শুক্রবার, ২৫শে নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

চীন-পাকিস্তান সীমান্তে ভারতের ৩৬ রাফায়েল জেট!

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
অক্টোবর ২, ২০১৭
news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ভারতের অম্বালার বিমানঘাঁটি ঘাঁটিতে পরিকাঠামোর খোলনলচে পাল্টে এবার নতুন সাজে সেজে উঠছে। জোরকদমে চলছে তার প্রস্তুতির কাজ। কারণ আসছে রাফয়েল যুদ্ধবিমান। একদিকে চীন সীমান্ত নিয়ে সমস্যা জিইয়ে রেখেছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের সাথে চলছে উত্তেজনা। তাই ভবিষ্যৎ যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে দেশের দুই সীমান্ত লাগোয়া বিমান ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট রাফালকে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
ভারতীয় বিমানবাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির মিডিয়ায় বলা হয়েছে, হাসিমারা ঘাঁটিতে চীন আর অম্বালায় পাকিস্তান সীমান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সেখানেই নতুন রাফায়েল মোতায়েন করে যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে চাইছে ভারত। ফ্রান্সের দাসো অ্যাভিয়েশন থেকে প্রথম ধাপে ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত। হাসিমারা এবং অম্বালায় ১৮টি করে যুদ্ধবিমান রাখা হবে। পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম রাফায়েলগুলোর আসবে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে। তাই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রশিক্ষণ এবং রক্ষণাবক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর উন্নয়ন চলছে হাসিমারা–অম্বালায়।
দুই বিমান ঘাঁটির আধুনিকীকরণের জন্য ২২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। বিমান বাহিনীর এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, প্রত্যেক ঘাঁটিতে ১৪টি করে হ্যাঙ্গার, শেল্টার এবং রক্ষণাবেক্ষণের বিশেষ জায়গা তৈরি করা হচ্ছে। আগামী ৪০–৫০ বছরের কথা মাথায় রেখেই এই পরিকাঠামো বদল করা হচ্ছে।
রাফায়েল চালানোর জন্য ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে বাছাই করেছে বিমান বাহিনী। ফ্রান্সে তাদের প্রশিক্ষণও চলছে। পাশাপাশি অম্বালা–হাসিমারায় বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও গড়ে তোলা হচ্ছে বলে খবর। এই অম্বালা ঘাঁটিতে স্বাধীন ভারতে প্রথম কমান্ডার হিসাবে দায়িত্বে ছিলেন সদ্য পরলোকগত বিমান বাহিনী প্রধান মার্শাল আরজন সিং। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ফরাসি সরকারের সঙ্গে ভারতের ৫৯ হাজার কোটি টাকায় ৩৬টি রাফায়েল যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি হয়েছিল।
সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদ
সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের আততায়ীরা এখনও ধরা না–পড়ায় ভারতের নানা শহরে সোমবার থেকে ৫ তারিখ পর্যন্ত ব্যাপক প্রতিবাদ জানানো হবে। গৌরীর শহর বেঙ্গালুরু ছাড়াও প্রতিবাদে শামিল হচ্ছে দিল্লি, কলকাতা, চেন্নাই, মুম্বই, রাঁচি, বরোদা ইত্যাদি শহর। কলকাতার সল্টলেকে দুপুর তিনটায় এক ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান–বিক্ষোভে শামিল হবেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ।
সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ সভাটি হবে দিল্লিতে। সোমবার দুপুর একটায় দিল্লির প্রেস ক্লাব চত্বরে স্বাধীনতা এবং সম্প্রীতির দাবিতে সরব হবেন সাংবাদিক–‌সহ নানাস্তরের মানুষ। ৫ তারিখে গৌরীর মৃত্যুর এক মাস পূর্ণ হবে। ওই দিন মান্ডি হাউস থেকে যন্তর মন্তর পর্যন্ত যাবে প্রতিবাদ–মিছিল। মুম্বইয়ে মারাঠি পত্রকার সঙ্ঘ আয়োজন করেছে এক প্রতিবাদ সভার। ‘যারা গান্ধীকে হত্যা করেছে, তারাই হত্যা করেছে গৌরীকে’ এটাই হবে ওই প্রতিবাদ সভার মূল বক্তব্য।

জানিয়েছেন আয়োজকেরা। এ ছাড়াও মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভে এক মিছিলে শামিল হবেন সমাজের বিশিষ্টজনেরা। রাঁচিতে সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিক গান্ধী মেমোরিয়ালে উপস্থিত হয়ে গৌরী হত্যা–রহস্যের কিনারা না–হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নেবেন। কেরলে হবে একাধিক প্রতিবাদ সভা। ওডিশায় ভুবনেশ্বর ছাড়াও পুরী, ব্রহ্মপুর ইত্যাদি জায়াগায় হবে প্রতিবাদ সভা। বিজেপি–শাসিত গুজরাট এবং মধ্যপ্রদেশেও আয়োজিত হবে একাধিক প্রতিবাদ সভা।
‘‌ফোরাম এগেনস্ট দ্য কিলিং অফ গৌরী লঙ্কেশ’‌–‌এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারত জোড়া এমন প্রতিবাদ–কর্মসূচি আয়োজনের মূল উদ্দেশ্যই হলো, কালবুর্গির আততায়ীদের মতো গৌরীর আততায়ীরাও যেন পার না পেয়ে যায়।‌