শুক্রবার, ২৩শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

সৌদিআরব এবার হাজিদের দিচ্ছে ডিজিটাল ছাতা, থাকছে বহুমাত্রিক সুবিধা (ভিডিও)

সেরাকণ্ঠ ডট কম :
জুলাই ২, ২০১৭
news-image

সাজ্জাদুল হক : বর্তমান যুগ ডিজিটাল ও স্মার্ট ডিভাইজের। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে একটু আরাম ও স্বস্তি এনে দিতে বিশ্বের নানা প্রান্তে বিজ্ঞানীরা নিরলশ গবেষণা করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি হজ মৌসুমে হাজিদের কষ্টো কমাতে এমনই এক স্মার্ট ছাতা আবিষ্কার করেছেন সৌদিআরবের এক বিজ্ঞানী। যা একই সাথে প্রখর রোদে ছায়া ও বাতাস দেবে। এছাড়াও পাওয়া যাবে জিপিএস সিস্টেমসহ বিভিন্ন ডিভাইজ চার্জ দেওয়ার সুবিধা।

মরুভূমির দেশ সৌদিআরবে ভৌগলিক কারণে সূর্যের তাপ তীব্র। চল্লিশ ডিগ্রির উপর এখানকার গড় তাপমাত্রা। হজের মৌসুমে লাখ লাখ হাজিদের ভিড়ে গরম বেড়ে যায় বহুগুণে। প্রচ- এ গরমে হাজিদের একটু স্বস্তি দিতে চেষ্টার কমতি নেই সৌদি কর্তৃপক্ষের। এবার হাজিদের কষ্টো কমাতে নতুন এক ধরনের ছাতা আবিষ্কার করেছেন দুই উদ্যোক্ততা। তীব্র রোদে শুধু ছায়া নয়, ফ্যানের বাতাসও দেবে এই ছাতা। ছাতার সাথেই যুক্ত আছে ছোট এই ফ্যান, আর বিদ্যুৎ সরবরাহ আসে সৌর প্যানেল থেকে।

এ প্রসঙ্গে স্মার্ট ছাতার উদ্ভাবক কামেল বাদাওয়ি বলেন, হাজিরা সাধারণত ছাতা ব্যবহার করে রোদ থেকে বাঁচার জন্য। আগে কেউ ভাবেনি ছায়া ছাড়া অন্যকোন সুবিধা পাওয়া যায় ছাতার মাধ্যমে। ফলে ছাতায় ফ্যান যুক্ত করার বিষয়টিকে আমরা খুব গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ আগামী ১২ বছর হজ মৌসুমে প্রচ- গরম পড়বে। আর সৌরবিদ্যুতের সুবিধার কোন শেষ নেই।
ফিলিস্তিনি সহকর্মী প্রকৌশলি মানাল দালদিসকে সাথে নিয়ে এইছাতা উদ্ভাবন করেছেন মক্কার বিজ্ঞানী কামেল বাদাওয়ি। গরমে আরাম দেওয়ার পাশাপাশি হাজিদের নিখোঁজ হওয়া ঠেকানোর প্রযুক্তি থাকছে এই ছাতায়। এর সাথে আরও যুক্ত থাকছে জিপিএস সিস্টেম। মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইজ চার্জ দেয়ার ব্যবস্থাও।

এ বিষয়ে প্রকৌশলি মানাল দালদিস বলেন, সোলার প্যানেলে তৈরি হওয়া বিদ্যুৎ জমা থাকবে ছাতার হাতলে। এতে ফ্যান, লাইট ও জিপিএসের জন্য আলাদা আলাদা সুইচ রাখা হয়েছে। জিপিএস চালু করলেই সহজে সঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন হাজিরা। একে অপরের অবস্থানও জানতে পারবেন।

বহুমাত্রিক কাজের এই ছাতায় যুক্ত করা হয়েছে বেশ কয়েকটি সোলার প্যানেল। দুই উদ্ভাবকের প্রত্যাশা শুধু হাজিদের মধ্যে নয়, এটিকে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও জনপ্রিয়তা পাবে এই ছাতা। -তথ্যসূত্র : টিবিএন২৪