স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা – Sherakantha-সেরা কণ্ঠ https://sherakantha.com Just another WordPress site Sun, 16 Jul 2023 13:34:29 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 জটিল রোগের চিকিৎসায় কাঁচকলা! https://sherakantha.com/2023/07/16/%e0%a6%9c%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b2-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a7%8e%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a-2/ Sun, 16 Jul 2023 11:07:30 +0000 https://sherakantha.com/?p=131512 Continue reading জটিল রোগের চিকিৎসায় কাঁচকলা! →]]> কলা খুবই পরিচিত এবং সহজলোভ্য একটি ফল। এটি খেতে পছন্দ করেন না এমন ব্যক্তি হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। ফল হিসেবে যেমন এর কদর আছে, তেমনি সবজি হিসেবেও এর কদর কিন্তু কম নয়। কাঁচা কলায় রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফেট এবং ভিটামিন এ, ভিটামিন বি৬ ও ভিটামিন সি-এর আদর্শ উৎস। বেশ কিছু জটিল রোগের চিকিৎসাতেও কাঁচা কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

আসুন কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়, সে সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

১) কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়- 
কাঁচা কলায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ডায়াটারি ফাইবার, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে থাকে, সেই সঙ্গে আর্টারির কর্মক্ষমতারে বাড়িয়ে তোলে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ রোগের রোগ দূরে থাকতেও বাধ্য হয়।

২) কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে- 
কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে কাঁচা কলা। অন্ত্রের পুষ্টি জোগায়। বিশেষ করে ক্ষুদ্রান্তের। ডায়াবেটিস রোগীদের একদিকে উচ্চ মাত্রার এনার্জি যোগায়। অন্যদিকে কার্বোহাইড্রেটের নিম্নমাত্রার ক্যালরি প্রদান করে।

৩) ওজন কমাতে সাহায্য করে- 
কাঁচা কলায় উপস্থিত রেজিস্টেন্স স্টার্চ হজম হতে সময় নেয়। ফলে বহুক্ষণ ক্ষিদে পায় না। আর ক্ষিদে না পেলে খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ ঘটে কম। আর এমনটা দীর্ঘ দিন ধরে যখন হতে থাকে, তখন ওজন কমতে সময় লাগে না।

৪) হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে- 
পাকা কলার মত কাঁচা কলাতেও প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিদিন ৪,৭০০ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম গ্রহণে হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস হয়। তবে পটাসিয়াম সবার জন্য নিরাপদ নয়। উচ্চ রক্তচাপ অথবা কিডনির রোগে আক্রান্ত রোগীদের পক্ষে তাই কাঁচা কলা খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকা উচিত।

৫) পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে- 
কাঁচা কলা আঁশযুক্ত সবজি হওয়ায় এটি খুব সহজে হজম হয়। কাঁচা কলা পেটের ভিতরের খারাপ ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। তবে অতিরিক্ত পেট ফোলার সমস্যা থাকলে কাঁচা কলা না খাওয়াই ভালো। কোষ্ঠ্যকাঠিন্যের সমস্যাও অনেক সময়ে বাড়িয়ে দেয়।

৬) রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে-
কাঁচা কলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। বরং সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে এই ফলটি। তাই তো ডায়াবেটিকরা নিশ্চিন্তে কাঁচা কলা খেতে পারেন। তবে ইচ্ছা হলে এ বিষয়ে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতেই পারেন।

]]>
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে দারুচিনি https://sherakantha.com/2021/09/18/%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a3-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87/ Sat, 18 Sep 2021 06:36:56 +0000 https://sherakantha.com/?p=131256 Continue reading ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে দারুচিনি →]]> দারুচিনি লরেল পরিবারের একটি চিরসবুজ উদ্ভিদ। কাঠের ছাল শুকানোর প্রক্রিয়াতে প্রাপ্ত মশালাকে বোঝাতে একই শব্দ ব্যবহৃত হয়। দারুচিনি গরম মশলার অপরিহার্য পদ। খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার। প্রাচীনকালে বহু ভাইরাস ধ্বংস করে দেওয়ার নজির দেখিয়েছে দারুচিনি। তাই সুগন্ধি এই পদকে শুধু খাবারে ব্যবহার করলেই চলবে না। গবেষকরা বলছেন, করোনার কালবেলাতেও প্রতিষেধক হিসেবে কাজে আসতে পারে দারুচিনি।

সাধারণত দুই ধরনের দারুচিনি পাওয়া যায়। সেইলন দারুচিনি ও চাইনিজ বা ক্যাশিয়া দারুচিনি। সেইলন দারুচিনি চাইনিজ দারুচিনির থেকে অনেক বেশি কার্যকরী। নাম শুনেই বোঝা যায়, সেইলন দারুচিনি শ্রীলঙ্কায় উদ্ভব, আর মূলত দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া অঞ্চলেই পাওয়া যায়।

১ চামচ দারুচিনিতে সাধারণত যা যা পুষ্টিকর উপাদান থাকে সে গুলো হলো- ক্যালরি – ৬.৪২, কার্বোহাইড্রেট – ২.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম – ২৬.১ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম – ১.৫৬ মিলিগ্রাম, ফসফরাস – ১১.২ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম – ১১.২ মিলিগ্রাম।

বিভিন্ন ওষুধসম্বন্ধীয় বৈশিষ্ট্যের জন্যেও দারচিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‘সিনামালডিহাইড’ খাবারের গন্ধ ছাড়াও বিভিন্ন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ক্ষেত্রে কার্যকরী হয়ে ওঠে। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে দারুচিনি। এছাড়াও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট হিসেবেও দারুচিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। রক্তের গ্লুকোজ হ্রাস করতে পারে দারুচিনি। এ কারণেই এটি ডায়াবেটিসের চিকিত্সায় ব্যবহৃত হয়।

ডায়াবেটিস হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এজন্য ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

শুধুমাত্র ডায়াবেটিস রোগ নয়, বিভিন্ন পেটের সমস্যার ক্ষেত্রেও দারুচিনি গুরুত্বপূর্ণ। ডায়রিয়ার মোকাবিলা করার জন্যেও দারুচিনি নিয়মিত ব্যবহার করা হয়। আয়ুর্বেদে, দারুচিনির ছাল অনেক সময়ে দাঁতের যন্ত্রণায় বা জয়েন্টের ব্যথার ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

দারুচিনি শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। আমাদের শারীরিক প্রতিরক্ষার জন্য প্রদাহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রয়োজনাতিরিক্ত প্রদাহে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। আর সেটার পরিমাণই মূলত কমিয়ে দিতে পারে দারুচিনি। এই দারুচিনির মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পলিফেনল ও প্রোঅ্যান্থোসায়ানাইডিন, যা কোনও ব্যক্তির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এছাড়াও দারুচিনি মেদ ঝরাতেও কাজে আসে। শ্বাসতন্ত্রের রোগ এবং হার্টের রোগ নির্মূল করতেও খুবই সহায়ক দারুচিনি। দারুচিনির অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল প্রপার্টি বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে পারে।

আয়ুর্বেদিক ওষুধপত্র বা চিকিৎসার ক্ষেত্রে দারুচিনি বহুকাল ধরেই রক্তে বাড়তি শর্করার মাত্রা কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। সম্প্রতিকালে দেখা গিয়েছে যে ৪০ দিন ধরে প্রতিদিন ৬ গ্রাম দারুচিনি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা কম থাকতে পারে। এর সঙ্গে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর ক্ষেত্রেও দারুচিনি অত্যন্ত কার্যকর।

বেশি মাত্রায় দারুচিনি সেবন লিভারের ক্ষতি করতে পারে। কেউ যদি রক্ত তরল করার ওষুধ নিয়মিত খায়, বা কাউকে যদি ডায়াবেটিস মোকাবিলা করার জন্য নিয়মিত ওষুধ খেতে হয়, তাহলে তাদের জন্য বেশি মাত্রায় দারুচিনি না খাওয়াই শ্রেয়। বাজারে দারুচিনির নামে অনেক ধরনের গাছের ছাল দারুচিনি বলে বিক্রি হয়ে থাকে। কেনার আগে গন্ধ এবং একটু ভেঙে মুখে দিয়ে দেখুন ঝাঁজালো স্বাদ কি না।

]]>
সকালে খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা https://sherakantha.com/2021/02/26/%e0%a6%b8%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87/ Fri, 26 Feb 2021 09:56:35 +0000 https://sherakantha.com/?p=131149 Continue reading সকালে খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা →]]> সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে পানি পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে কিংবা তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা।

চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পেটে পানি পান করার কিছু উপকারিতা।
১. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।

২. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস পানি খেয়ে নেয়া উচিত।

৩. প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস পানি খেলে নতুন মাংসপেশি ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

৪. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয় যায় এবং শরীর সহজেই নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।

৫. যারা ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমাতে চান, তারা অবশ্যই প্রতিদিন সকালে উঠে পানি পানের অভ্যাস করুন। কারণ যত বেশি পানি পান করবেন, তত হজম ভাল হবে এবং শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না।

৬. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস পানি বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আথ্রাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে।

৭. ঘুম থেকে উঠে অনেকের মাথা ব্যথা করে। শরীরে পানির মাত্রা কমে যাওয়া মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ। সারা রাত শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি যায় না। তাই সকালে উঠে যদি খালি পেটে পানি পান করা যায় তবে মাথার যন্ত্রণা অনেকটা দূর হয়।

]]>
দু-চার দিনের মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন আনার চুক্তি https://sherakantha.com/2020/10/31/%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be/ Sat, 31 Oct 2020 13:27:55 +0000 https://sherakantha.com/?p=131067 Continue reading দু-চার দিনের মধ্যেই করোনার ভ্যাকসিন আনার চুক্তি →]]> স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, সারাবিশ্বে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে গেছে। করোনার ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সবসময়ই যোগাযোগ রাখছে সরকার।  ভ্যাকসিন আনার ব্যাপারে দু-চার দিনের মধ্যেই চুক্তি হবে।শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপু‌রে মানিকগঞ্জের গড়পাড়ার শুভ্র সেন্টারে জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আয়োজিত করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ফুড প্যাকেজ ও হাইজিন প্যাকেট বিতরণকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক (ডিসি) এসএম ফেরদৌস, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন, সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান প্রমুখ। পরে এক হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ফুড প্যাকেজ ও হাইজিন প্যাকেট বিতরণ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সামনে শীতের সময় করোনার প্রকোপ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনার প্রকোপ বেড়ে গেছে।  যারা ভ্যাকসিন (টিকা) তৈরি করছে, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।  দুই-চার দিনের মধ্যেই একটি চুক্তি হবে ভ্যাকসিন আনার ব্যাপারে।তিনি বলেন, দেশ থেকে এখনও করোনা চলে যায়নি। আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করতে হবে। তুলনামূলকভাবে করোনায় আমাদের দেশে মৃত্যুর হার অনেক কম। আমেরিকাতে সোয়া দুই লাখ লোক মারা গেছে। যদিও আমাদের একটি মৃত্যুও কাম্য নয়। আল্লাহর রহমতে আমরা অনেক ভালো আছি।  স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছি বিধায় আমরা ভালো আছি।  আর কিছুদিন ধৈর্য্য ধরতে হবে।সরকারি প্রতিষ্ঠানে মাস্ক ছাড়া গেলে সেবা না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথাও এসময় স্মরণ করিয়ে দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

]]>
কোন গ্রুপের রক্তে কোন খাবারে অ্যালার্জি https://sherakantha.com/2020/05/05/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%ac/ Tue, 05 May 2020 10:14:42 +0000 http://sherakantha.com/?p=130356 Continue reading কোন গ্রুপের রক্তে কোন খাবারে অ্যালার্জি →]]> অ্যালার্জি মানুষের একটি নিত্যদিনের স্বাস্থ্যগত সমস্যা। অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় যন্ত্রণাদায়ক ব্যাধি। অ্যালার্জিতে হাঁচি থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হল। ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ, গরুর দুধ খেলেই এ সমস্যা শুরু হলে আপনার অ্যালার্জি আছে ধরে নিতে হবে।

অ্যালার্জি কী
প্রত্যেক মানুষের শরীরে একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম থাকে, কোনো কারণে এ ইমিউন সিস্টেমে গোলযোগ দেখা দিলে তখনই অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

খাদ্যদ্রব্য ছাড়া ধুলোবালি, ফুলের পরাগ থেকেও অ্যালার্জির দেখা দিতে পারে। অ্যালার্জি সমস্যা রক্তের গ্রূপ ভেদে আলাদা আলাদাভাবে অনুভূত হয়। অর্থাৎ রক্তের বি গ্রুপে যে খাদ্যে অ্যালার্জি দেখা দেয় তা রক্তের এ গ্রুপের ক্ষেত্রে নাও দেখা দিতে পারে।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত জার্নালের তথ্য মতে আসুন জেনে নিই কোন রক্তের গ্রুপে কোন খাদ্য অ্যালার্জি সৃষ্টি করে-

রক্তের গ্রুপ ‘ও’
এই গ্রুপের মানুষের ক্ষেত্রে রাজহাঁস, মাগুর মাছ, শিং মাছ, চীনাবাদাম, কাজুবাদাম, পোস্তদানা, অ্যাভাকাডো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, জলপাই, লাল আলু, বেগুন, আইসক্রিম, দুধ, দই, নারকেল, তেতুল, স্ট্রবেরি ও আপেল ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য অ্যালার্জি বাড়াতে পারে। অতএব এসব খাদ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে সাবধান থাকুন।

রক্তের গ্রুপ ‘এ’
যাদের রক্তের গ্রুপ ‘এ’ তাদের শরীরে অ্যালার্জির কারণ হতে পারে- হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, কোয়েল পাখি, মাগুর মাছ, ডিম, সামুদ্রিক মাছ, মাখন, ঘন দুধ, পেস্তাবাদাম, কাজুবাদাম, মিষ্টি আলু, বেগুন, জলপাই, কমলা, পেঁপে, আম, টমেটো ইত্যাদি খাদ্যগুলো। দেখে-বুঝে তারপরে খাবার গ্রহণ করুন।

রক্তের গ্রুপ ‘বি’
হাঁসের মাংস, কোয়েল পাখি, কাঁকড়া, চিংড়ি, ব্লু চিজ, ভুট্টা, চীনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, জলপাই, কুমড়া, টমেটো, আইসক্রিম, দুধ, দই, নারিকেল, ডালিম, কামরাঙ্গা ও টমেটো ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য যাদের রক্তের গ্রুপ ‘বি’ তাদের ক্ষেত্রে অ্যালার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রক্তের গ্রুপ ‘এবি’
যারা রক্তের ‘এবি’ গ্রুপ ধারণ করেন তাদের ক্ষেত্রে হাঁসের মাংস, গরুর মাংস, কোয়েল পাখি, কাঁকড়া, চিংড়ি, লবস্টার, পারমিজান, ব্লু চিজ, ভুট্টা, তিলের তেল, পোস্তদানা, সূর্যমুখীর বীজ, কুমড়া বীজ, আইসক্রিম, জলপাই, মূলা, কলা, পেয়ারা, নারিকেল, কমলা, ডালিম এবং কামরাঙ্গা এসব খাবারগুলো থেকে সাবধান থাকতে হবে। কারণ এ খাবারগুলো আপনার শরীরে অ্যালার্জি সৃষ্টি করতে পারে।

]]>
পুদিনা পাতায় মুক্তি মিলবে শ্বাসকষ্ট-মাথা ব্যথা-সর্দি https://sherakantha.com/2020/05/05/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2/ Tue, 05 May 2020 10:03:52 +0000 http://sherakantha.com/?p=130352 Continue reading পুদিনা পাতায় মুক্তি মিলবে শ্বাসকষ্ট-মাথা ব্যথা-সর্দি →]]> মাথা ব্যথা নেই এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। আর শ্বাসকষ্টও মানুষের পুরনো রোগ। সর্দি-কাশি তো আমাদের লেগেই থাকে। এ সব থেকে মুক্তি মিলতে পারে পুদিনা পাতায়।পুদিনা পাতার ঔষধিগুণ সবারই জানা। তাই পুদিনা পাতার চাটনি বা স্মুদি, যেভাবেই পারেন খাবারে পুদিনা পাতা যোগ করতে পারেন।

আসুন দেখে নেয়া যাক পুদিনার কী কী গুণ আছে-

শ্বাসকষ্টে উপকারী: শ্বাসকষ্ট রোগীদের জন্য পুদিনা পাতা এক আশীর্বাদ বলা চলে। পুদিনা পাতা ঠান্ডা হয়, তাই শ্বাস প্রণালি পরিষ্কার করে। তবে অতিমাত্রায় পুদিনা পাতা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

সর্দি-কাশি থেকে রেহাই: ঠান্ডা নাক বন্ধ হলে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হলে পুদিনা ব্যবহার করুন। পুদিনা পাতা ঠান্ডা হয়, তাই শ্বাস প্রণালি পরিষ্কার করে।

মাথা ব্যথার উপশম: পুদিনা পাতার শীতলতা মাথা ব্যথা ভালো করে দেয়। যেকোনো পুদিনা বেস তেল মাথায় লাগালে অনেকটা আরাম পাওয়া যায়।

মুখের স্বাস্থ্যে উপকারী: মুখের দুর্গন্ধ? পুদিনা পাতা বা এই পাতার স্বাদের কোনো চুইংগাম চাবালে আপনার মুখের দুর্গন্ধ হ্রাস পাবে। সাথে এই মুখের দাগও পরিষ্কার করে দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে।

এছাড়া পুদিনা পাতা অরুচি দূর করে কাশি, অরুচি ও পাকস্থলীর প্রদাহে পুদিনা উপকারী। ওজন কমাতে, ত্বক ভালো রাখতে ভালো এন্টিসেপটিক।

]]>
ওরাল সেক্সে’র ভয়াবহতা https://sherakantha.com/2019/07/13/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ad%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%be-2/ Sat, 13 Jul 2019 13:57:28 +0000 http://sherakantha.com/?p=129360 Continue reading ওরাল সেক্সে’র ভয়াবহতা →]]> বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, কনডম ব্যবহারে অনিহার কারণে গনোরিয়া রোগ ছড়িয়ে পড়ছে এবং ‘ওরাল সেক্স’ এর কারণে গনোরিয়ার জীবাণুকে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে।
সংস্থাটি আরো বলছে, এমন পরিস্থিতিতে কেউ যদি গনোরিয়ায় আক্রান্ত হয় তাহলে তার চিকিৎসা করাটা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে তা হয়ে উঠেছে ‘অসম্ভব’।
ডাব্লিউএইচও’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌন সংসর্গের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগের জীবাণু অ্যান্টোবায়োটিকের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কার্যকর নতুন অ্যান্টোবায়োটিক উদ্ভাবনে খুব বেশি সাফল্য এখনও না আসায় পরিস্থিতি আরও বেশি নাজুক হয়ে পড়েছে।
বিশ্বে প্রায় সাত কোটি ৮০ লাখ মানুষ প্রতি বছর এ রোগ সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন, যা অনেকের ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদানে অক্ষমতার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও অন্তত ৭৭টি দেশের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখেছে, গনোরিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠার প্রবণতা কতটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
সংস্থাটির বিশেষজ্ঞ ডাক্তার তিওডোরা উয়ি বলছেন, জাপান, ফ্রান্স ও স্পেনে অন্তত তিনটি ঘটনা পাওয়া গেছে যেখানে গনোরিয়া পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়।
‘গনোরিয়ার জীবাণুকে খুবই স্মার্ট বলতে হবে। যতবার আপনি নতুন অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে এর চিকিৎসা করতে চাইবেন, ততবারই তা প্রতিরোধের ক্ষমতা অর্জন করবে।’- বলছেন তিওডোরা উয়ি।
আরও চিন্তার বিষয় হলো, গরিব দেশগুলোতে গনোরিয়া সংক্রমণের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে; যেখানে এই জীবাণু কতটা ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে, সেই তথ্য পাওয়া কঠিন।
গলায় সংক্রমণ
গনোরিয়ার জীবাণু সাধারণত যৌনাঙ্গ, মলদ্বার বা গলার ভেতরে সংক্রমণ ঘটায়। তবে এর মধ্যে গলার সংক্রমণই চিকিৎসকদের কাছে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ডা: উয়ি বলছেন, ‘সাধারণ গলাব্যথার জন্য এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলেও তাতে নেইসেরিয়া প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করতে পারে’।
“আর ‘ওরাল সেক্স’-এর মাধ্যমে যদি গনোরিয়ার ব্যাকটেরিয়া অর্থাৎ নেইসেরিয়া গনোরিয়া ওই পরিবেশ পায় তাহলে তা ‘সুপার গনোরিয়া’ তৈরি করতে পারে”।
‘যুক্তরাষ্ট্রে সমকামী পুরুষদের মধ্যে গলবিলের (ফ্যারিংক্স) সংক্রমণের মাধ্যমে গনোরিয়া জীবাণু এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে’, জানান ডা: উয়ি।
কনডম ছাড়া যৌন সম্পর্কে জড়ানোর কারণে এইচআইভি এইডস রোগ ছড়োনোর যেমন আশঙ্কা আছে তেমনি একই কারণে গনোরিয়া সংক্রমণের শঙ্কাও রয়েছে।
গনোরিয়া কী?
নেইসেরিয়া গনোরিয়া নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে এই রোগটি হয়। সুরক্ষা ছাড়া যৌন সম্পর্ক বা ওরাল ও অ্যানাল সেক্সের কারণে গনোরিয়া ছড়িয়ে যেতে পারে।
এই রোগটির লক্ষণগুলো হলো- যৌনাঙ্গ থেকে হলুদ বা সবুজ রঙের পুঁজের মতো বের হতে পারে, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হতে পারে বা প্রস্রাব বন্ধও হয়ে যেতে পারে৷ নারীদের তলপেটে ব্যথা ও ঋতুস্রাবে জটিলতাও দেখা দিতে পারে।
কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত পুরুষদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে একজন ও নারীদের তিন-চতুর্থাংশ এবং সমকামী পুরুষদের ক্ষেত্রে এ রোগের লক্ষণ সহজে শনাক্ত করা যায় না।
আর এই রোগ যদি না সারে তাহলে তা বন্ধ্যাত্বের কারণও হতে পারে। গর্ভাবস্থায় এ রোগ সংক্রমণের শিকার হলে তা শিশুর শরীরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গনোরিয়া রোগটি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ঠেকানোর জন্য দেশে দেশে পর্যবেক্ষণ জোরদারের পাশাপাশি নতুন ওষুধ তৈরির গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
‘ওরাল সেক্স’ গনোরিয়ার জীবাণুকে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ভয়ঙ্কর মাত্রায় নিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
গ্লোবাল এন্টিবায়োটিক রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপের কর্মকর্তা ডাক্তার মনিকা বালাসেগারাম বলছেন, ‘পরিস্থিতি গুরুতর’।
‘মাত্র তিনটি ওষুধ গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। সেগুলোর কোনোটি কার্যকর প্রমাণিত হবে কি না, সেই নিশ্চয়তাও নেই’।
কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে গনোরিয়া ঠেকাতে নতুন ওষুধ তৈরি করতেই হবে।
লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের অধ্যাপক রিচার্ড স্ট্যাবলার বলছেন, ‘গনোরিয়ার জীবাণু নতুন এন্টিবায়োটিকেও এত বেশি প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে যে গত ১৫ বছরে তিন দফায় চিকিৎসা পদ্ধতি বদলাতে বাধ্য হয়েছে চিকিৎসকেরা’।
‘এখন আমরা যে ওষুধ ব্যবহার করছি এটাই আমাদের শেষ ভরসা। উদ্বেগের বিষয় হল, সেই চিকিৎসাও ব্যর্থ হওয়ার তথ্য আমরা পাচ্ছি।’
‘ওরাল সেক্স’ কি এখন সাধারণ কোনো বিষয় হয়ে উঠেছে?
বিশ্বের মানুষ এখন আগের তুলনায় ‘ওরাল সেক্স’- এ বেশি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে -এ কথা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয় কারণ এ নিয়ে নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই।
তবে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে বুঝা যায় যে, দেশ দুটোতে এটা খুবই সাধারণ একটা বিষয়। বছরের পর বছর ধরে এমনটা হয়ে আসছে, এমনকি টিন-এজাররাও ‘ওরাল সেক্স’ করছে।
যুক্তরাজ্যের মানুষের ‘সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার ও লাইফস্টাইল’ নিয়ে জাতীয় একটি জরিপ চালানো হয় ১৯৯০-৯১ সালের মধ্যে। সেই জরিপে দেখা যায় ৬৯.৭ শতাংশ পুরুষ এবং ৬৫.৬ শতাংশ নারী প্রতি বছর তার বিপরীত লিঙ্গে কাছ থেকে ‘ওরাল সেক্স’ গ্রহণ করে বা দেয়।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাতীয় জরিপে গবেষকরা দেখেছেন, ১৫-২৪ বছর বয়সীদের দুই-তৃতীয়াংশই ‘ওরাল সেক্স’ এ অভ্যস্ত।
সূত্র: বিবিসি

]]>
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে তিন ব্যায়াম https://sherakantha.com/2019/06/17/%e0%a6%a6%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a4/ Mon, 17 Jun 2019 08:00:50 +0000 http://sherakantha.com/?p=129195 Continue reading দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে তিন ব্যায়াম →]]> ঝাপসা দেখা, প্রায়ই মাথাব্যথা, চোখ দিয়ে পানি ঝড়া ইত্যাদি দুর্বল দৃষ্টিশক্তির লক্ষণ। এই ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি কিছু ব্যায়াম করতে পারেন যেগুলো দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে।

ব্যায়াম চোখের পেশিকে নমনীয় করে এবং রক্তসঞ্চালনে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে চোখ ভালো থাকে এবং দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর কিছু ব্যায়ামের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

ব্যায়াম ১
হাতে একটি পেন্সিল ধরুন। এবার একে চোখ থেকে কিছুটা দূরত্বে সরান। পেন্সিলের ওপর দৃষ্টি রাখুন।
এবার পেন্সিলটি ধীরে ধীরে আপনার নাকের সামনে আনুন। আবার দূরে সরিয়ে নিন। পেন্সিলের দিকেই সবসময় দৃষ্টি রাখুন।
দিনে অন্তত ১০ বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

ব্যায়াম ২
চোখের মণিকে ক্লক ওয়াইজ বা ঘড়ির দিকে ঘুরান কয়েক সেকেন্ডের জন্য।
এবার ঘড়ির উল্টো দিকে মণিকে ঘুরান।
চার থেকে পাঁচ বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

ব্যায়াম ৩
চোখের পাতা বন্ধ করুন আবার খুলুন। এভাবে ২০ থেকে ৩০ বার করুন।
এবার চোখ বন্ধ করে একটু বিশ্রাম নিন।
দিনে দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।

]]>
রোজায় প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে যা করবেন https://sherakantha.com/2019/05/27/%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a7%8b/ Mon, 27 May 2019 12:34:33 +0000 http://sherakantha.com/?p=129017 Continue reading রোজায় প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হলে যা করবেন →]]> গরমে সারা দিন রোজা রাখার পর শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। শরীরে পানিশূন্যতার কারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ইফতারে শরবতের সঙ্গে খেতে পারেন ইসুবগুলের ভুসি। ইসুবগুলের ভুসি আপনার প্রস্রাব হলুদ ও জ্বালাপোড়া, ডায়েরিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, আমাশয় ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। ইসুবগুলের ভুসির রয়েছে বেশ স্বাস্থ্যসম্মত উপাদান, যা শরীরের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিনের ইফতারের আয়োজনে ইসুবগুলের ভুসি রাখতে পারেন শরবতে। আসুন জেনে নেই রোজায় কেন খাবেন ইসুবগুলের ভুসি?

কোষ্ঠকাঠিন্য:
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে ৫-১০ গ্রাম ইসুবগুল নিয়ে এক কাপ ঠাণ্ডা বা হালকা গরম পানিতে আধঘণ্টা ভিজিয়ে তাতে দু-তিন চামচ চিনি মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খেলে বা রাতে শোয়ার আগে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

পাইলস:
কোষ্ঠবদ্ধতা পাইলসের প্রধান কারণ। তাই পাইলসের রোগীদের নিত্যদিনের ওষুধ এই ইসুবগুল। প্রতি রাতে পানিতে এক টিপ ইসুবগুলের ভুসি দিয়ে খেয়ে শুতে যাওয়া অভ্যাস করলে উপকার পাওয়া যায়।

আমাশয়:
যারা আমাশয়ে ভুগছেন, তাদের জন্যও ইসুবগুল ভালো। ইসুবগুল আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারবে না, তবে বের করে দিতে পারবে। আমাশয়ের রোগীরা সকালে ও রাতে একবার শরবতের সঙ্গে খাবেন।

উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে চাইলে ইসুবগুলের ভুসি খান। পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।

ডায়েরিয়া:
ডায়েরিয়া উপশমে বেশ উপকারে আসে ইসুবগুল ভুসি। এজন্য ৭-২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে।

প্রস্রাব হলুদ ও জ্বালাপোড়া:
যে কোনো কারণে প্রস্রাব হলুদ হয়ে জ্বালাপোড়া হলে সকালে এক গ্লাস ও বিকালে এক গ্লাস শরবতের সঙ্গে ইসুবগুলের ভুসি খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া চলে যায়।

মাথা ব্যথা:
যে কোনো কারণে মাথা ব্যথা রোগ হলে বা হাত-পা জ্বালাপোড়া হলে সকাল-বিকালে এক গ্লাস আখের গুড়ের শরবতের সঙ্গে ইসুবগুলের ভুসি মিশিয়ে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

]]>
স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব অভ্যাস https://sherakantha.com/2019/05/10/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9d%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%af%e0%a7%87/ Fri, 10 May 2019 09:23:40 +0000 http://sherakantha.com/?p=128817 Continue reading স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায় যেসব অভ্যাস →]]> বর্তমান বিশ্বে স্ট্রোক মানুষের মৃত্যুর চতুর্থ কারণ হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়ে আক্রান্ত অংশের কোষ নষ্ট হওয়াকে স্ট্রোক বা ব্রেন স্ট্রোক বলে আখ্যায়িত করা হয়।

মস্তিষ্কের অংশ বিশেষ নষ্ট হওয়ায় রোগীর দেহে বেশ কিছু শারীরিক অক্ষমতা দেখা দেয়। যেগুলোকে স্ট্রোকের লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেমন: প্যারালাইসিস, পা, হাত, মুখ অথবা শরীরের ডান বা বাম অংশ অবস হয়ে যাওয়া। কথা বলতে বা কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া, বিভ্রান্তিকর অবস্থায় পতিত হওয়া, কথা জড়িয়ে আসা, একটা চোখে অথবা উভয় চোখে দেখতে সমস্যা হওয়া, অথবা ঝাপসা দেখা, চলাফেরা করতে না পারা, চলাফেরায় ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রমে অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়া, হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা দেখা দেওয়া।

প্রাথমিক অবস্থায় কারও স্ট্রোক দেখা দিলে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা গ্রহণ করা উচিত তা না হলে রোগীর মস্তিষ্কের বেশি অংশ নষ্ট হয়ে জটিল আকার ধারণ করতে পারে অথবা রোগীর দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা মৃত্যু ঘটতে পারে। আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস রয়েছে যা হতে পারে স্ট্রোকের কারণ! জেনে নিন-

ক্ষুধা পেলেই প্যাকেটবন্দি নোনতা কুকিজ বা চিপস খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা বন্ধ করুন। কারণ এতে মিশে থাকা অতিরিক্ত লবণ স্ট্রোক ডেকে আনছে নীরবেই! অতিরিক্ত লবণের প্রভাবে রক্তচাপ বাড়ে এবং তা মস্তিষ্কে রক্ত সংবহনে বাধা দেয়। ফলে আজই রাশ টানুন অতিরিক্ত লবণ মেশানো খাবারে।

২০১৭-য় ‘স্ট্রোক’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা জানাচ্ছে, দিনের পর দিন সকালের প্রথম খাবারে কোনো সিরিয়াল বা প্যানকেক খেয়ে চলেছেন, তারাও দাড়িয়ে রয়েছেন বিপদপথে। এসব সিরিয়াল ও প্যানকেক পেস্ট্রিতে অতিরিক্ত চিনি থাকে।ইস্কিমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে এগুলোর ভূমিকা রয়েছে।

‘দ্য ল্যানসেট’-এ প্রকাশিত ২০১৯-এর একটি গবেষণা বলছে, মদ্যপান করেন না ও স্বাস্থ্যকর খাবার খান তারা স্ট্রোকের থেকে অনেকটাই নিরাপদে থাকেন। তুলনামূলকভাবে মদ্যপায়ীরা রয়েছেন বিপদে।

শরীরে ভিটামিন সি-এর কোনো অভাব পড়ছে কি না, সে দিকে খেয়াল রাখুন। হেমোরহ্যাজিক স্ট্রোককে ডেকে আনে এই ভিটামিনের ঘাটতি। পাতে রাখুন ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার।

সাধারণ নরম পানীয় ছেড়ে ডায়েট পানীয়কে বেছে নেন অনেকেই। কিন্তু এতে অতিরিক্ত চিনি মেশানো থাকে। যা হার্টের জন্যও ক্ষতিকর। মেদ ও কোলেস্টেরলও বাড়ায়। স্ট্রোক ডেকে আনতেও এর জুড়ি নেই। শীত হোক বা গরম, শরীরকে শুষ্ক করে দেওয়া চলবে না মোটেই। তাই পানি খেতে হবে পর্যাপ্ত। শরীরে পানির অভাব যাতে না হয়, তার খেয়ালও রাখতে হবে।

মানসিক অবসাদও স্ট্রোক ডেকে আনার অন্যতম কারণ। হাতশা ও মানসিক অবসাদ হৃদযন্ত্রে যেমন চাপ ফেলে, তেমনই মস্তিষ্কের কোষে রক্ত সঞ্চালনে বাধা দেয়। ঘন ঘন হতাশায় ভোগেন যারা, তারা দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

একটু আধটু ব্যথা হলেই মুঠো মুঠো ব্যথানাশক ওষুধ খান? এতে থাকা স্টেরয়েড ভাস্কুলার ডেথ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মতো অসুখের আশঙ্কাকে বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ। কাজেই অতিরিক্ত এ সব খাওয়ার অভ্যাস থাকলে তা পরিত্যাগ করুন আজই।

দিনে সাত-ঘণ্টা একই জায়গায় বসে কাজ করলে তাদের মস্তিষ্কে অক্সিজেনের জোগান কম হয়। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, মাঝে মাঝেই সিট ছেড়ে উঠুন, হাঁটাহাঁটি করে আসুন। অতিরিক্ত রেড মিট স্ট্রোকের প্রায় ২৮ শতাংশ আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। কোলেস্টেরল বাড়ানোতেও এর জুড়ি নেই।

বদ্ধ ঘরে সারাক্ষণ এসি চালিয়ে বসে থাকেন? তা হলেও সাবধান হোন। মাঝে মাঝেই খুলে দিন জানালা। বাইরের হাওয়াবাতাস ঢুকতে দিন ঘরে। ঘরের ভিতরের হাওয়া যাতে দূষিত না থাকে সে দিকেও নজর দিন। বায়ুদূষণ থেকে বাঁচতে যা যা করণীয়, তা করুন। বায়ুদূষণও স্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

খাবার পাতে দুগ্ধজাত জিনিস রাখুন। যারা ল্যাকটোজেন সহ্য করতে পারেন না, তারাও এর বিকল্প কোনো খাবার জেনে নিন চিকিৎসকের থেকে। দুধ থেকে তৈরি জিনিস প্রতিদিন পাতে রাখলে তা স্ট্রোকের শঙ্কা ঠেকায় অনেকটাই।

ভিটামিন ডি-এর উৎকৃষ্টতম ও প্রায় একমাত্র উৎস সূর্যালোক । সারাক্ষণ এসিতে না থেকে মাঝে মাঝে সূর্যের আলো লাগান শরীরে। ভিটামিন ডি-এর অভাবও স্ট্রোক ডেকে আনে। ভিটামিন ডি-এর অভাব হাড়ের অসুখেরও অন্যতম কারণ। এর অভাব ঘোচাতে বেশ কিছু ওষুধও মেলে। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খেতে পারেন সেসব।

]]>