All posts by lutfor

১৭ বছরের সংসারে ভাঙন, খুশিতে নারীর ডিভোর্স পার্টি

১৭ বছর পর বিবাহিত জীবনের ইতি টেনে খুশিতে ডিভোর্স পার্টি দিয়েছেন এক নারী। যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা সোনিয়া গুপ্ত নামে ৪৫ বছর বয়সী ওই নারী নিজের বিবাহিত জীবনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি উপলক্ষে ডিভোর্স পার্টিতে আমন্ত্রণ জানান পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিদেনে দেখা যায়, এক ছবিতে দুই সন্তানের জননী ওই নারীকে ঝলমলে রঙিন পোশাকের ওপর ‘ফাইনালি ডিভোর্স’ লেখা সাটিন স্যাশ পরতে দেখা গেছে। পার্টিতে আগত অতিথিদের ঝলমলে ও উজ্জ্বল পোশাক পরে আসতে বলেছেন সোনিয়া।নিজের ব্যক্তিত্বের আঙ্গিকেই পার্টির থিম ঠিক করেছিলেন সোনিয়া। তিনি নিজেকে একজন খোলামনের মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কিন্তু তার স্বামী ছিলেন পুরোপুরি তার বিপরীত। বিয়ের শুরু থেকেই ভীষণ মনমরা থাকতেন সোনিয়া। তিনি জানতেন তাদের জুটি একদম মানায় না।

২০০৩ সালে ভারতে বিয়ে হয় সোনিয়ায়। বিয়ের পরই তিনি অনুধাবন করেন, তার বিবাহিত জীবন সুখের নয়। এরপর বহু বছর ধরে বিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন তিনি।বিয়ে ভাঙার ব্যাপারে সোনিয়া বলেন, আমি যখন ডিভোর্সের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমার পরিবারকে জানাই, তারা আমার এই সিদ্ধান্ত একদমই মেনে নেয়নি। কিন্তু আমার দুই ছেলে আর বন্ধুরা আমাকে সব সময় সমর্থন জানিয়েছেন।

৪৫ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, তিনি এশিয়ান সিঙ্গেল প্যারেন্ট নেটওয়ার্ক থেকেও সাহায্য পেয়েছিলেন। তিনি যে, ডিভোর্স পার্টি আয়োজন করেছিলেন তা ছিল তার বাবা-মাকে দেখানো; যারা শেষ পর্যন্ত তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন।

বিয়ে বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া ২০১৮ সালে শুরু হয়েছিলো। কিন্তু এটি তিন বছর ধরে টানা ছিলো। অবশেষে অনেক আলোচনা, আদালতে উপস্থিতি, বিচার এবং মতবিরোধের পরে বিয়ে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।সোনিয়া বলেন, মানুষ সাধারণত বিশ্বাস করে যে, বিয়ে বিচ্ছেদের পরে কোন জীবন নেই। এরপরে আপনার জীবন শেষ হয়। কিন্তু আসলে আমার সবেমাত্র শুরু হয়েছে। আমি এ বছরগুলোতে অনেক কিছু শিখেছি এবং অনেক শক্তিশালী ব্যক্তি হয়েছি। আমি সব সময় চেয়েছিলাম পুরনো আমাকে ফিরে পেতে। আমি এখন মুক্ত মনে করি। আমি যেন কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি এবং এখন আমি সত্যিই আমার সেরা জীবন যাপন করছি।

ঢাকা বিভাগে সাড়ে তিন হাজার মাদক কারবারি, শিগগিরই গ্রেপ্তার

চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তাদের তথ্যমতে, শুধু ঢাকাতেই সাড়ে তিন হাজার মাদক কারবারি রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বলছে, তালিকা ধরে শিগগিরই অভিযান শুরু করবে তারা।
শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা বিভাগের প্রধান ও সংস্থাটির অতিরিক্ত পরিচালক ফজলুর রহমান।
তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এর আগেও মাদক কারবারিদের তালিকা তৈরি করেছিল। দুই মাস আগে পূর্বের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। আমরা ঢাকা বিভাগের মাদক কারবারিদের গ্রেফতারে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করছি।
তিনি বলেন, ইতি মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার জন্য লোকবল ও লজিস্টিক সার্পোট কিছুটা বেড়েছে। আমরা অভিযানের সংখ্যাও বৃদ্ধি করেছি।
সম্প্রতি রাজধানীর গুলশান, ভাটারা, কুড়িল ও রমনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫৬০ গ্রাম আইস ও ১২০০ পিস ইয়াবাসহ পাঁচ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) দাবি, এটি এখন পর্যন্ত ঢাকায় জব্দ হওয়া আইসের সবচেয়ে বড় চালান। এ সময় দুটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য কোটি টাকা।

তিনি বলেন, মাদকটির প্রতি গ্রামের দামই প্রায় ১০ হাজার ৫০০ টাকা। এই মাদকসেবন ব্যয়বহুল হওয়ায় সচ্ছল পরিবারের ছেলেমেয়েরাই এই মাদকের সঙ্গে জড়িত হয়। এই গ্রেপ্তার পাঁচজনও সচ্ছল পরিবারের। যেমন- জাকারিয়া অস্ট্রেলিয়া থেকে পড়াশোনা করে এসেছে। তারেক আহম্মেদ যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে। এছাড়া জসিম উদ্দিন বাড়ি ও গাড়ির মালিক। সবাই অর্থ ও বিত্তশালী।
এরা কেন জড়িয়ে পড়ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, মূলত এরা প্রলোভনে এই অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে। আইসের দাম অনেক বেশি হওয়ায় মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা অধিক টাকা আয়ের লোভে প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে তাদের নিয়ে আসে।
তিনি বলেন, যারা ইয়াবা কারবার করে তারা নতুন করে মিয়ানমার থেকে আইস মাদকের কারবারে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে। এছাড়াও বর্তমানে আইস মাদকে যুক্ত হচ্ছে বিত্তশালীরা। গ্রেফতার আসামীদের সবার অবস্থা ভালো ও তারা বিত্তশালী।  তাদের কেউ ইংল্যান্ড থেকে বিবিএ করেছেন, কেউ আবার অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করেছেন। তারাই রাজধানীর অভিজাত এলাকায় করছেন মাদকের কারবার। তারা সেবনের পাশাপাশি ভয়ানক মাদক আইস কারবারের সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন।
এসব মাদকের উৎস মিয়ানমার। নাফ নদী পথে গভীর সমুদ্র হয়ে মাদকের এসব চালান দেশে আসছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ক্রিস্টাল মেথ (আইস) একটি ভয়ঙ্কর মাদক যা ইয়াবার থেকে বহুগুন শক্তিশালী। এই মাদক মানুষের মস্তিস্কের নিউরোনে ব্যপক প্রভাব ফেলে। এটি একটি ক শ্রেণির মাদকদ্রব্য।

সহজ হলো বি‌দেশ ভ্রমণে টাকা নেওয়ার পদ্ধতি

বি‌দেশ ভ্রমণে এনডোর্সমেন্ট বা টাকা নেওয়ার পদ্ধতি সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থে‌কে পাসপোর্টের মেয়াদ যত‌ বছরের থাক‌বে তত বছ‌রের জন্য একস‌ঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট করা‌ যা‌বে। অর্থাৎ যদি কারও পাসপোর্ট এর মেয়াদ পাঁচ বছর থাকে তাহলে তিনি পাঁচ বছরের জন্য একসঙ্গে ৬০ হাজার ডলার এনডোর্স করাতে পারবেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী বছরে ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে পারবেন না।বৃহস্প‌তিবার (২৩ সে‌প্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক‌টি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হ‌য়ে‌ছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক সংশ্লিষ্ট নিবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তির অনুকূলে তার পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন আন্তর্জাতিক কার্ডে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় ও নির্ধারণ করতে পারবে। ত‌বে এডি ব্যাংককে নির্দিষ্ট কয়েকটি শর্ত মেনে চলতে হবে। যেমন, বাৎসরিক সীমা ১২ হাজার মার্কিন ডলার অতিক্রম কর‌তে পার‌বে না। ভ্রমণ কোটার অব্যবহৃত অংশ পরবর্তী বছরে স্থানান্তর করা যাবে না। এছাড়া বিদেশে চাকরি ও ইমিগ্র্যান্ট হিসেবে কিংবা শিক্ষার জন্য বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদকালীন এনডোর্সমেন্ট করা যাবে না বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে। তবে সম্পূরক কার্ডধারী ব্যক্তি তার ভ্রমণ কোটার আওতায় এ সুবিধা পাবেন।

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত ভ্রমণ কোটা প্রযোজ্য হয়ে থাকে। তবে নির্দিষ্ট ভ্রমণ পরবর্তী বছরের মধ্যে পড়লে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত একটি কোটা এবং জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে অন্য বছরের কোটা ব্যবহার করতে হবে।

পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় বা নির্ধারণ সুবিধা গ্রহণ করা না হলে কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়ের ক্ষেত্রে ঘটনাত্তর এনডোর্সমেন্ট করার সুবিধা সার্কুলারে রাখা হয়েছে।

যৌক্তিক কারণে কার্ডের মাধ্যমে ভ্রমণ ব্যয় বাৎসরিক কোটা সীমা অতিক্রম করলে ওই অর্থ গ্রাহকের নিবাসী বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি দ্বারা সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জাতীয় হিসাব না থাকলে পরবর্তী বছরের ভ্রমণ কোটার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫০০ মার্কিন ডলার সমন্বয় করা যাবে।এতে আরও বলা হয়েছে, পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন বৈদেশিক মুদ্রা আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে ছাড়করণের সুবিধা বিদেশগামী যাত্রীদের ভ্রমণ সহজ করবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

অপকর্মে জড়িতরা আ.লীগের মনোনয়ন পাবেন না: কাদের

যেসব জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন ধরনের অপকর্মে যুক্ত হয়েছেন, মাদক, সন্ত্রাসের সাথে জড়িত- তাদের আগামীতে যেকোনো পর্যায়ের নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব‌্য রাখতে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।

যাদের মানুষ পছন্দ করে তাদেরকেই নেতা বানাতে হবে।  নিজের পছন্দের কাউকে নয়, দায়িত্বশীল নেতাদের উদ্দেশ‌্য বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।বিএনপির হাতে দেশের গণতন্ত্র নিরাপদ নয় মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন তারা দেশের জন্য রাজনীতি করে না, তারা রাজনীতি করে লুটপাটের জন্য।

জনগণ বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলেই তারা নির্বাচনকে ভয় পায় দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তাই নির্বাচন নিয়ে বিএনপি অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশের মানুষ ভালো আছে বলেই বিএনপি ভালো নেই।ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক এক করে দেশে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, একাধিক আন্ডারপাস, চারলেন, আটলেন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ায় বিএনপির গায়ে জ্বালা ধরেছে, বিএনপি নেতাদের এত উন্নয়ন সহ্য হয় না বলে তারা প্রলাপ বকছে। বিএনপির সেই অন্ধকার যুগ পেরিয়ে আজকে বাংলাদেশে শান্তির সুবাতাস বইছে, এটাই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসায় জাতিসংঘ মহাসচিব

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিস্ময়কর উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস।বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তোনিও গুতেরেসের সাথে বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন তিনি।বৈঠকের পর লোটে নিউইয়র্ক প্যলেস হোটেলে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও মানবিকতার প্রশংসা করেছেন। তিনি (গুতেরেস) বাংলাদেশে ‘মিরাকল’ উন্নয়ন অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন।

আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশের সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেরও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আন্তোনিও গুতেরেস। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, এই সাফল্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশকে অনেক কষ্ট শিকার করতে হয়েছে।

তিনি বলেন, বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ওয়েলকাম টু ইওর হোম। জাতিসংঘের বহু অর্জনের পেছনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব রয়েছে, বিশেষ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব।

বিভিন্ন সেক্টরে জাতিসংঘের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্টভাবে কাজ করার কথা তুলে তিনি বলেন, ইউএনডিপির যত প্রকল্প বাংলাদেশে নেওয়া হয়েছে, তার সবগুলোই সম্পন্ন হয়েছে। ইউএনডিপি সাহায্য করেছে, কারিগরি সহায়তা দিয়েছে। কিন্তু আমরা তাদের পথ দেখিয়েছি, কীভাবে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হয়।

তিনি আরও বলেন, এগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ভাবন। জাতিসংঘ আমাদের সহায়তা করেছে এবং এই প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘও গর্বিত হয়েছে যে ভালো কাজে তারা সম্পৃক্ত হয়েছে।জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ভূমিকার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘শীর্ষে’ রয়েছে।

জাতিসংঘ বাংলাদেশকে ‘সম্মান করে’ মন্তব্য করে আব্দুল মোমেন বলেন, জাতিসংঘের বিভিন্ন এজেন্সিতে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দেয়। পাশপাশি বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

নিউইয়র্ক সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের অর্জনের জন্য ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন। জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলুশান নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন), গ্লোবাল মাস্টার্স অব ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ ইনিস্টিউট ও সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার প্রদান করে।

ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে গণতন্ত্রের ভিত মজবুত করে, জবাবদিহিতার সুযোগ বাড়ায়। এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রম প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়।’ওবায়দুল কাদের মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তার দপ্তরে ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন।শেখ হাসিনার সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে আসছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গতকাল অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচন দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বেড়েছে, যা ইতিবাচক।’

সংবিধান অনুযায়ী সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করে আসছে দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আশা করি, নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নিবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির কথা শুনলে মনে হয়, দেশে একমাত্র তারাই গণতন্ত্রের ধারক, বাহক ও রক্ষক। তারাই গণতন্ত্রের সোল এজেন্ট। বিএনপি নিজেদের দ্বারা গণতন্ত্র হত্যার অতীত ভুলে গেছে। ভুলে গেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের চলমান অগ্রযাত্রায় পদে পদে প্রতিবন্ধকতা তৈরির কথাও। মুখে জনগণের অধিকার আর গণতন্ত্রের কথা বললেও নির্বাচনে অংশ না নেওয়া বিএনপির স্পষ্ট দ্বিচারিতা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়েও সংসদে যান না, অথচ জনগণের অধিকারের কথা বলেন। এ থেকে বুঝা যায়, তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। বিএনপি এসব বুঝতে পেরেই ভরাডুবি এড়াতে নির্বাচন থেকে দুরে সরে গেছে, যা প্রকারন্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।’

তিনি বলেন, ‘দলীয় শীর্ষ নেতাদের হঠকারিতা আর সরকারের বিরুদ্ধে অতিমাত্রায় কৌশল করতে গিয়ে বিএনপি এখন আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে। তারা এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। ফাঁদ থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলেও নেতিবাচক আর দূর-নিয়ন্ত্রিত রিমোট কন্ট্রোলে বিএনপির সঙ্কট আরও নিমজ্জিত হয়েছে।’

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের চিঠি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিষয়টি দেখবেন।’শেখ হাসিনা সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যের অবাধ প্রবাহে বিশ্বসী উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘করোনাকালে কিংবা অন্যান্য সময়ে গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সুখে-দুঃখে শেখ হাসিনা সবসময় পাশে ছিলেন, ভবিষ্যতেও থাকবেন।’

সাংবাদিকদের জন্য বিএনপি মায়াকান্না করছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘যাদের হাত সাংবাদিকদের রক্তে রঞ্জিত, আজ তারা সাংবাদিকদের জন্য মায়াকান্না করছে। এ নিয়ে বিএনপির কথা-বার্তা মাছের মায়ের পুত্র শোকের মতো।’

সঞ্চয়পত্রে কমল মুনাফার হার

জাতীয় সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলোর মুনাফার হার কমিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

নতুন হার অনুযায়ী, ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রের স্কিমে মুনাফার হার আগের মতো রাখা হলেও, এর বেশি পরিমাণ স্কিমে মুনাফার হার কমানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। এছাড়া আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনঃবিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্যই নতুন এই মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। তবে নতুন নিয়মে এই সঞ্চয়পত্রে যারা ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফার হার হবে সাড়ে ৯ শতাংশ। তবে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১.০৪ শতাংশ। সেটি এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মেয়াদ শেষে মুনাফা পাওয়া যাবে ৯ শতাংশ। তবে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

অবসরভোগীদের জন্য নির্ধারিত পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১.৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যেত। এখন এই সঞ্চয়পত্রে যারা ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করলে এই হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তবে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

পরিবার সঞ্চয়পত্রের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার বর্তমানে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। তবে এখন থেকে এই সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই হার সাড়ে ৯ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এর মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে মুনাফার হারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এই স্কিমের মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ রাখা হয়েছে।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে নতুন নিয়মে এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়া ওয়েজ আর্নার’স ডেভলপমেন্ট ফান্ডের বর্তমান মুনাফার হার ১১ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে নতুন হারে ১৫ লাখের বেশি বিনিয়োগ করলে মুনাফা মিলবে ১০ দশমিক ২৭ শতাংশ। আর ৩০ লাখের বেশি বিনিয়োগে মুনাফা পাওয়া যাবে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এ ছাড়া বিনিয়োগ ৫০ লাখের বেশি হলে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ হারে মুনাফা পাওয়া যাবে।

টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় ট্রুডো

আবারও ক্ষমতায় এলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। যদিও সোমবার অনুষ্ঠিত ৪৪তম সাধারণ নির্বাচনে তুমুল লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানা গেছে, জয়ের খবরে এক বক্তব্যে জাস্টিন ট্রুডো একে ‘ক্লিয়ার ম্যান্ডেট’ বলে উল্লেখ করেছেন।এদিকে, মঙ্গলবার মন্ট্রিলে বক্তব্য প্রদানকালে জাস্টিন ট্রুডো সমর্থকসহ, বিরোধী দলীয় নেতা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, কয়েক বছর ধরে আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি। আমরা অনেক এগিয়েছি। চলুন, সবাই একসঙ্গে কাজ করি। এসময় কানাডায় নতুন দিন সূচনা করার প্রতিশ্রুতিও দেন ট্রুডো।এবার করোনা মহামারির মধ্যে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই বছর আগে নির্বাচন দিয়েছেন ট্রুডো।নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলের পাওয়া তথ্যে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল পার্টি ১৫৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। যেখানে এককভাবে সরকার গঠনে যেকোনো দলকে কমপক্ষে ১৭০টি আসনে জয় পেতে হবে। ​অন্যদিকে, বিরোধী নেতা এরিন ও’টুলের রক্ষণশীল দল ১২১ এগিয়ে রয়েছে।​
সংসদের ৩৩৮টি আসনে ভোটার দুই কোটি ৭০ লাখ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। চলছে গণনা। এবার মেইলের মাধ্যমেও বহু ভোট পড়েছে। এবারের ভোটে করোনা মহামারি ছাড়াও দেশের অর্থনীতি, আবাসন, জলবায়ু সঙ্কট, স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও ভোটারদের মনে দাগ কেটেছে। তবে ট্রুডো কতটুকু স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারবেন সে শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।

জাতিসংঘের এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) দারিদ্র্য দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সার্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের সঠিক পথে অগ্রসরের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ প্রদান করেছে।

স্থানীয় সময় সোমবার নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এ পুরস্কার গ্রহণ করে বলেন— তিনি বাংলাদেশের জনগণকে এটি উৎসর্গ করছেন।মোমেন সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের পর টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে (এসডিজি) দ্রুত এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে এ পুরস্কার পাওয়াকে দেশের সফলতার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে অভিহিত করেন।বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন কৌশলবিদ অধ্যাপক জেফ্রি ডি. সচ’র নেতৃত্বে জাতিসংঘ মহাসচিবের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১২ সালে এসডিএসএন প্রতিষ্ঠা করা হয়।টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোই এ প্ল্যাটফরমের লক্ষ্য।অনুষ্ঠানের সঞ্চালক শেখ হাসিনাকে ‘জুয়েল ইন দি ক্রাউন অব দি ডে’ হিসেবে তুলে ধরেন এবং সচ বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাস চলাকালেও এসডিজি প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে তার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এ পুরস্কার হচ্ছে এসডিজির লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে জোরালো দায়িত্ব পালনের একটি প্রমাণপত্র।’প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) ফাঁকে আজ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ব্রিটেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের যৌথভাবে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সরকারপ্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন।

হার্ট ভালো রাখা সহ যে সকল স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে ধুন্দুলে

সবুজ রঙের ধুন্দুল সবজির সঙ্গে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। এই সবজি সারা বছরই পাওয়া যায়। মাছ রান্না বা ভাজি যা-ই বলুন; এই সবজির তরকারি খুবই সুস্বাদু।

এটি দেখতে অনেকটা ঝিঙের মতো। যা জুকিনি, কোর্জেট নামেও পরিচিত। দক্ষিণ আমেরিকার জনপ্রিয় একটি খাদ্য এই সবজি।বর্তমানে জাপান, চীন, রোমানিয়া, ইতালি, তুরস্ক, মিসর এবং আর্জেন্টিনার বাসিন্দারা চাষের মাধ্যমে এটির উৎপাদন করেন।ধুন্দুলে রয়েছে পানি, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফোলেট এবং বিটা ক্যারোটিন।

আসুন জেনে নেই ধুন্দুলের স্বাস্থ্য উপকারিতা-

১. হজম ক্ষমতা বাড়ায় ধুন্দুল। ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় পেটের নানাবিধ সমস্যা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ও পাশাপাশি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

২. হার্ট ভালো রাখতে এই সবজি। ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম এবং ফোলেট, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকায় হার্টের ভালো রাখে। এতে থাকা ফাইবার স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

৩. এই সবজি দৃষ্টিশক্তি ভালা রাখে। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং বিটা ক্যারোটিন থাকায় চোখের দৃষ্টি উন্নত করে।

৫. এতে স্টার্চ ও কার্বোহাইড্রেট কম থাকে এবং ফাইবার ও পানির পরিমাণ বেশি থাকে। তাই এটি স্বল্প ফ্যাটযুক্ত খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই শরীরের ওজনকে নিয়ন্ত্রণ আনে।

৬. এই সবজি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি। যা ক্যান্সারের জীবাণু থেকে শরীরকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৭. এই সবজিতে থাকা লুটেইন এবং জেক্সানথিন নামক দুটি ক্যারোটিনয়েড হাড় এবং দাঁত শক্তিশালী করে। এছাড়াও এতে থাকা ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফোলেট হাড়ের বৃদ্ধিতে খুবই উপকারী।

৮. মাথার চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ধুন্দুলে থাকা ভিটামিন-বি ২, ভিটামিন-সি এবং জিঙ্ক মাথার চুলের বৃদ্ধিতে ও চুলের গোড়া শক্ত করে। এছাড়া শুষ্ক, রুক্ষ চুল ও খুশকি দূর করে।