পর্যটন – Sherakantha-সেরা কণ্ঠ https://sherakantha.com Just another WordPress site Sun, 16 Jul 2023 13:39:15 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে! https://sherakantha.com/2023/07/16/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6-3/ Sun, 16 Jul 2023 11:14:22 +0000 https://sherakantha.com/?p=131522 Continue reading যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে! →]]> জাপান অনেক কারণেই বেশ কৌতূহল উদ্দীপক একটা দেশ। এর রয়েছে প্রাচীন সব ইতিহাস, সামুরাই যোদ্ধা এবং গেইশা গার্লদের ঐতিহ্য। এসবের বাইরেও জাপানের একটি দ্বীপ বিশেষ মনোযোগের দাবিদার। জাপান এবং কোরিয়ার মাঝামাঝি সাগরে একটি দ্বীপ হল ওকিনোশিমা।

এই দ্বীপটিতে এখনও জাপানের প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস শিন্টো খুব কড়াভাবেই পালন করা হয় এবং সেই ধর্মবিশ্বাস মতে দ্বীপে কোন নারীর প্রবেশ নিষেধ। পুরো দ্বীপটাকেই তারা একটি ধর্মীয় মন্দির এর মত মনে করে এবং সেভাবেই দ্বীপের পুরুষরা চলাফেরা করে। বছরে একটা দিন তারা জাপানি ভিন্ন অন্য কোন জাতিকে দ্বীপে ঢুকতে দেয় এবং সেটি হল ২৭শে মে। এছাড়া অন্য দিনগুলোতে দ্বীপে কেবল জাপানি পুরুষরাই যেতে পারে।

তবে দ্বীপে যাবার হ্যাপাও কম নয়। ভেতরে প্রবেশ করার আগে বিভিন্ন রকম রীতিনীতি পালন করে নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণ করে তবেই যাওয়া যায় সেখানে। জাপান ও কোরিয়ার সমুদ্রপথের মাঝামাঝি হওয়ায় প্রায় হাজার বছর ধরে এই দ্বীপটিতে সমুদ্রের নাবিক এবং যাত্রীরা থেমে তাদের পূজা দিয়ে যেত। এই সময় নিবেদন হিসেবে তরবারি, ড্যাগার, ছোট পাথরের গোলক ইত্যাদি তারা মন্দিরে জমা দিত। প্রায় হাজার বছর ধরে এইসব জিনিস জমে জমে দ্বীপে এসবের বিশাল একটি সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। প্রাচীনত্ব এবং ইতিহাসে সেগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বের জন্য বর্তমানে ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা দেবে বলে শোনা যাচ্ছে।

সময় বদলালেও দ্বীপের মানুষের মানসিকতা বা দ্বীপের রীতিনীতি বদলায়নি। তারা এখন তো কোন নারী দ্বীপে চায়ই না, ভবিষ্যতেও কোন নারীকে দ্বীপে প্রবেশ করতে দেবে এমন সম্ভাবনা নেই। কেন এই নিয়মের শুরু সেটা হারিয়ে গেছে ইতিহাসের অন্তরালে। কেউ জানে না কেন, তবে সবাই অন্ধভাবেই এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছে হাজার বছর ধরে।

]]>
ঘুরে আসুন অচেনা দার্জিলিং https://sherakantha.com/2021/09/21/%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%85%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%bf/ Tue, 21 Sep 2021 08:58:58 +0000 https://sherakantha.com/?p=131327 Continue reading ঘুরে আসুন অচেনা দার্জিলিং →]]> একসাথে নীল জলরাশি, সবুজ পাহাড় আর সাদা মেঘমালার মিলনমেলায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন কক্সবাজারের ‘অচেনা দার্জিলিংয়ে’। মাতামুহুরি নদীর দুই পাশে উঁচু–নিচু পর্বতসারি, শীতের ঘন কুয়াশায় ঢাকা মেঘমালা। একটু দূরে গেলেই দেখা মেলে শ্বেতপাথরের বুক চিরে ছলাৎ ছলাৎ শব্দে ঝরনার রক্তক্ষরণের। সাথে স্বচ্ছ-নীল জলের নদীতে ডিঙি নৌকায় ভাসতে ভাসতে আপনার মনে হবে এ যেন এক অন্য রকম দার্জিলিং।কক্সবাজারের ভেতরে লুকিয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন রূপ–লাবণ্যে ভরা এক লীলাভূমি এটি। জায়গাটিতে একবার যাদের পা পড়েছে, তাদের অনেকের মুখে দার্জিলিংয়ের তুলনা। বর্তমানে বিপুল পর্যটক টানছে অচেনা এই দার্জিলিং। সবমিলিয়ে এখন কক্সবাজারের পর্যটনের আরেক সম্ভাবনা ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’।পার্কটির অবস্থান কক্সবাজার শহর থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে, চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। এখান থেকে দক্ষিণ দিকে কিছু দূর গেলে চোখে পড়বে পার্বত্য বান্দরবানের লামা উপজেলা। লামার মিরিনজা পর্যটনপল্লির উঁচু পাহাড়চূড়ায় আছে ইট-পাথরে নির্মিত বিশাল টাইটানিক জাহাজ। সেই জাহাজে দাঁড়িয়ে দেখা মেলে সুদূরের কক্সবাজার সৈকত, বঙ্গোপসাগর আর মহেশখালী চ্যানেলের।

সুন্দর বিলোচ্ছে মাতামুহুরি

প্রায় ১৪৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল নিয়ে বিতর্ক আছে। নদীটি বান্দরবানের আলীকদমের আরাকান পর্বত থেকে উৎপত্তি হয়ে লামা হয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ওপর দিয়ে সাপের মতো আঁকাবাঁকা পথে এগিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে। কারও মতে, লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরির উৎপত্তি। মগ ভাষায় নদীর নাম ‘মা-মুরি’।

ঘুরে আসুন ‘অচেনা দার্জিলিং’মতান্তরে, মাতৃস্তনসদৃশ বিভিন্ন পর্বত গাত্র থেকে জল চুইয়ে চুইয়ে পড়েই এ নদীর সৃষ্টি, এ কারণে নামকরণ মাতামুহুরি। মুহুরি শব্দের অর্থ অসংখ্য ছিদ্র দিয়ে জল পড়ার ঝাঁঝর। নদীর তীরে গড়ে উঠেছে আলীকদম, লামা, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা শহর। নীলনদ যেমন মিসরের জন্য দান, তেমনি মাতামুহুরী বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার চারটি উপজেলার অন্তত সাত লাখ মানুষের ভাগ্যবদলের আধার। নদীর তীরে শীতকালীন শাকসবজি, ফলমূল উৎপাদনের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে মৎস্য ও পোলট্রি খামার, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ও পর্যটনকেন্দ্র। নদীটির গড় প্রস্থ ১৫৪ মিটার। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীর পানি ফুলে ওঠে, তখন প্রস্থ আরও বেড়ে যায়।

৮৮৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কক্সবাজার জেলার লোকসংখ্যা প্রায় ২৫ লাখ। উত্তরে পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের সীমানা থেকে দক্ষিণ দিকের টেকনাফের বদরমোকাম পর্যন্ত দীর্ঘ ১৪৫ কিলোমিটারব্যাপী বিস্তীর্ণ সমুদ্র উপকূল। জেলার ৫০ ভাগ এলাকাজুড়ে রয়েছে ছোট–বড় অসংখ্য পাহাড় পর্বত। শুধু কুতুবদিয়া উপজেলাতে পাহাড় নেই। হিমালয়ের পর্বতমালার দক্ষিণ দিকে সম্প্রসারিত আরাকান পর্বতমালা জেলার পূর্বভাগের ওপর দিয়ে গেছে। এ কারণে টেকনাফ, উখিয়া, রামু, কক্সবাজার সদর, চকরিয়াতে পাহাড় ও বনাঞ্চল বেশি। জেলার সবচেয়ে উঁচু পাহাড় ‘তুনাঙ্গানাঙ্গা’—সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৮০ ফুট। এটির অবস্থান টেকনাফের জাহাজপুরা এলাকায়। দ্বিতীয় উচ্চতার ৫৫১ ফুটের পর্বত নেটংও টেকনাফে। তৃতীয় উচ্চতার ‘নাগাটং’ ৫৪৫ ফুট—চকরিয়ায়। পাহাড়ের কারণে জেলায় অসংখ্য ছোট–বড় নদীর সৃষ্টি। এর মধ্যে বড় তিনটি নদী মাতামুহুরী, বাঁকখালী ও রেজুর উৎপত্তি পাহাড় থেকেই। মাতামুহুরী নদীর মধ্যভাগেই গড়ে ওঠে অচেনা দার্জিলিং।

পাহাড়-ঝরনার ইয়াংছা

সবুজ পাহাড়, নীল জলের ঝরনায় দৃষ্টিনন্দন জায়গাটি এত দিন পর্যটকের দৃষ্টিসীমার বাইরে ছিল। নজরে আসেনি গণমাধ্যমেরও। অচেনা এই পর্যটন স্পটের নামকরণ ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’ হয়েছে মাত্র কয়েক দিন আগে। সম্প্রতি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের একটি দল পরিদর্শন করেন অন্য রকম দার্জিলিং। এর রূপ-লাবণ্যে মুগ্ধ হন সবাই। পার্কের নামকরণ ‘নিভৃতে নিসর্গ পার্ক’ জেলা প্রশাসকের দেওয়া। ওই দিন সেখানে পার্কের ফলকও উন্মোচন করা হয়।

এরই মধ্যে পর্যটকরা ডিঙি নিয়ে নদী ভ্রমণ করছেন। বেশির ভাগ স্থানীয়, অল্প কিছু পর্যটক। তারা ইয়াংছারমুখ ঘাট থেকে নৌকায় উঠে ৮-১০ কিলোমিটার দূরে লামাবাজার যাচ্ছেন। এরপর পর্বতের রানী লামা উপজেলা ঘুরে নৌকায় পুনরায় ইয়াংছার মুখ ঘাটে ফিরে আসছেন তারা। মানিকপুর ঘাট দিয়েও অনেকে নদীভ্রমণে যাচ্ছেন। চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় পুরো পার্কটির তত্ত্বাবধান করছে স্থানীয় সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদ। ইউপি চৌকিদার সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে চারজন স্বেচ্ছাসেবী পার্কটি দেখাশোনা করছেন। পার্কে প্রবেশে টাকা দিতে হয় না।পার্কের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিদিন এই ঘাট দিয়ে হাজারো মানুষ লামাবাজার আসা–যাওয়া করছেন। এর মধ্যে অন্তত ৩০০ জন পর্যটক। সকাল সাতটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত নদীভ্রমণ সবার জন্য উন্মুক্ত।

সিলেট থেকে স্ত্রী ও দুই ছেলে নিয়ে ভ্রমণে আসা এক পর্যটক বলেন, কক্সবাজার সৈকত ভ্রমণে গিয়ে জানতে পারি নতুন এই পর্যটনকেন্দ্রের কথা। তারপর দেখতে আসা। নদী ভ্রমণ করে আনন্দ পেয়েছি। তবে বিনোদনের আরও সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি দরকার। পুরো পার্কে বিদ্যুৎ নেই।পার্কের পাশের একটি পাথরের পাহাড়ের নামকরণ করা হয় ‘শ্বেত পাহাড়’। এর আশপাশে একসঙ্গে দেখা যায় পাহাড়, পাথুরে নদী, ঝরনা, মেঘ-কুয়াশা, বন্য প্রাণী, স্বচ্ছ নীল জলরাশি ইত্যাদি।

স্থানীয় এক ইউপি সদস্য জানান, ২৬ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন পার্কটির উদ্বোধন করেন। মূলত এরপর থেকে পর্যটকেরা ‘নিভৃত নিসর্গ’ দেখতে ছুটে আসছেন। ক্রমে পর্যটকের আগমন বাড়ছে। গত মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) ২২টি নৌকা নিয়ে নদী ভ্রমণে নেমেছেন দুই শতাধিক পর্যটক। আগের দিন ২৮টি নৌকায় নেমেছেন প্রায় ৩০০ জন। প্রায় ৬৪ কোটি টাকায় নির্মাণাধীন (ইয়াংছাঘাট পর্যন্ত) ১৯ কিলোমিটারের ‘জিন্দাবাজার-ইয়াংছাঘাট সড়কটি’ পাকা হয়ে গেলে যোগাযোগ সহজ হবে। নিভৃত নিসর্গ পার্কে বিদ্যুৎ–সংযোগের কাজও চলছে দ্রুতগতিতে।

পার্কের তথ্য সরবরাহকারী কর্মকর্তা ও চকরিয়া উপজেলা ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক এরশাদুল হক জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনি—দুই দিন পার্ক ভ্রমণে যাচ্ছেন দৈনিক অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ। অন্য দিন যাচ্ছেন এক থেকে দুই হাজার জন। পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য সেখানে আছে ৬০টির অধিক ছোট–বড় ডিঙি নৌকা। শীতকালে নদীর পানি শুকিয়ে গেছে, তাই লামাবাজার পর্যন্ত যাতায়াত চলছে। বর্ষাকালে পানি বেড়ে গেলে নৌকায় আলীকদম পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হবে। এখন লামা যেতে নৌকাভাড়া (রিজার্ভ) লাগে ১ হাজার ২০০ টাকা। প্রতিটি নৌকায় ওঠেন ১৫-২০ জন।

পর্যটনের নতুন দিগন্ত

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত দেখতে সম্প্রতি কয়েক লাখ মানুষ কক্সবাজার ছুটে এসেছেন। তারা সেন্টমার্টিন, টেকনাফ, মহেশখালী, রামুর দর্শনীয় স্থানগুলো পরিদর্শন করে ঘরে ফিরছেন। কিন্তু অচেনা দার্জিলিং একবার গেলে বারবার দেখতে যাওয়ার মতো একটি জায়গা। পর্যটকসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ যেন সহজে ‘নিভৃত নিসর্গ’ ভ্রমণে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে উদ্যোগ নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। বিশেষ করে লোকজনের সহজ যাতায়াত এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। পার্কটিকে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হবে। পর্যটনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এই পার্ক।

যেভাবে যেতে হয়

কক্সবাজার অথবা ঢাকা থেকে সড়কপথে (চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক) প্রথমে চকরিয়া পৌরসভা বাসস্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে জিপ অথবা মিনিবাসে উঠে প্রায় আট কিলোমিটার গেলে ফাঁসিয়াখালী স্টেশন। সেখান থেকে যেতে হবে বান্দরবানের লামা সড়ক ধরে ১২ কিলোমিটার দূরে ইয়াংছাবাজারে। ইয়াংছাবাজার থেকে অটোরিকশা অথবা ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) নিয়ে আড়াই কিলোমিটার গেলেই (এখন ইট ও কাঁচা রাস্তা) সামনে পড়বে কাঙ্ক্ষিত সেই পর্যটন স্পট ‘নিভৃতে নিসর্গ’। চকরিয়া থেকে নিভৃত নিসর্গ পার্কে যেতে ভাড়া পড়বে ৫০ টাকা। প্রাইভেট কারেও যাতায়াত করা যায়। কক্সবাজার শহর থেকে সকালে গিয়ে বিকেলে ফিরে আসা যায়। ইচ্ছা করলে ফিরতি পথে চকরিয়া বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, রামু বৌদ্ধপল্লি, রাবার বাগান, কক্সবাজার শহরের রাখাইন তরুণীদের বার্মিজ মার্কেট ঘুরে আসা যায়।

]]>
যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে! https://sherakantha.com/2020/04/02/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6-2/ Thu, 02 Apr 2020 13:40:41 +0000 http://sherakantha.com/?p=130075 Continue reading যে দ্বীপে নারীদের প্রবেশ নিষেধ হাজার বছর ধরে! →]]> জাপান অনেক কারণেই বেশ কৌতূহল উদ্দীপক একটা দেশ। এর রয়েছে প্রাচীন সব ইতিহাস, সামুরাই যোদ্ধা এবং গেইশা গার্লদের ঐতিহ্য। এসবের বাইরেও জাপানের একটি দ্বীপ বিশেষ মনোযোগের দাবিদার। জাপান এবং কোরিয়ার মাঝামাঝি সাগরে একটি দ্বীপ হল ওকিনোশিমা।

এই দ্বীপটিতে এখনও জাপানের প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস শিন্টো খুব কড়াভাবেই পালন করা হয় এবং সেই ধর্মবিশ্বাস মতে দ্বীপে কোন নারীর প্রবেশ নিষেধ। পুরো দ্বীপটাকেই তারা একটি ধর্মীয় মন্দির এর মত মনে করে এবং সেভাবেই দ্বীপের পুরুষরা চলাফেরা করে। বছরে একটা দিন তারা জাপানি ভিন্ন অন্য কোন জাতিকে দ্বীপে ঢুকতে দেয় এবং সেটি হল ২৭শে মে। এছাড়া অন্য দিনগুলোতে দ্বীপে কেবল জাপানি পুরুষরাই যেতে পারে।

তবে দ্বীপে যাবার হ্যাপাও কম নয়। ভেতরে প্রবেশ করার আগে বিভিন্ন রকম রীতিনীতি পালন করে নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণ করে তবেই যাওয়া যায় সেখানে। জাপান ও কোরিয়ার সমুদ্রপথের মাঝামাঝি হওয়ায় প্রায় হাজার বছর ধরে এই দ্বীপটিতে সমুদ্রের নাবিক এবং যাত্রীরা থেমে তাদের পূজা দিয়ে যেত। এই সময় নিবেদন হিসেবে তরবারি, ড্যাগার, ছোট পাথরের গোলক ইত্যাদি তারা মন্দিরে জমা দিত। প্রায় হাজার বছর ধরে এইসব জিনিস জমে জমে দ্বীপে এসবের বিশাল একটি সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। প্রাচীনত্ব এবং ইতিহাসে সেগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বের জন্য বর্তমানে ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ ঘোষণা দেবে বলে শোনা যাচ্ছে।

সময় বদলালেও দ্বীপের মানুষের মানসিকতা বা দ্বীপের রীতিনীতি বদলায়নি। তারা এখন তো কোন নারী দ্বীপে চায়ই না, ভবিষ্যতেও কোন নারীকে দ্বীপে প্রবেশ করতে দেবে এমন সম্ভাবনা নেই। কেন এই নিয়মের শুরু সেটা হারিয়ে গেছে ইতিহাসের অন্তরালে। কেউ জানে না কেন, তবে সবাই অন্ধভাবেই এই নিয়ম অনুসরণ করে আসছে হাজার বছর ধরে।

]]>
শুধু মাত্র যৌনতার টানে যেসব দেশে ছুটে যান পর্যটকরা https://sherakantha.com/2019/07/13/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%8c%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87-2/ Sat, 13 Jul 2019 14:09:49 +0000 http://sherakantha.com/?p=129373 Continue reading শুধু মাত্র যৌনতার টানে যেসব দেশে ছুটে যান পর্যটকরা →]]> বিশ্বে সেক্স ট্যুরিজমের মানচিত্রে নিত্যনতুন যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন দেশ। পর্যটকরা যৌনতার ক্ষুধা মেটাতে ছুটে যান এসব দেশে। নারী সান্নিধ্যের আশায় পছন্দ ও সাধ্যের ভিত্তিতে পাড়ি জমান দেশে দেশে। জেনে নিন জনপ্রিয়তার নিরিখে তালিকার প্রথম দিকে থাকা কয়েকটি দেশ ও স্থানের নাম।

লাস ভেগাস: আমেরিকার এই শহর ‘সব পেয়েছি’র ঠিকানা। কী নেই এখানে! শহরে যৌনতার রমরমা সম্পর্কে ইঙ্গিত করতে বলা হয়, ‘হোয়াট হ্য়াপেনস ইন ভোস, রিমেইনস ইন ভেগাস। ’ এখানে যৌনতা শুধু ব্যবসা অথবা বিনোদন নয়, শরীরী ভাষা উদযাপনের মাধ্যম। মরুভূমি অধ্যূষিত নিসর্গে অচেনা সঙ্গীর দেহজ সান্নিধ্যে পর্যটকরা খুঁজে ফেরেন কাঙ্খিত সুখ।

থাইল্যান্ড: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে যৌনতার নতুন ঠিকানা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে থাইল্যান্ড। ব্যাঙ্ককের বিখ্যাত ‘পিং পিং’ শো-ই হোক অথবা বিভিন্ন স্পা- এগুলোর ছদ্মবেশে মূলত যৌনতার ছড়াছড়ি। এখানে বিভিন্ন নাইটক্লাবের নামকরণ হয়েছে নারী শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গের নামে যা বিদেশি পর্যটককে সহজেই টেনে নেয় ভেতরে। দেশজুড়ে অবাধ ও নিরাপদ দেহ ব্যবসার রমরমা অবস্থা এখানে বিশ্বের নানা দেশের স্ত্রী-পুরুষকে আকৃষ্ট করছে। তাই সুযোগ পেলেই অনেকেই ছুটে যাচ্ছেন সমুদ্রের কোল ঘেষা দেশটিতে।

নেপাল: রাজধানী কাঠমুন্ডু এবং পোখরা ও তরাইয়ের শহরাঞ্চলে দেহ ব্যবসার রমরমা অবস্থা। বাণিজ্য জমে ওঠে হোটেলের দামি ঘর থেকে শুরু করে নিষিদ্ধ পল্লির অন্ধকার আস্তানায়। কাঠমুন্ডুর থামেল এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠেছে ম্যাসাজ পার্লার, যেখানে অবৈধ দেহ ব্যবসার পসার সাজানো। এছাড়া বিভিন্ন রেস্তোরাঁর কেবিন ও ডান্স বারগুলিতেও মিলবে অফুরন্ত দেহজ বিনোদনের সম্ভার।

আর্জেন্টিনা: ১৮৮৭ সাল থেকে এদেশে বৈধতা পেয়েছে সমকামিতা। এই কারণে এখানে সমকামী দেহ ব্যবসায়ীদের চাহিদা তুঙ্গে। সরকারের তরফ থেকেও বিশ্বের সমকামী পর্যটকদের আকর্ষণ করতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যৌন পর্যটনের হাত ধরেই অর্থনীতি চাঙ্গা করতে চাইছে ম্যারাডোনা-মেসির এই দেশ।

বুলগেরিয়া:যৌন পর্যটনের পীঠস্থান সানি বিচ রিসর্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে বাস্তব ও কল্পনার অভাবনীয় মিশেল। শোনা যায়, এই সৈকতে প্রতিদিন কয়েক হাজার দেহ ব্যবসায়ী ভিড় জমান। তাদের অনেকেই আসেন প্রতিবেশী দেশ থেকে।

দক্ষিণ কোরিয়া:এদেশে যৌনতা নিয়ে রাকঢাক নেই। ক্ষণিকের শয্যাসঙ্গী জোগাড় করতে বিশেষ পরিশ্রম করতে হয় না। গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে রয়েছে একাধিক এসকট সার্ভিসের ব্যবস্থা। হোটেলে কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘর ভাড়াও মেলে সুলভে।

কিউবা:নিসর্গ, সংস্কৃতি ও চুরুটের স্বর্গরাজ্য এ দ্বীপরাষ্ট্রে প্রতি বছর পাড়ি জমান অজস্র পর্যটক। তবে পর্যটকদের বড় একটি অংশ সেখানে যান শুধুমাত্র যৌনতার আকর্ষণে। শুধু প্রাপ্তবয়স্ক নয়, চাইলে অপ্রাপ্তবয়স্ক যৌনসঙ্গীও সুলভে মেলে এই দেশে।

রাশিয়া:গত এক দশকে রাশিয়ায় দেহ ব্যবসার রমরমা শুরু হয়েছে। মূলত উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের অন্যান্য দেশের পর্যটকরাই এখানে যৌনতার টানে ছুটে আসেন। তবে রুশ যৌন বাজারে দালালদের দাপট অনেক বেশি।

কলাম্বিয়া:অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তা বলে যৌন পর্যটনস্থল হিসেবে ইদানীং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই দেশ। দরিদ্র দেশে এসে নামমাত্র খরচে অবাধ যৌনতার লোভে প্রতি বছর এখানে ভিড় করেন ইউরোপ ও আমেরিকার পর্যটকরা।

কম্বোডিয়া:বিশ্বের অন্যতম বড় যৌন ব্যবসা স্থল এই দেশ। কিন্তু তার বেশির ভাগটাই অবৈধ। তবে আইনের ফাঁক গলে অবাধ যৌনতার হাতছানিতে সাড়া দিতে প্রতি বছর ছুটে যান বিশ্বের বহু পর্যটক।

]]>
এক ভিসায় ঘুরে আসুন ২৬ দেশ https://sherakantha.com/2019/05/10/%e0%a6%8f%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%98%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a7%a8%e0%a7%ac-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/ Fri, 10 May 2019 10:09:33 +0000 http://sherakantha.com/?p=128842 Continue reading এক ভিসায় ঘুরে আসুন ২৬ দেশ →]]> নিশ্চয়ই ‘সেনজেন’ শব্দটি শুনেছেন। সেনজেন বলতে আমরা ইউরোপ মহাদেশের ৫০টি দেশের মধ্যে ২৬টি দেশকে বুঝি। ২৬টি দেশই স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাদের নিজস্ব পৃথক পৃথক ভাষা, মুদ্রা ও রাজধানী আছে। কিন্তু ভিসা পলিসির ক্ষেত্রে তারা অভিন্ন নীতি অবলম্বন করে থাকে। যাকে আমরা সেনজেন ভিসা বলে থাকি।

যদি ২৬টি দেশের কোন একটি দেশের ট্যুরিস্ট বা কনফারেন্স ভিসা পেয়ে যান, তবে সেনজেনের ২৬ দেশেই ভ্রমণ করতে পারবেন। সহজ করে বলতে গেলে, যদি আপনার সেনজেন ভিসা থাকে তবে অন্য বাকি ২৫টি দেশের জন্য কোন ভিসা লাগবে না। তাছাড়া কোনো ইমিগ্রেশন ও ফিঙ্গার প্রিন্টের পদ্ধতি নেই। শুধু তা-ই নয়, একটি দেশে প্রবেশ করে সুবিধামতো অন্য একটি দেশ দিয়ে বাহির হতে পারবেন।

২৬ দেশের নাম হচ্ছে- অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, চেক রিপাবলিক, ডেনমার্ক, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, হাঙ্গেরি, আইসল্যান্ড, ইতালি, ল্যাটভিয়া, লিয়েসথেন্সটাইন, লিথুনিয়া, লুক্সেমবার্গ, মালটা, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভেকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড।

তবে বাংলাদেশে সেনজেনভুক্ত ২৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ৭টি দেশের অ্যাম্বাসি আছে। ৭টি দেশ হলো- সুইডেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মান, ইতালি, স্পেন ও সুইজারল্যান্ড। আর ১৫টি দেশের অ্যাম্বাসি বাংলাদেশে নেই তবে সুইডেন, ফ্রান্স, ডেনমার্ক, জার্মান, ইতালি অ্যাম্বাসির সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে থাকে। আর হাঙ্গেরি, লিয়েসথেন্সটইন, লিথুনিয়া ও নেদারল্যান্ডসের অ্যাম্বাসি বাংলাদেশে নেই।

যে দেশগুলো অন্য দেশের অ্যাম্বাসির মাধ্যমে কাজ করছে-
সুইডেন অ্যাম্বাসি: বেলজিয়াম, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, পোল্যান্ড, স্লোভেনিয়া ও ফিনল্যান্ড।
ফ্রান্স অ্যাম্বাসি: পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া ও চেক রিপাবলিক।
ডেনমার্ক অ্যাম্বাসি: নরওয়ে।
জার্মান অ্যাম্বাসি: এস্তোনিয়া।
ইতালি অ্যাম্বাসি: গ্রিস, মালটা ও স্লোভাকিয়া।

উপরের তথ্যগুলো বর্তমানের অনুসন্ধান অনুযায়ী দেওয়া হলো, যা পরবর্তীতে বাড়তে পারে।

]]>
৪৮ ঘণ্টায় ঢাকা থেকে জাহাজে কলকাতা https://sherakantha.com/2019/03/23/%e0%a7%aa%e0%a7%ae-%e0%a6%98%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c/ Sat, 23 Mar 2019 06:26:30 +0000 http://sherakantha.com/?p=128730 Continue reading ৪৮ ঘণ্টায় ঢাকা থেকে জাহাজে কলকাতা →]]> এবার ঢাকা থেকে নৌপথেও যেতে পারবেন কলকাতা। দীর্ঘ পরিকল্পনার পর এমনটিই ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। বুধবার এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর থেকে খুব বেশি আগ্রহ লক্ষ্য করা যায়নি পর্যটকদের মধ্যে। তবে সময়ের সাথে সাথে আগ্রহ বাড়তে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, আগামী ২৯ মার্চ বিআইডব্লিউটিসির এমভি মধুমতি জাহাজ নারায়ণগঞ্জের পাগলা মেরিএন্ডারসন থেকে ছেড়ে যাবে কলকাতার উদ্দেশে। এ যাত্রায় অংশ নিতে চাইলে ভিসা ও টিকিট সংগ্রহ করতে হবে এখনই। ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে সময় লাগবে ৪৮ ঘণ্টা। এ ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য/যাত্রী) শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, কলকাতা যেতে হলে অবশ্যই ভারতীয় ভিসা সেন্টার থেকে ভিসা ও বন্দরে অবতরণের ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে হবে। টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন রাজধানীর বাংলামটরে অবস্থিত ফেয়ারলি হাউজ থেকে।

তিনি আরও জানান, ২৯ মার্চ রাত ৯টায় পাগলা মেরিএন্ডারসন ভিআইপি জেটি থেকে ছেড়ে যাবে এমভি মধুমতি। এতে ঢাকা থেকে কলকাতা যেতে সময় লাগবে ৪৮ ঘণ্টা। এটি মূলত পরীক্ষামূলক যাত্রা। তবে কেউ আগ্রহী থাকলে যেতে পারবেন।

ভাড়ার বিষয়ে তিনি জানান, ঢাকা-কলকাতা কেবিন ভাড়া ফ্যামিলি স্যুট (দুজন) ১৫ হাজার টাকা, প্রথম শ্রেণি (যাত্রীপ্রতি) ৫ হাজার টাকা, ডিলাক্স শ্রেণি (দুজন) ১০ হাজার টাকা, ইকোনমি চেয়ার (যাত্রীপ্রতি) ৮ হাজার এবং সুলভ শ্রেণি বা ডেক (যাত্রীপ্রতি) ১ হাজার ৫০০ টাকা।

এছাড়া যে কোন তথ্য ও সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করতে পারবেন ০১৭১৫৬৩৫৩৪১ ও ০১৭৫৩৯৯০৮২০ নম্বরে।

]]>
কানাডা ভ্রমণে সেরা ১০ শহর https://sherakantha.com/2018/08/03/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a7%a7%e0%a7%a6-%e0%a6%b6%e0%a6%b9%e0%a6%b0/ Fri, 03 Aug 2018 15:02:05 +0000 http://sherakantha.com/?p=127862 Continue reading কানাডা ভ্রমণে সেরা ১০ শহর →]]> উত্তর আমেরিকার উত্তরাঞ্চলের বেশির ভাগ এলাকা জুড়ে থাকা দেশ কানাডা। আয়তনে দিক থেকে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। তবে জনসংখ্যায় এর অবস্থান ৩৮তম। দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রতিবছর হাজার হাজার দর্শনার্থী বেড়াতে আসেন। আজ কানাডা ভ্রমণে পর্যটক প্রিয় সেরা ১০টি শহর সম্পর্কে জানাবো:

১. ভ্যানকুভার:

কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে তথা কানাডার প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে অবস্থিত একটি শহর ‘ভ্যানকুভার’। এটি জর্জিয়া প্রণালীর তীরে, কোস্ট পর্বতমালার পাদদেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার সীমান্ত থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। ১৯৮৬ সালের বিশ্বমেলার পর থেকে পর্যটকদের জন্য শহরটি আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থল হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে। নিউইয়র্ক ও লসঅ্যাঞ্জেলেসের পরেই ভ্যানকুভার উত্তর আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম চলচ্চিত্র শিল্পশহর। ভ্যানকুভারকে ‘উত্তরের হলিউড’ নামেও ডাকা হয়। ভ্যানকুভার শহরটি ব্রিটিশ নাবিক ও ক্যাপ্টেন জর্জ ভ্যানকুভারের নামে নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভ্যানকুভারে কানাডার সর্ববৃহৎ বন্দরটি অবস্থিত।

২. হুইসলার:

কানাডার সমুদ্র পার্শবর্তী একটি শহর ‘হুইসলার’। এটি ‘হুয়াই ৯৯’ নামেও পরিচিত। কানাডায় দর্শনার্থী প্রিয় শহরগুলোর মধ্যে এর অবস্থান দ্বিতীয়। এখানে ভ্রমণপিঁপাসুদের জন্য রয়েছে বরফময় পাহাড়, স্নোবর্ডিং, কল্পকাহিনী যুক্ত গ্রাম, বিখ্যাত সব রিসোর্ট। যা পরিবার, বন্ধু-বান্ধব, কিংবা ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে বেড়াতে এলে অন্যরকম মুহূর্ত তৈরি হয়। গ্রীষ্মের ছুটিতে অসংখ্য মানুষ এখানে বেড়াতে যান। যেসব দর্শনার্থীরা শীতকালীন আবহাওয়া ভালোবাসেন তাঁরা কখনো এটা মিস করতে চাইবেন না।

৩. ভিক্টোরিয়া:

কানাডার আরেকটি দর্শনার্থী প্রিয় শহর ‘ভিক্টোরিয়া’। এটি ‘গার্ডেন সিটি’ নামেও পরিচিত। শহরটি পূর্বের বহু ইতিহাসের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ। ব্রিট্রিশ কলম্বিয়ার সংসদভবন এখানে আসা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। তাছাড়া এখানে রয়েছে বাটচার্ট গার্ডেন ও গোল্ডস্ট্রিম প্রোভিনশিয়াল পার্ক। শীতকালে এখানকার সমুদ্র সৈকতও দর্শনার্থীদের সমাগমে জমজমাট হয়ে ওঠে।

৪. টোফিনো:

কানাডার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত একটি জেলা ‘টোফিনো’। গ্রীষ্মকালে এটি দর্শনার্থীদের জন্য জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যারা মাছ ধরতে পছন্দ করে, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখতে পছন্দ করে, ক্যাম্প করে সারারাত মজা করতে ভালোবাসে, সব মিলিয়ে যারা প্রকৃতি পছন্দ করে তাদের জন্য স্থানটি জনপ্রিয়। এছাড়াও এখানে সমুদ্র সৈকত ও বিভিন্ন পার্ক রয়েছে। যা দর্শনার্থীদের বারবার এখানে নিয়ে আসে।

৫. কুইবেক:

ফরাসি কানাডিয়ান সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু হলো ‘কুইবেক’ শহর। শহরটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে পুরানো বসতিগুলোর মধ্যে একটি এবং কানাডার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিবছর এখানে হাজার হাজার দর্শনার্থী ঘুরতে আসে। এখানে রয়েছে পুরানো কুইবাক অধিবাসীদের কবরস্থান, ১৭ শতকের ঘর-বাড়ি, গীর্জা, ক্যাফে, বিস্ট্রোস, ম্যানিকিউরেটেড স্কোয়ার এবং চটিউ ফ্রন্টেন্যাকের মতো ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থান। তাছাড়া এটি ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট।

৬. মন্ট্রিয়ল:

কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম ও কুইবেক প্রদেশের বৃহত্তম শহর ‘মন্ট্রিয়ল’। এটির মূল নাম ভিলা মারি বা মেরির শহর। শহরটির বর্তমান নামটি এসেছে শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত পর্বতচূড়া মন্ট-রয়্যাল থেকে, যা শহরের কাছে অবস্থিত আইল্যান্ড অফ মন্ট্রিয়ল থেকে দেওয়া হয়েছে। শহরটি খাবার, গ্যালারি, জাদুঘর এবং বিস্ময়কর সব স্থাপনার জন্য বিখ্যাত। এই শহরে পাসপোর্ট না থাকলেও কোনো সমস্যা হয় না। সব মিলিয়ে শহরটি কানাডায় ঘুরতে আসা মানুষের কাছে জনপ্রিয়।

৭. অটোয়া:

কানাডার রাজধানী ‘অটোয়া’। জনসংখ্যার বিচারে অটোয়া দেশটির চতুর্থ বৃহত্তম নগরী। শহরটি পাবলিক পার্ক, জাদুঘর ও ভিক্টোরিয়ান যুগের স্থাপনার জন্য বিখ্যাত। শহরটির কেন্দ্রস্থলে রয়েছে পার্লামেন্ট হিল, যেখানে গ্র্যান্ড ন্যাশনাল গ্যালারী অবস্থিত। তাছাড়া এখানকার বরফশীতল আবহাওয়া ও গ্রীষ্মকালে নৌকায় করে ট্রি-লাইন রাউডাউ খালে ঘুরে বেড়ানো দর্শনার্থীদের কাছে ভীষণ প্রিয়।

৮. ব্যানফ:

কানাডার একটি ক্ষুদ্র রিসোর্ট শহর ‘ব্যানফ’। এখানে রয়েছে মনোরম পরিবেশের সব রিসোর্ট, জাদুঘর, ন্যাশনাল পার্ক ও বরফময় পাহাড়। তাছাড়া এখানকার রিসোর্টগুলোতে এমন নিখুতভাবে খাবার পরিবেশন করা হয়, যা আপনাকে বিলাসিতার অন্যরকম স্বাদ দেবে। খরচ একটু বেশি হলেও স্থানটি দর্শনার্থীদের জন্য জনপ্রিয়।

৯. লেক লুইস:

ব্যানফ শহর থেকে মাত্র ৪০ মিনিটের দুরত্বে ‘লেক লুইস’ অবস্থিত। এটি তাঁর হিমবাহ, স্বচ্ছ পানির লেক ও অসাধারণ পর্বতমালার জন্য বিখ্যাত। ভ্রমণকারীরা শীতকালে এখানে স্কিইং, স্নোবোর্ডিং ও আইস স্কেটিং এবং গ্রীষ্মকালে মাছ ধরার জন্য আসেন।

১০. টরন্টো:

কানাডার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত অন্টারিও প্রদেশের রাজধানী শহর ‘টরন্টো’। অর্থনৈতিকভাবে কানাডার সবচেয়ে সমৃদ্ধ প্রদেশ অন্টারিও-র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর বলে এটি দেশটির আর্থিক ও ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র। টরন্টো শহরটি অন্টারিও হ্রদের উত্তর-পশ্চিম তীরে অবস্থিত। নগরকেন্দ্রেই সেন্ট জেমস অ্যাংলিকান ক্যাথিড্রাল এবং সেন্ট মাইকেল রোমান ক্যাথলিক ক্যাথিড্রাল দুইটি ধর্মীয় স্থাপনা উল্লেখ করার মতো। শহরটি চলচ্চিত্র নির্মাণ, টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান প্রযোজনা এবং সংবাদ সম্প্রচারের জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যম টরন্টো শহরেই অবস্থান নিয়েছে। টরন্টোতে থাকা বহু জাদুঘর, নাট্যশালা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক সেবাগুলো পর্যটকদের কাছে শহরটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। শহরকেন্দ্রের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে আর্ট গ্যালারি অফ অন্টারিও, রয়াল অন্টারিও মিউজিয়াম, হকি হল অফ ফেম এবং দ্য বেল লাইটবক্স, যেখানে টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের প্রধান কার্যালয়টি অবস্থিত। টরন্টো শহরে সবুজ উদ্যানেরও অভাব নেই; কুইন্স পার্ক ছাড়াও এখানে আছে ৪০০ একর আয়তনবিশিষ্ট হাই পার্ক, যার ভেতরে হাঁটার পথ, খেলাধুলার জায়গা এবং একটি চিড়িয়াখানাও আছে।

]]>
ঐতিহ্যের দেশ উজবেকিস্তান https://sherakantha.com/2017/11/17/%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%89%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8/ Fri, 17 Nov 2017 14:37:34 +0000 http://sherakantha.com/?p=126825 Continue reading ঐতিহ্যের দেশ উজবেকিস্তান →]]> হাজার বছরের ইতিহাস আর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসমৃদ্ধ উজবেকিস্তান পর্যটকদের কাছে এক আকর্ষণীয় দেশ। ইতিহাসখ্যাত যোদ্ধা ও শাসক তৈমুর লং, হজরত ইমাম বুখারি, হজরত বাহাউদ্দিন নকশাবন্দীসহ অনেক জ্ঞানী ও গুণিজনের মাজার রয়েছে দেশটিতে। অসংখ্য প্রচীন মসজিদ, মাদ্রাসা, দুর্গ ও বৌদ্ধ ধর্মের নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে দেশজুড়ে। পুরো দেশ ঘুরে বেড়ানোর পর মনে হবে এ যেন এক ঐশ্বর্যমণ্ডিত ঐতিহ্যের দেশ। উদাহরণ টানলেই ব্যাপারটি পরিষ্কার হবে। তাজমহলের কথাই ধরুন। আপনি যদি আগ্রার তাজমহল দেখে থাকেন তবে উজবেকিস্তানের হাজার বছরের পুরনো মিনার, প্রাসাদ ও মসজিদের সঙ্গে এর নির্মাণশৈলীর মিল খুঁজে পাবেন। চোখ জুড়িয়ে যাবে উজবেকিস্তানের হাজার বছরের ইতিহাস আর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দেখে।

শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর অধীনে থেকে অবশেষে ১৯৯১ সালে স্বধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে উজবেকিস্তান। এরপর কর্তৃপক্ষ মনোযোগী হন দেশগড়ার কাজে। পর্যটন খাতকে দেয়া হয় অগ্রাধিকার। ধীরে ধীরে সেজে ওঠে পুরো দেশ। উজবেকিস্তানের উষ্ণ মরুভূমির তপ্ত বালির ছোঁয়া আর বরাফাচ্ছাদিত পর্বতের চূড়ায় আরোহণের যেমন সুযোগ রয়েছে, তেমনি এখানে রয়েছে বিশ্বমানের পাঁচতারা হোটেল ও অসংখ্য রিসোর্ট। কয়েক বছর ধরে এশিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার লাখ লাখ পর্যটক ভিড় করছেন উজবেকিস্তানে। চলুন জেনে নেই সেখানের কয়েকটি বিখ্যাত শহর ও নিদর্শনের কথা।  তাসখন্দ : উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দ। প্রখ্যাত ঐতিহাসিক আল বেরুনি এবং মকসুদ কাসগরির মতে, সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীতে তাসখন্দ হয়ে উঠেছিল  পৃথিবীর অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর। আধুনিক মেট্রোপলিটন শহর তাসখন্দ। প্রাচীন ঐতিহ্য আর আধুনিকতা এবং পূর্ব-পশ্চিমের সেতুবন্ধ হিসেবে তাসখন্দ গুরুত্বপূর্ণ শহর। প্রাচীন সভ্যতার নির্দশন হিসেবে এখানে রয়েছে অসংখ্য মাজার, মসজিদ আর সমাধি। এখানে রয়েছে পৃথিবীর প্রথম দিকের চারটি হাতে লেখা কোরান শরিফের একটি। যা দেখে অবশ্যই আপনি অভিভূত হনে। নগরীজুড়ে রয়েছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট, যেখানে মিলবে এতিহ্যবাহী উজবেক রুটি আর জিভে পানি আনা বিভিন্ন স্বাদের কাবাব। দিনের ভ্রমণ শেষে বসে পড়ুন যে কোনো একটি সরাইখানায়, উপভোগ করুন উজবেক খাবার আর সেইসঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ব্যালে নৃত্য।

বিশ্ব চলচ্চিত্রেও পিছিয়ে ছিল না উজবেকিস্তান। নব্বই দশক পর্যন্ত তাসখন্দ চলচ্চিত্র উৎসব ছিল মর্যাদাপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান।
সমরখন্দ : এটি উজবেকিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী। ঐতিহাসিকদের মতে সমরখন্দ রোম, এথেন্স আর ব্যাবিলনের মতোই দুই থেকে আড়াই হাজার বছরের পুরনো সমৃদ্ধ জনপদ। এ নগরীর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত আছে দার্শনিক, কবি, বিজ্ঞানী আর যোদ্ধার নাম। নগরীর সৌন্দর্য আর ঐতিহাসিক নিদর্শন পর্যটকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। আলেকজেন্ডার দ্য গ্রেট সমরখন্দে এসে বলেছিলেন, ‘এ নগরী সম্পর্কে আগে যা শুনেছিলাম বাস্তবে এ নগরী তার চেয়েও সুন্দর ও রাজকীয়’।

ইবনে সিনা, আবু রায়হান, ওমর খৈয়াম, আল বেরুনি, আলজামিদের মতো জ্ঞানীগুণি ব্যক্তি এক সময় সমরখন্দকে সমৃদ্ধ করেছে। দুই হাজার বছর আগে বিজ্ঞান, প্রকৌশলী আর নির্মাণশৈলীর যে উন্নতি সমরখন্দে হয়েছিল একুশ শতকের পর্যটকরা এখনও তা অনুধাবনে বিস্মিত হন। এ নগরীর ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো শাহী জিন্দা মাজার, সম্রাট তৈমুর লং নির্মিত সমাধি এবং ইমাম বোখারির মাজার। বুখারা :খ্রিস্টপূর্ব ৪ শতকে বুখারার সবচেয়ে প্রাচীন প্রাসাদ ‘গ্রান্ড প্যালেন অফ আর্ক’ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা এখনও পর্যটকদের বিস্মিত করে। বিশাল আর উঁচু প্রাচীরগুলো ঘিরে রয়েছে ১১টি গেট। ইতিহাসখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ইমাম আল বুখারি এই নগরীতেই জন্মলাভ করেছিলেন। ইতিহাস, মুসলিম আইন, আইনের অনুশাসন নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি রচনা করেন ‘বুখারি শরিফ’। ইমাম বুখারির মাজারের ওপর নির্মিত হয়েছে বিশাল এক কমপ্লেক্স যা পর্যটকের কাছে এখনও এক দর্শনীয় স্থান। এখানকার সুস্বাদু রুটি ও ফল পর্যটকদের রসনা মেটায়।

]]>
পৃথিবীর ভয়ংকর ও ভূতুড়ে জায়গা! https://sherakantha.com/2017/10/01/%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%9f%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%b0-%e0%a6%93-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be/ Sun, 01 Oct 2017 05:06:49 +0000 http://sherakantha.com/?p=123858 Continue reading পৃথিবীর ভয়ংকর ও ভূতুড়ে জায়গা! →]]> আমাদের সবার জীবনেই কোনো না কোনো সময় এমন কিছু অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই হয়েছে জীবনে কখনও না কখনও। কোনো কোনো সময় আমরা কিছু একটা ভূতুড়ে অনুভূতি বলে বোধ করি, কখনও বা স্রেফ পাশ কাটিয়ে চলে যাই খেয়াল না করে। আবার কখনও এমনও হয় যে কিছু লোকের কল্পনার মাত্রা অন্যদের চেয়ে বেশী এবং তারা সাধারণ ঘটনাকেও অপ্রাকৃতিক বলে ভাবতে শুরু করে। জেনে নিন কিছু স্হানীয় ভূতুড়ে ঘটনা যারা নিজেদের পরিচয় তো দিয়েছে কিন্তু তাদের কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না।

১) পুরোনো চাঙ্গী হসপিটাল, সিঙ্গাপুরঃ
এই হাসপাতালটি তৈরী হয়েছিল ১৯৩৫ সালের দিকে। কিন্তু এখন এটা জাপানীরা এটি দখল করে নেয়। জাপানীরা এটাকে গোপন অত্যাচারের ঘাঁটি বানায় এবং যুদ্ধ বন্দিদের নিয়ে এসে নীপিড়ন করত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধর পর ১৯৯৭ সালে এটিকে নতুন চাঙ্গী হাসপাতালে পরিণত করা হয়। কিন্তু রুগীরা আজ অবধি শান্তিতে থাকতে পারেনি। জোরে চিৎকার ও দরজায় দাপাদাপি আজও শোনা যায় হাসপাতালে।

২) আইল্যান্ড অফ ডলস্, মেক্সিকোঃ
একটি ছোট্ট মেয়ে জলে ডুবে মারা যায় জোকিমিলকো মেক্সিকোর কৃত্রিম দ্বীপে। ১৯৫০ সালে একজন এই জায়গায় থাকতে আসেন সেই নালার কাছে যেখানে সেই মেয়েটি মারা যায়। ছোট্ট মেয়েটির আত্মা মাঝে মাঝেই এসে বিরক্ত করত লোকটিকে। আত্মাকে খুশি করার জন্য লোকটি অনেক পুতুল কিনে ওই দ্বীপের চারপাশে ঝুলিয়ে রাখত।২০০১ সালে লোকটি মারা যায় ওই একই জায়গায় যেখানে আগে মেয়েটি মারা গেছিল।

৩) ভানগড় দুর্গ, রাজস্থানঃ
ভারতবর্ষের রাজস্হানে আলওয়ার জেলায় এটি একটি পরিত্যক্ত দু্র্গ। লোকের বিশ্বাস যে এখানে তান্ত্রিকের অভিশাপ আছে। এক বেপরোয়া তান্ত্রিক রাজকুমারীর প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অভিশাপ দেন যে ওখানে কোনো বাড়ির ছাদ থাকবে না। আজ অবধি কোনো বাড়ির ছাদ নেইও। জায়গাটি পরিত্যক্ত ও আজ অবধি ভারতবর্ষের অন্যতম ভূতুড়ে জায়গা।

৪) চাটাউ ডে ব্রিসাক, ফ্রান্সঃ
এই সুরক্ষিত প্রাসাদটি একাদশ সতকের সাক্ষী এক বিভৎস জোড়া খুনের। সবুজ রং-এর পোশাক পরিহিত এক মহিলাকে দেখা যায়, মুখটা পচা গলা মৃতদেহর মত। খুনের সবুজ রং-এর পোশাক পরিহিত এই মহিলা হাহাকার ও আর্তনাদ করে ঘুরে বেড়ান।

৫) আওকিঘারা জঙ্গল, জাপানঃ
এই কুখ্যাত প্রাণঘাতক জঙ্গলটি মাউন্ট ফুজির পায়ের কাছে। প্রতি বছর অনেক মানুষের মৃত্যু ঘটে এই জঙ্গলে। যদিও সরকার আসল সংখ্যাটি গোপন রাখে। ঘন জঙ্গল হাওয়ার গতি রোধ করে এবং এর সাথে জড়িত দৈত্য দানবের গল্প আরও ভয়াবহ করে তোলে জায়গাটিকে। মৃতরা মরার পরেও যেতে চাইছে না ওখান থেকে এবং তাদের সেই আর্তনাদ আজও শোনা যায়।

]]>
শিশুদের নিয়ে বেড়াতে যাবেন যেখানে https://sherakantha.com/2017/07/02/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87/ Sun, 02 Jul 2017 05:25:22 +0000 http://sherakantha.com/?p=122465 Continue reading শিশুদের নিয়ে বেড়াতে যাবেন যেখানে →]]> ঈদের ছুটি চলছে। বাড়ির ছোট সদস্যকে যানজটের ঢাকায় কোথাওই ঘুরতে যাওয়া হয় না। তার উপর প্রচন্ড গরম। তার স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ঘরই যেন সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় হয়ে ওঠে। কিন্তু শিশুর মন তো চায় একটু খোলামেলা পরিবেশ, হইহুল্লোড়, ফূর্তি।

ঢাকা এখন একদম ফাকা। ঈদ উপলক্ষে সব বিনোদনকেন্দ্রই খোলা। এটাই সুযোগ শিশুকে নিয়ে ইচ্ছেমত ঘুরে বেড়ানোর। যেখানে যাবেন-

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক, গাজীপুর
সাফারি পার্কের মজাটা কিন্তু ভিন্নরকম। এখানকার পশুপাখীরা খুব সাহসী। আপনার সাথে সেলফী তুলতে চলে আসবে একেকজন। হালকা বৃষ্টি হলেই ময়ূর নাচ দেখিয়ে যাবে, একদম লাজ-লজ্জা নেই!

প্রাপ্তবয়স্ক জনপ্রতি পার্কে প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা এবং ১৮ বয়সীদের নিচে প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। গাড়িতে করে সাফারি পার্ক পরিদর্শনের জন্য প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতিজনের টিকিট ১০০ টাকা। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা। প্যাডেল বোট ভ্রমণ ৩০ মিনিট ২০০ টাকা।

 

ফ্যান্টাসি কিংডম, আশুলিয়া
ছোট-বড় সকলের জন্য রোমাঞ্চকর আনন্দ উল্লাসের জায়গা ফ্যান্টাসি কিংডোম। তবে যে রাইডেই চড়ুন না কেন আপনার এবং শিশুর নিরাপত্তা বেল্টটি বেঁধে নিন ঠিকমতো।

ঈদে পার্কটি খোলা থাকবে দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। শিশুদের প্রবেশমূল্য ৩৫০-৫০০ টাকা, বড়দের বেলায় ৬৫০-৮০০ টাকা। ওয়াটার ওয়ার্ল্ডে প্রবেশমূল্য ৬৫০-৮০০ টাকা। তবে ঈদের সময়টা বিশেষ অফারেও টিকিট বিক্রি করা হয়।

নন্দন পার্ক, আশুলিয়া
প্রতিবছর ঈদে পার্কে কনসার্টের ব্যবস্থা করা হয়।

ঈদের সময় নন্দন পার্ক খোলা থাকবে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। সব রাইডসহ প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৪৯০ টাকা।

ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক, সায়েদাবাদ
ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্ক ঈদের দিনগুলোতে খোলা সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৫০ টাকা। রাইডের মূল্য ৩০ টাকা।

জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ
বিশাল সেই ডায়নোসরের কঙ্কাল, মূর্তিমান বাঘ, হরিণ, ময়ূর সব মিলিয়ে আমাদের জাতীয় জাদুঘর শিশুকে বিস্ময়ে হতবাক তো করবেই সাথে আছে শেখার মতো অনেক কিছু।

ঈদের সময় জাদুঘর খোলা থাকবে বেলা দুইটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত। টিকিটের মূল্য ৩ থেকে ১২ বছর বয়সীদের জন্য ৫ টাকা, ১২ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য ১০ টাকা এবং বিদেশি দর্শনার্থীদের জন্য ৭৫ টাকা।

 

শিশুপার্ক, শাহবাগ
‘আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী’ গানের তালে আনন্দে মেতে ওঠার জন্য যথাযথ জায়গা শিশুপার্ক। রেলগাড়ি, নাগরদোলা, এরোপ্লেন কি নেই এখানে? শিশুকে নিয়ে ঘুরে আসুন এখানেই।

প্রতিবছর ঈদ উপলক্ষে শিশুদের জন্য ঈদ আয়োজন করে শিশুপার্ক কর্তৃপক্ষ। ঈদে শিশুপার্ক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। প্রবেশমূল্য ৮ টাকা। তবে প্রতিটি রাইডে উঠতে হলে ৬ টাকার আলাদা আলাদা টিকিট কাটতে হবে।

জাতীয় চিড়িয়াখানা, মিরপুর
ঢুকতেই বানরের খাঁচা, আছে নানান রকম পাখি। বইয়ে ছবিতে দেখা অজগর, জ্যান্ত বাঘ, সিংহ সবই আছে এখানে। চিড়িয়াখানা শুধু শিশুদেরকেই না, আনন্দ দেয় বড়দেরকেও। ঈদের ছুটিতে আদরের সন্তানকে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এখানে।

ঈদের সময় জাতীয় চিড়িয়াখানা খোলা থাকবে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ১০ টাকা। দুই বছর পর্যন্ত শিশুদের জন্য টিকিট লাগবে না।

]]>