=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল রোজা

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
এপ্রিল ২৪, ২০২০
news-image

পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামীকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে রোজা। আজ তারাবির নামাজের মধ্য দিয়ে শুরু হবে রোজার আনুষ্ঠানিকতা। তবে দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে তারাবীহ নামাজ পড়ায় কিছু কিছু নিয়ম বেধে দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আব্দুল্লাহ শনিবার থেকে রোজা শুরুর ঘোষণা দেন।

শুক্রবার থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে রোজা শুরু হয়েছে। এজন্য শনিবার থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু হবে এটা অনেকটা নিশ্চিত ছিল।প্রথম রোজায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সেহেরির শেষ সময় শুক্রবার ভোররাত ৪টা ৫ মিনিট এবং ইফতার শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিট।

এদিকে, পবিত্র রমজান মাসে এশার জামাত ও তারাবির নামাজে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, খাদেম ও ২ জন হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সরকারি এই নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা রমজানে তারাবির নামাজ ঘরে আদায় করার নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় বাংলাদেশে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান পরিস্থিতিতে মুসলিম জনসাধারণকে মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত নামাজে সর্বোচ্চ ৫ জন এবং জুমার নামাজে সর্বোচ্চ ১০ জন মুসল্লির উপস্থিতিতে নামাজ আদায় করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করে গত ৬ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। আগের বিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় নতুন এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, আসন্ন পবিত্র মাহে রমজানে এশার জামায়াতে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, খাদিম ও ২ জন হাফেজসহ সর্বোচ্চ ১২ জন অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এশার জামায়াত শেষে এ ১২ জনই মসজিদে তারাবিহর নামাজে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অন্যান্য মুসল্লিরা নিজ নিজ ঘরে এশা ও তারাবিহ নামাজ আদায় করবেন। সবাই ব্যক্তিগতভাবে তিলাওয়াত, জিকির ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির প্রার্থনা করবেন।