All posts by lutfor

মিয়ানমারকে কড়া জবাব দেয়া হবে : আল-কায়েদা

রোহিঙ্গা নিপীড়নের জন্য মিয়ানমারকে কড়া জবাব দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদা। রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি সমর্থনের আহ্বান জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই জঙ্গিগোষ্ঠী বলছে, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য কঠিন ‘শাস্তি’ পেতে হবে মিয়ানমারকে।

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির পুলিশের ৩০টি তল্লাশি চৌকি ও একটি সেনাক্যাম্পে হামলা চালায় রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরা। এ হামলার জেরে রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর রোহিঙ্গাবিরোধী ক্লিয়ারেন্স অপারেশনে ৩ লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে হামলার সঙ্গে জড়িত আল-কায়েদা এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের মুসলিমদের ত্রাণ, অস্ত্র ও সামরিক সমর্থন দিয়ে সহায়তায় এগিয়ে আসতে বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

জঙ্গি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন গ্রুপ সাইট ইনটেলিজেন্স আল-কায়েদার বিবৃতির বরাত দিয়ে বলছে, আমাদের মুসলিম ভাইয়েরা বর্বর হামলার সম্মুখীন হয়েছে…শাস্তি ছাড়া আমরা এই বিষয়টি ছেড়ে দেব না।

মিয়ানমার সরকার আমাদের মুসলিম ভাইদের যে ধরনের পরিস্থিতিতে ফেলেছে, তাদেরও একই ধরনের পরিস্থিতি ভোগ করতে হবে।’

মিয়ানমার সরকার বলছে, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বৈধ অভিযান পরিচালনা করছে। দেশটির পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বেসামরিকদের ওপর হামলার অভিযোগে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর দাবি করেছে মিয়ানমার।

এদিকে মিয়ানমারের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে বোমা হামলা হতে পারে বলে সতর্ক দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে আল-কায়েদা দেশটিকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

আল-কায়েদার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আমরা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও ফিলিপাইনে আমাদের মুজাহিদ ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে, মুসলিম ভাইদের সহায়তা করতে বার্মার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়ুন। এজন্য প্রশিক্ষণ নেয়াসহ প্রতিরোধ গড়তে অন্যান্য প্রস্তুতিও সম্পন্ন করুন।

অন্যদিকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর যে সহিংসতা চলছে সেজন্য দক্ষিণ এশিয়াকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়া। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর অত্যাচার, নিপীড়নের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সমর্থকরা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাতুক সেরি হিসামুদ্দিন সতর্ক করে বলেছেন, জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট রাখাইনে শক্ত অবস্থান তৈরির পথ খুঁজছে। এজন্য সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা সংকটকে কেন্দ্র করেই তারা নিজেদের পরিকল্পনা তৈরি করতে পারে। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাচ্ছে সেনাবাহিনী।

সূত্র : রয়টার্স।

কোটি কোটি টাকার সম্পদ সন্তানদের দিয়েও ভিক্ষা করেন ৭৫ বছর বয়সী মা-বাবা!

৭৫ বছর বয়সী বাবা প্রায় দুই কোটি রুপির সম্পদ সন্তানদের মধ্যে ভাগ করে দেন। শেষ বয়সে বুড়ো-বুড়িকে সন্তানরা আগলে রাখবেন এতটুকুই চাওয়া ছিল তাদের। সম্পত্তি নেয়ার আগে সন্তানরাও কথা দিয়েছিলেন, প্রতিমাসে মা-বাবাকে ৫ হাজার রুপি করে খরচ দেবেন।

তবে সম্পদ হাতে আসার পর সব কথাই যেন বাতাসে মিলিয়েছে। স্বার্থপর সন্তানরা মাসিক কোনও খরচ তো দেননি, তার উপর মা-বাবার খোঁজও রাখেননি তারা।

কোটি টাকার সম্পদ হারানো উপায়ন্তরহীন বাবা-মা বর্তমানে অন্যের বাড়িতে কাজ করে নয়তো ভিক্ষা করে দিনাতিপাত করছেন।

সম্প্রতি হতভাগ্য কৃষক বাবন দিবাকর ও তার স্ত্রী সরস্বতি সন্তানদের বিরুদ্ধে খরচ চেয়ে মামলা করলে ভারতের মহারাষ্ট্রের এ ঘটনা সবার সামনে আসে। এ নিয়ে অনলাইন ও অফলাইনে চলছে তুমুল আলোচনা। খবর এনডিটিভির।

জানা যায়, শিরির কার্দি গ্রামের বাসিন্দা বাবন দিবাকরের ১৯ একরের উপর জমি ছিল। সন্তানদের সঙ্গে কথাবার্তার প্রেক্ষিতে এই জমি তিন সন্তানের মধ্যে ভাগ করে দেন বাবন। কিন্তু সন্তানরা জীবন ধারণের খরচ না দেয়ায় শেষ পর্যন্ত বাবন আর তার স্ত্রী আদালতের দরজায় কড়া নাড়েন। তিন ছেলে বালাসাহেব (৫০), কিসান (৪৫) এবং চন্দ্রকান্তের (৪০) বিরুদ্ধে মামলা করেন তারা।

বাবন বলেন, ‘২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট আমি সন্তানদের মধ্যে জমি ভাগ করে দেই। জমি ভাগের পর প্রথম দুই-তিন মাস সন্তানরা ঠিকমতোই খরচ পাঠাচ্ছিল। এরপরেই তারা গড়িমসি শুরু করে। টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে ঘুরিয়ে মারে। তবে জমি নেয়ার আগে তারা কতই না মধুর কথা বলতো।’

এদিকে বাবনের প্রথম সন্তান বালাসাহেব শিক্ষকতা পেশায় রয়েছেন। তার মাসিক আয় ৫০ হাজারের বেশি। তিনি অবশ্য তার বাবা-মায়ের উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

অন্যদিকে কৃষক বাবনের ছোট ছেলে চন্দ্রকান্ত বাবার মতোই কৃষক। তার দাবি, ফসল ঠিকমতো না হওয়ায় বাবা-মাকে সাহায্য করতে পারছেন না। তবে তাদের নিজের কাছে এনে রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

দুধ-কলা একসঙ্গে খান! কী বিপদ ডেকে আনছেন জানেন?

বাল্যকালে এই কবিতা লিখে রবীন্দ্রনাথ কানিক বাহবা কুড়িয়েছিলেন বলে আমরা জানি। বাঙালির দুধে-ভাতে অনিবার্য ভাবে এসে পড়ে কলা। তাছাড়া সাহেবরাই বা কম যায় কীসে! বেনানা-মিল্কশেকের স্বাদ তো তারাই দুনিয়াকে শিখিয়েছে। দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পোষার প্রবাদটির মধ্যেও একটা আতুপুতু ভাব রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে দুধ আর কলার কম্বিনেশনকে নিয়ে অতি ভয়ের কথা শোনাচ্ছেন পুষ্টিশাস্ত্রবিদরা।

সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খ্যাতনামা ডায়েটিশিয়ান হরিশ কুমার জানিয়েছেন, দুধ ও কলা একত্রসেবন মারাত্মক বিপজ্জনক হতে পারে। দুধ খাওয়ার অন্নত মিনিট ২০ পরে কলা খাওয়া উচিত। সেই সঙ্গে তিনি সাবধান করেছেন বেনানা-মিল্কশেক সম্পর্কেও। তাঁর মতে, এই বিশেষ পানীয়টি অতি দুষ্পাচ্য। সহজে হজম না হয়ে এই কম্বিনেশন পাচনযন্ত্রকে রীতিমতো ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলতে পারে।

হরিশ কুমারের এই বক্তব্যের পিছনে রয়েছে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের সহস্রাব্দ-প্রাচীন পরামর্শ। আয়ুর্বেদ মতে, প্রতিটি খাদ্যের আলাদা আলাদা ‘রস’ (স্বাদ) রয়েছে। এবং সেই অনুযায়ী তাদের ‘বিপাক’ (পাচনক্রিয়া) ও ‘বীর্য’ (শীতল অথবা উষ্ণতার প্রতিক্রিয়া) ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। এই কারণে যে কোনও কম্বিশনের খাবার খাওয়া বিপদ ডেকে আনতে পারে। সেই হিসেবে দুধ ও কলা একত্রে সেবন করতে কঠোর ভাবে নিষেধ করে আয়ুর্বেদ। শুধু কলা নয়, দুধের সঙ্গে যে কোনও ফল খাওয়ার বিরুদ্ধেও রায় দেয় আয়ুর্বেদ শাস্ত্র।

যে বয়সে নারীদের কাছে পুরুষরা ‘বুড়ো’!

কথায় আছে- নারীদের বয়স আর পুরুষের বেতন কত জানতে নেই! আর এই জন্যে নারীদের বলে ‘কুড়িতেই বুড়ি’! কিন্তু নারীদের পাশাপাশি পুরুষেরও বয়সের একটা আকর্ষণ আছে। মেয়েদের কাছে ঠিক কত বয়স হলে একজন পুরুষ ‘বুড়ো’ হয় সেটা নিয়েই ২০০০ জনের ওপর একটি সমীক্ষা করেছে এয়ারবিএনবি নামে একটি ওয়েবসাইট।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২৭ বছর বয়সে পুরুষরা মনের দিক দিয়ে সব থেকে সপ্রতিভ থাকে। কোনও বাধা বিঘ্নই তখন তাদের আটকাতে পারে না। হঠাৎ করেই এরা বেরিয়ে পড়তে পারে ট্র্যাকিঙয়ের উদ্দেশে। বা, থমথমে গুরুগম্ভীর পরিবেশে গল্প শুনিয়ে সবাইকে হাসিয়ে দিতে পারে।

কিন্তু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই মানুষগুলোই কেমন যেন নিষ্প্রভ হয়ে যায়। জীবনের দায়-দায়িত্ব কাঁধে চড়ার সঙ্গেই তারা যেন একঘেয়ে হয়ে যায়। কয়েক বছর আগের স্বতঃস্ফূর্ত ভাব হারিয়ে যায়। সমীক্ষা অনুযায়ী পুরুষরা সব থেকে বোরিং হয়ে যায় ৩৯ বছর বয়সে।

এয়ারবিএনবি-এর সমীক্ষায় এটিও দেখা হয়েছে, পুরুষদের তুলনায় নারীরা বোরিং হয় আরও আগেই, ৩৫ বছর বয়সে। কিন্তু, ৩৫ বছর বয়সেই নারীদের যৌন আবেদন সব থেকে বেশি হয়। প্রসঙ্গত, ৫০ বছর বয়সের পর পুরুষদের আচরণ সম্পর্কে সে ভাবে কিছু বলা হয়নি।

সন্ধ্যার পর ফার্মগেট ওভারব্রিজে দাঁড়ানো মেয়ের গল্প

অফিস থেকে আধ ঘন্টা আগে বের হয়ে এসে দাঁড়িয়ে আছি ফার্মগেট ওভার ব্রিজের ওপর। মেয়েদের দাঁড়াবার জন্য জায়গাটাকে জায়গা না বলে অজায়গা বলা বেশি ভাল। তার ওপর সময়টা এখন সন্ধ্যা পেরিয়েছে।

যে মেয়েটির দিকে আমি এখন তাকিয়ে, সে দাঁড়িয়ে আছে আমার থেকে বড়জোর দেড় হাত দূরে। তিন বছর আগে হলে এখন এখানে দাঁড়িয়ে ঝালমুড়ি খেতাম মন দিয়ে। লেখালেখি শুরু করার পর থেকে জেনেছি, জানা অজানা সমস্ত মানুষ খেয়াল করে দেখতে হয়। না হলে লেখক হওয়া যায় না। মানুষ দেখার জন্য অবশ্য এখানে আমি নই আজ।

তিনটার দিকে কমল ফোন দিয়েছিল। ওর মেজো ভাবির সিজার করে বাচ্চা হবে স্কয়ারে। সময় দিয়েছে রাত আটটা। ভাবির রক্তের গ্রুপ ও নেগেটিভ। অন্তত দুজন ডোনার রেডি রাখতে বলেছে। দুজন ডোনারের একজন হয়ে আমি অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি কমলের। হাত ঘড়িতে ছ’টা এগারো। শীতের সময় বলেই এ সময়টাকেই রাত মনে হচ্ছে।
সরাসরি স্কয়ারেই যেতে চাইলাম আমি। কোমল বললো, ও ফার্মগেটেই আসছে একটা কাজে, তাই এখানে অপেক্ষা।

রোগা পাতলা সাস্থ্য মেয়েটির। পোশাক জড়িদার। গালে কড়া মেকাপ, নানান নামের গয়না গায়ে। সামনে দিয়ে যাওয়া সকল তরুনের দিকে উশখুস করে তাকাচ্ছে। চোখের ভাষা ‘এই তো আমি!’ হাতে সস্তার মোবাইল। যতবার সেটা বেজে উঠছে ততবারই এক কথা বলছে অপেক্ষমানের উদ্দেশে – ‘তারাতারি আসুন না ভাই। বেশি রাত করলে আবার বাড়ি থেকে সন্দেহ করবে। আমি এখনো খুব বেশি অভ্যস্ত না বলে আবার একটু অসুস্থ্য হয়েও পরি। বাড়িতে টের পেলে আমাকে মেরেই ফেলবে’!

আমি একটু সরে দাঁড়ালাম মেয়েটার থেকে। বিরক্ত লাগছে কোমলের ওপর। মানুষের উপকার করতে যাওয়াই ভুল। কি সব মেয়েদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে! ছিঃ! নিম্ন মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে বোঝাই যাচ্ছে। বাড়িতে না জানিয়ে নতুন এ পেশায়। কি অসভ্যের মত আবার বলছে, ‘আমি আবার অসুস্থ হয়ে পরি’। ছিঃ!

কোমল এগিয়ে আসছে। বাঁচলাম বাবা।
আমাকে হাই বলেই আমার হাত ধরে টান মেরে এগিয়ে গেলো ওই মেয়েটির দিকেই। এক মিনিট লাগলো ওর আমাদের দুজনের পরিচয় করিয়ে দিতে -“নীলু, ওর নাম পূজা। ফেবুতে পরিচয়, আজই আমরা সাথে প্রথম দেখা বুঝলি। ভাবির জন্য রক্ত চেয়ে স্টাটাস দিয়েছি দেখে নক করছে আমাকে। ওর যা সাস্থ্য, তাই বাড়ি থেকে রক্ত দেয়ার অনুমতি দেয় না। অথচ মেয়ে তিনমাস পরপর রক্ত দিয়ে বেড়ায়। আজ বাড়িতে বলেছে বান্ধবীর বিয়েতে এসেছে।”

আমি মেয়েটির দিক থেকে বারবার চোখ সরিয়ে নিচ্ছিলাম। মেয়েটি পূর্ণ চোখে আমার দিকে তাকিয়ে নিচু গলায় বল্ল- ‘তবুও দেখবেন আমাকে দেখে মা ঠিক বুঝে ফেলবে রক্ত দিয়ে এসেছি। রাগ করবে খুব। মা মুখ দেখেই সব বুঝে ফেলে।’

একটু থেমে বললাম – ‘মা বুঝলেই চলবে। বাকিদের বোঝায় থুঃ মেরে এগিয়ে যেও ‘!

নিজ থেকে যৌন দৃশ্যের প্রস্তাব দিয়েছেন এই বাঙ্গালী অভিনেত্রী

‘বাবুমশাই বন্দুকবাজ’ সিনেমাটিতে প্রথমে অভিনয় করার কথা ছিল চিত্রাঙ্গদা সিংয়ের। কিন্তু যৌন দৃশ্যে অভিনয় করার কথা বলায় সিনেমাটি থেকে বিদায় নেন তিনি। পরে তার জায়গায় আসেন বিদিতা বাগ। সিনেমাটিতে বিদিতার সঙ্গে অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।

সম্প্রতি মুক্তি হয়েছে ছবিটি। আর ছবি মুক্তির পরই বিস্ফোরক মন্তব্য করে হৈ চৈ ফেলে দিলেন সিনেমার অভিনেত্রী বিদিতা বাগ। তিনি জানান, ‘আমি যৌনদৃশ্যে অভিনয়ের জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক নিয়েছি। প্রথমে পরিচালক খুব তথাকথিত ভাবেই দৃশ্যগুলো শুট করেছিলেন। তবে মনে হচ্ছিল বিষয়টা ঠিকঠাক হচ্ছে না। আমি পরিচালকের মুখ দেখে বুঝতে পারছিলাম দৃশ্যগুলো তাকে সন্তুষ্ট করতে পারছে না। যেহেতু আগে একজন নায়িকা এই দৃশ্যগুলোতে আপত্তির কারণে ছবিটা করেনি, তাই পরিচালক আমাকে তেমন কিছু বলতেও পারছিলেন না।’

বিদিতা আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আমিই পরিচালককে গিয়ে বলেছি, প্রয়োজন হলে দ্বিতীয়বারও টেক নিন। আমার মনে হয়েছিল, যদি আমরা একটা যৌনদৃশ্যে অভিনয় করি, তাহলে সেটা একেবারে আসল মনে হওয়া উচিত’। এই কথাই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন বাঙালি অভিনেত্রী বিদিতা।

নিজের স্বামী-সন্তানকে ছেড়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে ৬ বছর সহবাস, অতঃপর শেষ পরিণতি ভয়াবহ

দুই বছর পরকীয়ার পর চার বছর আগে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন গৃহবধূ। কিন্তু যে প্রেমিকের ভরসায় নিজের স্বামী-সন্তানকে ছেড়েছিলেন, সেই যে তাঁকে এমন বিপদে ফেলবেন, তা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি ওই নারী। আপাতত তাঁর ঠাঁই হয়েছে একটি হোমে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের গালিয়রে।

একটি ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এবেলা জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার গালিয়র শহরের একটি মহিলা থানায় আচমকাই গিয়ে হাজির হন ওই নারী। পুলিশকে তিনি জানান, প্রেমিক তাঁর সঙ্গে ছ’বছর সহবাস করেছে। সম্প্রতি সেই প্রেমিকই তাঁকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকের কাছে সাহায্য চাইলেও কেউ এগিয়ে আসেননি বলে দাবি করেন তার।

পুলিশ জানিয়েছে, ৯ বছর আগে ওই নারীর বিয়ে হয়েছিল। তিনি যথেষ্ট ভাল পরিবারের মেয়ে। বিয়ের পরেও সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। হঠাৎই এক যুবকের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ওই নারীর। ক্রমেই বাড়তে থাকে ঘনিষ্ঠতা। বন্ধুত্ব বদলে যায় প্রেমে। শেষ পর্যন্ত নিজের স্বামী, সন্তানকে ছেড়ে ওই প্রেমিকের সঙ্গেই লিভ-ইন করতে শুরু করেন তিনি। স্বামী, বাবা ও মা অনেক বোঝালেও তখন তাঁদের পরামর্শ কানে তোলেননি ওই নারী। শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক ভেঙে যায়।

সম্প্রতি সেই প্রেমিকই বেঁকে বসেন। ওই নারীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তিনি। অনেক অনুরোধেও প্রেমিকের মন গলেনি। শেষ পর্যন্ত মহিলা থানা দ্বারস্থ হন ওই নারী। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর অনিতা মিশ্র জানিয়েছেন, আপাতত ওই নারীর কাউন্সিলিং করছেন তাঁরা। তার পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হলে তাঁকে বাড়ি ফেরত পাঠানো হবে। না হলে কোনো আশ্রমে রাখা হবে ওই তাকে।

রোজ ৩টা করে ডিম খেলে কী যে হবে জানলে, আজ থেকে আর মিস করবেন না…

কোলেস্টেরল বেড়ে যাবে। ওজন বাড়বে হু-হু করে। এই সব শুনে আপনি হয়তো ডিম খাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। তাই তো?

গরম সেদ্ধ ডিম চোখের সামনে দেখেও নিজেকে সংযত করে ফেলছেন। ভুল করছেন। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। আপনি ভুল করছেন।

সাম্প্রতিক গবেষণা ও সমীক্ষায় চিকিত্‍‌সকরা যা বলছেন, তা আপনার ধারণার সঙ্গে একেবারেই মেলে না। জানেন কি? ভালো থাকার জন্য রোজ দুই থেকে ৩টি ডিম খাওয়া উচিত। ডিম কতটা শরীরের জন্য় উপকারী, সাম্প্রতিক গবেষণাই তার প্রমাণ।

১. হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুইসিয়ানার বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের গবেষণায় ১৫২ জন অতিস্থুল ব্যক্তিদের তিনটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়। এক গোষ্ঠীকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে যা ইচ্ছে তাই খেতে। দ্বিতীয় দলকে বলা হয়, ব্রেকফাস্টে দুটি করে ডিম খেতে। তৃতীয় গোষ্ঠীকে বলা হয় ব্যাগেলস খেতে। রেজাল্টে দেখা গিয়েছে, যাঁরা রোজ দুটি করে ডিম খেয়েছেন, তাঁরা বাকি দুই গোষ্ঠীর থেকে ৬৫ শতাংশ বেশি ওজন ঝরিয়েছেন ও ৩৫ শতাংশ পেটের মেদ ঝরিয়েছেন।

ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ রক্তে থাকা ট্রাইগ্লিসারিড লেভেল কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। যার জেরে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে।

২. প্রসবজনীত সমস্যার ঝুঁকি কমায়

একটি ডিমে ০.৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন B9 থাকে, যাকে ফলিক অ্যাসিডও বলা হয়। গর্ভাবস্থায় শরীরে ফলিক অ্যাসিডের পরিমাণ কম হলে শিশুর সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম ঠিক মতো তৈরি হয় না। ফলে নার্ভের রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৩. বয়সকে ধরে রাখে

বার্লিনের বিখ্যাত হেল্থ সেন্টার Charité-র গবেষণা বলছে, ডিম ত্বকের বলিরেখা পড়তে দেয় না। ফলে বয়স বৃদ্ধিজনীত ত্বকের সমস্যা কমিয়ে দেয়। চামড়ায় উজ্জ্বলতা আনে। ত্বকের ক্যান্সারও রোধ করে। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, ডিমের কুসুমে প্রাকৃতিক হলুদ রং থাকে। ওই রঙে প্রচুর পরিমাণ ক্যারোটেনয়েড থাকে। যা ত্বককে উজ্জ্বল করে।

৪. ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমায়

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, একটি ডিম স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি ১৮ শতাংশ কমিয়ে দেয়। শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ বাড়িয়ে স্তন ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৫. চুল, ত্বক ও লিভার ভালো রাখে

ডিমে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন B12, বায়োটিন ও প্রোটিন থাকে। যা চুলের বৃদ্ধি ও চামড়ার জন্য খুবই উপকারী। বিশেষ করে ডিমের কুসুম চুলের জন্য দারুণ উপকারী।

৬. চোখ ভালো রাখে

ডিমে থাকা প্রচুর পরিমাণ লিউটিন, ভিটামিন A ও zeaxanthin চোখের জন্য খুবই উপকারী। দিনের আলোয় চোখের উপর যে চাপ পড়ে, তা কমিয়ে দেয়। দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

৭. ওজন কমায়

ডিম শরীরে ব্যাড ফ্যাট জমতে দেয় না। খিদের মাত্রা কমায়। গুড ফ্যাট ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

৮. হজম ক্ষমতা বাড়ায় ও সুস্থ রাখে

ডিমে থাকে choline, যা শরীরে মেটাবলিজমের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ফলে এনার্জি তৈরি হয়। ওজন ঝরে। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রিম্যাচিওর বেবি হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

৯. শরীরের হাড় মজবুত করে

ডিমে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D পরিমাণ বেশি থাকায়, হাড় ও দাঁত মজবুত করে। জয়েন্ট পেইন হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

মেয়েটি এখন যাবে কোথায়? জানুন এক হতভাগিনী মেয়ের করুন কাহিনী

১৪ বছরের কিশোরী মনি রাণী। নয় বছর পর বাবার বাড়িতে এসে দেখে কেউ নেই। স্বজনেরা কেউ তাকে আশ্রয় দিচ্ছে না। এ অবস্থায় বিপাকে পড়েছে সে।

মেয়েটি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মনি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের হুলিখালী গ্রামের স্বপন কুমারের মেয়ে। বাবা স্বপন কুমার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে কীর্তন গাইতেন। তার মা বুলবুলি রাণী ছিলেন গৃহিণী। ২০০৮ সালে বুলবুলি রানী পরকীয়া প্রেমের জের ধরে ধর্মান্তরিত হয়ে এলাকার এক মুসলমান ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। তখন মনির বয়স ছিল পাঁচ বছর। এরপর ক্ষোভে বাবা স্বপন কুমার নিরুদ্দেশ হন। এখন পর্যন্ত তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ভারতে চলে গেছেন বলে শোনা গেলেও এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নানি বিনার কাছে কিছুদিন ছিল মনি। পরে উত্তম রায় নামের নওগাঁ শহরের একজন তেল ব্যবসায়ী মনিকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে বেড়ে ওঠে সে। উত্তম রায়ের বাড়িতেই সে কাজ করত। মনি জানায়, সম্প্রতি উত্তম রায় ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এ কারণে তিনি মনিকে রাখতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি গতকাল মঙ্গলবার সকালে ১৪ হাজার টাকাসহ হুলিখালীতে মনিকে পাঠিয়ে দেন। হুলিখালীতে এসে মনি তার বাবা-মায়ের খোঁজ শুরু করে। ওই দিন বিকেল স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে তথ্য নিয়ে সে মায়ের কাছে যায়। উপজেলার দ্বীপপুর ইউনিয়নের লাউবাড়িয়া গ্রামে তার মা ঘর-সংসার করছেন।

মনি জানায়, বিকেলে মায়ের কাছে গেলে তার মা তাকে আশ্রয় ও স্বীকৃতি দিতে অস্বীকৃতি জানান। একপর্যায়ে তিনি চড়-থাপ্পড় মেরে মনিকে বের করে দেন। সন্ধ্যায় পুনরায় হুলিখালীতে বৃদ্ধা নানির কাছে সে আশ্রয় চায়। তার নানিও অন্যের আশ্রয়ে রয়েছেন। এ কারণে তিনিও মনিকে আশ্রয় দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরে স্থানীয় তিন-চারজন ব্যক্তির প্রচেষ্টায় এক ব্যক্তির বাড়িতে মনিকে ওই দিন রাখা হয়।

মনির নানি বিনা রাণী (৬৭) বলেন, তিনি অন্যের বাড়িতে আশ্রিত। কীভাবে মনিকে তিনি আশ্রয় দেবেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ইসাহাক আলী বলেন, মনির আপন বলতে কেউ নেই। তাদের কোনো জমিজমাও নেই। খাস জমিতে তার বাবা-মা থাকতেন। সেখানে রাস্তা হওয়ার কারণে সে ভিটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। সে এখন কোথায় যাবে—এটা নিয়ে এলাকার লোকজনও ভাবছেন। তবে কেউ তার দায়িত্ব নিতে চাচ্ছে না।

স্থানীয় নরদাশ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মতিউর রহমান বলেন, বিষয়টি তিনি জানতেন না। খোঁজ নিয়ে তিনি মেয়েটির থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা করবেন। উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারি কোনো প্রকল্পের সঙ্গে মেয়েটিকে সম্পৃক্ত করা যায় কি না, এ বিষয়টিও তিনি দেখবেন।

-প্রথম আলো

দুইজন দুই ধর্মের, স্বীকৃতি না পেয়ে একই রশিতে ফাঁস!

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় একই সঙ্গে একই রশিতে ফাঁস দিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকা আত্মহত্যা করেছে। দুইজন ভিন্ন ধর্মের হওয়ায় সামাজিকভাবে প্রেমের স্বীকৃতি না পাওয়ায় তারা আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

নিহতরা হলো দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সাকোইর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে রাকিব বাবু (১৬) এবং একই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত হরিপদ পালের মেয়ে পূর্ণিমা রানী পাল (১৫)।

রাকিব বাবু বিরল উপজেলার রঘুপুর দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার দশম শ্রেণির ছাত্র এবং পূর্ণিমা রানী একই বিদ্যালয়ের ভোকেশনাল শাখার নবম শ্রেণির ছাত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার সুবাদে গত তিন বছর ধরে প্রেম চলছিল পূর্ণিমা ও রাকিব বাবুর মধ্যে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দুজন দুই ধর্মের হওয়ায় পারিবারিকভাবে তাদের শাসনও করা হয়।

একপর্যায়ে গতকাল বুধবার বিকেলে স্কুল ছুটির পর দুজনই উধাও হয়ে যায়। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার বিরল উপজেলার সাকোইর গ্রামের ফুলদিঘী নামক স্থানে বাঁশঝাড়ের কাছে একটি আম গাছে একসঙ্গে একই রশিতে দুজনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়।

দুপুর ১২টার দিকে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে পুলিশ ঝুলন্ত মরদেহ দুটি উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

বিরল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ হোসেন জানান, তাদের ধারণা এটি আত্মহত্যা। উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক থাকার কথা উল্লেখ করে ওসি বলেন, যেহেতু দুজন দুই ধর্মের, সেহেতু তারা সামাজিকভাবে পায়নি প্রেমের স্বীকৃতি। এ বিষয়টি মাথায় রেখে তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি।