=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজধানীতে ৫ কোটি টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্প-ডলার-টাকাসহ গ্রেফতার ২

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
আগস্ট ২৮, ২০২০
news-image

রাজধানীর সেগুনবাগিচা ও যাত্রাবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪ কোটি ৭৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্প, ডলার ও টাকাসহ দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এরা হলেন- মো. আলফাজ উদ্দিন (৬০) ও মো. মাসুদ (৫০)।শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়ে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির রমনা জোনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসি) এস এম শামীম।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে ভোররাত পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. আলফাজ উদ্দিন (৬১) ও মো. মাসুদ (৪০)।গ্রেফতারকৃতের মধ্যে আলফাজ উদ্দিন ঢাকা টেক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সহকারী হিসাব রক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং মাসুদ জাল স্ট্যাম্প, জাল ডলার ও জাল টাকা তৈরির মূল হোতা।

রমনা জোনের এসি এস. এম. শামীম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেগুনবাগিচায় এনবিআর ভবনের নিচ তলায় টেক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সামনে থেকে ঢাকা টেক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সহকারী হিসাব রক্ষক আলফাজ উদ্দিনকে তিন লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্পসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আলফাজ উদ্দিনের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, অধিক মুনাফার আশায় আনোয়ার নামে এক লোকের কাছ থেকে জাল স্ট্যাম্প ক্রয় করে বিক্রি করছিলেন। করোনা শুরুর আগে আনোয়ার আলফাজের কাছে এসে জানায় অধিক মুনাফা করতে চাইলে জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করতে হবে। জাল স্ট্যাম্প ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আনোয়ার তার ছেলে সবুজের সঙ্গেও গ্রেফতার আলফাজ উদ্দিনের পরিচয় করিয়ে দেয়।

গ্রেফতার আলফাজ উদ্দিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতভর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে জাল স্ট্যাম্প বিক্রির হোতা মো. মাসুদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে চার কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের জাল স্ট্যাম্প, জাল ডলার, জাল টাকা ও জাল স্ট্যাম্প বানানোর সরঞ্জাম উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, এর আগেও জাল-জালিয়াতির অভিযোগে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন মাসুদ। মাসুদ দীর্ঘ আট বছর এই জাল জালিয়াতি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তিনিই এই ব্যবসার মূল হোতা।

রমনা জোনের এসি আরও বলেন, জাল স্ট্যাম্প, জাল ডলার, জাল টাকা ও জাল স্ট্যাম্প তৈরির সরঞ্জামসহ গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জাল স্ট্যাম্প বিক্রির সঙ্গে জড়িত আরও দুজনকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ ব্যবসায়ের সঙ্গে যারা জড়িত তারা কেউ পার পাবে না৷ সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেয়ার সুযোগ কাউকে দেয়া হবে না।