All posts by lutfor

নাইকো দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ২৫ সেপ্টেম্বর

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছে আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক মাহমুদুল হাসান সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতির মামলা দায়ের করে দুদক। পরে তদন্ত শেষে খালেদা জিয়া ও তার পুত্র আরাফাত রহমান কোকোসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের কাজ গ্লোবাল অ্যাগ্রো ট্রেড কোম্পানিকে (গ্যাটকো) পাইয়ে দেয়া হয়। এর মধ্যদিয়ে রাষ্ট্রের প্রায় এক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

অংশগ্রহণমূলক ভোটের পরিবেশ তৈরির পরামর্শ সাংবাদিকদের

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে যথাযথ পরিবেশ তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। এছাড়া নির্বাচন কমিশনকে তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিসহ বিভিন্ন মত দিয়েছেন তারা। নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন নিয়ে দুই ধরনের মতই এসেছে।

বুধবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে গণমাধ্যম কর্মীরা এসব পরামর্শ দেন। আজকের সংলাপে ২৬ জন গণমাধ্যম প্রতিনিধি অংশ নেন। বেলা সোয়া দশটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে সংলাপে চার নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব ও সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত ৩১ জুলাই থেকে সংলাপ শুরু করে ইসি। সেদিন সংলাপে অংশ নিয়ে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা নির্বাচনে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা, নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেয়া, ‘না’ ভোট প্রবর্তন করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেছিলেন। ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে আজ গণমাধ্যমের সঙ্গে সংলাপ করছে ইসি।

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, ‘সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির বিষয়ে আমরা মতামত দিয়েছি।’

বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগ ও নিরপেক্ষ ভূমিকা নিতে কমিশনকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রেসক্লাব সভাপতি শফিকুর রহমান জানান, জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের সমর্থন করেন না তিনি। সেই সঙ্গে নামসর্বস্ব পর্যবেক্ষণ সংস্থাকে যেন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ না দেয়া হয়।

‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে নিরপেক্ষ ভূমিকা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘নির্বাচন একটা রাজনৈতিক উৎসব। সব দলের অংশগ্রহণ যেন নিশ্চিত করা যায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। দলগুলোর আস্থা অর্জন করতে হবে।’

বুলবুল জানান, সার্বিকভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই বলে অনেকে মত দিয়েছেন। অনেকে বলেছেন এখন যেভাবে মোতায়েন করা হয় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা থাকতে পারে। কেউ কেউ বলেছেনে ‘নো’ ভোট না থাকা ভালো, কেউ কেউ বলেছেন ‘নো’ ভোট থাকতে পারে।

সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপত্ত নিশ্চিতে বিশেষ নজর দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

শ্যামল বলেন, ‘এ নির্বাচনের দিকে সবাই তাকিয়ে রয়েছে। সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে ইসির স্বাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে। এমন আচরণ করতে হবে যাতে জনগণের আস্থা তৈরি হয়। আস্থা অর্জনে প্রয়োজনে কঠোর হতে হবে।’

শ্যামল দত্ত জানান, নির্বাচনের পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের জন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে। সামনে সিটি নির্বাচনের ওপরই জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে আস্থা তৈরির পথ প্রশস্ত হবে বলে মনে করেন তিনি।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আমানুল্লাহ কবীর জানান, এখন থেকেই সবার জন্যে সমান সুযোগ তৈরি করতে উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ইভিএম নিয়ে সব দলের সঙ্গে আলোচনার পর সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ইত্তেফাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশিস সৈকত বলেন, ‘বিদ্যমান সীমানাতেই ভোট করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। জনসংখ্যার ভিত্তিতেই সীমানা পুননির্ধারণ করতে হবে। ২০১১ সালে সর্বশেষ আদমশুমারি প্রতিবেদন হওয়ায় নতুন করে আর সীমানা পুননির্ধারণের দরকার নেই।’

তবে নতুন প্রশাসনিক এলাকা ও বিলুপ্ত ছিটমহল যোগ করেই সংসদীয় আসনের গেজেট করার পরামর্শ দেন তিনি।

সেই সঙ্গে নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানান আশিস।

প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী কোনো দল যাতে নিবন্ধন না পায় সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। জামায়াত যাতে অন্য কোনো নামে বা অন্য কোনো ফরম্যাটে ভোট করতে না পারে সে বিষয়ে আইনি উদ্যোগ নিতে হবে।’

সংলাপে যারা ছিলেন

নূরুল কবীর, সাইফুল আলম, আশিস সৈকত, মোস্তফা কামাল, মতিউর রহমান চৌধুরী, খন্দকার মুনীরুজ্জামান, শ্যামল দত্ত, নাঈমুল ইসলাম খান, নঈম নিজাম, আনিস আলমগীর, মো. শফিকুর রহমান, ফরিদা ইয়াসমিন, সামশুল হক, মনজুরুল আহসান বুলবুল, ওমর ফারুক, মো. আব্দুল্লাহ, মাহফুজউল্লাহ, কাজী সিরাজ, আনিসুল হক, আমানুল্লাহ কবীর, গোলাম মর্তুজা, বিভুরঞ্জন সরকার, মাহবুব কামাল, সোহরাব হাসান, কাজী রোকনুদ্দীন আহমদ (ইসির তালিকার ক্রমানুসারে)।

যেসব সুপারিশ এলো

ইসি’র ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বেলা আড়াইটায় সংলাপের বিষয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রাপ্ত সুপারিশ তুলে ধরেন। সেগুলো হলো:

১. সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন প্রত্যাশা করেন গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা।

২. বিদ্যমান আইনের সঠিক প্রয়োগ করার পরামর্শ;

৩. সেনা মোতায়েনের পক্ষে বলেছেন কেউ কেউ; অধিকাংশই বলেছেন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন হলে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।

৪. না ভোটের পক্ষে-বিপক্ষে মত; কেউ ভালো বলেছেন, কেউ কেউ না ভোটের বিপক্ষে বলেছেন।

৫. দেশ-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

৬. গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বাংলায় করার পরামর্শ;

৭. জনসংখ্যার ভিত্তিতে সীমানা পুননির্ধারণ করার পরামর্শ;

৮. সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি;

৯. আচরণবিধি প্রয়োগে কঠোর হওয়ার পরামর্শ;

১০. প্রবাসীদের ভোটার ও ভোট দেয়ার ব্যবস্থা;

১১. নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ;

১২. ধর্মকে যেন কোনোভাবেই ভোটের প্রচারে ব্যবহার করতে না পারে;

১৩. অবৈধ অর্থ ও পেশিশক্তির ব্যবহার রোধ;

১৪. প্রার্থীদের হলফনামা প্রকাশ ও প্রচারের উদ্যোগী হতে হবে;

১৫. নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও কাউকে যেন ভোকেন্দ্রে গিয়ে ফিরে আসতে না হয়;

১৬. ইসিকে দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে;

১৭. অনলাইনে মনোনয়ন নেয়ার সুযোগ দিতে হবে;

১৮. লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে;

১৯. ভোটার ও প্রার্থীর আস্থা তৈরি করতে হবে;

২০. নারী ভোটার উপস্থিতি ও নারী নেতৃত্বের অগ্রগতি ধরে রাখতে ভূমিকা নিতে হবে।

ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, ‘এ সংলাপে ২৬ জন উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার অনলাইন, টিভি ও রেডিও’র সঙ্গে বসবে ইসি। পর্যায়ক্রমে সবার সঙ্গে বসে সব সুপারিশ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।’

এ সংলাপের মাধ্যমে সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের পথ প্রশস্ত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উল্লাপাড়া বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস

আহসান হাবিব হেলাল উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ):জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ
মজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে
উল্লাপাড়া উপজেলা প্রশাসন দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল মিলাদ মাহফিল, শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা,
কবিতা আবৃতি, শোক শোভা যাত্রা, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্প
স্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান। উল্লাপাড়া সংসদ
সদস্য তানভীর ইমাম এতে প্রধান অতিথি ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা সন্দ্বীপ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যান্যের
মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এড.মারুফ বিন হাবিব, পৌর
মেয়র এস.এম নজরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম, উল্লাপাড়া
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দেওয়ান কৌশিক আহমেদ, জেলা পরিষদ সদস্য

রিবলী ইসলাম কবিতা। এ ছাড়া উল্লাপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ পৃথক শোক
র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

উল্লাপাড়ায় গৃহবধুর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আহসান হাবিব হেলাল উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) :উল্লাপাড়া থানা পুলিশ
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মহিষাকোলা গ্রাম থেকে শারমিন সুলতানা (২২)
নামের এক গৃহবধুর ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো লাশ উদ্ধার করেছে। শারমিন এই
গ্রামের সুমন ইসলামের স্ত্রী এবং চট্টগ্রামের আব্দুর রহমানের মেয়ে।
সুমন আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
উল্লাপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক সবুজ রানা স্থানীয় লোকজনের উদ্ধৃতি
দিয়ে জানান, বেশ কিছু দিন ধরে শারমিনের স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয়
নিয়ে মনোমালিন্য ও গোলযোগ চলছিল। তবে স্থানীয়রা শারমিন আত্মহত্যা
করেছে বলে ধারণা করছে। এদিকে শারমিনের মৃত্যুর ঘটনার পর স্বামী সুমন
পালিয়ে গেছেন। সবুজ রানা আরও জানান, শারমিনের শোবার ঘরের ধর্ণা
থেকে ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শারমিন ভোরের দিকে মারা যেতে পারেন।
শারমিনের বাবার বাড়ি থেকে এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ
পায়নি পুলিশ। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া শারমিন আত্মহত্যা করেছে
বা খুন হয়েছে সে ব্যাপারে পুলিশ এখন নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে
না। শারমিনের বাবা চট্টগ্রাম থেকে উল্লাপাড়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে
উপ-পরিদর্শক সবুজ জানান।

সৌদি ভিসা পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৯২৪ হজযাত্রী

হজের জন্য এ বছর ১ লাখ ১৮ হাজার ৯২৪ জনকে ভিসা দিয়েছে ঢাকাস্থ সৌদি দূতাবাস। আর কোনও ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াধীন নেই বলে নিশ্চিত করেছেন তারা। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে হজগমনে ইচ্ছুকদের ভিসা নিশ্চিতকরণে নিবিড়ভাবে কাজ করেছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তারা জানিয়েছেন, সোমবার (১৪ আগস্ট) পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার ৯২৪ জনকে সৌদি ভিসা দেওয়া হয়েছে।

যারা হজে যেতে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন তাদের কাউকে নিরাশ করা হয়নি বলেও জানা গেছে মন্ত্রণালয় সূত্রে। তাদেরকে সৌদি দূতাবাস জানিয়েছে, আর কোনও ভিসা আবেদন বাকি নেই। জমাকৃত সব আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

আপনার পার্সওয়ার্ড কখনও হ্যাক হয়েছে? এক্ষুণি জেনে নিন

সম্প্রতি র‌্যানসামওয়্যার ভাইরাস অ্যাটাকের পর থেকে পাসওয়র্ড হ্যাক করা আরো সহজ হয়ে গেছেসম্প্রতি র‌্যানসামওয়্যার ভাইরাস অ্যাটাকের পর থেকে পাসওয়র্ড হ্যাক করা আরো সহজ হয়ে গেছে
ইন্টারনেটের যুগে কোনো কাজই এর সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়। তার ওপর স্মার্টফোনের দাপটে দিনে ১৮ ঘণ্টা অনলাইন থাকার প্রবণতা বাড়ছে। কিন্তু ভেবে দেখেছেন, আপনার অ্যাকাউন্ট কি কখনও হ্যাক হয়েছে?
জানার ইচ্ছে হয়নি, কেউ পাসওয়র্ড ক্র্যাক করে দিনের পর দিন আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দেখছে বা চুরি করছে কিনা?
যদি ইচ্ছে হয়ে থাকে তবে তা খুব একটা ভুল নয়। কারণ পাসওয়ার্ড আপনার অ্যাকাউন্ট খোলার চাবি। যার সাহায্যে আপনার যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য এমনকী সম্পত্তিও চুরি হয়ে যেতে পারে!
প্রায় মাস খানেক আগে একটি সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে সাইবার ক্রাইম সংঘটিত হয়েছে ভারতে।
কম্পিউটার এমার্জেন্সি রেসপন্স টিম জানিয়েছে, সম্প্রতি হয়ে যাওয়া র‌্যানসামওয়্যার ভাইরাস অ্যাটাকের পর থেকে পাসওয়র্ড হ্যাক করা আরো সহজ হয়ে গেছে।
বিশ্বের দিকে তাকালে হ্যাকড হওয়া পাসওয়র্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০৬ মিলিয়ন, যা রীতিমতো আতঙ্কিত করছে বিশেষজ্ঞদের। প্রতি দিন হ্যাকারদের দাপট বাড়ছে। তাদের আটকানোর জন্য নানা রকম ব্যবস্থা নিলেও নিত্যনতুন পন্থায় হ্যাক হচ্ছে ওয়েবসাইট এবং সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্ট।
সম্প্রতি ‘Have I Been Pwned’ নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়েছে, যাতে চাইলে যে কেউ নিজেদের পাসওয়র্ড কখনও হ্যাক হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। অস্ট্রেলিয়া নিবাসী সাইবার সিক্যুরিটি বিশেষজ্ঞ ট্রয় হান্ট এই টুলটি তৈরি করেছেন।
লিঙ্কে ক্লিক করে যে পেজটি খুলবে তাতে পাসওয়র্ড টাইপ করার একটি নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে। তাতে নিজের পাসওয়র্ড টাইপ করে পাশের PAWNED? বাটনে ক্লিক করলেই আপনি দেখতে পাবেন যাবতীয় তথ্য। যদি হ্যাক হয়ে থাকে, তবে দেরি না করে অবিলম্বে পাসওয়র্ড পাল্টে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছে ট্রয়।

শতাধিক সন্তানের জনক কফি আসিলেনু স্ত্রী ১২

সন্তানকে যদি সম্পদ মনে করা যায়, তাহলে তো অর্থনৈতিক সংকটে পড়ার কথা নয়। বরং সন্তান জন্মদানে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করবে যে কোনো বাবা-মায়ের।

আফ্রিকার দেশ ঘানায় বহু বিবাহের প্রচলন রয়েছে। দেশটিতে বহু সন্তানকে সম্পদের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আর যেটা কিনা ৮০ বছর বয়সী কৃষক কফি আসিলেনুকে সন্তান জন্মদানে উৎসাহ যুগিয়েছে।

কফি আসিলেনু ঘানার রাজধানী আক্রার অদূরে আমানকরম গ্রামে বসবাস করেন। তার ১২ জন স্ত্রী রয়েছে এবং তিনি শতাধিক সন্তানের বাবা। আর এজন্য কফি বেশ গর্ব অনুভব করেন। তিনি অবশ্য আরো সন্তান প্রত্যাশা করেন। গ্রামটির মোট জনসংখ্যা ৬০০ জন। সে হিসেবে সেখানে মোট জনসংখ্যার ছয় ভাগের একভাগ কফির পরিবারের সদস্য।

কফি জানান, তার কোনো ভাইবোন ও চাচা নেই। তাই পরিবার বড় করার উদ্দেশে তিনি একের পর এক সন্তানের বাবা হয়েছেন। শতাধিক সন্তানের এই জনক শারীরিকভাবে যথেষ্ট শক্তিশালী ও সুস্থ রয়েছেন। তার সন্তানরা বেশ ভালোই আছেন। বেশ কয়েকজন কাজ করে অর্থ উপার্জন করেন এবং তাদের বাবার দেখাশুনা করেন।

বড় পরিবার হওয়া সত্ত্বেও কফির ১২ জন স্ত্রী ও সন্তানরা বেশ ভালোই আছেন। কফির প্রথম স্ত্রী নিয়োমে আসিলেনু জানান, কফির সব স্ত্রীর ভরণপোষণে সক্ষমতা আছে। তার স্বামী বহু বিয়ে করে ভুল কিছু করেননি। সূত্র: বিবিসি

যতদিন ভুয়া জন্মদিন পালন, ততদিন সংলাপ নয়: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার তার ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও পাসপোর্টে ১৫ আগস্ট তার জন্মদিন নয়। তিনি ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালন করে গণতন্ত্রের ধারাকে ব্যাহত করছেন, সংলাপের পরিবেশ নষ্ট করছেন। যতদিন খালেদা জিয়া শোকাবহ ১৫ই আগস্টে তার ভুয়া জন্মদিন পালন করবেন, ততদিন বিএনপির সঙ্গে কোনো সংলাপ ও সম্পর্ক উন্নয়ন হবে না।

মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার ছেলে আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার (খালেদা জিয়া) বাড়ি গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেখা করেননি। সেদিন খালেদা জিয়া দেখা করলে সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি হতো। এছাড়া বিএনপির অতীত কর্মকাণ্ড ও ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালনের কারণেও সংলাপের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশে থাকা বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। এই সরকারের মেয়াদকালেই তাদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের বলেন, বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য যে কমিটি কাজ করছে, তিনিও (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) সেই কমিটির সদস্য। সরকার খুনিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে।

ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই: নৌমন্ত্রী

ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান। তিনি বলেন, ‘আগস্ট মাস এলেই তাদের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র বাড়তে থাকে। আজও ঢাকায় ষড়যন্ত্র হয়েছিল। আইন-শৃংখলা বাহিনী সে ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়েছে।’

মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বিআইডব্লিউটিএ ভবনে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় আয়োজন করে।

শাহজাহান খান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে মনে প্রাণে ধারন করে তাঁর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’

নৌমন্ত্রী বলেন, ‘ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে বিএনপি নতুন ষড়যন্ত্র করছে। তাদের ষড়যন্ত্রকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করা হবে। বিএনপি সরকারের উন্নয়ন দেখতে পায়না, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করে অর্থনৈতিকভাবে পর্যুদস্ত করতে চায়। কিন্তু তাদের কোনও ষড়যন্ত্রই সফল হবেনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে কাজ করছেন। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী সে উন্নয়নের ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিএনপি-জামাতসহ স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের অপতৎপরতা সম্পর্কে সকলকে সজাগ থাকতে হবে।’

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মোজাম্মেল হক, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ড. প্রকৌশলী ঞ্জান রঞ্জন শীল, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্ত্তী, নৌপরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডোর সৈয়দ আরিফুল ইসলাম, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর জাহাঙ্গীর আলম, বিআইডব্লিউটিএ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল আউয়াল এবং বিআইডব্লিউটিএ’র সিবিএ’র সভাপতি আবুল হোসেন প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্র উদঘাটনে কমিশন গঠনের দাবি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় জড়িতদের বিচার হলেও সেটা পূর্ণাঙ্গ হয়নি বলে জোরাল মত আছে। কারণ, এই হত্যার ষড়যন্ত্রে কারা জড়িত ছিল, সেটি তদন্তে উঠে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে এই ষড়যন্ত্র উদঘাটনে কমিশন গঠনের দাবি উঠে এসেছে শোক দিবসের আলোচনায়।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে শোক দিবসের আলোচনায় এই দাবি উঠে আসে। এর আগে অন্য একটি আয়োজনে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাও একই কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শোক দিবসের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘তাঁকে (বঙ্গবন্ধু) হত্যার পেছনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র ছিল। এই ষড়যন্ত্রের বিস্তারিত তথ্য আমাদের জাতীয় ইতিহাসে সন্নিবেশিত হওয়া প্রয়োজন। এই হত্যা রহস্যের উদ্ঘাটন এখন সময়ের দাবি।’

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রের মূল ধারাই পাল্টে ফেলা হয়। ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শ পাল্টে ধর্মভিত্তিক জাতীয়তাবাদী আদর্শ চালু হয়। স্বাধীনতাবিরোধীরা রাজনীতি শুরুর সুযোগ পায়। এক পর্যায়ে রাষ্ট্রক্ষমতায়ও চলে আসে তারা। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ১৬ বছর দেশ ছিল সামরিক শাসনের অধীনে।

এই সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা যাবে না মর্মে জারি হয় অধ্যাদেশ। আবার খুনিদের পুরষ্কৃত করে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় চাকরি দেয়া হয়।

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার শুরু হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আপিল বিভাগে বিচারক নিয়োগ বন্ধ রাখা হয় কেবল এই মামলার শুনানি বন্ধ রাখতে। পরে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিচারক নিয়োগের পর শুরু হয় বিচার। আর ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি পাঁচ খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তবে আপিল বিভাগ ফাঁসি দিয়েছিল মোট ১২ জনকে। বাকি আসামিদের মধ্যে এক জন মারা গেছেন বিদেশে, আর ছয় জনকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এখনও আলোর মুখ দেখেনি।

যারা বঙ্গবন্ধু হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিল, কেবল তাদের বিচার হয়েছে। কিন্তু এর নেপথ্যে কারা ছিল, সেটা বের করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে গত কয়েক বছর ধরেই এই ষড়যন্ত্র উদঘাটনের ওপর গুরুত্বারোপ করছেন ইতিহাসবেত্তারা।

শোক দিবসের আনুষ্ঠানিকতায় সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাও এই বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যার সঙ্গে অনেক রাঘব-বোয়াল জড়িত ছিল। কিন্তু তদন্তে দুর্বলতার জন্য তাদেরকে বিচারে সোপর্দ করা যায়নি। এটি ছিল একটি ফৌজদারি ষড়যন্ত্র।’

উচ্চ আদালতে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার শুনানির স্মৃতিচারণ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমি নথি পর্যালোচনা করে দেখলাম এই ষড়যন্ত্রের মধ্যে আরো অনেক রাঘব বোয়াল অনেকে… জড়িত ছিল। কিন্তু ইনভেস্টিগেশনের ত্রুটির জন্য আমরা তাদের আর বিচারে সোপর্দ করতে পারি নাই।’

‘আমাদের রায়ে আমরা পরিস্কারভাবে বলে দিয়েছি এটা একটা ক্রিমিনাল কনস্পিরেসি, পরিকল্পিতভাব হত্যা করা হয়েছিল এবং তাদেরকে বিচারের সোপর্দ করার জন্য।’

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে টিএসসির আলোচনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, ‘তিনি অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। সৎ, উদার, দেশপ্রেমিক, সাহসী ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মহান নেতা ছিলেন তিনি। মানুষকে তিনি অত্যন্ত ভালোবাসতেন। সাধারণ মানুষের ভাগোন্নয়নের সংগ্রামে তিনি মৃত্যু, জেল, জুলুমকে কখনও ভয় পাননি। আমাদের গর্ব, এ ধরণের নেতা আমরা পেয়েছিলাম।’

আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের পক্ষে আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৪৯ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু ছাত্রত্ব হারান। পরে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ২৪ বছর সংগ্রাম করে আমাদের স্বাধীন দেশ উপহার দেন।’

‘আজীবন তিনি আভিজাত্য নিয়ে রাজনীতি করেছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের বুলেটের সামনেও তিনি অবিচল ছিলেন। এই আভিজাত্য নিয়েই তিনি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন।’

উপাচার্য বলেন, ‘১৫ আগস্টকে শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ কামাল উদ্দীন, শিক্ষক সমিতির সভাপতি এ এস এম মাকসুদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্লাহ, অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ আলী আকবর, সাবেক উপ-রেজিস্ট্রার এ কে এম আমির হোসেন মিয়া প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এনামউজ্জামান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

এবার বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে। কর্মসূচীর মধ্যে ছিল- সব ভবন ও হলে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা প্রভৃতি।