এক্সক্লুসিভ – Sherakantha-সেরা কণ্ঠ https://sherakantha.com Just another WordPress site Sun, 16 Jul 2023 13:45:44 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.4 টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকলে যে ক্ষতি হয় https://sherakantha.com/2023/07/16/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%98%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95-2/ Sun, 16 Jul 2023 11:40:05 +0000 https://sherakantha.com/?p=131558 Continue reading টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকলে যে ক্ষতি হয় →]]> আজকাল প্রায় সব অফিসেই এসি অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশন ব্যবহার করা হয়। টানা কয়েক ঘণ্টা এসিতে থাকার পর বাসায় ফিরে অনেকেরই আর ফ্যানের বাতাস সহ্য হয় না। এ কারণে অনেকে বাড়িতেও এসি ব্যবহার করছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত এসি নির্ভরশীলতা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। সেই সঙ্গে বাড়াতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। যেমন-

১. যারা দিনের বেশির ভাগ সময় বা অন্তত টানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাদের শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।

২. অতিরিক্ত এসির ব্যবহারের কারণে চোখে নানা ধরণের সংক্রমণ দেখা দেয়।

৩. যারা একটানা ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে কাটান, তাদের মধ্যে আর্থাইটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা নানা ধরণের স্নায়ুর সমস্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৪. অতিরিক্ত এসির ব্যবহার বা দীর্ঘক্ষণ এসিতে থাকার ফলে অনেকের অ্যালার্জির সমস্যাও বাড়তে পারে।

৫. দীর্ঘ ক্ষণ এসিতে থাকার কারণে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে শুষ্ক হয়ে যায় । তখন ত্বকে নানা সমস্যা দেখা দেয়।

৬. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা দীর্ঘসময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকেন, তারা মাথা ব্যথা বা মানসিক অবসাদের মতো সমস্যায় বেশি ভোগেন।

তবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থেকে নিজেকে সুস্থ রাখার কিছু পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন-

১. ঘরের তাপমাত্রা ২১-২৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখতে হবে। ঘরের তাপমাত্রা কখনই ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখা ঠিক নয়।

২. শীতের সময় এসির ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

৩. ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।

৪. মাঝে মধ্যেই মুখে, হাতে পানি ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে হালকা চাদর গায়ে জড়িয়ে রাখতে পারেন।

]]>
চুলের পরিবর্তে মাথায় স্বর্ণের চেইন https://sherakantha.com/2021/09/18/%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac/ Sat, 18 Sep 2021 07:04:12 +0000 https://sherakantha.com/?p=131266 Continue reading চুলের পরিবর্তে মাথায় স্বর্ণের চেইন →]]> মানুষের নানা রকম অদ্ভুত শখ থাকে। সেই শখ পূরণের জন্য অনেকে ঝুঁকিও নেন। তাদের তালিকায় রয়েছেন মেক্সিকান র‌্যাপার ড্যান সুর। মাথার চুল ফেলে দিয়ে এর জায়গায় স্বর্ণের চেইন স্থাপন করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিয়ে ড্যান সুর টিকটকে তার ভক্তদের বলেছেন, ‘সবাই তাদের চুল রং করে। আমি ভিন্ন কিছু করতে চেয়েছি। আশা করব, কেউ আমাকে কপি করবে না।’অপর এক ভিডিওতে ২৩ বছর বয়সী এই গায়ক বলেন, ‘আমি মাথায় হুক স্থাপন করেছি। এই হুকের সঙ্গে আরো হুক রয়েছে। সবগুলোই আমার চামড়ার নিচে খুলির সঙ্গে আটকানো।’

গত এপ্রিলে মাথায় এই ‘স্বর্ণের চুল’ স্থাপন করেছেন ড্যান সুর। এছাড়াও তার মাথায় হীরার হার ঝুলতে দেখা যায়। সোনা, হীরার সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের দামি পাথরও রয়েছে ড্যান সুরের মাথায়। আর এই র‌্যাপারের এমন কাণ্ড দেখে হতবাক তার ভক্ত-অনুসারীরা।তবে চিকিৎসকদের মতে এটি খুবই বিপজ্জনক একটি কাজ। এতে ত্বকে ইনফেকশন হতে পারে। ডা. ফ্র্যাঙ্ক অ্যাগুলো সতর্ক করে বলেন, ‘এই ধরনের কাজ বিপজ্জনক। এতে খুব সহজে ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এই ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের সুরক্ষার জন্য যে হাড় রয়েছে তা স্বর্ণের চেইনের ওজনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ওজন অথবা দুর্ঘটনার কারণে খুলিতে ফ্র্যাকচার হতে পারে।’চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মনা গুহারা জানান, এর ফলে স্থায়ীভাবে চুল পড়ে যেতে পারে। পাশাপাশি এই ক্ষেত্রে ড্যান সুরকে অনুসরণ না করার পরামর্শ দেন তিনি।

]]>
মশা দমনে ঘরোয়া উপায় https://sherakantha.com/2021/02/26/%e0%a6%ae%e0%a6%b6%e0%a6%be-%e0%a6%a6%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a7%9f-2/ Fri, 26 Feb 2021 10:14:08 +0000 https://sherakantha.com/?p=131162 Continue reading মশা দমনে ঘরোয়া উপায় →]]> রাজধানী সহ দেশজুড়ে এডিস মশার মতো অন্য সব মশার আগ্রাসন বেড়ে চলেছে। এতে করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি মশা বাহিত রোগ ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিও আছে। সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ মশা নিধনের নানা উদ্যোগ নিয়েও সফল হতে পারছে না। যে বিষয়টির উপর বিভিন্ন বিজ্ঞাপন বা ঘোষণায় বলা হচ্ছে, তা হলো ঘরের আশেপাশের পুকুর, খোলা পাত্রে পানি জমে যেন মশা ডিম পাড়তে না পারে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে সব সময়। এই অবস্থায় ঘর থেকে মশা দূর করার কিছু প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করে নিজেকে নিরাপদ রাখতে হলে আপনাকেও উদ্যোগী হতে হবে। চলুন জেনে নেই মশা দূর করার কিছু প্রাকৃতিক উপায়।

লেবু ও লবঙ্গ: একটি লেবু অর্ধেক কেটে তাতে কয়েকটি লবঙ্গ ঢুকিয়ে দিন। প্রাকৃতিক এই উপায়ে অনেকেই ঘর থেকে মশা দূর করে থাকেন। এমনকি বলিউড স্টার অক্ষয় কুমারও নাকি তার ঘরের মশা দূর করতে এই উপায় অবলম্বন করেন। তেমনটা জানিয়ে তিনি বলেছেন, তার দাদির কাছ থেকে কার্যকর এই উপায়টি শিখেছেন।

যেসব গাছ মশা দূর করে: মশা গন্ধ শুঁকেই মানুষের গায়ে কামড় বসায়। আর কিছু গন্ধ আছে যা থেকে তারা দূরে থাকতে চায়। এমন কয়েকটি গাছ আছে, যেগুলোর গন্ধ মশা দূর করে। যেমন- পুদিনা, তুলসি, ম্যারিগোল্ড, ক্যাটনিপ। এসব গাছ আপনার ঘরে বা ঘরের আশেপাশে লাগাতে পারেন।

ল্যাভেন্ডার: মশা দূর করার অন্যতম একটি প্রাকৃতিক অস্ত্র হলো ল্যাভেন্ডার। আপনি বিভিন্ন উপায়ে এটি ব্যবহার করতে পারেন। ঘরে বা ঘরের আশেপাশে ল্যাভেন্ডার গাছ লাগাতে পারেন। ল্যাভেন্ডার অয়েল লাগাতে পারেন শরীরে, এমনকি ঘরে ল্যাভেন্ডার গন্ধযুক্ত মোমবাতি ব্যবহার করতে পারেন।

নিম ও লেভেন্ডার অয়েল: নিমের তেল মশা দূর করতে বেশ কার্যকর। গবেষণায় জানা গেছে, যেকোনো ক্যামিকেল সমৃদ্ধ কয়েল বা ভেপোরাইজারের চেয়ে নিমের তেল ১০ গুণ কার্যকর। ত্বকে ব্যবহার করার আগে একই পরিমাণে নিম ও লেভেন্ডার অয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে উপকার পাবেন।

লেমন ইউক্যালিপটাস অয়েল: গবেষণায় দেখা গেছে, লেমন ইউক্যালিপটাস অয়েল মশা দূর করতে বেশ কার্যকর। ল্যাভেন্ডারের মতো এটিও বেশ কয়েকভাবে ব্যবহার করতে পারেন আপনি।

বার্বিকিউতে রোজমেরি: বাগানে বা জঙ্গলে বার্বিকিউ তৈরি করতে গেলে রোজমেরি ব্যবহার করতে পারেন। গ্রিল তৈরিতে যে কয়লা বা কাঠ পোড়াচ্ছেন, তাতে রোজমেরি গাছের কিছু পরিষ্কার পাতা ছুঁড়ে দিতে পারেন। এতে গ্রিলে অদ্ভুত একটা ফ্লেভার যেমন যোগ হবে, তেমনি মশাও দূর হবে।

সিট্রোনেলা ক্যান্ডেল: অনেক ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সিট্রোনেলা ক্যান্ডেল পাওয়া যায়। সেসব মোমবাতি মশা দূর করে।

রসুন: শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও মশা দূর করতে রসুনও কিন্তু বেশ কার্যকর। আপনি যদি রসুন খান বেশি, তাহলে মশা আর আপনার কাছে আসবে না। রসুন খাওয়ার ফলে শরীর থেকে যে ঘাম নি:সৃত হয়, তার কারণে মশা দূর হয়। এছাড়া কয়েক কোষ রসুন থেতলে, একটি পাত্রে পানি নিয়ে তা গরম করতে পারেন। এই পানি মশা দূর করবে। একটি স্প্রে বোতলে ওই দ্রবণটি নিয়ে ঘরের বিভিন্ন অংশে স্প্রে করলে মশা পালাবে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: আপনি কি জানেন অ্যাপেল সিডার ভিনেগার যে মশা দূর করতে পারে? তাই মশা দূর করতে এই ভিনেগার যেমন পান করতে পারেন, তেমনি এর স্প্রে ঘরে বা শরীরে ছিটাতে পারেন।

জনসন বেবি অয়েল: হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন আপনি। মশা আপনার কাছ থেকে দূরে রাখতে হলে এটি ব্যবহার করতে পারেন। জনসন বেবি অয়েল গায়ে মেখে অনেক মানুষই উপকার পাচ্ছেন।

মশাখাদক প্রাণীর সহায়তা: অন্য সব প্রাণীর মতো প্রকৃতিতে মশা খাওয়ার প্রাণীও আছে। তাই আপনার বাসার পাশে মশাখাদক প্রাণী যেন থাকে, সে ব্যবস্থা করতে পারেন। যেসব প্রাণী মশা খায়, সেগুলো হলো- বাদুড়, ব্যাঙ, ফড়িং ও মাছ।

 

]]>
নলকূপ থেকে একাই উঠছে পানি, গোপন রোগসহ ব্যাধি সারাতে মানুষের ভিড় https://sherakantha.com/2020/09/12/%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%aa-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%89%e0%a6%a0%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf/ Sat, 12 Sep 2020 13:39:53 +0000 http://sherakantha.com/?p=130913 Continue reading নলকূপ থেকে একাই উঠছে পানি, গোপন রোগসহ ব্যাধি সারাতে মানুষের ভিড় →]]> নলকূপের পানি পান করলেই মিলবে রোগমুক্তি! সারবে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা ধরনের জটিল ও গোপন রোগ। এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ার পরই দূর-দূরান্ত থেকে পানি নিতে শত শত মানুষ ভিড় করছে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের আনারুলের বাড়িতে।

চারদিন ধরে ওই বাড়ির টিউবওয়েলে কোনো বৈদুতিক মোটর বা হাতের চাপ ছাড়াই পানি উঠছে। এ পানি পান করে কারো রোগমুক্তি হয়েছে কিনা কেউ বলতে পারেনি।এটিকে পুঁজি করে ব্যবসার ফন্দিও আটছে একটি চক্র। প্রশাসন বলছে, যদি কেউ প্রতারণা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা গেছে, ভবানীপুর গ্রামের আনারুল ফকিরের বাড়ির টিউবওয়েল দিয়ে হঠাৎ পানি উঠতে থাকে। এলাকার লোকজন এটিকে আল্লাহর নিয়ামত মনে করে এর পানি পান করলে রোগমুক্তি হবে ভেবে পানি নেয়া শুরু করেন। অনেকেই রোগমুক্তির প্রচারণা চালানোর পর ভবানীপুর ও আশপাশের এলাকার লোকজন পানি নিতে ভিড় জমাচ্ছেন ওই বাড়িতে।

কেউ আসছেন গোপন রোগ ভালো করতে। আবার অনেকেই আসছেন ক্যান্সারসহ দূরারোগ্য রোগ থেকে মুক্তি পেতে। বিশেষ করে শুক্রবার বিকেল থেকে পানি নেয়ার জন্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের ভিড়। কেউ পানি নিয়ে যাচ্ছেন। আবার কেউ ওখানেই নিয়ত করে পানি পান করছেন।

পানি নিতে আসা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের গরুড়া গ্রামের মহিদুল জানান, তার ও তার ছোট ভাইয়ের গোপন রোগ মুক্তির জন্য পানি নিতে এসেছেন। ডাক্তার কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিয়েও তা ভালো হয়নি।

ভবানীপুরের হাবিবুর জানান, চোখে কম দেখেন তিনি। ওই পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করলে ভালো হবে মনে করে খাস নিয়তে তিনি পানি নিয়ে যাচ্ছেন। কাউকে কোনো টাকা দিতে হচ্ছে না।গোয়াল গ্রামের বৃদ্ধা চম্পা এসেছেন তার মেয়ের বন্ধ্যাত্ব দূর করতে। বিয়ের ১০ বছর পার হলেও তার মেয়ের কোনো সন্তান নেই।

এদিকে একটি চক্র ওই টিউবওয়েলটিকে ঘিরে ব্যবসার ফন্দি আটছে। অনেকেই এটিকে অলৌকিক বলে দাবি করে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করছেন। তাদের দাবি, পানি পান করলে রোগ ভালো হবে। পানির অপর নাম জীবন। অনেকের রোগ ভালো হয়েছে বলে দাবি করলেও কোনো লোককে দেখাতে পারেননি তারা।

মেহেরপুর হোটেল বাজার জামে মসজিদের ইমাম সিদ্দিকুর রহমান জানান, এসব কুসংস্কার। রোগব্যাধি ভালো করার জন্য মানুষ ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নেবে। পানি পান করলে কোনো রোগ ভালো হয় কিনা সেটি তার অজানা।

মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন জানান, আমরা ঘটনাটি জেনেছি। এটির সঙ্গে বৈজ্ঞানিক কোনো ভিত্তি নেই। নলকূপের পানিতে রোগমুক্তি হয় এমন তথ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে নেই। যারা পানি নিচ্ছে বা পান করছে তারা গুজবে কান দিয়ে সেখানে ভিড় করছে বলেই আমরা মনে করি।

গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান, ওই স্থানে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পুলিশ ক্যাম্পে জানানো হয়েছে ও সতর্ক করা হয়েছে।গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, ওই টিউবওয়েলের পানিতে রোগ সারবে কীভাবে তা বোধগম্য নয়। এটি প্রতারণার ফাঁদ মাত্র। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে জানানো হবে এবং টিউবওয়েলটি বন্ধ করে দেয়া হবে।

]]>
জেনে নিন স্ত্রীর যে সাতটি গুণ থাকলে স্বামী সুখী হবে https://sherakantha.com/2020/04/02/%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%9f%e0%a6%bf-2/ Thu, 02 Apr 2020 11:52:57 +0000 http://sherakantha.com/?p=130033 Continue reading জেনে নিন স্ত্রীর যে সাতটি গুণ থাকলে স্বামী সুখী হবে →]]> দাম্পত্য জীবনে সুখ তো সবাই চায়। সবাই কি পাই? স্ত্রী ঠিক কেমন হলে দাম্পত্য সুখের হয় তা আজ জেনে নিন। কামসূত্র নয়, কামশাস্ত্রে দাম্পত্যের ব্যাপারে আরও গভীর তত্ত্ব পাওয়া যায়। মানসিক থেকে শারীরিক সম্পর্ক, সবকিছুর উপরেই নির্ভর করে সুস্থ দাম্পত্য। আর সেই প্রসঙ্গে দাম্পত্যের ব্যাপারে বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের কথা বলা হয়েছে কামশাস্ত্রে। স্ত্রী ঠিক কেমন হলে দাম্পত্য সুখের হয়, রয়েছে সেই গুনগুলিও।

আসুন জেনে নেওয়া যাক:

১. স্বামী ও স্ত্রী’র পরিবারের মধ্যে কিছু মিল থাকা প্রয়োজন। আর যে পরিবারের উদার হিসেবে সুখ্যাতি রয়েছে, সেই পরিবারের মেয়েকেই বিয়ে করা উচিৎ।

২. স্ত্রী বুদ্ধিমতী হওয়া প্রয়োজন। আর বিশ্ব জুড়ে কি ঘটছে, সেব্যাপারে জ্ঞান থাকা দরকার। স্ত্রী’র শিক্ষা সমাজ ও পরিবারে উন্নতি নিয়ে আসে।

৩. স্ত্রী’কে তাঁর চারপাশের লোকজনের সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে হবে। যে কোনও স্তরের মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

৪. সামাজিক কর্তব্যের পাশাপাশি ধর্মকর্মে নিষ্ঠা থাকা উচিৎ একজন স্ত্রী’র। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে চলা উচিৎ।

৫. কণ্ঠস্বর হওয়া উচিৎ ধীর ও মধুর। লক্ষ্মীর মত টাকা সঞ্চয় করা উচিৎ, সরস্বতীর মত পবিত্র হওয়া উচিৎ ও পার্বতীর মত স্বামীর প্রতি নিষ্ঠাশীল হতে হবে।

৬. যে মহিলা ভাই-বোনদের সঙ্গে বড় হয়ে উঠেছেন, তার ধৈর্য্য অনেক বেশি হয়। তারা শিশুদের ভালোবাসতে পারে ও সম্পর্কের মর্যাদা দিতে পারে।

৭. ক্ষুধার্তকে যাদের খাওয়ানোর ইচ্ছা থাকে, তারা ভালো স্ত্রী হয়ে উঠতে পারে।

]]>
পুরুষ সঙ্গী বা অভিভাবক ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে সৌদি নারীরা https://sherakantha.com/2019/08/02/%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%95-%e0%a6%9b%e0%a6%be/ Fri, 02 Aug 2019 11:39:55 +0000 http://sherakantha.com/?p=129419 Continue reading পুরুষ সঙ্গী বা অভিভাবক ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে সৌদি নারীরা →]]> সৌদি আরবের নারীদের দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে আর কোনো পুরুষ সঙ্গী বা অভিভাবক লাগবে না। শুক্রবার রাজকীয় এক ডিক্রিতে এই ঘোষণা এসেছে। এর ফলে কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই এখন ২১ বছরের বেশি বয়সী যে কোনো নারী পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

নতুন ডিক্রি অনুযায়ী সৌদি নারীরা এখন শিশুদের জন্ম নিবন্ধন, বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন করতে পারবে। ডিক্রিতে নারীর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও অনেকটা সম্প্রসারিত হচ্ছে। কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে শারিরীক কোনো অক্ষমতা, লিঙ্গ বা বয়সের কারণে কোনো বৈষম্য করা হবে না।

এর আগে সৌদি নারীদের স্বামী, পিতা বা অন্য কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া পাসপোর্ট বা বাহিরে ভ্রমণের অনুমতি দেয়া হতো না। ২০১৬ সালে মোহাম্মদ বিন সালমান ক্রাউন প্রিন্সের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে নারীদের বিভিন্ন অধিকার প্রদান করেন। সম্প্রতি কয়েকজন সৌদি তরুণী দেশের বাইরে পালিয়ে যান। তারা দেশে নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগ করেন।

]]>
স্বামীর থেকে বউ যদি বয়সে বড় হয়, তাহলে……… https://sherakantha.com/2019/07/13/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%89-%e0%a6%af%e0%a6%a6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%9f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%ac-2/ Sat, 13 Jul 2019 14:02:47 +0000 http://sherakantha.com/?p=129366 Continue reading স্বামীর থেকে বউ যদি বয়সে বড় হয়, তাহলে……… →]]> অসম বয়সের সম্পর্ক আমাদের সমাজে স্বীকৃত। সেক্ষেত্রে পুরুষকে হতে হবে বড়, আর মেয়ে হবে ছোট। উল্টোটা হলে সমাজ ও পরিবার সহজে মেনে নিতে চায় না। এছাড়া নানা সমস্যা রয়েছে। সেটা শারীরিক এবং মানসিক।

লোকনিন্দা : স্ত্রী যখন বয়সে বড় হন, তখন প্রথমেই যে বিষয়টির মুখোমুখি হতে হয় সেটি হল লোকজনের নিন্দা। স্বামী-স্ত্রীর দিকে বাঁকা চোখে তাকান অনেকেই। আওয়াজ খেতে হয় বন্ধুদের থেকেও। স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য নিয়ে অনেকে আড়ালে, এমনকি সামনাসামনিও ঠাট্টা করে থাকে।

পারিবারিক অসহযোগিতা : সঙ্গিনীর বেশি বয়স নিয়ে সবচেয়ে বেশি আপত্তি আসে পরিবার থেকে। খুব কম পরিবারই রয়েছে যেখানে এমন বিয়ে সহজেই গ্রহণ করা হয়।

বয়সের ছাপ : স্ত্রী যখন স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় হবেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রীর চেহারায় বয়সের ছাপ আগে পড়বে। অনেক পুরুষই তখন স্ত্রীকে অন্যের সঙ্গে পরিচয় করাতে সঙ্কোচবোধ করেন। আবার অনেক স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বের হতে চান না। পরস্পরের মধ্য একটা দূরত্ব তৈরি হয়।

মানসিক চাপ : স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর বয়স বেশি হলে যেসব পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যা তৈরি হয়, তা মনের উপরে চাপ সৃষ্টি করে। নারী-মনে তা বেশি প্রভাব ফেলে। এর জেরে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াও অস্বাভাবিক নয়।

জীবনে সমস্যা : স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর বয়স খুব বেশি হলে একটা সময়ে জীবনে সমস্যা তৈরি হয়। কারণ, নারী ও পুরুষের শারীরিক ক্ষমতা ও চাহিদা এক রকম হয় না। নারীর বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শারীরিক চাহিদা দিন দিন কমে আর পুরুষের শারীরিক চাহিদা অনেক বয়স পর্যন্ত বজায় থাকে।

গর্ভধারণে সমস্যা : সাধারণত ৩৫ বছরের পরেই গর্ভধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। স্বামীর বয়স খুব কম হলে সে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করতেই পারে। কিন্তু বয়স্কা স্ত্রীর পক্ষে সন্তানের জন্য বেশি দিন অপেক্ষা করা নিরাপদ নয়।

বোঝাপড়ার সমস্যা : মনস্তাত্বিকরা বলেন, সমবয়সি দু’জন ছেলে এবং মেয়ের মধ্যে মেয়ের মানসিক বয়স ছেলের তুলনায় দু’বছরের বেশি হয়। স্বামীর তুলনায় স্ত্রীর বয়স বেশি হলে মানসিক বয়সের পার্থক্য আরও বেশি হবে। এই মানসিক বয়সের পার্থক্যের কারণে বোঝাপড়ার অভাব হওয়াটা স্বাভাবিক। অনেক সময়ে স্ত্রী বেশি অভিজ্ঞ হওয়ায় স্বামীর মনে হতে পারে সেই কর্তৃত্ব করছে।

এমন অনেক সমস্যাই রয়েছে। আবার এই সমাজে এমন অনেক উদাহরণও আছে যেখানে বয়সের এই ফারাক কোনও সমস্যাই তৈরি করেনি। পরস্পরের বোঝাপড়ার মধ্য দিয়ে ছোট বর আর বড় বউ দিব্যি সুখে ঘর-সংসার করছেন।

]]>
৭৫ বছর পর দেখা হল হারানো প্রেমিক যুগলের https://sherakantha.com/2019/06/17/%e0%a7%ad%e0%a7%ab-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/ Mon, 17 Jun 2019 08:12:16 +0000 http://sherakantha.com/?p=129199 Continue reading ৭৫ বছর পর দেখা হল হারানো প্রেমিক যুগলের →]]> ১৯৪৪ সালে অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা, কেটি রবিন্স পূর্ব ফ্রান্সের ব্রায়িতে একটি রেজিমেন্টে নিযুক্ত ছিলেন।জার্মানির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সে সময় জোট বেঁধে লড়াই করছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স।

ফ্রান্সের সেই ঘাঁটিতে থাকাকালীন তরুণ রবিন্স, ১৮ বছর বয়সী ফরাসি মেয়ে জেনেই পিয়ারসন নি গেনেই- এর প্রেমে পড়েন।তবে তাদের দেখা হওয়ার দুই মাসের মধ্যেই, পূর্ব ফ্রন্টের উদ্দেশ্যে কেটি রবিন্সকে তাড়াহুড়ো করে গ্রাম ছেড়ে যেতে হয়।

একজন আরেকজনের থেকে আলাদা হওয়ার সময় তারা ভাবছিলেন যে তাদের আবার দেখা হবে কি না।কেটি রবিন্স পরে জেনেইয়ের একটি ছবি তার কাছে রেখে দেন।তারপর দীর্ঘ ৭৫ বছর পেরিয়ে যায়। তাদের দেখা হয়নি ঠিকই, কিন্তু জেনেইয়ের শেষ স্মৃতি হাতছাড়া করেননি মিস্টার রবিন্স।

এরপর একদিন ফ্রান্সের একদল সাংবাদিক বিশেষ প্রতিবেদনের কাজে মিস্টার রবিন্সের সাক্ষাতকার নিতে আসেন।সে সময় ফ্রান্সের সাংবাদিকরা যুক্তরাষ্ট্রের ভেটেরান অর্থাৎ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করছিলেন।তাদের সঙ্গে দেখা হতেই ফ্রান্সের প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স-টু এর সাংবাদিকদের জেনেই-এর সেই ছবিটি দেখান মিস্টার রবিন্স।

বলেন, যে তিনি ফ্রান্সে ফিরে গিয়ে জেনেইকে না হলে তার পরিবারকে খুঁজে বের করতে চান।তরুণ বয়ছে যেমন ছিলেন কেটি রবিন্স ও জেনেই গেনেই

সাংবাদিকদের সঙ্গে এই সাক্ষাতের কয়েক সপ্তাহ পরেই মিস্টার রবিন্স ডি-ডে ল্যান্ডিং অর্থাৎ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া নরম্যান্ডি ল্যান্ডিং এর এর ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফ্রান্সে যান।

তিনি ভাবতেও পারেননি, তার জন্য কত বড় বিস্ময় অপেক্ষা করছে।মিস্টার রবিন্সকে চমকে দিতে, ফ্রান্সের ওই সাংবাদিকরা আগে থেকেই সেই নারীর খোঁজ বের করেন।এরপর মুখোমুখি করেন দুজনকে।

মিস্টার রবিন্সকে সাংবাদিকরা নিয়ে যান সেই রিটায়ার হোমে, যেখানে অপেক্ষায় ছিলেন মিজ গেনেই।দীর্ঘ ৭৫ বছর পর দেখা হতেই তারা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করেন।

সে সময় মিস্টার রবিন্সের গায়ে ছিল সামরিক পোশাক আর মিজ জেনেই কালো পোশাকে নিজেকে সাজিয়েছিলেন পরিপাটি করে।

পরে মিজ গেনেই সাংবাদিকদের বলেন, তিনি সবসময়ের রবিন্সের কথা মনে করতেন। আশা করতেন যে, একদিন রবিন্স নিশ্চয়ই ফিরে আসবে।

নিজেদের আলাদা হওয়ার মুহূর্তটি নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে স্মৃতিচারণ করেন মিজ গেনেই।

তিনি বলেন, ‘রবিন্স যখন ট্রাকে করে ফিরে যাচ্ছিল, আমার মন এতোটাই ভেঙে পড়েছিল যে আমি ভীষণ কাঁদছিলাম। আমি আশা করেছিলাম যুদ্ধ শেষে সে হয়তো আর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবে না।’

তবে বাস্তবে এই দীর্ঘ সময়ে তাদের একবারের জন্যও দেখা হয়নি।এ নিয়ে আক্ষেপের কথাও জানান মিজ গেনেই।সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘রবিন্স এতদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে কেন ছিল? আমার কাছে আরও আগে কেন ফিরে আসেনি? আমি ভাবি, যদি সে আরও আগে ফিরতো।’

জেনেই পরে বিয়ে করেন। সেই সংসারে তাঁর পাঁচ সন্তান রয়েছে।অন্যদিকে মিস্টার রবিন্সও পরে বিয়ে করেন। যুক্তরাষ্ট্রে নিজের পরিবার নিয়ে থাকছেন তিনি।তাদের দুজনই এখন নিজেদের সঙ্গীকে হারিয়েছেন।

]]>
শয়তানের ব্রিজের’ সঙ্গে বিয়ে https://sherakantha.com/2019/05/26/%e0%a6%b6%e0%a7%9f%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ac/ Sun, 26 May 2019 13:51:41 +0000 http://sherakantha.com/?p=128968 Continue reading শয়তানের ব্রিজের’ সঙ্গে বিয়ে →]]> রূপকথার মতো প্রেম আর বিয়ের স্বপ্ন মানুষকে কোথায় না নিয়ে যায়! এমনি করে এক অস্ট্রেলীয় নারী তার ভালোবাসাকে খুঁজে পেলেন ফ্রান্সে, আর ঠিক করলেন তাকেই বিয়ে করবেন।

কিন্তু জোডি রোজ নামের ওই নারীর জীবনসঙ্গী কোনো মানুষ নয়, একটি প্রাচীন ব্রিজ বা সেতু!

রোজ ছিলেন সিডনির অধিবাসী। ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত সেরেটের টেক নদীর ওপর অবস্থিত ‘লা পন্ত দ্যুঁ দিয়াবলে’ (অর্থ: শয়তানের সেতু) সেতুর সঙ্গে ২০১৩ সালে তিনি বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন।

ফ্রান্স ভ্রমণে গিয়ে ১৪ শতকে নির্মিত প্রাচীন এই পাথুরে সেতুটির প্রেমে পড়ে যান রোজ। সিদ্ধান্ত নেন তার স্বামী হবে এই ব্রিজটিই।ব্রিজ-বিয়ে-ফ্রান্স

তাই ওই বছরই ১৪ জন অতিথির উপস্থিতিতে আয়োজিত ছোট্ট একটি অনুষ্ঠানে বিয়েটা সেরে ফেলেন। নবদম্পতিকে আশীর্বাদ জানাতে আসেন খোদ প্রতিবেশী শহর সেইন্ট জ্যঁ-দ্য-ফোস’র মেয়র।

সানডে নাইট পত্রিকাকে সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাতকারে জোডি রোজ বলেন, ব্রিজকে বিয়ে করার সেই অনুভূতি ছিল ‘খুব সুন্দর’। জড়বস্তুকে মানুষের বৈশিষ্ট্য দিয়ে বিশেষায়িত করার এক ধরনের মানসিক অবস্থা ‘সিনেস্থেসিয়া’ নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির অংশ হিসেবে রোজের সঙ্গে কথা বলেছিল পত্রিকাটি।

‘আমি আসলে খুবই নার্ভাস ছিলাম… নিজেকে বিয়ের কনে মনে হচ্ছিল। আমি চাইছিলাম আমার বিয়ের দিনটা হোক রাজকন্যার বিয়ের মতো,’ বলেন রোজ।

ছয় বছর পর রোজ এখনো বিয়ের সেই আংটি গর্বভরে পরে আছেন। অন্যদিকে বিশেষভাবে বানানো বিশাল একটা আংটি বসানো আছে সেতুটির একটি অংশে।ব্রিজ-বিয়ে-ফ্রান্স

সাক্ষাতকারে রোজ বলেন, ‘আমি ওকে বিয়ের আংটি পরিয়ে দিয়েছিলাম… মানে, আপনি তো তাকে দেখেছেন। ও সুদর্শন, শক্তিশালী ও দৃঢ়। তাকে দেখে আমার মনে হয়েছিল, হ্যাঁ, এমন কারও সঙ্গেই আমার মনের মিল হবে, এবং এমন একজনই আমাকে ধরে রাখতে পারবে।’

বিয়ের সময় নিজের ব্লগে রোজ লিখেছিলেন, সেতু নিয়ে একটি মিউজিক প্রজেক্টের কাজের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। এমন সময় লা পন্ত দ্যুঁ দিয়াবলে’কে দেখেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, সে-ই তার ‘জীবনসঙ্গী’ হবে।

‘ও আমাকে মাটির কাছাকাছি থাকার অনুভূতি দেয়। আমার ভবঘুরে জীবন থেকে বিরাম নিতে আগ্রহী করে তোলে,’ বলেন রোজ, ‘ও স্থির, শান্ত, মাঠির কাছাকাছি তার শেকড়। যেখানে আমি ভবঘুরে, অস্থির, সবসময় পথে পথে ঘুরি।’ব্রিজ-বিয়ে-ফ্রান্স

জীবনসঙ্গীরূপী সেতুটি তাকে নিরাপত্তা আর অস্থির জীবনে বিরতির অনুভূতি দেয় উল্লেখ করে রোজ বলেন, ‘ও বোঝে আমি অন্য সেতু এবং পুরুষকে ভালোবাসি। কিন্তু আমাদের ভালোবাসা জীবনের হরেক খেয়ালের মিশেলে তৈরি হয়েছে।’

রোজ বলেন, ‘শয়তানের সেতু’ নামের ব্রিজটির মাঝে সেই সব ধরনের বৈশিষ্ট্য আছে যা তিনি নিজের স্বামীর মধ্যে চেয়েছিলেন।

ব্রিজের সঙ্গে এই বিয়েকে ফ্রান্সে আইনত বৈধতা দেয়া না হলেও রোজের দাবি তাদের বৈবাহিক বন্ধন খুবই দৃঢ়।

]]>
পৃথিবীর সবচেয়ে দামি হোটেল রুমটি দেখতে কেমন? https://sherakantha.com/2019/03/23/%e0%a6%aa%e0%a7%83%e0%a6%a5%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a7%87/ Sat, 23 Mar 2019 07:13:58 +0000 http://sherakantha.com/?p=128751 Continue reading পৃথিবীর সবচেয়ে দামি হোটেল রুমটি দেখতে কেমন? →]]> বিলাসিতা বলতে আপনি কী ভাবেন? বেশকিছু টাকা খরচ করে দেশে বা দেশের বাইরে ঘুরতে যাওয়া, ভালো রেস্টুরেন্টে খাওয়া, গাড়ি নিয়ে বেড়ানো এই তো? কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিলাসিতার উদাহরণ হিসেবে পরিচিত লাস ভেগাসের পামস ক্যাসিনো রিসোর্টে এমন একটি রুম আছে, যার দাম শুনলে আপনার এসব বিলাসিতার কথা আর মনেই থাকবে না। নতুন এই রুমটির নাম এমপ্যাথি স্যুট, আর এতে এক রাতের খরচ হলো ১ লাখ ডলার। এখানে অন্তত দুই রাত থাকতে হবে, তাই কমপক্ষে ২ লাখ ডলার (প্রায় ১১ কোটি টাকা) খরচ হবেই।

লাস ভেগাসের সবচেয়ে সুন্দর এলাকাটি দেখা যায় পামস  ক্যাসিনো রিসোর্ট থেকে, তাই এখানে খরচ বেশি হবে তা বলাই বাহুল্য।  কিন্তু কী কারণে এই স্যুটটি বিলাসবহুল?

প্রথমত, এই স্যুটটি হলো ৯ হাজার বর্গফুট বড়, যা কিনা ঢাকার যে কোনো সাধারণ ফ্ল্যাটের কয়েকগুণ। এতে আছে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে ধনী শিল্পী ডেমিয়েন হার্স্টের শিল্পকর্ম। শুধু এই রুমের জন্যই তৈরি করা হয়েছে আসবাবপত্র। এতে আছে ১৩ সিটের একটি বার, যেখানে অ্যালকোহলের সরবরাহ আছে ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে ৭ দিন।

১৩ সিটের বার। ছবি: সংগৃহীত

এই স্যুটে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া কিং বেডসহ দুইটি মাস্টার বেডরুম। এর সঙ্গে প্রাইভেট ম্যাসাজ রুমও আছে। আছে হিলিং সল্ট রুম, ওয়াক-ইন স্টিম শাওয়ার, আর হাইড্রোথেরাপি জেটসহ বাথটাব। যারা আরাম করার পাশাপাশি শরীরটাকে সক্রিয় রাখতে চান, তাদের জন্য আছে অত্যাধুনিক ফিটনেস রুম আর একটি প্রাইভেট পুল।

বেডরুম। ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়াও বেশকিছু সুবিধা পাওয়া যাবে এই হোটেলে থাকলে, যেমন রেকর্ডিং স্টুডিও, নাইটক্লাব ও পার্ল কনসার্ট থিয়েটার। এর পাশাপাশি পুরো ভেগাস ঘুরে দেখার জন্য গাড়ি ও শোফার সার্ভিস তো থাকছেই।

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

]]>