All posts by lutfor

সকালে গরম পানি পান করার যত উপকারিতা

মানুষের দেহের প্রায় ৬০ শতাংশই পানি। এছাড়াও দেহের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা, দেহের দূষিত পদার্থ দূর করা, খাদ্য পরিপাক, অস্থিসন্ধি পিচ্ছিল রাখা ও দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সচল রাখতে পানির ভূমিকা অত্যাবশ্যক। এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই যে পানি সুস্থ জীবনের জন্য একটি আবশ্যক উপাদান।

আর সকাল সকাল খালি পেটে পানি পান করা যে শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা আমরা সকলেই জানি। সাধারণত আমরা নর্মাল পানি বা ঠাণ্ডা পানি পান করে থাকি। তবে, গরম পানি পান করা যে আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারি, তা হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। ঠাণ্ডা পানির পরিবর্তে গরম পানি পান করলে আপনি পেতে পারেন অবিশ্বাস্য ফল। গরম পানি হজম ক্ষমতা ও রক্ত চলাচলকে উন্নত করতে, ওজন হ্রাস করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করে।

তবে জেনে নেওয়া যাক, গরম জল খাওয়ার উপকারিতা গুলি কী কী:
১. সকাল মানেই সবার আগে আমাদের যে কথাটা মনে পড়ে, তা হলো পেট সম্পূর্ণ রূপে পরিষ্কার করা। যারা কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ব্যথা, গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভোগেন তাদের জন্য গরম পানি রামবানের কাজ করে। খালি পেটে গরম পানি পান করার অভ্যাস আপনার শরীরের এই ধরনের অভ্যাসকে পুরোপুরি শেষ করে দিতে পারে।

২. আপনি যদি পেট খারাপের রোগী হন, তার মানে বুঝতে হবে আপনার হজম সম্পর্কিত সমস্যা আছে। এই রকম সমস্যা থাকলে প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে গরম পানি পান করলে আপনি এই সমস্যার হাত থেকে অনেকটাই মুক্তি পেতে পারেন। এতে করে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। আপনি সহজেই খাবার হজম করতে সক্ষম হবেন।

৩. শরীরের বিষাক্তে পদার্থ নির্গত করার ক্ষেত্রেও গরম পানি রামবানের কাজ করে। সারা শরীরের ছড়িয়ে থাকা বিষাক্ত পদার্থে নির্গত করতে পারবেন গরম পানির সহায়তায়।

৪. এটি রক্ত চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. সকাল বেলা গরম পানি খেলে আপনার শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত ফ্যাটের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। খুব দ্রুত ঝরাতে পারবেন আপনার শরীরের বাড়তি ওজন।

৬. ঋতুস্রাবের দিন গুলিতেও পেতে ব্যথার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য গরম পানি খুবই উপকারী। এই সময়ে পেটে যে ক্র্যাম্স জমে তা গরম পানির সাহায্যে অনেকটাই কম হয়ে যায়।

৭. মাথা ব্যথার সমস্যা থাকলেও গরম পানি পান আপনাকে সেই কষ্টের থেকে অনেকটাই মুক্তি দিতে পারে। গরম পানি মাংসপেশিতে জমে থাকা বেদনাও দূর করতে সাহায্য করে।

৮. গলার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয় এই গরম পানি। আপনার গলা শুকিয়ে আসলে পান করুন সামান্য গরম পানি। সঙ্গে সঙ্গে মুক্তি পাবেন।

ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচায় টমেটো

টমেটো রান্না করে বা কাঁচাও খাওয়া যায়। সালাডেও টমেটো ব্যবহার জনপ্রিয়। আমাদের প্রতিদিনের রান্নায় প্রায় সব কিছুর সঙ্গেই সবজি হিসেবে টমেটোর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। টমেটোতো রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল। এবার টমেটোর কয়েকটি গুণাগুণ জেনে নিই, চলুন- ১. টমেটোর রস ত্বকের জন্য খুব উপকারী। ত্বকের কালচে ছোপ দূর করতে টমেটোর রস অত্যন্ত কার্যকর। সেই সঙ্গে ব্রণ-ফুসকুড়ি নিরাময় করতেও সাহায্য করে টমেটো। ২. টমেটো খেলে হাড় মজবুত হয়। টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন কে ও ক্যালশিয়াম। মজবুত, সুস্থ হাড়ের জন্য এই দু’টি উপাদান জরুরি। ৩. ক্যানসার প্রতিরোধে টমেটো অত্যন্ত কার্যকর। টমেটোয় থাকা লাইকোপেন উপাদানটি শরীরে ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি রুখতে সাহায্য করে। বিশেষত পাকস্থলি ও প্রোস্টেট ক্যানসার ঠেকাতে টমেটো কার্যকর। ৪. অনেকেই ধূমপানের অভ্যাস ছাড়তে চান, অথচ বার বার ব্যর্থ হন। টমেটোয় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কোমেরিক অ্যাসিড এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড। ধূমপানের ফলে শরীরে যে ক্ষতি হয়, তা ঠেকাতে সাহায্য করে টমেটো। প্যাসিভ স্মোকিং-এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও রক্ষা করে টমেটো।

লেবু দূর করবে অনিদ্রার সমস্যা

লাল চায়ে লেবু যেমন আলাদা স্বাদের সংযোজন করে, তেমনই  স্বাস্থ্য সুরক্ষায় লেবুর রয়েছে অসাধারণ গুণাবলি। এমনকি অনিদ্রার সমস্যাও দূর করে লেবু। গবেষকরা বলছেন রাতে ঘুমানোর সময় বিছানার পাশে একটা লেবু রেখে দিলে স্বাস্থ্যের খুব উপকার হয়।

তবে কী কী উপকার করে লেবু?

ভালো ঘুম হয়

অনেক সময় সারাদিনের ক্লান্তি এবং মানসিক স্ট্রেসের কারণে রাতে ভালো ঘুম হয় না। এজন্য রাতে ঘুমানোর সময় লেবুর টুকরো বিছানার কাছে রেখে ঘুমালে লেবুর গন্ধ মনকে শান্ত করবে এবং ঘুমোতে সহায়তা করবে। লেবুতে উপস্থিত অ্যান্টি-ব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য মস্তিষ্ককে শান্ত করে।

বন্ধ নাক খোলে

অনেক সময় ঠাণ্ডা লাগলে নাক বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে ভালো ঘুম হয় না। এক্ষেত্রেও লেবুর টুকরো বিছানার কাছে রাখলে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটবে না।

এয়ার ফ্রেশনারের কাজ করে

লেবু ঘরকে সতেজ রাখে। ঘরের কোনায় কোনায় লেবু রাখলে এয়ার ফ্রেশনারের কাজ করে

শ্বাস নিতে সাহায্য করে

লেবু অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি শ্বাস নিতে সহায়তা করে। যারা হাঁপানি বা সর্দিতে ভুগেন তাদের জন্য এটি দারুন কাজ করবে।

পোকামাকড় দূর করে

লেবুর গন্ধ পেলে রোগবালাইয়ের মতোন পোকামাকড় ধারে-কাছে আসে না। রাতে শোবার আগে এক টুকরো লেবু বিছানার কাছে রেখে ঘর অন্ধকার রাখলে পোকামাকড় পালিয়ে যায়।

ঘুরে আসুন অচেনা দার্জিলিং

একসাথে নীল জলরাশি, সবুজ পাহাড় আর সাদা মেঘমালার মিলনমেলায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন কক্সবাজারের ‘অচেনা দার্জিলিংয়ে’। মাতামুহুরি নদীর দুই পাশে উঁচু–নিচু পর্বতসারি, শীতের ঘন কুয়াশায় ঢাকা মেঘমালা। একটু দূরে গেলেই দেখা মেলে শ্বেতপাথরের বুক চিরে ছলাৎ ছলাৎ শব্দে ঝরনার রক্তক্ষরণের। সাথে স্বচ্ছ-নীল জলের নদীতে ডিঙি নৌকায় ভাসতে ভাসতে আপনার মনে হবে এ যেন এক অন্য রকম দার্জিলিং।কক্সবাজারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন রূপ–লাবণ্যে ভরা এক লীলাভূমি এটি। জায়গাটিতে একবার যাদের পা পড়েছে, তাদের অনেকের মুখে দার্জিলিংয়ের তুলনা। বর্তমানে বিপুল পর্যটক টানছে অচেনা এই দার্জিলিং। সবমিলিয়ে এখন কক্সবাজারের পর্যটনের আরেক সম্ভাবনা ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’।পার্কটির অবস্থান কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে, চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। এখান থেকে দক্ষিণ দিকে কিছু দূর গেলে চোখে পড়বে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলা। লামার মিরিনজা পর্যটনপল্লির উঁচু পাহাড়চূড়ায় আছে ইট-পাথরে নির্মিত বিশাল টাইটানিক জাহাজ। সেই জাহাজে দাঁড়িয়ে দেখা মেলে সুদূরের কক্সবাজার সৈকত, বঙ্গোপসাগর আর মহেশখালী চ্যানেলের।

সুন্দর বিলোচ্ছে মাতামুহুরি

প্রায় ১৪৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল নিয়ে বিতর্ক আছে। নদীটি বান্দরবানের আলীকদমের আরাকান পর্বত থেকে উৎপত্তি হয়ে লামা হয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ওপর দিয়ে সাপের মতো আঁকাবাঁকা পথে এগিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। কারও মতে, লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরির উৎপত্তি। মগ ভাষায় নদীর নাম ‘মা-মুরি’।

ঘুরে আসুন ‘অচেনা দার্জিলিং’মতান্তরে, মাতৃস্তনসদৃশ বিভিন্ন পর্বত গাত্র থেকে জল চুইয়ে চুইয়ে পড়েই এ নদীর সৃষ্টি, এ কারণে নামকরণ মাতামুহুরি। মুহুরি শব্দের অর্থ অসংখ্য ছিদ্র দিয়ে জল পড়ার ঝাঁঝর। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে আলীকদম, লামা, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা শহর। নীলনদ যেমন মিসরের জন্য দান, তেমনি মাতামুহুরী বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার চারটি উপজেলার অন্তত সাত লাখ মানুষের ভাগ্যবদলের আধার। নদীর তীরে শীতকালীন শাকসবজি, ফলমূল উৎপাদনের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে মৎস্য ও পোলট্রি খামার, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ও পর্যটনকেন্দ্র। নদীটির গড় প্রস্থ ১৫৪ মিটার। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি ফুলে ওঠে, তখন প্রস্থ আরও বেড়ে যায়।

৮৮৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কক্সবাজার জেলার লোকসংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ। উত্তরে পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের সীমানা থেকে দক্ষিণ দিকের টেকনাফের বদরমোকাম পর্যন্ত দীর্ঘ ১৪৫ কিলোমিটারব্যাপী বিস্তীর্ণ সমুদ্র উপকূল। জেলার ৫০ ভাগ এলাকাজুড়ে রয়েছে ছোট–বড় অসংখ্য পাহাড় পর্বত। শুধু কুতুবদিয়া উপজেলাতে পাহাড় নেই। হিমালয়ের পর্বতমালার দক্ষিণ দিকে সম্প্রসারিত আরাকান পর্বতমালা জেলার পূর্বভাগের ওপর দিয়ে গেছে। এ কারণে টেকনাফ, উখিয়া, রামু, কক্সবাজার সদর, চকরিয়াতে পাহাড় ও বনাঞ্চল বেশি। জেলার সবচেয়ে উঁচু পাহাড় ‘তুনাঙ্গানাঙ্গা’—সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৮০ ফুট। এটির অবস্থান টেকনাফের জাহাজপুরা এলাকায়। দ্বিতীয় উচ্চতার ৫৫১ ফুটের পর্বত নেটংও টেকনাফে। তৃতীয় উচ্চতার ‘নাগাটং’ ৫৪৫ ফুট—চকরিয়ায়। পাহাড়ের কারণে জেলায় অসংখ্য ছোট–বড় নদীর সৃষ্টি। এর মধ্যে বড় তিনটি নদী মাতামুহুরী, বাঁকখালী ও রেজুর উৎপত্তি পাহাড় থেকেই। মাতামুহুরী নদীর মধ্যভাগেই গড়ে ওঠে অচেনা দার্জিলিং।

পাহাড়-ঝরনার ইয়াংছা

সবুজ পাহাড়, নীল জলের ঝরনায় দৃষ্টিনন্দন জায়গাটি এত দিন পর্যটকের দৃষ্টিসীমার বাইরে ছিল। নজরে আসেনি গণমাধ্যমেরও। অচেনা এই পর্যটন স্পটের নামকরণ ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’ হয়েছে মাত্র কয়েক দিন আগে। সম্প্রতি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের একটি দল পরিদর্শন করেন অন্য রকম দার্জিলিং। এর রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ হন সবাই। পার্কের নামকরণ ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’ জেলা প্রশাসকের দেওয়া। ওই দিন সেখানে পার্কের ফলকও উন্মোচন করা হয়।

এরই মধ্যে পর্যটকরা ডিঙি নিয়ে নদী ভ্রমণ করছেন। বেশির ভাগ স্থানীয়, অল্প কিছু পর্যটক। তারা ইয়াংছারমুখ ঘাট থেকে নৌকায় উঠে ৮-১০ কিলোমিটার দূরে লামাবাজার যাচ্ছেন। এরপর পর্বতের রানী লামা উপজেলা ঘুরে নৌকায় পুনরায় ইয়াংছার মুখ ঘাটে ফিরে আসছেন তারা। মানিকপুর ঘাট দিয়েও অনেকে নদীভ্রমণে যাচ্ছেন। চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পুরো পার্কটির তত্ত্বাবধান করছে স্থানীয় সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদ। ইউপি চৌকিদার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে চারজন স্বেচ্ছাসেবী পার্কটি দেখাশোনা করছেন। পার্কে প্রবেশে টাকা দিতে হয় না।পার্কের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে হাজারো মানুষ লামাবাজার আসা–যাওয়া করছেন। এর মধ্যে অন্তত ৩০০ জন পর্যটক। সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নদীভ্রমণ সবার জন্য উন্মুক্ত।

সিলেট থেকে স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে ভ্রমণে আসা এক পর্যটক বলেন, কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণে গিয়ে জানতে পারি নতুন এই পর্যটনকেন্দ্রের কথা। তারপর দেখতে আসা। নদী ভ্রমণ করে আনন্দ পেয়েছি। তবে বিনোদনের আরও সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি দরকার। পুরো পার্কে বিদ্যুৎ নেই।পার্কের পাশের একটি পাথরের পাহাড়ের নামকরণ করা হয় ‘শ্বেত পাহাড়’। এর আশপাশে একসঙ্গে দেখা যায় পাহাড়, পাথুরে নদী, ঝরনা, মেঘ-কুয়াশা, বন্য প্রাণী, স্বচ্ছ নীল জলরাশি ইত্যাদি।

স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জানান, ২৬ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন পার্কটির উদ্বোধন করেন। মূলত এরপর থেকে পর্যটকেরা ‘নিভৃত নিসর্গ’ দেখতে ছুটে আসছেন। ক্রমে পর্যটকের আগমন বাড়ছে। গত মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) ২২টি নৌকা নিয়ে নদী ভ্রমণে নেমেছেন দুই শতাধিক পর্যটক। আগের দিন ২৮টি নৌকায় নেমেছেন প্রায় ৩০০ জন। প্রায় ৬৪ কোটি টাকায় নির্মাণাধীন (ইয়াংছাঘাট পর্যন্ত) ১৯ কিলোমিটারের ‘জিন্দাবাজার-ইয়াংছাঘাট সড়কটি’ পাকা হয়ে গেলে যোগাযোগ সহজ হবে। নিভৃত নিসর্গ পার্কে বিদ্যুৎ–সংযোগের কাজও চলছে দ্রুতগতিতে।

পার্কের তথ্য সরবরাহকারী কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক এরশাদুল হক জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনি—দুই দিন পার্ক ভ্রমণে যাচ্ছেন দৈনিক অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ। অন্য দিন যাচ্ছেন এক থেকে দুই হাজার জন। পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য সেখানে আছে ৬০টির অধিক ছোট–বড় ডিঙি নৌকা। শীতকালে নদীর পানি শুকিয়ে গেছে, তাই লামাবাজার পর্যন্ত যাতায়াত চলছে। বর্ষাকালে পানি বেড়ে গেলে নৌকায় আলীকদম পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হবে। এখন লামা যেতে নৌকাভাড়া (রিজার্ভ) লাগে ১ হাজার ২০০ টাকা। প্রতিটি নৌকায় ওঠেন ১৫-২০ জন।

পর্যটনের নতুন দিগন্ত

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত দেখতে সম্প্রতি কয়েক লাখ মানুষ কক্সবাজার ছুটে এসেছেন। তারা সেন্টমার্টিন, টেকনাফ, মহেশখালী, রামুর দর্শনীয় স্থানগুলো পরিদর্শন করে ঘরে ফিরছেন। কিন্তু অচেনা দার্জিলিং একবার গেলে বারবার দেখতে যাওয়ার মতো একটি জায়গা। পর্যটকসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ যেন সহজে ‘নিভৃত নিসর্গ’ ভ্রমণে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। বিশেষ করে লোকজনের সহজ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পার্কটিকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হবে। পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এই পার্ক।

যেভাবে যেতে হয়

কক্সবাজার অথবা ঢাকা থেকে সড়কপথে (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক) প্রথমে চকরিয়া পৌরসভা বাসস্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে জিপ অথবা মিনিবাসে উঠে প্রায় আট কিলোমিটার গেলে ফাঁসিয়াখালী স্টেশন। সেখান থেকে যেতে হবে বান্দরবানের লামা সড়ক ধরে ১২ কিলোমিটার দূরে ইয়াংছাবাজারে। ইয়াংছাবাজার থেকে অটোরিকশা অথবা ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) নিয়ে আড়াই কিলোমিটার গেলেই (এখন ইট ও কাঁচা রাস্তা) সামনে পড়বে কাঙ্ক্ষিত সেই পর্যটন স্পট ‘নিভৃতে নিসর্গ’। চকরিয়া থেকে নিভৃত নিসর্গ পার্কে যেতে ভাড়া পড়বে ৫০ টাকা। প্রাইভেট কারেও যাতায়াত করা যায়। কক্সবাজার শহর থেকে সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরে আসা যায়। ইচ্ছা করলে ফিরতি পথে চকরিয়া বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, রামু বৌদ্ধপল্লি, রাবার বাগান, কক্সবাজার শহরের রাখাইন তরুণীদের বার্মিজ মার্কেট ঘুরে আসা যায়।

বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট দিচ্ছে মালয়েশিয়ার ক্লাং পোস্ট অফিস

পুলিশ পাহারায় পাসপোর্ট বিতরণ করছে মালয়েশিয়ার ক্লাং পোস্ট অফিস।  বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে নবায়নকৃত পাসপোর্ট নিতে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের সম্পর্কে গণঅভিযোগের কারণে সাউথ ক্ল্যাং পুলিশ ১৫ সেপ্টেম্বর (আজ) সকালে পোস্ট অফিস, ক্ল্যাংয়ে শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পাসপোর্ট বিতরণ করছে পোস্ট অফিস।

১৪ সেপ্টেম্বর পোস্ট অফিসে পাসপোর্ট নিতে আসা প্রবাসী বাংলাদেশিদের দীর্ঘ লাইনের একটি ভিডিও আপলোড হওয়ার পর তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সাউথ ক্ল্যাং ওসিপিডি অ্যাসিস্ট শামসুল অমর রামলী বলেন, ১৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ স্টেশন ডাকঘরের ম্যানেজারের কাছ থেকে একটি ফোন পেয়েছিল।  ফোনে বলা হয়- ডাকঘরের বাইরে বিদেশিদের একটি বড় দল জড়ো হয়েছে।  নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতিতে (এসওপি) এবং শারীরিক দূরত্ব পালন করছে না।  এর আলোকে পুলিশ কোভিড-১৯ মহামারি সংক্রমণ রোধে সরকার কর্তৃক জারিকৃত এসওপিএন পুরোপুরি মেনে চলছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য সাউথ ক্ল্যাং পুলিশ এখন থেকে সবসয় ক্ল্যাং পোস্ট অফিসের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

নোটিশে বলা হয়, রি-ইস্যু ফরম জমা দেওয়ার সময় অবশ্যই ব্যক্তিগত হোয়্যাটসঅ্যাপ নম্বর দিতে হবে। যাতে পাসপোর্ট জমা শেষে নিজ নিজ মোবাইলে মেসেজ দেওয়া হবে।  পোস্ট অফিসের মাধ্যমে পাসপোর্ট জমা দেওয়া কার্যক্রম শুরু হলেও একটি অনিশ্চয়তায় পড়েন বাংলাদেশিরা। এক থেকে তিন মাস বা তার অধিক সময় চলে গেলেও ব্যক্তিগত মোবাইলে মেসেজ তো দূরের কথা- অনলাইনে নামও পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

১২-১৭ বছরের শিক্ষার্থীরা পাবেন ফাইজারের টিকা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সের স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। আমরা খুব দ্রুতই এই টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করবো।

তিনি বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে এবং শিল্পকারখানা সচল রয়েছে বলে অর্থনৈতিক চাকা সচল আছে।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নকল্পে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সঙ্গে ১০ কোটি টিকার চুক্তি করা হয়েছে। বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ৮টি দেশকে লাল তালিকাভুক্ত করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখন সেখান থেকে আমাদের দেশের নাম বাদ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত আমরা আড়াই কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছি। করোনা নিয়ন্ত্রণে নাই বলে সোমেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী তার ক্ষমতা হারিয়েছে এবং থাইল্যান্ডের সরকার প্রধানের অবস্থাও সূচনীয়।

টয়লেটে গেলে মেলে কমলা-কফি!

দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের টয়লেট ব্যবহার করলে আয় করা যায় ডিজিটাল কারেন্সি। সেই মুদ্রায় শুধু কমলা নয়, অনেক ধরনের ফলের পাশাপাশি কফি ও আরো কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যও কেনা যায়।

পরিবেশবান্ধব ওই শৌচাগারের নাম দিয়েছেন বীভি। Bee ও Vision শব্দ দু’টির প্রথম অংশ নিয়ে তৈরি এই নামেই শুধু নয়, এর কার্যকারিতায়ও দূরদর্শিতার ছাপ রেখেছেন চো জায়-এয়ন। নয় তো টয়লেট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভূমিকা রাখা যাবে, সেই বিদ্যুতে আলো জ্বলবে ভবনে, আর তাই মলত্যাগ করেও অর্থ আয় করা যাবে- এতদিন এমন কথা কে ভেবেছে?

এক ব্যক্তি একবারে গড়ে ৫০০ গ্রামের মতো মলত্যাগ করেন। ওই মল দিয়ে তৈরি হয় ০.৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যা দিয়ে একটা গাড়ি অনায়াসে ১.২৫ কিলোমিটার পথ চলতে পারে।

টয়লেটে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করেননি প্রফেসর চো। মলের বিনিময়ে অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থাও রেখেছেন। জিগুল নামের এমন এক ভার্চুয়াল কারেন্সি তৈরি করেছেন, যার বিনিময়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের দোকান থেকে নিয়মিত বই, নুডলস, বিভিন্ন ধরনের ফল, কফি ইত্যাদি কিনছেন।

একবার টয়লেটে গেলে আয় হয় ১০ জিগুল। যার যত জিগুল জমবে, ততবেশি পণ্য কিনতে পারবেন তিনি। শিক্ষার্থী হেও হুই-জিন তো মহাখুশি। তিনি বলেন, ‘এতদিন মনে করতাম পায়খানা খুব নোংরা জিনিস। এখন সেই জিনিসই আমার কাছে খুব মূল্যবান। এখন তো খাওয়ার সময়ও কোনো বই কেনার কথা মাথায় এলে পায়খানা নিয়ে কথা বলি!’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

ফেসবুকের মাধ্যমে ১৪ বছর পর মিলল মা-মেয়ে

২০০৭ সালে নিজের ছয়বছর বয়সী মেয়েকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন মা। উপায় না দেখে করেছিলেন থানায় অভিযোগ।সন্দেহের তীর ছিল মেয়েটির বাবার দিকে। বাবাই মেয়েটিকে অপহরণ করেছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন মা। কিন্তু খোঁজাখুঁজির পরও মেয়েটি যেন স্রেফ উধাও হয়ে গিয়েছিল।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি একরকম চাপাই পড়ে গিয়েছিল। এমনকি থিতিয়ে এসেছিল তদন্তের গতি। তবে ১৪ বছর পর ঘটনা মোড় নেয় অন্যদিকে। পুলিশের কাছে এসে মেয়ের খোঁজ চাওয়ার বদলে মা জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে তার এমন একজনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে, যে তার ১৪ বছর আগের হারিয়ে যাওয়া মেয়ে!মায়ের দাবিতে বিভ্রান্ত হয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ। তদন্তে ওই দাবির সত্যতা মেলে।

পুলিশ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বাসিন্দা অ্যাঞ্জেলিকা ভেনস-সালগাদো তার মেয়েকে খুঁজে পেয়েছেন দাবি করে তাদের কাছে আসে। অ্যাঞ্জেলিকা আর যে মেয়েটিকে তিনি নিজের হারিয়ে যাওয়া সন্তান জ্যাকুলিন হার্নান্দেজ বলে দাবি করেছেন তাদের মধ্যকার বার্তা বিনিময় খতিয়ে দেখে পুলিশ। তাদের মধ্যকার বার্তায় জানা গেছে জ্যাকুলিন বর্তমানে মেক্সিকোতে রয়েছেন। অ্যাঞ্জেলিকা মেয়েকে দেখার জন্য টেক্সাস-মেক্সিকো সীমান্তে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে ফ্লোরিডা ও টেক্সাস পুলিশ আঞ্জেলিকা আর জ্যাকুলিনকে সাক্ষাতের সময়ই আটকানোর সিদ্ধান্ত নেয় বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে।আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায় যে মেয়েটি সত্যিই জ্যাকুলিন, আঞ্জেলিকার হারিয়ে যাওয়া সেই ছোট্ট মেয়ে। ১৯ বছর বয়সী মেয়েটি তার জীবনের ১৪টি বছরই মেক্সিকোতেই কাটিয়েছে। তবে জ্যাকুলিন কীভাবে মেক্সিকো গেল সে ব্যাপারে পুলিশের তরফ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

উপজেলা চেয়ারম্যানদের ইউএনওর মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ

প্রতিটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মতো নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে উপজেলা পরিষদ ভবনের সাইনবোর্ডে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিবর্তে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় লেখা সাইনবোর্ড টানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এছাড়া উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ এর ধারা ১৩ (ক) ১৩ (খ) ও ১৩ (গ) কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। সরকারকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আইনজীবী ড. মহিউদ্দিন মো. আলামিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ও ড. মহিউদ্দিন মো. আলামিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মেহেদী হাসান চৌধুরী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

ড. মহিউদ্দিন মো. আলামিন বলেন, চলতি বছরের ১৫ জুন উপজেলা চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা খর্ব করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের ক্ষমতা দেওয়ার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আজিজসহ তিনজন উপজেলা চেয়ারম্যান এ রিট দায়ের করেন।

এদিকে গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ উপজেলা পরিষদের অধীনে ন্যস্ত সব দফতরের কার্যক্রম পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে ও বিধি অনুসারে করার জন্য ইউএনওদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে এর আগে জারি করা সার্কুলার অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ইউএনওরা যাতে ওই সার্কুলার অনুসরণ করেন সেজন্য পৃথক আরেকটি সার্কুলার জারি করতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

গুগল ড্রাইভ থেকে ডিলিট হওয়া ছবি উদ্ধারের উপায়

প্রায়শই আমরা অপ্রয়োজনীয় ছবি ও ফাইল ডিলিট করতে গিয়ে ভুলবশত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ডিলিট করে ফেলি। ফলে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। তবে আপনি চাইলে খুব সহজেই ডিলিট হওয়া ছবি, ভিডিও বা ফাইল পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। তা হলে চলুন জেনে নেওয়া যাক, গুগল ড্রাইভ ও ফটোস থেকে ডিলিট হওয়া ছবি যেভাবে ফিরিয়ে আনবেন-

ডিভাইস থেকে প্রথমে গুগল ড্রাইভ অ্যাপটি ওপেন করুন। ওপেন করলে ট্রাশ ফোল্ডার অপশনটি দেখতে পাবেন। ট্রাশ ফোল্ডার ওপেন করার পর আপনি ডিলিট করা সকল ফাইল দেখতে পারবেন। এবার যে ফাইলগুলোকে আপনি ফিরিয়ে বা রি-স্টোর করতে চান তার ওপর রাইট বাটন ক্লিক করুন। রাইট বাটনে ক্লিক করলে রি-স্টোর ও ডিলিট ফরএভার নামে দুটি মেনু দেখতে পাবেন। এর পর রি-স্টোর  অপশন সিলেক্ট করলেই ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইল আগের জায়গায় চলে যাবে। এ ক্ষেত্রে মোবাইল ব্যবহারকারীরা ফাইলের ডান পাশে থ্রি ডট বাটনে ক্লিক করলে রি-স্টোর বাটন খুঁজে পাবেন।

আপনি চাইলে ড্রাইভ বিশেষজ্ঞদেরও সাহায্য নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে কল করে বা হেল্প ডেস্কে চ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। তবে ৩০ দিন পর্যন্ত আপনি আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল রি-স্টোর বা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। তবে ৩০ দিনের বেশি হয়ে গেলে পুরনো ফাইলকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব না।