়ির আঙ্গিনায় গুটিকয়েকবার দেখা গেছে তাকে।পেলে ব্রাজিলের হয়ে ৯২ ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৭৭টি। যা ব্রাজিলের হয়ে করা যেকোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে টিকার দাবিতে প্রবাসীদের বিক্ষোভ

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন প্রবাসীরা। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে টিকার দাবিতে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।  এ সময় প্রবাসীরা হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করেন।  এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

প্রবাসীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন জানান, ম্যাসেজ আসার পর আমরা টিকা নিতে এসেছি।  কিন্তু এখানে মডার্না ও ফাইজারের প্রথম ডোজ নেই। আমাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।  এখন আমরা কী করব? অনেক টাকা খরচ করে টিকার জন্য গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছি।  বার বার কেনো আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হচ্ছে?

হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, হাসপাতালে ফাইজার ও মডার্নার টিকা নেই।  এখন সিনোফার্মের টিকা চলছে।  এই টিকা প্রবাসীরা না দিলে আমরা কী করতে পারি? প্রবাসীরা সিনোফার্ম নিলে এখনই দিতে পারবো।  আমাদের কাছে শুধু দ্বিতীয় ডোজের জন্য মডার্না আছে।

তিনি বলেন, মিটিং করার সময় হাসপাতালের পরিচালক আমাদের জানিয়েছেন, এখানে ফাইজার এবং মডার্নার টিকা নেই। এক ঘণ্টা আলোচনা শেষে বাইরে এসে বিষয়টি সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু কেউ বিশ্বাস করছে না।  সে কারণে হাসপাতালের ভেতরে এখনো বিক্ষোভ চলছে।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন প্রাণ গোপাল

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক লুৎফুর রেজা খোকন তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার দুইদিন পর ন্যাপের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। শনিবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর তিনি এ আবেদন করেছেন। কুমিল্লার আঞ্চলিক কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। এ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত।

জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই শেষে  আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় পার্টির লুৎফুর রেজা খোকন, ন্যাপের মো. মনিরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়াও স্বতস্ত্র প্রার্থী মাওলানা সালেহ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার বলেন, ১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন হলেও বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রেজা খোকন তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন। শনিবার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন ন্যাপের প্রার্থী।উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর ওই আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। গত ৩০ জুলাই চান্দিনা থেকে পাঁচবার নির্বাচিত এমপি ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়।

বাংলাদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না : কৃষিমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না। বাংলাদেশে হবে সাংবিধানিক সরকার। সংবিধানের আলোকে আগামী দিনে নির্বাচন হবে এবং সেটির দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। শনিবার সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারের, প্রধানমন্ত্রীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোনো ভূমিকা থাকবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো নিয়ন্ত্রণ সেখানে করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সামরিক বাহিনী স্বাধীনভাবে কাজ করবে এবং সুন্দর-সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ভয় আপনারা দেখাবেন না। কারণ আন্দোলন দেখে আমরা ভয় পাই না। ২০১৩ সালে মোকাবিলা করেছি, ২০১৬ সালেও করেছি। হেফাজতকে মোকাবিলা করেছি। ইনশআল্লাহ আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনেক সক্ষমতা এখন। তারা অনেক সুশৃঙ্খল, তারা অনেক বড়বড় দায়িত্ব পালন করেছে। জঙ্গীদের মোকাবিলা করে সারা পৃথিবীতে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রশংসা অর্জন করেছে।  এ সময় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশে এলো সিনোফার্মের ৫০ লাখ ডোজ টিকা

দেশে এসেছে চীনের সিনোফার্মের ৫০ লাখ ডোজ টিকা। শুক্রবার দিবাগত (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ২ টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে টিকা পৌঁছায়।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২ টার দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চীনের সিনোফার্মের ৫০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। প্রধান স্বাস্থ্য বিষয়ক সমন্বয়ক ডা. আবু জাহের বিমানবন্দরে টিকা গ্রহণ করেন।’

এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চীনের সিনোফার্মের ৫৪ লাখ ১ হাজার ৩৫০ ডোজের একটি চালান দেশে আসে।

হেলসিঙ্কি থেকে রোববার নিউইয়র্ক যাবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশন শুরু হয়েছে গত ১৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার। এবারের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নাইজেরিয়ার আবদুল্লাহ শহিদ। এই উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক পর্ব শুরু হবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর, চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপে এরদোগান, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সরকার প্রধান ও তাদের প্রতিনিধরিা বক্তব্য রাখবেন। এ অধিবেশনে যোগদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর (স্থানীয় সময় রোববার) ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কি থেকে নিউইয়র্কে পৌঁছার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম। তবে অধিবেশনে যোগদানকারী সবাইকে টিকা দেয়া থাকতে হবে বিধায় এবার অধিবেশনে রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতি কম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এবারের সাধারণ অধিবেশনে গুরুত্ব পাচ্ছে কোভিড ১৯ পরিস্থিতি মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তন ও শরনার্থী ইস্যু।

কোভিড ১৯ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এ বছর সাধারণ বিতর্কের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে -“Building resilience through hope-to recover from COVID19, rebuild sustainably, respond to the needs of the planet, respect the rights of people, and revitalize the United Nations”। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের সভাগুলো আয়োজন করা হয়েছে।

প্রথমতঃ এবারের অধিবেশনের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকবে কোভিড-১৯ মোকাবিলা এবং পরবর্তী টেকসই পুনরুদ্ধার ও পুনঃনির্মাণ। কোভিড-১৯ হতে মুক্তিলাভের জন্য, বিশ্বব্যাপী ‘ভ্যাক্সিন বৈষম্য’ দূরীকরণের বিষয়টি এবারের অধিবেশনে বিশেষভাবে আলোচিত হবে।

দ্বিতীয়তঃ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত রেসপন্স ও রিকোভারি কোভিড পরবর্তী টেকসই পুনরুদ্ধারের অন্যতম শর্ত। তাই আসন্ন সাধারণ অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়টিও প্রাধান্য পাবে। COP 26 থেকে বিশ্ব যাতে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পেতে পারে সে বিষয়েও এবারের সাধারণের পরিষদের অধিবেশনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আলোচনা করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর যৌথ উদ্যোগে জলবায়ু বিষয়ে ভূমিকা পালনকারী দেশগুলোকে নিয়ে একটি সভা আয়োজন করছে।

তৃতীয়তঃ কোভিড-১৯ এর কারণে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ঠ অর্জনে যে অগ্রযাত্রা-তা অনেকাংশেই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠে সম্মিলিতভাবে টেকসই বিনির্মাণের বিষয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আলোচনা করবেন। এসডিজি এর প্রতিটি লক্ষ্য ও উদেশ্যকে ভিত্তি করে কোভিড পরবর্তী পুনরুদ্ধারের বিষয়টি তাই এ অধিবেশনে প্রাধান্য পাবে।

২০ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রী তার জাতিসঙ্ঘ সফরের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক শুরু করবেন। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এই সভায় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরবেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি নিরসনে সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগের আহবান জানানোর কথা রয়েছে। একই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সদর দফতর চত্বরে বৃক্ষরোপন করবেন বলে জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেন।

২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত ‘White House Global Covid-19 Summit: Ending the pandemic and building back better’ শীর্ষক এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় বক্তব্য প্রদান করবেন। একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত ‘Rohingya crisis: Imperatives for a sustainable solution’ শীর্ষক একটি উচ্চ পর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করার কথা আছে।

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে UN Food Systems Summit শীর্ষক উচ্চ-পর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রীর যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে UN Common Agenda: Action to achieve Equality and Inclusion শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড-ইভেন্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর শুক্র্রবার প্রধানমন্ত্রী জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখবেন। প্রতিবারের মত এবারো প্রধানমন্ত্রী বাংলায় বক্তব্য দেবেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে অর্জন এবং স্বাস্থ্যখাতের সাফল্য সম্পর্কে আলোকপাত করবেন। পাশাপাশি, বিশ্বশান্তি, নিরাপদ অভিবাসন, করোনাভাইরাসের টিকার ন্যায্যতাভিত্তিক বন্টন, বৃহৎ পরিসরে করোনা ভ্যাক্সিন উৎপাদনের লক্ষ্যে পেটেন্টসহ মেধাস্বত্ব উন্মুক্তকরণ, ফিলিস্তিনি ও বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক সঙ্কট, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ তার বক্তব্যে উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রতি বছরের মত এবারো যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের দেয়া এক ভার্চুয়াল অভ্যর্থনা সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী প্রতিবারের ন্যয় বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি নিগুয়েন জুয়ান ফু, বার্বাডোজের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটেলি, ইউরোপীয়ান কাউন্সিলের সভাপতি চার্লস মাইকেলসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র /সরকার প্রধানগণের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিয়ে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়া তিনি জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সাথেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া প্রতিবারের মতো প্রধানমন্ত্রী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের আয়োজনে একটি গোল টেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। এই বৈঠকে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীগণ বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ ও সুযোগ সুবিধার বিষয় সমূহ তুলে ধরবেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীগণ তাদের বিনিয়োগ প্রস্তাব বাংলাদেশের নিকট তুলে ধরবেন।

চুলের পরিবর্তে মাথায় স্বর্ণের চেইন

মানুষের নানা রকম অদ্ভুত শখ থাকে। সেই শখ পূরণের জন্য অনেকে ঝুঁকিও নেন। তাদের তালিকায় রয়েছেন মেক্সিকান র‌্যাপার ড্যান সুর। মাথার চুল ফেলে দিয়ে এর জায়গায় স্বর্ণের চেইন স্থাপন করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে ড্যান সুর টিকটকে তার ভক্তদের বলেছেন, ‘সবাই তাদের চুল রং করে। আমি ভিন্ন কিছু করতে চেয়েছি। আশা করব, কেউ আমাকে কপি করবে না।’অপর এক ভিডিওতে ২৩ বছর বয়সী এই গায়ক বলেন, ‘আমি মাথায় হুক স্থাপন করেছি। এই হুকের সঙ্গে আরো হুক রয়েছে। সবগুলোই আমার চামড়ার নিচে খুলির সঙ্গে আটকানো।’

গত এপ্রিলে মাথায় এই ‘স্বর্ণের চুল’ স্থাপন করেছেন ড্যান সুর। এছাড়াও তার মাথায় হীরার হার ঝুলতে দেখা যায়। সোনা, হীরার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের দামি পাথরও রয়েছে ড্যান সুরের মাথায়। আর এই র‌্যাপারের এমন কাণ্ড দেখে হতবাক তার ভক্ত-অনুসারীরা।তবে চিকিৎসকদের মতে এটি খুবই বিপজ্জনক একটি কাজ। এতে ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে। ডা. ফ্র্যাঙ্ক অ্যাগুলো সতর্ক করে বলেন, ‘এই ধরনের কাজ বিপজ্জনক। এতে খুব সহজে ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের সুরক্ষার জন্য যে হাড় রয়েছে তা স্বর্ণের চেইনের ওজনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ওজন অথবা দুর্ঘটনার কারণে খুলিতে ফ্র্যাকচার হতে পারে।’চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মনা গুহারা জানান, এর ফলে স্থায়ীভাবে চুল পড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি এই ক্ষেত্রে ড্যান সুরকে অনুসরণ না করার পরামর্শ দেন তিনি।

পুষ্টিগুণে ভরা জাম্বুরা

মৌসুমি ফল জাম্বুরা। মুখরোচক এ ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণে টইটুম্বুর। বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়া গেলেও এ ফলটি নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম। জাম্বুরায় রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি।বাইরে সবুজ মোটা আবরণের ভেতরে সাদা অথবা হালকা গোলাপি রঙের এ ফলটি খেতে মূলত টক-মিষ্টি। তাই যাদের মুখে রুচির সমস্যা আছে তারা খেতে পারেন এ ফলটি। এছাড়া যাদের ডায়াবেটিসের সমস্যা আছে তাদের জন্য জাম্বুরা বেশ উপকারী।

এছাড়া যারা ডায়েট প্ল্যান করছেন তারা তাদের খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন জাম্বুরা। এ ফলটি দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে জাম্বুরা আন্ত্রিক, অগ্ন্যাশয় ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধেও বেশ কার্যকর। এর লিমোনোয়েডনামক উপকরণ ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করে এবং এতে থাকা আঁশ মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে। অন্যদিকে এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

অন্যদিকে যাদের পেটে হজমের সমস্যা আছে কিংবা কোষ্ঠকাঠিন্যতে ভুগছেন তাদের জন্য জাম্বুরা বেশ কার্যকর। এছাড়া জ্বর, সর্দি ও কাশির মতো সমস্যায়ও জাম্বুরা খুব দ্রুত কার্যকারী। তাই করোনাকালীন এ সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে কিংবা এ সময়ের সর্দি-কাশি থেকে সুরক্ষা পেতে মৌসুমি এ ফলটি রাখতে পারেন আপনার খাবার তালিকায়। এসব কিছুর পাশাপাশি জাম্বুরা কলেস্টেরোল নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। অন্যদিকে যাদের মুখে প্রায়ই ঘা হয়ে থাকে তারা খুব সহজেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খেতে পারেন এই টক-মিষ্টি ফলটি। আর বাজারে খুব সহজেই হাতের নাগালে পাওয়া যায় বিধায় দামেও খুব সস্তা হয়ে থাকে এ ফলগুলো।

তাই তীব্র এ গরমে জাম্বুরার ভর্তা কিংবা জাম্বুরার জুস আপনাকে দিতে পারে গরমে স্বস্তি। আর আপনি এ সময়েও থাকতে পারেন সুস্থ আর বাড়াতে পারেন খুব সহজে আপনার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা, যাতে আপনাকে এ করোনাকালীন সর্দি-কাশির মতো রোগ থেকে রাখতে পারে সুরক্ষিত।