=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.


বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

হলি আর্টিজানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
জুলাই ১, ২০১৭

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গিদের হাতে নিহত দেশি-বিদেশিদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হচ্ছে। দেশের ইতিহাসে ভয়াবহ এই হামলার এক বছর পূর্তিতে শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডের এ রেস্তোরাঁয় শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। সকাল থেকে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন বিদেশি কূটনীতিক, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, নিহতদের পরিবারের স্বজনসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ।
শ্রদ্ধা নিবেদনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত চার ঘণ্টা হলিজান আর্টিজান রেস্তোরাঁ সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে।
সকাল আটটার কিছু পরে প্রথমে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন জাপানের রাষ্ট্রদূত মাশাতো ওয়ানাতাবে এবং জাইকার বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি মিকিও হাতাডেয়া। তারা শ্রদ্ধাস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে হলি আর্টিজান ত্যাগ করেন।
রেস্তোরাঁয় যাওয়ার তিনটি পথেই ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। পুলিশের গাড়ি ও সীমিত কয়েকটি গাড়ি ছাড়া আর কোনো গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
সড়কের মোড়ে গণমাধ্যমকর্মীরা রয়েছেন। তাদের ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি।
গুলশানের কূটনৈতিক এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনরত পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি) মো. জসীমউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছবি না তোলার জন্য ‘বিদেশিরা ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আবেদন করছেন। এজন্য তাদের ছবি না তোলায় উত্তম।’

এ সময় তিনি জানান, জাপানি রাষ্ট্রদূত ও জাইকার প্রতিনিধি সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। ইতালির রাষ্ট্রদূতের আসার কথা। তাদের দলের সঙ্গে নিহত একজনের স্বজন থাকার কথা রয়েছে।
এছাড়া গুলশান থানা আওয়ামী লীগ, স্থানীয় আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরাও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১ জুলাই রাতে গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডের এ রেস্তোরাঁয় জঙ্গিরা অতর্কিত হামলা চালায়। তারা রেস্তোরাঁয় থাকা ২০ জন বিদেশি নাগরিকসহ ৩০-৩৫ জনকে জিম্মি করে রাখে এবং রাতভর হত্যাযজ্ঞ চালায়।
পরের দিন সকালে রেস্তোরাঁয় জিম্মিদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে কমান্ডো অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী।
তবে এর আগে শুক্রবার রাতেই জঙ্গিদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ডিবির সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ওসি সালাউদ্দিন খান নিহত হন।
অভিযান শেষে যৌথ বাহিনী বিদেশি নাগরিকসহ মোট ১৩ জনকে জীবিত এবং মোট ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত ২০ জনের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশি, একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান, নয়জন ইতালিয়ান, সাতজন জাপানি ও একজন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।