All posts by lutfor

সৈয়দ আশরাফুলের আসন ঘিরে সমীকরণ

কিশোরগঞ্জ-১ (হোসেনপুর-কিশোরগঞ্জ সদর) আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা নানা কৌশলে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে সচেষ্ট রয়েছেন। পাশাপাশি পোস্টারিং, ব্যানার, মোবাইল মেসেজ এবং ফেসবুকের মাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দোয়া কামনা করছেন। একই সাথে তারা মনোনয়নলাভের আশায় কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। আবার অনেকে বিয়ে, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

এ আসনটির রয়েছে রাজনৈতিক গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক পাটমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন ছাড়াও ঐতিহাসিকভাবে ইশাখাঁ-মানসিংহ, সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ, আব্দুর রহিম মুন্সি, নীলকুটি, জমিদার বাড়িসহ বহু রূপকথার স্মৃতিবিজড়িত এবং লোকসাহিত্যের তীর্থস্থান এই হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জ।

স্বাধীনতার পর এ আসনটি বেশির ভাগ সময় আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে বিএনপি এ আসনে জয়লাভ করলেও পরবর্তীকালে আবার আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি চায় হারানো আসন ফিরে পেতে আর আওয়ামী লীগ চায় ধরে রাখতে। ফলে মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দুই দলই এখন কৌশলী ভূমিকায়।
এই আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম থাকলেও গুঞ্জন রয়েছে, যদি তিনি আরো ভালো অবস্থানে চলে যান কিংবা অন্য কোনো আসন থেকে নির্বাচন করেন, তবে এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে, তারা হলেন- সৈয়দ আশরাফের ভাই সাবেক সেনাকর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) সাফায়াত, আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও কৃষি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক কৃষিবিদ মশিউর রহমান হুমায়ুন, তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম শামসুল হক গোলাপ মিয়ার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা এ কে এম দিদারুল হক।

অন্য দিকে বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীর তালিকায় রয়েছেন- সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ হেলালি, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গুরুদয়াল সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাবেক জজ রেজাউল করিম চুন্নু, হোসেনপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিল্পপতি জহিরুল ইসলাম মবিন, দেশনেত্রী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জিয়া হলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মনিরুল হক রাজন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়ালিউল্লাহ রব্বানি, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী ইসরাঈল, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশীর তালিকায় রয়েছেন- কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাইদ খুররম ও মো: মোস্তাইন বিল্লাহ।

বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের বিপরীতে আসনটি পুনরুদ্ধারে কেন্দ্র থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা, ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক ডেপুটি মেয়র মো: আব্দুস সালাম কিংবা জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আফরোজা আব্বাসের মনোনয়নের বিষয়টিও শোনা যাচ্ছে তৃণমূলে।

ইন্দোনেশিয়ায় গোপনে গড়ে উঠছে একটি নগ্ন গোষ্ঠী

নগ্ন থাকতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করেন তারা,প্রকাশ্যে নগ্নতা আইনে নিষিদ্ধ, তবু এর মধ্যেই গড়ে উঠেছে একটি বিশেষ গ্রুপ বা সম্প্রদায়, যাদের বিশ্বাস নগ্নতায়।
এটি আবার গড়ে উঠেছে জনসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায়।
বিবিসির ক্লারা রনদনুভু এই গ্রুপের কয়েকজনের সাথে সাক্ষাত করে কথা বলেছেন, তাদেরই একজন আদিত্য।
তিনি বলেন, “যখন খুশী নগ্ন হতে আমি আনন্দ পাই। জামাকাপড় ছাড়া আমি বেশি খুশী ও আরামদায়ক বোধ করি”।
বিবিসির সাথে কথা বলার সময় আদিত্য তার সত্যিকার নাম প্রকাশ করতে চাননি, কারণ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী এন্টি পর্নগ্রাফী আইন রয়েছে, যেখানে প্রকাশ্যে নগ্নতা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আর সে কারণেই নগ্নতায় তার মতো আরও যারা বিশ্বাসী তারা গোপনেই সমবেত হন।নিজের বাড়িতে অনেক সময় তারা নগ্নই থাকেন,কাজ কর্মও করেন এভাবেই।
“আমরা যে কোন সময় জেলে যেতে পারি যদি আমি নগ্ন ভাবে প্রকাশ্য হই। এ কারণেই আমরা সবকিছু ব্যক্তিগত পর্যায়েই করি”।
২০০৭ সাল থেকেই নগ্ন বাদী হয়েছেন তিনি এবং পরে ব্যাপক পড়াশোনা শুরু করেন নগ্ন বাদ নিয়ে।
পরে যোগাযোগ শুরু করেন নগ্নতায় বিশ্বাসী অন্যদের সাথেও।
তিনি জানান তাদের গ্রুপটি এখনো গ্রুপ বড় নয়, নারী পুরুষ মিলিয়ে ১০ থেকে ১৫ জনের মতো।
তারা বিভিন্ন সময়ে এক জায়গায় সমবেত হন।
ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও আদিত্য মাঝে মধ্যে বিভিন্ন ন্যুড গ্রুপে পোস্ট দিয়ে থাকেন।
তিনি জানান অনেকেই মনে করেন এক জায়গায় অনেকে শরীর অনাবৃত করলে অনেকে মনে করেন সেক্স পার্টি।
“কিন্তু সত্যি হলো এখানে যৌনতার কিছু নেই”।

ইতালির চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় রোহিঙ্গাদের নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র

ইতালির নেপলস মানবাধিকার চলচ্চিত্র উৎসবে ‘অ্যা পেয়ার অব স্যান্ডেল’ নামে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিয়ে নির্মত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। ন্যাপোলিতে আগামী ৬ থেকে ১১ নভেম্বর এই চলচ্চিত্র উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে।

মেলায় মানবাধিকার বিষয়ক এই প্রামাণ্যচিত্রটি প্রতিযোগিতা বিভাগে স্থান পেয়েছে।

ইংরেজিতে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রটির পরিচালক, জসিম আহমেদ। ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ড ব্যাপ্তির এই প্রামাণ্যচিত্রটির ভিডিও মোবাইলে ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মানবাধিকার বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র ‘অ্যা পেয়ার অব স্যান্ডেল’ তে একটি শরণার্থী দলের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়াকে কেন্দ্র করে কাহিনী শুরু হয়। শেষে দেখা যাবে শরণার্থীদের আরেকটি দল আশ্রয়ের জন্য আসছে ।

এর আগে ১৯৭১ সালের প্রেক্ষাপটে স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘দাগ’ বানিয়েছেন জসিম আহমেদ। এটি ৭০তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের শর্টফিল্ম কর্নারে অংশ নেয়।

জাপানে আগাম নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে

জাপানে আগাম সাধারণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। উত্তর কোরিয়ার চলমান হুমকির মুখে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এই নির্বাচন আহ্বান করেন। জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ হবে স্থানীয় সময় রাত ৮টায়। খবর বিবিসির।

রোববার রাতেই পাওয়া যাবে নির্বাচনের ফলাফল। গেলো ২৫ সেপ্টেম্বর এই নির্বাচন আহ্বান করেন প্রধানমন্ত্রী আবে।

নির্ধারিত সময়ের ১৪ মাস আগেই নির্বাচন ডাকা প্রসঙ্গে আবে বলেন, জনতার রায় নিয়েই তার দল উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ‘জাতীয় সংকট’ এবং জাতীয় বিভিন্ন বিষয়ের সমাধান করতে চায়।

প্রাক-নির্বাচন জরিপের ফলাফল বলছে, নির্বাচনে শিনজো আবেই জয়লাভ করতে যাচ্ছেন। আবে যদি আবারো নির্বাচিত হয় তবে তিনিই হবেন দেশটিতে যুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতের মধ্যেই ভোটগ্রহণ চলছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে টাইফুন ল্যান আঘাত হানার প্রভাবে সৃষ্ট বৈরি আবহাওয়ার কারণে ভোটার সমাগম ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জাপান পার্লামেন্টের শক্তিশালী নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনে লড়ছেন প্রায় ১,২০০ জন প্রার্থী।

গত ২০১২ সালে সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভের পর এ নিয়ে দু’দফায় আগাম নির্বাচন ডাকলেন আবে। এর আগে ২০১৪ সালেও আগাম নির্বাচন ডাকেন তিনি।

২৪-২৬ অক্টোবর ইন্টারনেটের গতি কম থাকবে : তারানা

সাবমেরিন কেবল (সি-মি-উই-৪) মেরামতের জন্য দেশে আগামী ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কম থাকবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

রোববার সচিবালয়ে টেলিটকের ‘অপরাজিতা সিম’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আগামী ২-৩ দিন ইন্টারনেটে গতি কম থাকতে পারে বলা হচ্ছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারানা হালিম বলেন, ‘সাবমেরিন কেবল (সি-মি-উই-৪) মেইনটেনেন্সের জন্য একদম বন্ধ করা হচ্ছে। এটা বন্ধ হয়ে গেলে কিন্তু আমরা ইন্টারনেট থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন থাকতাম। যেহেতু আমরা সি-মি-উই-৫ কনসোর্টেয়ামে যুক্ত হয়েছি, এজন্য আমরা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হচ্ছি না। আমরা সংযুক্তই থাকছি, কিন্তু আমাদের গতি একটু স্লো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নেটের স্পিড কিছুটা স্লো হবে। এটা তিন দিন থাকবে, ২৪ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত।’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সি-মি-উই-৫ এ যুক্ত হওয়ার পর কিন্তু আমরা সাবমেরিন কেবলে ব্যান্ড উইডথের দাম কমাতে নির্দেশনা দিয়েছি। আমরা রফতানি করব, আমদানি কম করব। আমাদের কাছ থেকে আইটিসিগুলো (ইন্টারন্যাশনাল টেরিসট্র্যারিয়াল ক্যাবল) ব্যান্ড উইথ নিতে পারে। এখন আমাদের ব্যান্ড উইডথ দেওয়ার মতো আছে। আমাদের কাছ থেকে নিলে সি-মি-উই-৫ থেকে আমার আরও ব্যান্ড উইডথ আনব।’

তিনি বলেন, ‘চাহিদা সৃষ্টি হলে কিন্তু আমরা ২০০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) থেকে আরও বাড়াব। আমাদের সেই ক্যাপাসিটি আছে, আমরা এক হাজার ৫০০ (জিবিপিএস) পর্যন্ত বাড়াতে পারি। সেই চাহিদা না থাকলেও সেই পরিমাণ ব্যান্ড উইডথ নিয়ে আসলে আমাদের লস হবে।’

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিম ইউরোপের কয়েক দেশের আন্তঃসংযোগ কনসোর্টিয়াম সি-মি-উই। এই কনসোর্টিয়ামের চতুর্থ প্রজন্মের কেবলের (সি-মি-উই-৪) সঙ্গে বাংলাদেশ যুক্ত হয় ২০০৫ সালে। এটি দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল হিসেবে পরিচিত।

সর্বশেষ গত সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিতীয় ‘সি-মি-উই-৫’ এ যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। পঞ্চম প্রজন্মের এই কেবলে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক ১০০ জি আলোকতরঙ্গের ডিডব্লিউএম প্রযুক্তি। প্রতি সেকেন্ডে এর গতি ২৪ টেরাবাইট। জাপানের এনইসি ও ফ্রান্সের অ্যালকাটেল লুসেন্ট ২০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই কেবল নির্মাণ করছে। মেয়াদকাল ধরা হয়েছে ২০ থেকে ২৫ বছর।

যে ৭টি কারণে পুরুষেরা বয়সে বড় মহিলাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন

প্রচলিত একটি কথা আছে, সব পুরুষই জীবনের কোনও না কোনও সময়ে বয়সে বড় কোনও মহিলার প্রেমে পড়েন। কেউ কেউ এই প্রেম মনের মধ্যে চেপে রাখেন, কখনও প্রকাশ করেন না। কিন্তু অনেকেই সাহসে ভর করে এগিয়ে যান। কিন্তু কেন?

বয়সে বড় মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বাঙালিদের মধ্যে প্রবল সামাজিক আপত্তি থাকলেও ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে কিন্তু এই সম্পর্ককে খারাপ চোখে দেখা হয় না।

বিশেষ করে, রাজপরিবারগুলির মধ্যে বয়সে ৪-৫ বছরের বড় মহিলাদের সঙ্গে বিয়ে আকছার হয়েই থাকে। সেখানে মূল কথা আভিজাত্য, বয়স নয়।

তা ছাড়া, ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্যগুলি, বিশেষ করে গুজরাতে, সাধারণের মধ্যেও বয়সে বড় মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্ককে আর যাই হোক, নোংরা চোখে দেখা হয় না।

গুজরাতে ‘দিয়াবাট্টু’ বলে একটি সামাজিক প্রথা আছে। স্বামী মারা গেলে, তার ছোট বা বড় ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয় স্ত্রীকে। কখনও ১০-১২ বছরের ছোট দেওরের সঙ্গেও বিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু এ তো গেল সামাজিক প্রথার কথা। যেখানে সে সব বাধ্যবাধকতা নেই, সেখানে চলে আসে আকর্ষণের প্রসঙ্গ। ঠিক কী কারণে একটু বেশি বয়সি মেয়েদের প্রতি আকৃষ্ট হন ছেলেরা?

বিভিন্ন মনস্তাত্বিক গবেষণায় উঠে এসেছে নীচের কারণগুলি—

২) পরিণত শরীরের প্রতি যৌন আকর্ষণ বোধ করে অনেক ছেলে। তাই বিশেষ করে টিন-এজে ৫-৬ বছর, এমনকী ১০-১২ বছরের বড় মহিলাদের প্রতিও আকৃষ্ট হয় তারা।

৩) সম্পর্কের ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বয়সে ছোট হবে—এই যে প্রচলিত ধারা, তার বাইরে যাওয়ার প্রবণতা থেকেও অনেকে বয়সে বড় মেয়েদের প্রেমে পড়েন।

৪) শরীরের টানের পাশাপাশি ছেলেরা সব সময়ে সেই মেয়েদেরই সঙ্গিনী হিসেবে চায়, যাদের বুদ্ধি-বিবেচনা ভাল, যে কোনও পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে আবার প্রয়োজন মতো বিছানায় ছেলেদের ‘ইগো’-কে পুষ্ট করতে পারে।

বয়সে ছোট মেয়েরা নিজেরাই প্যাম্পার্‌ড হতে চায় ছেলেদের কাছ থেকে, তাই খুব বেশি ইগো বুস্টিং করতে পারে না।

৫) অনেক সময়ে ছোটবেলায় যৌন নিগ্রহের শিকার হলে সেই অভিজ্ঞতার ছাপ পড়ে যায় যৌন চাহিদায়। পরবর্তীকালে বয়সে বড় কোনও মহিলার শরীরকেই তখন পেতে চায় ছেলেরা।

৬) বয়সে বড় কোনও মেয়েকে সঙ্গিনী হিসেবে পেলে অনেক ছেলেরই নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাকে যৌনতৃপ্তি দিতে পারলে আত্মবিশ্বাস আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।

৭) পর্ন দেখার অভিজ্ঞতা থেকেও বয়সে বড় মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। বিশেষ করে, সাম্প্রতিক সময়ে যারা খুব বেশি ‘ম্যাচিওর’ পর্ন দেখে, তাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

জেনে নিন, দেহের কোথায় তিল থাকলে কি হয়

আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন৷

যে ব্যক্তির ডান হাতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান হন৷ বাঁ হাতে তিল থাকলে তারা ঝগড়াটে স্বভাবের হন ৷ শরীরের কোনও বিশেষ অংশে তিল থাকলে আপনার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় অনেকটাই৷ তবে তিল যে শুধু আপনার শারীরিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তা নয়৷

তিলের অবস্থান থেকেও একজন মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায়৷ অনেকে ভাবতে পারেন এটা নিতান্তই একটি কুসংস্কার ছাড়া আর কিছু নয়৷

কিন্তু প্রাচীন সমুদ্র শাস্ত্রে তিল দেখে ভাগ্য নির্ধারণের পদ্ধতি বর্ণনা করা রয়েছে৷ দীর্ঘ গবেষণার পরেই ভারতের পণ্ডিতেরা এই তত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন৷

পুরুষের শরীরের ডান দিকে ও পুরুষের শরীরের বাঁ দিকে তিল থাকলে তা শুভ হিসেবে মনে করা হয়৷ পণ্ডিতেরা জানিয়েছেন শরীরে ১২টির কম তিল থাকা শুভ৷

যাদের ভ্রুতে তিল রয়েছে তাদের প্রায়ই ভ্রমণের যোগ রয়েছে৷ ডান ভ্রুতে তিল থাকলে কোনও ব্যক্তির দাম্পত্য জীবন সুখের হয়৷ বাঁচ ভ্রুর তিল দুখী দাম্পত্যের লক্ষণ৷

মাথার মাঝ খানে তিল নির্মল ভালসাবার প্রতীক৷ মাথার ডান দিকে তিল থাকলে তা কোনও বিষয়ে নৈপুণ্যের প্রতীক৷ আবার যাদের মাথার বাঁ দিকে তিল রয়েছে তারা অর্থের অপচয় করেন৷ মাথার ডান দিকে তিল ধন ও বুদ্ধির চিহ্ন৷ বাঁ দিকের তিল নারাশাপূর্ণ জীবনের সূচক

ডান চোখে চিল থাকলে ব্যক্তি উচ্চবিচার ধারা পোষণ করেন৷ বাঁ চোখের তিল যাদের রয়েছে তাদের ভাবনা চিন্তা তেমন উন্নত নয়৷

যাদের চোখের মণিতে তিল থাকে তারা সাধারণত ভাবুক প্রকৃতির হন৷ চোখের পাতায় যাদের তিল রয়েছে তারা সাধারণত সংবেদনশীল হন৷

তবে যাদের ডানদিনেক চোখের পাতায় তিল রয়েছে তারা অন্যদের তুলনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকেন৷ যাদের কানে তিল রয়েছে তাদের আয়ু অনেক বেশি থাকে৷

নারী বা পুরুষের মুখমণ্ডলের আশেপাশে তিল তাদের সুখী ও ভদ্র হওয়ার ইঙ্গিত দেয়৷ মুখে তিল থাকলে ব্যক্তি ভাগ্যে ধনী হন ও তার জীবনসঙ্গী খুব সুখী হন৷

নাকে তিল থাকলে ব্যক্তি প্রতিভা সম্পন্ন ও সুখী হন৷ যে নারীর নাকে তিল রয়েছে তারা সৌভাগ্যবতী হন৷

যাদের ঠোঁটে তিল রয়েছে তাদের হৃদয়ে ভালবাসা ভরপুর৷ তবে ঠোঁটের নীচে তিল থাকলে সে ব্যক্তির জীবনে দারিদ্র বিরাজ করে৷

গালে লাল তিল থাকা শুভ৷ তবে গালে কোলে তিল অর্থহীনতার প্রতীক৷ কিন্তু ডান গালে তিল থাকলে ব্যক্তি ধনী হন৷

যে নারীর থুতনিতে তিল রয়েছে তারা সহজে লোকের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারেননা৷ তারা সাধারণত একটু রুক্ষ স্বভাবের হয়ে থাকেন৷

ডান কাঁধে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি দৃঢ়চেতা হন৷ যাদের বাঁ কাঁধে তিল রয়েছে তারা অল্পেতেই রেগে যান৷

যাদের হাতে তিল রয়েছে তারা চালাক চতুর হন৷ ডান হাতে তিল থাকলে তারা শক্তিশালী হন৷

আবার ডান হাতের পিছনে তিল থাকলে তারা ধনী হয়ে থাকেন৷ বাঁ হাতে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি অনেক বেশি টাকা খরচ করেন৷

আবার বাঁ হাতের পিছনের দিকে তিল থাকলে সেই ব্যক্তি কৃপণ প্রকৃতির হয়ে থাকেন৷ যে ব্যক্তির ডান হাতে তিল থাকে তারা প্রতিষ্ঠিত ও বুদ্ধিমান হন৷ বাঁ হাতে তিল থাকলে তারা ঝগড়াটে স্বভাবের হন৷

যাদের তর্জনীতে তিল রয়েছে তারা বিদ্বান, ধনী ও গুণী হয়ে থাকেন৷ তারা বেশিরভাগ সময়েই শত্রু দ্বারা সমস্যায় জর্জরিত থাকেন৷ বৃদ্ধাঙ্গুলে যাদের তিল থাকে তারা কর্মঠ, সদ্ব্যলহার ও ন্যায়প্রিয় হন৷

মধ্যমায় তিল থাকলে ব্যক্তি সুখী হন৷ তাদের জীবন শান্তিতে কাটে৷ কনিষ্ঠ আঙুলে তিন থাকলে সেই ব্যক্তি জ্ঞানী, যশস্বী, ধনী ও অপরাজেয় হন৷

যে ব্যক্তির কোমরে তিল রয়েছে তাদের জীবনে সমস্যার আনাগোনা থাকে৷
নারীদের ডান দিকে বুকে তিল থাকা শুভ৷ এমন পুরুষও ভাগ্যশালী হন৷ বাঁ দিকের বুকে তিল থাকলে নারী অসহযোগি হন৷ বুকের মাঝখানের তিল সিখী জীবনের ইঙ্গিত দেয়৷

যে জাতকের পায়ে তিল রয়েছে তাদের জীবনে প্রচুর ভ্রমমের যোগ রয়েছে৷ ডান হাঁটুতে তিল থাকলে গৃহস্থজীবন সুখের হয়৷ বাঁ হাঁটুর তিল সংসারে অশান্তি ডেকে আনে৷

যে ব্যক্তির পেটে তিল রয়েছে তারা খুব পেটুক প্রকৃতির হয়ে থাকেন৷ মিষ্টি এই ধরণের মানুষের অত্যন্ত প্রিয়৷ তবে এরা অন্য কাউকে নিজের টাকায় খাওয়াতে একেবারেই পছন্দ করেননা৷

ভারতে খ্রিষ্টান অধ্যুষিত রাজ্যে গরুর গোশতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে না বিজেপি

ভারতে খ্রিস্টান অধ্যুষিত মেঘালয়ে গরুর গোশতে কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি হচ্ছে না। হিন্দুত্ববাদী বিজেপি’র মেঘালয় রাজ্য সভাপতি শিবুন লিংডো বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার মেঘালয়ে গরুর গোশত নিষিদ্ধ করেনি।

শিবুন লিংডোর অভিযোগ, আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্যই মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে।

তার দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে গত ২৩ মে জারি করা নির্দেশিকায় পশু বাজার চালানোর নিয়ম এবং বাজারে নিয়ে আসা প্রাণীদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করতে হবে সেটা বলা হয়েছিল।

বিজেপি মুখপাত্র জে এ লিংডোও এক বিবৃতিতে বলেছেন, দলের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই বলা হয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে গরুর গোশতের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে না। এটি রাজ্যের বিষয়, রাজ্য সরকারই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, ‘রাজ্যে গরুর গোশত নিষিদ্ধ হবে না। গরুর গোশতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা ভালো অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নয় এবং তা সংবিধান সম্মতও নয়।’

হিন্দুত্ববাদী বিজেপি গোটা দেশে গরু জবাই বন্ধের জন্য সোচ্চার হলেও খ্রিস্টান অধ্যুষিত রাজ্যগুলোতে তা কার্যকর করতে রাজি নয়। মেঘালয়ে ৩৪ লাখ জনসংখ্যার অধিকাংশই খ্রিস্টান। সেখানে ৮৩ শতাংশের বেশি খ্রিস্টান বাসিন্দা রয়েছেন। সেখানকার সমস্ত সামাজিক উৎসবে গরুর গোশত খাওয়ার আয়োজন করা হয়। এখানকার খাসি ও গারো উপজাতিদের প্রধান খাদ্যই হল গরুর গোশত। রাজ্যটিতে মুসলিম ও অন্য সংখ্যালঘুরা বাস করেন।

গরুর গোশত নিয়ে বিতর্কের জেরে চলতি বছরেই মেঘালয়ের কয়েকজন বিজেপি নেতা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।

গরুর গোশতে দ্বিচারিতা দেখে বিজেপি’র বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে মজলিশ ই ইত্তেহাদুল মুসলেমিন প্রধান ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এমপি গত এপ্রিলে কটাক্ষ করে বলেন, ‘বিজেপি’র ভন্ডামি হল, উত্তর প্রদেশে গরু মাম্মি (মা) এবং উত্তর-পূর্বে তা ইয়াম্মি (মুখরোচক)।’

ভারতের বিজেপিশাসিত রাজস্থান প্রদেশের আলওয়ারে কিছু হিন্দু অ্যাক্টিভিস্টের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এক মুসলিম পরিবার থেকে ৫১টি গরু ছিনিয়ে নিয়ে গোশালায় হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ১০ দিন ধরে ওই মুসলিম পরিবারের কর্তা সুব্বা খান (৪৫) তার গরু ফিরে পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে, পুলিশ বলছে ওই ঘটনায় তাদের কোনো হাত নেই।

রাজস্থানে গত এপ্রিল মাসে স্বঘোষিত গো-রক্ষকদের গণপিটুনিতে নিহত হন দুধ ব্যবসায়ী পহেলু খান। সেই ঘটনার জের না মিটতেই এবার মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্য সদস্যদেরকে হিন্দু সংগঠন টার্গেট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে সুব্বা খান বলেন, গো-রক্ষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় পুলিশ জোর করে ৫১টি গরু ছিনিয়ে নিয়ে গোশালায় পাঠিয়ে দিয়েছে। তিনি এখন এসডিএম দফতর ও থানায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো ফায়দা হয়নি।

অন্যদিকে, পুলিশের দাবি, ওই ঘটনায় তাদের কোনো হাত নেই। স্থানীয় লোকেরাই গরুগুলো গোশালায় নিয়ে গিয়েছিল।

সুব্বা খানের বাসায় বর্তমানে ১৭টি বাছুর থাকায় তাদের এখন বাধ্য হয়ে বোতলে করে দুধ খাওয়াতে হচ্ছে। তিনি এসডিএম দফতর এবং থানায় হলফনামা দিয়ে বলেছেন, সমস্ত গরুই দুধেলা এবং তাদের বাছুর তার বাসায় রয়েছে।

স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান শের মুহাম্মদ বলেন, পুলিশের দাবি সুব্বা খান গরু জবাইতে জড়িত ছিলেন। শের মুহাম্মদ বলেন, যদি এরকম হয় তাহলে পুলিশ তার বিরুদ্ধে মামলা করেনি কেন?

আলওয়ারের পুলিশ সুপার রাহুল প্রকাশ বলেন, এ ধরণের ঘটনা তার জানা নেই।

কিশানগড়ের পুলিশ কর্মকর্তা রাঠোর সুব্বা খানের বাসা থেকে গরু ছিনিয়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, গ্রামবাসীরাই সুব্বা খানের গরু গোশালায় নিয়ে গিয়েছিল।

এবার গ্রামবাসীরা এসডিএমকে চিঠি লিখে বলেছেন, সুব্বা খান গরু পাচারের সঙ্গে জড়িত নন। দুধ বিক্রি করে তার সংসারের জীবিকা নির্বাহ হয়।

মুহাম্মদ বলে, যদি মুসলিমদের এভাবে টার্গেট করা হয় তাহলে রাজ্য সরকারের উচিত আইন তৈরি করে মুসলিম সম্প্রদায়কে গরু পালন এবং পালিত পশু রাখায় নিষেধাজ্ঞ জারি করা।

প্রধানমন্ত্রীকে ফোন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের

অনলাইন ডেস্ক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে কথা বললেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব গত রাত সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করেন বলে তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে টেলিফোনে প্রায় ২০ মিনিট আলোচনা করেন আন্তোনিও গুতেরেস ও শেখ হাসিনা।
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে স্বভূমিতে পুনর্বাসনে মিয়ানমারের ওপর আরো চাপ প্রয়োগ করতে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
রোহিঙ্গা সঙ্ঘট অবসানে জাতিসঙ্ঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর তুলে ধরা পাঁচ দফা প্রস্তাব যাতে বাস্তবায়ন হয় সে জন্য গুতেরেসের সমর্থনও চান তিনি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশনে দেয়া ভাষণে মিয়ানমারে উৎপীড়নের হাত থেকে রোহিঙ্গাদের রায় প্রস্তাব তুলে ধরে মানবিক এ সঙ্কট অবসানে বিশ্ব সম্প্রদায়ের ত্বরিত পদপে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ঐশীর যাবজ্জীবনের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

বাবা-মাকে হত্যার অভিযোগে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ঐশী রহমানের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারদণ্ড দেয়া হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৮ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

গত ৫ জুন ঐশীর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ঐশী রহমানের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারদণ্ড দেন হাইকোর্টের বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। গত ৭ মে ঐশীর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের শুনানি শেষ হয়।

এর আগে, গত ১০ এপ্রিল মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে ঐশীকে হাইকোর্টে হাজির করা হয়। সেদিন খাস কামরায় দুই পক্ষের আইনজীবীর উপস্থিতিতে তার সঙ্গে কথা বলেন বিচারকরা। এরও আগে ১২ মার্চ ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তার স্ত্রী স্বপ্না রহমানকে হত্যার দায়ে ২০১৫ সালের নভেম্বরে তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেন নিম্ন আদালত। একই সঙ্গে ঐশীর বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছর কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। মামলার অন্য আসামি আসাদুজ্জামান জনিকে খালাস দেন আদালত।

রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টে ঐশীর আইনজীবী আপিল আবেদন করেন। এর আগে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হিসেবেও মামলাটি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। ওই দিন ৬ ডিসেম্বর ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে ঐশী রহমান হাইকোর্টে আপিল করেন। আপিলে তিনি বলেছেন, তার বিচার প্রক্রিয়া ছিল ভুলে ভরা। মিথ্যা সাক্ষীর ওপর ভিত্তি করে তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বয়সের ক্ষেত্রে মামলার বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করেনি আদালত।

স্ত্রী, দুই সন্তান এবং শিশু গৃহকর্মীকে নিয়ে মালিবাগের চামেলীবাগের এক ফ্ল্যাটে থাকতেন পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (রাজনৈতিক শাখা) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান। ২০১৩ সালের ১৬ অগাস্ট ওই বাসা থেকেই তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এর পরদিন ঐশী গৃহকর্মী সুমীকে নিয়ে রমনা থানায় আত্মসমর্পণ করেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহত মাহফুজুর রহমানের ভাই মশিউর রহমান ওই দিনই পল্টন থানায় হত্যা মামলা করেন। ২৪ আগস্ট ঐশী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে পরে তিনি ওই জবানবন্দি প্রত্যাহারের আবেদন করেন।

২০১৫ সালের ৯ মার্চ ঐশী ও তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র এবং নিহতদের বাসার শিশু গৃহকর্মী সুমীর বিরুদ্ধে শিশু আইনে পৃথক অভিযোগপত্র দেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরে ওই বছরের ৬ মে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রথমে ঐশীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে মামলাটি (নিষ্পত্তি)বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠায়। ট্রাইব্যুনাল ৩০ নভেম্বর আবারও অভিযোগ গঠন করে।