All posts by lutfor

স্বপ্নের নায়িকার মত অতৃপ্ত চাহিদা মেটানোই তাদের অহংকার!

প্রশ্নটা করতেই যেন ঝড় ধেয়ে এল। সে ঝড়ের একদিকে গ্লানি, অন্যদিকে ক্ষোভ। আরেকদিকে যেন মিশে রয়েছে প্রচ্ছন্ন ‘অহংকার’! কিন্তু সমাজ থেকে এভাবে বঞ্চিত হয়েও কিসের ‘অহংকার’ তাদের?

মাথায় ঘুরপাক খেতে শুরু করলো কথাগুলো। তাদের অহংকার খদ্দেরের অতৃপ্ত যৌনচাহিদা পুষিয়ে দেওয়ার। খদ্দেরের স্বপ্নের নায়িকার মত চাহিদা যৌন মেটানো, যা ঠিক সাধারণরা পারে না। আর সেখানেই সবার থেকে আলাদা হওয়ার অহংকার তাদের!

এ চিত্র এশিয়ার সর্ববৃহৎ যৌনপল্লী পশ্চিমবঙ্গের সোনাগাছির। কেউ এসেছেন বাধ্য হয়ে দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে মুক্তি পেতে, কেউ আবার স্বেচ্ছায় এ পেশা বেছে নিয়েছেন।

দিনে ৭-৮ জন থেকে ভালো সময় কখনও কখনও ১০-১২ জন খদ্দেরকে তুষ্ট করে তারা। বিকৃত যে যৌনচাহিদার কথা কাউকে বলা যায় না, টাকার বিনিময়ে এখানে চলে সেই সুখ কিনে নেওয়া।

বিয়ে সংসার হয়নি বা বিপত্নীক, ঘরে অশান্তি এমন অতৃপ্তি মেটাতেই খদ্দেররা আসেন এই পল্লীতে। যৌনপল্লী সোনাগাছি থেকে বিশ্বের যে কোনো রেডলাইট এলাকার ছবি মোটামুটি একই। দুনিয়ার মধ্যেই এক অন্য দুনিয়ায় বাস তাদের।

দিনে তিনবার গোসল। আর প্রত্যেকবার গোসলের মাঝে চার থেকে পাঁচজন করে খদ্দের। ঘুপচি কুঠুরিতে রাতগুলো অনেক লম্বা। কিন্তু দিনটা ভীষণ ছোট বলেন ১৩ বছর বয়সে সোনাগাছিতে আসা বিউটি।

তিনি বলেন, যখন খুব কষ্ট হত, মুখে মেকআপ করে নিতাম। তাহলেই যেন আমি অন্য মানুষ। এভাবেই দিন চলছিল বিউটির। দিন চলে আরও কয়েকশ বিউটির।

তারপর কোনো একদিন এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাত ধরে কখনও কখনও এই নরক থেকে মুক্তি মেলে তাদের। আর কখনও কখনও জানালার গারদের শিক ধরে দাঁড়িয়েও খদ্দের খোঁজেন ৬০ বছরের অশক্ত শরীরটা। সূত্র: জিনিউজ।

জেনে নিন? ইসলামের দৃষ্টিতে বাসর কেমন হওয়া উচিত !

বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত। যারা পরকীয়া করে, লিভ টুগেদার করে, তারা এ রাতের মর্ম বুঝবে না। যারা বেশ্যা বা বহুগামিতা তাদের কাছে এ রাত বাতুলতা মাত্র। আমরা এ পর্বে বাসর রাতে অবশ্য পালনীয় কিছু টিপ্স নিয়ে আলোচনা করব।

০১. গোলাপ ফুল দিয়ে দুজন দুজনাকে বরণ করে নিতে হবে।
০২. উভয়ই মহান আল্লাহকে যে ভালবাসবেন তা পরিষ্কার ভাবে দুজনা বোঝা পড়া করবেন।
০৩. হানিমুনে কোথায় যাবেন তা বাসর রাতেই ঠিক করবেন, সে ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে এটা ঠিক করতে হবে যে, সবচেয়ে পৃথিবীর মূল্যবান যায়গা মক্কা মদীনায় যাওয়া এবং ওমরা করার পরিকল্পনা করা।
০৪. ছোট খাট ভুলের জন্য কাউকে তিরষ্কার না করা। কাউকে ছোট না করা।
০৫. কোন পক্ষের আত্নীয় স্বজনকে ছোট না করা, গালি না দেওয়া, অপমান না করা।
০৬. জীবনের প্রথম ভালবাসার রাত, তাই ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখা।
০৭. দুজনাতে একটু খোশ গল্প করা, জীবন থেকে কোন গল্প বলা।
০৮. ভবিষ্যত জেনারেশনের ব্যাপারে আলাপ সেরে নেওয়া। তবে বেশী দূর অগ্রসর না হওয়াই ভাল।
০৯. মোহরানা যদি বাকি থাকে সেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, অল্প দিনের মধ্যেই মোহরানা পরিশোধ করা। স্ত্রী যদি চাকুরি করে তবে টাইম টেবিলটা নিয়ে একটু পরিষ্কার করা। চাকুরি না করলে ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা বলা।

১০. এ রাতই হল উত্তম ভালবাসার রাত। দুজনার সব আকুতি মেশানো ভালবাসা দিয়ে দুজনাকে জয় করা। কোন ভাবেই যেন ফজরের নামাজ কাজা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা ।

ইসলামে নারী-পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়। বিয়েতে মোহরানা ধার্য করা এবং তা যথারীতি আদায় করার জন্য ইসলামে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীকে মোহরানা প্রদান করা ফরজ।

কোরআন ও হাদীসের আলোকে মোহরানা :

মোহরানা সম্পর্কে কোরআনের বানী :

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ (সূরা নিসা-২৪)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
‘অতঃপর নারীদের অভিভাবকের অনুমুতি নিয়ে তাদের বিয়ে কর এবং তাদের মোহর যথাযথভাবে আদায় করে দাও।’ (সূরা নিসা-২৫)

আল্লাহ তায়ালা বলেন,
“স্ত্রীদের প্রাপ্য মোহরানা আদায় করে দাও, খূশী হয়ে ও তাদের প্রাপ্য অধিকার মনে করে।’ (সূরা নিসা-৪)

অত্র আয়াত সমুহ প্রমাণ করে যে, মোহরানা ফরজ বা আদায় করা অপরিহার্য।

মোহরানা সম্পর্কে রাসুল (সাঃ) এর বানী :

উক্ববা ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “অবশ্যই পূরণীয় শর্ত হচ্ছে, যার বিনিময়ে তোমরা স্ত্রীর যৌনাঙ্গ নিজেদের জন্য হালাল মনে কর।’ (বুখারী,মুসলিম)

মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন মেয়েকে মোহরানা দেয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু সে মোহরানা আদায় করার তার ইচ্ছে নেই, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে অপরাধী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে।’ (মুসনাদে আহমেদ)।

সুতরাং মোহরানা স্ত্রীর এমন একটি প্রাপ্য যা তিনি স্বামীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে পাওনা হন, তবে স্ত্রী (স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফূর্তভাবে) সময় দিলে বাকি রাখা যাবে। কিন্তু মোহরানার অর্থ আবশ্যিকভাবে পরিশোধ করতে হবে। বিবাহিত স্ত্রীকে অসহায় মনে করে ছলে-বলে-কৌশলে বা অজ্ঞতার সুযোগে মাফ করিয়ে নিলে মাফ না হয়ে তা হবে জুলুম-প্রতারণা। এ জুলুম প্রতিরোধকল্পে মহান আল্লাহপাক ঘোষণা করেন – ‘যদি স্ত্রী নিজের পক্ষ থেকে স্বত:প্রবৃত্ত হয়ে মোহরের কিছু অংশ ক্ষমা করে দেয়, তবে তোমরা তা হৃষ্টচিত্তে গ্রহণ করতে পার।’ (সূরা নিসা, আয়াত-৪)।

মোহরানা এককালীন আদায় করতে অক্ষম হলে, উত্তম হল কিছু অংশ নগদ আদায় করে বাকি অংশ পরে আদায় করা, তা ধীরে ধীরে কিস্তিতে পরিশোধ করা। তবে মোহরানা নির্ধারণ করতে হবে স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী যাতে তিনি সহজেই তা পরিশোধ করতে পারেন। কিন্তু বর্তমান সমাজের দু:খজনক ঘটনা হলো-বিশাল আকারের মোহরানা বাধা হয় নামে মাত্র অথচ বহুলাংশে তা পরিশোধ করতে দেখা যায় না।

আমাদের সমাজে কি দেখতে পাচ্ছি ?

আজ থেকে ২০/২৫ বছর আগেও বিয়েতে অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হতো। স্ত্রীকে প্রদান করতো কিনা আমার জানা নেই। তবে বর্তমানে বিয়েতে বেশী পরিমানে মোহরানা ধার্য করা হচ্ছে তার অন্যতম কারন হচ্ছে –

বিবাহ বিচ্ছেদ দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই মোহরানা বেশী ধার্য করা হয় যাতে স্বামী স্ত্রীকে তালাক দিতে ভয় পায়।

*** বর্তমানে ধনী পরিবারের বিয়েতে লোক দেখানোর জন্য কোটি টাকা মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** মধ্যেবিত্ত পরিবারের বিয়েতেও ১০ লক্ষ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** নিম্মবিত্ত পরিবারের বিয়েতে ২ লাখ টাকার উপরে মোহরানা ধার্য করা হয়।
*** বিয়েতে স্ত্রীকে দেয়া স্বর্ন ক্রয়ের টাকাটা অর্ধেক অথবা পুরাটাই মোহরানা থেকে কর্তন করা হয়। আর বাকীটা পরে প্রদান করার প্রতিশ্রতি দিয়ে থাকে।

স্ত্রীকে মোহরানা আদায় করা ফরজ। আর এই ফরজ কাজটি না করে কিভাবে সংসার জীবন শুরু করবে? তাই বিয়ের পর স্ত্রীর সাথে প্রথম সাক্ষাতেই এই বিষয়টি ফয়সালা করা হয়। বউকে পরবর্তীতে প্রদান করার ঘোষনা দিয়েই সংসার জীবন শুরু করতে হয়। অচত আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ তারপর মোহরানা আদায় না করে বছরের পর বছর স্ত্রীর সাথে বসবাস করে। স্ত্রীও সংসারের সুখ-শান্তি নষ্ট হবার ভয়ে স্বামীর কাছে মোহরানা অর্থ চাইতে সংকোচ করে। অনেকে স্বামী মোহরানার অর্থ আদায় না করেই কোন এক সময় না ফেরার দেশে চলে যায়। অনেকে সংসারে অশান্তি দেখা দিলে তালাকের মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘঁটান আর তখনই স্বামীকে আদালতের রায়ের মাধ্যমে মোহরানার অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হয়।

আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ) এর নির্দেশকে অমান্য করে আজ আমরা বিয়েতে মোহরানা কে কত বেশী দিতে পারি, কে কত নিতে পারি সেই প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছি। যার ফলে সংসারে অশান্তি,ভূল-বোঝাবুঝি, পরিশেষে বিচ্ছেদের মত ঘঁটনা ঘটে।

তাই সবাইকে বলছি, বিয়েতে সমতা রক্ষা করুন। কম মোহরানা ধার্য করুন। আর মোহরানা আদায় করেই সংসার জীবন শরুন। মনে রাখবেন, পরবর্তীতে প্রদান করার মিথ্যা প্রতিশ্র“তি দিয়ে সংসার শুরু করলেও যে কোন মুহুত্বে আপনার মৃত্যু হতে পারে। তখন আপনার স্ত্রী কার কাছে মোহরানা চাইবে? যদি মোহরানা আদায় করার মত কিছু না থাকে? স্ত্রীর মোহরানা আদায় না করে আপনি কি জান্নাতে যেতে পারবেন?

তাই কেবল সামাজিক স্টাটাস রক্ষার জন্য মোটা অংকের মোহরানা নয়; বরং সামর্থ্যরে মধ্যে মোহরানা বেঁধে নির্দিষ্ট সময়ে বাসর হওয়ার আগেই তা পরিশোধ করে দেয়া উচিত।

কাহিনীঃ জাফর তানিয়াকে ১৬ লাখ টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে করেছে। বিয়েতে জাফর তানিয়াকে দশ ভরি স্বর্ণ উপহার দেয়। দুই পরিবারের সম্মতিতে স্বর্নের মূল্য থেকে তিন লাখ টাকা উসুল দেখিয়ে বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের পরে বাসর রাতে জাফরের ভাবী রুমে প্রবেশ করে মোহরানার বাকী টাকাটা কিভাবে পরিশোধ করবে জাফরের কাছে জানতে চায়। জাফর পরবর্তীতে পরিশোধ করবে বলে ভাবীর সামনে তানিয়াকে জানায়। তানিয়া এই প্রস্তাবে রাজী হয়ে জাফরকে নিয়ে স্বপ্নের বাসর রাত পার করে।

বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে বিবাহিত/অবিবাহিত নারী/পুরুষরা নানা গুঞ্জন করে থাকে। একেক একজন একেক দৃষ্টি ভঙ্গিতে দেখে। সবাই এই বিষয়টিকে নিয়ে হাসি-তামাশা করে। বিড়াল মারতে পারলে সবাই খুশী। তবে দুঃখ জনক হলেও সত্য যে আজকাল স্বামীরা বাসর রাতে বিড়াল মারা তো দুরের কথা উল্টো বউয়ের কাছে মাফ চাইতে হয়। কেন মাফ চাইতে হয় জানেন? তাহলে শুনুন।

আজ থেকে কয়েক দশক আগেও বিয়েতে খুব অল্প পরিমান মোহরানা ধার্য করা হত। বেশীর ভাগ স্বামী মোহরানা আদায় করে দিত। কেউবা বউয়ের নামে জমি লিখে দিত। কিন্তু আজকাল মোহরানা নিয়ে বর-কনে দু’পক্ষের মধ্যে দর কষাকষি শুরু হয়।

ডিজিটাল এই যুগে তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই তালাক ঠেকাতে এখন মোহরানার পরিমান বেশী ধার্য করা হয়। মোহরানার টাকা স্বামী স্ত্রীকে দিতে পারবে কি পারবে না তা আর কেউ দেখে না। এখন বেশী টাকা মোহরানা ধার্য করে বিয়ে ঠিকিয়ে রাখার জন্য সবাই চেষ্টা করে। স্বামীকে চাপের মধ্যে রাখে। এই সুযোগে স্ত্রীদের পক্ষ থেকে তালাকের প্রস্তাব বেশী আসছে। তাই তালাকের পরিমান দিন দিন বেড়েই চলেছে।

ইসলামে মোহরানা আদায় করে স্ত্রীর কাছে যেতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিয়েতে স্ত্রীকে উপহার দেয়া স্বর্নের মূল্য হিসাব করে কিছু টাকা উসুল দেখিয়ে মোহরানার বাকী টাকাটা বাকীর খাতায় রেখে দেয়া হয়। তাই মোহরানার টাকা শত ভাগ পরিশোধ না করে বাসর রাতে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার বাকী টাকা পরে পরিশোধ করার ওয়াদা করে থাকে। স্ত্রীও স্বামীর কথায় বিশ্বাস করে সংসার জীবন শুরু করে। তাই বাসর রাতে বিড়াল মারার পরিবর্তে উল্টো স্ত্রীর কাছে মোহরানার টাকা নিয়ে ছোট হতে হয়।

দাম্পত্য জীবনে কোন এক সময় ভুল-বুঝাবুঝি হলে তালাকের মাধ্যমে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাইলে স্বামী স্ত্রীকে মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে হয়। মোহরানার টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে স্বামী জেলের ভাত খেতে হয়।

তাই বাসর রাতে বিড়াল মারা নিয়ে যারা অতি উৎসাহী তাদেরকে বলতে চাই, বাসর রাতে বিড়াল মারার আগে স্ত্রীর মোহরানা আদায় করুন। মোহরানা আদায় না করে যদি আপনার মৃত্যু হয় তাহলে আপনাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে –

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাসর রাতে স্বামী-স্ত্রীর করণীয় কি পড়ে দেখুনঃ

বাসরঘর ও কনে সাজানো এবং তাদের জন্য দোয়া করাঃ

নতুন বর ও কনের জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যেখানে সুন্দরভাবে সাজিয়ে সুসজ্জিত করে বরের নিকট পেশ করা হবে। যেসব মহিলারা কনেকে সাজাবে তারা তাদের (বর-কনে) জন্য কল্যাণ, বরকত ও সৌভাগ্যবান হওয়ার জন্য দোয়া করবে।

বর-কনের জন্য ঘরের ব্যবস্থা করা এবং কনেকে সাজানো সুন্নত। আসমা বিনতে ইযাযিদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুল (সাঃ) এর জন্য আয়েশাকে সুসজ্জিত করেছিলাম।

(আহমদ, আদাবুয যিফাফ ১৯ পৃষ্টা)

বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে সদয়, স্নেহময়, কোমল, ভদ্র ও নম্র হওয়া উত্তম এবং মিষ্টান্নর ব্যবস্থা থাকা উচিতঃ

বাসর রাতে স্ত্রীর নিকট যাওয়ার সময় স্বামীকে কোমন হওয়া উচিত। সেখানে কিছু শরবত ও কিছু সুস্বাদু খাদ্য রাখা সুন্নত, যা স্বামী-স্ত্রী উভয়েই খাবে। যারা ব্যবস্থাপনায় থাকবে তারাও এ খাদ্য অংশগ্রহন করতে পারে।

মোবাইল থেকে ডিলেট হওয়া ছবি বা ডকুমেন্টস ফিরিয়ে আনার নিয়ম

প্রায়ই আমরা ভুলবশত মোবাইল থেকে বিভিন্ন ছবি ডিলেট করে ফেলি। অনেক সময় ভুল করে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করে ফেলি। এতে করে স্মার্টফোন থেকে হারিয়ে যাও অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস সহ প্রয়োজনীয় অনেক অনেক ছবি। স্মার্টফোনে স্টোর থাকা বহু কিছুর ভিড়ে আমরা বুঝতে পারি না যে আসলে কোন ফোল্ডারটা কাজের আর কোনটা অকাজের। অনেক সময়ে দেখা যায় কাজের জিনিসগুলোই ডিলেট হয়ে গিয়েছে।

যেহেতু স্মার্টফোনের জগতে এখন রাজত্ব করছে অ্যান্ড্রয়েড ফোন। তাই এখানে আমরা শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ফোনের রিকভারী প্রসেস নিয়ে কথা বলবো। বিস্তারিত পড়ে জেনে নিন, কিভাবে ফিরিয়ে আনবেন আপনার ফোন থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল, ফটো বা ভিডিও !

প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে, ডিলেট হব‍ার পূর্বে ‍আপনার ফাইলগুলো কোন স্টোরেজে ছিলো ! ফাইলগুলো যদি মেমোরি কার্ড থেকে ডিলেট হয়, তাহলে রিকভার করতে তেমন একটা অসুবিধা নেই।

মেমোরি কার্ড থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভ‍ার কর‍ার নিয়ম
গুগল প্লে-স্টোর থেকে পছন্দমত ‍’ফাইল রিকভারী সফটওয়্যার’ ডাউনলোড করে নিন। এরমধ্যে ‘রেকুভা’ (Recuva) সফটওয়্যারের বেশ সুনাম রয়েছে।
প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো আগে অন্য কোথাও কপি বা ব্যাক‌আপ করে রাখুন। যাত রিকভারের সময় ভুলবশত সব ফাইল ডিলেট হয়ে না যায়।
ব্যাকআপ সম্পন্ন হলে সফটওয়্যারটি ওপেন করে মেন্যু থেকে SD Card সিলেক্ট করুন।
ডিলেটকৃত ফাইলগুলোর একটি তালিকা আসবে। এখান থেকে প্রয়োজনীয় ফাইল বা ছবিগুলো রিকভার করা শুরু করুন।
ফোন মেমোরি থেকে ডিলেট হওয়া ফাইল রিকভ‍ার কর‍ার নিয়ম
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি বা ফোন মেমোরি থেকে ছবি অথবা ভিডিও ডিলেট হলে তা রিকভার করা বেশ ঝামেলার বিষয়। এক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা হলেও আশা জোগাতে পারে ‘ডিস্ক ডিগার অ্যাপ’।

প্রথমেই গুগল প্লে-স্টোর থেকে Disk Digger App ইনস্টল করে নিন।
অ্যাপসটি ব্যবহার করার আগে সতর্কীকরণটা মাথায় রাখুন, এটা শুধুমাত্র রুটেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ক্ষেত্রেই কাজ করবে।
অ্যান্ড্রয়েড ফোন রুট কর‍ার নিয়ম গুগল ঘেটে জেনে নিতে পারেন।
যাদের ফোন ইতিমধ্যেই রুট করা আছে। তারা ডিলেটকৃত ফোল্ডারগুলো সিলেক্ট করুন।
ফাইল টাইপ সিলেক্ট করুন। যেমন – JPG, PNG, 3gp বা Mp4
সিলেক্ট করা শেষে সেভ বাটনে ক্লিক করা ফাইলগুলো তৎক্ষণাত রিকভার করে ফেলতে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে যখন কোনো ফাইল ডিলেট হয়, তখন সিস্টেমে শুধু তথ্যগুলো মুছে যায়। যতক্ষণ না পর্যন্ত ওই ফাইল স্পেসে অন্যকিছু ওভাররাইট হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তা পুনরুদ্ধার করার সম্ভাবনা থাকে। তাই ডিলেট হওয়া ফাইল উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ফোনে বড় আকারের ফাইল সেভ করা ও কোনোপ্রকার সিস্টেম আপডেট নেয়া থেকে বিরত থাকুন।

রোহিঙ্গা সমাধানে সাহাবিদের আদর্শ

‘যারা মুহাজিরদের আগমনের আগে মদিনায় বসবাস করেছিল এবং বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, তারা মুহাজিরদের ভালোবাসে, মুহাজিরদের যা দেয়া হয়েছে, তার জন্য তারা অন্তরে ঈর্ষা পোষণ করে না এবং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদের অগ্রাধিকার দান করে। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম।’

সাহাবায়ে কেরাম (রা.) আমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের জীবনাদর্শ অনুসরণ করা আমাদের কর্তব্য। কেননা তারা আল্লাহর হুকুম ও রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নত পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করেছিলেন। যারা সাহাবিদের অনুসরণ করেন আল্লাহ তায়ালা তাদের প্রতি সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন এবং তাদের জন্য চিরসুখময় জান্নাতের ওয়াদা করেছেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘অগ্রগামী মুহাজিররা ও আনছাররা এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে, আল্লাহ সেসব লোকের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট। আর তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন এমন জান্নাত, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত প্রস্রবণগুলো। সেখানে তারা থাকবে চিরকাল। এটাই হলো মহান কৃতকার্যতা।’ (সূরা তওবা : ১০০)।

আর যারা সাহাবায়ে কেরামদের আদর্শ অনুসরণ না করে নফসের কামনা-বাসনা অনুযায়ী চলে, তাদের জন্য জাহান্নামের শাস্তির ভয় দেখিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পরও রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মোমিনদের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ওই দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।’ (সূরা নিসা : ১১৫)। আয়াতে উল্লিখিত মোমিনদের অনুসৃত পথ বলতে কয়েকজন তাফসিরকারের মতে, সাহাবাদের অনুসৃত পথকে বোঝানো হয়েছে। আয়াতের মর্ম হচ্ছে, সত্য দ্বীন ইসলামের সত্যতা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হওয়ার পরও যারা রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরামের (রা.) অনুসরণ না করে বরং তাদের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট আবাসস্থল জাহান্নাম। মিয়ানমারের বৌদ্ধদের দ্বারা নির্যাতিত অসহায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের সাহায্যের ব্যাপারে আমাদের সাহাবায়ে কেরামদের আদর্শ অনুসরণ করা উচিত। এতে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করা ছাড়াও রোহিঙ্গা সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান সম্ভব।
মক্কার মুসলমানরা যখন কাফের-মুশরিকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে মদিনায় হিজরত করেন, তখন মদিনার মুসলমানরা তাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। মক্কার মুহাজিরদের প্রতি মদিনার আনসারদের বিন্দুমাত্র হিংসা-বিদ্বেষ ছিল না, বরং হৃদয় দিয়ে তারা পরস্পরকে ভালোবাসতেন। তারা নিজের প্রয়োজনের চেয়ে মক্কার নির্যাতিত অসহায় মুসলমানদের প্রয়োজনকে বেশি গুরুত্ব প্রদান করতেন। তাদের ব্যাপারে আল্লাহ বলেন, ‘যারা মুহাজিরদের আগমনের আগে মদিনায় বসবাস করেছিল এবং বিশ্বাস স্থাপন করেছিল, তারা মুহাজিরদের ভালোবাসে, মুহাজিরদের যা দেয়া হয়েছে, তার জন্য তারা অন্তরে ঈর্ষা পোষণ করে না এবং নিজেরা অভাবগ্রস্ত হলেও তাদের অগ্রাধিকার দান করে। যারা মনের কার্পণ্য থেকে মুক্ত, তারাই সফলকাম।’ (সূরা হাশর : ৯)।
মদিনার আনসার মুসলমানরা মুহাজির সাহাবিদের আশ্রয় দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং তাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছিলেন এবং জালেম, কাফের ও বেঈমানদের বিরুদ্ধে জিহাদ করেছিলেন। এমনকি শেষ পর্যন্ত যে মক্কা থেকে মুসলমানদের বের করে দেয়া হয়েছিল তা তারা জয় করেন। মুসলমানদের সৈন্যসংখ্যা ও অস্ত্রশস্ত্র কাফেরদের চেয়ে অনেক কম হওয়া সত্ত্বেও প্রায় প্রতিটি যুদ্ধে মুসলমানরা বিজয় লাভ করেন। কারণ তাদের মজবুত ঈমানি শক্তি ছিল। ঈমানি শক্তির বলে মুসলমানরা তাদের কয়েকগুণ বেশি শত্রুবাহিনীর ওপর জয়লাভ করতে পারে। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন, ‘হে নবী, আপনি মুসলমানদের উৎসাহিত করুন জিহাদের জন্য। তোমাদের মধ্যে যদি ২০ জন ঈমানদার দৃঢ়পদ ব্যক্তি থাকে, তবে জয়ী হবে ২০০-এর মোকাবেলায়। আর যদি তোমাদের মধ্যে থাকে ১০০ লোক, তবে জয়ী হবে হাজার কাফেরের ওপর থেকে, তার কারণ ওরা জ্ঞানহীন।’ (সূরা আনফাল : ৬৫)।
মদিনার আনসার সাহাবিদের মতোই রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দান এবং সার্বিকভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করা আমাদের কর্তব্য। এর  পাশাপাশি জালেম বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে বা সন্ধি করে যেভাবেই হোক রোহিঙ্গা মুসলমানদের আবাসভূমি তাদের জন্য নিরাপদ করা জরুরি। এভাবে সাহাবিদের অনুসৃত পথেই রোহিঙ্গা মুসলমানদের সমস্যার সমাধান সম্ভব।

রোহিঙ্গা সংকট দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: সেতুমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমারের রাখাইনে সে দেশের সেনাবাহিনীর হত্যা-নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল বাংলাদেশে। সে কারণেই দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন রোহিঙ্গা ইস্যু।

শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট এ মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, যা খুব সতর্কতার সঙ্গে মোকাবেলা করছে সরকার।

তিনি আরো বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা বলেছেন।

গত ২৫ আগস্ট ভোররাতে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সীমান্ত পুলিশের সঙ্গে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। ফলে ব্যাপকসংখ্যক রোহিঙ্গা হত্যা-ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়।

জাতিসংঘ বলছে, এ অভিযানকালে তিন হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে এবং প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় চার লাখ মানুষ।

পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী অভিযোগ করেছেন, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে আর মুসলিম-অধ্যুষিত গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

পর্দার আড়ালে খারাপ কাজ-হোটেল থেকে গ্রেফতার ৭ নায়িকা

হাইপ্রোফাইল খারাপ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বলিউড অভিনেত্রী শ্বেতা বসু প্রসাদকে পুলিশ হাতেনাতে গ্রেফতার করে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই সোনালী পর্দার আড়ালের অন্ধকার জনসমক্ষে বেরিয়ে এসেছে। এই প্রথম যে কোন বিখ্যাত অভিনেত্রী খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন তা একেবারেই নয়। এরআগেও অনেক নায়িকাও এই কাজে জড়িত ছিলেন যাদের পুলিশ গ্রেফতার করেছিল।

যদিও শ্বেতার মত ভারতীয় রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন অভিনেত্রীর এই ধরণের কাজে লিপ্ত থাকাটা স্বভাবতই অবাক করা। কিন্তু এটাই বোধ হয় এই জাঁকজমকের দুনিয়ার বাস্তব সত্য। বিখ্যাত তামিল অভিনেত্রী ভুবনেশ্বরীও হোটেল খারাপ কাজে জড়িত ছিলেন৷ এই অভিযোগে দুই মডেলের সঙ্গে চেন্নাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল এই অভিনেত্রীকে।

ভুবনেশ্বরীর সম্পর্কে পুলিশকে জানিয়েছিল, হোটেলে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন লোকের আসা যাওয়া লেগে থাকে। এরপরেই পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায় ভুবনেশ্বরীর এই কাজের সঙ্গে তামিল ও তেলেগু ছবির অভিনেত্রীরাও রয়েছেন।

 

তামিল ছবির অপর অভেনত্রী এষা আনসারিকেও যোধপুর পুলিশ হোটেল থেকে খারাপ কাজ করা রত অবস্থায় গ্রেফতার করে। এশাকে তার তিন পুরুষ সঙ্গীর গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশি তদন্তে জানা যায়, এশা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহকদের নারী পরিষেবা দিতেন। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এশার এই কাজ চালাত। এই অভিনেত্রী বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের সঙ্গে ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘চলতে চলতে’ ছবিতে কাজ করেছেন।

‘লাইফ কি তো নিকল পরি’ ছবি দিয়েই বলিউডে এন্ট্রি নিয়েছিলেন অভিনেত্রী মিষ্টি মুখার্জি। মিষ্টিকেও খারাপ কাজের অভিযোগে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। ফ্যাশন ডিজাইনার রাকেশ কটোরিয়ার সঙ্গে আপত্তিজনক অবস্থায় ধরা পড়েন মিষ্টি৷ ১৫ তলার এই ফ্ল্যাটবাড়ি উদ্ধার হয় প্রায় একলক্ষ নীল ছবির সিডি ও ডিভিডি। পুলিশ মিষ্টির সঙ্গে তার বাবা ও ভাইকেও গ্রেফতার করে। কারণ খারাপ কাজের সঙ্গে মিষ্টির গোটা পরিবারই জড়িত ছিল৷

এই তালিকায় রয়েছে বিখ্যাত অভিনেত্রী যমুনার নামও। শারীরিক খারাপ কাজের অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে৷ ক্রাইম ব্রাঞ্চের পুলিশ আট যুবতী ও একগ্রাহকের সঙ্গে অভিনেত্রী যমুনাকে গ্রেফতার করে৷

তেলেগু ধারাবাহিকের বিখ্যাত অভিনেত্রী শ্রবণীকে গ্রেফতার করা হয়৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি একটি হাই প্রোফাইল যুক্ত ছিলেন। পুলিশের তদন্তকারী দল তার হোটেলে তল্লাশি চালিয়ে তাকে হাতে নাতে গ্রেফতার করে। এছাড়াও অপর এক তেলেগু অভিনেত্রী সায়রা বানো ও জ্যোতিও খারাপ কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১০ সালে হায়দরাবাদ পুলিশ স্প্রিং স্বর্গ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে এই র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস করে৷

একাধিক প্রেমিক নিয়ে সুন্দরী মৌর ভয়ংকর প্রতারণার ফাঁদ!

হ্যালো, আমি কাস্টমস অফিসার অনিক মাহমুদ আকাশ বলছি। আমার পাঁচটি আইফোন লাগবে। ঈদের আগে মন্ত্রী, একটি সংস্থার চেয়ারম্যানসহ পাঁচ ভিআইপিকে আইফোন উপহার দেব। দোকানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন, আমি টাকা দিয়ে দিচ্ছি।

এভাবেই ‘স্যাটকম আই সেন্টার’-এর ম্যানেজার রানাকে কাস্টমস অফিসার পরিচয়ে ফোন করে প্রতারক আকাশ। কথোপকথন শেষে রানা তাকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর দিলে কয়েক ঘণ্টা পর টাকা জমা দেয়া হয়েছে বলে জাল ব্যাংক সিল এবং রিসিভের কপি ভাইবারে পাঠিয়ে দেয়।

ভাইবারে পেমেন্ট পেয়ে আইফোন পাঠিয়ে দেয় রানা। নির্দিষ্ট সময়ের পরও যখন অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে না, তখন খোঁজখবর নিয়ে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণা শিকার হয়েছেন। খবর যুগান্তরের।

শুধু রানা নয়, এভাবে ফোন দিয়ে কয়েক বছরে শতাধিক আইফোন হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্রের সদস্যরা।

সম্প্রতি উত্তরা থেকে প্রতারক চক্রের সদস্য অনিক মাহমুদ আকাশকে পাঁচটি আইফোনসহ গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল জোনাল টিম। তাকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সুন্দরী কন্যা মাহমুদা ইসলাম মৌর ভয়াবহ প্রতারণার ফাঁদ সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা।

মৌর কথিত প্রেমিক আকাশ গ্রেফতারের পর আত্মগোপন করেছেন এ নারী। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেন, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মৌর রয়েছে একাধিক প্রেমিক।

আগে বিয়ে হলেও স্বামীকে নিজেই তালাক দেয় এ নারী। এরপর একাধিক প্রেমিক নিয়ে গড়ে তুলে প্রতারক চক্র। আকাশও তার কথিত প্রেমিক ও প্রতারক চক্রের একজন সদস্য। প্রতারণার ফাঁদে ফেলে হাতিয়ে নেয়া নামিদামি ব্যান্ডের আইফোন বিক্রি করত চক্রের হোতা মৌ।

কর্মকর্তারা বলেন, এভাবে প্রতারণার মাধ্যমে গত কয়েক বছরে কোটি টাকার সম্পদ করেছে মৌ। মিরপুর ১০ পল্লবীর কালশীর ২৬ নম্বর প্যারিস রোডে রয়েছে একটি নিজস্ব ফ্ল্যাট, রয়েছে দামি গাড়ি। আর এসবই করেছে সে প্রতারণার অর্থ দিয়ে।

গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে কথিত প্রেমিক আকাশ গোয়েন্দাদের বলেছেন, তিনি নবম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। বিমানবন্দরে সিএনএফ এজেন্টে কাজ করেন। সেখান থেকে মোবাইল ফোন ও দামি ব্যান্ডের জিনিসপত্র চুরি করে প্রেমিকা মৌর হাতে তুলে দিত। আর মৌ সেগুলো অনলাইনে বিক্রি করত।

তাছাড়া প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আয় করে মাসের শুরুতে প্রেমের শর্তের ৫০ হাজার টাকা তুলে দিত আকাশ। আর এ টাকা দিয়ে পুরো পরিবার চালাত তার প্রেমিকা।

এছাড়াও প্রেমিকার জন্য বিভিন্ন সময় মোট ৩৫ লাখ টাকা খরচ করেছে। তিনটি আইফোন, প্রাইভেট কার ক্রয়ের জন্য চট্টগ্রামের মোটর পার্টস ব্যবসায়ী সুমনকে ১৭ লাখ টাকা পাঠানো, চায়নায় মোবাইল এক্সেসরিস সাপ্লাইয়ার এমিকে ৬ লাখ টাকা, দুবাইয়ে ক্যামেরার লেন্স ও ফ্ল্যাস লাইট সাপ্লাইয়ার মাইকেলকে ৪ লাখ টাকা পাঠানোর কথা স্বীকার করেছে আকাশ।

আকাশ গোয়েন্দাদের আরও বলেছে, বড় কোনো প্রতারণার টার্গেট সফল হলে আকাশ মৌকে নিয়ে পাঁচতারা হোটেলে পার্টি দিত এবং এক সঙ্গে রাতযাপন করত।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা বলেন, বিভিন্ন পরিচয়ে দোকানে ফোন দিয়ে আইফোন অর্ডার করত এ প্রতারক চক্রের সদস্যরা। আকাশকে গ্রেফতারের পর তাদের প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে নানা তথ্য পাওয়া গেছে।

চক্রের হোতা মৌ তার কথিত প্রেমিকদের দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছে। এডিসি জুয়েল আরও বলেন, আকাশকে জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের একাধিক সদস্যের নাম পাওয়া গেছে, তাদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্যাটকম আই সেন্টারের ম্যানেজার রানা বলেন, ঈদের আগে কাস্টমস অফিসার পরিচয়ে ফোন দিয়ে পাঁচটি আইফোন অর্ডার করে আকাশ। ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট নম্বর চেয়ে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে টাকা পেমেন্ট করে। এই চক্রের সদস্যরা এভাবে আরও একাধিক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে দামি মোবাইল ফোন হাতিয়ে নিয়েছে।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কামরুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করি। অনুসন্ধানে প্রতারণার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাই।’ আকাশ ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সিটি ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা, ব্র্যাক ও মধুমতি ব্যাংকের ক্যাশ রিসিভ এবং সিল জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন শোরুম থেকে আইফোন হাতিয়ে নিত।

আবারও জুটি বাঁধছেন শাকিব-বুবলী

আবারও জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন শাকিব খান ও শবনম বুবলী। উত্তম আকাশ পরিচালিত ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া, নোয়াখাইল্যা মাইয়া’ ছবিতে তাঁরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এই ছবির মাধ্যমে পঞ্চমবারের মতো তাঁরা জুটি বাঁধলেন। আগামী মাস থেকে ছবির শুটিং শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ছবির প্রযোজক ও শাপলা মিডিয়ার কর্ণধার সেলিম খান।

সেলিম খান বলেন, ‘আমরা সম্প্রতি ছবিতে শবনম বুবলীকে চুক্তিবদ্ধ করেছি। বিষয়টি আমাদের আগেই চূড়ান্ত করা ছিল। এখন শুধু প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চুক্তি করলাম।’

শাকিব খানের সঙ্গে ছবির চুক্তি হয়েছে কি না জানতে চাইলে সেলিম খান বলেন, ‘শাকিব খানের সঙ্গে আমরা আগেই চুক্তি করেছি। এই ছবির নায়িকা হিসেবেও বুবলীর বিষয়ে আগেই কথা হয়েছে। বুবলীর সঙ্গে গল্প নিয়ে আগেই কথা বলেছিলাম।’

কবে থেকে শুটিং শুরু হবে—জানতে চাইলে প্রযোজক বলেন, “চলতি মাসের ২৪ তারিখ ঢাকায় ফিরবেন শাকিব খান। ২৫ তারিখ থেকে ‘আমি নেতা হবো’ ছবির শুটিং শুরু হবে। তারপর এই ছবির শুটিং শুরু করব। আগামী মাসের মাঝামাঝি ছবির শুটিং শুরু করতে পারব বলে আশা করি।”

ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ছবির গল্পের প্রশংসা করেছেন বুবলী। তিনি বলেন, ‘ছবির গল্পটা একটু আলাদা। আমার এর আগের ছবিগুলো থেকে এই ছবির গল্প ভিন্ন। দর্শক ভিন্ন কিছু পাবে।’

ছবির পরিচালক উত্তম আকাশ বলেন, “এই ছবি একেবারেই কমেডি ধাঁচের একটি ছবি। আমি এর আগেও শাকিব খানকে নিয়ে কমেডি ছবি বানিয়েছি, ‘রাজা ৪২০’ ছবিটি।

সেই ছবিটি দর্শক পছন্দ করেছিল। আশা করি, এই ছবিও দর্শক পছন্দ করবে।”

আপনার প্রিয় মানুষটি কি মোটা! তা হলে আপনার চরম বিপদ, সতর্ক হোন এখনই

রোগা জিরো সাইজ ফিগার মহিলাদের তুলনায়, বাঙালি পুরুষদের পছন্দ সাধারণত গোলগাল মহিলা। এঁরা নিজেরাও যেমন খাদ্যরসিক হন, তেমনই খাবার বানিয়েও খাওয়াতে পছন্দ করেন।

কিন্তু এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এক নতুন সমীক্ষা বলছে যে স্ত্রী যদি মোটা হন, তা হলে ক্ষতি কিন্তু স্বামীর। আপনার গিন্নি কি মোটা! তা হলে আপনার চরম বিপদ, সতর্ক হোন এখনই।

সমীক্ষাটি বলছে যে মধ্যবয়সি পুরুষদের স্ত্রী যদি স্থূলকায় হন, তা হলে সেই পুরুষদের টাইপ-টু ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। সেই তুলনায় যাঁদের স্ত্রীর চেহারা ছিপছিপে, তাঁদের এই সম্ভাবনা অনেক কম থাকে।

অনিয়মিত খাবার, শরীরচর্চার অভাবের ফলে ওজন বাড়ে এবং শরীরে মেদ জমে। আর স্ত্রীর যদি এই স্বভাব থাকে, তা হলে সেই প্রভাব গিয়ে পড়ে স্বামীর উপরে। একসঙ্গে থাকতে থাকতে তাই খাদ্যাভ্যাস বদলে যায়। স্বামীও খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম করতে থাকেন।

কিন্তু স্বামীরাও যদি মোটা হন, তা হলে কি একই প্রভাব পড়ে স্ত্রীদের উপরে? সমীক্ষা অনুযায়ী, পুরুষরা নিজের স্ত্রী দ্বারা যতটা প্রভাবিত হন, ততটা প্রভাব স্বামীরা স্ত্রীদের উপরে ফেলতে পারেন না। কারণ এখনও অধিকাংশ ক্ষেত্রে হেঁশেলের দায়িত্বে থাকেন স্ত্রীরাই। আর তাই কখন কী খাওয়া হবে, কতটা তেল-মশলা দেওয়া হবে- সবই তাঁদের তদারকিতেই চলে। আর তাই স্বাভাবিকভাবেই মেদ জমতে থাকে পুরুষদের শরীরেও।