=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিশুর ডেঙ্গু জ্বরে করণীয়

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
অক্টোবর ১৬, ২০১৮
news-image

চারদিকে এখন ডেঙ্গুর প্রকোপ, এ থেকে শিশুদেরও রেহাই নেই। মশাবাহিত এ রোগটি সাধারণত বর্ষা এবং বর্ষা-পরবর্তী সময়ে দেখা দেয়। ডেঙ্গু জীবাণুবাহী এডিস মশা কামড়ানোর পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। তবে কিছু কিছু ডেঙ্গু রোগী কোনো উপসর্গ ছাড়াই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে।

রোগের লক্ষণগুলো হলো— উচ্চ তাপমাত্রা (সাধারণত ১০২-১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট), মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরের পেশি এবং গিঁটে গিঁটে ব্যথা ও চামড়ার নিচে ছোট ছোট লাল ফুসকুড়ি। চার থেকে সাত দিন পর জ্বর কমে গেলে ছোট ছোট লাল দাগ দেখা দেয় যা চাপ দিলেও মিশে যায় না। এ ছাড়া দাঁতের গোড়া ও নাক থেকে রক্ত বের হতে পারে। ডেঙ্গু ভাইরাসের একটি বিশেষত্ব হলো এটি রক্তনালিতে পরিবর্তন ঘটিয়ে জলীয় অংশ বের করে দেয়, ফলে রোগী পানিশূন্যতায় আক্রান্ত হয়। বড়দের চেয়ে শিশুরা পানিশূন্য হয় বেশি। ফলে তীব্র পানিশূন্য হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়া এবং জটিলতার সম্ভাবনাও তাদের বেশি।

ডেঙ্গুর চিকিৎসা হলো পর্যাপ্ত পানি বা তরল খাবার বিশেষত ওরস্যালাইন। অনেকে মনে করেন ডেঙ্গু হলেই রোগীকে রক্ত বা প্লেটেলেট দিতে হবে। বাস্তবতা হলো, খুব অল্পসংখ্যক রোগীরই প্লেটেলেট প্রয়োজন হয়। তাই ডেঙ্গুতে বুকের দুধ, পানি, ডাবের পানি, স্যালাইন, জুস, লেবুর শরবত ইত্যাদি একটু পরপরই শিশুর মুখে তুলে দিন। খাওয়ার রুচি কমে যায় বলে এমন খাবার দিন যাতে যথেষ্ট পুষ্টি আছে, যেমন খিচুড়ি। জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল বড়ি, সিরাপ বা সাপোজিটরি দিতে হবে। তবে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ দেওয়া যাবে না। অ্যান্টিবায়োটিকও এক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয়।

ডেঙ্গু আক্রান্ত বাচ্চাকে মশারির মধ্যে রেখে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখতে হবে। স্কুলে যাওয়া বা অন্য কাজ থেকে ৫-৭ দিন বিরত রাখুন চিকিৎসকের পরামর্শে। সুস্থ বাচ্চারও নিয়মিত পরীক্ষা করিয়ে দেখতে হবে প্লেটেলেট কমে যাচ্ছে কি-না। একই পরীক্ষা বারবার করছে বলে বিভ্রান্ত হবেন না। সময়মতো চিকিৎসা নিন। সুস্থ থাকুন।