=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সংবাদপত্রের অনলাইন নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে : তথ্যমন্ত্রী

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
সেপ্টেম্বর ১, ২০২০
news-image

মূলধারার সংবাদপত্রগুলোর অনলাইন পোর্টালের নিবন্ধন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। একই সঙ্গে সংবাদপত্রের সরকারি বকেয়া বিল পরিশোধে আবারও তাগাদাপত্র দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা জানান।এ সময় সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রথম আলোর সস্পাদক মতিউর রহমান, কালের কন্ঠের সস্পাদক এমদাদুল হক মিলন, সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনিরুজ্জামান, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত বৈঠক হয়। আজ সে রকম একটি বৈঠক ছিল। আমরা সব সময় সংবাদপত্রের বিশেষ করে মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করি। আজ সে বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনগুলোকে সহসা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। আমরাও মনে করি যেসমস্ত পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয় বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির পত্র-পত্রিকার অনলাইনভার্সন রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে খুব বেশি তদন্তের কিছু নেই। কারণ এগুলো তদন্ত করেই পত্র-পত্রিকাগুলো বের হয়। আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পত্রিকাগুলোর অনলাইন ভার্সনের রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করবো। এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে পত্র-পত্রিকার অনেক বিল আটকে আছে। কোনো পত্রিকার ১০ কোটি, ১৫ কোটি, ২০ কোটি টাকা। এরকম করে কয়েকশ’ কোটি টাকার বিল বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দফতরে আটকে আছে। ওই বিলগুলো যাতে ছাড় করা হয় সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ওই সব মন্ত্রণালয় ও দফতরে একটি তাগাদাপত্র দেব। কারণ ইতোপূর্বে পত্র-পত্রিকার বিল ছাড় করার জন্য কেবিনেট ডিভিশন থেকে সব মন্ত্রণালয় ও দফতরে তাগাদাপত্র দেয়ায় কিছু বিল ছাড় হয়েছিল। হাছান মাহমুদ আরও বলেন, যে পরিমাণ বিল বকেয়া আছে আর যে পরিমাণ ছাড় হয়েছে- তা খুবই নগণ্য। সেজন্য আমরা আরও একটি তাগাদাপত্র দেব। আজকে সবার সঙ্গে আলোচনাক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।