পরিবেশ ও জলবায়ু – Sherakantha-সেরা কণ্ঠ https://sherakantha.com Just another WordPress site Sun, 16 Jul 2023 13:44:59 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 শব্দদূষণ: নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ https://sherakantha.com/2023/07/16/%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b7%e0%a6%a3-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87-3/ Sun, 16 Jul 2023 11:35:59 +0000 https://sherakantha.com/?p=131552 Continue reading শব্দদূষণ: নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ →]]> স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে তীব্র এবং তীক্ষ্ণ শব্দ প্রতিনিয়ত আমাদের শ্রবণশক্তির ওপর প্রভাব ফেলছে। যার ফলে নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। শব্দদূষণ কমিয়ে আনতে এক কর্মসূচির সমাপনীতে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে শব্দদূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব।

শব্দদূষণের মাত্রা নির্ণয়ে আটটি বিভাগীয় শহরে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। জরিপে শব্দদূষণের উৎস চিহ্নিত করা, হর্ন গণনা, জনমত যাচাই এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেয়া হয়েছে।পাশাপাশি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বিশ হাজার মানুষকে। কর্মসূচির সমাপনী আয়োজন ছিলো রাজধানীর এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে।

অনুষ্ঠানে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু বলেন, মানুষের অসীম প্রাণশক্তিকে নীরবে নিঃশেষ করে দিচ্ছে নীরব ঘাতক শব্দদূষণ ।

এছাড়া দূষণ প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদের পাশাপাশি চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং কার্যক্রমের প্রশংসা করেন বিশিষ্টজনেরা।

বিধিমালা ২০০৬ বাস্তবায়নে বিআরটিএ, পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে নিয়ে কাজ করার কথা জানায় পরিবেশ অধিদপ্তর।

]]>
প্রকৃতিকে সবুজ-শ্যামলে ভরিয়ে দিতে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী https://sherakantha.com/2021/02/26/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%9c-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ad/ Fri, 26 Feb 2021 06:06:44 +0000 https://sherakantha.com/?p=131107 Continue reading প্রকৃতিকে সবুজ-শ্যামলে ভরিয়ে দিতে কাজ করছে সরকার : পরিবেশমন্ত্রী →]]> পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, দেশের প্রকৃতিকে সবুজ-শ্যামলে ভরিয়ে দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার।তিনি বলেন, জনগণের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে এ বছরের জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২১-এর প্রতিপাদ্য মুজিববর্ষে অঙ্গীকার করি, সোনার বাংলা সবুজ করি নির্ধারণ করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের মাধ্যমেই দেশকে আমরা সবুজে-শ্যামলে ভরে দিতে সক্ষম হব।মো. শাহাব উদ্দিন আজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২১ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২১ উদযাপনের প্রাক-প্রস্তুতিমূলক এক আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ পরিবেশ উন্নয়নে দেশের সর্বত্র ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে।তিনি বলেন, এই বৃক্ষরোপণ অভিযান গতিশীল রাখার জন্য জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন এবং পরিবেশ মেলা, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন ২০২০, বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার ও জাতীয় পরিবেশ পদক ২০১৯ ও ২০২০ প্রদান সহ সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে চেক বিতরণ করা হবে।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মাহমুদ হাসান, অতিরিক্ত সচিব ( উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজী, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ) মো. মনিরুজ্জামান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহাম্মদ, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমির হোসাইন চৌধুরীসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

]]>
শকুন সংরক্ষণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : পরিবেশ মন্ত্রী https://sherakantha.com/2020/09/05/%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c-%e0%a6%95/ Sat, 05 Sep 2020 14:48:31 +0000 http://sherakantha.com/?p=130871 Continue reading শকুন সংরক্ষণে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : পরিবেশ মন্ত্রী →]]> প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী বি’লু’প্তপ্রায় প্রজাতি শ’কু’ন সংরক্ষণে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিনতিনি আজ শনিবার তার সরকারি বাস ভবন থেকে আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস উপলক্ষে বন অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শ’কু’নের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দিন দিন উপকারী এই পাখিটি প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। বি’লু’প্তপ্রায় এই শকুনকে বাঁচাতে গণসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার শকুন সংরক্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, নানা কারণে ৯৯ শতাংশ শকুন বিলুপ্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশে মাত্র ২৬০টি শকুন রয়েছে। তাই সরকার শ’কু’নের সংখ্যা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। এ সময় তিনি শকুন সংরক্ষণ ও প্রজাতিটি সংখ্যা বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি,মন্ত্রণালয়ের সচিব জিয়াউল হাসান, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ড. মো. বিল্লাল হোসেন, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু ও গ্লোবাল থ্রেটেন্ড স্পিসিজ অফিসার ও রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রটেকশন অব দ্য বার্ডসর প্রোগ্রাম ম্যানেজার ক্রিস বাইডেন।

]]>
সুন্দরবনে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ https://sherakantha.com/2019/11/09/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a7%82/ Sat, 09 Nov 2019 17:00:53 +0000 http://sherakantha.com/?p=129746 Continue reading সুন্দরবনে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ →]]> সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল। শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের অগ্রবর্তী অংশ সুন্দরবনের সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট অংশে আঘাত হানতে শুরু করেছে।

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ক্রেমেই বাড়ছে ঝড়ের তিব্রতা। ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। একই সাথে বেড়েছে ৪ থেকে ৫ ফুট পানির উচ্চতা। তছনছ করে দিয়েছে দুবলার চরের অস্থায়ী শুঁটকি পল্লী।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) দুবলারচর ভিএইচএফ স্টেশনের অপারেটর মো. কাশেম এসব তথ্য জানিয়ে বলেন, বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের দুবলারচরের অস্থায়ী শুঁটকি পল্লী এলাকার আলোরকোল, মেহেরআলীর চর, মাঝেরকেল্লা, অফিসকিল্লা ও শেলারচরে ২২ বছর আগে নির্মিত হওয়া জরাজীর্ণ ৫টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে ৬ হাজারেরও বেশি জেলেরা আশ্রয় নিতে পেরেছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে স্থান সংকুলন না হওয়ায় শুঁটকি পল্লীসহ ঝড়ের কারণে সাগর থেকে আসা আরো কয়েক হাজার জেলে নৌযানে করে ছোট-ছোট খালে আশ্রয় নিয়েছে। ঝড়ের তীব্রতা বাড়ায় নৌযানে করে সুন্দরবনের খালে আশ্রয় নেয়া জেলেদের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুলের প্রভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনা বিভাগে আগামী ৩০ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরইমধ্যে আজ (শনিবার) দুপুর থেকে ঢাকায় বৃষ্টির মাত্রা বেড়েছে। সঙ্গে বইছে দমকা হাওয়া।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল উপকূল অতিক্রমকালে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলা এবং তাদের অদূরবর্তী চর ও দ্বীপগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ১০০-১২০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে নয় নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি হয়েছে। আর কক্সবাজারে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা যাচ্ছে।

খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম নদীবন্দরে ৪ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। দেশের অন্য নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা যাচ্ছে।

]]>
রাঙামাটিতে ১৫ হাজার মানুষ পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে https://sherakantha.com/2018/06/10/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%ab-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%81/ Sun, 10 Jun 2018 07:40:09 +0000 http://sherakantha.com/?p=127766 Continue reading রাঙামাটিতে ১৫ হাজার মানুষ পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে →]]> রাঙামাটি প্রতিনিধিঃ
পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৩৭৮ পরিবারের প্রায় ১৫ হাজার লোক পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে।

শুধু রাঙামাটি পৌর সদরের নয়টি ওয়ার্ডের ৩৪টি এলাকায় ৬০৯টি পরিবারের ঝুঁকিপূর্ণ বাসের কথা জেলা প্রশাসনই চিহ্নিত করেছে।

পাহাড়ি এলাকা বিবেচনায় আগে কখনও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত না করলেও গত বছরের ১২ জুন প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড় ও ভূমিধসে ১২০ জন নিহতের পর রাঙামাটি জেলা প্রশাসন এ তালিকা করে।

সামনের বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থান নির্ধারণ করে তা মোকাবেলায় বিভিন্ন প্রস্তুতিও ইতোমধ্যে নিয়েছে।

জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, সামনের বর্ষা মৌসুমে যাতে গত বছরের মতো পাহাড় ধসে মাটি চাপায় ব্যাপক প্রাণহানি না ঘটে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ‘সর্বোচ্চ প্রস্তুতি’ নেওয়া হয়েছে।

“প্রাকৃতিক দুর্যোগ তো ঠেকানো যাবে না। তবে এতে প্রাণহানি যেন এড়ানো যায়, সেজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের।”

পাহাড়ের পাদদেশে যেসব স্থান নিরাপদ নয়, তা চিহ্নিত করে সেখানে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিতে আশ্রয় কেন্দ্র নির্ধারণ এবং পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করার কথাও বলেন জেলা প্রশাসক।
জেলা প্রশাসনের হিসেবে, রাঙামাটি পৌরসভাসহ ১০টি উপজেলায় মোট তিন হাজার ৩৭৮টি পরিবারের ১৫ হাজারেরও বেশি লোক পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে আছে।

এর মধ্যে রাঙামাটি পৌর সদরের নয়টি ওয়ার্ডে ৩৪টি স্থানে ৬০৯ পরিবারের প্রায় আড়াই হাজার লোক ঝুঁকি নিয়ে বাস করছে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে চম্পানির মার টিলা, চেঙ্গির মুখ, এসপি অফিস সংলগ্ন ঢাল, মাতৃমঙ্গল এলাকা, কিনারাম পাড়া, র্স্বর্ণটিলা, রাজমনি পাড়া, পোস্ট অফিস কলোনি, মুসলিম পাড়া, কিনা মোহন ঘোনা, নতুন পাড়া পাহাড়ের ঢাল, শিমুলতলী, রূপনগর এলাকা পাহাড়ের ঢাল, কাঁঠালতলী মসজিদ কলোনি, চম্পকনগর পাহাড়ের ঢাল, আমতাবাগ স্কুলের ঢাল, জালালাবাদ কলোনি পাহাড়ের ঢাল।

এর বাইরে রাঙামাটি সদর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ৭৫০ পরিবারের তিন হাজার ৪২৪ জন লোক পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিতে আছে।

গত বছরে স্মরণকালের ভয়াবহতম পাহাড় ধসের ঘটনায় নিহত ১২০ জনের মধ্যে রাঙামাটি পৌরসভা ও সদর উপজেলাতেই মারা যায় পাঁচসেনা সদস্যসহ ৭৩ জন।
এর বাইরে কাউখালী উপজেলায় ২১ জন, কাপ্তাইয়ে ১৮ জন, জুরাছড়িতে ছয়জন ও বিলাইছড়ি উপজেলাতে দুজন নিহত হন। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হন সর্বমোট ১৯২জন।

জেলা প্রশাসনের হিসাবে, জুরাছড়ি উপজেলার চার ইউনিয়নে ৬৪ পরিবারের ৩২০ জন, নানিয়ারচর উপজেলার চার ইউনিয়নে ২৩৯ পরিবারের এক হাজার ১১১ জন, লংদুতে তিন ইউনিয়নের ১০৮ পরিবারের ৫১৪ জন, বিলাইছড়ির তিন ইউনিয়নের ২৪৫ পরিবারের এক হাজার ১৭৯ জন, কাউখালী উপজেলার চার ইউনিয়নের ১২০ পরিবারের ৫৫৩ জন লোক পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে আছে।

এর বাইরে রাজস্থলী উপজেলায় তিন ইউনিয়নে ২৮৬টি পরিবারের এক হাজার ১৮২জন, কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ৫৮০ পরিবারের দুই হাজার ৭৯৩ জন, বরকল উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের ৩৭৭ পরিবারের এক হাজার ৮৫০ জন লোক ঝুঁকিতে আছে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা  বলেন, পাহাড়ি জেলাটিতে পাহাড়ের ঢালে বা খাঁজে দীর্ঘদিন ধরেই পাহাড়ি-বাঙালিরা ঘর বানিয়ে বসবাস করে আসছে। সে কারণে অতীতে কখনও ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও বসতি চিহ্নিত করা হয়নি। গত বছর পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহানির পর ঝুঁকিপূর্ণ বসতির এ তালিকা করা হয়।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, “নতুন করে যাতে পাহাড়ের খাঁজে বা ঢালে ঝুঁকি নিয়ে কেউ বসতি করতে না পারে, সেদিকেও আমরা দৃষ্টি রাখছি।”

গত বছরের পাহাড় ধসে ১২০ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়ে বহু পরিবার আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছিল।

প্রশাসনের হিসেবে, জেলায় ১৮ হাজার ৫৫৮টি পরিবার কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১২৩১টি বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত এবং নয় হাজার ৫৩৭টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হতাহত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চাল, তাঁবু, কম্বল, ঢেউটিনসহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছিল।

]]>
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি রোধে এগিয়ে আসার আহ্বান https://sherakantha.com/2018/04/27/%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%89%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%bf/ Fri, 27 Apr 2018 13:46:12 +0000 http://sherakantha.com/?p=127604 Continue reading বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি রোধে এগিয়ে আসার আহ্বান →]]> চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অনুষ্ঠিত সেমিনারে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ঝুঁকি রোধে পুরকৌশলীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগ ও সেন্টার ফর রিভার, হারবার অ্যান্ড ল্যান্ডস্লাইড রিসার্চের যৌথ উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারের উদ্বোধন করেন চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের পরিচালক মো. আজাদুর রহমান মল্লিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষণা বিজ্ঞানী ড. মো. রাশেদ চৌধুরী।

চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। বাংলাদেশও এই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তবে যতটা না ঝুঁকির মধ্যে আছে, তার চেয়ে অনেক বেশি আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে। সেজন্য প্রয়োজনীয় গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হওয়া প্রয়োজন। পুরকৌশলীদের এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। এই সেমিনার জলবায়ু পরিবর্তন এবং তার পরিবর্তিত প্রভাব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সম্যক ধারণা দেবে।

সেন্টার ফর রিভার, হারবার অ্যান্ড ল্যান্ডস্লাইড রিসার্চের (সিআরএইচএলএসআর) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. রিয়াজ আকতার মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুরকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রহমান ভূঁইয়া, পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. নুরুজ্জামান।

]]>
বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা https://sherakantha.com/2018/03/24/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%a8%e0%a6%97%e0%a6%b0/ Sat, 24 Mar 2018 15:15:26 +0000 http://sherakantha.com/?p=127425 Continue reading বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা →]]> বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত নগরীর তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা। সম্প্রতি ইউএস এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (একিউআই) জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার প্রকাশিত এই সূচকে ঢাকার স্কোর ২৩৮।

তালিকার প্রথম অবস্থানে রয়েছে নেপালের কাঠমান্ডু। শীর্ষে থাকা এ শহরটির স্কোর হলো ২৬৪। যে কোনো শহর বা দেশের বাতাসের প্রতিদিনের গুণগত মান নির্ধারণে কাজ করে এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি। তারাই এই সূচক প্রণয়ন করে।

স্মার্টফোনের একটি এপ্লিকেশন এয়ার ভিসুয়াল দিয়ে বাতাসের ডাটা সংগ্রহ করে এই সূচক করা হয়। এ হিসাবে সবচেয়ে দূষিত থেকে পর্যায়ক্রমে ১০টি শহর হলো নেপালের কাঠমান্ডু, বাংলাদেশের ঢাকা, পাকিস্তানের লাহোর, চীনের শেনিয়াং, বেইজিং, ভারতের কলকাতা, থাইল্যান্ডের চিয়াংমাই, চীনের চেংদু, ভারতের দিল্লি ও চীনের সাংহাই।

নগর বিশেষজ্ঞরা বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে ঢাকার চারপাশে ভরপুর ইটভাটায়। রাস্তায় জ্বালানি পুড়ছে গাড়িতে। তা থেকে বাতাসে উচ্চমাত্রায় ছড়িয়ে পড়ছে সালফার। বায়ুদূষণের জন্য নির্মাণ কাজকে বড় ধরনের দূষণের নিয়ামক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অক্টোবর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এখানে বাতাসের গুণগত মানের আরও অবনতি হয়। তবে বর্ষাকালে তার কিছুটা উন্নতি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঢাকার পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।

জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ানো বুঝাতে ছয়টি ক্যাটাগরিতে এ সূচক প্রণয়ন করা হয়েছে। কোনো শহর যদি এই সূচকে ৩০০ অতিক্রম করে তাহলে সেখানকার বাতাসের গুণগত মানকে জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

]]>
ধেয়ে আসছে ভারতের পানি, তিস্তায় রেড অ্যালার্ট https://sherakantha.com/2017/08/12/%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%86%e0%a6%b8%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%bf/ Sat, 12 Aug 2017 16:30:48 +0000 http://sherakantha.com/?p=123008 Continue reading ধেয়ে আসছে ভারতের পানি, তিস্তায় রেড অ্যালার্ট →]]> তিস্তার উজানে ভারতে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারতের দৌমহনী থেকে পানি ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে।

এ অবস্থায় তিস্তার উজানে ভারতের অংশে ভারতীয় সেচ মন্ত্রণালয় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। পাশাপাশি তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে বিশেষ সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে তিস্তা অববাহিকার সব ইউপি চেয়ারম্যানের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে তিস্তায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিস্তার উজানে ভারতে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় সব ইউপি চেয়ারম্যানের মোবাইল ফোনে নদীতে বসবাসরতদের সরিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিস্তায় বসবাসরতদের বাঁধসহ উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিস্তার উজানে ভারতের গজলডোবা বাঁধের সব গেট খুলে দেয়ার শনিবার বিকেল থেকে দ্রুত বাড়তে শুরু করে তিস্তার পানি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের সব (৪৪টি) জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

একদিকে মুষলধারে বৃষ্টি অন্যদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছে তিস্তার পাড়ের বন্যাদুর্গত এলাকার লোকজন। উজানের ঢলের পানি ঘোলা, বিভিন্ন গাছের পাতা ও কচুরিপানা থাকার কারণে এলাকাবাসীর ধারণা উজানে বন্যার পানি আসছে।

তিস্তা নদীর উজানে বসবাস করা পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন ও পূর্ব খড়িবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। সেই তিস্তা উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন গ্রামে মাইকিং করে রেড অ্যালার্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে।

পূর্ব খড়িবাড়ি গ্রামের মিরাজ উদ্দিন বলেন, পানির স্রোতের অবস্থা দেখে বুঝা যায় আশপাশের গ্রামগুলো সব ডুবে যাবে। সেই সঙ্গে বড় ধরনের বন্যা হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

পাউবো অফিসে সূত্রে জানা যায়, তিস্তার টানা কয়েকদিনে বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তায় বন্যা দেখা দিয়েছে। তিস্তার ব্যারেজের ৬০ কিলোমিটার উজানে ভারত গজলডোবা বাঁধটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণ করেন।

গজলডোবা বাঁধটির ৫৪টি গেটের মাধ্যমে উজানে বন্যা হলে সকল গেট খুলে দিলে ধেয়ে আসছে বন্যার পানি ও বাংলাদেশের অংশে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে এলাকায় বন্যা দেখা দেয়।

পাউবো অফিসে সূত্রে আরও জানা যায়, বর্ষার সময় ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হলে গজলডোবার ৫৪টি জল কপাট খুলে দেয়। ফলে নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে কিসামত চরের আবুল কালাম জানান, দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে তিস্তার পানি। ছোটখাতা গ্রামের তফেল উদ্দিন বলেন, বিকেল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি থেকে মনে হচ্ছে বড় ধরনের বন্যা দেখা দেবে।

ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি শনিবার সকাল ৬টা থেকে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০) ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

নদীর শোঁ শোঁ শব্দ আর গর্জন তিস্তা অববাহিকা কাঁপিয়ে তুলেছে। অপরদিকে বুড়ি তিস্তা নদীটি ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই এলাকায় বাঁধ ভেঙে গেছে।

এছাড়া তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের জলঢাকাস্থ দুন্দিবাড়ির অদূরে দিনাজপুর প্রধান সেচ ক্যানেলের ডানতীরের বাঁধ দুইটির বিভিন্ন স্থানে বিধ্বস্ত হয়েছে।

]]>
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে যোগ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন https://sherakantha.com/2017/08/06/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%93-%e0%a6%ac%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%af/ Sun, 06 Aug 2017 17:13:59 +0000 http://sherakantha.com/?p=122895 Continue reading পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে যোগ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন →]]> বিদ্যমান পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জলবায়ু শব্দ যোগ করে ‘পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন’ মন্ত্রণালয়ের নামকরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

আজ রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় পরিবেশ কমিটির চতুর্থ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, পনিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহামুদ, নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল হাসান ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আ ফ ম মুস্তফা কামালসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নামের সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

তিনি জানান, বৈঠকে ‘জাতীয় পরিবেশ নীতি ২০১৭ এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জাতীয় বিনিয়োগ পরিকল্পনার খসড়াও অনুমোদন পেয়েছে।

তিনি জানান, বৈঠকে মোংলা বন্দর এলাকায় পরিবেশবান্ধব নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান করার অনুমোদন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সবাইকে আন্তরিক হবার আহবান জানান।

ইহসানুল করিম বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী চাষের জমি রক্ষা করার পাশাপাশি অহেতুক গাছ না কাটা এবং নতুন আবাসন এলাকা ও শিল্পাঞ্চলে জলাধার রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা, ঢাকার চারপাশের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, বালু ও তুরাগ নদী দূষণমুক্ত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান প্রেস সচিব।

]]>
অপরিকল্পিত বাঁধ, রাস্তায় নষ্ট হচ্ছে হাওরের প্রাকৃতিক পরিবেশ https://sherakantha.com/2017/07/02/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a7-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a7%9f/ Sun, 02 Jul 2017 04:36:14 +0000 http://sherakantha.com/?p=122456 Continue reading অপরিকল্পিত বাঁধ, রাস্তায় নষ্ট হচ্ছে হাওরের প্রাকৃতিক পরিবেশ →]]> অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ ও রাস্তা নির্মাণের কারণে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন হাওরে প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতি হচ্ছে জীববৈচিত্র্যের। হাওরের চরিত্র বুঝে প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হাতে নেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

হাওরে ফসল ও গ্রাম রক্ষার জন্য স্থানীয়ভাবে নির্মিত হয় এসব বাঁধ, যা রাস্তা হিসেবেও ব্যবহার করেন স্থানীয়রা। এসবের বেশিরভাগই ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সরকারি অর্থায়নে নির্মাণ করা হয়। এবার অকাল বন্যায় আগেভাগেই বাঁধ উপচে হাওরে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে গেছে। নষ্ট হয়েছে বোরো ফসল। অপরিকল্পিত এসব বাঁধ কতটা কার্যকর এ নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠেছে।

হাওরে পানি ওঠা-নামার সময় বুঝে বাঁধগুলোর উচ্চতা নির্ধারণ করে তা রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করার কথা বলছেন এই পানি বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত। হাওরে যে কোন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে করার পরামর্শও দেন তিনি।

এরকম বিশাল বিশাল হাওরের সাথে যুক্ত হয়েছে এমন অসংখ্য নদী। এটিই হাওরের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট।কিন্তু এর মধ্যে নির্মাণ করা এসব বাঁধ বা রাস্তার কারণে হাওরের জীববৈচিত্র্য আজ ধ্বংসের মুখে, মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে হাওরের উন্নয়ন কাজে হাত দেয়া উচিৎ বলে মনে করছেন তারা।

আরও দেখুন থেকে নিচের ভিডিও রিপোর্টে:

 

]]>