All posts by lutfor

কম্বোডিয়ার সঙ্গে এক চুক্তি ও ৯ সমঝোতা সই

কম্বোডিয়ার সঙ্গে নয়টি সমঝোতা স্মারক এবং একটি চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। সোমবার সকালে কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকে সই করা হয়।

এসব চুক্তি ও সমঝোতার আওতায় বাণিজ্য-বিনিয়োগ, পর্যটন ও তথ্য-প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে দুই দেশ।

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা, পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতা, জয়েন্ট ট্রেড কাউন্সিলের অধীনে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সহযোগিতা, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ এবং রয়্যাল একাডেমি অব কম্বোডিয়ারের মধ্যে একাডেমিক পর্যায়ে সহযোগিতা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্মৃতিস্তম্ভ এবং স্মৃতি চিহ্ন সংরক্ষণে সহযোগিতা, মৎস্য ও অ্যাকুয়াকালচার খাতে সহযোগিতা, শ্রম ও কারিগরি প্রশিক্ষণ খাতে সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা, বিনিয়োগ প্রসারে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কাউন্সিল ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব কম্বোডিয়ার মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারকগুলো সই হয়েছে।

চুক্তিটি হয়েছে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এবং কম্বোডিয়ান চেম্বার অব কমার্স’র মধ্যে সহায়তায় বিষয়ে।

এর আগে গতকাল রোববার কম্বোডিয়া সফরে প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নমপেনে স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কম্বোডিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়া নমপেনের হোটেল সোফিটেলে এক নৈশভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বাবাসীর দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন হয়েছে।বিশ্ববাসী এখন বাংলাদেশকে ভিন্নচোখে দেখতে শুরু করেছে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে-বেসমরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক ও প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তিন দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ৫ ডিসেম্বর বিকেলে দেশে ফিরবেন।

দাউদ ইব্রাহিমের সাম্রাজ্যে লেনদেন চলে যে মুদ্রায়

অনলাইন ডেস্ক: ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার’ দাউদ ইব্রাহিম। মাফিয়া সাম্রাজ্যের ত্রাস এই দাউদের ছোটভাই ইকবাল কাসকর সম্প্রতি বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তাদের কাছে।

যেখানে উঠে এসেছে দাউদের লেনদেনের বিভিন্ন তথ্য। দাউদ ইব্রাহিম তার সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের জন্য এখন ‘বিটকয়েন’-এর সাহায্য নিচ্ছেন। ইকবালকে জেরা করতে গিয়ে শুক্রবার এই কথা জানতে পারলেন তদন্তকারীরা।

‘বিটকয়েন’ কী?বিটকয়েন হল কম্পিউটার পরিচালিত ডিজিটাল মুদ্রা বা ‘ক্রিপ্টো কারেন্সি’। যা হাতে ধরে দেখা যায় না। এই কয়েন ব্যবহার করতে গেলে ব্যাঙ্কে কোনও টাকাও কাটা হয় না। এই অর্থ লেনদেনের ওপর থাকে না কোনও সরকারি নিয়ন্ত্রণ। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে এই অর্থ ব্যবহার করা যায়।

বিটকয়েন ইদানীং বেশ জনপ্রিয়। ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার পরে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার সঙ্গে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, সিকিম, ভুটানেও ধীরে ধীরে পরিচিত হচ্ছে বিটকয়েন।

২০০৯ সালে সতোশি নাকামোটো নামের এক সংস্থা বা ব্যক্তি আড়াল থেকে এই বিটকয়েন-এর প্রচলন শুরু করেন। এদিকে গত সেপ্টেম্বর থেকে মুম্বাই পুলিশের হেফাজতে রয়েছে ইকবাল। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, দাউদ পরিচালিত ডি-কোম্পানি এখনও পর্যন্ত ১৫ হাজার বিটকয়েন কিনেছে। এই বিটকয়েন মূলত দাউদ তার মাদক, অস্ত্রশস্ত্র এবং বাড়ি তৈরির কালো ব্যবসায় ব্যবহার করছে।

ইকবাল আরও জানায়, দাউদ ইব্রাহিম এখন ডলার, পাউন্ড, আর টাকার বিকল্প খুঁজছেন। এখনও পর্যন্ত দাউদের কেনা ১৫ হাজার বিটকয়েনের ভারতীয় আর্থিক মূল্য হল ৯৫০ কোটি টাকা।

ডার্ক ওয়েবসাইট-এর মতো অবৈধ নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এবং নিজেদের আসল পরিচয় গোপন করে ডি-কোম্পানি এই মুহূর্তে তাদের যাবতীয় আর্থিক লেনদেনের কাজ চালাচ্ছে সারা পৃথিবীতে। শুধু তাই নয়, বিটকয়েন-এর মাধ্যমেই ডি-কোম্পানি এই মুহূর্তে তাদের সংস্থার সদস্যদের মাস মাইনে এবং অন্ধকার জগতের সব কাজকর্মের মদত দিতে ব্যবহার করছে। সারা পৃথিবীর রিয়েল এস্টেট, শেয়ার মার্কেট আর সোনার বাজারে লগ্নি করে বসে থাকা ডি-কোম্পানির এখনকার এই নতুন অর্থনৈতিক চেহারার চাল গোয়েন্দাদের সামনে এক নতুন চ্যালেঞ্জ।

রাশিয়ার সঙ্গে ফ্লিনের গোপন আলোচনা আইনসংগত : ট্রাম্প

ক্ষমতায় বসার আগেই রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের গোপন যোগাযোগ আইনসংগত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় শনিবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে করা এক পোস্টে ফ্লিনের ওই কাজের প্রতি নিজের সমর্থনের কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

টুইটে ট্রাম্প লেখেন, ‘আমি জেনারেল ফ্লিনকে বরখাস্ত করেছিলাম, কারণ তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এফবিআইকে মিথ্যা বলেছিলেন। এর জন্য তিনি দোষ স্বীকার করেছেন। সরকার পরিবর্তনের সময় তিনি যা করেছিলেন তা আইনসংগত ছিল, এর জন্য তাঁকে দোষী করা লজ্জার। কারণ, সেখানে গোপন করার কিছুই ছিল না।’

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন ট্রাম্প। কিন্তু ক্ষমতায় বসার আগেই তাঁর অন্যতম সহচর ফ্লিন রাশিয়ার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করেন বলে জোরেশোরে অভিযোগ তোলে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। গোয়েন্দা সংস্থাটির অভিযোগের জের ধরে সে সময় পদত্যাগ করেন ফ্লিন।

গত শুক্রবার বিষয়টি স্বীকারও করেন ফ্লিন। ওয়াশিংটন ডিসির একটি আদালতে এ বিষয়ে স্বীকারোক্তিও দেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রে দায়িত্বরত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সার্গেই কিসলাকের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেখানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইসরায়েল ইস্যু নিয়ে কথা বলেন। ক্ষমতায় বসার আগেই ট্রাম্পের নির্দেশে প্রশাসনিক কাজে হস্তক্ষেপ করেন ফ্লিন।

আদালতে ফ্লিন আরো জানান, রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি যে তথ্য দিয়েছিলেন তা ছিল মিথ্যা, কল্পনাপ্রসূত ও প্রতারণামূলক। পরিবার ও দেশের স্বার্থেই তিনি সত্যিটা প্রকাশ করেছেন।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এই স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে ট্রাম্প পরিবারের আরো অনেকের জড়িত থাকার বিষয় সামনে চলে আসতে পারে। সে রকম কিছু হলে তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এমনকি সাক্ষীদের পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদও করা হতে পারে।

এফবিআইর আনা অভিযোগের জেরে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার ২৩ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেন ফ্লিন। তখন থেকেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে এত দিনে কেন তিনি সত্যিটা স্বীকার করেননি, তা পরিষ্কার নয়।

আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে ঢাকার উত্তরে উপনির্বাচন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়রের আসন শূন্য ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানালেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ।
আজ রোববার নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, আসন শূন্য ঘোষণার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের বিষয়। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে আসন শূন্য ঘোষণা করে আমাদের চিঠি দিলেই নিয়ম অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরো বলেন, দলীয় প্রতীকে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
প্রসঙ্গত, চার মাস আগে যুক্তরাজ্যে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক। এরপর প্রায় সাড়ে তিন মাস লন্ডনের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর গেলো ৩০ নভেম্বর রাতে মৃত্যুবরণ করেন এ নগরপিতা।
গতকাল শনিবার তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ নামে এক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি।
আনিসুল হকের মৃত্যুর পর ঢাকা উত্তরের মেয়র পদটি শূন্য হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কম্বোডিয়া পৌঁছেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের আমন্ত্রণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ নমপেন পৌঁছেছেন।প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টায় নমপেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের নিযুক্ত মিনিস্টার ইন ওয়েটিং এবং থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং কম্বোডিয়ায় বর্তমানে এ্যাক্রেডিটেড সাইদা মুনা তাসনিম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অর্ভ্যথনা জানান।

বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে শেখ হাসিনাকে একটি মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেল সোফিটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। কম্বোডিয়া সফরকালে তিনি এই হোটেলেই থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী বিকেলে নমপেনে স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।

তিনি কম্বোডিয়ার প্রয়াত রাজা নরোদম সিহানুকের রাজকীয় স্মৃতি মূর্তিতেও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন। কাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করবেন। এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী একান্ত আলোচনায় বসবেন।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনার এ সফরকালে বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ১১টি চুক্তি ও ৯টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে। অনুষ্ঠানে উভয় দেশের জাতির পিতার নামে ঢাকা ও নমপেনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণের ঘোষণা দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী আগামী ৫ ডিসেম্বর বিকেলে দেশে ফিরবেন।

বিশ্বকাপে কে কোন গ্রুপে

আর মাত্র ৬ মাস। এরপরই শুরু হবে গ্রেটেস্ট শো আর্থ ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ। ২১তম আসরে কোন ৩২ দেশ অংশ নিবে তা নির্ধারণ হয়েছে বেশ আগেই। নির্ধারণ হয়ে গেলো গ্রুপ পর্বে কে কার মুখোমুখি হবে।

বিশ্বকাপ ড্র অনুষ্ঠানও বর্ণিল করতে আয়োজন দেশগুলো চেষ্টার কমতি রাখে না। এবারও একই পথে হেঁটেছে আয়োজক রাশিয়া। এ উপলক্ষ্যে মস্কোতে উৎসবের আমেজ।

অক্টোবর মাসের র‌্যাঙ্কিং অনু্যায়ী বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়া ৩২ দলকে ভাগ করা হয় চারটি পটে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে র‌্যাংকিংয়ের সবার থেকে পিছিয়ে থাকলেও, স্বাগতিক হওয়ায় ১ নম্বর পট বা প্রথম স্তরে শীর্ষ ৭ দলের সঙ্গী হয় রাশিয়া।

রাশিয়া বিশ্বকাপের আট গ্রুপ:

গ্রুপ ‘এ’: রাশিয়া, সৌদি আরব, মিশর, উরুগুয়ে

গ্রুপ ‘বি’: পর্তুগাল, স্পেন, মরোক্কো, ইরান

গ্রুপ ‘সি’: ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, পেরু, ডেনমার্ক

গ্রুপ ‘ডি’: আর্জেন্টিনা, আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, নাইজেরিয়া

গ্রুপ ‘ই’: ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, কোস্টারিকা, সার্বিয়া

গ্রুপ ‘এফ’: জার্মানি, মেক্সিকো, সুইডেন, কোরিয়া রিপাবলিক

গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম, পানামা, ইংল্যান্ড, তিউনিশিয়া

গ্রুপ ‘এইচ’: পোল্যান্ড, সেনেগাল, কলম্বিয়া, জাপান

মুসলমানরা যেভাবে বদলে দিতে পারে ইউরোপের চেহারা

বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সংখ্যার অনুপাতে ২০৫০ সালে ইউরোপের চেহারাটা কেমন দাঁড়াবে? মার্কিন গবেষণা সংস্থা ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’ অভিবাসনের হার বিবেচনায় এর যে নানা চিত্র দাঁড় করিয়েছে, তাতে দেখানো হচ্ছে, মুসলিমরা জনসংখ্যার বিরাট বৃদ্ধি ঘটবে বিভিন্ন দেশে।

যেমন ধরা যাক সুইডেনের কথা। ২০১৬ সালে সুইডেনের মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ১ শতাংশ। কিন্তু অভিবাসনের উচ্চ হার যদি অব্যাহত থাকে ২০৫০ সাল নাগাদ সুইডেনে মুসলিমরা হবে মোট জনসংখ্যার তিরিশ শতাংশ। অর্থাৎ জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ।

পিউ রিসার্চ সেন্টার অভিবাসনের বিভিন্ন হার বিবেচনায় নিয়ে ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা সম্পর্কে তিন ধরণের পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে বলা হচ্ছে যদি অভিবাসন যদি এখনই শূণ্যে নামিয়ে আনা হয়, তারপরও ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যা বর্তমানের ৪ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৭ দশমিক ৪ শতাংশে।
আর যদি অভিবাসনের উচ্চ হার অব্যাহত থাকে, তাহলে মুসলিম জনসংখ্যা হবে ১৪ শতাংশের বেশি।

পিউ রিসার্চ সেন্টার এই গবেষণাটি চালায় মোট তিরিশটি দেশের ওপর। এর মধ্যে ২৮টি হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্রগুলি। অন্য দুটি দেশ হচ্ছে নরওয়ে এবং সুইটজারল্যান্ড।

কোন দেশে কত মুসলিম :
২০১৬ সালের তথ্য বিবেচনায় নিলে ইউরোপের এই তিরিশটি দেশের মুসলিম জনসংখ্যা এই মুহূর্তে ২ কোটি ৫৭ লক্ষ। মোট জনসংখ্যার ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

এর মধ্যে সংখ্যার হিসেবে এবং জনসংখ্যার অনুপাতে সবচেয়ে বেশি মুসলিম আছে ফ্রান্সে। দেশটিতে বাস করে প্রায় অর্ধ কোটি মুসলিম ( ৪৯ লক্ষ ৫০ হাজার)। ফ্রান্সের মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলিমরা হচ্ছে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।
ইউরোপের এই তিরিশটি দেশের মধ্যে মুসলিমরা দ্বিতীয় বৃহত্তম সংখ্যায় আছে জার্মানিতে। সেখানে মোট জনসংখ্যার ৬ দশমিক ১ শতাংশ মুসলিম। মোট মুসলিমের সংখ্যা ৫৭ লক্ষ ২০ হাজার।

ব্রিটেনে মোট জনসংখ্যার অনুপাতে মুসলমানদের সংখ্যা জার্মানির তুলনায় বেশি (৬ দশমিক ৩ শতাংশ)। ব্রিটেনে মুসলমানদের সংখ্যা ৪১ লক্ষ ৩০ হাজার।
এছাড়া ইউরোপে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় এবং হারে মুসলিম আছে নেদারল্যান্ডস, ইটালি, স্পেন এবং সুইডেনে।
যেভাবে বাড়বে মুসলিম জনসংখ্যা :

সামনের দশকগুলোতে ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যা সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে গিয়ে পিউ রিসার্চ সেন্টার তিন ধরণের অভিবাসন পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়েছে: একেবারে শূণ্য, মধ্যম এবং উচ্চ হারে অভিবাসন।
ইউরোপে যদি অভিবাসন এখনই একেবারে বন্ধ করে দেয়া হয়, তারপরও ২০৫০ সাল নাগাদ ইউরোপে মুসলিম জনসংখ্যা দাঁড়াবে সাড়ে তিন কোটিতে। যা মোট জনসংখ্যার ৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

যদি মধ্যম হারে অভিবাসন চলতে থাকে, তাহলে ইউরোপে মুসলিমদের সংখ্যা ২০৫০ সাল নাগাদ সাড়ে পাঁচ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। এর মধ্যে ব্রিটেনেই মুসলিমদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে, এক কোটি ৩০ লাখ।

আর উচ্চ হারে যদি অভিবাসন ঘটে, তাহলে ২০৫০ সালে ইউরোপে মুসলিমদের সংখ্যা হবে সাড়ে সাত কোটি। জার্মানি হবে ইউরোপে সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। জার্মানির মোট জনসংখ্যার প্রায় বিশ শতাংশ হবে মুসলিম। তাদের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় এক কোটি ৭৫ লাখে।                               বিবিসি

সৌদি আরবে কনসার্ট, অংশ নিলেন নারীরা

সৌদি আরব দিনে দিনে আরও আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে উঠছে। প্রতিদিনই নানা ঘটনা ঘটছে দেশটিতে। এবার জেদ্দার এক বিলাসবহুল হোটেলে নারীদের অংশগ্রহণে কনসার্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। দেশটিতে এ ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম।

গত বুধবার কনসার্টটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল জেদ্দার হিলটন হোটেলে। এতে পারফর্ম করেন উপসাগরীয় অঞ্চলের বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী বালকিস। দর্শকদের সারিতে তার নারী ভক্তদের সংখ্যাই ছিল বেশি। প্রায় দুই হাজার নারী ভক্ত এই শো উপভোগ করেন। জনপ্রিয় শিল্পী বালকিসের বাড়ি ইয়েমেনে। তার বাবা আহমেদ ফাতহিও একজন সমঝদার বাদ্যশিল্পী।

সৌদির জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে কনসার্টটি শুরু হয়। এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। শিল্পীরা নিজেদের গানের পাশাপাশি আরব অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী গানগুলোও গেয়ে শোনান। অনুষ্ঠানের শুরুতে এক ঘোষণায় বলা হয়, ‘সৌদি আরবের ইতিহাসে এ ধরনের কনসার্ট এবারই প্রথম।’

কনসার্টটির আয়োজক সংস্থার মালিক গাদা ঘাজ্জাভি বলেন, প্রায় ৩০০০ টিকেট বিক্রি হয়েছিল। টিকেটের দাম ছিল ৩০০ থেকে ২৫০০ সৌদি রিয়ালের মধ্যে।

বাদশাহ সালমান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সৌদিতে শুরু হয়েছে নানান সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সংস্কার। গত জুনে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয় সৌদি আরব। পরে স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি খেলা দেখারও অনুমতি পেয়েছে নারীরা।

মেয়র আনিসুল হকের জানাজায় লাখো জনতা

রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশেনের সদ্য প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের জানাজায় অংশ নিয়েছেন লাখো জনতা। বিকেল সোয়া চারটার কিছু সময় পর তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও আনিসুল হকের জানাজায় অংশ নিতে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে যান।

এছাড়া জানাজায় অংশ নিতে সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন সবস্তরের মানুষ। এরপর তার মরদেহ বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে তার মরদেহ আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়া হলে আনিসুল হকের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢল নামে সাধারণ মানুষের। প্রথমে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাধারণ মানুষ তার মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

শনিবার বাংলাদেশ সময় বেলা ১টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছায় আনিসুল হকের মরদেহ। বিমানবন্দর থেকে তার মরদেহ নেয়া হয় বনানীর বাসায়। সেখানে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজনের শেষ শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বনানীর বাসভবনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রয়াতের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি। আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরবর্তীতে সেখানে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল আনিসুল হকের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে যান।

বিশ্ব সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানালেন পোপ

মিয়ানমারে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করে সঙ্কট মোকাবেলায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়নোর জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস।

মিয়ানমার সফর করে বাংলাদেশে এসে বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে রোমান ক্যাথলিকদের প্রধান ধর্মগুরু এ আহ্বান জানান । তবে এবারও তার বক্তব্যে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি এড়িয়ে যান পোপ। মিয়ানমার সফরেও রোহিঙ্গা নামটি উচ্চারণ না করায় তার সমালোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন থেকে।

বিকাল ৩টায় ঢাকায় পৌঁছে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের পর বঙ্গভবনে যান পোপ। সেখানে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে একান্ত বৈঠকের পর দরবার হলে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে তিনি বক্তব্য দেন। স্পেনিশ ভাষায় তিনি বক্তব্য দেওয়ার সময় তা পাশে থাকা পর্দায় ইংরেজিতে দেখানো হচ্ছিল।

রোহিঙ্গা সঙ্কটের দিকে ইঙ্গিত করে পোপ ফ্রান্সিস বলেন, গত কয়েক মাসে রাখাইন থেকে আসা বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে এবং তাদের মৌলিক প্রয়োজন পূরণ করার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ উদার মন এবং অসাধারণ সংহতির পরিচয় দিয়েছে। এটা ছোট কোনো বিষয় নয়, বরং পুরো বিশ্বের সামনেই এটি ঘটেছে। পুরো পরিস্থিতি, মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট এবং শরণার্থী শিবিরগুলোতে থাকা আমাদের ভাই-বোন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু, তাদের ঝুঁকির গুরুত্ব বুঝতে আমরা কেউই ব্যর্থ হইনি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মিয়ানমারে নিপীড়িত মুসলিম রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতার বিরুদ্ধে পোপের অবস্থানকে ‘প্রশংসনীয়’ উল্লেখ করে বলেন, ক্যাথলিক ধর্মগুরুর এই অবস্থান সঙ্কট সমাধানে আশা দেখাচ্ছে। তিনি পোপ ফ্রান্সিসের উদ্দেশে বলেন, ‌’রোহিঙ্গাদের প্রতি মমত্ববোধ, তাদের সাহায্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপনার ঐকান্তিক আহ্বান এ বিষয়ে দ্রুত ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে নৈতিক বাধ্যতা দেয়।’

তিন দিনের বাংলাদেশ সফরে পোপ ফ্রান্সিসের রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের কর্মসূচি না থাকলেও ঢাকায় রোহিঙ্গাদের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তার আলোচনার কথা রয়েছে বলে বাংলাদেশের খ্রিস্টান নেতারা জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি পোপের সামনে সার্বিক অবস্থা তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের সরকার প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, যাদেরকে নিজেদের আবাসভূমি মিয়ানমারের রাখাইন থেকে জোরপূর্ব বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নারী-শিশুসহ হাজারো মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। নিজেদের বাড়ি ভষ্মীভূত হতে তারা নিজ চোখে দেখেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্মম নৃশংসতার কারণে তাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে হয়েছে। আমাদের জনগণ তাদের খোলামনে স্বাগত জানিয়েছে। খাদ্য-আশ্রয় ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে।’

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা তুলে ধরে পোপের উদ্দেশে আবদুল হামিদ বলেন, ‘অন্যান্য মুসলিম অধ্যুষ্যিত দেশের মতো আমরাও পাশ্চাত্য সমাজে ইসলামফোবিয়ার উত্থান নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের উগ্রবাদী প্রবণতা রোধে সমাজের সব স্তরে আন্তঃধর্মীয় আলোচনা জরুরি।’

অন্যদিকে পোপ ফ্রান্সিসও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে যদিও আমার সফরের উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়া, তারপরও আগামীকাল রমনায় বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আমরা সাক্ষাৎ গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে আমরা সবাই একসাথে শান্তির জন্য প্রার্থনা করব এবং শান্তির জন্য কাজ করতে আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করব।’

ভাষণের শুরুতেই সফরের আমন্ত্রণ জানানোয় রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানান পোপ ফ্রান্সিস। দুই পূর্বসূরি পোপ ষষ্ঠ পল, পোপ দ্বিতীয় জন পলের বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন তিনি।

বাংলাদেশে আসার পথে এই দেশকে ‘সোনার বাংলা’ হিসেবে তার কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করেন তিনি। এদেশে জালের মতো ছড়িয়ে থাকা ছোট-বড় নদী আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সম্পর্কেও জেনেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রীদের মধ্যে আবুল মাল আবদুল মুহিত, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, আনিসুল হক, হাসানুল হক ইনু, এ এইচ মাহমুদ আলী, আসাদুজ্জামান নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী, মসিউর রহমান ছিলেন। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়াও ছিলেন অনুষ্ঠানে। এছাড়া বাংলাদেশের কার্ডিনাল প্যাট্রিক রোজারিও, ভ্যাটিকানের দূত জর্জ কোচেরি তাদের প্রধান ধর্মগুরুর সঙ্গে ছিলেন।