মজার খবর – Sherakantha-সেরা কণ্ঠ https://sherakantha.com Just another WordPress site Sun, 16 Jul 2023 13:33:31 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 পুরুষদের ন্যূনতম দু’টি বিয়ে করতেই হবে, না হলে যাবজ্জীবন জেল https://sherakantha.com/2023/07/16/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%82%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%ac-2/ Sun, 16 Jul 2023 11:02:42 +0000 https://sherakantha.com/?p=131506 Continue reading পুরুষদের ন্যূনতম দু’টি বিয়ে করতেই হবে, না হলে যাবজ্জীবন জেল →]]> আফ্রিকার ছোট্ট দেশ এরিত্রিয়ার সমস্ত পুরুষকে ন্যূনতম দু’টি বিবাহ করতেই হবে আইনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। যদি দেশের কোনো পুরুষ বা নারী এই সিদ্ধান্তে আপত্তি করে, তা হলে শাস্তি হবে যাবজ্জীবন জেল।

একে চন্দ্র, দুয়ে পক্ষ। এক্ষেত্রে প্রথম পক্ষ এবং দ্বিতীয় পক্ষ, দুটোই বাধ্যতামূলক। এমনই আজব আইনে সিলমোহর দিল এরিত্রিয়া সরকার। আরবিক দেশগুলির মধ্যে এরিত্রিয়াতেই শুধুমাত্র এমন আজব আইন জারি করা হয়েছে। রীতিমতো ধর্মীয় আইনের মাধ্যমে এই নির্দেশকে মান্যতা দিলেন গ্র্যান্ড মুফতি।

সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশে পুরুষের আকাল পড়েছে। এর আগে দীর্ঘদিন ইথিওপিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের কারণে অনেক পুরুষ হারিয়েছে এরিত্রিয়া। ক্রমশ পুরুষশূন্য হয়ে পড়ছে এই দেশ। তাই দেশের স্বার্থেই এই আইন বলবৎ করল সরকার।

প্রসঙ্গত, এরিত্রিয়ার জনসংখ্যা চৌষট্টি লক্ষেরও কিছু কম। এর এক দিকে সুদান আর ইথিওপিয়া, এক দিকে জিবুটি, এক দিকে লোহিত সাগর। ইথিওপিয়ার থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র জন্ম হয় ১৯৯৩ সালে।

]]>
১৭ বছরের সংসারে ভাঙন, খুশিতে নারীর ডিভোর্স পার্টি https://sherakantha.com/2021/09/24/%e0%a7%a7%e0%a7%ad-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%b6%e0%a6%bf/ Fri, 24 Sep 2021 10:10:06 +0000 https://sherakantha.com/?p=131381 Continue reading ১৭ বছরের সংসারে ভাঙন, খুশিতে নারীর ডিভোর্স পার্টি →]]> ১৭ বছর পর বিবাহিত জীবনের ইতি টেনে খুশিতে ডিভোর্স পার্টি দিয়েছেন এক নারী। যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা সোনিয়া গুপ্ত নামে ৪৫ বছর বয়সী ওই নারী নিজের বিবাহিত জীবনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি উপলক্ষে ডিভোর্স পার্টিতে আমন্ত্রণ জানান পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিদেনে দেখা যায়, এক ছবিতে দুই সন্তানের জননী ওই নারীকে ঝলমলে রঙিন পোশাকের ওপর ‘ফাইনালি ডিভোর্স’ লেখা সাটিন স্যাশ পরতে দেখা গেছে। পার্টিতে আগত অতিথিদের ঝলমলে ও উজ্জ্বল পোশাক পরে আসতে বলেছেন সোনিয়া।নিজের ব্যক্তিত্বের আঙ্গিকেই পার্টির থিম ঠিক করেছিলেন সোনিয়া। তিনি নিজেকে একজন খোলামনের মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কিন্তু তার স্বামী ছিলেন পুরোপুরি তার বিপরীত। বিয়ের শুরু থেকেই ভীষণ মনমরা থাকতেন সোনিয়া। তিনি জানতেন তাদের জুটি একদম মানায় না।

২০০৩ সালে ভারতে বিয়ে হয় সোনিয়ায়। বিয়ের পরই তিনি অনুধাবন করেন, তার বিবাহিত জীবন সুখের নয়। এরপর বহু বছর ধরে বিয়ে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন তিনি।বিয়ে ভাঙার ব্যাপারে সোনিয়া বলেন, আমি যখন ডিভোর্সের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আমার পরিবারকে জানাই, তারা আমার এই সিদ্ধান্ত একদমই মেনে নেয়নি। কিন্তু আমার দুই ছেলে আর বন্ধুরা আমাকে সব সময় সমর্থন জানিয়েছেন।

৪৫ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, তিনি এশিয়ান সিঙ্গেল প্যারেন্ট নেটওয়ার্ক থেকেও সাহায্য পেয়েছিলেন। তিনি যে, ডিভোর্স পার্টি আয়োজন করেছিলেন তা ছিল তার বাবা-মাকে দেখানো; যারা শেষ পর্যন্ত তার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন।

বিয়ে বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া ২০১৮ সালে শুরু হয়েছিলো। কিন্তু এটি তিন বছর ধরে টানা ছিলো। অবশেষে অনেক আলোচনা, আদালতে উপস্থিতি, বিচার এবং মতবিরোধের পরে বিয়ে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়। তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়।সোনিয়া বলেন, মানুষ সাধারণত বিশ্বাস করে যে, বিয়ে বিচ্ছেদের পরে কোন জীবন নেই। এরপরে আপনার জীবন শেষ হয়। কিন্তু আসলে আমার সবেমাত্র শুরু হয়েছে। আমি এ বছরগুলোতে অনেক কিছু শিখেছি এবং অনেক শক্তিশালী ব্যক্তি হয়েছি। আমি সব সময় চেয়েছিলাম পুরনো আমাকে ফিরে পেতে। আমি এখন মুক্ত মনে করি। আমি যেন কারাগার থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি এবং এখন আমি সত্যিই আমার সেরা জীবন যাপন করছি।

]]>
টয়লেটে গেলে মেলে কমলা-কফি! https://sherakantha.com/2021/09/18/%e0%a6%9f%e0%a7%9f%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%ab%e0%a6%bf/ Sat, 18 Sep 2021 11:37:59 +0000 https://sherakantha.com/?p=131316 Continue reading টয়লেটে গেলে মেলে কমলা-কফি! →]]> দক্ষিণ কোরিয়ার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের টয়লেট ব্যবহার করলে আয় করা যায় ডিজিটাল কারেন্সি। সেই মুদ্রায় শুধু কমলা নয়, অনেক ধরনের ফলের পাশাপাশি কফি ও আরো কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যও কেনা যায়।

পরিবেশবান্ধব ওই শৌচাগারের নাম দিয়েছেন বীভি। Bee ও Vision শব্দ দু’টির প্রথম অংশ নিয়ে তৈরি এই নামেই শুধু নয়, এর কার্যকারিতায়ও দূরদর্শিতার ছাপ রেখেছেন চো জায়-এয়ন। নয় তো টয়লেট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভূমিকা রাখা যাবে, সেই বিদ্যুতে আলো জ্বলবে ভবনে, আর তাই মলত্যাগ করেও অর্থ আয় করা যাবে- এতদিন এমন কথা কে ভেবেছে?

এক ব্যক্তি একবারে গড়ে ৫০০ গ্রামের মতো মলত্যাগ করেন। ওই মল দিয়ে তৈরি হয় ০.৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ, যা দিয়ে একটা গাড়ি অনায়াসে ১.২৫ কিলোমিটার পথ চলতে পারে।

টয়লেটে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করেননি প্রফেসর চো। মলের বিনিময়ে অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থাও রেখেছেন। জিগুল নামের এমন এক ভার্চুয়াল কারেন্সি তৈরি করেছেন, যার বিনিময়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের দোকান থেকে নিয়মিত বই, নুডলস, বিভিন্ন ধরনের ফল, কফি ইত্যাদি কিনছেন।

একবার টয়লেটে গেলে আয় হয় ১০ জিগুল। যার যত জিগুল জমবে, ততবেশি পণ্য কিনতে পারবেন তিনি। শিক্ষার্থী হেও হুই-জিন তো মহাখুশি। তিনি বলেন, ‘এতদিন মনে করতাম পায়খানা খুব নোংরা জিনিস। এখন সেই জিনিসই আমার কাছে খুব মূল্যবান। এখন তো খাওয়ার সময়ও কোনো বই কেনার কথা মাথায় এলে পায়খানা নিয়ে কথা বলি!’

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

]]>
বৃদ্ধাশ্রমে প্রেম, বিয়ের পিঁড়িতে শতবর্ষী জুটি! https://sherakantha.com/2019/07/13/%e0%a6%ac%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0/ Sat, 13 Jul 2019 13:44:42 +0000 http://sherakantha.com/?p=129356 Continue reading বৃদ্ধাশ্রমে প্রেম, বিয়ের পিঁড়িতে শতবর্ষী জুটি! →]]> বৃদ্ধাশ্রমে প্রেম কিংবা বন্ধুত্ব নতুন কোনও ঘটনা নয়। তাই বলে শতবর্ষ পার করে বিয়ে, এটা খবরই বটে। সম্প্রতি এমনই এক ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যের একটি বৃদ্ধাশ্রমে।

জানা গেছে, ১০০ বছর বয়সী বর জন কুক এবং ১০২ বছর বয়সী কনে ফিলিস কুক সিলভানিয়া শহরের একটি বৃদ্ধাশ্রমে আছেন অনেকদিন ধরেই। বছরখানেক আগে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়। সম্প্রতি এই জুটির বিয়ে হয় বৃদ্ধাশ্রমেই।

বিয়ে নিয়ে বর জন স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘পরিকল্পনা করে আমরা কিছু করিনি। আমাদের সম্পর্ক দেখে এখানকার কর্মীরা আমাদের বিয়ের কথা বললেন। আমরাও রাজী হয়ে গেলাম।’

জন এবং ফিলিস তাদের জীবনসঙ্গীদের হারিয়েছেন অনেক বছর আগে। ফিলিস জানান, যেকোন প্রেমের সম্পর্কের সফল পরিণতি হচ্ছেই বিয়ে।

ফিলিস বলেন, ‘প্রেমে পড়া মানুষের জীবনের খুব স্বাভাবিক ঘটনা। তবে আমাদের এই বয়সে প্রেমে পড়াটা অস্বাভাবিক মনে হলেও আমরা সত্যিই পরষ্পরের প্রেমে পড়েছি’।তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দুইজনের অনেক বিষয়ে মিল আছে।পরষ্পরের সঙ্গে সময় কাটানো আমরা দারুণ উপভোগ করি’।

কোন কাজটি আপনাদের সবচেয়ে প্রিয়? এমন প্রশ্নের জবাবে জন বলেন, ‘ এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না’।

শতবর্ষী এই নতুন দম্পতি জানান, পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং নিজের মতো করে থাকতে দেওয়াই যেকোন সম্পর্ক সফল রাখার গোপন রহস্য।

বৃদ্ধাশ্রমে এই নতুন দম্পতির আলাদা আলাদা রুম থাকলেও খাবারের সময় কিংবা বাইরে বসে একসঙ্গে গল্প করে দারুণ সময় পার করেন তারা।

]]>
৮ বছর বয়সে ১০৬ ভাষা রপ্ত! https://sherakantha.com/2019/05/24/%e0%a7%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a7%ac-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%a4/ Fri, 24 May 2019 11:16:06 +0000 http://sherakantha.com/?p=128890 Continue reading ৮ বছর বয়সে ১০৬ ভাষা রপ্ত! →]]> আট বছর বয়সে ১০৬টি ভাষা রপ্ত করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভারতের চেন্নাইয়ের এক শিশু। এ বয়সে সে ১০৬টি ভাষায় লিখতে পড়তে ও বলতে পারে।

তাক লাগানো এই বিস্ময় বালক এখন চেন্নাইয়ের সুপারহিরো। নাম তার নিয়াল থগুলুভা।

এনডিটিভি জানায়, শুধু ভাষা রপ্ত করেই থেমে থাকেনি নিয়াল। ইন্টারনেট আর ইউটিউবের সাহায্যে নিয়ে ইতিমধ্যেই সে ১০৬টি ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারে। শুধু কথা বলায় নয়; এসব ভাষায় নিজের মাতৃভাষার মতো লিখতেও পারে সে।

এ বিষয়ে নিলালের ভাষ্য, ‘আমি নিজেই জানি না। ধীরে ধীরে নেট আর ইউটিউব ঘাঁটতে ঘাঁটতই বোধহয় আগ্রহী হলাম ভাষা সম্বন্ধে। এভাবেই একসময় দেখলাম, ১০৬টি ভাষা শিখে ফেলেছি। এর মধ্যে ১০ ভাষা ঠোঁটস্থ। আপাতত আরও পাঁচটি ভাষা শিখছি।’

ছেলের এই বিরল প্রতিভার জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাবা শঙ্কর নারায়ণন। নিয়াল পড়াশুনার পাশাপাশি এখন ভাষা নিয়েই মজে আছে। তার লক্ষ্য, পৃথিবীর সব ভাষা রপ্ত করা।

]]>
সাইকেল চালিয়ে বরযাত্রা https://sherakantha.com/2018/10/18/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be/ Thu, 18 Oct 2018 12:59:04 +0000 http://sherakantha.com/?p=128290 Continue reading সাইকেল চালিয়ে বরযাত্রা →]]> হাতি-ঘোড়া উড়োজাহজের সঙ্গে বরাযাত্রীর বাহণ হিসেবে যোগ হল এবার বাই সাইকেল। মৌলভীবাজার শহরে বরযাত্রী নিয়ে সাইকেল চালিয়ে কনে আনতে যান বর ও তার লোকজন। প্রায় একই ধরনের সাজে অর্ধশতাধিক বাইসাইকেল নিয়ে এই বরাযাত্রী দেখে কৌতুহল বাড়ে রাস্তার পাশে থাকা দোকানি ও পথচারীদের।

এ সময় অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে, তারা কারা? কী বা করতে এসেছেন? মৌলভীবাজার শহরের সিলেট সড়ক হয়ে কুসুমবাগ এলাকা পাড়ি দেওয়ার সময় সাইকেল র‍্যালিটি যানজটে আটকা পড়লে জানা যায় এই র‌্যালির মূল রহস্য।

অনেকগুলো সাইকেলের ভিড়ে সেই র‍্যালিতে ছিলো একটি বড় চাকার সাইকেল। সেই সাইকেলে থাকা পাগড়িওয়ালা একজন মিষ্টি হেসে বলেন, ‘আমি নিজেই বর, কনে আনতে যাচ্ছি।’ সঙ্গে থাকা কয়েকজন বরযাত্রী হাসিমুখে সবার কাছে দোয়া চান।

বুধবার দুপুরে জেলা শহরের সাদিয়া কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হলো এমন ভিন্ন ধরনের বাইসাইকেল র‌্যালির বিয়ের অনুষ্ঠান।

জানা গেছে, শহরের বড়হাটের মরহুম আশরাফ আলী ও রুবেনা সুলতানা দম্পতির ছেলে শহরের সাদী মোবারক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের স্বত্বাধিকারী আহমদ আলী ছায়েমের সঙ্গে সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের মোজাফরাবাদ গ্রামের সজিব মিয়া ও হাজেরা বেগম দম্পতির মেয়ে সোনিয়া সুলতানা রুমার বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বর আহমদ আলী ছায়েম মুঠোফোনে জানান, এমন আয়োজনের ইচ্ছে আগে থেকেই ছিল। মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটির আমার কাছের মানুষেরা তা বাস্তবায়নে আমাকে সহযোগিতা করেছেন।

এ সময় ছায়েম হেসে বলেন, ‘আমার সম্পূর্ণ ইচ্ছা পূরণ হয়নি। কারণ নতুন বউকে সাইকেলে করে নিয়ে আসতে পারিনি। তাৎক্ষণিকভাবে অনুষ্ঠান হওয়ায় বাইসাইকেলে সেই ব্যবস্থা করতে পারিনি।’ তিনি আশা করেন, সাইক্লিংয়ের মাধ্যমে যুব সমাজ ভালো কাজে এগিয়ে যাবে।

মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটির অ্যাডমিন ইমন আহমেদ ও রাফসান রাজা জাওয়াদ জানান, বর তাদের সাইক্লিং কমিউনিটির নেতা। তাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘সু-স্বাস্থ্যের জন্য সাইক্লিং’। পরিবেশবান্ধব সাইক্লিংয়ে তারা সব সময় তরুণ ও যুব সমাজকে উৎসাহিত করে থাকেন।

তাদের লক্ষ্য তরুণ ও যুব সমাজকে মাদকমুক্ত করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা। সাইক্লিংয়ের মাধ্যমেই তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করে তারা ভালো কাজে নিয়োজিত করতে চান। জেলার মধ্যে এই ধরনের সাইকেল র‍্যালি এটিই প্রথম বলে তারা দাবি করেন।

এ ধরনের ব্যতিক্রমী বরযাত্রার র‌্যালিকে ‘বিবাহ র‌্যালি’ নাম দিয়ে শহরের লোকজন নানারকম মুখরোচক কথাবার্তায় মেতে ওঠে।

]]>
স্ত্রীকে তালাক, শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও https://sherakantha.com/2018/08/29/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/ Wed, 29 Aug 2018 04:05:28 +0000 http://sherakantha.com/?p=128010 Continue reading স্ত্রীকে তালাক, শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও →]]> কুড়িগ্রামে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে আপন শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও রবিউল ইসলাম (৩২) নামে এক যুবক। এ ঘটনায় তার স্ত্রী দুই অবুঝ সন্তান নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার ফকিরপাড়া গ্রামের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম। ২০১০ সালের ১২ আগস্ট সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের আজর উদ্দিনের মেয়ে রুজিনা আক্তার আকলিমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের জীবনে দু’টি সন্তানও রয়েছে। এদিকে রবিউল ইসলাম চলতি বছরের ২৬ জুন গোপনে কুড়িগ্রাম নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে গিয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্ত্রী আকলিমাকে তালাক দেয়। তালাকের নোটিশ স্ত্রী ও পৌর মেয়রকে দেওয়ার বিধান থাকলেও সেটি গোপন রেখে স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে সে।

বিষয়টি জানাজানি হলে প্রথমে অস্বীকার করে রবিউল। পরে বেশি চাপ দিলে স্ত্রীর ওপর চালায় নির্যাতন। এরপর সন্দেহ করার অজুহাতে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এ ব্যাপারে রবিউলের চাচা ও চাচি আকলিমাকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেওয়ার অপরাধে তাদের মোবাইল ভেঙে ফেলে রবিউল। এ সময় চাচি প্রতিবাদ করলে তার হাত মুচড়ে তাকে গুরুতর আহত করে। সবকিছু জানলেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শ্বশুর আনোয়ার ও শাশুড়ি বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেন।

এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কমিশনার মোস্তফা কামাল পাশা জানান, গত প্রায় একমাসে এ ঘটনা ঘটে। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

]]>
কে বড় পণ্ডিত(গল্প) https://sherakantha.com/2017/08/24/%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%97%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa/ Thu, 24 Aug 2017 16:02:49 +0000 http://sherakantha.com/?p=123207 Continue reading কে বড় পণ্ডিত(গল্প) →]]>

শালবনের কিনারা ঘেঁষে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে অনেকগুলো কাঁঠালগাছ। গাছভরা কাঁঠাল। একটি গাছের একটি কাঁঠাল আগাম পেকেছে। ম-ম গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে।
বিকেল বেলায় একটি খ্যাঁকশিয়াল শালবনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় টের পেল পাকা কাঁঠালের গন্ধ। কাঁঠাল-খিদেয় পেট তার চোঁ চোঁ করে উঠল। লোভী চোখে তাকিয়ে ভাবল—কাঁঠাল পাকলে খ্যাঁকশিয়ালের কী! যেমন বেল পাকলে কাকের কী!

না না! কাককে তো সে এ বছরই বেল খেতে দেখেছে! কোথায়, কোথায়! হ্যাঁ, মনে পড়েছে। সেবার একটি গাছপাকা বেল বাতাসে টুপুস করে শক্ত মাটিতে পড়েই ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। সেই বেল খেয়েছিল কাকটি। এমন কোনো সুযোগ কী আছে পাকা কাঁঠালের ক্ষেত্রে? অবশ্য কাঁঠালের বোঁটা যা শক্ত! পেকে-পচে কাঁঠালের কোয়া-ভুচরা মাটিতে পড়ে যেতে পারে, তবুও বোঁটাটা ছিঁড়বে না। ভাবতে ভাবতে তার চোখ আটকে গেল পাকা কাঁঠালের ওপর—কাঁঠালের মুখে ছিদ্র করার চেষ্টা করছে দুটো পুঁচকে কাঠবিড়ালি! তাই তো! যে ডালের আগায় পেকেছে কাঁঠাল, সেটা তো বলতে গেলে মাটির দিকেই নেমেছে। চেষ্টা করলে ওই গাছে তো ওঠা যায়! ভাবতে না ভাবতেই দৌড় দিয়ে সে কাঁঠালগাছটার গোড়ায় গেল। বেশ কসরত করে কিছুটা ওঠার পর দিব্যি হেঁটে হেঁটে নুয়ে পড়া ডাল হয়ে পৌঁছে গেল পাকা কাঁঠালটির কাছে। কাঠবিড়ালি দুটো ছিদ্র প্রায় করেই ফেলেছিল, খ্যাঁকশিয়াল দেখে ভয়ে ওরা পালিয়ে গেল। খ্যাঁকশিয়াল উবু হয়ে শুয়ে প্রথমে ছিদ্র করল কাঁঠালটার মুখের কাছে, তারপরে মজা করে খেতে শুরু করল মধুর রসে ভরা কোয়া। নিচের দিকে তাকিয়ে ভয় অবশ্য করছে অল্প অল্প। মাটি থেকে ১০ ফুট উঁচু তো হবেই। কাঁঠালগাছের মালিক যদি এসে পড়ে, লাফ দিতে হবে। হাড্ডিগুড্ডি ভেঙেও যেতে পারে! তা যাক। কতকাল যে পাকা কাঁঠাল খায় না সে!

শালবনের ভেতর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে এল একটা ধাড়ি পাতিশিয়াল, প্রচণ্ড খেপে হাঁক দিল, ‘ব্যাটা পুঁচকে খ্যাঁকশিয়াল! সাহস তো কম নয় তোর? রোজ সকাল-বিকেল এসে আমি দেখে যাই কাঁঠাল পাকল কি না! আর তুই কিনা আমার সেই কাঁঠাল গিলছিস গাছে চড়ে! ব্যাটা খেকু, তোর আজ ঘাড় মটকাব।’

খ্যাঁকশিয়াল তার কাশফুলের মতো ঝোপালো লেজটি নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিয়ে বলল, ‘ওরে পাতু! তুই আমার এই লেজটারও কিছু করতি পারবিনে।’
পাতিশিয়াল খেপে একেবারে কাই হয়ে চিত্কার দিল, ‘খেকুরে! বেশি খ্যাঁক খ্যাঁক করলি কিন্তু আমি এখনই দূরের ওই গেরস্থ বাড়ির সামনে গিয়ে ‘হুক্কা হুয়া’ ডাক শুরু করব। অমনি ওই বাড়ির বাঘা বাঘা কুকুরগুলো ধাওয়া করবে আমাকে। আমি দৌড়ে এই কাঁঠালতলায় এসে দেখিয়ে দেব তোকে। বুঝবি তখন ঠ্যালা!’

এবার খ্যাঁকশিয়ালটি ‘খ্যাঁক খ্যাঁক’ শব্দে হাসতে শুরু করল। মুখ থেকে ছিটকে বেরোল কাঁঠালের একটি বিচি, পড়ল গিয়ে পাতি শিয়ালটির নাকের ডগায়। তারপরে হাসতে হাসতেই বলল, ‘বোকা পাতুরে! কী বুদ্ধি তোর! বাঘা কুকুররা বুঝি তোকে ছেড়ে দেবে! তুই যেমন গাছে চড়তে পারিসনে, তেমনি কুকুরও গাছে চড়তে পারে না। ডেকে আন তোর দোস্তদের।’

পাতিশিয়াল এবার কাকুতি ভরা কণ্ঠে বলল, ‘তুই না আমার জাতভাই! একাই খাবি? আমাকেও দে না দু-পাঁচটা কোয়া। অত বড় কাঁঠালটা তুই তো আর একা খেয়ে শেষ করতে পারবিনে। পাশের ওই বড় বড় কাঁঠাল দুটোও তো মনে হচ্ছে পেকেছে। দে না ছোট ভাই।’

খেকু এবার সোজা হয়ে ডান থাবা বাড়িয়ে পরখ করল বাকি দুটো কাঁঠাল। তারপর বলল, ‘এ দুটো ভালো করে পাকবে আজ রাতেই। কাল সকালে আমি আমার তিন ছেলেমেয়ে ও তাদের মাকে নিয়ে আসব। গাছে চড়ে মজা করে কাঁঠাল খাব। এটুকু বলে মুখ থেকে একটা বিচি নিচের দিকে ছুড়ে দিয়ে বলল, ‘নে পাতু, কাঁঠালের বিচি গিলে খা। বিচিতে ভাইটামিন আছে।’

বিচিটা কপালের মধ্যিখানে পড়তেই খেপে একেবারে আগুন হয়ে পাতু বলল, ‘পণ্ডিতের সঙ্গে ফাজলামো! জানিস, আমার মাথার খুলির মধ্যে আছে ৬৪ রকমের বুদ্ধি! শিয়াল পণ্ডিত আমি!’

বিচি ফেলে আরেকটি কোয়া গলার ভেতরে চালান করে বলল এবার খেকু, ‘তুই আমার কচু করবি। আসল পণ্ডিত হলাম আমি।’
পাতু বলল, ‘যুগ যুগ ধরে আমিই শিয়াল পণ্ডিত। তুই আবার পণ্ডিত হলি কবে?’

‘আরে মূর্খ পাতু, বইটই তো পড়িসনি জীবনে, যাসনি পাঠশালায়, জানিস না ইতিহাস-ভূগোল। আমাদের পাঠশালায় পড়ে কত কুমিরছানা-মুরগিছানা-ছাগলছানা মানুষ হয়ে গেল! তা ঈশপের নাম শুনেছিস তো, মূর্খ!’

পাতু এবার প্রচণ্ড আক্রোশে দুটো লাফ দিয়ে চিত্কার করে বলল, ‘ওই ব্যাটা ঈশপই তো মূর্খ। মূর্খ না হলে সে সিংহকে বনের রাজা বলে! তোর মতো ইঁদুরমুখো খেকুদের বলে পণ্ডিত! ছ্যা, ছ্যা!’

‘গায়ের জোরে কিন্তু ইতিহাস বদলানো যায় না। ঈশপ হচ্ছে একটা দলিল।’

‘দলিল না ছেঁড়া কাঁথা! ঝড়ে ছেঁড়া কলার পাতা! আরে বোকা খেকু, ওই ঈশপ ব্যাটা তো জীবনে সুন্দরবনের বাঘ দেখেনি, পাতিশিয়ালও দেখেনি। দেখেছে ইঁদুরমুখো খেকুদের আর গরুলেজা-ঘোড়াকেশী সিংহদের। আরে, আমাদের সুন্দরবনের বাঘ দেখলে তো ঈশপ মাথা ঘুরে পড়ে যেত! “মহারাজ” খেতাব দিত বাঘকে। আমাকে খেতাব দিত “মহাপণ্ডিত”!’

খেকু আবারও হাসল খ্যাঁক খ্যাঁক করে। বলল, ‘তা কে বড় পণ্ডিত, প্রমাণ তো তুই দেখতেই পাচ্ছিস! আমি গাছে বসে আরামে কাঁঠাল খাচ্ছি। আর তুই জিভে লালা ঝরাচ্ছিস।’
‘আমি কিন্তু গরু-ছাগলের দড়ি দাঁতে কাটতে পারি। মানুষের মাটির ঘরে সিঁদ কাটতে পারি। তুই কি পারবি ওই কাঁঠালের বোঁটা কাটতে? দেখি তোর দাঁতের ধার!’
‘পারব না মানে! দ্যাখ তবে!’ বলেই খেকু প্রবল জেদে দাঁত দিয়ে কেটে দিল আধখাওয়া কাঁঠালটির বোঁটা। প্রচণ্ড শব্দে কাঁঠালটি পড়ল তলায়। পাতু কিন্তু চুপচাপ দাঁড়িয়েই বলল, ‘ওরে ও খেকু। জীবনে আমি ৩০ বার গরু-ছাগলের দড়ি কেটেছি। তুই অন্তত তিনটি কাঁঠালের বোঁটা কেটে দেখা! তাহলে শুধু আমি কেন, বাংলাদেশের শিয়ালসমাজ তোকেই পণ্ডিত বলে মেনে নেবে। আমাদের ছেলেমেয়েদের তোর স্কুলে পাঠাবে।’

অমনি খেকু জিদ দেখিয়ে অন্য দুটি পাকা কাঁঠালের বোঁটাও কেটে দিল। পড়ল তলায়। এতক্ষণে পাতু ঘাড়-মাথা উঁচিয়ে গলা ছেড়ে ডাকতে শুরু করল হুক্কা হুয়া! দেখতে না দেখতে শালবনের মাটির তলার সুড়ঙ্গ থেকে বেরিয়ে এল ছানাপোনাসহ এক ডজন শিয়াল। দৌড়ে এসে সবাই মিলে পাকা কাঁঠাল ভেঙে খেতে শুরু করল হুটোপুটি করে।

]]>
অবাক কাণ্ড! সিরাজগঞ্জে বউ বদল করেছে দুই যুবক https://sherakantha.com/2017/07/30/%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%89/ Sun, 30 Jul 2017 02:59:18 +0000 http://sherakantha.com/?p=122753 Continue reading অবাক কাণ্ড! সিরাজগঞ্জে বউ বদল করেছে দুই যুবক →]]> সিরাজগঞ্জে পরকীয়া সম্পর্কের কারণে একে অপরের বউ বদলের এক অভিনব ঘটনা ঘটেছে। জেলার কামারখন্দ উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে সেলিম মালয়েশিয়া থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী সোমা খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের পরাণ শেখের ছেলে সোহেলের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে সোহেল তার প্রেমিকা সোমাকে এলাকার একটি তাঁত কারখানায় কাজ নিয়ে দেয়। গভীর প্রেমের টানে সোমা তার দুই বছরের একটি ছেলে সন্তানকে তার দাদির কাছে রেখে সোহেলের হাত ধরে পালিয়ে যায়। সোহেলের ঘরেও স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে।

এদিকে, সোহেলের স্ত্রী তার স্বামীর এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত সোমার স্বামী সেলিমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

গত ৭ জুলাই পরিবারের সম্মতিক্রমে মোবাইলের মাধ্যমে সোহেলের স্ত্রীর সঙ্গে সেলিমের বিয়ে হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

স্থানীয়রা আরও জানায়, সেলিমের স্ত্রী সোহেলের সঙ্গে পাঁচ মাস হলো চলে গেছে। আর সোহেলের স্ত্রীর সঙ্গে সেলিমের বিয়ে হয়েছে সম্প্রতি। সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই তাদের বিয়ে হয়েছে।

সেলিম ও সোহেলের পরিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

]]>
যে কুকুর পিয়ানো বাজায় https://sherakantha.com/2017/07/02/%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f/ Sun, 02 Jul 2017 04:05:59 +0000 http://sherakantha.com/?p=122432 Continue reading যে কুকুর পিয়ানো বাজায় →]]> বাডি মার্কারি নামে একটি বেওয়ারিশ বিগল কুকুর পিয়ানোতে সুরের ঝংকার তুলে জানিয়ে দিলো সে যে একজন গায়ক ও বাদক।মাস চারেক আগে ইউটিউবে আপলোড করার পর থেকেই বাডির ‘পারফর্ম্যান্স’ সংগীত অনুরাগীদের নজর ও কান কাড়তে শুরু করেছে৷ থাবা দিয়ে পিয়ানোর একটি করে চাবি টিপছে বাডি, যেন ওস্তাদ গাইয়ে তানপুরায় আঙুল বোলাচ্ছেন – তারপর আকাশ, মানে ছাদের দিকে মাথা তুলে বাডির সে কী সকরুণ মূর্ছনা…
ওস্তাদ আবদুল করিম খাঁ সাহেবকে নিয়ে একটি গল্প আছে। খাঁ সাহেব নাকি এক রাস্তার কুকুরকে রীতিমতো গান শিখিয়েছিলেন; নাম রেখেছিলেন টিপু মিয়াঁ। সেই টিপু মিয়াঁকে মখমলের কোট আর মোতির মালা পরিয়ে মঞ্চে নিজের পাশে বসিয়ে দু’জনে যুগলবন্দি পর্যন্ত গেয়েছেন!
এটা ওস্তাদি ঠাট্টা কিনা জানা নেই। তবে বাডির সুরবোধ দেখে আর গলা শুনে স্বয়ং আবদুল করিম খাঁ সাহেবও যে ইমপ্রেসড হতেন, তা বলে দেওয়া যেতে পারে।
উল্লেখ্য বিগল কুকুর দল বেঁধে শিকার করে৷ ভীষণ ছটফটে; পোষা দায়। ব্যাসেটও তো শিকারি কুকুর৷ কিন্তু শিকারি কুকুররা আসলে খুব দরদি, কবি টাইপের হয় – বাইরে থেকে বোঝা যায় না৷ তবে সুযোগ পেলে ওদের ভেতরকার সেই ধামাচাপা আর্টিস্ট সত্তাটি বেরিয়ে এসে মনটাকে কেমন করে দেয়!
বিশ্বাস হলো না তো? তাহলে শুনে দেখুন৷

 

]]>