শুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

কক্সবাজার উপকূলের ত্রাস ১৭ মামলার আসামী আনোয়ার ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ বন্দুকযুদ্ধে নিহত,অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
ডিসেম্বর ২০, ২০১৯
news-image

বিজয় কুমার ধর, কক্সবাজার: কক্সবাজারের চকরিয়ায় নেতৃত্ব ও আধিপত্য নিয়ে ডাকাত দলের অভ্যন্তরীণ বন্দুকযুদ্ধে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে উপকূলের ত্রাস ১৭ মামলার পলাতক আসামী আনোয়ার হোসেন (৪২)। উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড  শান্তিপুর কালাইয়াগোদা পাহাড়ে বৃহস্পতিবার ভোর রাত ২টায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের লাল মোহাম্মদ পাড়া ঘিলাতলীর মুজিবউল্লাহ প্রকাশ কিনাইয়ার ছেলে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর রাত ২টায় গোলাগুলির শব্দ পেয়ে লোকজন কালাইয়াগোদা পাহাড়ে গেলে আহত অবস্থায় একজনকে দেখতে পায়। তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে গুরুতর আহত আনোয়ারকে নিয়ে ভোর ৪টায় চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। আনোয়ারকে উদ্ধারের সময় একটি এলজি বন্দুক, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৯ রাউন্ড কার্তুজের খোসা পায় পুলিশ। এ ঘটনায় থানার এসআই কামরুল হাসান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৬-১৭জনসহ নিহত আনোয়ারকে প্রধান আসামী করে হত্যা ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন। নিহত আনোয়ারের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গ থেকে ময়নাতদন্ত করে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উল্লেখ্য ডাকাত দলের বন্দুকযুদ্ধে নিহত আনোয়ার একাধিক ডাকাত, সন্ত্রাসী দলের সর্দার ছিল। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতিসহ ১৭টি মামলা হয়।তৎমধ্যে তিনবার পুলিশকে পিটিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মামলাও ছিল। মামলাগুলোর মধ্যে ১৯৯৫ সালে প্রথম দস্যুতার অভিযোগেএকটি মামলা, তিনটি পুলিশ এসল্ট মামলা দায়ের হয় ২০১১ সালের ২১ মার্চ, একই বছরের ৩০ এপ্রিল ও
২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট। এছাড়া তার বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি ডাকাতির মামলা দায়ের হয় ২০০৬
সালের ২৪ মার্চ ২০০২ সালের ২ ডিসেম্বর, ২০০৪ সালের ১৪ ফেব্রæয়ারী। এছাড়া ডাকাতির প্রস্থুতির অভিযোগে ৬টি মামলা দায়ের হয়, ২০১১ সালের ২৮ মার্চ, একই বছরের ৪ এপ্রিল, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট, একই বছরের ১২ অক্টোবর, ২০১৪ সালের ১৫ মার্চ। পৃথক তিনটি অস্ত্র মামলা দায়ের হয় ২০০৪
সালের সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর, ২০১০ সালে ৬ ফেব্রæয়ারী। পরোয়ানা জারী করা ১৭টি মামলার মধ্যে ১৬টি চকরিয়া থানায় ও একটি মহেশখালী থানায় দায়ের হয়।