All posts by lutfor

ডিলেট করা মেসেজ পড়া যাবে হোয়াটসঅ্যাপে

ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ। সারাবিশ্বে রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপের কোটি কোটি ব্যবহারকারী। প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট করছে মেটার মালিকানাধীন সাইটটি। এবার নতুন সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা। ডিলিট করা মেসেজও দেখতে পাবেন এখন। হোয়াটসঅ্যাপের একটি জনপ্রিয় ফিচার সেন্ড করা মেসেজ ডিলিট করা। কোনো কারণে অন্য কোনো ব্যবহারকারীর কাছে ভুল মেসেজ পাঠানো হলে তা ডিলিট করা সম্ভব। তবে আপনাকে পাঠানো সেই ভুল মেসেজ কী ছিল তা এখন সহজেই জানতে পারবেন। এজন্য অবশ্য আপনাকে থার্ডপার্টি অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপের নিজস্ব কোনো ফিচার নেই যার মাধ্যমে ডিলিট করা মেসেজ আপনি পড়তে পারবেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে কাজটি করবেন-

১. প্রথমে আপনার স্মার্টফোনে গেট ডিলিট মেসেজ (Get Deleted Message) নামের অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।

২. এরপর ওই অ্যাপটি একাধিক পারমিশন চাইবে। সেখানে গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ পারমিশন দিতে হবে।

৩. সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনি ডিলিট মেসেজ দেখতে পাবেন।

তবে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই থার্ড পার্টি অ্যাপগুলো কোনো মেসেজ পড়তে পারে না। সেগুলো শুধু নোটিফিকেশন থেকে মেসেজ ট্র্যাকই করতে পারে।

লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আক্রমণ থামাবেন না পুতিন

রাশিয়ার লক্ষ্যগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইউক্রেনে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে অঙ্গীকার করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) তিনি বলেছেন, ইউক্রেনীয় বিরোধিতা এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নিষেধাজ্ঞা সত্যেও তাদের অভিযান পরিকল্পনা অনুযায়ী চলছে।

এদিন পুতিন বলেন, রুশ সেনারা ইউক্রেনের রাজধানীর দখল ভালোভাবেই নিতে পেরেছে। এখন তারা ডনবাস অঞ্চলের দিকে মনোযোগ দেবে। মঙ্গলবার ইউক্রেন বলেছে, সেনাদের (ইউক্রেনীয়) ওপর বিষাক্ত পদার্থ নিক্ষেপ করা হয়েছে। পদার্থটি কী হতে পারে তা তারা স্পষ্ট নয়।

তবে পশ্চিমা কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, রাশিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের কোনো ধরনের ব্যবহার করলে এই ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ আরও গুরুতর হয়ে উঠবে। পশ্চিমা কর্মকর্তাদের মতে, রাজধানী কিয়েভ দখল, সরকার পতন এবং একটি মস্কো-বান্ধব শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে রাশিয়া ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল।

ছয় সপ্তাহ পর পুতিন মঙ্গলবার জোর দিয়ে বলেন, তার আক্রমণের লক্ষ্য ছিল মস্কো-সমর্থিতদের নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ইউক্রেনের কিছু অংশের জনগণকে রক্ষা করা এবং ‘রাশিয়ার নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, রাশিয়ার কাছে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প ছিল না এবং অঙ্গীকার করে বলেন, এর সম্পূর্ণ সমাপ্তি এবং নির্ধারিত কাজগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এটি অব্যাহত থাকবে। আপাতত পুতিনের বাহিনী ডনবাসে একটি বড় আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেখানে ২০১৪ সাল থেকে রাশিয়ান-মিত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যে লড়াই চলছে এবং রাশিয়া এই অঞ্চলের স্বাধীনতার দাবিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

ডনবাসের একটি কৌশলগত বন্দর শহর মারিউপোল। এখানকার একটি ইউক্রেনীয় রেজিমেন্ট দাবি করেছে, একটি ড্রোন শহরের ওপর বিষাক্ত পদার্থ ছিটিয়েছে। তবে এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, বিশেষজ্ঞরা জানার চেষ্টা করছেন এই বিশেষ পদার্থটি কী হতে পারে। তিনি বলেন, বিশ্ববাসীর এখনই প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত।

তিনি বলেন, কিয়েভের অন্যান্য শহরতলিতে নারী ও শিশুদের প্রতি ‘ধর্ষণ’ ও অন্যান্য অমানবিক নিষ্ঠুরতার’ প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হান্না মালিয়ার বলেছেন, কর্মকর্তারা ধারণা করছেন মারিউপোলে রাশিয়া সম্ভবত ফসফরাস অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যা ভয়াবহ দগ্ধ করে, কিন্তু এটি রাসায়নিক অস্ত্র হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ নয়।

মারিউপোল শহরের মেয়র ভাদিম বয়চেঙ্কো সোমবার বলেন, রুশ সেনাদের অবরোধের ফলে ১০ হাজারেরও বেশি বেসামরিক লোক মারা গেছে। শুধুমাত্র মারিউপোলে মৃতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

জেলেনস্কির উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক মারিউপোলে ইউক্রেনীয় সেনারা যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হচ্ছে তা স্বীকার করেছেন। তিনি এক টুইটে বলেছেন, তারা (সেনারা) অবরুদ্ধ হয়ে আছে, এবং রসদ সরবরাহ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে।

পোডোলিয়াক টুইটে জানান, দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে আমাদের রক্ষকরা (রাশিয়ান) সেনাদের থেকে শহরটিকে রক্ষা করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রথমবারের মতো রাশিয়ার আক্রমণকে “গণহত্যা” বলে উল্লেখ করেছেন।

একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, বাইডেন প্রশাসন ইউক্রেনের জন্য ৭৫০ মার্কিন ডলারের সামরিক সহায়তার আরেকটি প্যাকেজ প্রস্তুত করছে, যেটি শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বলেছে, তারা পশ্চিম খমেলনিটস্কি অঞ্চলের স্টারোকোস্টিয়ানটিনিভ এবং কিয়েভের কাছে একটি গোলাবারুদ ডিপো এবং বিমানের হ্যাঙ্গার ধ্বংস করতে ব্যবহৃত বায়ু- এবং সমুদ্র-চালিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমুন্নত রাখুন: সেতুমন্ত্রী

নিজ নিজ ধর্ম পালনের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।  তিনি বলেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী, ধর্মের নামে কোনরূপ বাড়াবাড়ি কোন ধর্মই অনুমোদন করে না। নিজ নিজ ধর্ম পালনের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রাখি।

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ওবায়দুল কাদের নিয়মিত বিফ্রিংকালে এসব বলে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে জনগণের প্রত্যাশা ও স্বপ্নের সাথে সঙ্গতি রেখে সকল কার্যক্রম এগিয়ে নেয়াই আজকের দিনের অঙ্গীকার।

তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংকালে দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।  পাশাপাশি পহেলা বৈশাখে আওয়ামী লীগকে সুশৃঙ্খল, সুসংগঠিত, আরও আধুনিক ও স্মার্ট রাজনৈতিক দল হিসেবে এদেশের গণমানুষের স্বপ্ন পূরণে ইতিবাচক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও করেন ওবায়দুল কাদের।

এবার বৈশাখ এসেছে রমজান মাসে তাই দেশবাসী জনগণ রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার পাশাপাশি আবহমান কাল থেকে বাঙালি সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ওবায়দুল কাদের ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে, এমন প্রত্যাশা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দলকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথরেখায়, ইতিবাচক ধারাকে আরও বলিষ্ঠ ও বেগবান করা হবে।  তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে দেশের রাজনীতিতে অসাম্প্রদায়িক চেতনার সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে আওয়ামী লীগ বদ্ধ পরিকর।

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে দেশের সকল গণতান্ত্রিক, দেশপ্রেমিক ও প্রগতিশীল শক্তিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নানা বাধা অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে, তাই আসুন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করি।

অষ্টাদশ বিসিএস ফোরাম স্বাধীনতা দিসব উদযাপন ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক : অষ্টাদশ বিসিএস ফোরামের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২২ উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সাথে সংগঠনটির ২০২২-২০২৩ কার্যনির্বাহী পর্যদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর চলচিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তরের তথ্য ভবন মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

চলতি কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি সুরাইয়া পারভীন শেলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চলতি কমিটির মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, বিদায়ী কমিটির সভাপতি একেএম এনামুল করিম ও মহাসচিব মোঃ শাহ আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্যাডার কো-অর্ডিনেটর আয়েশা সিদ্দিকা শেলী এবং বর্তমান কমিটির দপ্তর সম্পাদক জাহিদ বিন মতিন।

সভাপতির বক্তব্যে সুরাইয়া পারভীন শেলী বলেন, নতুন কমিটির উদ্যোগে এরই মধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। আশা করি সফলতার সাথে আমাদের কার্যক্রম সকলের সহযোগিতার ভিত্তিতে আমরা সম্পন্ন করতে পারবো। তিনি বলেন, আমরা সকলেই বন্ধু-ভিন্ন ভিন্ন ক্যাডার, বন্ধু আমরা সবার। সকলে সকলের বিপদে-আপদে পাশে থাকবো। সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

চলতি কমিটির মহাসচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, বৈশ্বিক অতিমারির কারণে আমাদের অভিষেক আয়োজন কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। তবে এরই মধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম আমরা হাতে নিয়েছি। সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও রূপরেখার ভিত্তিতে সৌহাদ্য-সম্প্রীতি বজায় রেখে আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর আগে বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও মহাসচিব নতুন কমিটির সভাপতি -মহাসচিব এর নিকট দায়িত্ব হস্তান্তর করেন। পরে সকল সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এর পরেই অনুষ্ঠিত হয় পরিচিত পর্ব। অনুষ্ঠানে আগত অষ্টাদশ বিসিএস ফোরামের কর্মকর্তাগণ তাদের নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন। এছাড়া অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মনোজ্ঞ সাংস্ককৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

একাদশে ভর্তির আবেদন ৮ জানুয়ারি

 

একাদশ শ্রেণির ভর্তির জন্য আবেদন আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে অনলাইন শুরু হবে। যা চলবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। তিন ধাপে মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ নীতিমালা জারি করা হয়। যাতে ঢাকা ও জেলা পর্যায়ে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি ফিসহ সব ব্যয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়, এবার শুধু অনলাইনে xiclassadmission.gov.bd একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করা যাবে। আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পাঁচটি ও সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা যাবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। ২০১৯ সাল থেকে ২০২১ সালের মধ্যে যারা এসএসসি পাশ করেছে তারা আবেদন করতে পারবেন।উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীদেরও ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। যারা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করবে তাদেরও এ সময়ের মধ্যে ভর্তির আবেদন করতে হবে।

 

এতে আরও বলা হয়, পুনঃনিরীক্ষণের ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন নেয়া হবে ২২ ও ২৩ জানুয়ারি। ২৪ জানুয়ারি পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ দেয়া হবে। আর ২৯ জানুয়ারি প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে তাকে পুনরায় ফিসহ আবেদন করতে হবে। ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেয়া হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ ফেব্রুয়ারি। ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। এতে বলা হয়, ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে। ১৯ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। আর ২রা মার্চ থেকে কলেজগুলোতে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।নীতিমালায় বলা হয়, নির্ধারিত ফির বেশি অর্থ আদায় করা যাবে না। এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সেশনচার্জ ও ভর্তি ফি গ্রহণ করা যাবে। উন্নয়ন ফি আদায় করা যাবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে ৫ হাজার টাকা, ঢাকা মহানগরের বাইরে ৩ হাজার, জেলা পর্যায়ে ২ হাজার আর উপজেলা ও সফম্বলে ১ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা যাবে।

ওমিক্রন আতঙ্কে সৌদির গ্র্যান্ড মসজিদে ফের বিধিনিষেধ আরোপ

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন আতঙ্ক এবং নতুন করে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদ, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম পুনরায় চালু করেছে দেশটির সরকার।বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়।স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৩০ডিসেম্বর) থেকে সেটি কার্যকর হয় বলে জানা গেছে। করোনাভাইরাস মহামারির প্রাদুর্ভাব কমতে শুরু করলে দেশটির কর্তৃপক্ষ অক্টোবরে এ দুই মসজিদ থেকে স্বাস্থ্যবিধি শিথিল করেছিল।

বুধবার সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, মসজিদুল হারামে মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারীদের সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার ব্যবস্থা পুনরায় জারি করা হবে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ভোর ৭টা থেকে নতুন বিধি কার্যকর হতে যাচ্ছে।জেনারেল প্রেসিডেন্সি জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট কর্মীরা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা কিভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন সেসব নিয়ম কানুন নিয়ে পরিকল্পনা করছেন। এরই মধ্যে মসজিদের করিডোরসহ ভেতরের বিভিন্ন জায়গায় এ সংক্রান্ত তথ্যাবলি জানানোর জন্য লাগানো হয়েছে স্টিকার। এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা মদিনার মসজিদে নববীতেও প্রয়োগ করার কথা জানান তিনি।

তবে মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশে সংখ্যা কমিয়ে আনার ব্যাপারে এখনো কিছু জানানো হয়নি।এদিকে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন পাঁচ লাখ, ৫৫ হাজার ৪১৭ জন। একই সময়ে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একজন এবং মোট মৃত্যু হয়েছে আট হাজার ৮৭৫ জনের।

খালেদা জিয়া কখনোই মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ১৯৭১ সালে জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়াকে ভারতে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নিয়ে যাওয়ার জন্য লোক পাঠালেও তিনি স্বেচ্ছায় ক্যান্টমেন্টে থেকে যান। তাই তিনি কখনও মুক্তিযোদ্ধা হতে পারেন না। শুধু তাই নয়, জিয়াউর রহমান বলেছিলেন যুদ্ধকালীন সময়ে এলাকায় থাকা নিরাপদ নয়, তাই ভারতে চলে যাওয়াই ভাল। সে কথা না শুনে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ক্যান্টমেন্টে অবস্থান নিয়েছিলেন খালেদা। স্বেচ্ছায় যারা ক্যান্টমেন্টে অবস্থান নিয়েছিলেন, তারা কখনোই মুক্তিযোদ্ধা হতে পারে না। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পৌর শহরের শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে  মুক্তিযোদ্ধা-জনতা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে খুনি মুশতাক ও জিয়া পিছিয়ে দিতে চেয়েছিল। ইসলামের অপব্যবহার করা হয়, ভাওতা দেয়। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকার সময় বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।   তাদের কাছে এতিমের টাকাও নিরাপদ নয়।   সেই অপরাধে জেল খাটছে উনি। কিন্তু তাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী বলেন,  বিএনপি জামাতায়সহ অন্য দলগুলোর নেতারা  ক্ষমতায় ছিল ২৯ বছর। সেই সময় তারা  দেশের কোনো উন্নতি করেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে দেশ নিরাপদ। আমরা ক্ষমতায় আসার পর কী পরিমাণে উন্নয়ন হয়েছে তা একটু চারিদিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন।   সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চার তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন ভবন করে দিয়েছে। চারদিকে উন্নয়নের জোয়ার বইছে।   এই সরকার আরও ক্ষমতায় থাকলে দেশের আরও উন্নতি হবেতিনি বলেন, আমি যখন মন্ত্রী হই তখন মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ছিল মাত্র ৩ হাজার টাকা। সেটা এখন বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। দেশের সব বধ্যভূমিকে সংরক্ষণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের কবর সংরক্ষণ করা হবে।   যাতে ৫০ বছর পর কেউ দেখলে বোঝতে পারে এটা মুক্তিযোদ্ধার কবর। আপনারা যেহেতু অভিযোগ করেছেন তাই রাজাকারদেরও তালিকা করা হবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে কাজ করব।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ-সভাপতি রশিদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-৫ আসনের এমপি মহিবুর রহমান মানিক, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মতিউর রহমান,  সিলেট-৩ আসনের এমপি হাবিবুর রহমান হাবিব, সুনামগঞ্জ-সিলেট সংরক্ষিত মহিলা এমপি শামীমা শাহরিয়ার, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ছাতক পৌর আ.লীগের আ.লীগের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহিদ মজনু, সুনামগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার নূরুল মোমেন প্রমুখ।এর আগে শুক্রবার সকালে মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক ছাতকে নব নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের শুভ উদ্বোধন করেন।

১৫ শতাংশ ঋণ পরিশোধে থাকা যাবে খেলাপিমুক্ত

করোনার কারণে চলতি বছর একজন ঋণগ্রহীতার যে পরিমাণ পরিশোধ করার কথা তার ১৫ শতাংশ পরিশোধ করলে আর খেলাপি হবেন না। ছোট উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি বড়রাও এ সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি ইডিএফের ঋণসীমা বাড়ানো ও স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যবসায়ীদের দাবিও পর্যালোচনা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আয়োজিত ব্যাংকার্স সভায় জানানো হয়েছিল, ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের বিশেষ সুবিধার মেয়াদ আর বাড়ছে না। তবে ওই সভায় ক্ষুদ্র গ্রাহকদের ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধার সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়েছিলো। যেখানে মাত্র ১৫ শতাংশ অর্থের মাধ্যমেই খেলাপিমুক্ত থাকতে পারবেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

দুদিন আগের এ সিদ্ধান্তের পর বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে ১৮ জন শীর্ষ ব্যবসায়ীর প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে দেখা করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন- বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান, বিআইসি সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ, রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল, এমসিসিআই নতুন সহ-সভাপতি টিএম কামরুল ইসলামসহ এফবিসিসিআইয়ের বোর্ড সদস্যরা।বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান ও আবু ফরাহ মো. নাছেরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

সভা শেষে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ১৫ শতাংশের সুবিধা ছোট-বড় সবাইকে দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। গভর্নর এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে ইডিএফ ঋণসীমা বাড়ানো, স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ পরিশোধের দাবিও জানিয়েছি। তবে এ বিষয়ে তারা পরে জানাবেন।বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, চলমান বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের অনেকেই বায়ারদের কাছে পণ্য দিলেও অর্থ ফেরত পায়নি, এতে খেলাপি হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এসব বিষয়ে পর্যালোচনা করে জানাবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে সার্বিকভাবে আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি।

এদিকে সভার পরপরই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিআরপিডি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে  এক্ষণে, সিএমএসএমই খাতে বিতরণকৃত ঋণ বিনিয়োগের অনুরূপ বিআরপিডি সার্কুলার-১৯, ২০২১ আওতায় সুবিধাপ্রাপ্ত অন্যান্য ঋণ বিনিয়োগের বিপরীতেও জানুয়ারি, ২১ হতে ডিসেম্বর, ২১ পর্যন্ত প্রদেয় কিস্তি, অর্থের ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ আদায় হলে উক্ত ঋণ, বিনিয়োগ হিসাবসমূহ অশ্রেণিকৃত হিসেবে প্রদর্শন করা যাবে। এবং সংশ্লিষ্ট ঋণ, বিনিয়োগের ভবিষ্যত আদায় ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ২০২১ সালের আরোপিত সুদ, মুনাফা আয়খাতে স্থানান্তর করা যাবে। তবে ইতোপূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী ২ শতাংশ অতিরিক্ত জেনারেল প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হবে।ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কৃষিতে প্রযুক্তি উদ্ভাবনে শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিতে নতুন জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে কৃষি শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিজ্ঞানীদের মেধা ও মনন আর কৃষি শ্রমিকদের শ্রম ও ঘামে দেশে ১০৬টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। যা দেশের খাদ্য নিরপত্তায় অবদান রাখছে।

শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নব নির্মিত শ্রমিক কলোনি ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।ব্রির বিজ্ঞানীরা জানান, তাদের উদ্ভাবিত বি হোল ফিড কম্বাইন হারভেস্টারের ইঞ্জিনটি বিদেশ থেকে আনা। অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থানীয়ভাবে তৈরি। এর ইঞ্জিনের ক্ষমতা ৮৭ হর্স পাওয়ার। ঘণ্টায় মেশিনটি ৩-৪ বিঘা জমির ধান কর্তন করতে পারে। জ্বালানি খরচ হয় ঘণ্টায় ৩.৫- ৪ লিটার। হারভেস্টিং লস শতকরা এক ভাগের কম।

পরে কৃষিমন্ত্রী ব্রির চত্বরে ব্রির শ্রমিকদের জন্য নির্মিত পাঁচতলা নতুন আবাসিক ভবন ‘ব্রি শ্রমিক কলোনী ভবন’ উদ্বোধন করেন।  কৃষিমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী মানুষের আবাসনের জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নব নির্মিত শ্রমিক কলোনি ভবন তার একটি বাস্তব উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব (বিদায়ী) মেসবাহুল ইসলাম, নব নিযুক্ত কৃষি সচিব সাইদুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. শাহজাহান কবীরসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অধীনস্ত সব দপ্তর, সংস্থার প্রধানগণ, এবং সংশ্লিষ্ট অন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন কাল

ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার (ডিআইটিএফ) ২৬তম আসরের পর্দা উঠছে। আগামীকাল শনিবার পূর্বাচল নতুন শহরে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী চলবে এ মেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করবেন।আজ শুক্রবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। মেলার এক্সিবিশন সেন্টারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রপ্তানি বাণিজ্য উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কৌশল হচ্ছে পণ্য উন্নয়ন ও পণ্যের বাজার সৃষ্টি। আর পণ্যের বাজার সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কৌশল হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন ও মেলায় অংশগ্রহণ। প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বাণিজ্যমেলার নবনির্মিত এই স্থায়ী ভেন্যুতে এবারের মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়।দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল হতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন করা হচ্ছে। এবারই প্রথমবারের মতো স্থায়ী কমপ্লেক্সে এ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অন্যান্য বছরের মতো মাসব্যাপী এ মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত)। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা, শিশুদের ২০ টাকা।এবার মেলায় প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কারপেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহ-সামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি।বাণিজ্যমেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল ও ১৫টি ফুড স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক্সিবিশন সেন্টারের ১৪ হাজার ৩৬৬ বর্গমিটার (প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার বর্গফুট) আয়তনের দুটি হলে (হল-এ ও হ-বি) সব স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেলা কমপ্লেক্সের বাইরে (সম্মুখ ও পেছনে) প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও ফুড স্টল নির্মাণ করা হয়েছে। মেলা চলাকালীন যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।